সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

পানি উভধর্মী  ধরনের পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শরীরের৬০-৭৫%ভাগ পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫  ভাগ পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক কিউবিক মিটার পানির ভর ১০০০ কেজি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১ ঘনমিটার পানির ভর ১,০০০ কেজি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বরফের গলনাঙ্ক ০°C।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৪°C তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৪°C তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১গ্রাম/সিসি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সার্বজনীন দ্রাবক পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির pH ৭।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্র এর পানি পানের অনুপযোগী ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে ব্যবহার উপযোগী পানির পরিমাণ শতকরা ১ ভাগ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইরি ধান ফলাতে প্রচুর পরিমাণে পানি দরকার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে জলজ উদ্ভিদ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি ও পানি উভয় জায়গায় জন্মায় এরকম একটি উদ্ভিদ কেশরদাম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্যাওলা জলজ প্রাণীদের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাছ ফুলকার মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১০ লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫০ মিলি গ্রাম O₂ প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের শতকরা ৮০ ভাগ মাছ থেকে আসে?

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ  প্রাণীদের ফুলকা থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘোলা পানিতে সালোকসংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকলে ক্যান্সার হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে ৫ পিপিএম অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

pH দ্বারা বুঝা যায় পানি এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির pH এর মান ৫ হলে মাছের ডিম নষ্ট হয়ে যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্ষারের পরিমাণ বাড়লে pH বাড়ে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদ-নদীর পানি সাধারণত ক্ষারীয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদ-নদীর পানির pH ৬-৮।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়াম  উপাদানটি বের হয়ে যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলিশ মাছ মিঠা  পানিতে ডিম পাড়ে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের শতকরা ৯৭ ভাগ পানি লবণাক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৃষ্টি পানির প্রাকৃতিক পুনরাবর্তন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ বৃষ্টির পানি ব্যবহার করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লবণাক্ত পানি ব্যবহারের ফলে কারখানার বয়লার নষ্ট হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত ফিল্টারের মাধ্যমে পানি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধকরণ করা হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্লিচিং পাউডারের সংকেত Ca(OCl)C।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য NaOCl ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বোতলজাত পানি ক্লোরিনেশন প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি জীবাণুমুক্ত করার জন্য ১৫-২০ মিনিট ফুটাতে হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি বিশুদ্ধকরণের সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া স্ফুটন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খুব বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হলে পাতন প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঔষধ তৈরির জন্য পাতন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাতন প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা পানিতে অন্য পদার্থ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইডের সংকেত NaOCl

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওজনের সংকেত O3

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫- ২০ মিনিট ধরে স্ফুটন করলে পানি জীবাণুমুক্ত হয়?

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদ-নদীর পানি দূষণের  কারণ শিল্প-কারখানা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইরি (Erie) একটি মৃত হ্রদ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইরি নামের হ্রদকে ১৯৬০ সালে মৃতহ্রদ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফসফেট ও নাইট্রোজেন পানিতে শ্যাওলা জন্মাতে সাহায্য করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্যাওলা মারা গেলে পানিতে অক্সিজেন এর অভাব দেখা দেয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারদ এর  প্রভাবে মানুষের মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যেতে পারে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের কারণ আর্সেনিক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে সিসা বিদ্যমান থাকলে মানুষের কিডনি বিকল হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে মাত্রাতিরিক্ত  আর্সেনিক উপস্থিতি পাকস্থলীর রোগ সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আর্সেনিকোসিস রোগের কারণ আর্সেনিক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মারকারি-(Hg) রাসায়নিক পদার্থের কারণে ত্বকের ক্যান্সার হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রায় ১০০ বছর আগে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ছিল ১ C

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মালদ্বীপ এর জনসংখ্যার বড় একটি অংশ 'জলবায়ু শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৃষ্টির পানির প্রবাহ শহরাঞ্চলে পানি দুষণ ঘটায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অতিরিক্ত পানি ধারণ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে জলাশয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়স্থল বনভূমি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কংক্রিটের পরিবর্তে আমরা গ্রাভেল ব্যবহার করতে পারি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্প-কারখানায় সৃষ্ট বর্জ্য পানি পরিশোধনের জন্য ETP ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃষি উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন অসম্ভব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ একটি বন্যাপ্রবণ দেশ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঢাকা শহরে দৈনিক ৫০০ মেট্রিক টন কঠিন বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা  নদীর উপর দেওয়া হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভারত সরকার ১৯৭৫ সালে গঙ্গার পানির গতিপথ পরিবর্তন করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গঙ্গার পানির গতিপথ পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের নদ-নদী পানিশূন্য হয়ে পড়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পরিবর্তন হলে৩০০ বর্গ কিলোমিটার হাওর এলাকায় বিপর্যয় নেমে আসবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি মানুষের মৌলিক অধিকার ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি সংঘ পানি বণ্টন নিয়ে আন্তর্জাতিক সমঝোতা চুক্তি তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রামসার কনভেনশনইউনেস্কোর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে  রামসার সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক নদী কনভেনশন হেলসিংকিতে অনুষ্ঠিত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক আইন সমিতি তাদের ৫২ তম সম্মেলনে নদ-নদীর পানির ব্যবহার সম্পর্কে রিপোর্ট গ্রহণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে রামসার কনভেশন  অনুষ্ঠিত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শরীরের ৬০-৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। তাই আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য। পানির অভাবে জীবের দেহের বিপাকীয় কাজগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে জীব মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে। তাই কোনো জীবকে বাঁচাতে হলে দ্রুত পানি সরবরাহ করতে হয়। এ কারণে পানির আরেক নাম জীবন বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির দুটি ধর্ম হলো-
১. পানি একটি উভধর্মী পদার্থ ও
২. পানি সর্বজনীন দ্রাবক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির ঘনত্ব বলতে সাধারণত প্রতি একক আয়তনে পানির ভর বুঝায় অর্থাৎ এক একক আয়তনে কতটুকু পানি আছে। পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। ৪°C তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয় এবং তা হলো ১ গ্রাম/সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/মিটার। অর্থাৎ ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির দুটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-

১., বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন।
২. বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ বা তড়িৎ পরিবহন করে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এক্ষেত্রে ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার বা ঘনমিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি বা ১০০ কেজি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ আর তা হলো ১ গ্রাম/সি.সি বা ১০০০ কেজি/মি.। অর্থাৎ ১ সি. সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ ঘনমিটার (১ কিউবিক মিটার) পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি একটি উভধর্মী পদার্থ হিসেবে কাজ করে। সাধারণত এসিডের উপস্থিতিতে পানি ক্ষার হিসেবে এবং ক্ষারের উপস্থিতিতে এসিড হিসেবে কাজ করে। তবে বিশুদ্ধ পানি পুরোপুরি নিরপেক্ষ অর্থাৎ এর pH হলো 7।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, যেসব যৌগের pH মান ৭.০ সেটি নিরপেক্ষ যৌগ। অর্থাৎ, নিরপেক্ষ যৌগের pH মান ৭.০। যেহেতু বিশুদ্ধ পানির -pH মান ৭, সে কারণে বিশুদ্ধ পানিকে পুরোপুরি নিরপেক্ষ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি একটি যৌগ। দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু দিয়ে পানির একটি অণু গঠিত হয়।
পানির সংকেত হলো H₂O। এর গাঠনিক সংকেত রূপ হলো-

                                 

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু আর একটি অক্সিজেন পরমাণু নিয়ে গঠিত। এজন্য, পরীক্ষাগারে পানি তৈরির জন্য দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু নিয়ে বিক্রিয়া ঘটানো হলে পানি তৈরি হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী পৃষ্ঠের ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। এই পানির সহজলভ্য সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র। পৃথিবীতে যত পানি আছে তার ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র। পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে। এই উৎসে শতকরা প্রায় ২ ভাগের মতো পানি আছে। অন্যদিকে ব্যবহার উপযোগী পানির উৎস হলো নদনদী, খালবিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে তাকে লোনা পানি বলে। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে। এ এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানি বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানিতে সোডিয়াম ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডসহ বিভিন্ন রকম লবণ বেশি পরিমাণে মিশ্রিত থাকায় এই পানি লোনা। সমুদ্রের পানিতে প্রায় ২.৫% লবণ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির দুটি বড় উৎস হলো-১. সাগর ও ২. হিমবাহ তুষার স্রোত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যবহার উপযোগী, পানির উৎস হলো খাল-বিল, নদী-নালা, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে যত পানি আছে তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে। আর পান করার জন্য লবণাক্ত পানি উপযুক্ত নয়। এ কারণেই অর্থাৎ সমুদ্রের পানিতে লবণ থাকায় সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে পানি দরকার হয়। যেমন-আমাদের বাসায় রান্না থেকে শুরু করে কাপড় ধোয়া, গোসল করা, পান করা ইত্যাদি কাজে পানি ব্যবহার করি। এছাড়াও কৃষি কাজের ক্ষেত্রে মাঠে ফসল ফলাতেও পানির দরকার হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ পানি হচ্ছে মিঠা পানির মূল উৎস। অর্থাৎ ভূ-গর্ভস্থ পানি আমাদের নানা ধরনের কাজে ব্যবহার উপযোগী। কিন্তু ভূগর্ভে আর্সেনিক নামক ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ থাকায় বাংলাদেশের বিস্তৃত এলাকার ভূগর্ভের পানি পানের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাঁচটি জলজ উদ্ভিদ হলো-
১. কচুরিপানা,
২. ক্ষুদিপানা,
৩. টোপাপানা,
৪. পদ্ম, ও ৫. শাপলা

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদের ২টি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মূল খুষ ছোট থাকে এবং মূলরোম থাকে না।
২. বায়ুকুঠুরী থাকে বলে পানিতে ভাসে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি ও মাটি উভয় জায়গাতে জন্মে এমন ২টি উদ্ভিদের নাম,
হচ্ছে- ১. কলমি ও ২. হেলেঞা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদসমূহ জলজ পরিবেশে বেঁচে থাকে। এদের প্রজাতির ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখার জন্য বংশবিস্তার প্রয়োজন.। যেহেতু জলজ উদ্ভিদের ফুল কিংবা বংশবিস্তারক উপাদান পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকে সেহেতু বীজের মাধ্যমে এরা বংশবিস্তার করতে পারে না। তাই এরা অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদ সাধারণত মূলের মাধ্যমে পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। কিন্তু জলজ উদ্ভিদগুলো সারা দেহের মাধ্যমেই পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। এদের পুরো দেহ যদি পানির সংস্পর্শে না আসতো তাহলে এদের বেড়ে ওঠা সম্ভব হতো না। এ কারণেই জলজ উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি অত্যাবশ্যক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদের ২টি ভূমিকা নিম্নরূপ-


১. সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখে।
২. জলজ প্রাণীদের খাদ্যভাণ্ডার খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখা যায়। এসব জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতেই পারতো না। কারণ এসব জলজ প্রাণীসমূহ জলজ উদ্ভিদের পাতা, কাণ্ড, ফুল ইত্যাদিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে জীবন ধারণ করে। এজন্য জলজ উদ্ভিদকে জলজ প্রাণীদের খাদ্যভান্ডার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদ বলতে সেই সকল উদ্ভিদকে বোঝানো হয়
যারা জলেই বসবাসের জন্য অভিযোজিত হয়েছে। জলজ উদ্ভিদগুলো সাধারণত অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে। কিন্তু পানি না থাকলে এই বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হতো এবং এদের বিলুপ্তি ঘটতো। তাই আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদগুলোর জন্ম খুবই জরুরি এবং তাদের বেড়ে ওঠার জন্য পানির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা যেমন বাতাস ও অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারি না তেমনি আমাদের সবচেয়ে পরিচিত জলজ প্রাণী মাছও অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। মাছ অক্সিজেন গ্রহণ করে ফুলকার মাধ্যমে। আর মাছের ফুলকা এমনভাবে তৈরি যে এটি শুধু পানি থেকেই অক্সিজেন নিতে পারে, বাতাস থেকে নয়। এভাবে মাছের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ প্রাণীরা দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাধ্যমে পানিতে বেঁচে থাকে। আমরা যেমন বাতাস ও অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারি না, তেমনি আমাদের সুপরিচিত জলজ প্রাণী মাছও অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। মাছ অক্সিজেন গ্রহণ করে ফুলকার মাধ্যমে। আর ফুলকা এমনভাবে তৈরি যে, এটি শুধু পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। এভাবে জলজ প্রাণী পানিতে বেঁচে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের মতো মাছেরও বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য। মাছ অক্সিজেন গ্রহণ করে ফুলকা দিয়ে, আর ফুলকা এমনভাবে তৈরি যে এটি শুধু পানি থেকেই অক্সিজেন নিতে পারে, বাতাস থেকে নয়। এ কারণেই মাছকে পানির বাইরে রাখলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটিন আমাদের বেড়ে ওঠার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। আমাদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের শতকরা ৮০ ভাগই আসে মাছ থেকে। কাজেই পানি না থাকলে আমরা প্রয়োজনীয় প্রোটিন পেতাম না। যার ফলে আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য কোনো জৈবনিক প্রক্রিয়াই ঠিকভাবে ঘটত না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির বিভিন্ন মাত্রা যেমন, এর স্বাদ, দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ,' pH ইত্যাদি সঠিক পরিমাণে না থাকলে তা উপযুক্ত কাজে ব্যবহার করা যায় না। সঠিক ব্যবহারের জন্য পানির এসব মাত্রা সঠিক অনুপাতে থাকাই হলো পানির মানদণ্ড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হলো বর্ণ ও স্বাদ, ঘোলার পরিমাণ, তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি, ময়লা-আবর্জনা, দ্রবীভূত অক্সিজেন, তাপমাত্রা, pH, লবণাক্ততা ইত্যাদি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির সঠিক ব্যবহারের জন্য এর মানদণ্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানির মানদণ্ড নির্ভর করে সেটি কোন কাজে ব্যবহার করে তা্র উপর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানি বণহীন ও স্বাদহীন হয়। তাই পানিতে বসবাসকারী উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য নদ-নদী, খাল-বিল ইত্যাদির পানি বর্ণহীন আর স্বাদহীন হওয়াই উত্তম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি ঘোলা হওয়ার মূল কারণ প্রাকৃতিক অর্থাৎ নদীভাঙন, পলি মাটি ইত্যাদি। আবার মানবসৃষ্ট কারণেও পানি ঘোলা হয়, যেমন- তেল, গ্রিজ ও অন্যান্য অদ্রবণীয় পদার্থের উপস্থিতি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি ঘোলা হলে সূর্যের আলো পানির নিচে থাকা উদ্ভিদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। যার ফলে সালোকসংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে খাদ্য তৈরি ব্যাহত হয় যা মাছের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দেয়। এছাড়াও সালোকসংশ্লেষণের ফলে যে অক্সিজেন তৈরি হয় সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। পানি ঘোলা হলে মাছ ঠিকমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না বিধায় ঘোলা পানি মাছের জন্য ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ দ্রবীভূত থাকে। সমুদ্রের পৃষ্ঠ থেকে জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলে উঠে যায় আর লবণগুলো পানির সাথে না মিশে সমুদ্রেই থেকে যায়। এই বাষ্পের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে যার ফলে সমুদ্রের লবণাক্ততা বজায় থাকে। এ কারণেই সমুদ্রের পানি ঘোলা হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাব্যতা হলো নদীর পানি প্রবাহের গভীরতা এবং প্রশ্ন যা নৌকা বা জাহাজ চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত কী না তা নির্ধারণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদীর নাব্যতা বলতে নদীর পানি ধারণক্ষমতাকে বুঝায়। নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার কারণ হলো নদ-নদীর তলায় মাটি, পলি ইত্যাদি জমা হওয়া। নদী ভাঙন, বন্যা, ভারী বৃষ্টিপাত ইত্যাদির কারণে মাটি ও পলি প্রবাহিত হয়ে নদ-নদীর তলায় জমা হয়। কালক্রমে এভাবে জমতে জমতে একসময় নদীর নাব্যতা কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের নিঃশ্বাসের জন্য যে রকম অক্সিজেনের দরকার হয়, ঠিক সেরকম পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদেরও শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেনের দরকার হয়। কিন্তু পানিতে বাসকারী এসব জলজ প্রাণীরা. পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। তারা এই অক্সিজেন পায় পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন থেকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদ-নদীর পানি হলো ব্যবহার উপযোগী পানি। যদি নদ-নদীর পানিতে কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে তাহলে তা জলজ উদ্ভিদ ও, প্রাণীর দেহে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এজন্যই নদ-নদীর পানি তেজস্ক্রিয়তা মুক্ত হতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ প্রাণীরা পানিতে বিদ্যমান দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। কোনো কারণে যদি এই অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে যায়, তাহলে জলজ প্রাণীদের সমস্যা হতে থাকে। যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাঁচতে পারে না। জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১ লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদ ও জলজ প্রাণীর ক্ষেত্রে সঠিক তাপমাত্রাসম্পন্ন পানি খুবই জরুরি। কারণ, পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে একদিকে যেমন পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়, অন্যদিকে জলজ প্রাণীর প্রজনন থেকে শুরু করে সব ধরনের শারীরবৃত্তীয় কাজেরও সমস্যা সৃষ্টি হয়। এজন্য তাপমাত্রাকে পানির গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির pH বলতে বোঝায় পানি অ্যাসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। পানির pH মান যদি ৭ হয় তাহলে পানি নিরপেক্ষ, ৭-এর কম হলে পানি অ্যাসিডিক আর ৭-এর বেশি হলে পানি, ক্ষারীয়। সাধারণত বিশুদ্ধ খাবার পানি নিরপেক্ষ, নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে এসিড থাকলে pH ৭-এর কম হয়। মাছের রেণু বা পোনা এসিডের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। pH-এর মান ৫-এর কম হলে পানি সুনিশ্চিতভাবে অম্লীয় হবে। এ পানিতে বেশিরভাগ মাছের ডিম নষ্ট হয়ে যায়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়। গবেষণা করে দেখা গেছে, "নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। আবার pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে। এ কারণেই নদ-নদী, খাল-বিল ইত্যাদির জন্য pH-এর মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের শতকরা প্রায় ৭৫ ভাগই পানি দ্বারা আবৃত; কিন্তু এর বেশির ভাগ পানিই (শতকরা ৯৭ ভাগ) লবণাক্ত, তাই সেই পানি সরাসরি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায় না। আমাদের যে শতকরা ১ ভাগ মিঠা পানি সঞ্চিত আছে, তার একটি অংশবিশেষ নানাভাবে প্রতিনিয়ত দূষিত হয়ে চলেছে। এমনকি ভূগর্ভের যে পানি আমরা কূপ বা নলকূপ থেকে পাই এবং খাওয়া থেকে শুরু করে নানা কাজে ব্যবহার করি; সেটিও নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ (যেমন- আর্সেনিক) দিয়ে দূষিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যদিও আমাদের পানিসম্পদ প্রচুর, কিন্তু ব্যবহার করার উপযোগী পানির পরিমাণ খুবই অল্প। তাই পানি ব্যবহারে আমাদের অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে এবং একই পানি কীভাবে বারবার ব্যবহার করা যায়, সেটিও চিন্তা করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির পুনরাবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পানির পুনরাবর্তন না হলে বৃষ্টি হতো না, যার ফলে পুরো পৃথিবী মরুভূমি হয়ে যেত। এছাড়াও প্রচন্ড খয়া হতো, ফসল উৎপাদন কমে যেত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশের প্রায় প্রতিটি উপাদান ও প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে পানির উপর নির্ভর করে। তাই পরিবেশকে টিকিয়ে রাখতে হলে পানির ভূমিকা অপরিহার্য। পানি না থাকলে গাছপালা জন্মাবে না, ফসল উৎপাদন হবে না। এক কথায় পানি না থাকলে পুরো পরিবেশের সাথে সাথে আমাদের অস্তিত্বও ধ্বংস হয়ে যাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক পানি পরিষ্কার তথা ময়লা-আবর্জনামুক্ত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ময়লা-আবর্জনা থেকে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু তৈরি হয় যা জীবনের জন্য ধ্বংসাত্মক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে। এসব লবণাক্ত পানি শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির (যেমন- বয়লার) ক্ষয়সাধন করে নষ্ট করে ফেলে। এজন্যই সমুদ্রের পানি শিল্প কারখানায় ব্যরহৃত হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লবণাক্ত পানির বড় উৎস হলো সমুদ্র। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন লবণ রয়েছে। এই লবণের কারণেই সমুদ্রের পানি লবণাক্ত। আমাদের কৃষিকাজে বেশির ভাগ ফসল লবণাক্ত পানিতে জন্মাতে পারে না। এজন্য কৃষিকাজে লবণাক্ত পানি উপযোগী নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি বিশুদ্ধকরণের ২টি পদ্ধতি হলো-
১. পরিস্রাবণ ও ২. ক্লোরিনেশন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিস্রাবণ হলো তরল আর কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার একটি প্রক্রিয়া। পানিতে অদ্রবণীয় ধুলাবালির কণা থেকে শুরু করে নানারকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকে। এদেরকে পরিস্রাবণ করে পানি থেকে দূর করা হয়। এটি করার জন্য পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়, তখন পানিতে অদ্রবণীয় ময়লার কণাগুলো বালির স্তরে আটকে যায়। বালির স্তর ছাড়াও খুব সূক্ষ্মভাবে তৈরি কাপড় ব্যবহার করেও পরিস্রাবণ করা যায়।
আর এভাবেই পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বিশুদ্ধ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহৃত দুটি জীবাণুনাশক হচ্ছে-
১. ক্লোরিন গ্যাস (Cl₂) ও
২. ব্লিচিং পাউডার (Ca(OCl)CI)।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

NaOCl হতে উৎপন্ন জায়মান অক্সিজেন দ্বারা পানিতে বিদ্যমান জীবাণু জারিত হয়। ফলে জীবাণুসমূহ মৃত কোষে পরিণত হয়। এভাবে NaOCI দ্বারা পানিতে বিদ্যমান জীবাণু ধ্বংস করা যায়।
বিক্রিয়াটি হলো- জীবাণু + [O]→ মৃত কোষ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যদি পানিতে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে তবে নানা রকম জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে অন্যতম হলো ক্লোরিন (Cl₂) গ্যাস। এছাড়া ব্লিচিং পাউডার [Ca(OCI)CI], সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (Na(OCl) ইত্যাদি ক্লোরিনসমৃদ্ধ যৌগ ব্যবহার করা হয়। যৌগগুলোতে বিদ্যমান ক্লোরিন পানিতে থাকা রোগজীবাণু ধ্বংস করে। পানি বিশুদ্ধকরণের এ প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় ক্লোরিনেশন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। এটি একটি পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া। যখন খুব বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয় তখন পাতন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে। বাসাবাড়িতে খাওয়ার জন্য পানিকে জীবাণুমুক্ত করতে স্ফুটন একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া। স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫ – ২০ মিনিট ফুটালে সেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরিনেশন ও স্ফুটনের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                    ক্লোরিনেশন                                          স্ফুটন
১. বোতলজাত পানির কারখানায় এ পদ্ধতি, ব্যবহার করা হয়১. বাসাবাড়িতে খাওয়ার জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
২. ক্লোরিনযুক্ত বিভিন্ন ধরনের জীবাণুনাশক ব্যবহার করা হয়। ২. পানি ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করা হয়।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের গৃহস্থালিতে যেসব কঠিন বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয় সেগুলো আমরা বাড়ির পাশে রাখা ডাস্টবিনে ফেলে দিই। কখনো কখনো অবিবেচকের মতো খোলা জায়গাতেও ফেলে দিই। এসব বর্জ্য - পদার্থ ১-২ দিনের মধ্যে পচতে শুরু করে। বৃষ্টি হলে ঐসব বর্জ্য পদার্থ বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদীর পানিকে দূষিত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি দূষণের দুটি কারণ নিম্নরূপ-
১. গোসলের পানি, পায়খানার বর্জ্য পানিসহ অন্যান্য কাজের পানি নর্দমার নালার মধ্য দিয়ে নদ-নদীতে পড়া।
২. শিল্প কারখানা এবং ট্যানারীর বর্জ্য পানির সাথে মিশ্রিত হওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য রাসায়নিক সার, জৈব সার এবং পোকামাকড় মারার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করি। বৃষ্টি হলে কিংবা বন্যার সময় কৃষিজমি প্লাবিত হলে কৃষিজমিতে ব্যবহার করা এসব রাসায়নিক ও জৈব সার এবং কীটনাশক বৃষ্টি বা বন্যার পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির মাধ্যমে যে রোগ ছড়ায় তাকে পানিবাহিত রোগ বলে।
যেমন- ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিস ইত্যাদি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি পানিবাহিত রোগের নাম হলো-১. কলেরা ও ২. টাইফয়েড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এক সময় গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি দ্রব্য চামড়া তৈরির কারখানা। এই চামড়ার কারখানা থেকে প্রচুর বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়ে পড়ার ফলে এর পানি দূষিত হয়েছে। যার ফলে পানিতে প্রচুর দুর্গন্ধ এবং এর রং কুচকুচে কালো হয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ফসফেট ও নাইট্রোজেন খুব বেড়ে গেলে তা প্রচুর শ্যাওলা জন্মাতে সাহায্য করে। এই শ্যাওলাগুলো যখন মরে যায়। তখন পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। এর ফলে পানিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং মাছসহ সকল জলজ প্রাণী মারা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আর্সেনিকের প্রভাবে সৃষ্ট দুটি রোগ হলো-
১. আর্সেনিকোসিস ও ২. ত্বক এবং ফুসফুসের ক্যান্সার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে আর্সেনিক ও সীসা থাকলে এবং ঐ পানি পান করলে তা মানুষের দেহে নানাবিধ রোগের কারণ হতে পারে। আর্সেনিকের প্রভাবে ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সার, পাকস্থলীর রোগ হতে পারে।
অন্যদিকে সীসার প্রভাবে বিতৃষ্ণাবোধ বা খিটখিটে মেজাজ, শরীর জ্বালাপোড়া, রক্তশূন্যতা, কিডনী বিকল হওয়া, পরিমাণে খুব বেশি হলে মস্তিষ্ক বিকল হওয়া সমস্যা দেখা দিতে পারে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে যদি ক্ষতিকর ধাতব পদার্থ থাকে তাহলে ঐ পানি পান করলে মানুষের শরীরে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। এজন্য পানিতে সীসা ক্ষতিকর কারণ। সীসাযুক্ত পানি পান করলে বিতৃষ্ণাবোধ বা খিটখিটে মেজাজ, শরীরে জ্বালাপোড়া, রক্তশূন্যতা, কিডনি বিকল হওয়া ইত্যাদি জটিলতা দেখা যায়। এছাড়াও পানিতে বেশি পরিমাণে সীসা থাকলে মস্তিষ্ক বিকল হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ধাতব পদার্থ যেমন- পারদ, সিসা, আর্সেনিক ইত্যাদি মিশ্রিত থাকলে তা সেবনে নানাধরনের রোগ হতে পারে। যেমন-পারদের প্রভাবে মস্তিষ্ক বিকল, ত্বকের ক্যান্সার, বিকলাঙ্গতা হতে পারে। সিসার প্রভাবে বিতৃষ্ণাবোধ, খিটখিটে মেজাজ, শরীরে জ্বালাপোড়া, রক্তশূন্যতা, কিডনি বিকল ইত্যাদি হতে পারে। আর আর্সেনিকের প্রভাবে হয়ে থাকে আর্সেনিকোসিস, ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সার ও পাকস্থলীর রোগ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, সিজিয়াম, রেডন প্রভৃতি দ্বারা পানি দূষিত হলে তা একদিকে যেমন জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ, অন্যদিকে মানুষের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। তেজস্ক্রিয় পদার্থ জীবদেহে নানা প্রকার ক্যান্সার আর শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগ সৃষ্টি করে। এজন্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো বিশ্ব বায়ুমমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। বৈশ্বিক উষ্ণতার ফল জলবায়ুর ওপর ব্যাপক প্রভাব বিদ্যমান। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ধরনের পরিবর্তন ঘটছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা দিন দিন বেড়ে যাওয়া। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলসহ নানা জায়গায় সজ্জিত বরফ গলে যাবে। এর ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে। আর সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, ভূগর্ভস্থ পানি ও হ্রদের পানিতে মিশে যাবে। যার কারণে পানির সকল উৎস লবণাক্ত হয়ে পড়বে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির তাপমাত্রা বাড়লে যেরকম পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়, ঠিক সেরকম লবণাক্ততা বাড়লেও দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যাবে। যার ফলে জলজ প্রাণীরা আর বাঁচতে পারবে না। আবার জলজ উদ্ভিদের বড় একটি অংশ লবণাক্ত পানিতে জন্মাতেও পারে না, এমনকি বেড়ে উঠতেও পারে না। যার কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এ সংক্রান্ত কম্পিউটার মডেলিং থেকে ধারণা করা যায় কোনো কোনো এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে, আবার কোনো এলাকায়, বিশেষ করে নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাবে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আর ধরন পরিবর্তন হলে নদ-নদী, খাল-বিলে পানির পরিমাণ এবং প্রবাহ পরিবর্তিত হবে যা অনেক ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতার একটি বড় প্রমাণ হলো, এখন গ্রীষ্মকালে অনেক বেশি গরম পড়ে, এমনকি মাঝে মাঝে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ৪৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায় যেটি আগে কখনো ঘটেনি। তাপমাত্রার উপাত্ত থেকে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল দুই সময়েই তাপমাত্রা আগের তুলনায় বেশি থাকে। অর্থাৎ 1 বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশে পড়তে শুরু করেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো বিশ্বের বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি। বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মেরু অঞ্চলসহ অন্যান্য জায়গায় সঞ্চিত বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। আর সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, হ্রদ এবং ভূগর্ভস্থ পানির সাথে মিশে যাবে। ফলে মিঠা পানির এ উৎসগুলো লবণাক্ত হয়ে পড়বে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণায় দেখা গেছে যে সমুদ্রের পানির উচ্চতা যদি ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়ে, তাহলে আমাদের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বনের ৭৫% পানির নিচে তলিয়ে যাবে। আর যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়ে, তাহলে প্রায় পুরো সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টিতে নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড মিশে থাকে। শিল্পকারখানা থেকে নাইট্রোজেন ও সালফারের অক্সাইডসমূহ নির্গত হয় যা বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। যে সমস্ত দেশ শিল্পকারখানায় অনেক উন্নত সেখানে এর সম্ভাবনা অনেক বেশি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে পানি দূষণ প্রতিরোধের ২টি কৌশল হলো-
১. জলাভূমি রক্ষা, ও ২. বৃষ্টির পানি নিয়ন্ত্রণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শহরাঞ্চলে পানি দূষণের একটি বড় কারণ বৃষ্টির পানির প্রবাহ। শহরাঞ্চলের রাস্তাঘাটসহ বেশিরভাগ এলাকা পাকা হওয়ায় বৃষ্টির পানি এর ভেতর দিয়ে ভূগর্ভে যেতে পারে না। ফলে বৃষ্টির পানি যাবতীয় ময়লা-আবর্জনা আর অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ নিয়ে নর্দমা আর নর্দমা আর নালা দিয়ে নদী, জলাশয় বা হ্রদে গিয়ে সেখানকার পানিকে দূষিত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলাভূমি পানি ধারণ করা ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলাভূমি একদিকে পানি ধারণ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষতিকর পদার্থ শোষণ করে, ভূগর্ভে এবং নদীতে বিশুদ্ধ পানি সঞ্চালন করে। এমনকি বন্যপ্রাণীদের সাহায্যও করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি নদ-নদীই খরস্রোতা, যার একটি ফল হলো নদী ভাঙন। নদী ভাঙনের ফলে সৃষ্ট মাটি পানির সাথে মিশে যায় এবং এক পর্যায়ে নদীর তলায় জমা হয় ও ধীরে ধীরে নদী ভরাট হয়ে যায়। এতে একদিকে যেমন নদীর গতিপথ পাল্টে যায়, অন্যদিকে তেমনি নদী শুকিয়ে যেতে পারে বা মরেও যেতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি মরা নদী হচ্ছে-
১. করতোয়া ও ২. বিবিয়ানা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনোজ, বড়াল, কুমার নদ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের ফলে পানি প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে শুকিয়ে গেছে। দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মরিছাপ, হামকুড়া আর হরিহর নদীও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের জন্য মরে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি প্রকৃতির এমন একটি দান, যা প্রায় সব জীরের জন্য অপরিহার্য। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই মানুষ খাওয়া, গোসল, রান্নাসহ অন্যান্য সকল কাজে পানি ব্যবহার করে আসছে। মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকার তথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা প্রত্যেকটিই পানির উপর নির্ভরশীল। এ কারণেই পানিকে মানুষের মৌলিক অধিকার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদীর গতিপথ পরিবর্তনের অনেক কারণ রয়েছে। যেমন: নদীতে বাঁধ দিলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়। এছাড়া, নদীর ভাঙনে নদীতে চর উঠলে অথবা নদী 'ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ, হাটবাজার স্থাপন করলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হলে বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি সাধিত হয় এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির গুরুত্ব অপরিসীম। কৃষিকাজ, ঘর-বাড়ি তৈরি, শিল্প-কারখানায় পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। কৃষিপ্রধান দেশে কৃষির উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিকাজে, সেচের জন্য পানি দরকার হয়। ঘর-বাড়ি নির্মাণে পানি প্রয়োজন এবং বিভিন্ন শিল্প-দ্রব্যাদি উৎপাদনে শিল্প-কারখানায় পানির ব্যাপক প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ উন্নয়ন ও পানি একে অপরের পরিপূরক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক নদী কনভেনশন এর নীতিটি ছিল- একের অধিক ! দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীর পানি কোনো দেশই অন্য দেশের অনুমতি ছাড়া একতরফাভাবে ব্যবহার করতে পারবে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো তরল পদার্থ যে তাপমাত্রায় বাষ্পে পরিণত হয় সে তাপমাত্রাই হলো ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে তাপমাত্রায় একটি কঠিন পদার্থ তরল পদার্থে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব দ্রাবক সব ধরনের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে তাকে সার্বজনীন দ্রাবক বলে। যেমন- পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির pH মান 7।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি তাকে লোনা পানি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Marine water হলো সমুদ্রের লোনা পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির সংকেত হলো H₂O।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির অণু ক্লাস্টার আকারে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলা সূর্যের তাপে ভূপৃষ্ঠের পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে এবং তা ঘনীভূত হয়ে মেঘ ও বৃষ্টি আকারে পৃথিবীতে ফিরে আসে। পানির এ চক্রকেই পানির পুনঃআবর্তন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তরল ও কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার প্রক্রিয়াকে পরিস্রাবণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরিন যুক্ত পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে পানিতে বিদ্যমান রোগ-জীবাণু ধ্বংস করার প্রক্রিয়াকে ক্লোরিনেশন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্লিচিং পাউডার হচ্ছে এক ধরনের জীবাণুনাশক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্লিচিং পাউডারের সংকেত হলো- [Ca (OCI) CI]

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রক্রিয়ায় সাধারণত পানি বিশুদ্ধ করা হয়, তাকে পানির বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভৌত, রাসায়নিক ও জীবাণুঘটিত মিশ্রণের ফলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়াকে পানি দূষণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির একটি বিশেষ ধর্ম হলো এটি বেশির ভাগ অজৈব যৌগ ও জৈব যৌগকে দ্রবীভূত করতে পারে। পানির এ বৈশিষ্ট্য অন্যান্য দ্রাবকে অনুপস্থিত। তাই পানিকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে লবণ কিংবা এসিডের মতো তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ দ্রবীভূত থাকলে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়। কিন্তু বিশুদ্ধ পানিতে এ ধরনের লবণ বা এসিড দ্রবীভূত না থাকার কারণে বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিকে উভধর্মী বলা হয়। উভধর্মী বলতে এমন যৌগ বুঝায় যা অম্ল ও ক্ষারক উভয় হিসেবে কাজ করে। পানি কখনো অল্প, কখনো ক্ষারক হিসেবে কাজ করায় পানিকে উভধর্মী বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ প্রাণীরা তাদের ফুলকার সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালায়। এক্ষেত্রে তারা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য
প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পেয়ে থাকে। এদের ফুলকা এমনভাবে তৈরি যে এটি শুধু পানি থেকেই অক্সিজেন নিতে পারে, বাতাস থেকে নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কচুরিপানা, শাপলা প্রভৃতি উদ্ভিদ হলো জলজ উদ্ভিদ। এসব জলজ উদ্ভদের কান্ড আর অন্য্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যেটা পানির স্রোত আর জলজ প্রাণীর চলাচলের সাথে মানানসই। পানি ছাড়া শুকনো মাটিতে এদের জন্ম হলে এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না। এমনকি বাঁচতেও পারত না। এটাই হলো কচুরিপানা, শাপলা উদ্ভিদের কান্ড নরম হওয়ার সুবিধা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদের সমস্ত দেহ পানির সংস্পর্শে থাকায় এদের কান্ড এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুব নরম হয় যা পানির স্রোত ও জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। জলে থাকার কারণে জলজ উদ্ভিদকে স্রোতের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়। তাই যাতে স্রোতের ফলে এবং জলজ প্রাণীদের নড়াচড়ায় তারা ভেঙে না যায় এজন্য তাদের কান্ড নরম হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ার সময় মিঠা পানিতে আসে। ইলিশ সামুদ্রিক মাছ অর্থাৎ লবণাক্ত পানির মাছ হলেও ডিম ছাড়ার সময় অর্থাৎ প্রজননের সময় মিঠা পানিতে আসে কারণ হলো সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে যা ডিমকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে ঐ ডিম থেকে আর পোনা মাছ তৈরি হতে পারে না। তাই প্রকৃতির - নিয়মেই ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ার সময় হলে মিঠা পানিতে আসে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদসমূহ সারা দেহের মাধ্যমে পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। তাই এদের সমগ্র দেহ পানির সংস্পর্শে থাকে এবং এদের কাণ্ড ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুব নরম হয় যা পানির স্রোত ও জলজ প্রাণীর চলাচলের সাথে মানানসই। এ কারণেই জলজ উদ্ভিদ পানির স্রোতে ভেঙে যায় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদের ২টি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ :
১. মূল খুব ছোট থাকে এবং মূলরোম থাকে না।
২. বায়ুথলি থাকে বলে পানিতে ভাসে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

pH দ্বারা বোঝা যায়, পানি অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ। পুকুরের পানি pH মান জানা প্রয়োজন। কারণ পুকুরের পানি pH মান জানা থাকলে তা পুকুরে বিদ্যমান জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী বিশেষ করে মাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বিদ্যমান কিনা তা জানা যায়। মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। pH এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

pH হলো এমন একটি রাশি যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭-এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭-এর বেশি। অর্থাৎ পানির pH ৭ বলতে বুঝায় পানি নিরপেক্ষ প্রকৃতির। গবেষণায় দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে অর্থাৎ ৭-এর কাছাকাছি থাকে তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি ঘোলা হলে সূর্যের আলো পানির নিচে থাকা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে অংশ নিতে পারে না। এতে উদ্ভিদের খাবার তৈরি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং অক্সিজেন উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে যা পানিতে বসবাসকারী মাছের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়াও ঘোলা পানিতে মাছ ঠিকমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না তাই ঘোলা পানিতে মাছের বৃদ্ধি বিঘ্নিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীদের আশ্রয়স্থল পানি। কৃষি কাজেও পানির ব্যাপক ব্যবহার হয়। তাই পানির নির্দিষ্ট মান যদি বজায় না থাকে তবে এটি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। তেমনি অন্যান্য কাজে এর ব্যবহার ব্যাহত হবে। তাই মানসম্মত পানির প্রয়োজনীয়তা বর্ণনাতীত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলা সূর্যের তাপে ভূপৃষ্ঠের অর্থাৎ সমুদ্র, নদ-নদী, খাল-বিল ইত্যাদির পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে বাষ্প ঘনীভূত হয়ে প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টির আকারে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে। এ বৃষ্টির পানির বড় একটি অংশ নদ-নদী, খাল-বিল ও সমুদ্রে গিয়ে পড়ে এবং আবার বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে। এভাবে পানির ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে চক্রাকারে আবর্তনকে পানির পুনরাবর্তন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির গুরুত্ব অপরিসীম। কৃষিকাজ, ঘর-বাড়ি তৈরি, শিল্প-কারখানায় পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। কৃষিপ্রধান দেশে কৃষির উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিকাজে সেচের জন্য পানি দরকার হয়। ঘর-বাড়ি নির্মাণে পানি প্রয়োজন এবং বিভিন্ন শিল্প-দ্রব্যাদি উৎপাদনে শিল্প-কারখানায় পানির ব্যাপক প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ উন্নয়ন ও পানি একে অপরের পরিপূরক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যদি পানিতে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে তবে নানা রকম জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে অন্যতম হলো ক্লোরিন (Cl₂) গ্যাস। এছাড়া ব্লিচিং পাউডার [Ca(OCI)CI], সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (NaOCl) ইত্যাদি ক্লোরিনসমৃদ্ধ যৌগ ব্যবহার করা হয়। যৌগগুলোতে বিদ্যমান ক্লোরিন পানিতে বিদ্যমান রোগজীবাণু ধ্বংস করে। পানি বিশুদ্ধকরণের এ প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় ক্লোরিনেশন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এরি হ্রদের চারপাশে বেশ কয়েকটি ডিটারজেন্ট কারখানা থেকে সৃষ্ট বর্জ্য হ্রদের মধ্যে ফেলায় হ্রদের পানিতে ফসফেটের মাত্রা বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত ফসফেট ও নাইট্রোজেন পানিতে শেওলা জন্মাতে সাহায্য করে। শেওলা মারা যাবার পর মরা শেওলাগুলো পানিতে থাকা দ্রবীভূত অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। এতে পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় ফলে মাছসহ সকল প্রাণী মারা যায়। অর্থাৎ লেকে কোনো | প্রাণের অস্তিত্ব থাকে না। এ কারণেই এরি হ্রদকে মরা হ্রদ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে যদি ক্ষতিকর ধাতব পদার্থ থাকে তাহলে ঐ পানি পান করলে মানুষের শরীরে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। এজন্য পানিতে পারদ ক্ষতিকর কারণ, পারদযুক্ত পানি পান করলে মস্তিষ্ক বিকল হওয়া, ত্বকের ক্যান্সার, বিকলাঙ্গ হওয়া ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য নদীতে বাঁধ নির্মাণ আমাদের পানিসম্পদের জন্য হুমকি হতে পারে। কারণ নদীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ দেওয়ার ফলে এদের শাখা-প্রশাখায় পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। কিছু নদী যেমন- মনোজ, বড়াল এবং কুমার নদ এ কারণেই শুকিয়ে মরে গেছে। এজন্য নদীতে বাঁধ নির্মাণ পানির জন্য হুমকি হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
254

পানির আরেক নাম জীবন। শুধু জীবন ধারণের জন্য নয়, দেশের উন্নয়নের জন্যও আমাদের পানির দরকার। নানা উৎস থেকে আমরা পানি পাই। নানা কারণে আমাদের অতিপ্রয়োজনীয় এই পানির উৎস হুমকির মুখে পড়ছে। এই অধ্যায়ে আমরা এই হুমকিগুলোর কথা জানব এবং কেমন করে তার মোকাবেলা করতে পারব, সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:

  • পানির ধর্ম বর্ণনা করতে পারব।
  • পানির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানির বিভিন্ন উৎস বর্ণনা করতে পারব।
  •  জলজ উদ্ভিদ ও জলজ প্রাণীর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা এবং পানির মানদন্ড ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিবেশ সংরক্ষণে পানির পুনরাবর্তন ধাপসমূহে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  •  মানসম্মত পানির প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • পানি বিপুখকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  বাংলাদেশে পানির উৎসে দূষণের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানিদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • বাংলাদেশের মিঠা পানিতে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পানিদূষণ প্রতিরোধের কৌশল ও নাগরিকের দায়িত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  •  বাংলাদেশে পানির উৎসে হুমকির প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পানির উৎস সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  •  পানি প্রাপ্তি সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার – ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পানিপ্রবাহের সর্বজনীনতা এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি বর্ণনা করতে পারব ।
  • বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার এবং সুস্থ জীবনযাপনে এর প্রভাব বিষয়ে অনুসন্ধানমূলক কাজ পরিচালনা করতে পারব।
  • পানির সংকটের (গৃহস্থালি/কৃষি/শিল্পে ব্যবহার) কারণ অনুসন্ধান করতে পারব।
  • পানি ব্যবহার ও পানির সংরক্ষণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব।
  • পানির উৎসে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, দূষণ রোধ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করব।
  •  “পানি নাগরিকের মৌলিক মানবিক অধিকার” বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করব।
  • পানির অপচয়রোধ এবং কার্যকর ব্যবহারে সচেতন হব।

 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।

Vijay Kumar
Vijay Kumar
8 months ago
2.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews