সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

একটি ব্যাঙ, একটি ছোট চারাগাছকে একটি কাচের জার দিয়ে ১৫ দিন ঢেকে রাখলে অক্সিজেন ও খাদ্যের অভাবে উভয় জীবই মারা যাবে। অপরদিকে চশমাকে এভাবে ১৫ দিন ঢেকে রাখলে চশমার কোনো পরিবর্তন হবে না। কারণ চশমা একটি জড় পদার্থ যার অক্সিজেন ও খাদ্যের প্রয়োজন হয় না।

উত্তরঃ

উভচর প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. এরা জীবনের কিছু সময় ডাঙায় ও কিছু সময় পানিতে বাস করে।
২. এদের ত্বকে লোম, আঁইশ-বা পালক কিছুই থাকে না।
৩. এদের দুই জোড়া পা থাকে, পায়ের আঙুলে কোনো নখ থাকে না।
৪. এরা ব্যাঙাচি অবস্থায় ফুলকা ও পরিণত অবস্থায় ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।

উত্তরঃ

শৈবাল, মস ও ফার্ন এর মধ্যকার পার্থক্যগুলো হলো-

শৈবাল

মস

ফার্ন

১. এদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।১. এদের কান্ড ও পাতা আছে, মূল নেই। তবে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড রয়েছে।১. এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত।
২. এদের পরিবহন কলা থাকে না।২. এদের পরিবহন কলা থাকে না।২. এদের পরিবহন কলা থাকে।

মস

ফার্ন

১. এদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না ।

১. এদের কাণ্ড ও পাতা আছে, মূল নেই । তবে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড রয়েছে ।

১. এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত ।

২. এদের পরিবহন কলা থাকে না ।

২. এদের পরিবহন কলা থাকে না ।

২. এদের পরিবহন কলা থাকে ।

উত্তরঃ

মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যকার পার্থক্যগুলো হলো—

মেরুদণ্ডী প্রাণীঅমেরুদণ্ডী প্রাণী
১. এদের মেরুদণ্ড আছে ।১. এদের মেরুদণ্ড নেই ।
২. এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে ।২. এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না ।
৩. এদের চোখ সরল প্রকৃতির ।৩. এদের চোখ সরল না, পল্লবিত প্রকৃতির ।
৪. মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে ।৪. এদের লেজ থাকে না ।
৫. এরা ফুসফুস বা ফুলফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় ।৫. এদের শ্বাসযন্ত্র বিশেষ কোনো অঙ্গজ নেই ।
৬. এদের পায়ের মধ্যে দু’টি জোড়া পা থাকে ।৬. এদের পা সংখ্যাবহুল ।
উত্তরঃ

নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলো-

১. এসব উদ্ভিদের ফুলে ডিম্বাশয় না থাকায় ডিম্বকগুলো নগ্ন থাকে।
২. এসব ডিম্বক পরিণত হয়ে বীজ উৎপন্ন করে। যেমন- সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি।

আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলো-

১. এসব উদ্ভিদের ফুলে ডিম্বাশয় থাকে।
২. ডিম্বকগুলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে সজ্জিত থাকে।
৩. নিষেকের পর ডিম্বক বীজে ও ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়।
৪. বীজগুলো ফলের ভেতরে আবৃত অবস্থায় থাকে। যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

উত্তরঃ

ছোট থেকে বড়, মাটি থেকে পানি, বাতাসে উপস্থিত নানা প্রকারের জীব নিয়েই আমাদের জীবজগৎ গঠিত হয়। যেমন: গরু, মাছ, পোকামাকড়, ব্যাঙের ছাতা, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি সকল জীব নিয়ে আমাদের জীবজগৎ গঠিত।

উত্তরঃ

যার জীবন আছে তাকে জীব বলে। জীবের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, আর যাদের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তাদেরকেই জীব হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উত্তরঃ

জীবের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১. পুষ্টি লাভ, ২. বৃদ্ধি ও বিকাশ, ৩. শক্তির রূপান্তর, ৪. প্রজনন, ৫. পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া ও ৬. অভিযোজন।

উত্তরঃ

জীবের দুইটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ উল্লেখ করা হলো-

১. শক্তির রূপান্তর: জীব তার দেহে শক্তির রূপান্তর ঘটায়। যেমন: প্রাণিদেহে উৎপন্ন শক্তি তার দেহের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে।

২. প্রজনন: জীবের প্রজনন ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় জীবের বংশবিস্তার হয়। যেমন: মানুষ সন্তান সন্ততি উৎপাদনের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটায়।

উত্তরঃ

যেসব জীব নিজে নিজে খাদ্য তৈরি করে তাদের স্বভোজী জীব বলে। যেমন: উদ্ভিদ তার পাতায় উপস্থিত ক্লোরোফিলের সাহায্যে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে।

উত্তরঃ

যেসব জীব অন্য জীব ভক্ষণ করে পুষ্টি লাভ করে তাদের পরভোজী জীব বলে। যেমন: মানুষ উদ্ভিদ ও বিভিন্ন প্রাণী ভক্ষণ করে পুষ্টি লাভ করে।

উত্তরঃ

সময়ের সাথে জৈবিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবের বৃদ্ধি ঘটে ও পরিপূর্ণ জীব হিসেবে বিকাশ লাভকরে।

উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীব তার বংশবিস্তার করে সেই প্রক্রিয়াকে প্রজনন বলে। যেমন: মানুষ প্রজননের মাধ্যমে সন্তান সন্ততি উৎপাদনের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটায়।

উত্তরঃ

জীব বাহ্যিক পরিবেশের পরিবর্তনের প্রতি প্রতিক্রিয়া প্রদান করে। যেমন, আমাদের দেহে মশা বসলে আমরা তা মারার জন্য উদগ্রীব হই। আবার অন্ধকার পরিবেশে জন্মানো গাছ আলোর সন্ধান পাবার জন্য আলোর দিকে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

উত্তরঃ

পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে টিকে থাকার জন্য জীব হাজার বছরের ব্যবধানে যে ক্ষমতা লাভ করে তাই হলো অভিযোজন। যেমন, মরুভূমিতে জন্মানো অধিকাংশ গাছের পাতা চ্যাপ্টা ও কাঁটাযুক্ত। উদ্ভিদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো পানি সাশ্রয়ে সাহায্য করে। দীর্ঘ অভিযোজনের ফলে উদ্ভিদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো সংযোজিত হয়েছে।

উত্তরঃ

বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে প্রায় ৮৭ লক্ষ ভিন্ন ভিন্ন রকমের জীব রয়েছে। বৈচিত্র্যময় এই জীবকূলকে সহজভাবে জানার জন্য বিজ্ঞানীগণ তাদের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধকরণের জন্যই জীবের শ্রেণিকরণ করেছেন।

উত্তরঃ

১৯৬৯ খ্রী. বিজ্ঞানী হুইটেকার পঞ্চরাজ্য শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। ১৯৭৪ খ্রি. বিজ্ঞানী মারগিউলিস উক্ত শ্রেণিবিন্যাসকে পুনর্বিন্যাস করে জীবজগতের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন।

উত্তরঃ

জীবজগৎ পাঁচটি রাজ্যে গঠিত। যথা: মনেরা, প্রোটিস্টা, ফানজাই, প্লান্টি এবং এ্যানিমেলিয়া।

উত্তরঃ

মনেরা রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-

১. এরা এককোষী এবং এর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।
২. এরা খুবই ক্ষুদ্র এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না।

উত্তরঃ

প্রোটিস্টা রাজ্যের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের কোষ সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত।
২. এরা এককোষী বা বহুকোষী ক্লোরোফিল যুক্ত একক বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।

উত্তরঃ

অ্যামিবার কোষ সুগঠিত নিউক্লিয়াস যুক্ত এবং এরা এককোষী ক্লোরোফিলযুক্ত একক বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে তাই অ্যামিবাকে প্রোটিস্টা রাজ্যের জীব বলা হয়।

উত্তরঃ

মনেরা ও প্রোটিস্টা রাজ্যের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :

মনেরা

প্রোটিস্টা

১. এরা এককোষী ।১. এরা এককোষী বা বহুকোষী ।
২. এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না ।২. এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে ।
৩. উদাহরণ : ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি ।৩. উদাহরণ : ইউগ্লিনা, অ্যামিবা ইত্যাদি ।
উত্তরঃ

প্লান্টি রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত।
২. এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান।

উত্তরঃ

ফানজাই ও প্লান্টি রাজ্যের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-

ফানজাই

প্লান্টি

১. এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়।১. এরা বহুকোষীয় হয়
২: এরা পরভোজী।২. এরা স্বভোজী।
৩. এদের দেহে ক্লোরোফিল নেই৩. এদের দেহে ক্লোরোফিল বিদ্যমান
৪. উদাহরণ: ইস্ট, মাশরুম ইত্যাদি।৪. উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। এরা স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে।

উত্তরঃ

অপুষ্পক উদ্ভিদ তিন প্রকার। যথা-
১. সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ,
২. মসবর্গীয় উদ্ভিদ ও
৩. ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না তাদেরকে সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ বলে। এ ধরনের উদ্ভিদের মধ্যে যাদের দেহে ক্লোরোফিল বিদ্যমান থাকায় নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে তাকে শৈবাল বলা হয়। যেমন স্পাইরোগাইরা। আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। যেমন: এগারিকাস।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না এবং দেহে ক্লোরোফিল বিদ্যমান থাকায় নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে তাদের শৈবাল বলা হয়। যেমন: স্পাইরোগাইরা।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না এবং দেহে ক্লোরোফিলের উপস্থিতি না থাকায় নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে না তাদের ছত্রাক বলে। যেমন: এগারিকাস।

উত্তরঃ

শৈবাল ও ছত্রাকের মধ্যে পার্থক্য নিম্নে দেওয়া হলো-

শৈবাল

ছত্রাক

১. এদের দেহে ক্লোরোফিল বিদ্যমান।১. এদের দেহে ক্লোরোফিল নেই।
২. এরা নিজেয় খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।২. এরা নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে না।
৩. উদাহরণ: স্পাইরোগাইরা।৩. উদাহরণ: এগারিকাস।
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় এবং দেহে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে তাদের মসবর্গীয় উদ্ভিদ বলে। যেমন: ব্রায়াম।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত এবং দেহে পরিবহন টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে সেসব উদ্ভিদকে ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ বলে। যেমন: টেরিস।

উত্তরঃ

ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এসব উদ্ভিদকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
২. এদের দেহে পরিবহন টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
যেমন: আম, কাঠাল, ধান ইত্যাদি। এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত।

উত্তরঃ

মসবর্গীয় এবং ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের মধ্যে পার্থক্য নিম্নে দেওয়া হলো-

মসবর্গীয় উদ্ভিদ

ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ

১. এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত।১. এদের দেহ মূল, কান্ড.ও পাতায় বিভক্ত।
২. এদের দেহে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড বিদ্যমান।২. এদের দেহে মূল বিদ্যমান।
৩. উদাহরণ: ব্রায়াম।৩. উদাহরণ: টেরিস।
উত্তরঃ

বীজের আবরণের ভিত্তিতে সুপুষ্পক উদ্ভিদ দুই প্রকার। যথা-নগ্নবীজী উদ্ভিদ এবং আবৃতজীবী উদ্ভিদ। সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ। আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি আবৃতজীবী উদ্ভিদের উদাহরণ।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না তাই বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে তাদের নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে। যেমন: সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি।

উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় ফল উৎপাদন হয় এবং বীজ আবৃত থাকে তাদের আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে। যেমন: আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি।

উত্তরঃ

নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদের মধ্যে পার্থক্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

নগ্নবীজী উদ্ভিদ

আবৃতজীবী উদ্ভিদ

১. এদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না।১. এদের ফুলে গর্ভাশয় বিদ্যমান
২. এদের ফল উৎপন্ন হয় না২. এদের ফল উৎপন্ন হয়
৩. এদের বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে৩. এদের বীজ আবৃত অবস্থায় থাকে
৪. উদাহরণ: সাইকাস, পাইনাস৪. উদাহরণ: আম, জাম, সুপারি
উত্তরঃ

এ্যানিমেলিয়া রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না।
২ . এসব জীবের কোষগুলোতে প্লাস্টিড থাকে না।

উত্তরঃ

যেসব প্রাণীর দেহে মেরুদণ্ড নেই অর্থাৎ দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না তাদের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলে। যেমন: কেঁচো, জোঁক, প্রজাপতি, মশা, মাছি ইত্যাদি।

উত্তরঃ

অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের দেহের ভিতরে কঙ্কাল থাকে না।
২. এদের লেজ নেই।

উত্তরঃ

পতঙ্গ শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা: মস্তক, বক্ষ ও উদর।
২. এদের সন্ধিযুক্ত পা বিদ্যমান।

উত্তরঃ

যেসব প্রাণীর দেহে মেরুদণ্ড আছে অর্থাৎ দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে তাদের মেরুদণ্ডী প্রাণী বলে। মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। এরা ফুলকা বা ফসুফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চলায়।

উত্তরঃ

মেরুদণ্ডী প্রাণীর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের দেহে পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে।
২. এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।

উত্তরঃ

উভচর প্রাণীর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের ত্বকে লোম, আঁইশ বা পালক কিছুই থাকে না।
২. এদের দুই জোড়া পা থাকে।

উত্তরঃ

সরীসৃপ প্রাণীর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এরা বুকে ভর দিয়ে চলে।
২. এদের আঙ্গুলে নখ থাকে।

উত্তরঃ

পক্ষী শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের দেহ পালক দ্বারা আবৃত।
২. এরা ডিম পাড়ে এবং ডিম থেকে বাচ্চা হয়।

উত্তরঃ

যেসব প্রাণীর বাচ্চা মায়ের দুধ খেয়ে বড়ো হয় এবং মায়েরা বাচ্চা প্রসব করে তাদের স্তন্যপায়ী প্রাণী বলে। যেমন: বানর, কুকুর, বিড়াল, মানুষ ইত্যাদি। এদের মস্তিষ্ক এবং দেহের গঠন বেশ উন্নত।

উত্তরঃ

স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের দেহে লোম থাকে।
২. মায়েরা বাচ্চা প্রসব করে।

উত্তরঃ

মেরুদণ্ডী এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

মেরুদণ্ডী প্রাণী

অমেরুদণ্ডী প্রাণী

১. এদের দেহ কঙ্কাল দ্বারা গঠিত।১. এদের দেহে কঙ্কাল অনুপস্থিত।
২. মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে।২. এদের লেজ নেই।
উত্তরঃ

শৈবাল ও মসের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

শৈবাল

মস

১. এদের দেহকে কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।১. এদের কান্ড ও পাতা আছে।
২. এদের দেহে মূল নেই।২. এদের মূল নেই কিন্তু মূলের পরিবর্তে রাইজোয়েড বিদ্যমান।
উত্তরঃ

শৈবাল

ফার্ন
১. দেহ মূল কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত নয়।১. দেহ মূল কান্ড ও পাতায় - বিভক্ত।
২. পরিবহন কলা নেই।২. পরিবহন কলা থাকে।
150

ভীষণ বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী। আমরা আমাদের আশেপাশে একটু তাকালেই এই বৈচিত্র্যের দারুন সব উদাহরণ দেখতে পাই। এসব বস্তুর মধ্যে কারো জীবন আছে, আবার কারো জীবন নেই। চেয়ার, টেবিল, গাছপালা, দালান, গাড়ি, গ্লাস, কলম এসব হচ্ছে জড়বস্তুর নমুনা। আবার মানুষ, গরু, গাছ, মাছ, মশা, পিঁপড়া এসব হচ্ছে জীবের উদাহরণ। আবার এমন কিছু জীবও রয়েছে যাদের খালি চোখে দেখা যায় না। যেমন: ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ইত্যাদি। ছোটো থেকে বড়ো, মাটি থেকে পানি, বাতাসে উপস্থিত নানা প্রকারের জীব নিয়েই আমাদের এই জীবজগৎ গঠিত হয়েছে। সেসব নিয়েই এই অধ্যায়ের আলোচনা।

এই অধ্যায় শেষে আমরা

• জীবের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের আলোকে জীবজগতের শ্রেণিকরণ করতে পারব।
• সপুষ্পক ও অপুষ্পক উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• মেরুদণ্ডী এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• চারপাশের জীবজগৎ সম্পর্কে সচেতন হব এবং মানবজীবনে এসব জীবের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে সক্ষম হব।
• বিদ্যালয়ের চারপাশের পরিবেশে অবস্থিত জীবের শ্রেণিবিন্যাস করে পোস্টারে প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব প্রাণীর মেরুদন্ড আছে, তাদেরকে মেরুদণ্ডী প্রাণী এবং যেসব প্রাণীর মেরুদন্ড নেই, তাদেরকে অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
947
উত্তরঃ

কুনো ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়। কারণ এরা জীবনের কিছু সময় ডাঙায় ও কিছু সময় পানিতে বাস করে। পানি এবং ডাঙায় উভয় স্থানে বাস করে বলেই কুনো ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
486
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র A এর প্রাণীটি চিংড়ি এবং চিত্র B এর প্রাণীটি মাছ (ইলিশ)। নিচে A ও B অর্থাৎ চিংড়ি ও মাছের পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-

A (চিংড়ি)

B (ইলিশ)

১. মেরুদণ্ড নেই।

১. মেরুদন্ড আছে।

২. এদের চোখ পুঞ্জাক্ষী প্রকৃতির।

২. চোখ সরল প্রকৃতির।

৩. এর দেহে কঙ্কাল নেই।

৩. এর দেহে কঙ্কাল রয়েছে।

৪. এর লেজ নেই।

৪. এর লেজ আছে।

৫. এর লোম বা আঁইশ নেই।

৫. এর আঁইশ আছে।

৬. এর পা সন্ধিযুক্ত, খন্ড খন্ড।

৬. এর পাখনা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
247
উত্তরঃ

চিত্রের B প্রাণীটি হলো মাছ। নিচে আমাদের জীবনে মাছের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো-

১. প্রাণিজ আমিষের শতকরা ৫৮ ভাগই আসে মাছ থেকে। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

২. মাছ এক ধরনের সহজপাচ্য ও সুস্বাদু খাবার, যা হজম করতে কোনো সমস্যা হয় না, ফলে আমরা সুস্থ থাকি।

৩. মাছের চামড়ায় ভিটামিন 'এ' ও 'ডি' রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৪. দেশের চাহিদা মিটিয়ে মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

৫. আমাদের দেশের উপকূলবর্তী অধিকাংশ লোকই মাছ ধরে বিক্রি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে।

৬. বেকারত্ব দূরীকরণে অনেকেই মাছ চাষ করছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে।

৭. বড় মাছের উচ্ছিষ্ট অংশ দ্বারা জৈব সার তৈরি করা হচ্ছে, যা আমাদের কৃষিক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়।

৮. মাছে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ বিদ্যমান।

৯. মাছের কাটা থেকে পোল্ট্রি শিল্পের খাবার তৈরি করা হয়।

১০. মাছের তেলে কোলেস্টেরল কম থাকে, যা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

সর্বোপরি বলা যায়, মাছ আমাদের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
202
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের ফুল হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
515
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' চিত্রের উদ্ভিদটি নারিকেল গাছ। নিচে উদ্ভিদটির অর্থাৎ নারিকেল গাছের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-

১. এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত।

২. পাতা সমান্তরাল শিরা বিন্যাসযুক্ত।

৩. ভূণে একটি বীজপত্র থাকে।

৪. নিষেকের পর ডিম্বক বীজে ও ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
144
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews