সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটি শাখা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক কোনো বিষয় ব্যাখ্যা দেওয়া ও ভবিষ্যদ্বাণী করা প্রাকৃতিক বিজ্ঞান এর কাজ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞান পদার্থের গঠন, ধর্ম, পরিবর্তন আলোচনা করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার মূল উপাদান কার্বন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার দহনের সময় কোনটির সাথে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন (O)।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার দহনে মূল কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)গ্যাসীয় পদার্থ উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুজীববিজ্ঞান প্রাকৃতিক  বিজ্ঞানের অন্তর্গত ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Astronomy -এর বাংলা প্রতিশব্দ জ্যোতির্বিজ্ঞান ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাথর ঘষে আগুন জ্বালানোর শুরু থেকে রসায়নে মানুষের নিয়ন্ত্রণ শুরু করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথম ব্যবহৃত ধাতু সোনা (Au)।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীনকাল থেকে মানুষ সোনা ছাড়া তামা, রূপা, টিন ব্যবহার করত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

2600 খ্রিস্টপূর্ব বছর পূর্বে মিশরীয়রা স্বর্ণ আহরণ করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সংকর ধাতু ব্রোঞ্জ আবিষ্কার করা হয় খ্রিস্টপূর্ব 3500 অব্দে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রোঞ্জ কপার (Cu) ও টিন (Sn) ধাতুর সংকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খ্রিস্টপূর্ব 3500 অব্দের দিকে ব্রোঞ্জ  ধাতুর আবিষ্কার মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুর ক্ষুদ্র কণাকে অ্যাটম নামকরণ করেন গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস এর অ্যাটম সম্পর্কিত ধারণার বিরোধিতা করেন দার্শনিক এরিস্টটল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগীয় আরবের রসায়ন চর্চাকে আল-কেমি (Alchemy) বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীন ও মধ্য যুগীয় রসায়ন চর্চা আল-কেমি নামে পরিচিত ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আল-কেমি শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আরবি আল-কিমিয়া শব্দ থেকে আলকেমি শব্দটি এসেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সর্বপ্রথম আলকেমিস্ট জাবির-ইবনে-হাইয়ান গবেষণাগারে রসায়নের গবেষণা করেন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে বিজ্ঞানীকে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের গঠন, ধর্ম, পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রসায়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীন রসায়নবিদ্যার সূচনা হয় মিসর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পুরাতন লোহার উপর লালচে বাদামি বর্ণের আবরণটি পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা আমে জৈব  এসিড থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা আমে সাক্সিনিক এসিড, ম্যালেয়িক এসিড থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা আম পাকলে জৈব এসিড গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ পরিবর্তিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কেরোসিন ও মোমের মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ উপাদানের উপস্থিতিতে পাকা আম মিষ্টি হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI)রাসায়নিক যৌগটি পেটের এসিডিটির জন্য দায়ী ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টাসিডে Al(OH)3, Mg(OH)2 যৌগ বিদ্যমান ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টাসিড প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে পাকস্থলীর এসিডকে প্রশমিত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলকেমিস্ট জাবির-ইবনে-হাইয়ান কখনো কখনো রসায়নের জনক বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় পদার্থ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর জন্মলগ্নে খুব উত্তপ্ত ছিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুর অক্সিজেন (O)  শরীরের ভিতরে বিক্রিয়া করে শক্তি উৎপাদন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুর অক্সিজেন শরীরের ভিতরে খাদ্য উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি উৎপাদন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খাবারের পানিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ  মিশ্রিত থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের শরীরের জন্য খাবার পানি দ্রাবক হিসেবে কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের শরীরের বেশির ভাগ পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রস্রাব ও ঘামের সাহায্যে আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সার্বজনীন দ্রাবক পানি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য সার প্রয়োগ করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাগজের প্রধান উপাদান সেলুলোজ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাঁশ ও আখের ছোবড়াতে সেলুলোজ প্রচুর পরিমাণে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া ও অ্যামিবা অণুজীব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সার মাটিতে উদ্ভিদের পুষ্টি প্রদান করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিঃশ্বাসে গৃহীত বায়ুতে প্রধানত অক্সিজেন বিদ্যমান থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা প্রশ্বাসের সাথে বায়ুর কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলের দহনে শক্তি উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সেলুলোজের রাসায়নিক সংকেত (C6H10O5)n

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাগজ ও বস্ত্র মিলের প্রধান উপাদান সেলুলোজ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সেলুলোজকে এসিড বা ক্ষার দ্বারা হাইড্রোলাইসিস, করে গ্লুকোজ এ পরিণত করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ মূলত রাসায়নিক বিক্রিয়া ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ মূল অঙ্গ দিয়ে পানি শোষণ করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের দেহ গঠনে প্রধান জটিল অণু প্রোটিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলা উদ্ভিদ বায়ু থেকে CO₂ উপাদান সংগ্রহ করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের সময় মূল দিয়ে পানি শোষণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ক্লোরোফিল জৈব অণুর সাহায্যে গ্লুকোজ উৎপন্ন করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকে সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহে সাহায্য করে ক্লোরোফিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ (C6H12O6)যৌগ উৎপন্ন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীর দেহে প্রোটিন জাতীয় খাবার ভেঙে অ্যামাইনো এসিড উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহে শর্করা জাতীয় খাবার ভেঙে গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটিন মূলত জটিল যৌগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পদার্থবিজ্ঞানে  বিদ্যুৎ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি রসায়ন বিজ্ঞানের অবদান ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভৌত রসায়নের বিভিন্ন তত্ত্ব মূলত পদার্থবিজ্ঞান এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতির মূলনীতি পদার্থ বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তেল, গ্যাস, কয়লা পুড়িয়ে শক্তি উৎপন্ন করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নের তত্ত্ব প্রদান ও হিসাব-নিকাশের জন্য গণিত বিষয়টি প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফসলকে পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা করতে কীটনাশক ব‍্যবহার করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জমিকে উর্বর করার জন্য সার তৈরি করা হয়েছে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জুস, সস, বিস্কুট, কেক প্রভৃতি বেশি সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিভস ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃষি জমিতে কীটনাশক ব্যবহারের উদ্দেশ্য পোকা-মাকড় ধ্বংস করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারদ, লেড ভারী  পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্বনের কার্বন মনোক্সাইড (CO) যৌগটি সর্বোচ্চ ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন রাসায়নিক বর্জ্য পদার্থ পরিবেশ দূষণে দায়ী ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নের আবিষ্কার অযৌক্তিক ব্যবহার পরিবেশের ক্ষতিসাধন করছে।  

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে নলকূপের পানিতে আর্সেনিক (As) এর উপস্থিতি ক্ষতিকর মাত্রায় লক্ষণীয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানের লক্ষ্য মানবজাতির কল্যাণ সাধন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রিজারভেটিভস্ তৈরি করার লক্ষ্য খাদ্য সংরক্ষণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণার জন্য ১ম ধাপ বিষয় নির্বাচন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পদ্ধতিগতভাবে সুসংবদ্ধ অর্জিত জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেস্টাকে গবেষণা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যিনি কোন কিছু জানার চেষ্টা করেন তাকে বিজ্ঞানী বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিশাদল (NH4CI) পানিতে দ্রবণীয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়াম অক্সাইড ও পানির বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন তাপোৎপাদী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড পানিতে দ্রবীভূত করলে তাপ শোষ্ন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা অনুসন্ধান এ রূপ নেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণায় পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হয় ক্রমানুসারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনুসন্ধান থেকে গবেষণার জন্ম ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণার বিষয় নির্বাচনের পর এ সম্পর্কিত ধারণার জন্য বই বা গবেষণাপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলাফল মৌলিক  বিষয়ের নতুন ব্যাখ্যা প্রদান করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড যত বেশি দ্রবীভূত হয় দ্রবণের তাপমাত্রা তত কমে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষাগারে দুর্ঘটনা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে অ্যাপ্রোনপরতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষাগারে হাতের সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড গ্ল্যাস ব্যবহার করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণাগারে চোখের সুরক্ষার জন্য সেফটি গল ব্যবহার করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণা করা হয় তাকে পরীক্ষাগার বা গবেষণাগার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা পাত্র বেশির ভাগই কাচের তৈরি ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগে আমাদের দ্রব্যের প্রকৃতি জেনে নিতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক দ্রব্যের প্রকৃতি বোঝানোর জন্য বোতলের লেবেলে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘের উদ্যোগে পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগুনের শিখা' সাংকেতিক চিহ্ন দ্বারা দাহ্য পদার্থ বোঝায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিপজ্জনক' সাংকেতিক চিহ্ন দ্বারা বিষাক্ত পদার্থ বোঝায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

টিএনটি, নাইট্রোগ্লিসারিন বিস্ফোরক ধরনের পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালকোহল, ইথার দাহ্য পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব পারঅক্সাইডের পাত্রে বিস্ফোরিত বোমা সাংকেতিক চিহ্নের লেবেল থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরোবেনজিনের পাত্রে বিপজ্জনক সাংকেতিক চিহ্নের লেবেল থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিমেন্ট ডাস্ট উত্তেজক পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তেজক পদার্থ শরীরের শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রিফয়েল চিহ্নিত রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহে ক্যান্সার মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

'আনবদেহকে বিকলাঙ্গ করতে পারে' তেজস্ক্রিয় রশ্মি  চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম তেজস্ক্রিয় রশ্মি  চিহ্ন সংবলিত পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফিউরিক এসিড ক্ষত সৃষ্টিকারী  পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালকোহল ও ইথারকে আগুন বা তাপের সংস্পর্শে থেকে সবসময় দূরে রাখতে হবে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব পার অক্সাইড, টিএনটিকে আঘাত ও আগুনের সংস্পর্শে বিস্ফোরিত হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ' সাংকেতিক চিহ্ন সংবলিত পদার্থ উদ্ভিদ ও প্রাণীদের জন্য ক্ষতিকর ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেড, মার্কারির পাত্রে পরিবেশ সাংকেতিক চিহ্নের লেবেল থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সহজেই যাতে আগুন ধরে যায় তাকে দাহ্য বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

GHS এর পূর্ণরূপ Globally Harmonized System।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞান হলো মানবজাতির পদ্ধতিগত, নিয়মানুগ ধারাবাহিক প্রচেস্টা যার দ্বারা প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের কল্যাণে কাজে লাগানো হয়। বিজ্ঞান হলো এমন একটি পদ্ধতিগত জ্ঞান যা প্রকৃতি এবং মহাবিশ্বের বিভিন্ন ঘটনা, বস্তু ও শক্তির পেছনের কারণ ও নিয়মাবলী খুঁজে বের করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন পরিচিতি বলতে বুঝায়, প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের রসায়ন শাখায় পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম এবং পদার্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। এক্ষেত্রে যুক্তি দিয়ে, পর্যবেক্ষণ করে অথবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে পদার্থের কোনো বিষয় সম্বন্ধে বোঝা বা তার ব্যাখ্যা দেওয়া বা সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞান (Natural Science) হলো বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে, প্রাকৃতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। যেমন- রসায়ন প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে পদার্থের গঠন, ধর্ম ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। অর্থাৎ কয়লা একটি পদার্থ, এর ভেতরের পরমাণু কীভাবে থাকে, কয়লাকে পোড়ালে কীভাবে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে তা সবই রসায়নে আলোচনা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাজ হচ্ছে- যুক্তি দিয়ে, পর্যবেক্ষণ করে অথবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাকৃতিক কোনো বিষয় সম্বন্ধে। বোঝা বা তার ব্যাখ্যা দেওয়া বা সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞান একটি বিশাল জ্ঞানের সমুদ্র। একে বিভিন্ন শাখায় ভাগ করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন বিষয়কে আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করা যায়। বিজ্ঞানের কিছু প্রধান শাখা হলো- পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি। প্রতিটি শাখা নিজস্ব বিষয়বস্তু এবং গবেষণার ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম, পদার্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। অর্থাৎ, রসায়ন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন পদার্থ, ওষুধ, খাদ্য এবং অন্যান্য জিনিসের গঠন ও কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গহনা তৈরিতে সাধারণত বিশুদ্ধ সোনার সাথে অন্য ধাতু যেমন তামা, নিকেল বা রূপা মিশিয়ে একটি সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। এই সংকর ধাতুকেই আমরা গহনা তৈরিতে ব্যবহার করি। সংকর ধাতু তৈরির ফলে সোনা আরও শক্তিশালী, টেকসই এবং বিভিন্ন রঙের হয়ে ওঠে। তাই গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত স্বর্ণ আসলে একটি সংকর ধাতু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক ভিন্ন প্রকৃতির ধাতুকে গলিয়ে নতুন যে ধাতু তৈরি করা হয় তাকে বলে সংকর ধাতু। ব্রোঞ্জ একটি সংকর ধাতু। কারণ কপার (Cu) ও টিন (Sn) কে গলিয়ে তরলে পরিণত করে। এ তরলদ্বয়কে একত্রে মিশিয়ে অতঃপর মিশ্রণকে ঠান্ডা করে কঠিন সংকর ধাতু ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়। তাই বলা যায়, ব্রোঞ্জ একটি সংকর ধাতু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খ্রিষ্টপূর্ব 380 অব্দের দিকে গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস বলেন যে, প্রত্যেক পদার্থকে অনবরত ভাঙতে থাকলে শেষ পর্যায়ে এমন এক ক্ষুদ্র কণা পাওয়া যাবে, যাকে আর ভাঙা যাবে না। তিনি এর নাম দেন অ্যাটম। কিন্তু এ ধারণাগুলোর কোনো পরীক্ষামূলক ভিত্তি ছিল না। তাছাড়া দার্শনিক অ্যারিস্টটল এ ধারণার বিরোধিতা করেন। ফলে অ্যাঁটমের ধারণা অনেক দিন পর্যন্ত মানুষ গ্রহণ করেনি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগে আরবের মুসলিম দার্শনিকগণ কপার, টিন, সিসা ইত্যাদি স্বল্পমূল্যের ধাতু থেকে সোনা তৈরি এবং আয়ু বৃদ্ধিকারী একটি মহৌষধ তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। এগুলোতে সফল হতে না পারলেও বিভিন্ন পদার্থ মিশিয়ে সোনার মতো দেখতে এমন অনেক পদার্থ তৈরি করেছিলেন। মূলত এগুলোই ছিল রসায়নের ইতিহাসে ! প্রথম পদ্ধতিগতভাবে রসায়নের চর্চা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগীয় আরবের রসায়ন চর্চাকে আলকেমি (Alchemy) বলা হতো। আলকেমি শব্দটি এসেছে আরবি আল-কিমিয়া থেকে। আল-কিমিয়া শব্দটি আবার এসেছে কিমি (Chemi) শব্দ থেকে। এই | Chemi শব্দ থেকেই C'hemistry শব্দের উৎপত্তি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জাবির-ইবনে-হাইয়ান বিশ্বাস করতেন সকল পদার্থ মাটি, পানি, আগুন আর বাতাস দিয়ে তৈরি। তিনি এসব নিয়ে গবেষণা করলেও রসায়নের প্রকৃত রহস্যগুলো তার কাছে পরিষ্কার ছিল না। তিনি সর্বপ্রথম গবেষণাগারে রসায়নের চর্চা করেন। তাই তাঁকে অনেক সময় রসায়নের জনক বলা হয়ে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যারিস্টটল, জাবির-ইবনে-হাইয়ানসহ অনেক দার্শনিক মনে করতেন সকল পদার্থ মাটি, আগুন, পানি ও বাতাস মিলে তৈরি। ফলে রসায়নের প্রকৃত রহস্যগুলো তাদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। অবশেষে, বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে রসায়নের প্রকৃত রহস্য উদ্ভাবন করে রসায়ন চর্চা প্রথম শুরু করেন। তাই ল্যাভয়সিয়েকে রসায়নের জনক বলে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা পেঁপে ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকায় সবুজ বর্ণের হয়। কিন্তু পেঁপে যখন পেকে যায়, তখন ক্লোরোফিল জীব রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে জ্যান্থোফিলে রূপান্তরিত হয়। এ কারণে পেঁপে পাকলে হলুদ হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রং এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। অধিকাংশ ফল পাকলে এর মধ্যে-জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় হলুদ বর্ণধারী নতুন যৌগের সৃষ্টি হয়। এজন্য আম পাকলে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা ফলে বিভিন্ন প্রকার জৈব এসিড যেমন- এসিটিক এসিড, ফরমিক এসিড, টারটারিক এসিড, অ্যাসকরবিক এসিড প্রভৃতি বিদ্যমান থাকে। কোনো কোনো ফলে সামান্য পরিমাণ অজৈব এসিডও থাকে। কাঁচা ফলে এসিড বিদ্যমান থাকায় এর pH মান কম হয় এবং এসিডিটি বৃদ্ধি পায়। এসিড সাধারণত টক স্বাদযুক্ত। তাই কাঁচা ফল টক হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁচা আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড থাকে যেমন-সাক্সিনিক এসিড, ম্যালেয়িক এসিড প্রভৃতি। ফলে কাঁচা আম টক হয়। কিন্তু কাঁচা আম যখন পাকে তখন এই এসিডগুলোর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের সৃষ্টি হয়। তাই পাকা আম মিষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় সৃষ্ট অতিরিক্ত HCI কে প্রশমিত করার জন্য এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাওয়া হয়। এন্টাসিড। হচ্ছে Mg(OH): ও Al(OH), এর মিশ্রণ। এই ক্ষারক দুটি অতিরিক্ত HCI কে প্রশমিত করে এবং রোগী এসিডিটি থেকে মুক্তি পান।
এন্টাসিডের বিক্রিয়া নিম্নরূপ-

2HCI + Mg(OH)2 MgCl2 + 2H2O

3HCI + Al(OH)3 AlCl3 + 3H2O

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেটে এসিডিটি হলে এন্টাসিড খেতে হয়। গ্যাস্ট্রিক বা আম্লরোগে ডাক্তার এন্টাসিড খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত HCI ক্ষরিত হলে গ্যাস্ট্রিক বা অম্লরোগ হয়। তখন এই. ক্ষরিত HCI এসিডকে প্রশমিত করতে ডাক্তারগণ ক্ষারধর্মী এন্টাসিড [Mg(OH)₂ বা Al(OH)₂) খাওয়ার পরামর্শ দেন।

Mg(OH)2+2HCl →  MgCl2 +2H2O

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, মোস, ইত্যাদির মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন আর হাইড্রোজেনের যৌগ যার মধ্যে রাসায়নিক শক্তি অন্তর্নিহিত থাকে। তাই যখন এগুলোর দহন ঘটে তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে এগুলোর বিক্রিয়া হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো আর তাপশক্তির সৃষ্টি হয়। যেমন-

CH + O2→CO2                   H₂O +. তাপশক্তি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোম এর মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন এবং হাইড্রোজেনের যৌগ। হাইড্রোকার্বন অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে দহন বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড জলীয় বাষ্প, আলো এবং তাপশক্তি সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। আইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন এবং হাইড্রোজেনের যৌগ। হাইড্রোকার্বন অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে দহন বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো এবং তাপশক্তি সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঠ, কয়লা মূলত কার্বনের যৌগ। জ্বালানোর অর্থ প্রকৃতপক্ষে কার্বনের দহন। আর যেকোনো প্রকার দহন হলো রাসায়নিক পরিবর্তন। এর ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস, জলীয় বাষ্প ও তাপের উৎপাদন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দৈনন্দিন জীবন রসায়নের উপর নির্ভরশীল। আমরা যে পেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করি, ত্বকে যে কসমেটিকস ব্যবহার করি তা সবই রসায়নের অবদান। ফসলের খেতে ব্যবহার করছি সার ও কীটনাশক, যানবাহনে ব্যবহার করছি পরিশোধিত পেট্রোল, ডিজেল। এসবই শিল্প ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। সাবান, টয়লেট ক্লিনার এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধসামগ্রী-এগুলোও রসায়নের অবদান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বসন কার্যে আমরা বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করি। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আমাদের শরীর খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ নামক একটি শর্করা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি এবং শক্তি উৎপন্ন করে। উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইড আমরা নিঃশ্বাসের সাথে ত্যাগ করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের শরীরের 70% ই 'পানি, যা শরীরে বিভিন্ন পদার্থের দ্রাবক হিসেবে কাজ করে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থসমূহ পানির সাথে মিশে ঘাম ও প্রস্রাবরূপে বেরিয়ে যায়। এছাড়াও, খাবার পানিতে বিদ্যমান খনিজ লবণ আমাদের শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ধাতু যেমন- Ca, Mg ইত্যাদি সরবরাহ করে। তাই মানবদেহে খাবার পানির ভূমিকা অপরিহার্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সারের উপাদান হলো N, O, C. P। এ মৌলগুলো উদ্ভিদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় উপাদান। বিভিন্ন রাসায়নিক সার যেমন ইউরিয়া, DAP, TSP ইত্যাদিতে এসব মৌলগুলো থাকে। তাই বিভিন্ন ধরনের সার উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। ফলে ফসলের উৎপাদন ভালো হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সার জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়। সারের মূল উপাদানসমূহ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম প্রভৃতি। এই মৌলগুলো উদ্ভিদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। সার উদ্ভিদের প্রয়োজনীয়, পুষ্টি উপাদান প্রদান করে। ফলে ফসলের উৎপাদন ভালো হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সারে উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক বিভিন্ন উপাদান বিদ্যমান থাকে; যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি। এ কারণে রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহারে গাছের ক্ষতি হয় বা গাছ মারাও যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাগজ শিল্পের মূল উপাদান হলো সেলুলোজ। কাগজ তৈরির জন্য প্রথমে কাঠ, বাঁশ বা অন্য কোন উদ্ভিদজাতীয় পদার্থ থেকে সেলুলোজ আলাদা করে নেওয়া হয়। এরপর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেলুলোজকে মন্ডে পরিণত করা হয়। এই মন্ডকে একটি পাতলা পর্দার উপর ছড়িয়ে দিয়ে শুকিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ বাতাস থেকে CO₂ এবং মূল দিয়ে পানি শোষণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সবুজ অংশের ক্লোরোফিলের সাহায্যে এই H₂O ও CO₂ এর মধ্যে রাসায়নিক সংযোগ ঘটিয়ে গ্লুকোজ প্রস্তুত করে। এ প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত, যা একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ পানি আর কার্বন ডাইঅক্সাইডের মধ্যে রাসায়নিক সংযোগ ঘটিয়ে গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। বিভিন্ন প্রাণী যে প্রোটিন জাতীয় খাবার খায়, শরীর সেই খাবার ভেঙে গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড ইত্যাদি উৎপন্ন করে। উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের এ সকল রাসায়নিক পদার্থ ও বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া জীববিজ্ঞানে আলোচনা করা হয়। তাই বলা যায়, জীববিজ্ঞান ও রসায়ন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। যেমন, পদার্থবিজ্ঞানের আলোচিত বিষয় বিদ্যুতের জন্য যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় তা রসায়নেরই অবদান। পেট্রোল, প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়িয়ে উৎপাদিত শক্তি দিয়ে যানবাহন চলে, বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। আবার ভৌত রসায়নের বিভিন্ন তত্ত্ব মূলত পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্ব ও সূত্রের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নের সাথে গণিতের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রসায়নের বিভিন্ন গণনার কাজে গণিতের সাধারণ সূত্র থেকে জটিল সূত্রের ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন রাসায়নিক গণনার ক্ষেত্রে দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়, যৌগের সংযুতি নির্ণয়, বিক্রিয়ার হার নির্ণয়, লিমিটিং বিক্রিয়ক নির্ণয়, যৌগের ভেজালের পরিমাণ নির্ণয় ইত্যাদি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার উপকরণ জোগানে রসায়ন সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত। কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা ইত্যাদি রোগের ওষুধ রসায়ন জ্ঞান ব্যবহার করে সফলতার সাথে মানুষ আবিষ্কার করেছে। সার, কীটনাশক প্রিজারভেটিভস সবকিছুই আমরা রসায়ন পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। তাই রসায়ন পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল ব্যবহার করে থাকে। এসব জ্বালানি ব্যবহারের ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়। এছাড়া চুলোয় রান্না করার সময় কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে কার্বন | ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়। এর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের ! পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে CO, গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপকে এ CO₂ গ্যাস ধরে রাখে। এভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে সমুদ্র স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে। তাই CO₂ গ্যাসটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান যুগে রসায়নের পরিচিতি শুধুমাত্র শিল্প-কারখানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে রসায়নের প্রয়োগ রয়েছে। যেমন-শিল্প কারখানায় তেল, চিনি, কাগজ, কলম, ওষুধপত্র, কাপড়, শ্যাম্পু, সাবান, রড, সিমেন্ট থেকে শুরু করে আমাদের ব্যবহার্য অনেক সামগ্রী রসায়নের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আচার সংরক্ষণের জন্য ভিনেগার বা সিরকা ব্যবহার করা হয়। আচার পচে যাওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। ভিনেগারের ইথানয়িক এসিডের H' আয়ন ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন ও ফ্যাটকে আর্দ্রবিশ্লেষিত করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। এতে করে আচার পচনের হাত থেকে রক্ষা পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানব কল্যাণের সাথে রসায়ন অপরিহার্য। আমরা যে খাদ্য খাই, যে. ওষুধ সেবন করি সব কিছুতেই রসায়নের অবদান রয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার ফসল উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করছে। পরিবেশ দূষণ রোধেও রসায়ন বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নতুন ওষুধ আবিষ্কার, রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক পরীক্ষা, অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত জীবাণুনাশক এবং শরীরের বিভিন্ন - রাসায়নিক প্রক্রিয়া বোঝার জন্য রসায়নের জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধের কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, এবং শরীরে কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য রসায়নের নীতি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, মেডিকেল ইমেজিং, রক্ত পরীক্ষা এবং অন্যান্য ডায়াগনস্টিক পদ্ধতিগুলোতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্প কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, কীটনাশক ও সারের অতিরিক্ত ব্যবহার, প্লাস্টিকের বর্জ্য এবং পারমাণবিক বর্জ্য ইত্যাদি পরিবেশকে দূষিত করে। এই রাসায়নিক পদার্থগুলো মাটি, পানি ও বায়ুকে দূষিত করে, ফলে জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নে গবেষণার ধাপসমূহ নিম্নরূপ:


➡️বিষয়বস্তু নির্ধারণ
➡️বই বা পূর্বের গবেষণাপত্রের সম্পর্কে কিছু ধারণা নেওয়া
➡️প্রয়োজনীয় বস্তু ও যন্ত্রপাতি পরীক্ষা প্রণালী নির্ধারণ
➡️পরীক্ষণ
➡️তথ্য সংগ্রহ ও তথ্যের বিশ্লেষণ
➡️ফলাফল ও ফলাফল নিয়ে আলোচনা

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নে গবেষণার ক্ষেত্রে ফলাফল নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফলের সঠিকতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পরীক্ষণ পুনঃনিরীক্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা যায়। পাশাপাশি, ফলাফলের ভিত্তিতে নতুন তত্ত্বের সৃষ্টি হয় বা পূর্ববর্তী তত্ত্বের যাচাই-বাছাই করা হয়। এ কারণে রাসায়ন গবেষণায় ফলাফল নিয়ে আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণার প্রথম ধাপ বিষয়বস্তু নির্ধারণ-এ-কোনো বিষয়ে গবেষণা করা হবে, সেটি সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়। বিষয়টি এমন হতে হবে যা গবেষকের আগ্রহের বিষয় এবং যার উপর পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যাবে। এই ধাপে গবেষক, বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করেন এবং নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে একটি উপযুক্ত বিষয় নির্বাচন করেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিষয়বস্তু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলে নির্ণীত ফলাফল মানব কল্যাণ ব্যতীত আরও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত পদার্থ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতি হতে পারে, তাই পরীক্ষণকালে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সমাধান দেয়ার জন্যে বিষয়বস্তু সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা আবশ্যক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নে অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষণ নির্ভর। পরীক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেই বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। পরীক্ষণ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজন হয় প্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহ, পরীক্ষণের ফলে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত (Data) সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা প্রদান এবং ফলাফল নিশ্চিতকরণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেস্টাই হচ্ছে অনুসন্ধান বা গবেষণা। আর এ গবেষণার প্রক্রিয়াটি বিষয়বস্তু নির্ধারণ থেকে ফলাফল অর্জন পর্যন্ত নির্দিস্ট কিছু ধাপে সংঘটিত হয়। রসায়নের অনুসন্ধান প্রক্রিয়াটি নিম্নের ফ্লোচার্টে সংক্ষেপে দেখানো হলো-

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন গবেষণাগার হলো এমন একটি স্পান, যেখানে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণা করা হয়। এখানে বিজ্ঞানীরা নতুন পদার্থ আবিষ্কার করেন, পদার্থের গঠন ও ধর্ম পরীক্ষা করেন এবং বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার চেস্টা করেন। রসায়ন গবেষণাগারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, কাচের যন্ত্রপাতি এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক রাসায়নিক পদার্থ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিকর। অনেক দ্রব্য আছে যারা অতি সহজেই বিস্ফোরিত হতে পারে। কিছু দ্রব্য বিষাক্ত, দাহ্য, স্বাস্থ্য সংবেদনশীল বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী। তাই রাসায়নিক দ্রব্য সংগ্রহ ও তা নিয়ে পরীক্ষণের পূর্বেই তার কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা খুবই জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন গবেষণাগারে কাজ করার সময় অ্যাপ্রোন ব্যবহার
করার কারণ-


(i) এসিড বা ক্ষার গায়ে পড়লে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে বা পোশাকে পরলে পোশাকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই শরীর ও পোশাককে রক্ষা করার জন্য অ্যাপ্রোন পরতে হয়।
(ii) ল্যাবে বা গবেষণাগারে অ্যাপ্রোন পরিধান করায় কাজ করার মানসিক পূর্বপ্রস্তুতি লাভ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ল্যাবরেটরিতে দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ পোশাক পরিধান করতে হয়। ল্যাবরেটরিতে যে সকল রাসায়নিক পদার্থ নিয়ে কাজ করা হয় সেগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক। এজন্য ল্যাবরেটরিতে ঢিলে-ঢালা পোশাক পরা উচিত। এ সময় রাসায়নিক পদার্থ থেকে কাপড় ও শরীরকে রক্ষা করতে অ্যাপ্রোন পরা উচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে বার্নারে তাপ  দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এ সময় নিজের বা অন্যের অসাবধানতার কারণে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান এমনকি তীব্র এসিড বা ক্ষার ছিটকে গিয়ে চোখে মুখে পড়তে পারে। এতে চোখ চিরদিনের জন্য অন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই চোখে সেফটি গ্লাস বা গগলস্ পরা থাকলে এরূপ দুর্ঘটনার হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষাগারে হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক পদার্থ, জীবাণু বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের সাথে সরাসরি স্পর্শ থেকে হাতকে রক্ষা করতে হ্যান্ড প্লাভস ব্যবহার করা হয়। এটি ত্বকের সংক্রমণ, জ্বালাপোড়া এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে 'রক্ষা করে। হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহারের ফলে গবেষকরা নিরাপদে কাজ করতে পারেন এবং পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষাগারে কোনো কোনো পরীক্ষায় মারাত্মক বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস নির্গত হয়। এসব নির্গত গ্যাসের প্রভাবে চোখে পানি আসা, মাথা ব্যথা করা, বমি আসা, শ্বাসকষ্ট হওয়া, এমনকি শিক্ষার্থী জ্ঞান পর্যন্ত হারিয়ে ফেলতে পারে। মাস্ক ব্যবহারের ফলে এরূপ দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা যথেষ্ট কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক পদার্থসমূহ সরবরাহ বা সংরক্ষণ করতে হলে তার গায়ে লেবেলের সাহায্যে শ্রেণিভেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের চিহ্নকে বলা হয় সাংকেতিক চিহ্ন। এ চিহ্নসমূহ পৃথিবীর সকল দেশে একইভাবে একই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হওয়ায় এদেরকে সার্বজনীন সাংকেতিক চিহ্ন বলা হয়। এ চিহ্নগুলো ব্যবহারের ফলে কোনোরূপ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক দ্রব্য সংবলিত পাত্রের গায়ে লেবেলের প্রয়োজনীয়তা হলো-
১. রাসায়নিক দ্রব্যের কার্যকারিতা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।
২. কার্যকারিতার ঝুঁকি অনুযায়ী সংরক্ষণ ও ব্যবহার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব দ্রব্য অস্থিত এবং নিজে নিজেই বিক্রিয়া করতে পারে তাদেরকে বলা হয় বিস্ফোরক পদার্থ। যেমন- টিএনটি, জৈব পার-অক্সাইড, নাইট্রো গ্লিসারিন ইত্যাদি। এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আঘাত লাগলে বা আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নাগারে বিস্ফোরক পদার্থের মধ্যে রয়েছে নাইট্রোগ্লিসারিন, টিএনটি, পারঅক্সাইড, ইত্যাদি। এই পদার্থগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং অল্প পরিমাণ তাপ বা আঘাতে বিস্ফোরিত হতে পারে। তাই এগুলো ব্যবহারের সময় অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। নিরাপত্তা চশমা, গ্লাভস এবং ল্যাব কোট পরে কাজ করতে হবে এবং আগুনের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যারোসল দাহ্য (Flammable) পদার্থ, যা তাপ বা আগুনের সংস্পর্শে সহজেই আগুন ধরে যেতে পারে। এই জন্য অ্যারোসল বোতলের গায়ে আগুনের শিখা সংবলিত সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার
করা হয়।

দাহ্য পদার্থের সাংকেতিক চিহ্নটি হলো

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দাহ্য পদার্থ হলো এমন কিছু পদার্থ যাতে সহজেই আগুন ধরে যায় এবং জ্বলে। এই ধরনের পদার্থগুলো সাধারণত তাপ বা জ্বলন্ত কোনো বস্তুর সংস্পর্শে এলে দ্রুত জ্বলে ওঠে। দাহ্য পদার্থের উদাহরণ হলো কাঠ, কাগজ, পেট্রোল, অ্যালকোহল, গ্যাস ইত্যাদি। এই ধরনের পদার্থগুলোকে সাবধানে সামলাতে হয়, কারণ অসাবধানতাবশতঃ এগুলো আগুনের সংস্পর্শে এসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত শক্তিশালী এসিড ও ক্ষারসমূহ ক্ষত সৃষ্টিকারী পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্থায়ী ক্ষয় সৃষ্টি করার ক্ষমতা অর্থাৎ শরীরের কোনো অংশে লাগলে ক্ষত তৈরি হয়। এমনকি ঝলসে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এদের মধ্যে কিছু উদ্বায়ী হওয়ায় তা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গেলে শরীরের ভেতরের অঙ্গেরও ক্ষতি হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নাগারে উত্তেজক পদার্থ (লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি) ব্যবহারে অসাবধানতা, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ উত্তেজক পদার্থ অন্যান্য পদার্থের সাথে প্রতিক্রিয়া করে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। এছাড়াও, উত্তেজক পদার্থের সংস্পর্শে ত্বক, চোখ এবং শ্বাসনালীতে জ্বালাপোড়া বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থসমূহ ত্বকের সংস্পর্শে আসলে বা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে শরীরের স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে। এ পদার্থসমূহ শরীরের মধ্যে প্রবেশ করলে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ হতে পারে কিংবা শ্বসনতন্ত্রের ক্ষতিসাধন করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয়, যা ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে বা একজনকে বিকলাঙ্গ করে' দিতে পারে তাকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে। তেজস্ক্রিয় পদার্থের উদাহরণ হলো ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, প্লুটোনিয়াম ইত্যাদি। এই পদার্থগুলোকে সাবধানে সামলাতে হয়, কারণ এসব পদার্থ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রিফয়েল হলো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিহ্ন, যা তেজস্ক্রিয় পদার্থ বা বিকিরণের উপস্থিতি নির্দেশ করে। এটি সাধারণত তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পাতাযুক্ত একটি ত্রিপত্রাকার আকৃতির হয়ে থাকে। এই চিহ্নটি দেখলেই বুঝতে হয় যে ওই স্থানে বা বস্তুতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে এবং সেখানে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফিউরিক এসিড একটি ক্ষত সৃষ্টিকারী পদার্থ। পরীক্ষাগারে এই এসিড নিয়ে কাজ করার সময় অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী। সর্বদা নিরাপত্তা চশমা, গ্লাভস এবং ল্যাব কোট । পরে কাজ করতে হবে। সালফিউরিক এসিডকে কখনোই পানির মধ্যে যোগ করা যাবে না, কারণ এতে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। সঠিক পরিমাণে পানিকে সালফিউরিক এসিডের মধ্যে ধীরে ধীরে যোগ করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বডি স্প্রে' দাহ্য (Flammable) পদার্থ। তাই তাপ বা আগুনের সংস্পর্শে সহজেই আগুন ধরে যেতে পারে। এই জন্য বডি স্প্রের গায়ে আগুনের শিখাসংবলিত সাংকেতিক চিহ্নদেওয়া থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের গঠন, ধর্ম এবং পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রসায়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টাসিড হলো Mg(OH)₂ ও Al(OH), এর মিশ্রণ, যা পেটের এসিডিটির জন্য ওষুধ হিসেবে খাওয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগীয় আরবের রসায়ন চর্চাকে আলকেমি (Alchemy) বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপার (Cu) ও টিনের (Sn) গলনে সৃষ্ট সংকর ধাতুই হলো ব্রোঞ্জ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গলিত অবস্থায় একাধিক ধাতুকে মিশ্রিত করে যে বস্তু বা ধাতু তৈরি করা হয় তাকে সংকর ধাতু (alloy) বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Chemi শব্দ থেকে Chemistry শব্দের উৎপত্তি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন মূলত নানা ধরনের পরিবর্তন যেমন- সৃষ্টি, ধ্বংস, বৃদ্ধি, রূপান্তর, উৎপাদন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক রসায়নের জনক অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টাসিডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)3] ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Mg(OH)2] থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাসের আংশিক দহনে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কার্বন মনোক্সাইড (CO) গ্যাস তৈরি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খাবার খেলে আমাদের শরীরে বিপাক প্রক্রিয়া ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোটর সাইকেলের জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলিয়াম ব্যবহৃত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোয়ান্টাম মেকানিক্স হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে গাণিতিক হিসাব-নিকাশের সাহায্যে পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোয়ান্টাম মেকানিক্স হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে গাণিতিক হিসাব-নিকাশের সাহায্যে পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাণিতিক হিসাব-নিকাশ-এর সাহায্যে পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করতে সাধারণত কোয়ান্টাম মেকানিক্স ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণের সময় জীব-রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল ধাতুর ঘনত্ব, পারমাণবিক ভর অথবা পারমাণবিক সংখ্যা অনেক বেশি তাদেরকে ভারী ধাতু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রাসায়নিক পদার্থের পরিমিত ব্যবহার করে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী করে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায় তাদের ফুড প্রিজারভেটিভস্ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রাসায়নিক পদার্থের পরিমিত ব্যবহার করে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী করে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায় তাদের ফুড প্রিজারভেটিভস্ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিশেষ করে জুস, সস, কেক, বিস্কুট প্রভৃতিতে বেশি সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিভস্ ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পদ্ধতিগতভাবে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হচ্ছে গবেষণা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণা করা হয় তাকে পরীক্ষাগার বা গবেষণাগার (Laboratory) বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ হলো প্রয়োজনীয় বস্তু ও পরীক্ষা প্রণালি নির্ধারণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক তেজস্ক্রিয় রশ্মি চিহ্নকে ট্রিফয়েল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থে আঘাত লাগলে বা আগুন লাগলে প্রচন্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, তাদেরকে বিস্ফোরক পদার্থ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে তাদেরকে দাহ্য - পদার্থ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক রশ্মি চিহ্নটি ১৯৪৬ সালে আমেরিকাতে প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয়, যা ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে বা একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে তাকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ শরীরে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হয় তাকে বিষাক্ত পদার্থ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি দাহ্য পদার্থ হলো- অ্যালকোহল ও ইথার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক ভিন্ন প্রকৃতির ধাতুকে গলিয়ে নতুন যে ধাতু তৈরি করা হয় তাকে সংকর ধাতু বলে। ব্রোঞ্জ একটি সংকর ধাতু। কারণ কপার (Cu) ও টিন (Sn) কে গলিয়ে তরলে পরিণত করে। এ তরলদ্বয়কে একত্রে মিশিয়ে অতঃপর মিশ্রণকে ঠান্ডা করে কঠিন সংকর ধাতু ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়। যেহেতু ব্রোঞ্জ তৈরিতে দুটি ভিন্ন ধাতু প্রয়োজন তাই ব্রোঞ্জ একটি সংকর ধাতু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় অনেকের অতিরিক্ত HCI তৈরি হয়। অতিরিক্ত HCI কে প্রশমিত করার জন্য রোগীকে ডাক্তার এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। এন্টাসিড হচ্ছে Mg(OH)2₂ ও Al(OH), এর মিশ্রণ। এই ক্ষারক দুটি অতিরিক্ত HCI কে প্রশমিত করে এবং রোগী এসিডিটি থেকে মুক্তি পান। এন্টাসিডের বিক্রিয়া নিম্নরূপ-

2HCl + Mg(OH)2→ MgCl2 + 2H2O

3HCI + Al(OH)3→ AlCl3 + 3H2O

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টাসিড পাকস্থলীর এসিডিটি সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয়। কারণ, খাদ্য হজম করতে পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয়। কোনো কারণে পাকস্থলীতে এই এসিডের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে তখন পেটে অস্বস্তি বোধ হয়। সাধারণভাবে এটিকে এসিডিটি বলে। তাই এই এসিডকে প্রশমিত করতে এন্টাসিড নামক ওষুধ খেতে হয়। এন্টাসিডে Al(OH)3 ও Mg(OH)2 থাকে। এরা ক্ষার জাতীয় পদার্থ। তাই পেটের অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিডকে প্রশমিত করে।

বিক্রিয়া: Al(OH)3 + 3HCIAICI3 + 3H2O

              Mg(OH)2+2HCI MgCI2+2H2O

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানের একটি শাখা হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞান (Natural Science)। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাজ হচ্ছে- যুক্তি দিয়ে, পর্যবেক্ষণ করে অথবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাকৃতিক কোনো বিষয় সম্বন্ধে বোঝা বা তার ব্যাখ্যা দেওয়া বা সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করা। রসায়ন প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে পদার্থের গঠন, ধর্ম ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেমন- কয়লা একটি পদার্থ, এর ভেতরের রয়েছে C। এক্ষেত্রে কয়লার ভিতরে C পরমাণু কীভাবে থাকে, কয়লাকে পোড়ালে কীভাবে O₂ এর সাথে বিক্রিয়া করে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে তা সবই রসায়নে আলোচনা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যারিস্টটল, জাবির-ইবনে-হাইয়ানসহ অনেক দার্শনিক মনে করতেন সকল পদার্থ মাটি, আগুন, পানি ও বাতাস মিলে তৈরি। ফলে রসায়নের প্রকৃত রহস্যগুলো তাদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। অবশেষে বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে রসায়নের প্রকৃত রহস্য উদ্ভাবন করে রসায়ন চর্চা প্রথম শুরু করেন বলে ল্যাভয়সিয়েকে রসায়নের জনক বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়নকে জীবনের জন্য বিজ্ঞান বলা হয়। বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের নানা ধরনের পরিবর্তন যেমন- সৃষ্টি, ধ্বংস, বৃদ্ধি, রূপান্তর, উৎপাদন এবং নানা ধরনের ধর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই রসায়ন। আধুনিককালে বিজ্ঞানের অবদান বলে খ্যাত বিদ্যুৎ চুম্বক, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ইত্যাদির উপাদানসমূহ রসায়নেরই অংশ। কেননা, এসব বিষয়গুলো পদার্থের বিভিন্ন রাসায়নিক গুণাবলির সমন্বয় ঘটিয়েই তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চাষাবাদের জন্য প্রয়োজন কীটনাশক, সার, সেচ, বীজ ইত্যাদি। জমিকে উর্বর করার জন্য রসায়ন তৈরি করেছে সার। আবার ক্ষেতের ফসল পোকামাকড়ে যেন নষ্ট না করে তার জন্য তৈরি হয়েছে কীটনাশক, যা রসায়নের অবদান। আবার খাদ্যকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করার জন্য রসায়নের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন প্রিজারভেটিভস। এজন্য চাষাবাদ কিংবা খাদ্যের জন্য আমরা রসায়নের উপর নির্ভর করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সারের উপাদান হলো নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন, ফসফরাস। এ মৌলগুলো উদ্ভিদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় উপাদান। বিভিন্ন রাসায়নিক সার যেমন ইউরিয়া, DAP, TSP ইত্যাদিতে এসব মৌলগুলো থাকে। তাই বিভিন্ন ধরনের সার উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। ফলে ফসলের উৎপাদন ভালো হয়। এজন্য ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ বাতাস থেকে CO₂ এবং মূল দিয়ে পানি শোষণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সবুজ অংশের ক্লোরোফিলের সাহায্যে এই H₂O ও CO₂ বিক্রিয়া করে গ্লুকোজ (শর্করা) প্রস্তুত করে।

6CO2(g) + 6H2Oসূর্যালোকক্লোরোফিল C6H12O6+6O2+ শক্তি

এ প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত। এজন্য সালোকসংশ্লেষণ । মূলত একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার উপকরণ জোগানে রসায়ন সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত। কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা ইত্যাদি যে সমস্ত রোগ মানুষের জন্য অতি সাধারণ চিকিৎসাযোগ্য রোগ, একসময় এ ধরনের রোগেই লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যেতো। রসায়ন জ্ঞান ব্যবহার করে এ সকল রোগের ওষুধ সফলতার সাথে মানুষ আবিষ্কার করেছে। জমিকে উর্বর করার জন্য সার, পোকা দমনের জন্য কীটনাশক কিংবা খাদ্য সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিকস সবকিছুই আমরা রসায়ন পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। তাই রসায়ন পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল ব্যবহার করে থাকে। এসব জ্বালানি ব্যবহারের ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়। এছাড়া চুলোয় রান্না করার সময় কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে কার্বন ডাইতাক্সাইড তৈরি হয়। এর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলে উদ্ভাবিত বস্তু মানব কল্যাণ ব্যতীত আর কোন কোন কাজে ব্যবহৃত হতে পারে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত পদার্থ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের কী ক্ষতি করতে পারে, অনুসন্ধান ও গবেষণার বিভিন্ন ধাপের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে ও পরীক্ষার সময় যে কোনো অনাকাক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো যথেস্ট জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা আবশ্যক। বিষয়বস্তু ও বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষণ সংক্রান্ত পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা অনুসন্ধানের কাজের প্রথম শর্ত। অতএব, বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা-গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যারোসল দাহ্য (Flammable) পদার্থ, যা তাপ বা আগুনের সংস্পর্শে সহজেই আগুন ধরে যেতে পারে। এই জন্য অ্যারোসল বোতলের গায়ে আগুনের শিখা সংবলিত সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। দাহ্য পদার্থের সাংকেতিক চিহ্নটি হলো-

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন গবেষণাগারে ক্লাশ করার সময় নিম্নোক্ত কারণে অ্যাপ্রোন ব্যবহার প্রয়োজন-
(i) এসিড বা ক্ষার গায়ে পড়লে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে বা পোশাকে পরলে পোশাকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই শরীর ও পোশাককে রক্ষা করার জন্য অ্যাপ্রোন পরতে হবে।

(ii) ল্যাবে বা গবেষণাগারে অন্য জামা-কাপড়ের উপরে অ্যাপ্রোর পরিধান করে কাজ করার মানসিক পূর্বপ্রস্তুতি লাভ করে। তাছাড়া এটি দ্রব্যের স্পর্শ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব দ্রব্য অস্থিত এবং নিজে নিজেই বিক্রিয়া করতে পারে তাদেরকে বিস্ফোরক পদার্থ বলা হয়। যেমন- টিএনটি, জৈব পার-অক্সাইড, নাইট্রো গ্লিসারিন ইত্যাদি। এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আঘাত লাগলে বা আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষাগারে কোনো কোনো পরীক্ষায় মারাত্মক বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস নির্গত হয়। এসব নির্গত গ্যাসের প্রভাবে চোখে পানি আসা, মাথা ব্যথা করা, বমি আসা, শ্বাসকষ্ট হওয়া এমনকি শিক্ষার্থী জ্ঞান পর্যন্ত হারিয়ে ফেলতে পারে। মাস্ক ব্যবহারের ফলে এরূপ দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা যথেস্ট কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন পরীক্ষণ নির্ভর বিজ্ঞান হওয়ায় অনুসন্ধান ও গবেষণার কাজে রাসায়নিক দ্রব্যের যথেষ্ট ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। তবে অনেক রাসায়নিক পদার্থ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। কিছু রাসায়নিক দ্রব্য আছে যা সহজেই বিস্ফোরণযোগ্য, বিষাক্ত, দাহ্য, স্বাস্থ্যসংবেদনশীল কিংবা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী। এজন্য সতর্কতামূলক পূর্ব পদক্ষেপ হিসেবে রাসায়নিক দ্রব্যের কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক বস্তুর অতিরিক্ত ব্যবহার জীবজগত এবং পরিবেশের বিভিন্ন অংশে বিরূপ প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহারে গাছের ক্ষতি হয়। মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। অতিরিক্ত সার, কীটনাশক, সাবান, ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু প্রভৃতি মাটিকে এবং নদী-নালা ও খাল-বিলের পানিকে দুষিত করছে। অতিরিক্ত মাত্রায় জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে | পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
64

তোমরা যারা নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র তারা রসায়ন বইটি হাতে পেয়েছো। বইটি হাতে পেয়ে কিছু প্রশ্ন তোমাদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে— রসায়ন বিষয়টি কী? কেনই-বা আমরা রসায়ন পড়ব? অর্থাৎ রসায়ন আমাদের কী কাজে লাগে? রসায়নের সাথে বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার কি কোনো সম্পর্ক আছে? এসব বিষয়ের উত্তর এ অধ্যায়টি পড়লে জানতে পারবে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • রসায়নের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রসায়নের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করতে পারব।
  • রসায়নের সাথে বিজ্ঞানের অন্য শাখাগুলোর সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • রসায়ন পাঠের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রসায়নে অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রক্রিয়ার বর্ণনা করতে পারব।
  • বিভিন্ন ধরনের অনুসন্ধানমূলক কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন, অনুমিত সিদ্ধান্ত গঠন ও পরীক্ষা করতে পারব।
  • রসায়নে ব্যবহারিক কাজের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারব।
  • প্রকৃতি ও বাস্তব জীবনের ঘটনাবলি রসায়নের দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করতে আগ্রহ প্রদর্শন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হলো গবেষণা।

602
উত্তরঃ

কাঁচা অবস্থায় আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড থাকে। যেমন- অ্যাসকরবিক এসিড, সাইট্রিক, ম্যালিক, অক্সালিক এসিড। তাই কাঁচা আম খেতে টক লাগে। কিন্তু আম যখন পাকে তখন আমে বিদ্যমান এই এসিডগুলো রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে (মিষ্টি) পরিণত হয়। ফলে পাকা আম হয় মিষ্টি।

3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি ঔষধ সেবন করছে।
প্রতিটি ঔষধই কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ তথা ওষুধ সেবন করি। যেমন: জ্বর হলে আমরা প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাই। প্যারাসিটামল একটি রাসায়নিক যৌগ, এর রাসায়নিক নাম acetaminophen বা, 4-হাইড্রোক্সি অ্যাসিট্যানিলাইড। এটি আমাদের পাকস্থলিতে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আবার, প্রচণ্ড মাথাব্যথা করলে আমরা আইবুপ্রফেন খাই।
এ রাসায়নিক যৌগটি খাওয়ার ফলে আমাদের দেহে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে মাথা ব্যথা উপশম হয়।
তাছাড়া আমরা কৃমিনাশক হিসেবে যে ওষুধ খাই, তাও রাসায়নিক যৌগ। এছাড়াও টাইফয়েড, কলেরা, যক্ষ্মা, কাশি, হাঁপানি, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়াসহ যত প্রকার অসুখ আছে, তার প্রত্যেকটির প্রতিষেধক হিসেবে আমরা যে ওষুধ সেবন করি, তা কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের ১ম চিত্রটি অর্থাৎ ওষুধ সেবন, রসায়নের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।

922
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে ওষুধ সেবন ও B নং চিত্রে সবজিক্ষেতে কীটনাশক ছিটানোর ছবি দেখানো হয়েছে। এই দুইটি ছবি পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটানো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সবজিক্ষেতে পোকামাকড় মারার জন্য যে সমস্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে গ্যামাক্সিন (C6H6Cl6), ডিডিটি (D.D.T.), অ্যালড্রিন, ক্লোরডেন, ম্যালাথায়ন, প্যারাথায়ন অন্যতম। এগুলো যখন সবজি ক্ষেতে বিদ্যমান পোকা মাকড়, কীটপতঙ্গ। মারার জন্য ব্যবহার করা হয়, তখন পোকামাকড় দমনের পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড় এবং পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়।
কারণ ঐ সমস্ত কীটনাশক যখন জমিতে ছিটানো হয়, তখন সেগুলো বাতাসে মিশে বাতাসকে দূষিত করে। এই দূষিত বাতাস মানুষ প্রশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করে। আবার ঐ সমস্ত কীটনাশক মিশ্রিত সবজি খেলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা যেমন- মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, চোখ-জ্বালাপোড়া করা, পেটের পীড়া, বদহজম ইত্যাদি দেখা দেয়।
ঐ সমস্ত কীটনাশক মাটিতে মিশে মাটিকেও দূষিত করে। ফলে জমির। উর্বরতা নষ্ট হয়, জমিতে ভাল ফসল হয় না। আবার বৃষ্টি হলে ঐ সমস্ত কীটনাশক পুকুরে, নদী-নালা ও জলাশয়ের পানির সাথে মিশে, পানিকে দূষিত করে। ফলে নদী, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ মরে যায় এবং পুকুর, নদীতে বিদ্যমান বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শেওলাও মরে যায়।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

1.1k
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম এবং পদার্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রসায়ন বলে।

3.2k
উত্তরঃ

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড জমা হলে পেটে তখন এসিডিটির সৃষ্টি হয়। এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তখন এন্টাসিড খাওয়া হয়। কারণ এন্টাসিডে থাকে ক্ষারীয় অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা পাকস্থলীর এসিডকে প্রশমিত করে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

3.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews