আবহাওয়ার পূর্বাভাসজনিত তিনটি অবস্থা হলো-
১. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে।
২. হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।
৩. তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হবে না।
আবহাওয়া হলো আকাশ ও বায়ুমণ্ডলের সাময়িক অবস্থা, যা প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। যেমন- কোনো দিনের আকাশ থাকতে পারে রৌদ্রোজ্জ্বল বা মেঘাচ্ছন্ন, বাতাস হতে পারে গরম বা ঠান্ডা, আর্দ্র বা শুকনো ইত্যাদি
আবহাওয়ার তিনটি উপাদান হলো-
১. আকাশের অবস্থা,
২. বায়ুর তাপমাত্রা ও
৩. বায়ুপ্রবাহ।
আকাশের তিনটি অবস্থা হলো-
১. সারাদিন রৌদ্রোজ্জ্বল থাকবে।
২. আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে।
৩. বর্ষণ মুখর বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে ঋতুভেদে আবহাওয়ার তিনটি সাধারণ ঘটনা হলো-
১. গ্রীষ্মকালে বজ্রবৃষ্টি হওয়া,
২. বর্ষাকালে বৃষ্টি হওয়া ও
৩. শীতকালে সকালে কুয়াশা সৃষ্টি হওয়া।
আর্দ্রতা বলতে বুঝি কোনো স্থানের বাতাসে কতটুকু জলীয়বাষ্প তার একটা পরিমাপ। যখন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে, তখন আমরা খুব সহজেই ঘেমে যাই। আবার বাতাসে যখন জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে তখন আমরা শুষ্ক অনুভব করি।
আবহাওয়া বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে। নিচে তিনটি কারণ লেখা হলো-
১. তাপমাত্রার পরিবর্তন,
২. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন ও
৩. বায়ুপ্রবাহের গতি পরিবর্তন।
বাংলাদেশে শীতকালে কুয়াশা দেখা যায়। কুয়াশাও এক ধরনের মেঘ যা আমরা ভূপৃষ্ঠে দেখে থাকি। এই কুয়াশা গাছের পাতা বা ঘাসের উপর জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণার সৃষ্টি করে। এই ক্ষুদ্র পানি-কণাই মূলত শিশির। এভাবেই শিশির সৃষ্টি হয়।
আকাশে ভাসমান তিন ধরনের মেঘ হলো-
১. পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘ
২. সাদা স্তরীভূত মেঘ ও
৩. পুঁজ মেঘ।
মেঘ তৈরির উপাদানগুলো হলো-
.১. জলীয় বাষ্প
২. শীতল বায়ু ও
৩. ধূণিকণা
আকাশে ভাসমান মেঘের ক্ষুদ্র পানি কণাগুলো মিলিত হয়ে বড় পানি কণা তৈরি করে। এই বড় পানি-কণাগুলো বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে না। যার ফলে বড় পানি-কণাগুলো ফোঁটা ফোঁটা পানি হয়ে নিচে নেমে আসে। এই ফোঁটা ফোঁটা পানিই বৃষ্টি। এভাবেই বৃষ্টি সৃষ্টি হয়।
আবহাওয়া আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। যেমন-
১. শীত লাগলে আমরা গরম কাপড় পরি।
২. বৃষ্টি হলে বা রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে আমরা ছাতা নিয়ে বাইরে যাই।
৩. বৃষ্টির পানিতে গাছপালা সতেজ হয়, ফলে ফসল ভালো হয়।
বন্যার তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো-
১. নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সমতল ভূমি ডুবে যায়।
২. রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যায়।
৩. মাঠের ফসল, বাড়ি-ঘর পানির নিচে তলিয়ে যায়।
জলবায়ু হলো কোনো স্থানের বহু বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা। এটি মূলত আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন- তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, ঋতু পরিবর্তন ইত্যাদি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
জলবায়ু বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
যেমন-
১. কোনো নির্দিষ্ট স্থানের জলবায়ু প্রধানত ঐ স্থানের অক্ষাংশ,
২. সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নির্দিষ্ট স্থানটির উচ্চতা ও
৩. সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট স্থানটির দূরত্বের উপর।
বিষুবরেখা হলো একটি কাল্পনিক রেখা' যা পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে। এটি পৃথিবীর কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবীর বৃহত্তম পরিধি নির্দেশ করে।
বিষুবরেখার নিকট সূর্য কিরণ খাড়াভাবে পড়ার কারণে বিষুবরেখার কাছাকাছি ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থান বেশি গরম হয়। আবার ভূপৃষ্ঠ গোলীয় হওয়ার কারণে বিষুবরেখা থেকে দূরবর্তী স্থানসমূহ সূর্যকিরণ দ্বারা অপেক্ষাকৃত কম হয়। ফলে এই সকল স্থান দূরবর্তী স্থান অপেক্ষাকৃত শীতল হয়।
Related Question
View Allআমরা, আবহাওয়ার অবস্থা বোঝানোর জন্য আর্দ্র বা শুষ্ক বলে থাকি।
বায়ুপ্রবাহ হালকা বা প্রবল হতে পারে।
সূর্য উঠলে বায়ু ধীরে ধীরে গরম হয় এবং তাপামাত্রা বাড়তে থাকে।
বায়ুপ্রবাহ আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটায়।
গরম বায়ু উপরে উঠে যায়।
ক্ষুদ্র পানি-কণা আকাশে মেঘ হিসেবে ভেসে বেড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!