সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৬ সালে জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন। পূর্ব বাংলা আইন পরিষদে বিরোধীদল কৃষক-প্রজা পার্টির আক্রমণে ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী মাথায় আঘাত পেয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় সৃষ্ট গোলযোগ ইস্কান্দার মির্জাকে সেনাশাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। ফলে পাকিস্তানে প্রথম সামরিক জারি করা হয়। তিনি! দেশের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৮ সালে ইস্কান্দার মির্জা দেশে সামরিক আইন জারি করে প্রধান সেনাপতি আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করেন। কিন্তু আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে বিদেশ যেতে বাধ্য করেন এবং নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন। এ লক্ষ্যে তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন। বস্তুত, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে রাখার জন্যই আইয়ুব খান নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে এক ধরনের সীমিত গণতন্ত্র, যাতে কেবল নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল। ১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান কর্তৃক মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৯ সালে জেনারেল আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থায় কেবল নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের স্বাধীনতা ছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়। এ নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যদের মৌলিক গণতন্ত্রী বলা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা। নিম্ন থেকে উচ্চ পর্যন্ত স্তরগুলো ছিল: ১. ইউনিয়ন পরিষদ (গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি (শহরে); ২. থানা পরিষদ (পূর্ব পাকিস্তানে), তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে); ৩. জেলা পরিষদ; ৪. বিভাগীয় পরিষদ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে চাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে। এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালের ৮ই জুন সামরিক আইন স্থগিত করা হলে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরে আসে। আইয়ুব খান নিজেই কনভেনশন | মুসলিম লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এ সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আইয়ুববিরোধী মোর্চা গঠনের আহ্বান জানান। ফলে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এনডিএফ গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আইয়ুববিরোধী মোর্চা গঠনের আহ্বান জানান। ফলে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এনডিএফ গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানবিরোধী একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আবার আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে একটি জোট বা COP (Combined Opposition Party) গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালে কাশ্মীরকে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। ১৯৬৫ সালে কাশ্মীরি নেতা শেখ আবদুল্লাহকে গ্রেফতার করা হলে ভারতের কাশ্মীরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬ই সেপ্টেম্বর পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালে সংঘটিত পাক-ভারত যুদ্ধ পূর্ব বাংলার জনমনে আইয়ুববিরোধী চেতনা প্রবলভাবে জাগ্রত হয়। কেননা যুদ্ধে এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, পূর্ব বাংলার কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। অরক্ষিত এ অঞ্চল যেকোনো সময় ভারতের আক্রমণের শিকার হতে পারত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয় তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে। সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কোসিগিনের আমন্ত্রণে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ১৯৬৬ সালের জানুয়ারিতে তাসখন্দ শহরে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ইতিহাসে এ চুক্তি 'তাসখন্দ চুক্তি' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। তারা পূর্ব পাকিস্তানের ওপর ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে সমাজ, শিক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শোষণ চালিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের সমৃদ্ধি ঘটায়। তাছাড়া সামরিক প্রশাসনিক ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে তারা বৈষম্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মের পর থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে পশ্চিম পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী রাখা হয়। গণতন্ত্রকে উপেক্ষা করে পাকিস্তানি শাসকরা স্বৈরতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র ও সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে দেশ শাসন করতে থাকে। বাঙালি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর দমননিপীড়ন চালিয়ে পূর্ব প্লাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ অচল করে রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালে পাকিস্তানের মন্ত্রণালয়গুলোতে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ৯৫৪ জনের মধ্যে বাঙালি ছিলেন মাত্র ১১৯ জন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ৪২০০০ কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালির সংখ্যা ছিল মাত্র ২৯০০। ১৯৪৭ সালে করাচিকে রাজধানী করায় সরকারি অফিস-আদালতে পশ্চিম পাকিস্তানিরা ব্যাপক হারে। চাকরি লাভ করে। পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রায় সকল উচ্চপদে পশ্চিম পাকিস্তানিদের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সামরিক বাহিনীর নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তাতে ৬০% পাঞ্জাবি, ৩৫% পাঠান এবং মাত্র ৫% পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য অংশ ও পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারণ করা হয়। সামরিক বাহিনীর মোট ২২১১ জন কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালি ছিলেন মাত্র ৮২ জন। ১৯৬৬ সালে সামরিক বাহিনীর ১৭ জন শীর্ষ পর্যায়ের কর্তকর্তার মধ্যে মাত্র ১ জন ছিলেন বাঙালি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি শাসনামলে মুদ্রাব্যবস্থা ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকায় পূর্ব পাকিস্তানের সকল অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যেত। তাছাড়া উদ্বৃত্ত আর্থিক সঞ্চয় পশ্চিম পাকিস্তানে জমা থাকার কারণে বংলাদেশে কোনো অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে উঠতে পারে নি। সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পশ্চিম পাকিস্তানে শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও পূর্ব পাকিস্তানে তা করা হয়নি। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ১৯৫৫-৬৭সালে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ছিল ৭৯৭ মিলিয়ন রুপি, যেখানে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল ২০৮৪ মিলিয়ন রুপি। আবার পাকিস্তানের সর্বমোট ৩৫টি বৃত্তির ৩০টি পেয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তান এবং মাত্র ৫টি বরাদ্দ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য ছয়টি দফা বিশিষ্ঠ একটি দাবি উত্থাপন করেন যা ইতিহাস ছয় দফা নামে পরিচিত। এটি ১৯৬৬ সারে ৫-৬ ফেব্রুয়ারি উত্থাপন করা হয়। মূলত ছয় দফা দাবি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি চরম বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। যার উদ্দেশ্য ছিল, পূর্ব পাকিস্তানকে বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা। মূলত ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা ও সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছয় দফা ঘোষণা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছয় দফার দুটি দফা হলো-
১. ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অন্যান্য বিষয় থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।
২. আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রদেশগুলো নিজস্ব মিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছয় দফায় রাষ্ট্র ব্যবস্থার সম্পর্কে বলা হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা। প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা হবে সার্বভৌম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছয় দফার মুদ্রা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয় দেশের দুই অঞ্চলের জন্য সহজে বিনিময়যোগ্য দুটো পৃথক মুদ্রা চালু থাকবে। মুদ্রা লেনদেনের হিসাব রাখার জন্য দুই অঞ্চলের জন্য দুইটি স্বতন্ত্র স্টেট ব্যাংক থাকবে। মুদ্রা ও ব্যাংক পরিচালনার ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলাতে ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের সহায়তায় সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করা হয়। এ জন্য সরকার ১৯৬৮ সালে ৩৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে যা আগরতলা মমলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন জনমানুষের দাবিতে পরিণত হয়। এ পটভূমিতে পাকিস্তান সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে। মূলত ছয় দফা দাবিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা আন্দোলন দমনের জন্য আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩৫ জন আসামি ছিলেন। এ মধ্যে ৫ জনের নাম হলো- ১. শেখ মুজিবুর রহমান; ২. মোয়াজ্জেম হোসেন; ৩. মফিজুল্লাহ; ৪. আব্দুস সামাদ; ৫. সার্জেন্ট ফজলুল হক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলা পরিচালনা করার জন্য একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এ ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষের ১১ জনসহ মোট সাক্ষী ছিল ২২৭ জন। প্রখ্যাত অইনজীবী আবদুস সালামের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি ডিফেন্স টিম গঠন। করা হয়। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান ছিলেন প্রধান কৌশলী। এস এ রহমান ছিলেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাঙালিদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার স্ফুরণে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। আগরতলা মামলার প্রধান আসামি শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্যদের মুক্তির দাবিতে এ সময় ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ঘটে যায়, যা একই সাথে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি ও আইয়ুব সরকারের পতন ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পদত্যাগের দাবিতে পাকিস্তানজুড়ে। ব্যাপক গণআন্দোলন শুরু হয় যা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত। এ আন্দোলনের ফলে আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগে বাধ্য হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে সমগ্র পাকিস্তানে দেড় হাজার বাঙালিকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে পাকিস্তানের উভয় অংশে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর মুক্তি ও আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয় পূর্ববাংলায়। ধীরে ধীরে পাকিস্তানের গণবিক্ষোভ ১৯৬৯ সালে এসে গণঅভ্যুত্থানে রূপ লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তিানে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়। এ সময়ে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ কারারুদ্ধ হলে আন্দোলনের গতি কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থা ছাত্ররা নেতৃত্ব গ্রহণ করে এবং ১১ দফা সংবলিত দাবি পেশ করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে যা ১১ দফা আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালের ৩০শে জানুয়ারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে আইয়ুব খান দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করেন। এ খবর পূর্ব পাকিস্তানে প্রকাশিত হওয়ার পর ছাত্ররা সরকারবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেয়। তারা ১লা ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট ডাকে যা ৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে এবং মিছিল বের করে। এভাবে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছাত্র নেতা আসাদুজ্জামান নিহত হন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে। ১৯৬৯ সালের ১৮ই জানুয়ারি ধর্মঘট চলাকালে পুলিশের সাথে ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ২০ জানুয়ারি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল চলাকালে ঢাকা মেডিকেলের সামনে পুলিশের গুলিতে ছাত্র নেতা আসাদুজ্জামান নিহত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষিত হয়। ২৪ তারিখে সারা দেশে হরতাল পালনকালে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক ঢল নামে। ঢাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউশনের ছাত্র মতিউরসহ সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। এ সময় পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির এ কিশোর ছাত্র মতিউর নিহত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে নথি স্বীকার করে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। বঙ্গবন্ধুসহ মামলার সকল অভিযুক্তকে ২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে মুক্তি দেয়। ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালে ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। যার ফলে পাকিস্তানে আইয়ুব খানের অবসান ঘটে এবং তিনি রাজনীতি থেকে চির বিদায় গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালে ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। যার ফলে পাকিস্তানে আইয়ুব খানের অবসান ঘটে এবং তিনি রাজনীতি থেকে চির বিদায় গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লাহোর প্রস্তাব অনুসারে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তান, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইস্কান্দার মির্জা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইস্কান্দার মির্জা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করেন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৮ সালে মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জেনারেল আইয়ুব খানের নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল মৌলিক গণতন্ত্র

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খান ১৯৬০ সালে পাঁচ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালে সোহরাওয়ার্দীকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৩ সালের ডিসেম্বরে সোহরাওয়ার্দী ইন্তিকাল করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র, যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তক ছিলেন আইয়ুব খান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খানের নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খানের গঠিত রাজনৈতিক দলের নাম ছিল কনভেনশন মুসলিম লীগ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কাশ্মীরকে নিয়ে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কোসিগিনের মধ্যস্থতায় তাসখন্দ শহরে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তাসখন্দ চুক্তি হলো- ১৯৬৬ সালে ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি, যা ভারত-পাকিস্তানের ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুসলিম লীগের সংস্কারপন্থি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি অংশ মূল দল থেকে বের হয়ে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতি ছিলেন মওলানা ভাসানী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসী পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৬ শতাংশ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

২৪ বছর পূর্ব বাংলাকে স্বায়ত্তশাসনের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬২ সালে পাকিস্তানের মন্ত্রণালয়গুলোতে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার মধ্যে ১১৯ জন বাঙালি ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাঞ্জাবিরা সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদ দখল করে রেখেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খানের শাসনামলে মোট বাজেটের ৬০ ভাগ সামরিক বাজেট ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বৈষম্যের শিকার হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৬ সালে করাচির উন্নয়নের জন্য ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জন্মলগ্ন থেকে পাকিস্তানে তিনটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গৃহীত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষাখাতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি চরম বৈষম্য দেখানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানের মোট ৩৫টি বৃত্তির মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মাত্র ৫টি বরাদ্দ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানের মোট ৩৫টি বৃত্তির মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মাত্র ৫টি বরাদ্দ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৬ ভাগ পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানে শতকরা ৩.২৭ জন লোক উর্দুভাষী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৬ দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে ঘোষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছয় দফার ২নং দফা ছিল ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অন্যান্য বিষয় থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে গোপন বৈঠকের জন্য বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে যে মামলা দায়ের করা হয় তাই আগরতলা মামলা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলা ১৯৬৮ সালে করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলায় আসামী ছিল ৩৫ জন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলায় ২২৭ জন সাক্ষী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকারি নথিতে আগরতলা মামলার নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস এ রহমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় ১৯৬৯ সালে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

এন ডি এফ-এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিং ফ্রন্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে গঠিত জোটকে বলে COP (Combined Opposition Party).

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

COP-Combined opposition Party.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি (DAC) হলো- আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিসহ কয়েকটি, রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত মোর্চা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

DAC-এর পূর্ণরূপ হলো- Democratic Action Committee.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৫ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহকে কপ-এর পক্ষে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছাত্রনেতা আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৯৬৯ সালে গুলি করে হত্যা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৮ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খান ২৫শে মার্চ পদত্যাগ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
48

পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসনব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায় । এছাড়া এর সাথে যুক্ত হয় সেনাবাহিনীর প্রভাব । পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ ক্রমেই বাড়তে থাকে । সেনাবাহিনী শাসন ক্ষমতা দখল করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন। তার সময়কালে সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রাখতে শুরু করে । ইস্কান্দার মির্জা নানাভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেন । তার ষড়যন্ত্রে কয়েকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পতন হয় । পূর্ব বাংলা আইন পরিষদে বিরোধী দল কৃষক-শ্রমিক পার্টির আক্রমণে ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী মাথায় আঘাত পেয়ে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক জটিলতা ইস্কান্দার মির্জার পক্ষে সেনাশাসন প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরি করে দেয় ।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে সৃষ্ট পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং এর ফলাফল বর্ণনা করতে পারব;
  • তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যকার বৈষম্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনে ৬ দফার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  •  ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  ১১ দফা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
  •  ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও ফলাফল বর্ণনা করতে পারব;
  •  দেশের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ে সচেতন হব ।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

জেনারেল আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন।
মৌলিক গণতন্ত্র ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ, তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে), জেলা পরিষদ, বিভাগীয় পরিষদ এ চারটি স্তরে বিভক্ত ছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০০০০ করে মোট ৮০০০০ নির্বাচনি ইউনিট নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়। বিডি মেম্বারগণ বা মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খানকে ১৯৬০ সালে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
254
উত্তরঃ

উল্লিখিত ছকে পাকিস্তানি আমলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসনিক বৈষম্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি ছিল সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাগণ। ১৯৬২ সালে পাকিস্তানের মন্ত্রণালয়গুলোতে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ৯৫৪ জনের মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ১১৯ জন। আর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ৪২০০০ কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ২৯০০ জন।
আর ১৯৪৭ সালে করাচিতে রাজধানী হওয়ায় সকল সরকারি অফিস আদালতে পশ্চিম পাকিস্তানিরা ব্যাপকহারে চাকরি লাভ করে। তাছাড়া ১৯৬৬ সালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে গেজেটেড কর্মকর্তা ছিল যথাক্রমে ১৩৩৮ ও ৩৭০৮ জন এবং নন-গেজেটেড কর্মকর্তা ছিল যথাক্রমে ২৬৩১০ ও ৮২৯৪৪ জন।
এ বিষয়গুলোতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসনিক বৈষম্য ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
528
উত্তরঃ

ছকে বর্ণিত বৈষম্য তথা প্রশাসনিক বৈষম্য বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের একমাত্র কারণ নয় বলে আমি মনে করি।
প্রশাসনিক বৈষম্য ছাড়াও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের আরো অনেকগুলো বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মের পর থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে পশ্চিম পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী করে রাখা হয়। লাহোর প্রস্তাবে পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হলেও পাকিস্তানি শাসকেরা প্রথম থেকেই এ বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করে। তারা ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচিত সরকারকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে এবং ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়। এছাড়া সামরিক বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল অতি নগণ্য। ১৯৫৫ সালের এক হিসাবে দেখা যায়, সামরিক বাহিনীর মোট ২২১১ জন কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ৮২ জন।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পূর্ব পাকিস্তানের সকল আয় পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যায়। তাছাড়াও শিক্ষা, সামজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর বৈষম্যের স্টিম রোলার চালিয়েছিল।
এসব বৈষম্যের শিকার হয়েই বাঙালি স্বাধিকার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
347
উত্তরঃ

সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কোসিগিনের মধ্যস্থতায় তাসখন্দ শহরে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে যুদ্ধ-বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
527
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালের আসাদ হত্যার প্রতিবাদ মিছিলে মতিউর নিহত হয়।
আসাদ হত্যার প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালের ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তারিখে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ২৪ জানুয়ারি তারিখে সারা দেশে হরতাল চলাকালে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক ঢল নামে। আবারও পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর নিহত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
548
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews