উত্তরঃ

ঈশ্বরের নিরাকার রূপকে বলা হয় ব্রহ্ম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর যখন কোনো রূপ বা আকার ধারণ করেন তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে। দেব-দেবীর মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ব্রহ্মা হচ্ছেন সৃষ্টির দেবতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

অবতাররূপে পৃথিবীতে আসার পর ঈশ্বরের প্রধান কাজ হচ্ছে সকল অশান্তি দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং দুষ্কৃতিকারীদের ধ্বংস করে সাধু সজ্জনদের রক্ষা ও ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

পিতৃসত্য পালন করার জন্য রাম বনে গমন করেছিলেন

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার। তবে তিনি যেকোনো সময় যেকোনো আকার ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বর যখন নিরাকার অবস্থায় থাকেন তখন তিনি ব্রহ্ম। ব্রহ্ম সকল জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন। তাই ব্রহ্মের আরেক নাম ঈশ্বর। ঈশ্বর শব্দটির মানে হচ্ছে প্রভু। এই ব্রহ্ম বা ঈশ্বর যখন আমাদের, কৃপা করেন। জগতের মঙ্গল করেন, তখন তাঁকে বলা হয় ভগবান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের কোনো আকার নেই। তিনি নিরাকার। তবে নিরাকার হলেও সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যেকোনো সময় যেকোনো আকার ধারণ করতে পারেন। তিনি যেকোনো রূপে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন। নিজের গুণ বা ক্ষমতাকে তিনি আকার দিতে পারেন। ঈশ্বরের কোনো গুণ বা ক্ষমতা যখন আকার বা রূপ পায়, তখন তাকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে। দেব-দেবীর মধ্য দিয়েই ঈশ্বরের সকল শক্তির প্রকাশ ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

কখনো কখনো পৃথিবীতে খুবই খারাপ অবস্থা বিরাজ করে। চারদিকে তখন মারামারি, হানাহানি, অন্যায়-অত্যাচার, অবিচার সর্বত্র পরিলক্ষিত হয়। এমন অবস্থায় ধার্মিক ব্যক্তিগণ এসব পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য আকুল প্রার্থনা জানায়। তখন করুণাময় ঈশ্বর জগতের কল্যাণের জন্য বিভিন্নরূপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। ঈশ্বরের এ বিভিন্নরূপে নেমে আসাকে অবতার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরশুরাম হলেন ত্রেতা যুগের ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার। তাঁর আসল নাম ভৃগুরাম। তাঁর হাতে একটা পরশু বা কুঠার থাকত। এজন্য তিনি পরশুরাম বলে বিখ্যাত। তিনি ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জমদগ্নি। মা রেনু পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে পরশুরাম ছিলেন কনিষ্ঠ। ত্রেতা যুগের শুরুতে ক্ষত্রিয় রাজাদের প্রতাপ খুব বেড়ে যায়। তারা খুব উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে। সেই সময়স্তগবান বিষ্ণু পরশুরাম অবতাররূপে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একুশবার 'অত্যাচারী ক্ষত্রিয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের ধ্বংস করেন। প্রতিবারই তিনি যুদ্ধে জয়লাভ করেন। ফলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

অবতার সম্পর্কে শ্রীমদ্‌ভগবদ্গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন-
"যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্ ॥ (৪/৭)
পরিত্রাণায় সাধূনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
" ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।” (৪/৮)
অর্থাৎ, পৃথিবীতে যখনই ধর্মের গ্লানি হয় ও অধর্ম বেড়ে যায়, তখনই আমি নিজেকে সৃষ্টি করি। সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ এবং ধর্মসংস্থাপনের জন্যও আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার। তবে তিনি নিরাকার হলেও সর্বশক্তিমান হিসেবে যেকোনো আকার ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বরের কোনো গুণ বা ক্ষমতা যখন আকার বা রূপ পায় তখন তাকে দেব-দেবী বলা হয়। দেব ও দেবীর মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, লক্ষ্মী, গণেশ প্রভৃতি ঈশ্বরের-ভিন্ন ভিন্ন গুণের রূপ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

মহাপ্রলয় থেকে রাজা সত্যব্রতকে মৎস্য অবতার রক্ষা করেছিলেন। রাজা সত্যব্রতকে শ্রীবিষ্ণুর মৎস্য অবতার রক্ষা করেছিলেন কারণ তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক। কেননা, ধর্মের পথে থেকে তিনি শ্রীবিষ্ণুর কথা মতো বেদ, সবরকম জীবদম্পতি, খাদ্য-শস্য ও বৃক্ষ সংগ্রহ করে নৌকায় উঠেছিলেন। যার ফলে প্রলয়ের হাত থেকে সমস্ত সৃষ্টি রক্ষা পেয়েছিল। মূলত রাজা সত্যব্রতের মাধ্যমে শ্রীবিষ্ণু সৃষ্টিকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন বলেই তাকে রক্ষা করেছিলেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

অবতাররূপে এসে ঈশ্বর যেসব কাজ করেন সেগুলো হলো-
১. সাধুদের পরিত্রাণ করেন।
২. দুষ্কৃতকারীদের বিনাশ করেন।
৩. ধর্ম সংস্থাপন করেন।
৪. মানুষ ও জগতের মঙ্গল করেন।
৫. অধর্মের বিনাশ করেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার। তবে তিনি যেকোনো আকার ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বর যখন নিরাকার তখন তাঁকে বলা হয় ব্রহ্ম।
নিরাকার ব্রহ্ম সম্পর্কে বলা যায়-
১. ব্রহ্ম সকল জীব ও জগতের উপর প্রভুত্ব করেন।
২. ব্রহ্মের আরেক নাম ঈশ্বর।
৩. ব্রহ্ম সকল প্রাণের উৎসন্বরূপ।
৪. ব্রহ্ম বা ঈশ্বর যখন আমাদের কৃপা করেন, জগতের মঙ্গল করেন, তখন তাকে বলা হয় ভগবান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব কর্মের মধ্য দিয়ে আমরা ঈশ্বরকে কাছে পেতে পারি তাকেই বলা হয় উপাসনা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

অদেখা ঈশ্বরকে অন্তরে ধারণ করে তাঁকে ব্রহ্মজ্ঞানে আরাধনা করাকে নিরাকার উপাসনা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

 আকার বা রূপের মাধ্যমে ঈশ্বরের আরাধনা করাকে সাকার উপাসনা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপসনার দুটি আসন হলো- পদ্মাসন ও সুখাসন

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপাসনার ন্যায় প্রার্থনা করার সময়ও দেহ ও মন পবিত্র থাকা প্রয়োজন। সাধারণত করজোরে ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করতে হয়। প্রার্থনার সময় মনে দীনতার ভাব থাকতে হবে। তিনি প্রভু, আমি তাঁর দাস, তিনি দাতা, আমি গ্রহীতা- মনে মনে এরূপ ভাবা দীনতার ভাব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপাসনার অর্থ ঈশ্বরকে স্মরণ করা। একাগ্রচিত্তে ঈশ্বরকে ডাকা। ঈশ্বরের আরাধনা করা।

সাকার উপাসনা: সাকার অর্থ যার আকার বা রূপ আছে। আকার বা রূপের মাধ্যমে ঈশ্বরের কাছে আরাধনাই হচ্ছে সাকার উপাসনা। এরূপ উপাসনায় ভক্ত ঈশ্বরকে সাকাররূপে কাছে পায়। তাঁকে পূজা করে। তাঁর নিকট প্রার্থনা করে।

নিরাকার উপাসনা : নিরাকার অর্থ যার কোনো আকার বা রূপ নেই। নিরাকারের আর একটি অর্থ, যার কোনো আকৃতি দেওয়া সম্ভব নয়। ঈশ্বরকে নিরাকারভাবেও আরাধনা করা যায়। ঈশ্বরের নিরাকার ভাবকে বলে ব্রহ্মভাব। ঈশ্বরকে ব্রহ্মভাবে উপাসনা করাই নিরাকার উপাসনা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

যুত্ত্বায় মনসা দেবান্ সুবর্ষতো ধিয়া দিবম্। বৃহজ্যোতি করিষ্যতঃ সবিতা প্রসুবাতি তান্ ॥
(শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ, ২/৩)
সরলার্থ: সূর্যদেব আমার মনকে পরমাত্মার সঙ্গে যুক্ত করুন। পরমাত্মা অভিমুখী ইন্দ্রিয়গুলোকে জ্ঞানের দ্বারা সেই পরমাত্মাকে উপলব্ধি করার শক্তি দিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

সবসময় উপাসনা করার মাধ্যমে মনে স্থিরতা বিরাজ করে ও মনে একাগ্রতা আসে। এ একাগ্রতা শুধু ধর্মের ক্ষেত্রে নয়, জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজন। তাছাড়াও উপাসনার মাধ্যমে আমরা সৎ ও ধার্মিক হতে পারি। আর আমরা সকলে ধার্মিক হলে আমাদের সমাজ শান্তিময় হবে। আমরা সকলে ভালো থাকব। তাই সকলের মঙ্গলের জন্য আমরা সবসময় উপাসনা করব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

প্রার্থনার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। প্রার্থনার মধ্য দিয়ে
ঈশ্বরের নাম সংকীর্তন করতে হয়। প্রার্থনা ধর্মের অঙ্গ। ঈশ্বরের নাম সংকীর্তনে মন ভালো থাকে এবং ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। প্রার্থনা করলে আমাদের দেহমন ভালো থাকে। দেহমন পবিত্র হয়। মনে প্রফুল্লতা ও স্থিরতা আসে। প্রার্থনা মানুষকে সৎ ও ধর্মপথে পরিচালিত করে, তাই প্রার্থনা করে. আমরা সৎ ও ধার্মিক হতে পারি। ধীরে ধীরে আমরা আত্মোন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে পারি। ভগবানকে অন্তরে অনুভব - করতে পারি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

গাব তোমার সুরে শুনব তোমার বাণী করব তোমার সেবা চাইব তোমার মুখে সইব তোমার আঘাত বইব তোমার ধ্বজা
দাও সে বীণাযন্ত্র
দাও সে অমর মন্ত্র।
দাও সে পরম শক্তি,
দাও সে অচল ভক্তি ॥
মাত্মা করার
দাও সে বিপুল ধৈর্য,
দাও সে অটল স্থৈর্য ।
(সংক্ষেপিত)
[গীতবিতান (পূজাপর্ব, গান-৯৭), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

অদেখা ঈশ্বরকে অন্তরে ধারণ করে তাঁকে ব্রহ্মজ্ঞানে আরাধনা করাকে নিরাকার উপাসনা বলে। নিরাকার উপাসনা করার উপায়সমূহ হলো

১. ভক্ত নিজের অন্তরে ঈশ্বরকে অনুভব করেন।
২. ঈশ্বরের নাম জপ করেন।
৩. ঈশ্বরের নাম কীর্তন করেন।
৪. ঈশ্বরের স্তব-স্তুতি করেন।
৫. নিরাকার উপাসনা ভক্ত ধ্যান-সাধনার মাধ্যমেও করে থাকেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপাসনা' অর্থ ঈশ্বরকে স্মরণ করা। একাগ্রচিত্তে ঈশ্বরকে ডাকা। ঈশ্বরের আরাধনা করা। উপাসনা ধর্ম পালনের অন্যতম প্রধান তাঙ্গ বা পদ্ধতি। ধ্যান, জপ, কীর্তন, পূজা, স্তব, স্তুতি, প্রার্থনা প্রভৃতি পদ্ধতিতে উপাসনা করতে হয়। প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় তিনবার ঈশ্বরের উপাসনা করতে হয়।

উপাসনার প্রয়োজনীয়তা হলো-
১. উপাসনা করলে দেহ-মন পবিত্র হয়।
২. উপাসনা আমাদেরকে সৎপথে বা ধর্মপথে পরিচালিত করে।
৩. উপাসনার মাধ্যমে মনে স্থিরতা ও একাগ্রতা আসে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিশেষ পদ্ধতিতে ঈশ্বরের গুণগান করার রীতিকে বলা হয় ল। উপাসনা। অন্যভাবে বলা যায়, উপাসনা বলতে ঈশ্বরের পাশে অবস্থান করাকে বোঝানো হয়।

'উপস্থাপনার সময় আমরা যা করি- ১. ঈশ্বরের প্রশংসা করি। ২. তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করি; ৩. সকলের কল্যাণ কামনা করি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

সাকার' শব্দের অর্থ হলো যার আকার বা রূপ আছে।
সাকাররূপে ঈশ্বরকে দেব-দেবীর প্রতিমারূপে ও অবতাররূপে উপাসনা করা যায়। ঈশ্বরের সাকাররূপের মধ্যে রয়েছেন-- ১. ব্রহ্মা; ২. বিষ্ণু; ৩. শিব; ৪. দুর্গা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
98
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews