অধিবাসেতু নো ভন্তে ভোজনং পরিকল্পিতং অনুকম্পং উপাদায পতিগন্থাতু উত্তমং।
দুতিয়ম্পি অধিবাসেতু নো ভন্তে ভোজনং পরিকল্পিতং 'অনুকম্পং উপাদায পতিগন্থাতু উত্তমং।
ততিয়ম্পি অধিবাসেতু নো ভন্তে ভোজনং পরিকল্পিতং অনুকম্পং উপাদায পতিগন্ধাতু উত্তমং।
বৈশাখী পূর্ণিমাকে বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বলা হয়। কারণ এ দিনেই গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয়েছিল। এই দিন বৌদ্ধদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ।
সিদ্ধার্থ গৌতম জীবনের দুঃখ, রোগ, বার্ধক্য ও মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে গৃহত্যাগ করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন রাজ্যসুখে থেকে এই দুঃখ হতে মুক্তি সম্ভব নয়। মানবজীবনের সত্য ও মুক্তির পথ খুঁজতেই তিনি সংসার ত্যাগ করে বুদ্ধত্ব লাভের প্রতি যাত্রা শুরু করেন।
অন্য ধর্মের প্রতি আমার আচরণ সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ও সহনশীল হওয়া উচিত। তাদের উৎসবে শুভেচ্ছা জানাবো এবং কোনো প্রকার কটূক্তি বা অবজ্ঞা করবো না। এভাবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মাধ্যমে সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখবো।
নালন্দা মহাবিহার 'নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়' নামেও পরিচিত। এখানে ধর্ম-দর্শনের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, তর্কশাস্ত্র, অর্থশাস্ত্র, বেদ, পুরাণ, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়েও শিক্ষা দেওয়া হতো।
বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধদের প্রধান পূর্ণিমা ও ধর্মীয় উৎসব। কারণ এ পূর্ণিমা তিথিতে স্যিার্থ গৌতম লুম্বিনী কাননে জন্মগ্রহণ করেন। বুদ্ধগয়ার মহাবোধিবৃক্ষ তলে যুদ্ধত্ব লাভকরেন এবং কুশিনগরে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। তাই সমগ্র বিশ্বের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
'প্রত্যেকে নিজ ধর্ম, ধর্মীয় উৎসব এবং অনুষ্ঠানকে ভালোবাসে। অন্য ধর্মের উৎসবে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করলে সম্প্রীতি, সৌহার্দ ও মিত্রতা সৃষ্টি হয়। তাই নিজ ধর্মের পাশাপাশি অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
কুমিল্লা জেলায় শালবন বিহার অবস্থিত। অষ্টম শতাব্দীর প্রথম দিকে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বিহারটি নির্মাণ করেন। সেসময় এটি ছিল বিদ্যাশিক্ষার অন্যতম প্রতিষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ ছিল
তক্ষশীলা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র। সিন্ধু নদীর পূর্ব তীরে এর অবস্থান। এটির বর্তমান অবস্থান পাকিস্তানে। পাঞ্জাব প্রদেশের, রাওয়ালপিন্ডি, জেলায় এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান।
ঐতিহাসিক স্থানগুলো ইতিহাসের অমূল্য নিদর্শন। শিক্ষা, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশে এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থানগুলোর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। এতে প্রাচীন সভ্যতার বহু নিদর্শন রয়েছে। তাই ঐতিহাসিক স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allদেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব শালবন বিহার নির্মাণ করেন।
একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা উচিত।
সকল ধর্মের লোক একসাথে বসবাস করলে সমাজ উন্নতির শিখরে আরোহণ করে।
প্রত্যেক ধর্মের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত।
বড়দিন'খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
বেলা বারোটার পূর্বে আহারপূজা করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!