সংক্ষিপ্ত- প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে উপযোগ বলতে কোনো দ্রব্য বা সেবার দ্বারা ব্যক্তির অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝায়। কোনো দ্রব্য ভোগের মাধ্যমে যখন কোন ব্যক্তির অভাব পূরণ হয় তখন তাকে' উপযোগ বলে। যেমন-তৃষ্ণার্ত কোনো ব্যক্তি পানির মাধ্যমে তার তৃষ্ণা নিবারণ করে, পানির এ ক্ষমতাকে উপযোগ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ভোগ: অর্থনীতিতে মানুষের অভাব পূরণের জন্যে কোনো দ্রব্যের উপযোগ নিঃশেষ করাকে ভোগ বলা হয়। কেননা আমরা কোনো জিনিস ধ্বংস বা নিঃশেষ করতে পারি না। আমরা শুধু দ্রব্যগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে এর উপযোগ গ্রহণ করতে পারি। অভাব মোচন ছাড়া অন্য কোনোভাবে দ্রব্যের উপযোগ ধ্বংস করা হলে তাকে ভোগ বলা হবে না।
ভোক্তা: সাধারণ অর্থে ভোক্তা হলো যিনি পণ্যদ্রব্য বা সেবা ভোগ করেন। অর্থাৎ কোনো অবাধ সহজলভ্য দ্রব্য ছাড়া অন্য সব দ্রব্য ভোগ করার জন্যে যে ব্যক্তি অর্থ ব্যয় করতে প্রস্তুত থাকে তাকে ভোক্তা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মোট উপযোগ: একটি নির্দিষ্ট সময়ে একজন ভোড়া কোনো একটি দ্রব্যের বিভিন্ন একক ভোগ করে যে বিভিন্ন পরিমাণ উপযোগ লাভ করে তার সমষ্টিকে মোট উপযোগ বলে।
প্রান্তিক উপযোগ: একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো একটি দ্রব্যের অতিরিক্ত এক একক ভোগ করে একজন ভোক্তা যে অতিরিক্ত পরিমাণ উপযোগ লাভ করে তাকে প্রান্তিক উপযোগ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ক্রেতার একটি পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে কেনার আকাঙ্ক্ষা, সামর্থ্য এবং নির্দিষ্ট মূল্যে-দ্রব্যটি ক্রয় করার ইচ্ছা থাকলেই তাকে অর্থনীতিতে চাহিদা বলে। অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়।

যেমন- ১. কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ২. তা কেনার জন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ৩. সেই অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি কেনার ইচ্ছা।

চাহিদাবিধি: অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে দাম বেশি হলে চাহিদার পরিমাণ কম হবে; দাম কম হলে চাহিদার পরিমাণ বেশি হবে এটাই চাহিদাবিধি। চাহিদাবিধিতে দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

বাজারে নির্দিষ্ট দামে সব ভোক্তার ব্যক্তিগত বা ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ চাহিদার সমষ্টিকে বলা হয় বাজার চাহিদা। সব ভোক্তার ব্যক্তিগত চাহিদার সমষ্টিকে যখন একটি রেখার মাধ্যমে দেখানো হয় সে রেখাকে বাজার চাহিদারেখা বলে। অর্থাৎ বাজার চাহিদাসূচির জ্যামিতিক প্রকাশই হলো বাজার চাহিদা রেখা।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে যে বিধি দ্বারা দ্রব্যের দাম ও জোগানের সম্পর্ক প্রকাশ পায় তাকে জোগানবিধি বলা হয়। অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে, মূল্য বৃদ্ধি পেলে জোগান বৃদ্ধি পায় এবং মূল্য হ্রাস পেলে জোগান হ্রাস পায়। এটাই জোগানবিধি। জোগানবিধিতে দাম ও জোগানের মধ্যে সমমুখী সম্পর্ক দেখানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

একেক ধরনের দ্রব্যের উপযোগ 'একেক রকম। আবার একই দ্রব্যের উপযোগ মানুষভেদে আলাদা হয়। যেমন- যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে চা খেতে খুব ভালোবাসে, তার কাছে চায়ের উপযোগ অনেক। অন্যদের কাছে চায়ের তত উপযোগ না-ও থাকতে পারে। তাই উপযোগ একটি মানসিক ধারণা। অর্থাৎ, একটি দ্রব্যের উপযোগ বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন রকম হয় বলে উপযোগকে একটি মানসিক ধারণা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উপযোগ একটি মানসিক ধারণা। কোনো দ্রব্যের বা সেবার দ্বারা ব্যস্তির 'অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগ বলে। যেমন: খাদ্য, বস্ত্র, বইপত্র, ডাক্তারের সেবা প্রভৃতি দ্রব্যের উপযোগ থাকায় তা মানুষের অভাব মেটায়। তাই এসব দ্রব্যের মধ্যে উপযোগিতা রয়েছে বলে ধরা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগ নিঃশেষ করাকে ভোগ বলে। মানুষ কোনো জিনিস ধ্বংস বা নিঃশেষ করতে পারে না। সে শুধু জিনিসটির আকার বা রূপ পরিবর্তন করে উপযোগ গ্রহণ করতে পারে। যেমন- আমরা ভাত, মাছ, কলম, ঘড়ি, জামা-কাপড় এগুলো ভোগ করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মানুষ কোনো জিনিস সৃষ্টি বা ধ্বংস করতে পারে না। সে শুধু জিনিসটির আকার বা রূপ পরিবর্তন করে উপযোগ গ্রহণ করতে পারে। যেমন- আমরা ভাত, মাছ, কলম, ঘড়ি, জামা-কাপড় ব্যবহার বা ভোগ করি। এখানে ভোগ বলতে দ্রব্যগুলো নিঃশেষ করাকে বোঝায় না। বরং দ্রব্যগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে এর উপযোগ নিঃশেষ করাকে বোঝায়। তাই বলা যায়, অর্থনীতিতে শুধু উপযোগ নিঃশেষ করাই ভোগ নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে উপযোগ বলতে কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝানো হয়। যেমন: খাদ্য, বস্ত্র, বইপত্র, ডাক্তারের সেবা প্রভৃতি দ্রব্য মানুষের অভাব মেটায়। অন্যদিকে, অর্থনীতিতে ভোগ্যপণ্য বলতে সাধারণত সেসব উপকরণকে বোঝায় যা চূড়ান্ত দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন: ভাত, রুটি ইত্যাদি। আবার উপযোগ একটি মানসিক ধারণা। তবে ভোগ্যপণ্য একটি বস্তুগত ধারণা। এভাবেই উপযোগকে ভোগ্যপণ্য থেকে পৃথক করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে ভোগের অর্থ কোনো দ্রব্য ধ্বংস বা বিনাশ করা নয়। ররং কোনো দ্রব্য ব্যবহারের মাধ্যমে তার উপযোগ লাভ করাই হলো ভোগ। আর মানুষ যখন দ্রব্য ভোগ করে তখন মানসিক পরিতৃপ্তি আসে। কোনো দ্রব্য ভোগ ছাড়া তৃপ্তি লাভের কথা কল্পনা করা যায় না।
তাইবলা যায়, ভোগ ও তৃপ্তির মধ্যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

নির্দিষ্ট সময়ে একটি দ্রব্যের বিভিন্ন একক থেকে প্রাপ্ত উপযোগের সমষ্টি হলো মোট উপযোগ। একটি দ্রব্য ক্রমান্বয়ে ভোগ করতে থাকলে এর উপযোগ ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। ফলে ভোগের পরিমাণ বাড়তে থাকলে মোট উপযোগও বাড়ে। তবে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ে। কিন্তু কখনো কখনো মোট উপযোগ স্থির হারে আবার কখনো ক্রমহ্রাসমান হারেও বাড়ে।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মোট উপযোগ বলতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দ্রব্যের বিভিন্ন একক থেকে প্রাপ্ত তৃপ্তির সমষ্টিকে বোঝায়। অর্থাৎ, কোনো দ্রব্যের বিভিন্ন একক ভোগ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ তৃপ্তি বা উপযোগ পাওয়া যায়। আর এই বিভিন্ন পরিমাণ তৃপ্তি বা উপযোগের সমষ্টি হলো মোট উপযোগ। যেমন: কোনো ভোক্তা কোনো দ্রব্যের ১ম, ২য় ও ৩য় একক থেকে যথাক্রমে ৫, ৪ ও ২ একক তৃপ্তি পায়। 'তাহলে মোট উপযোগ = ৫+৪+২ = ১১ একক হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দ্রব্যের ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়তে থাকে। কিন্তু ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রান্তিক উপযোগ কমতে থাকে। সাধারণত মোট উপযোগ সর্বোচ্চ হলে প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয়। এরপর মোট উপযোগ কমতে থাকে এবং প্রান্তিক উপযোগ ঋণাত্মক হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো একটি দ্রব্যের অতিরিক্ত এক একক ভোগ করে যে তাঁতিরিক্ত পরিমাণ উপযোগ লাভ করে তাকে প্রান্তিক উপযোগ বলে। যেমন: একজন ভোক্তা ২ একক পাকা আম ভোগ করে ৯ টাকার সমান উপযোগ পায়। এখন, ৩ একক ভোগ করার ফলে উপযোগ বেড়ে যদি ১২ টাকা হয় তবে সে ক্ষেত্রে প্রান্তিক উপযোগ হবে (১২ টাকা ৯ টাকা) = ৩ টাকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো দ্রব্যের অতিরিক্ত এক একক ভোগের ফলে অতিরিক্ত যে উপযোগ পাওয়া যায় তা হলো প্রান্তিক উপযোগ। দ্রব্য ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ে। তাই এ সময় প্রান্তিক উপযোগও কমতে থাকে। অর্থাৎ মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ার কারণে প্রান্তিক উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ভোন্তা কোনো দ্রব্য ভোগ করতে থাকলে প্রান্তিক উপযোগ ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। এক পর্যায়ে সে আর ঐ দ্রব্যটি ভোগ করতে চায় না। তখন ভোক্তার কাছে ঐ দ্রব্যের প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয়। যেমন- একজন ভোক্তা প্রথম লিচুর তুলনায় দ্বিতীয় লিচু থেকে কম উপযোগ পায়। এভাবে এক পর্যায়ে তার লিচু, খাওয়ার আর কোনো আগ্রহ থাকবে না। তখন তার প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ভোক্তার রুচি স্থির থেকে কোনো দ্রব্য ক্রমাগত ভোগ করলে প্রান্তিক উপযোগ ক্রমশ হ্রাস পায়। ফলে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধি কার্যকর হয়। কিন্তু রুচির পরিবর্তনের কারণে ভোক্তা বেশি ভোগ করলেও প্রান্তিক উপযোগের ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। ফলে প্রান্তিক উপযোগ বাড়ে এবং ক্রমহ্রাসমান উপযোগ বিধির ব্যতিক্রম ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়তে থাকে। কিন্তু ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রান্তিক উপযোগ কমতে থাকে। সাধারণত মোট উপযোগ সর্বোচ্চ হলে প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয়। এরপর মোট উপযোগ কমতে থাকে এবং প্রান্তিক উপযোগ ঋণাত্মক হয়। এভাবে মোট উপযোগ ও প্রান্তিক উপযোগের মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে সব আকাঙ্ক্ষাই চাহিদা নয়। চাহিদা হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন-

১. কোনো দ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা

২. ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য, ৩. অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি ক্রয়ের ইচ্ছা। এই তিনটি শর্তের যেকোনো অনুপস্থিত থাকলে তখন তা চাহিদা বলে গণ্য হবে না। তাই বলা যায়, একটি পণ্য নির্দিস্ট সময়ে কেনার আকাঙ্ক্ষা, সামর্থ্য এবং ক্রয়ের ইচ্ছা থাকাকে অর্থনীতিতে চাহিদা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন- ১. কোনো দ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, ২. ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য, ৩. অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি ক্রয়ের ইচ্ছা। এই তিনটি শর্তের যেকোনো অনুপস্থিত থাকলেই তখন তা চাহিদা বলে গণ্য হবে না। তাই বলা যায়, অর্থনীতিতে সব আকাঙ্ক্ষাই চাহিদা নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের বিপরীতমুখী সম্পর্ক যে বিধির সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তাকে চাহিদাবিধি বলে। অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থেকে দ্রব্যের দাম কমলে চাঁহিদার পরিমাণ বাড়ে। আবার দাম বাড়লে চাহিদার পরিমাণ কমে। এক্ষেত্রে দেখা যায়, দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের সাথে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। এরূপ বিপরীত সম্পর্কই হলো চাহিদাবিধি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তির বাড়ির চাহিদা আছে বলতে উক্ত ব্যক্তির চাহিদার তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। যথা- ১. বাড়ি বানানোর ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, ২. বাড়ি বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য এবং ৩. অর্থ ব্যয় করে বাড়ি বানানোর ইচ্ছা। তাই এক ব্যক্তির বাড়ির চাহিদা আছে বলতে উক্ত তিনটি শর্ত, থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো দ্রব্যের চাহিদা বিভিন্ন উপাদানের ওপর নির্ভর করে। উপাদানগুলো হলো দ্রব্যের দাম, ভোক্তার আয়, ভোক্তার রুচি ইত্যাদি। সাধারণত অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থেকে ভোক্তার রুচি ও অভ্যাস বাড়লে দ্রব্যের চাহিদা বাড়ে। আবার ভোক্তার বুচি ও অভ্যাস কমলে দ্রব্যের চাহিদা কমে। অর্থাৎ ভোক্তার রুচি ও অভ্যাস যে দিকে পরিবর্তন হয় চাহিদাও সেদিকে পরিবর্তিত হয়। এটি সমমুখী সম্পর্ক নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

চাহিদাসূচি হলো কোনো দ্রব্যের দাম ও চাহিদার মধ্যে কার্যকরি সম্পর্ক ব্যাখ্যা দানকারী একটি গাণিতিক ছক। এই ছকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন দামে কোনো দ্রব্যের যে বিভিন্ন পরিমাণ চাহিদা হয় তা - তালিকার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তালিকায় দেখানো হয়, দাম বাড়লে চাহিদা কমে। আর দাম কমলে চাহিদা বাড়ে। অর্থাৎ, দাম ও চাহিদার মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

দ্রব্যের দাম বাড়লে ভোক্তার চাহিদার পরিমাণ কমে। আবার দাম কমলে চাহিদার পরিমাণ বাড়ে। এই বিপরীত সম্পর্ক চিত্রে প্রকাশ করলে দেখা যায়, চাহিদারেখা বামদিক থেকে ডানদিকে নিম্নগামী হয়। অর্থাৎ, দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্কের - কারণে চাহিদারেখা নিম্নগামী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দামে ক্রেতা কোনো দ্রব্যের যে পরিমাণ ক্রয় করতে ইচ্ছুক তা চাহিদা। চাহিদার পরিমাণ ক্রেতার আয়, রুচি, সময় ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত হয়। যেমন: ক্রেতার আয় বাড়লে চাহিদা বাড়ে, শীতের সময় গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ে। আবার রুচির পরিবর্তন হলেও চাহিদার পরিবর্তন হয়। তাই বলা যায়, চাহিদা শুধু দামের ওপর নির্ভরশীল নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

চাহিদাবিধি অনুযায়ী কোনো দ্রব্যের বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত একক প্রতি দাম ও চাহিদার পরিমাণ গাণিতিক ছকে দেখানো হলে তাকে চাহিদাসূচি বলা হয়। অন্যদিকে, চাহিদাসূচি থেকে প্রাপ্ত বিন্দুসমূহ যোগ করে যে রেখা পাওয়া যায় তা-ই হলো চাহিদারেখা। আবার চাহিদাবিধির গাণিতিক প্রকাশই হলো চাহিদাসূচি। আর, চাহিদাসূচি হলো চাহিদাবিধির গাণিতিক ছকবরূপ। এভাবে চাহিদারেখা থেকে চাহিদাসূচি সৃষ্টি ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

বাজারে নির্দিষ্ট 'দামে সব ভোক্তার ব্যক্তিগত চাহিদার সমষ্টিই বাজার চাহিদা। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বাজারের সব ক্রেতা কোনো দ্রব্যের যে পরিমাণ ক্রয় করতে ইচ্ছুক তার সমষ্টি থেকেই বাজার চাহিদা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থেকে দ্রব্যের দাম বাড়লে চাহিদা হ্রাস পাবে। আবার দাম কমলে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

চাহিদাবিধি অনুসারে, অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকা অবস্থায় কোনো দ্রব্যের দাম কমলে তার চাহিদা বাড়ে। দাম বাড়লে তার চাহিদা কমে। অর্থাৎ দামের সাথে চাহিদার পরিমাণের সম্পর্ক ঋণাত্মক। অন্যদিকে, জোগানবিধি অনুসারে দ্রব্যের দাম বাড়ার সাথে সাথে দ্রব্যের জোগান বাড়ে এবং দাম কমার সাথে সাথে দ্রব্যের জোগান কমে যায়। অতএব, দামের সাথে জোগানের পরিমাণের সম্পর্ক ধনাত্মক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীর্তিতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে বিক্রেতা কোনো দ্রব্যের যে পরিমাণ বিক্রি করতে প্রস্তুত থাকে, তাকে সে দ্রব্যের জোগান বলে। এখানে একটি দ্রব্য, একটি নির্দিষ্ট সময় ও একটি নির্দিষ্ট দামই হলো বিবেচ্য বিষয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে দাম বৃদ্ধি পেলে জোগানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। আবার দাম হ্রাস পেলে জোগানের পরিমাণ হ্রাস পায়। দামের সাথে জোগানের এরূপ সরাসরি সম্পর্কই হলো জোগানবিধি। অর্থাৎ, যে বিধি দামের সাথে দ্রব্যের জোগানের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক প্রকাশ করে তাই জোগানবিধি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে জোগান ও মজুদ একই অর্থে ব্যবহৃত হয় না। অর্থাৎ, একজন বিক্রেতা বা উৎপাদক একটি দ্রব্যের যে পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দামে বিক্রি করতে রাজি থাকে তাকে জোগান বলে। অন্যদিকে, মজুদ হলো উৎপাদিত দ্রব্যের মোট পরিমাণ। অর্থাৎ জোগান মজুদের একটি অংশ। জোগানের সাথে দামের সরাসরি সম্পর্ক থাকলেও মজুদের সাথে দামের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নাও থাকতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

দামের সাথে জোগানের সমমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। সাধারণভাবে দাম বাড়লে জোগান বাড়ে এবং দাম কমলে জোগান কমে। অর্থাৎ, দাম যেদিকে পরিবর্তিত হয় জোগানও সেদিক পরিবর্তিত হয়। এটি দামের সাথে জোগানের মধ্যে সমমুখী সম্পর্ক নির্দেশ করে। এ কারণে জোগানরেখা ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

দাম ও জোগানের সমমুখী সম্পর্ক, বিদ্যমান। দাম পরিবর্তনের ফলে জোগানের পরিমাণের সমমুখী পরিবর্তনকে যখন রেখাচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয় তখন তাকে জোগানরেখা বলে। অর্থাৎ দাম বাড়লে জোগান বাড়ে এবং দাম কমলে জোগান কমে। জোগানরেখার লম্ব অক্ষে থাকে দাম এবং ভূমি অক্ষে থাকে জোগানের পরিমাণ। দাম যত বেড়ে উপরের দিকে আসে, জোগানের পরিমাণ তত বৃদ্ধি পেয়ে ভূমি অক্ষের ডানদিকে সরতে থাকে। ফলে জোগানরেখা ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

বাজারে কোনো দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দর-কষাকষি চলে। ক্রেতারা স্বভাবতই সর্বনিম্ন দামে দ্রব্যটি কিনতে চায়, কিন্তু বিক্রেতারা সর্বোচ্চ দামে তা বিক্রি করতে আগ্রহী হয়। এরকম দর-কষাকষির - ফলে এমন একটি দামে দ্রব্যটি কেনা-বেচা হয় যেখানে তার মোট চাহিদা ও মোট জোগান সমান হয়। এ দামই ভারসাম্য দাম নির্ধারিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ক্রেতা-বিক্রেতার দর-কষাকষির ফলে একটি নির্দিষ্ট দামে দ্রব্যটি ক্রয়-বিক্রয় হয়। এই দামে চাহিদা ও জোগান পরস্পর সমান। যে দামে দ্রব্যটির চাহিদা ও জোগান সমান হয়, তা-ই ভারসাম্য দাম। আর ভারসাম্য দামে যে পরিমাণ দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হয় তখন ভারসাম্য পরিমাণ - নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ ভারসাম্য দামে যে পরিমাণ কেনাবেচা হয় সেখানে তা ভারসাম্য পরিমাণ হিসেবে নির্ধারিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
80

এ অধ্যায়ে ধনতান্ত্রিক বা বাজারব্যবস্থার অধীনে উপযোগ, ভোগ, মোট উপযোগ ও প্রান্তিক উপযোগ, ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধি, চাহিদা, যোগান, বাজার চাহিদা, বাজার যোগান রেখা ও ভারসাম্য দাম নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ।

এই অধ্যায় পাঠশেষে আমরা-
উপযোগের ধারণা বর্ণনা করতে পারব
উপযোগ, ভোগ ও ভোক্তার মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব
মোট উপযোগ যে প্রান্তিক উপযোগের সমষ্টি তা প্রমাণ করতে পারব
ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধি চিত্র সহকারে ব্যাখ্যা করতে পারব
দাম ও চাহিদার পরিমাণের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
দাম ও যোগানের পরিমাণের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ণয় করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে কোনো দ্রব্যের অভাব পূরণ করার ক্ষমতাকে উপযোগ বলে

225
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দ্রব্যের ভোগ বাড়লে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ার সাথে সাথে প্রান্তিক উপযোগ কমতে থাকে। মোট উপযোগ হলো একটি দ্রব্যের বিভিন্ন একক থেকে প্রাপ্ত তৃপ্তির সমষ্টি। আর, অতিরিক্ত এক একক দ্রব্য ভোগ করে যে অতিরিক্ত তৃপ্তি পাওয়া যায় তাই প্রান্তিক উপযোগ। যেমন- টিপু ৩টি পেয়ারা ভোগ করে যথাক্রমে ৬, ৪ ও ৩ টাকা সমান উপযোগ পায়। এক্ষেত্রে তার মোট উপযোগ হবে (৬+ ৪+৩) = ১৩ টাকার সমান, এবং প্রান্তিক উপযোগ হবে যথাক্রমে ৬, ২ ও ১ টাকা।

1.8k
উত্তরঃ

X' দ্রব্যের চাহিদা সূচি থেকে 'ক' ব্যক্তির চাহিদা রেখা অঙ্কন করা হলো

প্রদত্ত রেখাচিত্রে ভূমি (OX) অক্ষে চাহিদার পরিমাণ এবং লম্ব (OY) অক্ষে দাম পরিমাপ করা হয়েছে। চাহিদা সূচি অনুযায়ী 'X' দ্রব্যের প্রতি এককের দাম ২০ টাকা, ১৫ টাকা ও ১০ টাকা হলে তার চাহিদা হয় যথাক্রমে ৫ কুইন্টাল (বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত), ১০ কুইন্টাল (বিন্দু ৮ দ্বারা নির্দেশিত) এবং ১৫ কুইন্টাল (বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত)। এখন দাম ও চাহিদার পরিমাণ নির্দেশক ৮৩ কিন্দুগুলো যোগ করে DID, রেখাটি পাওয়া যায়। এটি হচ্ছে প্রদত্ত সূচির ভিত্তিতে অঙ্কিত 'ক' ব্যপ্তির চাহিদা রেখা। দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় 'ক' ব্যক্তির চাহিদা রেখাটি বামদিক থেকে ডানদিকে নিম্নগামী হয়েছে।

 

519
উত্তরঃ

ক' ও 'খ' ব্যক্তির চাষিদার পরিমাণ যোগ করে 'X' দ্রব্যের বাজার চাহিদা পাওয়া যায়। নিম্নে বাজার চাহিদার সাথে 'ক' ব্যক্তির চাহিদা তুলনা করা হলো-

প্রতি একক দ্রব্যের দাম (টাকায়

ক' ব্যক্তির চাহিদার পরিমাণ Q) (কুইন্টাল)

'খ' ব্যক্তির চাহিদার পরিমাণ Q: (কুইন্টাল

বাজার চাহিদার পরিমাণ ০-০ (কুইন্টাল)

২০

১২

১৫

১০

১১

২১

১০

১৫

১৫

৩০

প্রদত্ত সূচির ভিত্তিতে X দ্রব্যের বাজার চাহিদা রেখা অঙ্কন করা হলো-

চিত্রে OX অক্ষে দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ এবং OY অক্ষে দ্রব্যের দাম নির্দেশ করা হয়েছে। D,D, হলো 'ক' ব্যক্তির চাহিদা রেখা এবং D,D, হলো 'খ' ব্যক্তির চাহিদা রেখা। 'ক' ও 'খ' ব্যক্তির চাহিদার পরিমাণ যোগ করে বাজার চাহিদা পাওয়া যায়, যা D'D' রেখা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত চাহিদার সাহায্যে বাজার চাহিদা পাওয়া গেলেও উভয় চাহিদা রেখার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ব্যক্তিগত চাহিদা রেখা কেবল একজন ব্যক্তির চাহিদার পরিমাণ নির্দেশ করে। অন্যদিকে বাজার চাহিদা বাজারে সব ভোক্তার ব্যক্তিগত চাহিদার সমষ্টিগত পরিমাণকে প্রকাশ করে, তাই বাজার চাহিদার পরিমাণ ব্যক্তিগত চাহিদার পরিমাণ থেকে সবসময় বেশি হয়। আবার, বাজার চাহিদা রেখা এবং ব্যক্তিগত চাহিদা রেখা উভয়ই বামদিক থেকে ডানদিকে, নিম্নগামী হলেও বাজার চাহিদার পরিমাণ বেশি হওয়ায় এ রেখাটি অপেক্ষাকৃত কম ঢাল বিশিষ্ট হয়।

626
উত্তরঃ

ক্রেতার যে আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকে, অর্থনীতিতে তাকে চাহিদা বলে।

302
উত্তরঃ

কোনো দ্রব্যের দামের সাথে তার চাহিদার পরিমাণের বিপরীত সম্পর্ক যে বিধির সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তাকে চাহিদা বিধি বলে।

ভোক্তার আয়, রুচি ও অভ্যাস, ক্রেতার সংখ্যা, বিকল্প দ্রব্যের দাম অপরিবর্তিত থেকে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দ্রব্যের দাম কমলে তার চাহিদার পরিমাণ বাড়ে এবং দাম বাড়লে চাহিদার পরিমাণ কমে। যেমন- কোনো দ্রব্যের প্রতি এককের দাম ১০ টাকা হলে, একজন ভোক্তা ৪ একক দ্রব্য ক্রয় করে। দাম কমে ৮ টাকা এবং ৬ টাকা হলে চাহিদা বেড়ে যথাক্রমে ৬, ৮ একক হয়। এক্ষেত্রে দেখা যায়, দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের সাথে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।

501
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews