কার্তিকের বাহন হলো ময়ূর এবং গণেশের বাহন হলো ইঁদুর।
পূজা-অর্চনার জন্য আমাদেরকে গাছের কাছে যেতে হয়।
পাহাড়-পর্বতের কাছ থেকে আমরা পাথর পাই। পাথর নানা কাজে লাগে। পর্বতের উপরে বরফ জমে। বরফ গলে জল হয়। আর এই, জল প্রাণিকুলের জীবন ধারণে সহায়তা করে থাকে।
হিন্দুধর্মে প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অভিন্ন।
প্রকৃতি থেকে আমরা যা যা পাই তা হলো-
১. প্রকৃতি থেকে আমরা বাতাস পাই, যা শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সাহায্য করে।
২. নদী থেকে জল পাই।
৩. মাটিতে ফসল হয়। সে ফসল থেকে আমাদের খাবার তৈরি হয়।
৪. গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই।
চারজন দেব-দেবীর নাম ও বাহন হলো-
১. কার্তিক: কার্তিকের বাহন ময়ূর।
২. গণেশ: গণেশের বাহন ইঁদুর।
৩. সরস্বতী: সরস্বতীর বাহন রাজহাঁস।
৪. দুর্গা: দুর্গার বাহন সিংহ।
ঘরবাড়ি তৈরির জন্য যেসব ক্ষতি হচ্ছে তা হলো-
১. জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে।
২. বন কাটা হচ্ছে।
৩. পশু-পাখির বাসস্থান কমে যাচ্ছে।
৪. অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
চীন দেশে একবার পাখি মারার জন্য অভিযান শুরু হয়েছিল। তারা ভেবেছিল, এতে ফসলের উৎপাদন বাড়বে। কিন্তু পরের বছর থেকে ফসল উৎপাদন কমতে শুরু করে। পরে তারা বুঝতে পারে, প্রকৃতিতে পাখিরও অবদান আছে।
সাপ ইঁদুর খেয়ে আমাদের উপকার করে। কেননা ইঁদুর আমাদের ফসল নষ্ট করে।
জীব বিলুপ্ত হলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হবে। কেননা একটি জীব অন্য আরেকটি জীবের ওপর নির্ভরশীল।
প্রকৃতি নানাভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। যেমন-
১. ঘরবাড়ি তৈরির জন্য জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে।
২. বন কাটা হচ্ছে।
৩. কৃষিকাজের জন্য বন উজাড় হচ্ছে। এতে পশুপাখির বাসস্থান কমে যাচ্ছে। অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতি বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে।
প্রকৃতির জীব বিলুপ্ত হওয়া মানে পশুপাখি বিলুপ্ত হওয়া, গাছপালা বিলুপ্ত হওয়া। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়বে, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটবে। সেই সাথে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হবে।
জীবের জন্য বিবেকানন্দ বলেছেন, "জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।"
পশু-পাখির প্রতি যা করা উচিত নয় তা হলো- ১. ঢিল ছোড়া; ২. বিরক্ত করা; ৩. শিকার করা।
পশু-পাখিদের যত্ন করলে আমাদের উপকার হয়। যেমন- পোষা কুকুর আমাদের নিরাপত্তা দেয়। গরু-ছাগল আমাদের দুধ দেয়। গরুর গোবর থেকে আমরা সার পাই, যা কৃষিকাজে সাহায্য করে। পাখি আমাদের আনন্দ দেয়। প্রকৃতিকে সুন্দর রাখে। পোকামাকড় খেয়ে ফসলের উৎপাদন বাড়ায়।
ফেলে দেওয়া হাঁড়ি-কুড়ি দিয়ে পাখির জন্য বাসা বানানো যায়।
আমরা ঈশ্বরের সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসব। কারণ ঈশ্বরের সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসা মানে ঈশ্বরকে ভালোবাসা। সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। ঈশ্বর আমাদের মঙ্গল করেন।
জন্মভূমি বলতে সেই স্থান বা দেশকে বোঝায় যেখানে কোনো মানুষ জন্মগ্রহণ করে।
রাবণের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই বিভীষণ লঙ্কার রাজা হন।
বিভীষণ ছিলেন রামের বন্ধু। তাই যুদ্ধ শেষে বিভীষণ রামকে লঙ্কায় থেকে যেতে বলেছিলেন।
রামচন্দ্রকে চৌদ্দ বছর বনে থাকতে হয়েছিল।
জন্মভূমির কল্যাণে দেশের মানুষকে ভালোবাসব। দেশের মানুষের বিপদে সাহায্য করব। দেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখব। দেশের আইন মেনে চলব এবং দেশের সম্পদের ব্যবহারে মিতব্যয়ী হব।
আমাদের শাস্ত্রে দেশকে মায়ের মতো ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে। কেননা মা যেমন আমাদের জন্ম দিয়ে লালন-পালন করে বড় করেন, তেমনি দেশ আমাদের খাদ্য দিয়ে, আশ্রয় ও শিক্ষা দিয়ে বড় করে।
দেশের মানুষ বিপদে পড়লে সাহায্য করতে হবে। কারণ দেশের মানুষ ভালো না থাকলে দেশ ভালো থাকে না।
ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে রাস্তা পার হতে হবে।
দেশকে সুন্দর রাখার জন্য দেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মাকে যেমন আমরা অসুন্দর দেখতে চাই না, তেমনি দেশকেও আমরা অসুন্দর দেখতে চাই না।
আমি দেশকে ভালোবাসব। কারণ দেশ আমাদের খাদ্য দিয়ে, আশ্রয় ও শিক্ষা দিয়ে বড় করে। শাস্ত্রেও দেশকে মায়ের মতো ভালোবাসতে বলা হয়েছে। দেশপ্রেম ধর্মের অঙ্গ। তাই আমি দেশকে ভালোবাসব।
মিতব্যয়ী হওয়ার জন্য আমি যা করব তা হলো-
১. খাবার নষ্ট করব না।
২. ঘরে অকারণে আলো জ্বালিয়ে রাখব না।
৩. পানির অপচয় করব না।
৪. প্রয়োজন নেই এমন সব পণ্য ও সেবা থেকে দূরে থাকব।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপ্রকৃতি পৃথিবীর স্বাভাবিক রূপ।
গাছের কাঠ দিয়ে আমরা ঘরবাড়ি নির্মাণ করি।
ঈশ্বর প্রকৃতি সৃষ্টি করেছেন।
যাদের জীবন আছে তারা জীব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!