সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

যে বায়বীয় অংশটি পৃথিবীর পৃষ্ঠকে ঘিরে রেখেছে সেটিই 'বায়ুমণ্ডল। আমরা জানি, বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে তৈরি। এছাড়াও জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং আরও কিছু গ্যাস বায়ুমণ্ডলে রয়েছে। পৃথিবী সকল কিছুকে তার নিজের দিকে টানে। সেই টানের ফলে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডল ঘন হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠ থেকে বারো কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলকে বলা হয় ট্রপোমণ্ডল। এ স্তরে বায়ুর বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। এ স্তরে মানুষ ও অন্যান্য জীবের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সব ঘটনা ঘটে। যেমন- এ স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, কুয়াশা এসব হয়। তাই ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে পানি তার এক উৎস থেকে অন্য উৎসে চক্রাকারে ঘুরে। সূর্যতাপ ভূপৃষ্ঠের অর্থাৎ পুকুর, খাল, বিল, নদী ও সমুদ্রের পানিকে বাষ্পীভূত করে জলীয় বাষ্পে পরিণত করে। জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের উপরের দিকে উঠে ঠান্ডা হয়ে ক্ষুদ্র পানিকণায় পরিণত হয়। ক্ষুদ্র পানিকণা একত্র হয়ে আকাশে মেঘ হিসেবে ঘুরে বেড়ায়। মেঘের পানিকণাগুলো একত্রিত হয়ে আকারে বড় হয়ে বৃষ্টিরূপে মাটিতে পড়ে। মেঘের পানিকণাগুলো খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে তা বরফে পরিণত হয় এবং শিলাবৃষ্টি হিসেবে পৃথিবীতে নেমে আসে। বৃষ্টির' পানি গড়িয়ে গড়িয়ে নদীর পানির সাথে মেশে। নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রের পানিতে মেশে।

এভাবে ভূপৃষ্ঠের পানি থেকে জলীয় বাষ্প, জলীয় বাষ্প থেকে মেঘ, মেঘ থেকে বৃষ্টি হিসেবে পানি আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। এভাবে পানির চক্রাকারে ঘুরে আসাকে পানিচক্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

জীব বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বসনের কাজ চালায়। শ্বসন প্রক্রিয়া শেষে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। আবার উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এভাবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। পরিবেশে বিশেষ করে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ দুটি গ্যাসই জীবের জন্য অতি আবশ্যক। বায়ুমণ্ডলে এ দুটি গ্যাসের ভারসাম্য কার্বন চক্রের মাধ্যমে বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শীতপ্রধান দেশে তীব্র শীতে গাছপালা টিকে থাকতে পারে না। তীব্র শীতে শাকসবজি ফলানোর জন্য কাচের ঘর তৈরি করা হয়, যাকে গ্রিন হাউজ বলা হয়। শীতকালে অল্প সময় যখন রোদ থাকে, তখন সূর্যের আলো কাচ ভেদ করে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ঘরের বায়ু, গাছ ও মাটিকে উত্তপ্ত করে। ঘরের উত্তাপ স্বাভাবিকভাবে বিকিরিত হয়ে বাইরে চলে যেতে চায়। কিন্তু তা কাচ ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না। ফলে কাচের ঘর রাতের বেলায়ও গরম থাকে এবং ভেতরের শাকসবজি বেঁচে থাকে। কাচের ঘরের ভেতরে এভাবে তাপ থেকে যাওয়ার বিষয়টিকে গ্রিন হাউজ প্রভাব বলে।

পৃথিবীটাকে একটি গ্রিন হাউজের মতো ধরা যায়। পৃথিবীর চারদিক ঘিরে আছে বায়ুমণ্ডল। এ বায়ুমণ্ডলে আছে কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন আর জলীয়বাষ্প যেগুলো গ্রিন হাউজের গ্যাসের মতো কাজ করে। এরা সূর্যের তাপ পৃথিবীতে আসতে কোনো বাধা দেয় না ফলে সূর্যের তাপে পৃথিবী উত্তপ্ত হয়। কিন্তু এরা উত্তপ্ত পৃথিবী থেকে তাপকে বিকিরিত হয়ে চলে যেতে বাধা দেয়। ফলে পৃথিবী রাতের বেলায়ও গরম থাকতে পারে। এসব গ্যাসকে গ্রিন হাউজ গ্যাস বলে। এ গ্রিন হাউজ গ্যাসগুলোর পরিমাণ বেশি হলে বায়ুমণ্ডল বেশি বেশি তাপ ধরে রাখতে পারবে। এতে পৃথিবীর তাপমাত্রা দিন দিন বেড়ে যাবে। এতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পাবে। এভাবে গ্রিন হাউজ প্রভাবের সাহায্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ব্যাখ্যা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

যে বায়বীয় অংশটি পৃথিবীর পৃষ্ঠকে ঘিরে রেখেছে সেটিই বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে তৈরি। এছাড়ও জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং আরও কিছু গ্যাস বায়ুমণ্ডলে রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডল ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। বায়ুমণ্ডলকে অনেকগুলো স্তরে ভাগ করা হয়। তাদের মধ্যে প্রথম চারটি স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার বা ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল ও তাপমণ্ডল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের তাপমণ্ডল স্তর প্রায় বায়ুশূন্য। এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে। তাই এর নাম তাপমণ্ডল। এই স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রাটোমণ্ডল শেষ হয়ে মেসোমণ্ডল স্তর শুরু। এই স্তর প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা কমতে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পানি থেকে জলীয়বাষ্প, জলীয়বাষ্প থেকে মেঘ। মেঘ থেকে বৃষ্টি হিসেবে পানি আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। বৃষ্টির পানি আবার গড়িয়ে গড়িয়ে নদী এবং সবশেষে সমুদ্রে ফিরে আসে। এভাবে পানির চক্রাকারে ঘুরে আসাকে পানিচক্র বলে। পানিচক্রের মাধ্যমে পরিবেশে পানির চাহিদা ও জোগানের মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

পানি পরিবেশে বিভিন্নভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি জীবনের জন্য অপরিহার্য, কৃষি, শিল্প, জলবায়ু, নিয়ন্ত্রণ এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বাষ্পীভবন হলো একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে তরল পদার্থ (যেমন পানি) তাপের প্রভাবে গ্যাসে পরিণত হয়। অর্থাৎ কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন- সমুদ্র থেকে পানি বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে যাওয়া হলো বাষ্পীভবন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাস, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের কার্যকলাপ এবং জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্লুকোজ তৈরির জন্য উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি অবলম্বন করে। এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ সূর্যালোকের সাহায্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে গ্লুকোজ তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শিল্পকারখানা, যানবাহন এবং জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে অতিরিক্ত কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে মুক্ত হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কার্বন ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় রাখা পরিবেশের স্বাস্থ্য ও পৃথিবীর জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি জীবিত প্রাণী ও উদ্ভিদের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বুঝায়। বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল। যেমন- আমরা বলে থাকি বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র-এ থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য হলো-

আবহাওয়াজলবায়ু
১. কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পকালীন অবস্থাই আবহাওয়া।১. কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাই জলবায়ু।
২. আবহাওয়া যেকোনো সময়ে পরিবর্তন হতে পারে।২. জলবায়ু সহসাই পরিবর্তন হয় না।
৩. কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে।৩. কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো জায়গায় তাপমাত্রা বেশি হলে সেখানকার বায়ু উত্তপ্ত হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। ফলে ঐ স্থানে বায়ু পাতলা বা ফাঁকা হয়ে যায়। অর্থাৎ বায়ুচাপ কমে যায়। এরকম অবস্থাকে নিম্নচাপ বলে। আবার আশেপাশে যেখানে বায়ুচাপ বেশি, সেখান থেকে বায়ু এসে ফাঁকা স্থান পূরণ করে। এভাবে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। যে স্থানে তাপমাত্রা কম সেখানে বায়ু ঘন থাকে। ফলে বায়ুচাপ বেশি থাকে। বায়ু চাপ বেশি থাকাকে উচ্চচাপ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে সূর্য বাংলাদেশের দক্ষিণে খাড়াভাবে কিরণ দেয়। তাই সেখানে বায়ু চাপ কম থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের উত্তরে বেশ শীত এবং বায়ু চাপ বেশি। তাই শীতকালে বাংলাদেশে উত্তর দিক থেকে বায়ু দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু স্পলভাগ থেকে আসে বলে এতে জলীয়বাষ্প কম থাকে। এজন্য শীতকালে বায়ু শুষ্ক থাকে এবং বৃষ্টি কম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ু একেক সময় একেক দিক থেকে প্রবাহিত হয়। কারণ পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে, যা বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি করে। এই পার্থক্য মূলত সূর্যের তাপ থেকে উদ্ভূত হয়। যখন এক স্থান বেশি গরম হয়, তখন সেখানে বাতাস উপরে উঠে যায় এবং ঠান্ডা স্থানে বাতাস প্রবাহিত হয়। এছাড়া পৃথিবীর ঘূর্ণন ও বায়ুর দিক পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। এর প্রভাবে বায়ু উত্তর বা দক্ষিণে না চলে একটু বেঁকে যায় ফলে একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে অন্য দিকে বায়ু প্রবাহিত হতে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে সূর্য বাংলাদেশের উপর খাড়াভাবে কিরণ দেয়। তাই বাংলাদেশে তখন বেশ গরম এবং বায়ুচাপ কম থাকে। বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে তখন কম গরম, তাই বায়ুচাপ বেশি। সেই সময় বায়ু বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণ দিক থেকে এই বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয়বাষ্প নিয়ে আসে। এই জলীয়বাষ্প ঠান্ডা হয়ে বৃষ্টি হয়। এজন্য বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বায়ু আর্দ্র থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া। এট প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন এবং অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাসের অতিরিক্ত নির্গমনের কারণে ঘটে। এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং সূর্যের তাপকে আটকে রাখে। যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ হলো গ্রিন হাউস গ্যাসের অতিরিক্ত নির্গমন। বিশেষত কয়লা, তেল, প্রকৃতিক গ্যাস, পোড়ানো, বনভূমি পরিষ্কারকরণ এবং শিল্পকারখানার জন্য গ্যাস নির্গমনের কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে নিম্নলিখিত পরিবর্তনগুলো লক্ষ করা যাচ্ছে-
১. তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
২. সমুদ্রপৃষ্ঠের স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি।
৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা বৃদ্ধি।
৪. জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি।
৫. চরম তাপদাহ এবং বৃষ্টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস গ্যাস হলো এমন গ্যাসগুলো যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রাখে, যার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), মিথেন (CH2), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এবং জলীয় বাষ্প।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস হলো কাচের তৈরি ঘর যার ভিতরে গাছপালা লাগানো হয়। শীতপ্রধান দেশে তীব্র ঠান্ডার হাত থেকে গাছপালাকে রক্ষার জন্য গ্রিনহাউস তৈরি করা হয়। সূর্যের রশ্মি গ্রিনহাউসের ভিতরের গাছপালা এবং বাতাসকে উষ্ণ করে। ভিতরে আটকে থাকা তাপ বাইরে বের হতে পারে না এবং গ্রিনহাউসকে উষ্ণ করে তোলে যা গাছের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন পৃথিবীর জলবায়ুতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটাচ্ছে, যেমন-
১. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২. উষ্ণ অঞ্চলে খরা ও শীতল অঞ্চলে বরফ গলছে।
৩. বন্যা এবং জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস ইফেক্ট হলো ট্রপোস্ফিয়ার পর্যন্ত পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করার প্রক্রিয়া। এটি কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাষ্প, মিথেন এবং অন্যান্য গ্যাসের উচ্চ ঘনত্বের কারণে ঘটে। সূর্যালোক পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং পরবর্তীকালে শক্তি ইনফ্রারেড বিকিরণের আকারে মহাকাশে প্রতিফলিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড এর পরিমাণ বৃদ্ধি। তাই কার্বন ডাইঅক্সাইডের নিঃসরণ কমানোই বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধের মূল উপায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো-
১. বিকিরণযোগ্য শক্তি উৎসের ব্যবহার বাড়ানো।
২. গাছপালা রোপণ এবং বনভূমি রক্ষা করা।
৩. গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো।
৪. শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মানুষের স্বাস্থ্যকে বেশ কয়েকটি উপায়ে প্রভাবিত করছে। যেমন-
১. তাপদাহের কারণে হিটস্ট্রোক ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা বৃদ্ধি।
২. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন ধরনের রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ইত্যাদির প্রাদুর্ভাব।
৩. খাবারের অপ্রতুলতা এবং পুষ্টির অভাব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) প্রতিরোধ করে, যা পৃথিবীর জীবনের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডল পৃথিবীকে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে, আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও অন্যান্য গ্যাস সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শিল্পকারখানা, যানবাহন এবং অন্যান্য মানবসৃষ্ট কার্যক্রম থেকে নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস বায়ুমণ্ডলের দূষণ সৃষ্টি করে। এর ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পসময়ের তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা এ অবস্থাগুলো হলো আবহাওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

যে স্থানে তাপমাত্রা কম সেখানে বায়ু ঘন থাকে। এর ফলে বায়ুচাপ বেশি থাকে। বায়ুচাপ বেশি থাকাকে উচ্চচাপ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো জায়গার তাপমাত্রা বেশি হলে সেখানকার বায়ু উত্তপ্ত হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। ফলে ঐ স্থানে বায়ু পাতলা বা ফাঁকা হয়ে যায় অর্থাৎ বায়ুচাপ কমে যায়। এরকম অবস্থাকে নিম্নচাপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের কার্বন তিনভাবে বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা এভাবে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শীত প্রধান দেশে তীব্র শীতে গাছপালা টিকে থাকতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মেঘের পানিকণাগুলো খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে তা বরফে পরিণত হয় এবং বরফাকারে পৃথিবীতে নেমে আসে, একে শিলাবৃষ্টি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ হলো কাচের তৈরি ঘর যেখানে তীব্র শীতে শাক-সবজি ফলানো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে তৈরি। এছাড়াও জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং আরও কিছু গ্যাস বায়ুমন্ডলে রয়েছে। পৃথিবী সকল কিছুকেই তার নিজের দিকে টানে। সেই টানের ফলে বায়ুমন্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবীপৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডল ঘন থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য উৎপাদনের জন্য কৃষিকাজের ফলে মিথেন গ্যাসের সৃষ্টি হয়। আবার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য মানুষ বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন- কয়লা, পেট্রোল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি ব্যবহার করছে। এতে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হচ্ছে। এ মিথেন গ্যাস ও কার্বন ডাইঅক্সাইড সূর্য থেকে আসা তাপ ধরে রাখে। বায়ুমণ্ডলে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এরা বেশি তাপ ধরে রাখছে। এজন্য পৃথিবীর তাপমাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে-
১. নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি।
২. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ।
৩. ভবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবর্তন।
৪. কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে পরিবর্তন।
৫. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।
৬. জনসচেতনতা সৃষ্টি।
৭. প্রশাসনিক পদক্ষেপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

রাতে যখন সূর্য অস্ত যায় তখন পৃথিবীপৃষ্ঠ ও বায়ুমন্ডলের নিচের স্তর গরম থাকে। কারণ দিনের বেলায় পৃথিবীপৃষ্ঠ যে তাপ পায় তা রাতের বেলায় সবটুকু চলে যেতে পারে না। পৃথিবীপৃষ্ঠ যে তাপ বিকিরণ করে তা বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি সেই তাপ শোষণ করে ধরে রাখে, তাই রাতের বেলা আমরা গরম অনুভব করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
201

পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে বায়ুমণ্ডল। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ইত্যাদি অবস্থাগুলো হলো আবহাওয়া। আর কোনো স্থানের অনেক বছরের সামগ্রিক আবহাওয়া হলো জলবায়ু। আবহাওয়া ও জলবায়ু আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। স্বাভাবিক আবহাওয়া ও জলবায়ুতে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করি। কিন্তু বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের জলবায়ু ক্রমশঃ পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তর বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিবেশে পানিচক্র, অক্সিজেনচক্র ও কার্বনচক্রের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আবহাওয়া ও জলবায়ু ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৃষ্টির পানি চুইয়ে চুইয়ে মাটির নিচে গিয়ে সঞ্চিত হয়। মাটির নিচের এ সঞ্চিত পানিই ভূগর্ভস্থ পানি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
324
উত্তরঃ

ট্রপোমণ্ডলের ঠিক ওপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। এ স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ কারণেই স্ট্রাটোমণ্ডল জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
451
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হচ্ছে উদ্ভিদ এবং Z হচ্ছে প্রাণী। উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা করে।
জীব বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বসনের কাজ চালায়। শ্বসন প্রক্রিয়া শেষে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। আবার উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এভাবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। প্রথমত, উদ্ভিদ ও প্রাণী শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপাদন
করার সময় বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ পোড়ালে তাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে মেশে।
তৃতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ মাটিতে পচবার সময় ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুতে ছেড়ে দেয়।

তাহলে দেখা গেল, বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে গ্লুকোজ তৈরির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে কার্বন সঞ্চয় করে। উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের কার্বন তিনভাবে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে ফিরে আসে। এভাবে পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
380
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে Z থেকে অর্থাৎ প্রাণী থেকে নির্গত গ্যাসটির নাম কার্বন ডাইঅক্সাইড। এ কার্বন ডাইঅক্সাইড আমাদের পরিবেশের বায়ুমণ্ডলে বিরাজ করে। আমাদের পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা প্রাণিকুলের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি
নিয়ে আসবে। এগুলো হলো-

১. পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
২. তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পর্বতের চূড়া ও মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে।
৩. সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

৪. তাপমাত্রা বেড়ে সমুদ্রের পানি প্রসারিত হবে।
৫. বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে।
৬. বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দেখা দিবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
248
উত্তরঃ

আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
504
উত্তরঃ

মার্চ মাসে বাংলাদেশে সাধারণত শীতের শেষ ও ফাল্গুনের শুরুতে বসন্তকাল হয়। এ সময়ে সূর্যতাপ সহনশীলমাত্রায় থাকে। অর্থাৎ তাপমাত্রা খুব বেশিও থাকে না আবার কমও থাকে না। এ আরামদায়ক তাপমাত্রার কারণেই বাংলাদেশে মার্চ মাসে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
665
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews