সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

একটি প্রাণিকোষের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো-

উত্তরঃ

প্লাস্টিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. প্লাস্টিড উদ্ভিদকোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
২. প্লাস্টিড পাতা, ফুল বা ফলের বিচিত্র রঙের জন্য দায়ী।
৩. সবুজ প্লাস্টিড প্রধানত খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
৪. অন্যান্য রঙের প্লাস্টিডগুলো উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গকে রঙিন করে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৫. বর্ণহীন প্লাস্টিড খাদ্য সঞ্চয় করে।

উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায়, কিন্তু প্রাণিকোষে পাওয়া যায় না এরূপ অঙ্গাণুগুলো হলো- কোষপ্রাচীর, প্লাস্টিড, বড় কোষগহ্বর। আবার প্রাণিকোষে পাওয়া যায়, কিন্তু উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায় না এরূপ অঙ্গাণুগুলো হলো- সেন্ট্রোসোম, সেন্ট্রিওল ও ছোট কোষগহ্বর।

উত্তরঃ

জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। পৃথিবীতে অনেক জীব আছে যারা একটি মাত্র কোষ দিয়ে গঠিত। যেমন: ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি। আবার অনেক জীব বহুসংখ্যক কোষ দিয়ে গঠিত। যেমন- মানুষ, গাছ, পাখি ইত্যাদি।

উত্তরঃ

জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। কোষ একটির সাথে আরেকটি যুক্ত হয়ে জীবদেহ গঠন করে। এটি অনেকটা ইট দিয়ে তৈরি করা ভবনের মতো।

উত্তরঃ

ইংরেজি বিজ্ঞানী রবার্ট হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোষ প্রত্যক্ষ করেন। ১৬৬৫ সালে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে বোতলের ছিপি পরীক্ষা করার সময় তিনি মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য কুঠুরি পরপর সাজানো দেখতে পান। তিনি বোতলের ছিপির গঠনকারী এই এককগুলোর নাম দেন কোষ।

উত্তরঃ

অণুবীক্ষণ যন্ত্র এমন এক প্রকার যন্ত্র যা দিয়ে অতি ক্ষুদ্র বস্তুকে বড়ো আকারে দেখা যায়। এসব অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আমরা খুব সহজেই এককোষী ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে বহুকোষী উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কোষ পর্যবেক্ষণ করতে পারি।

উত্তরঃ

একটি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন কোষের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় যে, বিভিন্ন কোষের আকৃতিতে ভিন্নতা রয়েছে। কিছু কোষ লম্বাকৃতির, কিছু দেখতে গোলাকার কিংবা দণ্ডাকারসহ বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। কিছু কোষ আছে যার কোনো নির্দিষ্ট আকৃতি নেই, অর্থাৎ এদের আকৃতি পরিবর্তনশীল।

উত্তরঃ

'নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির ভিত্তিতে কোষকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- আদি কোষ ও প্রকৃত কোষ। আদি কোষের নিউক্লিয়াস কোনো আবরণী দ্বারা আবদ্ধ নয়। প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াসে আবরণ থাকে।

উত্তরঃ

প্রকৃত কোষকে তাদের কাজের ভিত্তিতে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- দেহকোষ ও জননকোষ। দেহকোষ দেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে অংশগ্রহণ করে। জননকোষ জীবের প্রজননে অংশগ্রহণ করে

উত্তরঃ

প্রকৃত কোষের দুটি কাজ হলো-
১. দেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে অংশগ্রহণ করে।
২. কোষ বিভাজনের মাধ্যমে দেহের বৃদ্ধি ঘটায়।

উত্তরঃ

কোষের প্রধান অংশগুলো হলো- কোষপ্রাচীর, প্রোটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম, প্লাস্টিড, কোষগহ্বর, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি।

উত্তরঃ

কোষপ্রাচীর-এর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. শুধু উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর দেখা যায়।
২. এটি জড় পদার্থের তৈরি।

উত্তরঃ

কোষপ্রাচীর-এর দুটি কাজ হলো-
১. এটি কোষের আকার প্রদান করে।
২. কোষের ভিতরের অংশকে রক্ষা করে।

উত্তরঃ

কোষপ্রাচীরের অভ্যন্তরে পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটিকে প্রোটোপ্লাজম বলে। একে জীবনের ভিত্তি বলা হয়। এর তিনটি অংশ যথা- কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস।

উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমকে জীরনের ভিত্তি বলা হয়। প্রোটোপ্লাজমের তিনটি অংশ। যথা: কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস।

উত্তরঃ

জীবকোষের সম্পূর্ণ প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে যে নরম পর্দা দেখা যায় তাকে কোষঝিল্লি বা সেল মেমব্রন বলে। এটি কোষের ভেতর ও বাইরের মধ্যে পানি, খনিজ পদার্থ ও গ্যাস এর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে বাদ দিলে যে অর্ধতরল অংশটি থাকে তাই সাইটোপ্লাজম। এর প্রধান কাজ কোষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করা।

উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজম ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

প্রোটোপ্লাজম

সাইটোপ্লাজম

১. কোষপ্রাচীরের অভ্যন্তরে পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটি হলো প্রোটোপ্লাজম।১. প্রোটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে বাদ দিলে যে অর্ধতরল অংশ থাকে তাই সাইটোপ্লাজম।
২. প্রোটোপ্লাজমে কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস থাকে।২. সাইটোপ্লাজমে প্লাস্টিড, কোষগহ্বর ও মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
উত্তরঃ

প্লাস্টিড এর দুটি বৈশিষ্ট্য নিচে দেয়া হলো-
১. প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাধারণত প্রাণী কোষে প্লাস্টিড থাকে না।
২. প্লাস্টিড পাতা, ফুল ও ফলের বিভিন্ন রঙের জন্য দায়ী।

উত্তরঃ

প্লাস্টিড এর দুটি কাজ হলো-
১. প্লাস্টিড খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
২. বর্ণহীন প্লাস্টিড খাদ্য সঞ্চয় করে।

উত্তরঃ

কেবলমাত্র উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায় এমন তিনটি অঙ্গাণুর নাম হলো- ১. কোষপ্রাচীর, ২. প্লাস্টিড ও ৩. বড় কোষগহ্বর।

উত্তরঃ

কেবলমাত্র প্রাণিকোষে পাওয়া যায় এমন তিনটি অঙ্গাণুর নাম হলো- ১. সেন্ট্রোসোম, ২. সেন্ট্রিওল ও ৩. ছোট কোষগহ্বর।

উত্তরঃ

যেসব কোষ জীবের প্রজননে অংশ নেয় তাদের জননকোষ বলে। এরা জীবের দেহ গঠনে অংশগ্রহণ করে না। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু হলো জননকোষ। এ দুই ধরনের জননকোষের মিলনের মাধ্যমেই জীব তার বংশবৃদ্ধি বা প্রজনন ঘটিয়ে থাকে।

উত্তরঃ

কোষগহ্বর-এর দুটি কাজ হলো-
১. কোষগহ্বর কোষরসের আধার হিসেবে কাজ করে।
২. কোষের উপর কোনো চাপ এলে তাও কোষগহ্বর নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়া দণ্ডাকার, বৃত্তাকার বা তারকাকার হতে পারে। এরা দুই স্তর বিশিষ্ট ঝিল্লি দিয়ে আবৃত থাকে। এর বাইরের স্তর মসৃণ কিন্তু ভিতরের স্তরটি ভাঁজযুক্ত।

উত্তরঃ

কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। কোষের সকল জৈবিক কাজ পরিচালনার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয় তা মাইটোকন্ড্রিয়াই সরবরাহ করে থাকে। মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে শক্তি উৎপাদন করা। তাই একে শক্তির আধার বলা হয়।

উত্তরঃ

প্রাণিকোষের উল্লেখযোগ্য দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. কোষে কোষপ্রাচীর থাকে না, শুধু প্লাজমাঝিল্লি দিয়ে বেষ্টিত।
২. কোষে সর্বদা সেন্ট্রোসোম থাকে।

উত্তরঃ

উদ্ভিদের মূল ও ভূনিম্নস্থ কাণ্ডসহ যেসব অঙ্গে সূর্যালোক পৌছায় না সেসব অঙ্গের কোষে লিউকোপ্লাস্ট থাকে। লিউকোপ্লাস্টকে বর্ণহীন অঙ্গাণু বলা হয়। কারণ এতে রঞ্জক পদার্থ থাকে না। এই রঞ্জক পদার্থ না থাকার কারণেই লিউকোপ্লাস্টকে বর্ণহীন অঙ্গাণু বলা হয়।

উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান, গোলাকার ঘন বস্তুটি নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। একটি নিউক্লিয়াস প্রধানত নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিওপ্লাজম, ক্রোমাটিন তত্ত্ব ও নিউক্লিওলাস নিয়ে গঠিত।

উত্তরঃ

নতুন কোষে নিউক্লিয়াসের অবস্থান কোষের কেন্দ্রে। পরিণত কোষে এদের স্থান পরিবর্তন হতে পারে। এরা গোলাকার তবে কখনও কখনও উপবৃত্তাকার বা নলাকার হতে পারে। কোনো কোনো কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াস প্রধানত চারটি অংশে গঠিত। যথা- ১. নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, ২. নিউক্লিওপ্লাজম, ৩. ক্রোমাটিন তন্তু ও ৪. নিউক্লিওলাস।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর দুটি কাজ হলো-
১. এটি নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে।
২. এটি সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের ভিতরের বস্তুগুলোকে আলাদা করে রাখে।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসের ভিতরের তরল ও স্বচ্ছ পদার্থটিই নিউক্লিওপ্লাজম। এর মধ্যে ক্রোমাটিন তন্তু ও নিউক্লিওলাস থাকে।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসের ভিতরে বিন্দুর ন্যায় অতিক্ষুদ্র যে অঙ্গাণুটি ক্রোমাটিন তন্তুর সাথে লেগে থাকে, সেটিই নিউক্লিওলাস।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসের ভিতরে সুতার ন্যায় কুণ্ডলী পাকানো বা খোলা অবস্থায় যে অঙ্গাণুটি রয়েছে তাই ক্রোমাটিন তন্তু। এটি জীবের বৈশিষ্ট্য বহন করে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যায়। এরা কোষের বৃদ্ধি বা যেকোনো ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

নিউক্লিয়াস এর দুটি গুরুত্ব হলো-
১. নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থান করে ক্রোমোসোম, বা বংশগতির বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক।
২. নিউক্লিয়ার আবরণী নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে। এই আবরণী সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের ভিতরের বস্তুগুলোকে আলাদা করে রাখে এবং একই সাথে তরল পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

কতগুলো কোষ একত্রিত হয়ে যখন একই ধরনের কাজ করে, তখন তাকে কলা বা টিস্যু বলে। আবার বিভিন্ন ধরনের কলা মিলে একটি তন্ত্র বা অঙ্গপ্রতঙ্গ গঠন করে।

উত্তরঃ

কোষের কাজ হলো-
১. পরিবহন, ভারসাম্য রক্ষা ও দৃঢ়তা প্রদান করে।
২. জীবের দেহ গঠন করে।
৩. খাদ্য উৎপাদন করে।
৪. শক্তি' উৎপাদন করে।
৫. খাদ্য ও পানি সঞ্চয় করে।

উত্তরঃ

জীবদেহে কোষের দুটি ভূমিকা নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. জীবের দেহ গঠন: ক্ষুদ্র কোষ থেকে জীবের দেহ সৃষ্টি হয়। ক্রমশ এই কোষ থেকেই জীবদেহের বৃদ্ধি ঘটে।

২. শক্তি উৎপাদন: জীবের জীবন ধারণের জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়।' খাদ্য থেকে জীব শক্তি পায়।

132

আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান সকল জীব থেকে শুরু করে খালি চোখে দেখতে না পাওয়া অণুজীব সকলেই কোষ দিয়ে গঠিত। কোষ জীবদেহের গাঠনিক একক এবং কোষের অভ্যন্তরেই জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জৈবরাসায়নিক ক্রিয়াকলাপ সংঘটিত হয়। এই অধ্যায়ে আমরা জীবের কোষ নিয়ে প্রাথমিক ধারণা লাভ করার চেষ্টা করব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• কোষ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের পার্থক্যকারী প্রধান বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জীবদেহে কোষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জীবদেহের নানা কার্যক্রমে কোষের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।
• উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান গোলাকার ঘন বস্তুটিই নিউক্লিয়াস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
134
উত্তরঃ

কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি জীব কোষের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। মাইটোকন্ড্রিয়াতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি এসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে। এগুলোর মাধ্যমে কাজ করার শক্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। এ অঙ্গাণু থেকে কোষের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি সরবরাহ হয়ে থাকে বলে একে কোষের 'পাওয়ার হাউজ' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
615
উত্তরঃ

দীপ্তি বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিভিন্ন বর্ণের গাছপালা দেখতে পায়। নিচে গাছপালার বিভিন্ন বর্ণ ধারণ করার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-

উদ্ভিদের বিভিন্ন বর্ণের জন্য দায়ী গ্লাস্টিড। এ অঙ্গাণুটি উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। প্লাস্টিড উদ্ভিদের খাদ্য সংশ্লেষে, বর্ণ গঠনে এবং খাদ্য সঞ্চয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। উদ্ভিদ কোষস্থ প্লাস্টিড তিন প্রকার। ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। এদের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ অংশে থাকে এবং সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করা এর প্রধান কাজ। ক্রোমোপ্লাস্টের জন্য গাছের সবুজ বাদে অন্য সকল বর্ণ সৃষ্টি হয়। সুতরাং গার্ডেনে বিভিন্ন বর্ণের গাছপালা সৃষ্টি হয়েছে ঐসব উদ্ভিদের কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট ও ক্রোমোপ্লাস্ট জাতীয় প্লাস্টিড উপস্থিত থাকার কারণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
195
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দীপ্তি বাবার সাথে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়াতে এসে উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় ধরনের জীব পর্যবেক্ষণ করেছে। নিচে দীপ্তির দেখা জীবগুলোর কোষীয় বৈশিষ্ট্যের তুলনা উল্লেখ করা হলো-

১. উদ্ভিদ কোষে প্লাজমা পর্দার বাইরে সেলুলোজের তৈরি কোষপ্রাচীর থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে শুধু প্লাজমা পর্দা থাকে, কোষপ্রাচীর থাকে না।

২. পরিণত উদ্ভিদ কোষে বড় গহ্বর থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে গহ্বর থাকে না, থাকলেও ছোট।

৩. উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে প্লাস্টিড থাকে না।

৪. সাধারণত উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে না। কিন্তু প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম

৫. উদ্ভিদ কোষের কেন্দ্রে বড় কোষগহ্বর থাকায় নিউক্লিয়াস কোষপ্রাচীরের কাছে অবস্থান করে। কিন্তু প্রাণীকোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
120
উত্তরঃ

যেসব কোষ জীবের প্রজননে অংশ নেয় তাদের জননকোষ বলে। এরা জীবের দেহ গঠনে অংশগ্রহণ করে না। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু হলো জননকোষ। জননকোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। তাই জননকোষকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
572
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews