বুদ্ধের সমকালীন কয়েকজন শ্রেষ্ঠীর মধ্যে অনাথপিণ্ডিক শ্রেষ্ঠী, মিগার শ্রেষ্ঠী, ধনঞ্জয় শ্রেষ্ঠী, উগ্ন শ্রেষ্ঠীর নাম উল্লেখযোগ্য। রাজন্যবর্গের মধ্যে রাজা বিম্বিসার, অজাতশত্রু, প্রসেনজিৎ অন্যতম।
পিতা অমিতোদন ও মাতা জনপদকল্যাণীর পুত্র ছিলেন আনন্দ থের। সিদ্ধার্থ গৌতমের কাকাতো ভাই ছিলেন তিনি। রাজা শুদ্ধোধন ছিলেন তাঁর কাকা।
কৃশা গৌতমী ছোটবেলা থেকে অনাদর ও অবহেলায় বড় হয়েছেন। বিবাহিত জীবনে তাঁর স্বামী অকালে মৃত্যুবরণ করেন।
এজন্য কৃশা গৌতমীকে অনাথা বলা হয়।
আনন্দ থের'র গুণাবলি চারটি। সেগুলো হলো:
১. আনন্দকে দেখে ভিক্ষুগণ সন্তোষ বা আনন্দ লাভ করে।
২. আনন্দের ধর্মদেশনা শুনে ভিক্ষুগণ সন্তুষ্টি লাভ করে।
৩. আনন্দের সাথে কথা বলে ভিক্ষুগণ তৃপ্তি লাভ করে।
৪. আনন্দকে দেখে ভিক্ষু-ভিক্ষুণী ও উপাসক-উপাসিকা পরম আনন্দ লাভ করে।
আমি সর্বদা সত্য কথা বলব, সদাচরণ করব। সবার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলব। দুঃখের মধ্যে হতাশ হবো না। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষকে সহায়তা করব। সবসময় ন্যায়পরায়ণ হওয়ার চেষ্টা করব।
শাক্য রাজকুমারদের মধ্যে ভদ্রিয়, অনুরুদ্ধ, ভৃগু, দেবদত্ত ও কিম্বিল ছিল অন্যতম।
বুদ্ধের সময়ের থের-খেরীগণের মধ্যে মহাকাশ্যপ, আনন্দ পালি, পটাচারা, সুমনা, কুশা গৌতমীর নাম উল্লেখযোগ্য। তাঁরা ধর্মত ও বিনয়সম্মত জীবনযাপন করতেন।
মৃত পুত্র নিয়ে কৃশা প্রতিবেশীদের কাছে গিয়ে সন্তানকে সুস্থ করে দিতে বললেন। এক ব্যক্তির পরামর্শে বুদ্ধের কাছে গিয়ে ঔষধ চাইলেন।
বুদ্ধ কৃশাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "জন্ম নিলে মৃত্যু হবেং মৃত্যু চির সত্য।" বুদ্ধ আরও বললেন, 'মহাজল প্রবাহ বা বন্যা।যেমন ঘুমন্ত গ্রামকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়, তেমনি মৃত্যুও সকলকে হরণ করে।"
রাজা বিম্বিসার ছিলেন বুদ্ধের প্রতি অনুরাগী। তিনি ছিলেন দানবীর, শীলবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি ছিলেন মৈত্রীবান রাজা ও সশাসক।
Related Question
View Allথের-থেরী বলতে ভিক্ষু-ভিক্ষুণীকে বোঝায়।
বুদ্ধত্ব লাভের পর বুদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য ভিক্ষুসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
সুদেশক, জ্ঞানী ও পণ্ডিত ভিক্ষু হিসেবে আনন্দ থের'র সুখ্যাতি ছিল।
কৃশা গৌতমী মৃত পুত্রের জন্য বুদ্ধের কাছে ঔষধ চাইলেন।
আনন্দ থের'র জীবনী আমাদের করতে সেবা। শেখায়।
বৌদ্ধদের ইতিহাসে প্রথম বৌদ্ধ বিহার হলো অমিতোদন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!