প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখা যায় এমন তিনটি প্রাণী হলো-
১. পাখি,
২. মাছ ও
৩. হরিণ।
মানুষের তৈরি পরিবেশে রয়েছে এমন তিনটি উপাদান
হলো-
১. ঘরবাড়ি,
২. রাস্তাঘাট ও
৩. যানবাহন।
প্রত্যেক প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য শক্তি প্রয়োজন। শক্তি ছাড়া কোনো প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না। প্রাণী খাদ্য থেকে শক্তি পেয়ে থাকে। তাই প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ও শক্তি পেতে খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয় এমন তিনটি উপাদানের নাম হলো-
১. সূর্যের আলো,
২. পানি ও
৩. বায়ু।
জীবের বেঁচে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদান হলো-
১. খাদ্য, ২. পানি ও ৩. বায়ু।
উদ্ভিদ যে জায়গায় জন্মে এবং প্রাণী যে বিশেষ জায়গায় বাস করে তাই তার আবাসস্থল। সকল জীবের জন্যই আবাসস্থল প্রয়োজন। আবাসস্থলে জীব জন্ম নেয় ও বেঁচে থাকে
আবাসস্থল পানি এমন তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো-
১. কচুরিপানা,
২. শাপলা ও
৩. ক্ষুদিপানা।
আশ্রয়স্থল হলো প্রাণীর জন্য, একটি নিরাপদ স্থান, যা তাকে আক্রমণকারী প্রাণী বা বিরূপ আবহাওয়া যেমন- ঝড়-বাদল থেকে রক্ষা করে। প্রাণী নিজেদের প্রয়োজনমতো নিরাপদভাবে আশ্রয়স্থল তৈরি করে নেয়। যেমন- পাখি আশ্রয়ের জন্য গাছে বাসা তৈরি করে। আবার মাছের আশ্রয়স্থল হলো পানি।
আশ্রয়ের জন্য গাছে বাসা তৈরি করে এমন তিনটি প্রাণী
হলো-
১. পাখি, ২. কাঠবিড়ালী ও ৩. লাল পিঁপড়ে।
অধিকাংশ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি হয় পাতায়। খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদের সূর্যের আলো, পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রয়োজন হয়। উদ্ভিদ মূল দিয়ে প্রয়োজনীয় পানি শোষণ করে। অন্যদিকে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে। এরপর সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরি করে।
উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির জন্য প্রয়োজন কার্বন
ডাইঅক্সাইড। অন্যদিকে প্রাণীর শ্বাসগ্রহণে প্রয়োজন অক্সিজেন।' প্রাণী শ্বাসত্যাগের সময় বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। উদ্ভিদ এই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে খাদ্য তৈরি করে। খাদ্য তৈরির সময় উদ্ভিদ অক্সিজেন ত্যাগ করে। প্রাণী উদ্ভিদের ত্যাগ করা এই অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। এভাবে বায়ুর উপাদান অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের জন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ পরস্পর নির্ভরশীল।
খাদ্য তৈরি করতে সূর্যের আলো প্রয়োজন। উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাধ্যমে তার খাদ্য তৈরি করে। কিন্তু রাতের বেলা সূর্যের আলো থাকে 1 না। এ কারণে উদ্ভিদ রাতের বেলা খাদ্য তৈরি করে না।
শক্তির প্রধান উৎস সূর্য। সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরির সময় সূর্যের এই শক্তি উদ্ভিদদেহে প্রবাহিত হয়। এরপর প্রাণী উদ্ভিদ বা উদ্ভিজ্জ উপাদান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলে শক্তি প্রাণিদেহে পরিবাহিত ও সঞ্চিত হয়। এভাবেই সূর্য থেকে জীবে শক্তির প্রবাহ ঘটে।
পরিবেশ পরিবর্তনের তিনটি কারণ হলো-
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ;
২. বৃক্ষ নিধন ও
৩. মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড।
পরিবেশ পরিবর্তনের তিনটি প্রভাব হলো-
১. অসময়ে বৃষ্টিপাত,
২. তাপমাত্রার পরিবর্তন ও
৩. লবণাক্ততা বৃদ্ধি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন- খরা, বন্যা, ঝড়, ভূমিকম্পের কারণে পরিবেশের পরিবর্তন হয়। এছাড়াও মানুষের নানা কর্মকাণ্ড, যেমন- গাছ কাটা, বিল, ঝিল, হাওর ভরাট করা, বাঁধ নির্মাণ, রাস্তাঘাট তৈরি, কলকারখানা স্থাপন ইত্যাদি কারণেও পরিবেশের পরিবর্তন হয়।
রিসাইকেলের মাধ্যমে পুরনো বস্তুকে নতুন বস্তুতে পরিণত করা যায়। জিনিসপত্র রিসাইকেল করলে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ কম পড়ে। যেমন- আমরা যদি কাগজ রিসাইকেল করি তাহলে নতুন কাগজ তৈরির জন্য গাছ কাটার পরিমাণ কমবে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ কমানোর জন্য রিসাইকেল করা হয়।
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য সূর্যের আলো, পানি ও বায়ুর কার্বন ডাইক্সাইড গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উদ্ভিদের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যদি মাটিতে পানি থাকে এবং সূর্যের আলো অনুপস্থিত থাকে সেক্ষেত্রে কান্ড ও পাতার রং হলুদ হয়।
Related Question
View Allআশ্রয়স্থল হলো এমন একটি জায়গা যেখানে প্রাণী নিরাপদে থাকে।
জীব তার প্রয়োজনীয় সকল বস্তু পরিবেশ থেকে পেয়ে থাকে।
উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে সূর্যের আলো পানি এবং বায়ু প্রয়োজন।
মানুষ প্রাকৃতিক সম্পদ।আহরণ করতে পরিবেশের পরিবর্তন করছে।
প্রাণী যে বিশেষ জায়গায় বাস করে তাই তার আবাসস্থল।
আশ্রয়ের জন্য পাখি গাছে বাসা তৈরি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!