সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয় তাকে অযৌন জনন বলে। এটি সাধারণত এককোষী জীব ও কিছু বহুকোষী জীবের মধ্যে ঘটে। তবে নিম্নশ্রেণির জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি। এটি স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন এ ধরনের হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অযৌন জনন দুই ধরনের। যথা-

১. স্পোর উৎপাদন ও

২. অঙ্গজ জনন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রধানত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর উৎপাদনের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটে। এমন দুটি উদাহরণ হলো- ১. Mucor ও ২. Penicillium,

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রধানত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর বা অণুবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে বংশরক্ষা করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। উদ্ভিদের দেহকোষ পরিবর্তিত হয়ে অণুবীজবাহী একটি অঙ্গের সৃষ্টি হয়। এদের অণুবীজথলি বলে। একটি অণুবীজথলিতে সাধারণত অসংখ্য অণুবীজ থাকে। তবে কখনো কখনো একটি খলিতে একটি অণুবীজ থাকতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জননকোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খন্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে, তাকে অঙ্গজ জনন বলে। এ ধরনের জনন প্রাকৃতিক নিয়মে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটলে তাকে প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন বলে। আবার যখন কৃত্রিমভাবে অঙ্গজ জনন ঘটানো হয় তখন তাকে কৃত্রিম অঙ্গজ জনন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অঙ্গজ জননকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-১. প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন এবং ২. কৃত্রিম অঙ্গজ জনন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অঙ্গজ জনন যদি প্রাকৃতিক নিয়মে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটে তাহলে তাকে প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন বলা হয়। বিভিন্ন পদ্ধতিতে স্বাভাবিক নিয়মেই এ ধরনের অঙ্গজ জনন দেখা যায়, যেমন- দেহের খন্ডায়ন, মূলের মাধ্যমে, রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

Spirogyra তার দেহের খণ্ডায়নের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। সাধারণত নিম্ন শ্রেণির উদ্ভিদে এ ধরনের জনন দেখা যায়। এ পদ্ধতিতে উদ্ভিদের দেহ কোনো কারণে খন্ডিত হলে প্রতিটি খণ্ড একটি স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে। Spirogyra-র দেহ প্রাকৃতিক নিয়মে খণ্ডায়িত হয় এবং প্রতিটি খন্ড নতুন Spirogyra সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের সাধারণ কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য কাণ্ডের আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটে। এই ধরনের পরিবর্তিত কাণ্ডকে বলা হয় রূপান্তরিত কাণ্ড। যেমন- টিউবার, রাইজোম, বান্ধ, স্টোলন ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই কন্দকে চোখ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাইজোমের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. রাইজোম মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থান করে।
২. কান্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি কন্দ ফসল হলো-
১. পিঁয়াজ ও ২. রসুন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাল্ব বা কন্দের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এরা অতি ক্ষুদ্র কান্ড।
২. এদের কাক্ষিক ও শীর্ষমুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাথরকুচি পাতার মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। পাথরকুচির পাত মাটিতে পড়লে পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়। পরবর্তীে প্রত্যেকটি মুকুল থেকে আলাদা আলাদা পাথরকুচি উদ্ভিদ পাওয়া যায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অঙ্গজ জননের দুটি সুবিধা হলো-
১. উৎপাদিত উদ্ভিদ মাতৃউন্ডিদের মতো গুণসম্পন্ন হয়।
২. উদ্ভিদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অঙ্গজ জননের দুটি অসুবিধা হলো-
১. এতে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্যের সমাবেশ ঘটে না।
২. উৎপন্ন অপত্য উদ্ভিদগুলো খুব সহজেই বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কলম তৈরিতে প্রথমে সুস্থ গাছের কচি ও সতেজ শাখার উপযুক্ত স্থানে বাকল সামান্য কেটে সেখানে মাটি ও গোবর মিশিয়ে আবৃত করে রাখতে হবে। নিয়মিত পানি দিয়ে জায়গাটি ভিজিয়ে রাখতে হবে। এভাবে কিছুদিন রেখে দিলে ঐ জায়গায় মূল গজাবে। এরপর মূলসহ শাখার এই অংশটি মাতৃউদ্ভিদ থেকে কেটে মাটিতে রোপণ করলে নতুন উদ্ভিদ হিসেবে বেড়ে উঠবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন ও কৃত্রিম অঙ্গজ জননের দুটি পার্থক্য হলো:

প্রাকৃতিক অঙ্গজ জননকৃত্রিম অঙ্গজ জনন
১. উৎপন্ন উদ্ভিদ হুবহু মাতৃউদ্ভিদের গুণসম্পন্ন হয়।১. উৎপন্ন উদ্ভিদ হুবহু মাতৃউদ্ভিদের মতো হয় না।
২. নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যের সমাবেশ ঘটে না।২. নতুন বৈশিষ্ট্যের সমাবেশ ঘটানো যায়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যৌন জনন ও অযৌন জননের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো:

যৌন জননঅযৌন জনন
১. জননকোষের মিলনের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।১. জননকোষের মিলন ছাড়াই সম্পন্ন হয়।
২. উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদে ঘটে।২. নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে ঘটে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপই হচ্ছে ফুল। একটি আদর্শ ফুলে ৫টি অংশ থাকে। যে ফুলে ৫টি অংশ থাকবে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। আর যে ফুলে ৫টি অংশের মধ্যে একটি বা দুটি অংশ না থাকে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। ফুল থেকে ফল এবং ফল থেকে বীজ হয়। আর বীজ থেকে নতুন গাছের জন্ম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফুলে সাধারণত পাঁচটি অংশ থাকে। এদের নাম হলো-১. পুষ্পাক্ষ, ২. বৃতি, ৩. দল বা পাপড়ি, ৪. পুংকেশর এবং ৫. গর্ভকেশর

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ থাকে। যেমন-পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক। যেসব ফুলে এই পাঁচটি অংশই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। ধুতুরা ফুলকে সম্পূর্ণ ফুল বলা হয় কারণ এতে এই পাঁচটি অংশই বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সবৃন্তক ফুল ও অবৃন্তক ফুলের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

সবৃন্তক ফুলঅবৃন্তক ফুল
১. ফুলে বৃত্ত থাকে।১. ফুলে বৃত্ত থাকে না।
২. ধুতুরা, জবা।২. কচু।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবককে বৃতি বলে। বৃতি ফুলের অন্য অংশগুলোকে বিশেষত কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। বৃতির রং সবুজ তাই সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বৃতির দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. বৃতি ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবক।
২. এরা সবুজ রঙের হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বৃতি ও বৃত্যাংশের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

বৃতিবৃত্যাংশ
১. বৃতি হলো ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবক।১. বৃত্যাংশ হলো বৃতির প্রতিটি খণ্ড।
২. বৃতি ফুলের রক্ষাকারী আবরণ হিসেবে কাজ করে।২. বৃত্যাংশ ফুলের গঠনে ভূমিকা রাখে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বৃতি ফুল ও উদ্ভিদের বিভিন্ন কাজে লাগে। বৃতি সবুজ হলে তা উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুতে সাহায্য করে। বৃতি ফুলের ভিতরের অংশকে রোদ, ঝড়-বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা করে। বৃতি রঙিন হলে পতঙ্গ আকৃষ্ট হয় ফলে পরাগায়ন ঘটে। এসব কারণে বৃতি ফুলের জন্য প্রয়োজনীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক প্রজননের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এরা সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে। পুংস্তবক থেকে পুংজননকোষ এবং স্ত্রীস্তবক থেকে স্ট্রীজননকোষ তৈরি হয়। প্রজননকোষ দুটির মিলনে নিষেক ঘটে এবং ফল ও বীজ তৈরি হয়।
এ কারণে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দলমণ্ডল ফুলের বাইরের দিক থেকে দ্বিতীয় স্তবক। এর প্রতিটি অংশ বা পাপড়ি ফুলের অভ্যন্তরীণ অংশগুলোকে রোদ, বৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। দলমণ্ডল উজ্জ্বল, রঙিন ও সুগন্ধযুক্ত হলে তা দেখে মানুষ, পশুপাখি ও পোকা-মাকড় আকৃষ্ট হয়। ফলে ফুলের পরাগায়ন ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গর্ভপত্রের তিনটি অংশ। যথা- ১. গর্ভাশয়, ২. গর্ভদণ্ড এবং ৩. গর্ভমুণ্ড।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যখন কতকগুলো গর্ভপত্র নিয়ে একটি স্ত্রীস্তবক গঠিত হয় এবং এরা সম্পূর্ণভাবে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যুক্তগর্ভপত্রী বলা হয়। যেমন- হলুদ, টমেটো, ধুতুরা ইত্যাদি। এসব ফুলের পরাগায়ন সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুংকেশরের দন্ডের ন্যায় অংশকে পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলের ন্যায় অংশকে পরাগধানী বলে। পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। এটি উদ্ভিদের পুংজনন কোষ ধারণ করে এবং পরাগায়নের মাধ্যমে উদ্ভিদের প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফুলের সাহায্যকারী স্তবক হলো- ১. বৃতি ও ২. দলমণ্ডল। অন্যদিকে ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক হলো-১. পুংস্তবক ও ২. স্ত্রীস্তবক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফুলসহ একটি গাছের শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলা হয়। গাছের এই শাখার বৃদ্ধি অসীম হলে তাকে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলে। যেমন-সরিষা, রজনীগন্ধা ইত্যাদির পুষ্পমঞ্জরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।
পরাগায়ন দু'প্রকার; যথা-
১. স্ব-পরাগায়ন ও
২. পর-পরাগায়ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে। যে বাহক পরাগরেণু বহন করে গর্তমুণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে। যেমন-বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষ পরাগায়নের বাহক বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। মধু খেতে অথবা সুন্দর রঙের আকর্ষণে পতঙ্গ বা পাখি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়। এ সময়ে পরাগরেণু বাহকের গায়ে লেগে যায়। এই বাহকটি যখন একই প্রজাতির অন্য ফুলে গিয়ে বসে তখন পরাগরেণু ঐ ফুলের গর্ভমুন্ডে লেগে যায়। এভাবে তাদের অজান্তেই পরাগায়নের কাজটি হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পর-পরাগায়নের সময় একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে পরাগায়ন বা পরাগ সংযোগ ঘটে। এর ফলে উদ্ভিদের নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অঙ্কুরোদগম হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনী শক্তিসম্পন্ন হয় ও নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। এ কারণেই উদ্ভিদে পর-পরাগায়ন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পর-পরাগায়নে একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের, মধ্যে পরাগায়ন ঘটে। তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন এবং এ বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এভাবে পর-পরাগায়নের মাধ্যমে উদ্ভিদে বৈচিত্র্যতার সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

স্ব-পরাগায়নপর-পরাগায়ন
১. স্ব-পরাগায়ন হলো একই ফুলে বা একই গাছের দুটি ভিন্ন ফুলের মধ্যে পরাগ সংযোগ।১. পর-পরাগায়ন হলো একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে পরাগ সংযোগ।
২. বাহকের প্রয়োজন হয় না।২. বাহকের প্রয়োজন হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে ফুলগুলো পরাগায়নের জন্য প্রধানত পতঙ্গের উপর নির্ভর করে, তাদের পতঙ্গ পরাগী ফুল বলে। এসব ফুল বড়, রঙিন, মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং সুগন্ধযুক্ত হয়। এদের পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঠালো থাকে। উদাহরণ- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুপরাগী ফুলের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. ফুল বর্ণ, গন্ধ ও মধুগ্রন্থিহীন।
২. পরাগরেণু হালকা, অসংখ্য ও আকারে ক্ষুদ্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃত ফল ও অপ্রকৃত ফলের দুটি পার্থক্য হলো-

প্রকৃত ফলঅপ্রকৃত ফল
১. শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে।১. গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে।
২. উদাহরণ: আম, কাঁঠাল।২. উদাহরণ: আপেল, চালতা।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রসাল ফল ও নীরস ফলের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো:

রসাল ফলনীরস ফল
১. ফলত্বক পুরু।১. ফলত্বক পাতলা।
২. ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না।২. ফল পরিপক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যখন ভূণকাণ্ড মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে কিন্তু বীজপত্রটি মাটির ভিতরে থেকে যায়, তখন তাকে মৃদগত অঙ্কুরোদগম বলে। যেমন- ছোলা, ধান ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো অঙ্কুরোদগম। অঙ্কুরোদগম দুই ধরনের। যথা: ১. মৃদগত ও ২. মূদভেদী। যখন ভ্রূণকাণ্ড মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে কিন্তু বীজপত্রটি মাটির ভিতরে থেকে যায়, তখন তাকে মৃদগত অঙ্কুরোদগম বলে। যেমন- ছোলা, ধান। আবার যখন বীজপত্রসহ ভূণমুকুল মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে তখন তাকে মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম বলে। যেমন- কুমড়া, তেঁতুল ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যখন বীজপত্রসহ ভ্রূণমুকুল মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে তখন তাকে মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম বলে। তেঁতুলের বীজে অঙ্কুরোদগমের সময় এর বীজপত্রসহ ভূণমুকুল মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে। এ কারণে তেঁতুলকে মৃদভেদী উদ্ভিদ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
220

তোমরা লক্ষ করলে দেখবে একটি উদ্ভিদে বহু বীজ সৃষ্টি হয়। এই বীজগুলো থেকে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। এছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ থেকেও নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। এ সবই উদ্ভিদের প্রজনন বা বংশ বৃদ্ধির উদাহরণ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • যৌন এবং অযৌন প্রজননের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব;
   • পরাগায়ন ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • বিভিন্ন প্রকার পরাগায়নের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব,
   • পরিবেশে সংঘটিত স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন চিহ্নিত করে কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • পরীক্ষার মাধ্যমে অঙ্কুরোদগম প্রদর্শন করতে পারব;

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অযৌন জনন ও
২. যৌন জনন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
142
উত্তরঃ

টিউবার এক ধরনের রূপান্তরিত কান্ড। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে। আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
479
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে উক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
কলম করার জন্য প্রথমে একটি সুস্থ গাছের কচি ও সতেজ শাখা নির্বাচন করা হয়। উপযুক্ত স্থানে বাকল সামান্য কেটে নিতে হয়। এবার ঐ ক্ষত স্থানটি মাটি ও গোবর মিশিয়ে ভালোভাবে আবৃত করে দিতে হবে। এবার সেলোফেন টেপ অথবা পলিথিন দিয়ে এ স্থানটি মুড়ে দিতে হবে যাতে পানি লেগে মাটি ও গোবরের মিশ্রণ খসে না পড়ে। নিয়মিত পানি দিয়ে এ অংশটি ভিজিয়ে দিতে হবে। এভাবে কিছুদিন রেখে দিলে এ স্থানে মূল গজাবে। এর পরে মূলসহ শাখার এ অংশটি মাতৃউদ্ভিদ থেকে কেটে নিয়ে মাটিতে রোপণ করে দিলে নতুন একটি উদ্ভিদ হিসেবে বেড়ে উঠবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
100
উত্তরঃ

পুরবী তার কুল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতিটি বেছে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
যেহেতু পুরবীর কুল গাছের ফলন কম ছিল। তাই সে তার গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য পাশের বাড়ির রানুদের ভালো জাতের কুল গাছকে নিজের গাছে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করা যায়। অর্থাৎ মাতৃউদ্ভিদের মতো একইরকম গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ উৎপন্ন করা সম্ভব হয়। এ কারণে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে পুরবী তার কুল গাছে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভ করে। রানুদের কুল গাছের মতো সেও এখন তার গাছ থেকে ভালো জাতের কুল পাচ্ছে। এছাড়াও মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যও সংরক্ষিত হচ্ছে।
তাই বলা যায় যে, ভালো মানের কুল পাওয়া ও ফলন বৃদ্ধির জন্য পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের যে প্রক্রিয়াটি বেছে নিয়েছে তা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
104
উত্তরঃ

দুটি ভিন্ন প্রকৃতির গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমে যে জনন ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে যৌন প্রজনন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
174
উত্তরঃ

কচু গাছের প্রজনন স্টোলনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। স্টোলন হচ্ছে কচু গাছের শাখাকান্ড। এগুলো প্রজননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের মাথায় বা অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। উপযুক্ত পরিবেশে এ মুকুল বড় হতে থাকে এবং পূর্ণাঙ্গ কচু গাছ জন্ম লাভ করে। এভাবেই স্টোলনের সাহায্যে কচু গাছের প্রজনন সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
232
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews