সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় আয়োডিনের অভাবে গয়টার রোগ হয়। এ রোগ প্রতিরোধে আয়োডিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ এবং এর পরিপূরক ট্যাবলেট নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে হবে এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়ে রান্না করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পুষ্টি একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার খাদ্যবস্তু পরিমাপের মাধ্যমে বিশ্লেয়িত হয়ে সরল শোষণযোগ্য উপাদানে পরিণত হয়। এ শোষিত উপাদানগুলো হচ্ছে সরল শর্করা। যেমন- গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, স্নেহজ এসিড ইত্যাদি। এ পুষ্টি উপাদানগুলো কোষের বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ, তাপশক্তি উৎপাদন প্রভৃতি জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তাই পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণগুলো আমাদের খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত থাকে, যা গ্রহণের পর আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। লৌহ তেমনি একটি খনিজ লবণ। দীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় কলিজা, মাংস, ডিম, ডাল, শাকসবজি ইত্যাদি লৌহসমৃদ্ধ খাবার অনুপস্থিত থাকলে, ঘন ঘন সন্তান জন্ম দিলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনগুলো আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে। এ ভিটামিনগুলোর অভাবে, আমাদের নানা ধরনের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- রিকেট একটি অপুষ্টিজনিত রোগ এবং ভিটামিন ডি-এর অভাবেই শিশুদের এ রোগ হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোয়াশিয়রকর রোগের কয়েকটি লক্ষণ নিম্নরূপ:
শরীরে পানি জমে, বিশেষত হাত, পা ও মুখ ফুলে যায়।
চামড়া ফেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
চুল পাতলা হয়ে পড়ে এবং দুর্বল হয়ে যায়।
শিশুর মুখ গোল হয়ে যায়, যাকে 'মুনফেস' বলা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ম্যারাসমাস রোগের কারণগুলো নিম্নরূপ:

  • পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ না করা।
  • বুকের দুধের বিকল্প সুষম খাদ্য না দেওয়া।
  • বারবার ডায়রিয়া বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

রাতকানা রোগের লক্ষণগুলো হলো-

  • রাতে কম দেখা বা সম্পূর্ণ অন্ধত্ব।
  • চোখ শুকিয়ে যাওয়া এবং চুলকানো।
  • চোখের কর্নিয়ায় সাদা দাগ (বিটি স্পট) পড়া।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
67

 

পাঠ ১ প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টি-

খাদ্যের কাজ হলো পুষ্টি সাধন করা। কিন্তু যদি কোনো কারণে নীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ
না করা হয় বা যে খাদ্য গ্রহণ করা হচ্ছে তার মধ্যে এক বা একাধিক পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকে বা চাহিদা
অনুযায়ী কম খাদ্য গ্রহণ করা হয় তাহলে গৃহীত খাদ্য শরীরের চাহিদা মেটাতে পারবে না। তখন কিছুদিনের
মধ্যেই এই পুষ্টি উপাদানগুলোর অভাবজনিত বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। পুষ্টি উপাদানগুলোর অভাবে আমাদের
শরীরে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয় তাদেরকেই অভাবজনিত রোগ বা অপুষ্টিজনিত রোগ বলে।

অপুষ্টিজনিত রোগগুলোর মধ্যে প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টি, রাতকানা, রক্ত স্বল্পতা, গলগণ্ড, রিকেট,
অস্টিওম্যালেসিয়া, বেরিবেরি, পেলেগ্রা, স্কার্ভি উল্লেখযোগ্য ।

প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টি -প্রোটিন ও ক্যালরির অভাবে যে অপুষ্টি দেখা দেয় তাকে প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টি
(Protein Calorie Malnutrition) বা পিসিএম (PCM) বলে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনুন্নত দেশ
সমূহে শিশুদের ক্ষেত্রে প্রধান অপুষ্টিজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে পিসিএম একটি সমস্যা। সাধারণত ২ ধরনের
পিসিএম দেখা দেয়।

(১) কোয়াশিয়রকর বা গা ফোলা রোগ-

সাধারণত ১-৪ বছর বয়সের শিশুরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাবে
কোয়াশিয়রকর বা গা ফোলা রোগ দেখা দেয়।

কারণ-

(ক) মা বারবার গর্ভবর্তী হলে কোলের শিশুকে বুকের দুধ থেকে সরিয়ে দিয়ে কার্বোহাইড্রেট বহুল খাদ্যে
অভ্যন্ত করলে খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হয়। ফলে কোয়াশিয়রকর দেখা দেয়।

(খ) ডায়রিয়া, হাম ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হলে অসুস্থতার সময় এবং রোগ ভোগের পরে দীর্ঘদিন পুষ্টিকর
খাদ্য হতে বঞ্চিত হলে শিশুর দেহে প্রোটিনের ঘাটতির ফলে কোয়াশিয়রকর হয়।

• স্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। পানি জমার পরও শরীরের ওজন কমে যায়।

হাত, পা ও মুখে পানি জমে।

ত্বক ফেটে যেতে পারে ও ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

• চুল পাতলা, বিবর্ণ ও দুর্বল গোড়াযুক্ত হয়।

মুখ ফুলে গোল হয়ে চাঁদের মতো দেখায়। একে “মুনফেস ” বলে।

শিশু সাধারণত উদাসীন থাকে, কোনো কিছুতেই উৎসাহ থাকে না।

ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।

(২) ম্যারাসমাস বা হাড্ডিসার রোগ-

সাধারণত জীবনের প্রথম ২ বছর বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বেশি দেখা যায়। তবে যে কোনো বয়সেই হতে
পারে। শিশুদের খাদ্যে প্রোটিন ও ক্যালরির অভাব হলে ম্যারাসমাস বা হাড্ডিসার রোগ দেখা দেয়।

কারণ-

(ক) খাদ্যের অপর্যাপ্ততা খাদ্যের অপর্যাপ্ততাই এর প্রধান কারণ। মায়ের দুধ কমে গেলে যদি পরিপূরক খাদ্য
-
দেওয়া না হয় তাহলে দেহে প্রোটিন ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব ঘটে।

(খ) সংক্রামক ব্যাধি বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হলে অথবা বারবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে এবং সেই
সময় প্রয়োজনমতো খাবার গ্রহণ না করতে পারলে শিশু হাড্ডিসার রোগে আক্রান্ত হয়।

-
(১) বয়সের তুলনায় শিশুদের
শরীরের ওজন শতকরা ৬০ ভাগের নিচে
নেমে যায়।

(২) হাত, পা ও মুখ শীর্ণ হয়ে, চামড়া

কুঁচকিয়ে বৃদ্ধ ব্যক্তির মতো দেখায় ।
(৩) অস্থির প্রকৃতির হয় ও দুর্দশাগ্রস্ত

দেখায়।

(৪) পেটকে অনেকটা বাটির মতো দেখায়।
এই অবস্থাকে "পট বেলি" বলে ।

(৫) ক্ষুধা থাকে ।

ম্যারাসমাসে আক্রান্ত শিশু

প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টি জনিত রোগের প্রতিকার প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টির প্রতিকার করার জন্য -

(ক) ক্যালরি ও প্রাণিজ প্রোটিন সমৃদ্ধ যথাযথ পুষ্টিকর খাবার প্রদান করতে হবে। বারবার অল্প খাবার দিতে
হবে। ধীরে ধীরে খাবারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। অসুস্থতা বেশি হলে খাবার নরম করে রান্না করে বারবার
দিতে হবে। দুই বছরের শিশুকে বাইরের খাদ্যের পাশাপাশি মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। নিয়মিত
ভিটামিন ও খনিজ লবণের ট্যাবলেট দিতে হবে।

(খ) সংক্রামক রোগের চিকিৎসা করতে হবে।

প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টিজনিত রোগের প্রতিরোধ - প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টির প্রতিরোধ করার জন্য -
(১) ৬ মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে। ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের
পুষ্টিকর পারিবারিক খাবার দিতে হবে। ডায়রিয়া হলে খাবার স্যালাইন নিতে হবে, পাশাপাশি অন্যান্য
খাবারও দিতে হবে।

(২) সংক্রামক রোগ হলে চিকিৎসা করতে হবে এবং সেই সাথে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

(৩) নিয়মিত শিশুর ওজন নিতে হবে এবং তা রেকর্ড করতে হবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই সাস্থ্য রক্ষার জন্য সর্বোত্তম পন্যা।

পাঠ ২- বিভিন্ন ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ

আমরা জানি যে, খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনগুলো আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধক
ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে। এই ভিটামিনগুলোর অভাবে আমাদের নানা ধরনের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা
যায়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভিটামিনের অভাবজনিত সমস্যাগুলোর কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ
সম্পর্কে নিচের ছকে দেওয়া হলো।

 

অনুশীলনী

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

১. কোয়াশিয়রকর রোগের অপর নাম কী?

ক. চিলোসিস

পেলেগ্রা

গ. গা ফোলা

ঘ. হাড্ডিসার

২. নিচের কোনটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলা

ক. কলা

. কাঁঠাল

গ. পেয়ারা

ঘ. তরমুজ

নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও

জহুরার ৬ বছরের ছেলেটির পা দুইটি ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যাচ্ছে। মাথাটাও বাক্সের মতো দেখায়।
এ ব্যাপারে সাস্থ্যকর্মীর কাছে জানতে চাইলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলেন।

৩. জহুরার ছেলের কোন রোগটি হয়েছে?

ক. পেলেগ্রা

খ. রিকেট

গ. বেরিবেরি

ঘ, গয়টার

৪. জহুরার ছেলের জন্য করণীয়-

i. ছোট মাছ ও দুধ খাওয়ানো

ii. চিনি ও রুটি খাওয়ানো

iii. প্রতিদিন সূর্যোলোকে ১০ মিনিট বসানো

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. ও॥

গ. ii ও iii

ঘ. i, ii ও iii

সৃজনশীল প্রশ্ন

১. শ্রমজীবি সালমার ৪টি সন্তান। সে সন্তানদের যত্নের ব্যাপারে তত মনোযোগী নয়। তার ছোট ছেলেটি
প্রায়ই পেটের পীড়ায় ভোগে। ইদানীং সে অনেক শুকিয়ে গেছে। বাচ্চাটির শরীরের চামড়া কুঁচকে গেছে।
পেট শরীরের ভিতর ঢুকে গর্ত হয়ে গেছে। সালমা ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে প্রয়োজনীয়
পরামর্শ দিয়ে বললেন একটু সচেতন হলে তার সন্তান এ রোগে আক্রান্ত হতো না ।

ক. ভিটামিন ডি-এর অভাবে কোন রোগ হয়?

খ. অপুষ্টিজনিত রোগ বলতে কী বোঝায়?

গ. সালমার ছেলের কোন রোগ হয়েছে ব্যাখ্যা কর।

ঘ. সালমার ছেলের রোগ সম্পর্কে ডাক্তারের মন্তব্যটির যথার্থ মূল্যায়ন কর।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় আয়োডিনের অভাবে গয়টার রোগ হয়। এ রোগ প্রতিরোধে আয়োডিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ এবং এর পরিপূরক ট্যাবলেট নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে হবে এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়ে রান্না করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
62
উত্তরঃ

পুষ্টি একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার খাদ্যবস্তু পরিমাপের মাধ্যমে বিশ্লেয়িত হয়ে সরল শোষণযোগ্য উপাদানে পরিণত হয়। এ শোষিত উপাদানগুলো হচ্ছে সরল শর্করা। যেমন- গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, স্নেহজ এসিড ইত্যাদি। এ পুষ্টি উপাদানগুলো কোষের বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ, তাপশক্তি উৎপাদন প্রভৃতি জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তাই পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
68
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণগুলো আমাদের খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত থাকে, যা গ্রহণের পর আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। লৌহ তেমনি একটি খনিজ লবণ। দীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় কলিজা, মাংস, ডিম, ডাল, শাকসবজি ইত্যাদি লৌহসমৃদ্ধ খাবার অনুপস্থিত থাকলে, ঘন ঘন সন্তান জন্ম দিলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
64
উত্তরঃ

খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনগুলো আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে। এ ভিটামিনগুলোর অভাবে, আমাদের নানা ধরনের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- রিকেট একটি অপুষ্টিজনিত রোগ এবং ভিটামিন ডি-এর অভাবেই শিশুদের এ রোগ হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
80
উত্তরঃ

কোয়াশিয়রকর রোগের কয়েকটি লক্ষণ নিম্নরূপ:
শরীরে পানি জমে, বিশেষত হাত, পা ও মুখ ফুলে যায়।
চামড়া ফেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
চুল পাতলা হয়ে পড়ে এবং দুর্বল হয়ে যায়।
শিশুর মুখ গোল হয়ে যায়, যাকে 'মুনফেস' বলা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
83
উত্তরঃ

ম্যারাসমাস রোগের কারণগুলো নিম্নরূপ:

  • পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ না করা।
  • বুকের দুধের বিকল্প সুষম খাদ্য না দেওয়া।
  • বারবার ডায়রিয়া বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
69
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews