সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদের দ্বারা কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে করিয়ে নেওয়ার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয়সাধন ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভবপর হয়। একটি দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হেনরি ফেয়লকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক বলা হয়। ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বিংশ শতকের শুরুতে যে ক'জন ব্যক্তি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন হেনরি ফেয়লের নাম তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। তিনি ব্যবস্থাপনাকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কাজ সংবলিত এবং বিশেষ বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, সর্বজনীনভাবে প্রয়োগযোগ্য ও পাঠযোগ্য শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে ব্যবস্থাপনা একটা আধুনিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবস্থাপনার দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-

  • ব্যবস্থাপনা হলো কতকগুলো (পরিকল্পনা, সংগঠন প্রকৃতি) কাজের সমষ্টি।
  • ব্যবস্থাপনার কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে সম্পাদিত হয় বলে এটি একটি প্রক্রিয়া।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবস্থাপনার কাজের ধরন ও প্রকৃতি অবস্থাভেদে কিছুটা ভিন্ন হলেও মৌলিকত্বের বিচারে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই। পরিবার, রাষ্ট্র এমনকি বিশ্বের সকল দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে, সকল সাংগঠনিক ন্তর, সংগঠনের সকল কাজের ক্ষেত্রে, ক্ষুদ্রায়তন-বৃহদায়তন সকল প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্য অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো ব্যবস্থাপনা। ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে মূলত বিশ্বজুড়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার প্রয়োগযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে বোঝানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবস্থাপনা একটি প্রক্রিয়া বা ধারাবাহিক ও পরস্পর নির্ভরশীল কতিপয় কাজের সমষ্টি। একটি প্রতিষ্ঠানের যেকোনো উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যবস্থাপকীয় কার্যসমূহ পরিকল্পনা থেকে শুরু হয়ে ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শেষ হয়। আবার প্রতিষ্ঠান আরেকটি উদ্দেশ্য নিয়ে পর্যায়ক্রমে একইভাবে ব্যবস্থাপকীয়কার্য সম্পাদন করে। ফলে দেখা যায় লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এ কার্যগুলো ধারাবাহিকভাবে চলতেই থাকে। যতদিন প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব টিকে থাকে ততদিনই ব্যবস্থাপনা কার্যাবলি চক্রাকারে আবর্তিত হয়। তাই ব্যবস্থাপনাকে একটি প্রক্রিয়া হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অন্যদের সামর্থ্য ব্যবহার করে কাজ করিয়ে নেওয়ার দক্ষতা ও কৌশল হলো ব্যবস্থাপনা। এটি ধারাবাহিক কিছু কাজের (পরিকল্পনা প্রণয়ন, সংগঠিতকরণ, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা দান, প্রেষণা দান, সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ) সমষ্টি। ব্যবস্থাপনা একটি দলগত প্রক্রিয়া। কাজগুলো সম্পাদন করার জন্য ব্যবস্থাপনার সব স্তরের কর্মীগণ জড়িত থাকেন। তাই ব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য পুরো প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবস্থাপনার কাজ সাতটি। কাজগুলো হলো: ১. পরিকল্পনা প্রণয়ন; ২. সংগঠিতকরণ; ৩. কর্মীসংস্থান;
৪. নির্দেশনা দান; ৫. প্রেষণা দান; ৬. সমন্বয়সাধন ও ৭. নিয়ন্ত্রণ।
প্রতিষ্ঠানের সব উপাদানকে দক্ষতার সাথে পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনার এ কাজগুলো করতে হয়। এগুলো সফলভাবে ও পর্যায়ক্রমিকভাবে সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠানের বিকাশে গতিশীলতা লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সমস্যা মোকাবিলার জন্য পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা সঠিক হলে ভবিষ্যতের কাজ সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়। এছাড়া, এ. পরিকল্পনা প্রতিযোগিতামূলক বাজারের ঝুঁকি কমায় ও অনিশ্চয়তা দূর করে। সঠিক পরিকল্পনা ব্যবসায়ের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের পথকেও সহজ করে। এভাবেই পরিকল্পনা ব্যবসায়ে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন কাজ কে, কখন কীভাবে করবে তা নির্ধারণ করাই হলো পরিকল্পনা। এর ওপর ভিত্তি করে একজন ব্যবস্থাপক সংগঠিতকরণ, কর্মীসংস্থান, নেতৃত্ব ও নির্দেশনা দান, প্রেষণ, সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ কাজ করে থাকেন। তাই পরিকল্পনাকে ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক কাজ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যস্থাপনার দ্বিতীয় কাজটি হলো সংগঠিতকরণ। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের প্রয়োজনীয় সব উপকরণ এবং সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার জন্য কর্মীদে রমাঝে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বণ্টন এবং আন্তঃসম্পর্ক তৈরি করা হয়। সংগঠন কাজকে প্রকৃতি অনুযায়ী সাজিয়ে দেয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের ক্ষ্য অর্জন সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবস্থাপনা হলো কতিপয় কাজের সমষ্টি। এরূপ কার্যাদি একটি ধারাবাহিক কর্মপ্রক্রিয়া সৃষ্টি করে। এরূপ প্রক্রিয়ার সর্বশেষ কাজ আবার পরবর্তী প্রথম পদক্ষেপের ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়। এটা এমনভাবে চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে, যা প্রতিষ্ঠান যতদিন থাকে ততদিন অবিরামভাবে আবর্তিত হয়। এরূপ ধারাবাহিক কর্মপ্রক্রিয়া ও অবিরাম আবর্তনকে ব্যবস্থাপনা চক্র নামে অভিহিত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোন কাজ কখন, কীভাবে করতে হবে সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা প্রয়োজন। সব উপকরণের উপস্থিতি থাকলেও সঠিক নির্দেশনা না থাকলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছানো যায় না। এজন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্দেশনা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী সংগ্রহ, কর্মী নির্বাচন, কর্মী নিয়োগ ও উন্নয়নসংক্রান্ত কাজকে কর্মীসংস্থান বলে। প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি সুন্দরভাবে সম্পাদন করতে হলে প্রয়োজনীয় কর্মী বা মানবসম্পদের প্রয়োজন। যথাস্থানে যথোপযুক্ত কর্মী ব্যতীত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। একটি প্রতিষ্ঠানে যন্ত্রপাতি, পুঁজি, কাঁচামাল ও অন্যান্য উপকরণ যতই মানসম্পন্ন হোক না কেন কর্মী যদি যোগ্য ও দক্ষ না হয় তবে তাদের কার্যকর ব্যবহার কখনই সম্ভব হয় না। তাই ভালো কর্মীসংস্থান ব্যবস্থাপনার পক্ষে একটি অত্যাবশ্যকীয় কাজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ, পরামর্শদান ও তত্ত্বাবধানসংক্রান্ত কাজকে নির্দেশনা বলে। নির্দেশনাকে মানুষের হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের কাজের আদেশ-নির্দেশ প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যথাযথ নির্দেশনা দিতে পারলে কর্মীরা তাদের কাজে সর্বাধিক দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীবৃন্দকে সুষ্ঠুভাবে কার্যসম্পাদনের জন্য উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে। প্রেষণা হলো উৎসাহদান প্রক্রিয়া। এটি ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কর্মীদের নিকট হতে সর্বাধিক কার্য আদায় করে নেওয়া। মানুষকে দিয়ে জোর করে কাজ করানো যায় না বলে বিভিন্ন প্রণোদনার মাধ্যমে মানসিক অবস্থা পরিবর্তন করে তাকে কাজের প্রতি আগ্রহী ও গতিশীল করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপবিভাগের কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য আনয়ন করাকে সমন্বয়সাধন বলে। সমন্বয় ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপবিভাগের কাজকে একসূত্রে গ্রথিত, সংযুক্ত ও সুসংবদ্ধ করা হয়। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্যার্জন সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় পূর্বনির্ধারিত আদর্শমানের সাথে প্রকৃত কার্যের ফলাফল তুলনা করে নির্ণীত বিচ্যুতির সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাকে। নিয়ন্ত্রণ বলে। একটা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছার জন্য ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার যে কার্যক্রম শুরু হয় তা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সমাপ্তি। ঘটে। কারণ নিয়ন্ত্রণ কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুবিধা এবং অসুবিধার যে বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে তার উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সময়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করে নতুন উদ্যমে উদ্দেশ্য অর্জনের প্রয়াস চালানো হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণকে পরিকল্পনা বলে। পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এটি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কাজের ভিত্তিস্বরূপ। কোনো প্রতিষ্ঠান গঠনের পূর্ব হতে শুরু করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত যাবতীয় কার্যাবলি পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। তাই যেকোনো কাজ শুরুর আগেই ভালোভাবে চিন্তা-ভাবনা করে কাজ ঠিক করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কাজের দিকনির্দেশনা। একটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে কীভাবে সাফল্য অর্জন করবে, কীভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নিবে তার বিস্তারিত উল্লেখ থাকে পরিকল্পনায়। এটি অনুযায়ী কাজ - করে সহজে সফলতা পাওয়া যায়। এজন্য প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের প্রতিচ্ছবি বা দিকনির্দেশনা। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সমস্যা মোকাবিলার জন্য পরিকল্পনা করা হয়। এ পরিকল্পনা সঠিক হলে ভবিষ্যতের কাজও সুষ্ঠু এবং নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে সহজেই লক্ষ্যে পৌছানো সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, পরিকল্পনা উদ্দেশ্য অর্জনকে সহজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায়ের প্রয়োজনীয় সকল মানবিক ও বস্তুগত উপকরণ এবং সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার জন্য কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বণ্টন এবং আন্তঃসম্পর্ক তৈরির কার্যাবলিকে সংগঠিতকরণ বলা হয়। সংগঠিতকরণের ফলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজতর হয়। প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ ও-পরিচালনা সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেতৃত্ব বলতে কার্য সম্পাদনের জন্য কর্মীদের পরিচালনা করার কৌশলকে বোঝায়। যিনি নেতৃত্ব দেন তাকে নেতা বলা হয়। আর নেতার কৌশলই হলো নেতৃত্ব। অন্যকে দিয়ে কাজ করানো একটি জটিল বিষয়। তাই এমন কৌশল অবলম্বন করতে হয়, যাতে অধীনস্থরা কথা শোনেন। সহজকথায় নেতৃত্ব বলতে নেতার এমন গুণ বা কৌশলকে বোঝায় যা দ্বারা তিনি কর্মীকে লক্ষ্যার্জনের দিকে ধাবিত করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অধীনস্থ কর্মীদের প্রভাবিত করে তাদের সর্বাধিক সামর্থ্যকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানোর কৌশল হলো নেতৃত্ব। এর মাধ্যমে নেতা কর্মীদের প্রভাবিত করেন। ফলে দলীয়ভাবে কর্মীরা তাদের সব সামর্থ্য নির্ধারিত কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের সকল জনশক্তি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত হয়ে থাকে। তাই ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে নেতৃত্বে নেতা প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। এরূপ নেতৃত্ব স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের সম্পূর্ণ বিপরীত। এক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, ক্ষমতা ও ব্যক্তিত্বের প্রভাব না খাটিয়ে গণতান্ত্রিক নেতা কর্মীদের মতামত ও অনুভূতি বিবেচনা করে তাদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের কাছ থেকে কাজ আদায় করে নেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে নেতৃত্বে নেতা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন এবং সকল সিদ্ধান্ত একা গ্রহণ করেন তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। এরূপ নেতৃত্বে নেতা কাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কর্মীদের ভয়-ভীতি ও শাস্তি প্রদান করেন। এক্ষেত্রে নেতা সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কারো সাথে আলাপ-আলোচনা করার প্রয়োজন বোধ করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুসারে বা পদমর্যাদা হতে যে নেতৃত্বের সৃষ্টি হয় তাকে আমলাতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। আমলাতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের আদেশ দিয়ে কাজ আদায় করে নেন। এক্ষেত্রে কর্মীরা নিয়মমাফিক তাদের দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকেন। এ নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে নেতৃত্বে নেতা কাজ থেকে দূরে থাকেন এবং কর্মীদের অবাধ স্বাধীনতা প্রদান করেন তাকে মুক্ত নেতৃত্ব বলে। এক্ষেত্রে নেতা কর্মবিমুখ থাকে এবং নিজেকে অধস্তনদের কাছ থেকে দূরে রাখে। এরূপ নেতা শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেয় কিন্তু লক্ষ্য বাস্তবায়নে তার কোনো ভূমিকা থাকে না। এতে প্রতিষ্ঠান তার নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে নেতৃত্বে নেতা অধঃস্তনদের সাথে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শ করে কাজ পরিচালনা করেন, তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। এক্ষেত্রে নেতা সব ক্ষমতা নিজের হাতে না রেখে প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব অধঃস্তনদের কাছে ছেড়ে দেন। এছাড়া তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অধঃস্তনদের সাথে পরামর্শ করেন। এ কারণে নেতার প্রতি তাদের ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। ফলে এরূপ নেতৃত্বের প্রতি তারা সন্তুষ্ট থাকেন। এতে কর্মীদের কাজের প্রতি মনোবল বাড়ে এবং তারা সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেন। এজন্য বলা হয়, গণতান্ত্রিক নেতৃত্বই উত্তম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীরা কাজে আন্তরিক হয়। এ নেতৃত্বে নেতা সব ক্ষমতা নিজের হাতে না রেখে প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব অধঃস্তনদের কাছে ছেড়ে দেন। এছাড়া তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অধঃস্তনদের সাথে পরামর্শ করেন। এ কারণে কর্মীদের কাজের প্রতি মনোবল বাড়ে এবং তারা কাজে আন্তরিক হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কর্মীদের কাছে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বেশি জনপ্রিয়। এ নেতৃত্বে নেতা অধঃস্তনদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন। এতে কর্মীরা মতামত দিতে পেরে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এছাড়া নেতা কর্মীদের সাথে আন্তরিক ব্যবহার করে বলে তার সবসময় ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে। ফলে তারা নেতার প্রতি সন্তুষ্ট ও অনুগত থাকে। এসব কারণে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব কর্মীদের কাছে জনপ্রিয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের পার্থক্যসমূহ নিচে দেওয়া হলো-

গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব

স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব

১. গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা অধস্তনদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেন।

১. স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা নিজের ক্ষমতা ও সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন।

২. এ ধরনের নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের কাছে জবাবদিহি করেন।

২. এ ধরনের নেতৃত্বে নেতা শুধু আদেশ দেন, জবাবদিহি করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নারী বা পুরুষভেদে পক্ষপাতহীন থাকাই হলো জেন্ডার সচেতনতা। ইংরেজি জেন্ডার শব্দের অর্থ লিঙ্গ অর্থাৎ নারী কিংবা পুরুষ। আর জেন্ডার সচেতনতা হলো নারী কিংবা পুরুষের ক্ষেত্রে পক্ষপাতহীন থেকে তাদের উভয়ের ন্যায্য অধিকারের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা। একজন ব্যক্তি তথা নেতা তিনি নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন তাকে অবশ্যই তার সহকর্মী নারী পুরুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহাভূতিশীল হতে হবে। তাকে অবশ্যই পক্ষপাতহীন হতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে নেতার মধ্যে নেতৃত্বের সব গুণ বিদ্যমান থাকে, তাকে আদর্শ নেতা বলা হয়। নেতা নিজের গুণ ও বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যদের চেয়ে আলাদা। যে কেউ চাইলেই নেতৃত্ব দিতে পারে না। কারণ, নেতাকে কিছু বিশেষ যোগ্যতা ও গুণের অধিকারী হতে হয়। একজন আদর্শ নেতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে নেতৃত্বের সব দিক ফুটে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একজন আদর্শ নেতার উত্তম গুণাবলির মধ্যে অন্যতম একটি গুণ হচ্ছে দূরদৃষ্টি। কারণ বর্তমানের পরিস্থিতির আলোকে ভবিষ্যতের পরিবেশ-পরিস্থিতি না বুঝতে পারলে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি সম্ভব নয়। যার কারণে নেতাকে বর্তমান পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হয়। তাই নেতাকে অবশ্যই দূরদর্শী সম্পন্ন হতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একজন নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিশ্রমী, সততা, সাহস, প্রখর ব্যক্তিত্ব, দায়িত্বশীল, জেন্ডার সচেতনতা প্রভৃতি গুণ থাকা উচিত।
একজন নেতার প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ে জ্ঞান থাকা উচিত। তিনি সাহসী, দক্ষ ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। তিনি নারী-পুরুষদের প্রতি পক্ষপাতহীন দৃষ্টি স্থাপন করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি দূরদর্শিতা দেখান। ফলে কর্মীরা দায়িত্বশীল ও মনোযোগী হয়ে ওঠে। এগুলো একজন দক্ষ নেতার উত্তম গুণাবলির সাথে সম্পর্কযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আদর্শ নেতার অন্যতম একটি গুণ হলো প্রখর ব্যক্তিত্ব। এ গুণটির আলোকে আদর্শ নেতা মার্জিত ব্যবহার ও সম্মোহনী ক্ষমতা দিয়ে অন্যকে আকর্ষণ করেন। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে ধীরস্থির হয়ে যেকোনো কাজে তার ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ করেন। এটি সার্বিকভাবে তার কাজ ও দায়িত্ব যথাযথভাবে করতে সাহায্য করে। এজন্য আদর্শ নেতাকে প্রখর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কর্মীদের সাথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা এবং তাদেরকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত করার সামর্থ্য হলো মানবিক সম্পর্ক অনুধাবন। একজন সফল নেতার অবশ্যই অধীনস্থ কর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, দৃষ্টিভঙ্গি, যোগ্যতা, রুচি, ব্যক্তিত্ব, অনুধাবন করার যোগ্যতা থাকা উচিত। সহকর্মীদের মনোভাব অনুযায়ী নেতৃত্ব দিতে না পারলে কার্যকর ও সুদূরপ্রসারী ফলাফল আশা করা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেতার ঝুঁকি বহনের সামর্থ্যকে ঝুঁকি গ্রহণ ক্ষমতা বলে। ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সবসময় অনিশ্চিত থাকে। ঝুঁকি গ্রহণ ক্ষমতার মাধ্যমে একজন নেতা ব্যবসায় সফলতার জন্য ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত ঝুঁকি নেন। এজন্য অধীনস্থদের ব্যর্থতার দায়ভারও তাকেই নিতে হয়। যে নেতা যত বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন তিনি তত বেশি সফল হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেতাকে তার দায়িত্ব পালনের জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়। নেতাকে দলের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হয়। পরিশ্রম যেকোনো কাজের মূল চাবিকাঠি। নেতা অলস হয়ে কাজ না করলেও অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে গেলে অধঃস্তনদের সঠিকভাবে পরিচালনা করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আদর্শ নেতাকে পরিশ্রমী হতে হবে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে, ব্যবসায়ের জন্য অর্থ সংগ্রহ করাকে অর্থায়ন বলে। ব্যাপক অর্থে, ব্যবসায়ের আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, সংগৃহীত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারসংক্রান্ত কার্যাবলিকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা হয়। মূলত ব্যবসায় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা, অর্থ সংগ্রহের উৎস অনুসন্ধান, অর্থ সংগ্রহ ও অর্থ ব্যবহারের যাবতীয় কার্যই অর্থায়ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায়ের অর্থ সংগ্রহের প্রধান উৎসটি হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংক। যে ব্যাংক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বল্প সুদে আমানত গ্রহণ করে, অধিক সুদে ঋণ দেয় এবং বিভিন্ন লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। বাণিজ্যিক ব্যাংক একটি মুনাফাকেন্দ্রিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংকসহ সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ব্যবসায়ীদের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দিয়ে থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
27

মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে ব্যবস্থাপনার উৎপত্তির সহ-সম্পর্ক রয়েছে। শুরুতে ব্যবস্থাপনা ছিল পরিবার ও দলভিত্তিক। সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবস্থাপনার ধারণাটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে ব্যবসায়ী সমাজের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি থেকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদের দ্বারা প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেওয়ার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে। আলোচ্য অধ্যায়ে আমরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার ধারণা, কার্যাবলি, এবং ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে জানতে পারব।


এ অধ্যায়টি পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যবস্থাপনার ধারণা ও কার্যাবলি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিকল্পনার ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • সংগঠিতকরণের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • নেতৃত্বের ধারণা ও প্রকারভেদগুলো বর্ণনা করতে পারব।
  • ভালো নেতার গুণাবলি চিহ্নিত করতে পারব।
  • ব্যবসায় অর্থায়নের ধারণা ও উৎসগুলো বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অধীনস্থ কর্মীদের পূর্ণ কার্যক্ষমতা ব্যবহারের লক্ষ্যে তাদেরকে কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত বা উৎসাহিত করার প্রক্রিয়া হলো প্রেষণা।

মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার আগ্রহ তৈরি করা প্রেষণার উদ্দেশ্য। এটি কর্মীদের মানসিক অবস্থাকে প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি ইতিবাচক করে তোলে। এতে কাজের প্রতি কর্মীর মনোবল বাড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
306
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব মাহিনের কাজটি হলো ব্যবস্থাপনা।

এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়। একজন ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, যোগ্য কর্মী নিয়োগ, কর্মীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং দক্ষতা বাড়াতে কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। তাছাড়া তিনি কর্মীদের কাজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য প্রেষণা দেন।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন 'হাসি-খুশি নকশি ঘর'-এর মালিক। তিনি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি কর্মীদের কাজের জন্য দিক-নিদের্শনা ও পরামর্শ দেন। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বিবেচনা করে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ ও যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। এভাবে তিনি কর্মীদের দিয়ে কাজ করিয়ে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করেন। এসব কাজ ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির সাথে সম্পৃক্ত। তাই জনাব মাহিনের কাজটিকে ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বলা যায়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
329
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাহিনের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উপকরণ ও সম্পদসমূকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করা যায়। একজন ব্যবস্থাপক দক্ষতার সাথে কাজ পরিচালনা করতে পারলেই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয়। বর্তমানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই দক্ষ ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন অনেক ভেবে-চিন্তে প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। আবার উকরণাদির যাতে সুষ্ঠু ব্যবহার হয় সেজন্য কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। পণ্যের মান বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেন। প্রয়োজনে তিনি কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেন।

জনাব মাহিনের কার্যকর দিক-নির্দেশনা ও পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি সহজেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। তার দক্ষতার কারণেই মানবীয় (শ্রমিক-কর্মী) ও অমানবীয় (কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি) উপাদানের সদ্ব্যবহার হয়। এভাবেই 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
347
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের ভিন্ন-ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকাকে 'জেন্ডার সচেতনতা' বলে।

একজন কর্মী নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ পক্ষপাতহীন আচরণ বজায় রাখতে হবে। কারও প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews