সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

ভৌত পরিবর্তন: যে পরিবর্তনের ফলে সংশ্লিষ্ট পদার্থের অবস্থার বা আকার আকৃতির পরিবর্তন ঘটে কিন্তু নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় না ও পদার্থের ধর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাদেরকে ভৌত পরিবর্তন বলা হয়। বরফ গলে পানি হওয়া, মোম গলে যাওয়া ইত্যাদি ভৌত পরিবর্তনের উদাহরণ।

রাসায়নিক পরিবর্তন: যে পরিবর্তনের ফলে এক বা একাধিক পদার্থ পরিবর্তিত হয়ে ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হয় সে পরিবর্তনকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। লোহায় মরিচা পড়া, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মাধ্যমে পানি সৃষ্টি ইত্যাদি রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো বস্তু বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে দহন বলে।

উদাহরণ: মোম জ্বালালে আমরা দেখি যে, কিছু মোম গলে গিয়ে নিচে জমা হয়, আবার কিছু মোম আগুনে পুড়ে যায়। এক্ষেত্রে মোমবাতি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানিতে পরিণত হচ্ছে এবং সাথে সাথে আলো ও তাপশক্তি উৎপন্ন করছে। মোমবাতির এই পরিবর্তন অবশ্যই রাসায়নিক পরিবর্তন। কারণ এর ফলে মোমবাতির মোম সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানিতে পরিণত হচ্ছে।

মোমের এই প্রজ্জ্বলনে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে আলো ও তাপশক্তি উৎপন্ন করেছে এটিই হচ্ছে দহন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

চুলায় খড়ি বা গ্যাস পোড়ালে রাসায়নিক পরিবর্তন হয়।

উত্তরের পক্ষে যুক্তি: আমরা বাসাবাড়িতে চুলায় প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়িয়ে বা খড়ি দিয়ে যে রান্না করি তা এক ধরনের দহন প্রক্রিয়া। এখানে গ্যাস বা খড়ি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে, যা দিয়ে আমরা খাবার রান্না করি। একইভাবে কয়লা বা কাঠ পোড়ানোও দহন প্রক্রিয়া।

দহন প্রক্রিয়া সবসময়ই রাসায়নিক পরিবর্তন, কেননা চুলায় খড়ি বা গ্যাস পোড়ালে রাসায়নিক পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তনে চুলার খড়ি বা গ্যাসের উপাদানের তথা অণুর গঠন পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অণুর সৃষ্টি হয়, যাকে পূর্বের অবস্থায় সহজে ফিরিয়ে আনা যায় না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনে পানিচক্রের গুরুত্ব অপরিসীম। পানির অপর নাম জীবন, কারণ পানি ছাড়া জীব বাঁচতে পারে না। পানি পরিবেশের মূল উপাদান। আবহাওয়ার উপরও পানির প্রভাব অপরিসীম। কিন্তু পানি আমরা নিজেরা উৎপাদন করতে পারি না। পানি একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের ব্যবহার উপযোগী হয়। এই প্রক্রিয়াটি হচ্ছে পানিচক্র। পানিচক্রের মাধ্যমে নদী-নালা, খাল-বিল এবং ভূগর্ভস্থ পানির উৎস পুনরায় পূরণ হয়। এটি জীবজগৎ এবং কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করে। পানিচক্র না থাকলে আমরা বিশুদ্ধ পানি পেতাম না। ফলে মানুষসহ সকল জীবের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেত। তাই বলা যায়, পানিচক্র মানবজীবনে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয়শিলার বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. আগ্নেয় শিলা সর্বপ্রথম সৃষ্টি হয়েছে।
২. আগ্নেয় শিলায় কোনো স্তর নেই যার জন্য একে অন্তরীভূত শিলা বলে।
৩. এ শিলা জীবাশ্মবিহীন।
৪. উত্তপ্ত গলিত অবস্থা হতে তাপ বিকিরণ করে এ জাতীয় শিলা কেলাসিত হয়।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. স্তরে স্তরে পলি সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয় বলে এটি স্তরবিশিষ্ট শিলা।
২. উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ এবং পলি সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয়। সেজন্য এটি জীবাশ্মযুক্ত শিলা।
৩. পাললিক শিলা কখনো উত্তপ্ত অবস্থা হতে শীতল হয়ে সৃষ্টি হয়নি। তাই এটি অকেলাসিত।
৪. জলভাগের তলদেশে এ জাতীয় শিলার সৃষ্টি হয় বলে এর মধ্যে তরঙ্গ চিহ্ন দেখা যায়।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয় আগ্নেয় বা পাললিক শিলা থেকে।
২. তাপ ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আগ্নেয় বা পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত করা যায়।
৩. রূপান্তরিত শিলার ধর্ম মূল শিলা থেকে আলাদা।
৪. রূপান্তরিত শিলার গঠন এক ধরনের রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের শুধু বাহ্যিক আকার বা অবস্থার পরিবর্তন হয় কিন্তু নতুন কোনো পদার্থে পরিণত হয় না তাকে বলে ভৌত পরিবর্তন। যেমন: 'পানিকে ঠাণ্ডা করলে বরফে পরিণত হয় এবং তাপ দিলে বাষ্পে পরিণত হয়। এখানে পানির কেবল বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, নতুন কোনো পদার্থ সৃষ্টি হয়নি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানিকে তাপ দিলে সেটি ফুটতে শুরু করে, যাকে পানির স্ফুটন বলে। এ অবস্থায় পানি তরল থেকে গ্যাসীয় বা বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ ধরনের পরিবর্তন হলো ভৌত পরিবর্তন, কেননা এখানে পানির শুধু অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে। অর্থাৎ তরল থেকে গ্যাসীয় বা বাষ্পে পরিণত হয়েছে, নতুন কোনো পদার্থ তৈরি হয়নি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানিতে চিনি দ্রবীভূত করলে সেখানে ভৌত পরিবর্তন ঘটে। কেননা এই পরিবর্তনে পানি কিংবা চিনি কারোই আণবিক কাঠামো পরিবর্তিত হয় না। চিনি পানিতে দ্রবীভূত করলে কেবলমাত্র চিনির ক্ষুদ্র অণুগুলো পানির অণুগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পাথর পিষে গুঁড়া করলে সেখানে কেবল পাথরের আকারের পরিবর্তন হয়। কিন্তু তার ভিতরের অণুগুলোর কোনো ধরনের পরিবর্তন হয় না। সুতরাং এ ধরনের পরিবর্তন হলো ভৌত পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও পানির সাথে বিক্রিয়া করে পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3, 3H2O) উৎপন্ন করে। এই পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড হলো মরিচা, যা লোহা থেকে ভিন্নধর্মী একটি পদার্থ। আর আমরা জানি, রাসায়নিক পরিবর্তন হলো এমন এক পরিবর্তন যেখানে এক বা একাধিক পদার্থ পরিবর্তিত হয়ে ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হয়। তাই লোহার মরিচা হলো রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেনের উপস্থিতিতে মোমের দহনে নতুন যৌগ CO2 এবং H2O উৎপন্ন হয়, যা মোমের উপাদানের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট। সুতরাং, মোমের দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সোনা উন্মুক্ত অবস্থায় রেখে দিলেও তা বাতাসের জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন বা কোনো পদার্থের সাথে কোনো রকম বিক্রিয়া করে না। সে কারণে সেটি ক্ষয়ও হয় না এবং সময়ের সাথে সাথে দীপ্তি বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্টেইনলেস স্টিল হলো লোহার সাথে কার্বন, নিকেল, ও ক্রোমিয়ামের মিশ্রণ। এই ধাতুকে মুক্ত অবস্থায় রাখলে ক্রোমিয়াম ধাতুটি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ক্রোমিয়াম অক্সাইড (Cr2O3) এর আবরণ তৈরি করে, যা লোহা ও অক্সিজেনের মাঝে স্তর তৈরি হয়। ফলে স্টিল বা ইস্পাতের থাকা লোহা পর্যন্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। তাই মরিচাও পড়ে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লোহা বাতাসের সংস্পর্শে আসলে বাতাসে উপস্থিত অক্সিজেন এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3, 3H2O) বা মরিচা তৈরি করে। কিন্তু লোহাকে তেল বা গ্রিজ জাতীয় পদার্থে ডুবিয়ে রাখলে তা পানি এবং অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসতে পারে না। তাই মরিচাও পড়ে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তনের মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ:

ভৌত পরিবর্তনরাসায়নিক পরিবর্তন
১. নতুন কোনো পদার্থের সৃষ্টি হয় না।১. সম্পূর্ণ নতুন এক বা একাধিক পদার্থের সৃষ্টি হয়।
২. বস্তুর অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় না।২. বস্তুর অণুর গঠনের পরিবর্তন হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অণুর সৃষ্টি হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর ক্ষয়রোধের তিনটি উপায় হলো:
১. গ্যালভানাইজিং,
২. পেইন্টিং ও
৩. ইলেকট্রোপ্লেটিং

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মোমবাতি জ্বালালে সেটি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি উৎপন্ন করে। সাথে উৎপন্ন হয় তাপ ও আলোক শক্তি। এখানে এ ধরনের পরিবর্তনে উৎপন্ন নতুন পদার্থের বৈশিষ্ট্য, মোমের বৈশিষ্ট্য থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী, যা হলো রাসায়নিক পরিবর্তন। অন্যদিকে একই সাথে- তাপের কারণে মোম গলে নিচের দিকে পড়ে এবং পুনরায় শক্ত হয়ে যায়। এখানে মোম আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে বলে এটি একটি ভৌত পরিবর্তন। সুতরাং বলা যায় মোমবাতি জ্বালালে ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন একত্রে ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমাদের খাবার পরিপাকের পর খাদ্যসার দেহে শোষিত হয় এবং রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে যায়। সেখানে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে খাদ্যসার ভেঙে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে এবং আমাদের কাজ করার শক্তির যোগান দেয়। এটি একটি দহন প্রক্রিয়া, আর সকল দহন প্রক্রিয়াই রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গাছপালা আলোর উপস্থিতিতে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাথে বিক্রিয়া করে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ আলোর উপস্থিতিতে কার্বন-ডাই অক্সাইড এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ এবং অক্সিজেনের ধর্ম বিক্রিয়ক কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। সুতরাং এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের তাপে সাগর ও নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্পীভূত পানি উপরে উঠে ঠান্ডা ও ঘনীভূত হয়ে পানির বিন্দুতে পরিণত হয়। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানির বিন্দু একত্রিত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। এই মেঘের পানি কণা বড় হয়ে বৃষ্টিপাত হিসেবে ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। বৃষ্টির পানি সাধারণত মাটিতে শোষিত হয় অথবা নদীতে গিয়ে পড়ে। মাটিতে শোষিত পানি ভূগর্ভস্থ পানি হিসেবে জমা থাকে। আর নদীতে গড়িয়ে পড়া পানি সমুদ্রে প্রবাহিত হয় এবং বাষ্পীভূত হয়ে আবার বায়ুতে ফিরে আসে। এভাবে পানি চক্রাকারে ঘুরে আসাকে পানিচক্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ প্রয়োগের ফলে তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বলে বাষ্পীভবন। বাষ্পীভবন হলো এক ধরনের ভৌত পরিবর্তন, কারণ এখানে পানি কেবল তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কঠিনীভবন বলতে পদার্থের এমন একটি দশান্তরকে বুঝায়, যেখানে একটি তরল পদার্থের তাপমাত্রা সাধারণত শীতলীকরণের কারণে হিমাংকের নিচে নেমে গেলে সেটি কঠিন পদার্থে পরিণত হয়। কঠিনীভবন হলো এক ধরনের ভৌত পরিবর্তন। কারণ এখানে পদার্থ কেবল তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে তাদের খাবার অর্থাৎ গ্লুকোজ তৈরি করে তার সাথে আমাদের জন্য তৈরি করে অক্সিজেন। এ প্রক্রিয়ায় কার্বন বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে উদ্ভিদের শরীরে প্রবেশ করে। অন্যদিকে প্রাণী শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ছেড়ে দেয়। এছাড়াও জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ানো, অগ্ন্যুৎপাত নানাভাবে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড মিশে যায়। এই চক্রের মাধ্যমে পৃথিবীতে কার্বনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশে কার্বনের ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্বন চক্র মূল ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও অক্সিজেন চক্র ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সাথে কার্বনচক্র সম্পৃক্ত। যদি কার্বনচক্র থেমে যায়, তবে অক্সিজেন চক্র ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াও থেমে যাবে, যা আমাদের জীবজগৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়াম কার্বনেটের সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে।

এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন, কারণ উৎপন্ন পদার্থ (ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি) বিক্রিয়ক ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এদের ধর্মও ভিন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শিলা তিন ধরনের। যথা:
১. আগ্নেয় শিলা।
২. পাললিক শিলা।
৩. রূপান্তরিত শিলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সৃষ্টির প্রথমে পৃথিবী জ্বলন্ত গ্যাসীয় অবস্থায় ছিল। এরপর ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে এবং উপরিভাগ শীতল হয়ে প্রথমে তরল ও পরে কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত ও কঠিন হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয় শিলা বহুদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে (যেমন : নদী, হিমবাহ, বাতাস, সমুদ্রস্রোত, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতির প্রভাবে) উৎস স্থান থেকে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত ও পরিবাহিত হয়ে কোনো সমুদ্র, হ্রদ বা নদীর তলদেশে পলিরূপে জমা হতে থাকে। এভাবে বছরের পর বছর জমা হওয়া পদার্থগুলো চাপের ফলে জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলার তাপ, চাপ, ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন এবং ভিন্নধর্মী শিলার সৃষ্টি হয় সেটিই রূপান্তরিত শিলা। রূপান্তরিত শিলার ধর্ম মূল শিলা থেকে আলাদা হওয়ায় এবং রূপান্তরের সময় রাসায়নিক বিক্রিয়া জড়িত থাকায় এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে পরিবর্তনের ফলে সংশ্লিষ্ট পদার্থের অবস্থার বা আকার আকৃতির পরিবর্তন ঘটে কিন্তু নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় না ও পদার্থের ধর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো তরল পদার্থ ফুটতে থাকে তাকে স্ফুটন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানিকে তাপ দিলে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

একটি নির্দিস্ট উষ্ণতায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত না হয় ততক্ষণ এ উষ্ণতা স্থির থাকে, এ নির্দিষ্ট উষ্ণতাই হচ্ছে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক পরিবর্তন বলতে বোঝায় এক বা একাধিক পদার্থ পরিবর্তিত হয়ে ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ধাতব পদার্থের ক্ষয়রোধ এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এর উপর যে রঙের আস্তরণ দেওয়া হয় তা-ই পেইন্টিং।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব মৌলিক পদার্থের চাকচিক্য, তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা, ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতা বেশি থাকে সেসব মৌলিক পদার্থকে ধাতু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জলীয় বাষ্প অথবা অন্য কোনো বায়বীয় পদার্থকে যথেষ্ট পরিমাণে ঠান্ডা করে তরল অবস্থায় পরিণত করার পদ্ধতিকে ঘনীভবন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ, চাপ ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রভাবে আগ্নেয় বা পাললিক শিলা পরিবর্তিত হয়ে নতুন যে ধরনের শিলা তৈরি করে তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানিতে তাপ দিলে পানি ফুটতে থাকে এবং গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়। এই গ্যাসীয় পদার্থের অণুর গঠন পানির অণুর গঠন একই হয়। এই গ্যাসীয় পদার্থকে ঘনীভূত করলে পুনরায় পানিতে পরিণত হয়। এ কারণে পানিকে তাপ দেওয়া ভৌত পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মোমের একটি অংশ সলতের মধ্যদিয়ে আগুনে পুড়ে যায়। ফলে মোম গলে নিচে পড়ে যায়। এখানে তাপে মোম গলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। এতে এর ধর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না। তাই বলতে পারি মোম গলা একটি ভৌত পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আর্দ্র বাতাসের সংস্পর্শে অক্সিজেনের সাথে লোহার বিক্রিয়ায় মরিচা পড়ে। লোহা বা লোহাজাত দ্রব্যকে অনেক দিন খোলা বাতাসে রেখে দিলে লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও পানির সাথে বিক্রিয়া করে পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3, 3H2O) তৈরি করে যা মরিচা নামে পরিচিত। এটি বাদামি বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আর একটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

চক হচ্ছে মূলত ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3)। এ ক্যালসিয়াম কার্বনেটের সাথে পাতলা হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) যোগ করলে উভয়ের বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড (CaCl2) ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন হয়। এ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের কারণেই বুদবুদ সৃষ্টি হয় এবং ফেনার মতো দেখা যায়।

CaCO3 + HCl  CaCl2(s) + CO2(g)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে ও পাতার ক্লোরোফিলের সাহায্যে বাতাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির (জলীয় বাষ্প) মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন পদার্থ অর্থাৎ গ্লুকোজ ও অক্সিজেন বিক্রিয়ক পদার্থ পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্নধর্মী। এজন্য সালোকসংশ্লেষণ একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
74

আমাদের চারপাশে প্রতি মুহূর্তে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে। এদের কোনো কোনোটি আমাদের জীবন ধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় আবার কোনো কোনোটি হয়ত নানাবিধ ক্ষতির কারণও হতে পারে। প্রকৃতিতে ঘটা এ সকল নানা ঘটনায় বিভিন্ন পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন সাধিত হয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • প্রকৃতিতে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ধাতু সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করব।
  • রাসায়নিক ক্রিয়া এবং পরিবর্তনের কিছু ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখাতে পারব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেতন থাকব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। খাবারের কৌটা, সাইকেল এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
433
উত্তরঃ

উদ্দীপক প্রদত্ত বিক্রিয়াটির সম্পূর্ণরূপ হচ্ছে-

সুতরাং, A ও B হচ্ছে যথাক্রমে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।
উল্লেখিত বিক্রিয়াটি হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে গাছপালা আলোর সাহায্যে বাতাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির (জলীয়বাষ্প) মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ গাছপালার বেড়ে উঠার কাজে লাগে আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের কাজে লাগে। সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন পদার্থ অর্থাৎ, গ্লুকোজ ও অক্সিজেন, বিক্রিয়ক পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্নধর্মী। সে কারণে এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
অতএব, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিক্রিয়াটিতে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।..

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
301
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে A হচ্ছে গ্লুকোজ এবং B হচ্ছে অক্সিজেন। গ্লুকোজ এবং অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয়বাষ্পের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদ নিজের জন্য সঞ্চয় করে রাখে এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। আবার অন্যদিকে মানুষসহ অন্য প্রাণীরা গাছের ছেড়ে দেওয়া অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং গাছপালা বা অন্য উৎস থেকে গৃহীত খাদ্য ঐ অক্সিজেনের সাহায্যে দহন করে শক্তি উৎপন্ন করে ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ছেড়ে দেয় যা আবার গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য তৈরির কাজে। এভাবেই গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং উপজাত হিসেবে বাতাসে অক্সিজেন ছাড়ে, মানুষসহ অন্য প্রাণীরা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছেড়ে দেয় তা আবার গাছপালা গ্রহণ করে। এভাবেই A ও B তথা গ্লুকোজ ও অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
211
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে বাতাস, পানি, তুষার ও হিমবাহ, সমুদ্রস্রোত, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে তা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। এ ছোট ছোট কণাগুলো পানি বা বায়ু দ্বারা প্রবাহিত হয়ে নদ-নদীর মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে এবং তলদেশে আস্তে আস্তে পলিরূপে জমা হয়। এ সময় এর সাথে জীবজন্তু বা গাছপালার দেহাবশেষ ও পলিস্তরের মাঝে আটকা পড়ে। পানির চাপ ও তাপে নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে জমাকৃত পলি ধীরে ধীরে কঠিন শিলা তথা পাললিক শিলায় পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
413
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews