সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া জন্য পরিবেশ থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের প্রকার জীবের শ্বাস নেওয়ার জন্য বিশেষ কোনো অঙ্গ নেই ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ বায়ু থেকে অক্সিজেন ও কার্বনডাই অক্সাইড দুটি গ্যাস সংগ্রহ করে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মাটি থেকে উদ্ভিদ মূলের মাধ্যমে গ্যাস সংগ্রহ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন CO2 এর কিছু অংশ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসন প্রক্রিয়া দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টা সংঘটিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

তিন-চার মিনিট সময়ের বেশি দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ থাকলে মৃত্যু অনিবার্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে অঙ্গগুলোর সাহায্যে শ্বাসকার্য পরিচালিত হয় এদের একত্রে শ্বসনতন্ত্র বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে অক্সিজেন রক্তের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গে পৌছায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

পরিপাককৃত খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

রক্ত ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্যাস শোষণ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস থেকে রক্ত কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস ছেড়ে দেয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসন প্রক্রিয়ায় খাদ্যস্থ মজুদশক্তি ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম নাসিকা বা নাক ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নাসিকা গহ্বরের আকার ত্রিকোণাকার গহ্বর ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নাসাপথ পাতলা প্রাচীর দ্বারা দুই ভাগে বিভক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মুখ হাঁ করলে মুখগহ্বরের পিছনে যে অংশটি দেখা যায়, সেটির নাম গলবিল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য গ্রহণের সময় প্রচুর পরিমাণে পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ গলবিলের কাজ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের অঙ্গের দুই ধারে স্বররজ্জু বা ভোকাল কর্ড নামে দুটি পেশি থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের দুপাশের পেশিকে Vocal Cord বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের উপরে জিহ্ববা আকৃতির ঢাকনাকে উপজিবা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাস দুটি শাখায় বিভক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাই দুটি অশংখ্য শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হওয়াকে ব্রংকিওল বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের নিকটবর্তী ডান ও বাম শাখাকে ব্রংকাই বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির প্রাচীর তরুণাস্থি ও পেশি দিয়ে গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অণুক্রোমের গঠনশৈলী শ্বাসনালির অনুরূপ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির প্রাচীরের তরুণাস্থি দেখতে অসম্পূর্ণ বলয়াকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির আন্তগাত্র ঝিল্লি দ্বারা গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ ফুসফুস ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানুষের ফুসফুস ২টি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ডান ফুসফুস তিনটি খণ্ডে বিভক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের রং হালকা লালচে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

Alveolus-এর বহুবচন রূপ Alveoli

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস দুই ভাঁজ বিশিস্ট পর্দা দ্বারা আবৃত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস যে পর্দা দ্বারা আবৃত তার নাম গুরা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি ফুসফুসের অ্যালভিওলাস অঙ্গে পৌছায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দাকে মধ্যচ্ছদা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পেলে বায়ুর চাপ কম হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসকার্য স্নায়বিক উত্তেজনা দ্বারা পরিচালিত্ব হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের গ্যাসীয় উপাদান বিনিময় অ্যালভিওলাই হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

সব ধরনের গ্যাসীয় বিনিময়ের মূলে রয়েছে ব্যাপন প্রক্রিয়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ধমনি রক্তে প্রবেশের পর রক্তে অক্সিজেন দুই ভাবে প্রবাহিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেন লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের লৌহের অংশের সাথে হালকা বন্ধনে যুক্ত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

কোষের ভিতর খাদ্যবস্তু, অক্সিজেনের সাথে জারণ বিক্রিয়া ঘটায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

রক্তের মাধ্যমে CO2 গ্যাস মানব অঙ্গের ফুসফুসে যায়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

CO2 বাইকার্বোনেট রূপে রক্তে পরিবাহিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

রক্ত থেকে CO2 প্রথমে ফুসফুসের কৈশিক নালি অঙ্গে প্রবেশ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ডাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ফুসফুস অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁপানি রোগের অপর নাম অ্যাজমা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁপানি রোগে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বুকের ভিতর সাঁই সাঁই আওয়াজ হয় হাঁপানি বোগের জন্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না হাঁপানি রোগটি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ ব্রংকাইটিস রোগের কারণ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া ফুসফুস অঙ্গে হয়ে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

Pneumococcus একটি ব্যাকটেরিয়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অত্যাধিক ঠান্ডা লাগলে নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টি হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো সময় যেকোনো লোক যক্ষ্মা রোগ দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

দেহে যক্ষ্মা ধরনের রোগের লক্ষণ সহজে প্রকাশ পায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় যক্ষ্মা রোগের কারণে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ধূমপান ফুসফুস ক্যান্সার রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

রেডিয়েশন থেরাপি প্রয়োগ করা হয় ফুসফুস ক্যান্সার রোগ নিরাময়ের জন্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে জৈবিক প্রক্রিয়া প্রাণিদেহের খাদ্যবস্তুকে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে জারিত করে মজুদ শক্তিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নিষ্কাশন করে তাকে শ্বসন বলে। অর্থাৎ কোষ অভ্যন্তরে খাদ্য বস্তুর রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হওয়াকে কোষীয় শ্বসন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

প্লুরার কাজ নিম্নরূপ-
১. ফুসফুসের বহিঃপৃষ্ঠকে রক্ষা করে।
২. শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনো ঘর্ষণ লাগতে দেয় না।
৩. এটি ফুসফুসকে কামরায় বিভক্ত করে এবং পিচ্ছিল করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত ঝিল্লিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে ব্রংকাইটিস বলে। ব্রংকাইটিস একটি শ্বাসনালি সংক্রান্ত রোগ। ঠান্ডালাগা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ধূমপান থেকে এ রোগ হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মধ্যচ্ছদার কাজ নিম্নরূপ-

১. এটি বক্ষগহ্বরের আয়তন স্বাভাবিক রাখে।
২. প্রশ্বাস বা শ্বাস গ্রহণের জন্য বক্ষগহ্বরকে বিস্তৃত রাখে এবং শ্বাসত্যাগ বা নিঃশ্বাসের জন্য মূল আকৃতিতে ফেরত আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের রোগ। অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে নিউমোকক্কাস নাম ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি মারাত্মক রোগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা রোগের লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
১. রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
২. সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
৩. খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনও কখনও কাশির সাথে রক্ত যায়।
৪. রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে, দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
৫. বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
৬. অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসীয় বিনিময় বলতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বিনিময়কে বুঝায়। প্রাণীর ক্ষেত্রে এটি মূলত বায়ু ও ফুসফুসের রক্তনালির ভিতরে ঘটে। প্রাণী তার শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য অক্সিজেন শোষণ করে এবং CO2 ত্যাগ করে। অপরদিকে উদ্ভিদের পত্রের স্টোমাটা ও পরিণত কাণ্ডের লেন্টিসেল CO2 শোষণ করে এবং O2 ত্যাগ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক পর্যায় সূর্যের আলোকে শোষণ করে কোষের ক্লোরোফিল শক্তি উৎপন্ন করে। এ পর্যায়ে পানি বিভাজিত হয়ে অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা বায়ুমণ্ডলে মুক্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পাতা ছোট ছোট ক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে পরিবেশ থেকে গ্যাস যেমন অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড সংগ্রহ করে। এই প্রক্রিয়াটি স্টোমাটা ও লেন্টিসেলের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন দুটি একে অপরের বিপরীত প্রক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ করে এবং O2 ত্যাগ করে, যখন শ্বসনে উদ্ভিদ O2 গ্রহণ করে এবং CO2 নির্গত করে।এই দুটি প্রক্রিয়া পরিবেশে গ্যাসীয় বিনিময়কে নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসীয় বিনিময়ের জন্য প্রাণীর মতো উদ্ভিদের বিশেষ কোনো অঙ্গ নেই। তবে পত্রের স্টোমাটা ও পরিণত কাণ্ডের বাকলের লেন্টিসেলের মাধ্যমে O2. CO2 ও অন্যান্য গ্যাসের বিনিময় ঘটে। এছাড়া উদ্ভিদ মূলের মাধ্যমেও কিছু প্রয়োজনীয় গ্যাস মাটি থেকে সংগ্রহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহের খাদ্যবস্তুকে-বায়ুর O2 এর সাথে জারিত করে মজুদ শক্তিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করে এবং CO2 নিষ্কাশন করে তাকে শ্বসন বলে। দেহের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুসফুস। শ্বসনের সরল বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-

C6H12O6+6O2   6CO2+ 6H2O + শক্তি (ATP)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেন ছাড়া প্রাণী বাঁচে না। কারণ, প্রাণিদেহে বায়ুর সাথে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে ও তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়। দেহকোষে পরিপাককৃত খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের বিনিময় ঘটে। ফলে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয়। এই তাপ ও শক্তি ছাড়া দেহ উষ্ণ থাকবে না এবং দেহ প্রয়োজনীয় শক্তি পাবে না। পরিণামে প্রাণীর মৃত্যু ঘটবে। তাই অক্সিজেন ছাড়া প্রাণী বাঁচে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্র হলো শ্বসনতন্ত্রের অংশ। এটা গলবিলের নিচে এবং শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত। স্বরযন্ত্রের দুই ধারে দুটি পেশি থাকে। এগুলোকে ডোকাল কর্ড বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নাসাপথের পিছনের অংশ হতে স্বরযন্ত্রের উপরিভাগ পর্যন্ত গলবিল বিস্তৃত। নাসা-গলবিলের পিছনের অংশের উপরিতলে একটি ছোট জিহ্বার মতো অংশ থাকে, এটাই আলাজিহ্বা বা Soft palate | খাদ্য এবং পানীয় গলাধঃকরণের সময় এটা নাসাপথের পশ্চাৎপথ বন্ধ করে দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্র গলবিলের নিচে এবং শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত। এর দুই ধারে দুটি পেশি থাকে, এগুলোকে ভোকাল কর্ড (Vocal cord) বলে। এটি স্বর সৃষ্টিতে সাহায্য করে। স্বরযন্ত্রে স্বর সৃষ্টি হয় বলে একে Voice boxও বলা হয়। স্বরযন্ত্রের উপরে এপিগ্লটিস নামক একটি জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা রয়েছে। শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার সময় এটি খোলা থাকে এবং এ পথে বাতাস ফুসফুসে যাতায়াত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের উপরে একটি জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা রয়েছে। একে উপজিহ্বা বলে। শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার সময় এটি খোলা থাকে এবং এ পথে বাতাস ফুসফুসে যাতায়াত করতে পারে। খাবার সময় ঐ ঢাকনাটা স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয় ফলে আহার্য দ্রব্যাদি সরাসরি খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

গলবিলের উপরিতলে ছোট জিহ্বার মতো গঠন থাকে যা আলাজিহ্বা নামে পরিচিত। খাদ্য এবং পানীয় গলাধঃকরণের সময় এটা নাসাপথের পশ্চাৎপথ বন্ধ করে দেয়। ফলে কোনো প্রকার খাদ্য নাসিকা পথে বাইরে আসতে পারে না। এজন্যই আলাজিহ্বা থাকা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

আলাজিহ্বা ও উপ-জিহ্বার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

আলাজিহ্বাউপ-জিহ্বা
১. গলবিলের অংশবিশেষ।১. স্বরযন্ত্রের অংশবিশেষ।
২. খাদ্য গ্রহণের সময় নাসাপথের পশ্চাৎপথ বন্ধ করে দেয়।২. খাদ্য গ্রহণের সময় স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রাকিয়া খাদ্যনালির সম্মুখে অবস্থিত একটি ফাঁপা নল। এ নলটি স্বরযন্ত্রের নিম্নাংশ থেকে শুরু করে কিছুদূর নিচে গিয়ে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি বায়ুনলের সৃষ্টি করে। এটি স্বরথলির মূল থেকে ফুসফুস পর্যন্ত বিস্তৃত। এর প্রাচীর কতকগুলো অসম্পূর্ণ বলয়াকার তরুণাস্থি ও পেশি দ্বারা গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির প্রাচীর কতকগুলো অসম্পূর্ণ বলয়াকার তরুণাস্থি ও পেশি দ্বারা গঠিত। এর অন্তর্গাত্র ঝিল্লি দ্বারা আবৃত। এ ঝিল্লিতে সূক্ষ্ম লোমযুক্ত কোষ থাকে। এর ভেতর দিয়ে বায়ু আসা-যাওয়া করে। শ্বাসনালির ভেতর দিয়ে কোনো অপ্রয়োজনীয় বস্তু প্রবেশ করলে সূক্ষ্ম লোমগুলো ধূলিকণাকে শ্লেষ্মার সাথে বাইরে বের করে দেয়। এজন্য শ্বাসনালি ঝিল্লি ও লোমযুক্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালি স্বরযন্ত্রের নিম্নাংশ থেকে ফুসফুসের নিকটবর্তী হয়ে ডান ও বাম দিকে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়; যা ডান ও বাম ফুসফুসে প্রবেশ করে। এগুলোই ব্রংকাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালি স্বরযন্ত্রের নিম্নাংশ থেকে ফুসফুসের নিকটবর্তী হয়ে ডান ও বাম দিকে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়; যা ডান ও বাম ফুসফুসে প্রবেশ করে। এগুলোই ব্রংকাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দাকে ডায়াফ্রাম বলে। এটা দেখতে অনেকটা প্রসারিত ছাতার মতো। ডায়াফ্রাম সংকুচিত হলে নিচের দিকে নামে, তখন বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পায়। এটা প্রসারিত হলে উপরের দিকে ওঠে ও বক্ষগহ্বর সংকুচিত হয়। এসব কারণেই ডায়াফ্রাম প্রশ্বাস গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অ্যালভিওলাস হলো ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক। ফুসফুসে স্কোয়ামাস কোষ দ্বারা গঠিত এবং কৈশিক জালিকাসমৃদ্ধ যে প্রকোষ্ঠ গ্যাসীয় বিনিময় ঘটায় তাকে অ্যালভিওলাস বলে। মানুষের ফুসফুসে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন (৭০ কোটি) অ্যালভিওলাই থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। ফুসফুস দুই ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত। দুই ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনো ঘর্ষণ লাগে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের প্রধান কাজ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ এবং শরীর থেকে CO2 নির্গমন। ফুসফুসের অ্যালভিওলি O2 শোষণ এবং CO2 নিষ্কাশন করার কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার দ্বারা অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড নিষ্কাশন করা হয় তাকে শ্বাসক্রিয়া বলে। বক্ষগহ্বরের আয়তন বেড়ে গেলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ প্রশ্বাস বায়ু ভিতরে প্রবেশ করে। বক্ষগহ্বরের আয়তন কমে গেলে কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ নিঃশ্বাস বায়ু দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। এভাবে প্রতিনিয়ত শ্বাসক্রিয়া চলতে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনসমৃদ্ধ বায়ু নাসারন্ধ্র দিয়ে প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। আবার, নিঃশ্বাসের মাধ্যমে CO2 ফুসফুস হতে নাসারন্দ্রের মাধ্যমে পরিবেশে নির্গত হয়। এভাবে মানবদেহে প্রতিনিয়ত শ্বাসকার্য চলতে থাকে যা বহিঃশ্বসন নামে পরিচিত। বহিঃশ্বসন হলো একটি ভৌত রাসায়নিক প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের নাসাপথের সামনের অংশ লোমাবৃত এবং পিছনের অংশ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী একটি পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বায়ুতে বিদ্যমান ধূলিকণা রোগজীবাণু ও আবর্জনা থাকলে তা এই লোম ও পর্দাতে আটকে যায়। ফলে মানবদেহে বিশুদ্ধ বায়ু প্রবেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অক্সিহিমোগ্লোবিন একটি অস্থায়ী যৌগ যা অক্সিজেন ও হিমোগ্লোবিন সমন্বয়ে গঠিত হয়। শ্বসনের সময় ০₂ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ফুসফুস থেকে রক্তে প্রবেশ করে। রক্তে প্রবেশ করার পর অক্সিজেন মুক্ত অবস্থায় থাকে না। এর একটি বড় অংশ লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক একটি অস্থায়ী যৌগ গঠন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

জারণ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন CO2 প্রথমে কোষ আবরণ ভেদ করে লসিকায় প্রবেশ করে এবং লসিকা থেকে কৈশিক নালিকার প্রাচীর ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে। এই CO2 প্রধানত বাইকার্বনেটরূপে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে ফুসফুসে আসে, সেখানে কৈশিক নালি ও বায়ুথলি ভেদ করে দেহের বাইরে নির্গত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিঃশ্বাস বায়ুতে CO2 এর পরিমাণ বেশি থাকে। CO2 চুনের পানিকে ঘোলা করে। সুতরাং চুনের পানিতে নিঃশ্বাস পড়লে চুনের পানি ঘোলা হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট রোগকে অ্যাজমা বা হাঁপানি বলা হয়। অ্যাজমা ছোঁয়াচে বা জীবাণুবাহিত রোগ নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব খাবার খেলে এলার্জি হয় (যেমন- চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ ইত্যাদি), বায়ুর সাথে ধোঁয়া, ধুলাবালি, ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্দি-কাশি থেকে হাঁপানি হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁপানি রোগের লক্ষণ হলো-

১. হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।
২. রোগী জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় বুকের ভিতর সাই সাই আওয়াজ হয়।
৩. কাশির সাথে কখনো কখনো সাদা কফ বের হয়।
৪. সাধারণত জ্বর থাকে না।
৫. রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁপানি প্রতিরোধে করণীয় হলো-
১. স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা।
২. বায়ু দূষণ, বাসস্থান বা কর্মক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হতে পারে এমন বস্তুর সংস্পর্শ পরিহার করা।
৩. হাঁপানি রোগীর শ্বাসকষ্ট লাঘবের জন্য সবসময় সাথে ঔষধ রাখা এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাইটিস হলো শ্বাসনালির প্রদাহ, যা শ্বাসযন্ত্রের নালির মধ্যে প্রদাহ এবং অতিরিক্ত শ্লেষ্মা উৎপাদন সৃষ্টি করে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে। একবার ব্রংকাইটিস হলে বার বার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রঙ্কাইটিস রোগের কারণসমূহ:
১. শ্বাসনালির ঝিল্লিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ।
২. ধূমপান করা।
৩. অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকা, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়ায় থাকা ও ঠান্ডা লাগা।
৪. কলকারখানার ধূলাবালি ও ধোঁয়াময় পরিবেশে তথা দূষিত পরিবেশে থাকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাইটিস রোগের লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. কাশি, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হয়।
২. কাশির সময় রোগী বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে।
৩. জ্বর হয়, রোগী ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪. শক্ত খাবার খেতে পারে না।
৫. কাশির সাথে অনেক সময় কফ বের হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে। ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ ব্রংকাইটিস রোগের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ রোগে কাশি, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হয়, কাশির সাথে অনেক সময় কফ বের হয়। যদি কমপক্ষে একটানা ৩ মাস কাশির সাথে কফ থাকে এবং এরকম অসুস্থতা পরপর ২ বছর দেখা যায়, তাহলে রোগীর ক্রনিক ব্রংকাইটিস হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাইটিস প্রতিকার করতে হলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে-
১. ধূমপান, মদ্যপান, তামাক বা সাদাপাতা খাওয়া বন্ধ করা।
২. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর চিকিৎসা করানো।
৩. রোগীকে সহনীয় উষ্ণতা ও শুষ্ক পরিবেশে রাখা।
৪. পুষ্টিকর তরল ও গরম খাবার খাওয়ানো। যেমন- গরম দুধ, স্যুপ ইত্যাদি।
৫. রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রংকাইটিস প্রতিরোধ করতে হলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার-
১. ধূমপান ও তামাক সেবনের মতো বদ অভ্যাস ত্যাগ করা।
২. ধুলাবালি ও ধোঁয়াপূর্ণ পরিবেশে কাজ করা থেকে বিরত থাকা।
৩. শিশু ও বয়স্কদের যেন মাথায় ঠান্ডা না লাগে সেদিকে নজর রাখা।
৪. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা।'
৫: শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি সংক্রমণ যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের আক্রমণে হয়। এটি ফুসফুসের অ্যালভিওলিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার 'ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশিসহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের রোগ। নিউমোকক্কাস (Pneumococcus) নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। তবে অত্যধিক ঠাণ্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে। হাম ও ব্রঙ্কাইটিস রোগের পর ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া হতে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণগুলো হলো-
১. কাশি ও শ্বাসকষ্ট হওয়া।
২. দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া।
৩. বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় আওয়াজ হওয়া।
৪. ফুসফুসে শ্লেষ্মা-জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি রোগ। নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। এ রোগ প্রতিকারের জন্য বেশি করে পানি পান করতে হবে, তরল ও গরম পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায় হলো-
১. ধূমপান ও মাদকদ্রব্য পরিহার করা।
২. আলো-বাতাসপূর্ণ গৃহে বসবাস করা।
৩. রোগীকে সহনীয় উষ্ণতায় ও শুষ্ক পরিবেশে রাখা।
৪. শিশু ও বয়স্কদের যেন ঠাণ্ডা না লাগে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা।
৫. টিকা বা ভ্যাকসিন গ্রহণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া সাধারণত শ্বাসকষ্টের মাধ্যমে ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে শরীর থেকে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া মুক্তি দেয়, যা অন্যদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া, দূষিত পরিবেশে বা অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে সংক্রমণ হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা একটি পরিচিত বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। যেকোনো লোক যেকোনো সময় এ রোগ দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। যারা অধিক পরিশ্রম করে, দুর্বল স্যাঁতসেঁতে বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করে, অপুষ্টিতে ভোগে অথবা যক্ষ্মা রোগীর সাথে বসবাস করে তারা এ রোগে সহজে, আক্রান্ত হয়। Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা একটি পরিচিত বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। যেকোনো লোক যেকোনো সময় এ রোগে সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। স্যাঁতসেঁতে বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে, অপুষ্টিতে ভুগলে অথবা যক্ষ্মা রোগীর সাথে বসবাস করলে সহজে এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা একটি পরিচিত বায়ুবাহিত রোগ। যেকোনো লোক যে কোনো সময় এ রোগে সংক্রমিত হতে পারে। দেহে এ রোগের আক্রমণ ঘটলে সহজে এর লক্ষণ প্রকাশ পায় না। জীবাণু, দেহে প্রবেশের পর যখন দেহের রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকাকে পরাস্ত করে দেহ দুর্বল করে তখনই যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেহেতু শ্বেত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করতে সময় লাগে সে কারণে যন্ত্রা রোগের লক্ষণ সহজে প্রকাশিত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো-
১. সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
২. রক্তসহ কাশি হয়।
৩. রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
৪. রাতে ঘাম হয়।
৫. বুকে পিঠে ব্যথা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিম্নলিখিত উপায়ে যক্ষ্মা রোগের প্রতিকার করা যেতে পারে-
১. রোগীর ব‍্যবহারের সবকিছু পৃথক রাখা।
২. রোগীর কফ বা থুতু মাটিতে পুঁতে ফেলা।
৩. পরিমিত পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা।
৪. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে-
১. যক্ষ্মা আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থেকে বিরত থাকা।
২. সঠিক সময়ে যক্ষ্মা পরীক্ষা এবং চিকিৎসা নেওয়া।
২. সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা'।
8. BCG ভ্যাকসিন যা শিশুর জন্য প্রাথমিক প্রতিরোধী ব্যবস্থা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এটি তখন অন্য মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এ কারণে একে "এয়ারবোর্ণ" রোগ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের ক্যান্সার হলো একটি রোগ যেখানে ফুসফুসের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং টিউমার তৈরি করে। এই ক্যান্সার সাধারণত ধূমপান বা দূষিত বায়ুর কারণে হয়, তবে কখনো কখনো জেনেটিক বা অন্যান্য কারণেও হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হয়ে থাকে। এদের মধ্যে প্রধান কারণ হলো ধূমপান। প্রায় ৮৫-৯০% ফুসফুসের ক্যান্সার ধূমপানকারী মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এছাড়াও বায়ুর দূষণ, আয়নীয় বিকিরণ, ফুসফুসের পুরনো ক্ষত, দীর্ঘকাল স্থায়ী ফুসফুসীয় প্রতিবন্ধকতামূলক রোগ ইত্যাদির কারণে ফুসফুসে ক্যান্সার হতে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-
১. দীর্ঘদিন ধরে খুসখুসে কাশি ও বুকে ব্যথা।
২. ভগ্নস্বর, ওজন হ্রাস এবং ক্ষুধামন্দা।
৩. হাঁপানি, ঘন ঘন জ্বর হওয়া।
৪. বার বার ব্রংকাইটিস বা নিউমোনিয়ায় সংক্রমিত হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিকারের উপায়গুলো নিম্নরূপ-
১. রোগের লক্ষণগুলো দেখা গেলে অনতিবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
২. রোগ নির্ণয়ের পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. প্রয়োজনে রেডিয়েশন থেরাপি নেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। যথা-
১. ধূমপান ও মদ্যপান না করা।
২. অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাদ্য না খাওয়া।
৩. নিয়মিত ব‍্যায়াম করা।
৪. পরিমাণমতো শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসের ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য হতে পারে যদি এটি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে। তবে, এটি যে ধরনের ক্যান্সার এবং রোগীর স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে, চিকিৎসার ফলাফল ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, সার্জারি এবং টার্গেটেড থেরাপি ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস সুস্থ রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়গুলো হলো-
১. ধূমপান ত্যাগ করা।
২. বায়ুদূষণ থেকে বাঁচা।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করা।
৪. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।
৫. সময়মতো ডাক্তার দেখানো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনিক বস্তু জারিত হয়ে CO2, H2O ও বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়াই হলো শ্বসন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনের যে পর্যায়ে ফুসফুস গহ্বরের ভেতরে অ্যালভিওলাইসমূহের বাতাস এবং এদের গাত্রস্থিত কৌশিক নালিসমূহের রক্তের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বিনিময়. ঘটে এবং কোষীয় পর্যায়ে খাদ্য জারণের ফলে শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে অন্তঃশ্বসন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের দুই ধারে বিদ্যমান পেশি দুটিই হলো। ভোকাল কর্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

গলবিলের পশ্চাৎভাগের উপরিতলে একটি ছোট জিহ্বার মতো অংশ থাকে এটাই আলাজিহ্বা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রাকিয়া হলো খাদ্যনালির সম্মুখে অবস্থিত একটি ফাঁপা নল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসে প্রবেশের পর দুটি ব্রংকাই অসংখ্য শাখা-প্রশাখাতে বিভক্ত হয়, এরাই হলো ব্রংকিওল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির শেষ অংশ দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে যে শাখানালি গঠন করে, তাদেরকে ব্রংকাস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্র গলবিলের নিচে ও শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুস দুই ভাঁজ বিশিষ্ট যে পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে তাই প্লুরা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দাই হলো মধ্যচ্ছদা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ থাকে যাদেরকে অ্যালভিওলাস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার দ্বারা অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড নিষ্কাশন করা হয় তাকে শ্বাসকার্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় ফুসফুস মধ্যস্থ বায়ু (CO2 যুক্ত) উল্টো পথে নাসারন্দ্রের মাধ্যমে দেহের বাইরে বেরিয়ে যায় তাই নিঃশ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

পটাশিয়াম বাই কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত KHCO3

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অ্যাজমা এক ধরনের রোগ যা ভাইরাসজনিত কারণে অথবা বায়ুদূষণ বা ধূমপানের কারণে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া হলো একটি ফুসফুসের রোগ, যা নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া রোগের জীবাণু হলো নিউমোকক্কাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের উপরে একটি জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা রয়েছে। একে উপজিহ্বা বলে। শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার সময় এটি খোলা থাকে এবং এ পথে বাতাস ফুসফুসে যাতায়াত করতে পারে। খাবার সময় ঐ ঢাকনাটা স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয় ফলে আহার্য দ্রব্যাদি সরাসরি খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

মানুষের ফুসফুসে অসংখ্য অ্যালভিওলাস বা বায়ুথলি থাকে। নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করতে পারে। বায়ুথলি পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিক নালিকা দিয়ে পরিবেষ্টিত। বায়ুথলি ও কৈশিকনালিকার গাত্র এত পাতলা যে, এর ভিতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। সুতরাং মানুষের শ্বসনে অ্যালভিওলাস বা বায়ুথলির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনেক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

নাসাপথের সম্মুখ ভাগ লোমাবৃত ও পশ্চাৎভাগ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী ও পাতলা। এতে বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করার পূর্বে কিছু পরিমাণে নির্মল হয়ে যায়। এছাড়া শ্বসনের জন্য গৃহীত বায়ু নাসাপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছুটা উষ্ণ এবং আর্দ্র হয়। এর ফলে হঠাৎ ঠান্ডা বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করলে ক্ষতি করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দা হলো Diaphragm বা মধ্যচ্ছদা। প্রশ্বাস গ্রহণে মধ্যচ্ছদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি দেখতে অনেকটা প্রসারিত ছাতার মতো। মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হলে নিচের দিকে নামে, তখন বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পায়। এটি প্রসারিত হলে উপরের দিকে 'উঠে ও বক্ষ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

স্বরযন্ত্রের উপরে জিহ্বা আকৃতির ঢাকনাকে উপজিহ্বা বলে। শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার সময় এটি খোলা থাকে এবং এ পথে বায়ু ফুসফুসে যাতায়াত করে আর আহারের সময় এটি স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয়। এ কারণেই খাদ্য গ্রহণের সময় খাদ্য নাসিকা পথে বাইরে আসতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

প্রচন্ড গরমে বৃক্ষের ছাড়া আরামদায়ক কারণ বৃক্ষের মধ্য দিয়ে O2 প্রবাহিত হয় এবং CO2 শোষণ হয়। ০₂ প্রবাহের কারণে ঐ স্থান বেশি'O2 সমৃদ্ধ হয় অন্যান্য স্থানের তুলনায়। এছাড়া গাছের পাতার কারণে ঐ স্থানে রোদের প্রকট থাকে না। তাই প্রচণ্ড গরমে বৃক্ষের ছায়া আরামদায়ক হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
উত্তরঃ

অ্যাজমা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনো একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়। তাই অ্যাজমা রোগীর সংস্পর্শে গেলেও কারো অ্যাজমা হবার সম্ভাবনা থাকে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
7 months ago
121

এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সব জীবদেহেই গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। গ্যাসীয় বিনিময় জীবের একটি শারীরবৃত্তীয় কাজ। তবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর গ্যাসীয় বিনিময় প্রক্রিয়া ভিন্নতর। উদ্ভিদ ও মানবদেহের গ্যাসীয় বিনিময় প্রক্রিয়া এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।


এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উদ্ভিদে গ্যাসীয় বিনিময়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• মানুষের শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• ফুসফুসের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব।
• মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া ও প্যাসীয় বিনিময় বর্ণনা করতে পারব।
• শ্বসনতন্ত্রের রোগ লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• নিঃশ্বাসের সাথে নির্গত গ্যাসটির প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারব।
• ফুসফুসের চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করতে পারব।
• শ্বসনতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ট্রাকিয়া হলো মানব শ্বসনতন্ত্রের একটি অংশ। এটি খাদ্যনালির সম্মুখে অবস্থিত একটি ফাপা নালি। এই নালিটি স্বরযন্ত্রের নিম্নাংশ থেকে শুরু করে কিছুদূর নিচে গিয়ে দুভাগে বিভক্ত হয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে।

1.8k
উত্তরঃ

P চিত্রের মাধ্যমে শ্বাসক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। এখানে নাসারন্দ্রের মাধ্যমে পরিবেশ হতে ফুসফুসে প্রশ্বাসের ফলে ০₂ গৃহীত হয় ও নিঃশ্বাসের ফলে CO2 ফুসফুস হতে পরিবেশে নির্গত হয়। পরিবেশের বায়ু নাসাপথের ভিতর দিয়ে ফুসফুসের বায়ুথলি পর্যন্ত নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। স্নায়ুবিক উত্তেজনার ফলে মানুষের পিঞ্জরাস্থির মাংসপেশি ও মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হয়। ফলে মধ্যচ্ছদা নিচের দিকে নেমে যায় এবং বক্ষগহ্বর প্রসারিত হয়।

বক্ষগহ্বরের আয়তন বেড়ে গেলে বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে ফুসফুসের ভিতরের বায়ুর চাপ বাইরের বায়ুর চাপের চেয়ে কমে যায়। বক্ষগহ্বরের ভিতর ও বাইরের চাপের সমতা রক্ষার জন্য প্রশ্বাস বায়ু O2 ফুসফুসের ভিতর সহজে প্রবেশ করতে পারে। এরপর পেশির বিপরীত ক্রিয়ার ফলে মধ্যচ্ছদা' পুনরায় প্রসারিত হয়ে উপরের দিকে উঠে যায় এবং বক্ষগহ্বরের আয়তন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এতে ফুসফুসের ভিতরের বায়ুর চাপ বেড়ে যায়, ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ বাতাস নিঃশ্বাস রূপে পরিবেশে নির্গত হয়। এভাবেই প্রতিনিয়ত শ্বাসকার্য চলতে থাকে।

ফলে শ্বাস ক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোন ঘর্ষণ হয় না। ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুর থলি বা বায়ু প্রকোষ্ঠ, সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও ধমনি থাকে। সব সময় বাতাসে পূর্ণ থাকা বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাসগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শাখা প্রান্তে মৌচাকের মতো অবস্থিত। নাসাপথ দিয়ে বায়ুথলির শাখা নালি দিয়ে সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করে। বায়ুথলি পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিক নালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত। বায়ুথলির গঠন এরূপ যে এতে বায়ু প্রবেশ করলে এগুলো বেলুনের মতো ফুলে উঠে ও পরে আপনা আপনি সংকুচিত হয়। আবার বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকার গাত্র এতই পাতলা যে, এর ভেতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান প্রদান ঘটে।

454
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A চিহ্নিত অঙ্গটি হলো মানব ফুসফুস। কোষে গ্যাসীয় বিনিময়ে ফুসফুসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফুসফুসের মাধ্যমে মানবদেহের শ্বসন প্রক্রিয়া ঘটে থাকে। শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিনিময় ঘটে। ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলি ও রক্তের চাপের পার্থক্যের জন্য অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে। ফুসফুস থেকে ধমনির রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ করার পর রক্তে অক্সিজেন দু'ভাবে পরিবাহিত হয়। সামান্য পরিমাণ অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে পরিবাহিত হয়। বেশির ভাগ অক্সিজেনই হিমোগ্লোবিনের লৌহ অংশের সাথে হালকা বন্ধনীর মাধ্যমে অস্থায়ী যৌগ গঠন করে, যা অক্সিহিমোগ্লোবিন নামে পরিচিত। অক্সিহিমোগ্লোবিন থেকে অক্সিজেন সহজে বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

হিমোগ্লোবিন + অক্সিজেন  অক্সিহিমোগ্লোবিন (অস্থায়ী যৌগ)

অক্সিহিমোগ্লোবিন  মুক্ত অক্সিজেন হিমোগ্লোবিন

রক্ত কৈশিকনালিতে পৌঁছার পর অক্সিজেন পৃথক হয়ে প্রথমে লোহিত রক্তকণিকার আবরণ, কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে। খাদ্যের জারণ বিক্রিয়ায় কোষে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়। এই কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রথমে কোষ-আবরণ ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে এবং লসিকা থেকে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে। কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রধানত বাইকার্বনেট রূপে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে, সেখানে কৈশিকনালি ও বায়ুথলি ভেদ করে দেহের বাইরে নির্গত হয়। এভাবে ফুসফুসের মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বিনিময় ঘটে।

349
উত্তরঃ

মানবদেহের বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দাই হলো মধ্যচ্ছদা।

1.3k
উত্তরঃ

মানবদেহের শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সমৃদ্ধ বায়ু নাসারন্ধ্র দিয়ে প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং নিঃশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড ফুসফুস হতে নাসারন্দ্রের মাধ্যমে পরিবেশে নির্গত হয়। এভাবে মানবদেহে প্রতিনিয়ত শ্বাসকার্য চলতে থাকে যা বহিঃশ্বসন নামে পরিচিত।

1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews