সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির মূল উপাদান চারটি। প্রকৃতির চারটি মূল উপাদান হলো- মাটি, পানি, বায়ু এবং আলো।

উত্তরঃ

পৃথিবীতে আলো ও তাপের প্রধান উৎস হলো সূর্য। মাটির উপর জন্মানো গাছপালা পানি, বায়ু, তাপ ও আলোর সাহায্যে বেড়ে উঠে। এসবের উপর নির্ভর করেই এ পৃথিবীতে মানুষের বসতি সম্ভব হয়েছে।

উত্তরঃ

মানুষ ও পরিবেশের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা মানুষ প্রভাবিত হয়। অর্থাৎ পরিবেশের উপর নির্ভর করেই পৃথিবীতে মানুষের বসতি সম্ভব হয়েছে। তবে সভ্যতার ধারাবাহিক পরিবর্তনে মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্কের মধ্যেও পরিবর্তন এসেছে।

উত্তরঃ

সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ প্রকৃতির উপর বেশি নির্ভরশীল। জীবনধারণের জন্য প্রকৃতি থেকেই মানুষ সবকিছু সংগ্রহ করে।

এমনকি ঘরবাড়ি তৈরিতে প্রকৃতি থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান নির্বাচন করছে। এজন্য বলা হয়, মানুষ প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল।

উত্তরঃ

মানুষ যখন থেকে চাষবাস করে স্থিতিবস্থায় এসেছে, তখন থেকেই প্রকৃতিকে জয় করার চেষ্টা চালিয়েছে। বনবাদাড় সাফ করে বড় এলাকা জুড়ে ফসলের ক্ষেত করেছে। আবার নিজের প্রয়োজনে মানুষ গাছপালা রোপণ করেছে। যা তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করেছে।

উত্তরঃ

উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার দরকার হয়, তাকে পরিবেশ বলে। 'এককথায় বলা যায়, আমাদের চারপাশে যে জিনিসগুলো রয়েছে সবগুলো মিলেই আমাদের পরিবশে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে এক বা একাধিক উপাদানে গঠিত বা সামান্য পরিবর্তিত যেসব রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ শিলাস্তরে দেখতে পাওয়া যায়, তাকে খনিজ সম্পদ বলে। যেমন-প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও চুনাপাথর ইত্যাদি।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক কোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় যখন কোনো জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে তখন তাকে আমরা বলি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। (যেমন- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, ভূমিকম্প ইত্যাদি।)

উত্তরঃ

মানুষ বাড়তে থাকায় পরিবেশের উপর চাপ বাড়ছে। ফলে মাটি, পানি, বায়ু ও তাপের সাথে মানুষের জীবনযাপনের যে ভারসাম্য থাকা দরকার ছিল তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে পরিবেশও তার ডারসাম্য হারাচ্ছে।

উত্তরঃ

ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়া জনসংখ্যার চাপ দেশের নগরগুলোতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নগরের বস্তির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বসতি ও শিল্প কারখানা স্থাপনের প্রয়োজনে দেশের অনেক জলাভূমি তা ব্যবহারে ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া অনেক সময় পাহাড়ের পাদদেশে ঘরবাড়ি নির্মাণে, ইটের ভাটার জন্য পাহাড় কাটা হয়। এগুলো সবই পরিবেশগত সমস্যার কারণ।

উত্তরঃ

শব্দ দূষণের দুটি কারণ হলো-
১. বড় বড় কলকারাখানার সৃষ্ট শব্দ এবং
২. গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন হর্ণ।

উত্তরঃ

শব্দ দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শব্দদূষণের কারণে ঢাকা শহরের অনেক শিশু শ্বাসকষ্টে ভুগছে। তাছাড়া হৃদরোগ, ক্যান্সার, চর্মরোগ, নানাধরনের এলার্জি বাড়ছে।

উত্তরঃ

ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়া জনসংখ্যার চাপ দেশের নগরগুলোতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নগর প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনসংখ্যার বাসস্থানসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে না। ফলে নগরে বস্তির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উত্তরঃ

জলজ জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তের অন্যতম প্রধান কারণ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া। শিল্প কারখানার বর্জ্য নদীর পানিতে মিশ্রিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া বসতি ও শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য দেশের অনেক জলাভূমি ধ্বংস হয়ে জলজ জীববৈচিত্র্য বিলুপ্ত হচ্ছে।

উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের মধ্যে যখন দূষিত ধোঁয়া, গ্যাস, গন্ধ, বাষ্প প্রভৃতি ক্ষতিকর উপাদানের সমাবেশ ঘটে এবং যার ফলে মানুষ জীবজন্তু ও উদ্ভিদ জগতের ক্ষতি সাধিত হয়, তখন তাকে বায়ু দূষণ বলে।

উত্তরঃ

পানি দূষণ বা জল দূষণ হলো জলাশয়ের দূষণ। জলাশয়গুলোর মধ্যে রয়েছে নদী, সাগর, মহাসাগর, জলাধার এবং ভূগর্ভস্থ জল। অর্থাৎ পানি বা জলের সাথে বিভিন্ন রোগজীবাণু, ময়লা-আবর্জনা বা বিষাক্ত পদার্থ মিশ্রিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়াকেই পানিদূষণ বলে।

উত্তরঃ

শব্দ দূষণ বলতে মানুষের' বা কোনো প্রাণীর শ্রুতিসীমা অতিক্রমকারী কোনো শব্দ সৃষ্টির কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে বোঝায়। যানজট, কলকারখানা থেকে দূষণ সৃষ্টিকারী এমন তীব্র শব্দের উৎপত্তি হয়।

উত্তরঃ

মানুষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে উজাড় হয়ে যাচ্ছে অক্সিজেনের অফুরন্ত উৎস গাছপালা। নির্বিচারে বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে বাতাসে প্রত্যাশিত অক্সিজেনের পরিমাণ। ঝুঁকিতে পড়ে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় খাদ্য, ঔষধ, জ্বালানি ইত্যাদির জোগান।

উত্তরঃ

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখছেন যে, পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা এভাবে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের পরিবর্তন ঘটেছে।

উত্তরঃ

একই জমি বারবার চাষ হওয়ার ফলে জমির স্বাভাবিক উর্বরা শক্তি কমে যাচ্ছে। এখন মানুষ ভূমিতে জৈব সার ছাড়াও রাসায়নিক সার দিচ্ছে। উর্বরা শক্তি কমে যাওয়ার ফলে ফসল উৎপাদন যেমন কমছে তেমনি প্রকৃতি বা পরিবেশেরও সর্বনাশ ডেকে আনছে।

উত্তরঃ

ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তর পৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। ওজোন স্তর আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়।

উত্তরঃ

ক্রমাগত পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে দুই মেরুর। বরফ গলে সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। তাতে সমুদ্রের তীরবর্তী দেশগুলোর নিম্নাঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর আরও অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যায় প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে তিনটি করণীয় পদক্ষেপ হলো-
১. অযথা গাছ কাটব না।
২. যেখানে সেখানে ময়লা ফেলব না।
৩. পাহাড় কার্টব না।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে পানি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. গৃহস্থালির বর্জ্য,
২. রাসায়নিক ও কীটনাশক সার এবং
৩. কলকারখানার বর্জ্য।

উত্তরঃ

বায়ু দূষণ প্রতিরোধে দুটি করণীয় হলো-
১. যেসব গাড়ি থেকে কালোধোঁয়া বের হয় সেগুলো চলাচল বন্ধ করতে হবে।
২. গাছ লাগাব ও গাছের যত্ন নেব।

উত্তরঃ

পানি দষণ নিয়ন্ত্রণে দুটি করণীয় হলো-
১. নদী, খাল, জলাধারে বা সমুদ্রে ময়লা ফেলব না এবং
২. শিল্পবর্জ্য পানিতে ফেলব না।

81

মানুষ নিজস্ব পরিবেশে বাস করে। পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা মানুষ প্রভাবিত হয়। সভ্যতার ধারাবাহিক পরিবর্তনে পরিবেশ ও মানুষের সম্পর্কের মধ্যেও পরিবর্তন এসেছে। মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ পরিবেশগত বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। পরিবেশও ভারসাম্য হারাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে আমাদের পরিবেশগত সমস্যার প্রতিরোধে অনেক কিছু করণীয় আছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • পরিবেশের সাথে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • পরিবেশগত সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • পরিবেশগত সমস্যার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
  • পরিবেশগত সমস্যার উপর প্রতিবেদন তৈরি করতে পারব;
  • পরিবেশ বিষয়ে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিমান প্রাণী। বুদ্ধি খাটিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করছে। পানির শক্তি কাজে লাগিয়ে বড় বড় কলকারখানা চালাচ্ছে, শহর গড়ছে, গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন চালাচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বানিয়ে নিজেদের আরাম বাড়িয়েছে। এভাবে ক্রমেই মানুষ তার প্রয়োজনমতো প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বাড়িয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
802
উত্তরঃ

চিত্রে পরিবেশগত সমস্যা তথা পরিবেশ দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
আমরা জীবনের জন্য পানি পান করি এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিই। এ দুটি উপাদান দূষিত হওয়ার কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগবালাইয়ে ভুগছে এবং অকালে মৃত্যুবরণ করছে। ক্রমবর্ধমান মানুষের চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়াতে হয়। যার ফলে গড়ে উঠেছে অনেক কলকারখানা। এসব কলকারখানার বেশির ভাগ গড়ে ওঠে নদীর উপকূলে। ফলে এর দূষিত বর্জ্য পানিতে মিশে নদীর পানি দূষিত করে। অপরদিকে কলকারখানার কালো ধোঁয়া বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এভাবে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন একটি দেশের পানি ও বায়ু দূষিত করে পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে, কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বাতাসে মিশে বায়ুদূষণ করছে। এতে কারখানার বর্জ্য পানিতে মিশে পানি দূষিত করছে। দৃশ্যমান চিত্রে পানি ও বায়ু এ দুটি মৌলিক উপাদান দূষিত হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
373
উত্তরঃ

উক্ত সমস্যা অর্থাৎ পরিবেশ দূষণ থেকে উত্তরণের জন্য আমার মতো অনেক শিশুর বেশকিছু করণীয় আছে বলে মনে করি।
পরিবেশ আমাদের সবার। তাই এর যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা হতে সচেতন হয়ে ভূমিকা পালন করতে হবে। যেমন আমরা অযথা গাছ কাটব না। যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করব না। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলব না। বাড়ির বর্জ্য যথাস্থানে ফেলব। কোনো জলাধারে নোংরা ফেলব না। গাছ লাগাব ও গাছের যত্ন নেব। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকব। মানুষের সৃষ্ট পরিবেশ দূষণের কারণগুলো জানব ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতন হব। নিজের খাবার, পোশাক ও. অন্যান্য জিনিস নির্বাচন ও ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্যের কথা বিবেচনা করব। যেসব গাড়ি কালো ধোঁয়া ছাড়ে, সেগুলো বন্ধ করতে শিক্ষক ও বড়দের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেব।
অতএব বলা যায়, আমি বা আমার মতো শিশুর উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো নিজ অবস্থান হতে গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
326
উত্তরঃ

কমানুষ যখন থেকে চাষবাস করে স্থিতিবস্থায় এসেছে, তখন থেকেই প্রকৃতিকে জয় করার চেষ্টা চালিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
536
উত্তরঃ

প্রকৃতির চারটি মূল উপাদান হলো- মাটি, পানি, বায়ু এবং আলো। মানুষ মাটিকে উৎপাদনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। মাটির উপর জম্মানো গাছপালা, পানি, বায়ু, তাপ ও আলোর সাহায্যে বেড়ে ওঠে। পানি, বাতাস ও তাপের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটলে মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা কঠিন হয়। অতএব বলা যায়, প্রকৃতির মূল উপাদানসমূহ মানুষের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
742
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews