এশিয়া মহাদেশের মধ্য-দক্ষিণে ভারতের অবস্থান। এর উত্তরে রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম হিমালয় পর্বতমালা। পূর্বাঞ্চলে আরাকান পর্বত ও আসাম। পশ্চিমাঞ্চলে হিন্দুকুশ ও সুলেমান পর্বতমালা। দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।
ভারত পৃথিবীর প্রাচীন ও সভ্যতাসমৃদ্ধ দেশ। পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে এ দেশটিতে। দক্ষিণ ভারতের অজন্তা পর্বতগুহার চিত্রকর্ম, সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা অজস্র প্রাচীন মন্দির ও ভাস্কর্য, আগ্রার তাজমহল, দিল্লির কুতুব মিনার, লালকেল্লা প্রভৃতি ভারতের সভ্যতার প্রাচীনতার পরিচয় বহন করে।
বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
চীন 'পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। ভৌগোলিকভাবে ভারত ও রাশিয়ার মাঝখানে দেশটির অবস্থান। চীনের পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, পশ্চিম ও উত্তর দিকে রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং ভারতের কিছু অংশ এবং দক্ষিণে হিমালয়।
চীন বহুজাতি ও সম্প্রদায়ের দেশ। চীনের জনসংখ্যার শতকরা ৯৫ ভাগ হান চাইনিজ বংশোদ্ভূত। এছাড়াও রয়েছে আরও ৫৬টি জাতির বাস। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জুয়াং, মাঞ্জু, হুই, মিয়াও, উইঘুর, মোঙ্গল, তিব্বতি প্রভৃতি। তাই চীনকে বহুজাতিক সম্প্রদায়ের দেশ বলা হয়।
চীনের অর্থনীতি প্রধানত শিল্প ও সেবাখাত নির্ভর। কৃষিজাত দ্রব্যের মধ্যে ধানই প্রধান। অন্যান্য কৃষিজাত দ্রব্যগুলো হচ্ছে- গম, আলু, বীট, তুলা, চা, তামাক পাতা, তেলবীজ, আখ, সয়াবিন প্রভৃতি। দেশটির প্রধান শিল্প লৌহ, ইস্পাত, রেশম, সার, যন্ত্রপাতি, সিমেন্ট, কাগজ, চিনি, ঔষধ প্রভৃতি।
বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে চীনের সাথে আমাদের সহযোগিতার সম্পর্কও রয়েছে। চীনের সাথে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচুর চুক্তি রয়েছে।
জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপময় দেশ। ছোটো-বড়ো প্রায় চার হাজার দ্বীপ নিয়ে এ রাষ্ট্রটি গঠিত। এর মধ্যে প্রধান চারটি দ্বীপ হলো হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু এবং কিউশু।
জাপানের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলীয়। এখানকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব স্পষ্ট। গ্রীষ্মকালে দেশটির আবহাওয়া আর্দ্র এবং শীতের তীব্রতাও কম।
বাংলাদেশের সাথে জাপানের সম্পর্ক বরাবরই অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। জাপান বাংলাদেশের রাস্তা-ব্রিজ নির্মাণ ও শিল্প উন্নয়নে প্রধান সহযোগী। জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়া দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এর একটি দক্ষিণ কোরিয়া এবং অপরটি উত্তর কোরিয়া। দুটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও ভিন্ন।
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি নাম কোরিয়া প্রজাতন্ত্র। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া।
কোরিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলই পর্বতময়। এর পূর্বে জাপান সাগর। পশ্চিম ও দক্ষিণের অনেকটাই সমতল ভূমি। দুটি অংশ মিলে কোরিয়ার দ্বীপের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।
কোরিয়ায় চার ধরনের ঋতু বিদ্যমান। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম আবহাওয়ার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে প্রচুর বৃষ্টি হয়। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত শীতকালীন আবহাওয়া বিরাজ করে।
কোরিয়ানরা জাতিগতভাবে একই ভাষাগোষ্ঠীর। ভাষাগত ও নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কোরিয়ানরা চীন ও জাপানিদের থেকে আলাদা। কোরিয়ানরা সবাই একই কোরিয়ান ভাষায় কথা বলে ও লেখে।
বাংলাদেশের সাথে কোরিয়ার বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশকে রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ নির্মাণ ও শিল্প-উন্নয়নে যথেষ্ট সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে।
মালয়েশিয়ার ভূপ্রকৃতি বৈচিত্র্যপূর্ণ। দেশটির পশ্চিমাংশে জলাভূমি, পূর্বাংশে বালিময় এলাকা এবং মধ্যভাগের পর্বতশ্রেণি উত্তর ও দক্ষিণে বিস্তৃত'।
মালয়েশিয়া একটি কৃষিপ্রধান দেশ। মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫০ ভাগেরও বেশি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তবে শিল্প ক্ষেত্রেও দেশটি উন্নতি লাভ করেছে।
মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন EPZ-এ মালয়েশিয়া অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশের অনেক লোক মালয়েশিয়াতে কর্মরত কাছে। বাংলাদেশীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার একটা বড়ো ক্ষেত্র।
ভারতের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। দেশটির শতকরা ৭০ ভাগ লোক কৃষিজীবী। প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান, গম, বার্লি, যব, কফি, চা উল্লেখযোগ্য।
প্রাচীনকাল হতে ভারত তার বস্ত্রশিল্পের জন্য সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত ছিল। বর্তমানে ইস্পাত, সিমেন্ট, যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক দ্রব্য, সার এমনকি জাহাজ ও গাড়ি তৈরিতে এগিয়ে আছে।
ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্র।
এশিয়া মহাদেশের মধ্য-দক্ষিণে ভারতের অবস্থান। এর উত্তরে রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম হিমালয় পর্বতমালা। পূর্বাঞ্চলে আরাকান পর্বত ও আসাম। পঞ্চিমাঞ্চলে হিন্দুকুশ ও সুলেমান পর্বতমালা। দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।
এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে জনগণের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক অবস্থা, ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য এবং ইতিহাস ও সংস্কৃতির দিক থেকে অনেক মিল রয়েছে।
বাংলাদেশের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। কোরিয়া বাংলাদেশকে রাস্তাঘাট, ব্রীজ নির্মাণ ও শিল্প উন্নয়নে যথেস্ট সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য সম্পর্কও রয়েছে।
১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট স্বাধীনতা লাভের পর মালয়েশিয়া ক্রমশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এদেশে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতির ধারা বেশি। শিল্পে বিশেষত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সরকার সর্বদা সচেষ্ট। দেশের অধিবাসীরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। দেশে শ্রমশক্তি কম থাকায় বন্ধু রাষ্ট্রগুলো থেকে জনশক্তি আমদানি করে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসায় বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগ করা হয়।
কোরিয়ানরা জাতিগতভাবে এক ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ভাষাগত ও নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কোরিয়ানরা চীন ও জাপানিদের থেকে আলাদা। যদিও শারীরিক গঠনের দিক দিয়ে চীন ও জাপানের মানুষের সাথে তাদের মিল রয়েছে। কোরিয়ানরা সবাই একই কোরিয়ান ভাষায় কথা বলে ও লেখে।
পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যাওয়ায় ভারতকে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ বলা হয়।
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের একটি উন্নয়নশীল দেশ। এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে কোনোটি বেশ উন্নত আবার কোনো কোনোটি তত উন্নত নয়। বাংলাদেশ এদের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে পড়ে। তবে জনগণের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক অবস্থা, ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য এবং ইতিহাস ও সংস্কৃতির দিক থেকে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। এশিয়ার বহুদেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের রয়েছে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বাণিজ্য, শিল্প, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার সম্পর্ক আছে। এখানে আমরা এমন কয়েকটি দেশের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরছি।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
১। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব;
২। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব;
৩। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব;
৪। বাংলাদেশের সঙ্গে কোরিয়ার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব;
৫। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব।
Related Question
View Allমালয়েশিয়ার রাজধানীর নাম কুয়ালালামপুর।
বহুজাতি দেশ বলতে বোঝায় যে দেশটিতে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।
উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী দেশ ভারতের কথা বলা যায়। এদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, শিখ, জৈনসহ বহু ধর্মের লোক বাস করে। এছাড়া পূর্ব এশিয়ার দেশ চীনকেও বহুজাতির দেশ বলা যায়। কারণ এখানে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।
অনিন্দ্য যে দেশটিতে ভ্রমণ করতে গিয়েছিল সেটির নাম হচ্ছে ভারত। ভারতের সাথে বাংলাদেশের জলবায়ুর যথেষ্ট মিল আছে।
ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। অর্থাৎ এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটাই তীব্র নয়। এছাড়া ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায়, যার কারণে সেখানে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের জলবায়ুতেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায় এবং এর প্রভাবে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার এ দুটি দেশের জলবায়ুই সমভাবাপন্ন। আবার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুই দেশেই ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়ে থাকে। এ সমস্ত কারণে বলা যায়, এ দুটি দেশের জলবায়ুর ক্ষেত্রে মিল আছে।
উদ্দীপকের অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটির উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা এবং পশ্চিমে হিন্দুকুশ ও সুলেমান পর্বতমালা। দেশটি প্রাচীন শিল্পকলা ও সভ্যতা, সমৃদ্ধ। এশিয়া মহাদেশের দেশ ভারত প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ। তাই বলা যায়, অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটি হলো ভারত। উক্ত দেশটির সাথে বাংলাদেশের জলবায়ুর সাদৃশ্য বিদ্যমান।
অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটি তথা ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম।
ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্র। নিকটতম প্রতিবেশী হওয়ায় বাংলাদেশের যেকোনো সমস্যায় ভারতই প্রথমে এগিয়ে আসতে পারে। যেমনটি আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেখতে পেয়েছি। সে সময় তারা অস্ত্র, অর্থ ও সৈন্য সরবরাহ করে আমাদের সাহায্য করেছিল। তাছাড়া আমাদের এক লক্ষ শরণার্থীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও তারা করেছিল।
ভারত আমাদের তুলনায় অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। সুতরাং তাদের সার্বিক সহযোগিতা পেলে আমরাও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারব। এছাড়া পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও তারা আমাদের বেশি সহযোগিতা করতে পারবে। যে কারণে তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রক্ষা করা জরুরি।
উপরের আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক যথেষ্ট গুরুত্ববহ।
পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতমালার নাম হিমালয়।
পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যাওয়ায় ভারতকে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ বলা হয়।
দক্ষিণ ভারতের অজন্তা পর্বতগুহার চিত্রকর্ম, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা অজস্র প্রাচীন মন্দির ও ভাস্কর্য, আগ্রার তাজমহল, দিল্লির কুতুব মিনার, লালকেল্লা প্রভৃতি ভারতের প্রাচীন সভ্যতার পরিচয় বহন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!