মুখগহ্বরে অবস্থিত লম্বা পেশিবহুল অঙ্গটি হলো জিহ্বা। জিহ্বায় বিভিন্ন স্বাদ গ্রহণের জন্য স্বাদকোরক থাকে। এগুলো জিহ্বার সামনে, পেছনে ও পাশে অবস্থান করে। আমরা জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে মিষ্টি ও নোনতা, পাশের অংশ দিয়ে লবণ ও টক স্বাদ এবং একেবারে পেছনের অংশ দিয়ে তিতা বা তিক্ত স্বাদ অনুভব করে থাকি। জিহ্বার মাঝখানে কোনো স্বাদকোরকের উপস্থিতি না থাকায় সেখানে কোনো স্বাদ অনুভূত হয় না। জিহ্বার সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের স্বাদ অনুভব করা যায় বলেই জিহ্বাকে স্বাদ ইন্দ্রিয় বলা হয়।
বহিঃকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাঝখানে মধ্যকর্ণ অবস্থিত। 'এটি একটি বায়ুপূর্ণ থলি, যার মধ্যে তিনটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড় বা অস্থি রয়েছে। অস্থিসমূহের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়। এছাড়া কানের সাথে গলার সংযোগের জন্য একটি নল আছে, যার কাজ হলো কর্ণপটহের বাইরের ও ভেতরের রায়ুর চাপ সমান রাখা। এভাবেই মধ্যকর্ণ আমাদের শ্রবণে সহায়তা করে।
চোখের রেটিনা অক্ষিগোলকের সবচেয়ে ভেতরের একটি আলোক সংবেদী স্তর। চোখের রেটিনার কাজ হলো-
১. চক্ষুগোলকে আলোকরশ্মি প্রবেশ করাতে সহায়তা করা।
২. চক্ষুগোলকে পুষ্টি সরবরাহ করা।
৩. চক্ষুগোলকের আকার বজায় রাখতে সহায়তা করা।
মানুষের চোখের লেন্স পিউপিলের পেছনে অবস্থিত দ্বি-উত্তল লেন্স। লেন্সটির মাঝখানের দুই দিক উঁচু আর অগ্রভাগ সরু। এটি এক ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে। এদের সংকোচন-প্রসারণ দরকার মতো লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন করতে পারে। তাই চোখের এ গুরুত্বপূর্ণ লেন্সটি নষ্ট হয়ে গেলে বাইরের পরিবেশ থেকে পাওয়া বস্তুর সঠিক আকৃতি রেটিনার উপর প্রতিবিম্ব হবে না। ফলে ত্রুটিযুক্ত দৃষ্টির সৃষ্টি হবে।
ত্বকের কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. দেহের ভেতরের কোমল অংশকে বাইরের আঘাত, ঠান্ডা, গরম, রোদ ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।
২. দেহে রোগ-জীবাণু ঢুকতে বাধা দেয়।
৩. ঘাম বের করে দিয়ে শরীর ঠান্ডা ও সুস্থ রাখে।
৪. দেহের ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়।
৫. সূর্যরশ্মি থেকে দেহকে রক্ষা করে।
আমাদের দেহের চালক হচ্ছে মস্তিষ্ক। আমরা চোখ দিয়ে দেখি, কান দিয়ে শুনি, জিহ্বা দিয়ে স্বাদ গ্রহণ করি, ত্বক দিয়ে গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ প্রভৃতি অনুভব করি। এজন্য এ অঙ্গগুলোকে বলা হয় সংবেদি অঙ্গ। এ সংবেদি অঙ্গগুলো বাইরের সকল ধরনের অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। মস্তিষ্ক সে অনুযায়ী দেহের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গোর কার্যকলাপ পরিচালনা করে এজন্যই মস্তিষ্ককে দেহের চালক বলা যায়।
মাথার সামনে দুটো অক্ষি কোটরের মধ্যে এক জোড়া চোখ থাকে। ছয়টি পেশির সাহায্যে প্রতিটি চোখ অক্ষি কোটরে আটকানো থাকে। এই পেশিগুলোর সাহায্যে অক্ষিগোলক নড়াচড়া করানো যায়। এভাবে চোখ গঠিত।
চোখের কর্নিয়া একেবারে স্বচ্ছ। এর ভেতর দিয়েই আলো চোখে প্রবেশ করে এবং কোনো বস্তুকে দেখতে সাহায্য করে। কিন্তু কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হলে চোখে আলো প্রবেশে বাধাগ্রস্ত হয়। যার ফলে ক্লোনো বস্তুকে ঠিকমত দেখতে পাওয়া যায় না।
অক্ষিগোলক মানবদেহের চোখের একটি গোলাকার গঠন, যা দৃষ্টির জন্য দায়ী। গোলকটি তিনটি স্তর নিয়ে গঠিত। বহিরাবরণ, মধ্যন্তর বা ভাস্কুলার স্তর এবং অভ্যন্তরীণ স্তর। এই স্তরগুলোর মধ্যে চোখের বিভিন্ন অংশ সুসজ্জিত থাকে এবং দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করে।
আইরিশকে চোখের মণি বলা হয়। কর্ণিয়ার পেছনে কালো গোলাকার পর্দা হলো আইরিশ। এটি পেশি দিয়ে তৈরি। আইরিশের পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে। এর মাধ্যমেই পিউপিল ছোট বড় হলে আলোকরশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে।
পিউপিলের পেছনে দ্বি-উত্তল লেন্স থাকে। লেন্সটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে। এদের সংকোচন প্রসারণ দরকার মতো লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন করতে পারে।
রেটিনা একটি আলোক সংবেদি স্তর। রেটিনার দুটি কাজ হলো-
১. এটি চক্ষুগোলকে আলোকরশ্মি গ্রহণ করে।
২, পুষ্টি সরবরাহ এবং চক্ষুগোলকের আকার বজায় রাখতে সাহায্য করে।
চোখের যত্ন নেওয়ার উপায়সমূহ হলো-
১. ঘুম থেকে উঠে ও বাইরে থেকে আসার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধৌত করা।
২. চোখ মোছার জন্য পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করা।
৩. নিয়মিত সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমূল খাওয়া।
পিনা বা কর্ণছত্র কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌঁছাবে না এবং তা মধকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছাবে না এবং অনুভূতি সৃষ্টি করবে না।
নিচে কর্ণপটহ-এর কাজ হলো-
১. এটি বাহ্যিক শ্রবণ প্রণালীর মাধ্যমে আসা শব্দকে গ্রহণ করে।
২. শব্দ তরঙ্গকে কম্পনে রূপান্তর করে মধ্যকর্ণের ক্ষুদ্র হাড়ের কাছে পৌঁছায়।
৩. কানের মধ্য অংশকে ধুলো, পানি ও ক্ষতিকারক কণা থেকে রক্ষা করে।
মধ্যকর্ণের দুটি কাজ হলো-
১. শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছানো।
২. কর্ণপটহের ভিতরের ও বাইরের বায়ুর চাপ সমান রাখা।
ইউট্রিকুলাস অন্তঃকর্ণের-একটি প্রকোষ্ঠ। এটি তিনটি অর্ধবৃত্তাকার নালি দিয়ে গঠিত। এদের ভিতরে আছে খুব সূক্ষ্ম লোমের মত স্নায়ু ও রস। নালির ভিতরে এ রস যখন নড়ে, তখনই স্নায়ুগুলো উদ্দীপ্ত হয় এবং মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এই অংশ দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
শব্দ তরঙ্গ কর্ণছত্র দ্বারা গৃহীত হয়ে কর্ণকুহর দিয়ে কর্ণপটহে আঘাত করার ফলে শব্দ তরঙ্গ স্পন্দিত হয়। স্পন্দিত শব্দ তরঙ্গ মধ্যকর্ণে তীব্রতর হয়। এ অবস্থায় অন্তঃকর্ণে পৌছে সংবেদি কোষগুলোকে উদ্দীপ্ত করে। এ উদ্দীপনা অডিটরি স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে প্রেরিত হলে আমরা শুনতে পাই।
অন্তঃকর্ণের একটি প্রকোষ্ঠ স্যাকুলাস। এটি দেখতে অনেকটা শামুকের মত প্যাঁচানো নালিকার মতো। একে ককলিয়া বলে। ককলিয়ার ভেতরে শ্রবণ সংবেদি কোষ থাকে। এই অংশ শ্রবণের কাজ করে।
কানের যত্নে যা করতে হবে তা হলো-
১. নিয়মিত কান পরিষ্কার করা।
২. গোসলের সময় কানে যেন. পানি না ঢুকে সেদিকে সতর্ক থাকা।
৩. কানে বাইরের কোনো বস্তু বা. পোকামাকড় ঢুকলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
৪. উচ্চ শব্দে গান না শুনা।
পাতলা প্রাচীর দিয়ে নাসারন্ধ্র গহ্বরটি দুটি ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এর সামনের ভাগ লোম দ্বারা আবৃত থাকে এবং পিছনের দিকটা পাতলা আবরণী ঝিল্লী দ্বারা আবৃত। এই ঝিল্লীকে ঘ্রাণ ঝিল্লী বলা হয়। এতে থাকা সূক্ষ্ম রক্ত নালিকা ঘ্রাণকোষের সাথে সংযোগ রক্ষা করে।
আমাদের, নাসাপথে অসংখ্য ঘ্রাণকোষ থাকে, যেগুলো এক বিশেষ স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কের সাথে সংযোগ রক্ষা করে। যখন কোনো গন্ধযুক্ত বস্তু থেকে ঘ্রাণ নির্গত হয় তখন তা ঘ্রাণ কোষগুলোর মাঝে উদ্দীপনা জাগায় এবং মস্তিষ্কে অনুভূতি পাঠায়। এভাবে আমরা ঘ্রাণ অনুভব করি।
জিহ্বা হলো স্বাদ গ্রহণের অঙ্গ। এটি খাদ্যের স্বাদ বুঝতে এবং খাদ্যকে গিলতে সাহায্য করে। জিহ্বা খাদ্যবস্তু চিবানোয় সাহায্য করে। খাদ্যবস্তুকে লালার সাথে মিশ্রিত করতে জিহ্বা সাহায্য করে। জিহ্বা আমাদের কথা বলতেও সাহায্য করে।
জিহ্বার যত্নে যা করতে হবে তা হলো-
১. দাঁত ব্রাশ করার সময় নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা।
২. জিহ্বার উপর রোগের কারণে সাদা বা হলদে পর্দা পড়লে পানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচি করা।
৩. মুখ ও জিহ্বায় ঘা হলে ডাক্তার দেখাতে হবে।
বিভিন্ন স্বাদ গ্রহণের জন্য জিহ্বায় স্বাদকোরক থাকে যা জিহ্বার সামনে, পিছনে ও পাশে বিশেষ বিশেষ স্বাদ গ্রহণে সাহায্য করে। জিহ্বায় উপস্থিত স্বাদ কোরকের জন্য স্বাদ অনুভব করা যায় বলে জিহ্বাকে স্বাদ ইন্দ্রিয় বলে।
আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু। এছাড়া আমরা চলাফেরা করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে আঘাত পাই বাইরের এসব রোগ জীবাণু ও আঘাত থেকে দেহের ভেতরের নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষার জন্য আমাদের দেহ ত্বক দিয়ে ঢাকা থাকে।
ত্বকের বাইরের আবরণকে বলা হয় উপচর্ম। হাতের তালু ও পায়ের তালুর চামড়া বা ত্বক পুরু আবার ঠোঁটের চামড়া বা ত্বক পাতলা। এ উপচর্ম থেকেই লোম, চুল ও চোখের উৎপত্তি হয়। উপচর্মে লোমকূপও থাকে।
দেহে স্নায়ুতন্ত্রের উপস্থিতির কারণে ত্বকের কোনো অংশ কেটে গেলে ব্যথা অনুভূত হয়। কিন্তু লোমের উপরিভাগ কাটলে ব্যথা লাগে না। কারণ স্নায়ুতন্ত্র লোমের গোড়ায় অবস্থান করে। অর্থাৎ ত্বকের উপরিভাগ অনুভূতিহীন থাকায় লোম কাটলে ব্যথা লাগে না।
ত্বক হচ্ছে আমাদের দেহের আবরণ। ত্বকের দুটি কাজ হলো-
১. দেহের ভিতরের কোমল অংশকে বাইরের আঘাত, গরম, ঠান্ডা, রোদ ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।
২. দেহে রোগ-জীবাণু ঢুকতে বাধা দেয়।
ত্বকের যত্নে নিচের কাজগুলো করা প্রয়োজন-
১. নিয়মিত গোসল করা।
২. অন্যের ব্যবহার করা তোয়ালে ব্যবহার না করা।
৩. নিজের ব্যবহৃত পোশাক নিয়মিত পরিষ্কার করা।
৪. ত্বকে কোন রকম রোগ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
আমাদের দেহ একটি আজব যন্ত্র। যন্ত্রটির গড়ন এমন নিখুঁত যে এর কথা ভাবতেই অবাক লাগে। যন্ত্রের প্রতিটি অংশ মাপে মাপে বানানো। একটুও কম-বেশি নেই। আর যন্ত্রটিকে ঠিক ঠিক চালানোর জন্য প্রতিটি অংশ নিজ নিজ কাজ করে চলে। কাউকে কিছু বলতে হয় না। কার কী কাজ সে আপনিই বুঝে নিচ্ছে। আমাদের কিছু বুঝার আগেই ঘটনা ঘটে যায়। যেমন- চোখের দিকে সাঁই করে একটি মাছি উড়ে এলো ওমনি চোখের পাতা গেল বন্ধ হয়ে। অসাবধানে গরম চুলায় হাত পড়লে, তুমি হাত সরিয়ে নেবে। পায়ে কাঁটা ফুটার সাথে সাথে 'উঃ মাগো' বলে কাতরাবে। সারা শরীর জেনে গেল কী একটা পায়ে বিধল। আমরা এগুলো অনুভব করতে পারি পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে। এ অধ্যায়ে আমরা পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সম্পর্কে আলোচনা করব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• সংবেদি অঙ্গসমূহের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণে সংবেদি অঙ্গের ব্যবহার প্রদর্শন করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্ন নেওয়ার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্নের বিষয়ে নিজে সচেতন হব ও অন্যকে সচেতন করব।
Related Question
View Allচোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
১. চোখের ভেতর থেকে আলোর প্রতিফলন হবে না।
২. পিউপিলের মাধ্যমে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।.
৩. সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো লেন্সটি সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারবে না। ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হবে না এবং চোখ বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সহায়তা করতে পারবে না।
চিত্রে চোখের 'B' চিহ্নিত অংশটি আইরিশ, যার অবস্থান কর্নিয়ার পেছনে। এটি ঘন কালো গোলাকার একটি অস্বচ্ছ পর্দা। এর 'কেন্দ্রস্থলে একটি ছিদ্র থাকে যাকে পিউপিল বলে। আইরিশের পেশিসমূহের সংকোচন প্রসারণে পিউপিল ছোট বড় হতে পারে। এর ফলে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে। অর্থাৎ আইরিশ চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি
চিত্রে চিহ্নিত অংশটি হলো লেন্স।
এটি তারারন্দ্রের ঠিক পেছনে অবস্থিত। লেন্স চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণের ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। যখন কোনো আলোকিত বস্তু হতে আলো চোখে পড়ে তখন তা পিউপিল দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়। লেন্স তখন ঐ বস্তুর একটি ক্ষুদ্র ও উল্টো প্রতিবিম্ব রেটিনার উপর সৃষ্টি করে, তখন আলোর এ উদ্দীপনা অপটিক স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছে। মস্তিষ্ক রেটিনার সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আর এভাবেই 'J' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ লেন্স আমাদের দেখতে সহায়তা করে।
যেসব অঙ্গ দিয়ে আমরা দেখি, শুনি, খাবারের স্বাদ গ্রহণ করি, গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ অনুভব করি সেসব অজাকে সংবেদি অঙ্গ বলে।
চিত্রের চিহ্নিত অংশটি হলো পিনা বা কর্ণচ্চত্র। এটি কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌছাবে না। ফলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!