সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও পরিপুষ্টির জন্য মাটি, রায়ু ও পানি হতে কতগুলো পুষ্টি উপাদান শোষণ করে। এ উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না। এ পুষ্টি উপাদানগুলোর অভাব হলে তা অন্য কোনো উপাদান দ্বারা পূরণ করা যায় না। তাই এ পুষ্টি উপাদানগুলোকে অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানসমূহের উৎস হলো ২টি। এগুলো হলো-
i. প্রাকৃতিক উৎস: মাটি, বায়ু ও পানি।
ii. কৃত্রিম উৎস: জৈব সার, রাসায়নিক সার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মাছ ও পশুপাখি থেকে দ্রুত ও অধিক উৎপাদন পেতে হলে প্রচলিত খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিনই কিছু অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ করতে হয়। এ খাদ্যকেই সম্পূরক খাদ্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

জমিতে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহের জন্য যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ জন্মিয়ে কচি অবস্থায় জমি চাষ করে মাটির নিচে ফেলে পচিয়ে যে সার প্রস্তুত করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যেসব পদার্থ দরকার হয় সেসব পদার্থকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলা হয়। এসব পদার্থের যেকোনো একটির অভাবে গাছ তার জীবনচক্র সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারে না এবং অন্য কোনো বিকল্প উপাদান দিয়ে তা পূরণ হয় না। উদ্ভিদের এই পুন্টি উপাদান উদ্ভিদকে সাবলীলভাবে বাঁচতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মুখ্য ও গৌণ পুষ্টি উপাদানের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :

মুখ্য পুষ্টি উপাদানগৌণ পুষ্টি উপাদান
১. উদ্ভিদ দ্বারা অধিক পরিমাণে শোষিত হয়।১. উদ্ভিদ দ্বারা কম পরিমাণে শোষিত হয়।
২. স্বল্পতার দরুন সাধারণত গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।২. স্বল্পতার দরুন সাধারণত পাতার মধ্যে দাগ পড়ে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ তিন উপায়ে প্রাকৃতিক উৎস থেকে পুষ্টি উপাদান লাভকরে। যেমন- মাটি, বায়ু ও পানি। মাটি থেকে কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন ব্যতীত বাকি. ১৪টি পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি থেকে পেয়ে থাকে। বায়ু হতে উদ্ভিদ কার্বন ও অক্সিজেন বায়ু থেকে গ্রহণ করে। পানি থেকে উদ্ভিদ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি থেকে পায়। এছাড়াও উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত খনিজ পদার্থও গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গাছের বৃদ্ধির জন্য উদ্ভিদে নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছকে সবুজ রাখতে, কান্ড ও পাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে নাইট্রোজেন সার প্রয়োজন। নাইট্রোজেন প্রয়োগ না করলে গাছের ফলন কমে যায়, বীজ অপুষ্ট হয়, ফসলের কুশি কম হয়, গাছের পাতা আগাম ঝরে পড়ে, বীজের আকৃতি ছোট হয়। ফলে ফসলে নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ করা জরুরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য গ্রহণ করে প্রতিটি জীব বেঁচে থাকে। কিন্তু এ খাদ্য একজাতীয় পুষ্টি উপাদান থাকলে এদের বৃদ্ধি ভালো হয় না। তাই জীবের জীবনচক্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সকল পুষ্টি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টি উপাদানগুলোর একটির অভাব অন্যটি দ্বারা পূরণ সম্ভব নয়। তাই হাঁস-মুরগি থেকে মানসম্মত ডিম ও মাংস পাওয়ার জন্য সুষম মাত্রায় পুষ্টি উপাদানগুলো সরবরাহ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পশুকে খনিজ পদার্থ যেমন- ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি সরবরাহ করতে হবে। খনিজ পদার্থ দেহে নতুন টিস্যু উৎপাদনে সহায়তা করে, হাড়, দাঁতের গঠন ও পুষ্টিসাধন করে, রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। তাই পশুকে খনিজ পদার্থ সরবরাহ করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

পশুকে শর্করাজাতীয় খাদ্য বেশি দেওয়া আবশ্যক। কেননা, শর্করা দেহে তাপ উৎপাদন করে কর্মশক্তি যোগায়। পশুর কোষ্ঠ ঠিক রাখার জন্য অধিক পরিমাণ শর্করার প্রয়োজন হয়। শর্করা পশুর দেহের ওজন বৃদ্ধি করে। তাছাড়া শর্করা খাদ্যের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যেমন খাদ্যের প্রয়োজন তেমনি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন। পাখির খাদ্যের মাধ্যমে তাদের দৈহিক বৃদ্ধি, পুষ্টি সাধন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মায়। তাই এদের খাদ্যে সকল পুষ্টি উপাদান থাকা উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মাছ ও পশুপাখি থেকে দ্রুত ও অধিক উৎপাদন পেতে প্রচলিত খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিনই কিছু অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ করা হয় তাকে সম্পূরক খাদ্য বলে। শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাদ্যে মাছের উৎপাদন আশানুরূপ হয় না। সার প্রয়োগ করে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের যোগান দিলে তাতেও মাছের পরিপূর্ণ পুষ্টিসাধন হয় না। অধিক উৎপাদন পেতে হলে পুকুরে প্রতিদিন নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

জমিতে যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ জন্মিয়ে কচি অবস্থায় চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে যে সার প্রস্তুত করা হয় তাকে সবুজ সার বলে। ধইঞা, গোমটর, বরবটি, শণ, কলাই এসব ফসল দ্বারা এ সার তৈরি করা যায়। সবুজ সার মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ যোগ করে। ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে জৈব সার ব্যবহারের তিনটি উপকারিতা নিচে দেওয়া হল-
১. মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
২. মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়।
৩. মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

যে জমিতে ফসল ফলানো হবে সে জমিতে ধৈঞ্চা, গোমটর, বরবটি, শণ, কলাই এ জাতীয় ফসল চাষ করতে হবে। ফুল আসার আগেই তা চাষ দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। তারপর আরও ৩/৪ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ওলটপালট করে দিলে ২ সপ্তাহের মধ্যে পচে সবুজ সার তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

ফসলের সাথে বালাই শব্দটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বালাই বা কীট ফসলের মারাত্মক ক্ষতি সাধন ও ফলন অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দেয়। বালাই থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফসলের ক্ষেতে বালাইনাশক দেওয়া হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন বালাই বা কীটনাশক ব্যবহারের ফলে শস্য ক্ষেতে বালাই বা কীটপতঙ্গ বালাইনাশককে বাধাদানের ক্ষমতা অর্জন করে। ফলে ঐ বালাইনাশক দিয়ে আর নির্দিষ্ট কীট বা বালাইকে ধ্বংস করা যায় না। এছাড়াও প্রয়োগকৃত রাসায়নিক বালাইনাশকের একটি বড় অংশ বাতাসে, ভূপৃষ্ঠের পানিতে, ভূগর্ভস্থ পানিতে অনুপ্রবেশ করে এবং জীবের খাদ্যচক্রে ঢুকে পড়ে। ফলে মানুষ ও অন্যান্য জীব ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
80

আমরা পূর্ববর্তী শ্রেণিতে জানতে পেরেছি মাটি হলো উদ্ভিদের অবলম্বন এবং সার হলো তার খাবার। আমরা কি জানি এ সারে কী কী উপাদান থাকে? সার হলো উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোর আধার। আর প্রাণীর ক্ষেত্রে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ হলো পুষ্টি উপাদানের আধার। অন্যদিকে মাছ ও পশু-পাখির জন্য খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে সম্পূরক খাদ্যের বিকল্প নেই। আবার জমিতে সার হিসেবে জৈব সারের কার্যকারিতা ও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই জৈব সার তৈরি ও তার ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • প্রাণী ও উদ্ভিদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মাছ ও পশু-পাখির সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • সহজলভ্য উপকরণ (যেমন-বাসাবাড়ির বর্জ্য) ব্যবহার করে জৈব সার তৈরির পদ্ধতি ও এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব;
  • বালাইনাশক (জৈব ও অরাসায়নিক) ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলতে বোঝায় যে উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না এবং যথাযথভাবে শস্য উৎপাদন করতে পারে না (যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
198
উত্তরঃ

পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে একটি পরিখা ফাঁকা রাখতে হয়, কারণ নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট পার্শ্ববর্তী পরিখাতে স্থানান্তর করে উলটপালট করা হয়। ফলে উপাদানগুলো দ্রুত পচে যায় ও অল্প সময়ে কম্পোস্ট তৈরি হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
211
উত্তরঃ

কৃষক হাফিজের জমিতে ধানের চারায় আশানুরূপ হারে কুশি গজায়নি এবং জমিতে পোকামাকড়ও দেখা গিয়েছিল।

ধানের চারায় কুশি কম গজানোর কারণ হলো নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি। কৃষক হাফিজ জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ করে, যেগুলো কৃষক হাফিজ তার জমিতে ব্যবহার করতে পারতেন। ধানের পোকা দূর করার জন্য তিনি তামাক পাতার নির্যাস প্রয়োগ করতে পারতেন। জমিতে প্রেইং ম্যানটিড এর সংখ্যা বাড়ালে তা ক্ষতিকারক পোকা দমনে সহায়ক হতো। এছাড়া জমিতে গাছের ডাল বা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিলেও সুফল পাওয়া যেত। অর্থাৎ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হাফিজ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
119
উত্তরঃ

হাফিজ দ্বিতীয় দফায় ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ ও রোগবালাই দমনে জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।

হাফিজ সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল - ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তিনি জানেন এতে গাছের প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই আছে। এছাড়াও এসব সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, মাটির উর্বরতা, ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে। জৈব সার ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি কীটপতঙ্গ দমনের জন্য আলোক ফাঁদ এবং জমির বিভিন্ন জায়গায় ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করেন। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখেন, যা পোকার আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে কীটপতঙ্গ দমন ব্যবস্থা হয় পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই।

অর্থাৎ, হাফিজের দ্বিতীয় দফায় গৃহীত জৈব ব্যবস্থাপনা শুধু পুষ্টি ঘাটতি - পূরণই নয় বরং রোগবালাই দমনেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
139
উত্তরঃ

রাসায়নিক বালাইনাশক মাত্রই বিষ। এ জাতীয় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে তা উদ্ভিদের জীবনচক্রে ঢুকে ফলনকেও বিষাক্ত করে দিচ্ছে যা খেয়ে মানুষ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ জাতীয় বালাইনাশককে নীরব ঘাতক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
186
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews