সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বিগত তিন দশকে ১৮০.০০০ হেক্টর পরিমাণ জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান কারণ বৈশ্বিক উষ্ণতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ বাংলাদেশ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ১৩% কৃষিজমি লবণাক্ততার শিকার হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামুদ্রিক প্রবাল তাপমাত্রার প্রতি খুব সংবেদনশীল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামুদ্রিক প্রবালের জীবনযাপনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ২২°০-২৮°C।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইতোমধ্যে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ৭০%  প্রবাল বিলীন হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে সুন্দরবনের ৭৫%জায়গা পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০ বছরে ০.৭°c পরিমাণ বেড়েছে?

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.১-৬.৪°C ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৫০ সালের পর থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে শতকরা ৮০ ভাগ বনভূমি উজাড় হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে কার্বন দূষণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বনভূমি উজাড় হওয়ার মূল কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ এর কারণে বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৭৪ সালের বন্যার কারণে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যা কৃষকের জন্য কিছুটা উপকারী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ৫৮ টি নদীর উৎপত্তিস্থল ভারত, ভুটান  ও নেপাল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রিটিশরা একটানা দুই সপ্তাহ ০.২৫ মিলিমিটারের কম বৃষ্টি হলে তাকে খরা বলত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাষ্পীভরন ও প্রস্বেদনের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের চেয়ে বেশি হলে খরা ঘটবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালে পানি বণ্টন চুক্তি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নচাপের কারণে যখন, বাতাস, প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে তখন তাকে সাইক্লোন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হতে হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমেরিকাতে সাইক্লোন হ্যারিকেন নামে পরিচিত ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

২০০৭ সালে ঘটে যাওয়া সাইক্লোনটি সিডর নামে পরিচিত ছিল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোনের উৎপত্তিস্থল গভীর সমুদ্রে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াবহ সাইক্লোন  আঘাত হানে ১৯৯১ সালে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৯১ সালে ঘটে যাওয়া সাইক্লোনে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার ছিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোরা' নামের সাইক্লোন বাংলাদেশে ২০১৭ সালে আঘাত হানে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে তাকে টর্নেডো বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এপ্রিল-মে মাসে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Tsunami জাপানি শব্দ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুনামি শুধুমাত্র সাগরে সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সুনামি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাগরের তলদেশের প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ভূমিকম্প  সৃষ্টি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাগরের তলদেশের প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাগরের তলদেশের প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন বৃষ্টিতে অনেক বেশি পরিমাণ এসিড বিদ্যমান থাকে তখন তাকে এসিড বৃষ্টি বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

pH ৫ এর কম হলে বেশির ভাগ মাছের ডিম নষ্ট হয়ে যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুনাপাথর ব্যবহার করে এসিডিটি কমানো যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টি মানব দেহে অ্যাজমা রোগটি সৃষ্টি করতে  পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, তখন তাকে ভূমিকম্প বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের ফলে বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ বদলে গিয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প জাপানে হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ স্কেলের নাম রিখটার স্কেল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৮৮৪ সালে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৮৮৪ সালে বাংলাদেশের মানিকগঞ্জে ভূমিকম্প হয়েছিল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৮৮৪ সালে বাংলাদেশের মানিকগঞ্জে ভূমিকম্প হয়েছিল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ু দূষণে পৃথিবীর প্রথম ১০০ টি শহরের মাঝে বাংলাদেশের ৮ টি শহরের নাম রয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতি সংরক্ষণশীলতার কৌশল ৫ টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে এই তাপমাত্রা অত্যধিক হারে বেড়েছে। মাঝে মাঝে দেশের কোনো কোনো এলাকায় দিনের তাপমাত্রা ৪৫ - ৪৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা পূর্বের তুলনায় বেড়ে যাচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের দেশে শীতকাল ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। কখনো কখনো শীতের সময় তাপমাত্রা বেশি কমে যাচ্ছে। এখন শীতকালে আগের মতো কনকনে ঠান্ডা, কুয়াশা, শৈত্যপ্রবাহের পরিবর্তে তীব্র রোদ, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দেখা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল এবং আশ্বিন মাস শরৎকালের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের দেশে একদিকে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে, অন্যদিকে আশ্বিন মাসে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যা দেশে ডাসময়ে বন্যার সৃষ্টি করে। এর কারণ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঋতুভিত্তিক পরিবর্তন ঘটে আশ্বিন মাসে বৃষ্টিপাত দেখা দিচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য বন্যা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার এবং অনেকাংশেই দরকারি। বন্যার ফলে জমিতে পলি পড়ে যা জমির উর্বরতা বাড়ায়। আর জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ফসল উৎপাদন ভালো হয় এবং কৃষক লাভবান হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদী ভাঙনের জন্য দায়ী দুটি নদী হলো-
১. পদ্মা, ২. যমুনা

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১. বিপুল জনগোষ্ঠী ঘরবাড়ি হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়ে।
২. আবাদি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চারটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম নিচে দেওয়া হলো-
১; ঘূর্ণিঝড়,
২. সুনামি,
৩. ভূমিকম্প ও
৪. এসিড বৃষ্টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হলো যৈশিক উষ্ণতা। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে যা বৃষ্টিপাতের উপর প্রচণ্ড প্রভাব ফেলছে। কোনো কোনো অঞ্চলে বৃষ্টিপাত একেবারেই কমে গিয়ে খরার সৃষ্টি করছে। খরার সময় মাটিতে পানির পরিমাণ কমতে কমতে মাটি পানিশূন্য হয়ে যায় এবং এর ফলে মাটিতে ফসল বা শস্য জন্মাতে পারে না। এভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতার - ফলে সৃষ্ট খরা ফসল উৎপাদন ব্যাহত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি ভয়াবহ খাদ্য ঘাটতির সংকেত। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভূখন্ড পানির নিচে তলিয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মূল ভূখণ্ডে ঢুকে নদ-নদী, ভূগর্ভের পানি এবং আবাদি জয়িও লবণাক্ত হয়ে পড়বে। ফলশ্রুতিতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়ে দেশে চরম খাদ্যঘাটতি দেখা দিবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মূল ভূখন্ডে ঢুকে, নদ-নদী, ভূগর্ভস্থ পানি এবং আবাদি জমিও লবণাক্ত হয়ে পড়বে। তখন একদিকে যেমন খাবার পানির প্রচন্ড অভাব দেখা যাবে, অন্যদিকে জমিতে লবণাক্ততার জন্য ফসল উৎপাদনও ব্যান্ড হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামুদ্রিক প্রবাল তাপমাত্রার প্রতি খুব সংবেদনশীল। সাধারণত ২২-২৮০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রবালের জীবনযাপনের জন্য উপযোগী। এই তাপমাত্রার ১-২° বেড়ে গেলেই তা প্রবালের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে কাজ করে। এক গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যে পরিমাণ প্রবাল ছিল ২০১০ সালে তার প্রায় ৭০% বিলীন হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের চারটি প্রভাব নিম্নরূপ

১. বন্যা,
২. খরা,
৩. নদী বাঙন ও
৪. পানির লবণাক্ততা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে ঘন ঘন প্রলয়ংকারী বন্যা হয়। যার কারণে মারাত্মক পানি দূষণ হয় এবং নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ, বিশেষ করে কলেরা ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটে। পানির মতো বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা বাড়লে রোগজীবাণু বেশি জন্মাবে ! এবং নানারকম রোগ সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এছাড়া জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে অ্যানথ্রাক্স এবং অ্যানথ্রাক্সের মতো আরও অনেক প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানথ্রাক্স মূলত তৃণভোজী পশুর রোগ। ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস নামক ব্যাকটেরিয়া দিয়ে এটি হয়। এই ব্যাকটেরিয়াটি স্পোর বা শক্ত আবরণী তৈরি করে অনেকদিন পর্যন্ত মাটিতে বেঁচে থাকতে পারে। ঘাস খাওয়ার সময় গবাদিপশু এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত গবাদিপশুর সংস্পর্শে এলেই কেবল মানুষ আক্রান্ত হতে পারে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামুদ্রিক প্রবাল ঝুঁকির দুটি কারণ হলো-
১. পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
২. পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার অভাব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১. সুন্দরবন সাইক্লোন, হ্যারিকেন প্রতিবোধে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

২.সুন্দরবন থেকে প্রচুর মধু ও মোম পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের পানির উচ্চতা যদি ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়ে তাহলে আমাদের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন অর্থাৎ সুন্দরবনের ৭৫% পানির নিচে তলিয়ে যাবে। আর যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়ে তাহলে প্রায় পুরো সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন। এ বন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশকে মারাত্মক আঘাত থেকে বরাবরই রক্ষা করছে। এ পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড়সহ যেসব প্রাকৃতিক বৈরীতা দেখা গেছে তার অধিকাংশই ঠেকিয়ে দিয়েছে সুন্দরবন। এ কারণে সুন্দরবনকে প্রকৃতির রক্ষাকবচ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি মাছের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, অনেক মাছ এবং মাছের পোনা পানির তাপমাত্রা ৩২° সেলসিয়াসের বেশি হলে মারা যায়। আবার উচ্চ তাপমাত্রা রোগজীবাণু জন্মাতে সহায়তা করে। যার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মাছে রোগ সংক্রমণ বেশি হয় এবং মাছের মড়ক লাগে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

IPCC এর রিপোর্ট অনুযায়ী পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে প্রায় ০.৭০ সেলসিয়াস বেড়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, ২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.১ - ৬.৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তখন নাতিশীতোষ্ণ ও বিষুবরেখা থেকে দূরবর্তী অঞ্চলে পানির প্রাপ্যতা বেড়ে যাবে। কিন্তু বিষুবরেখার নিকটবর্তী ও মাঝামাঝি স্থানে পানির প্রাপ্যতা কমে যাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি পরিবেশগত সমস্যা হলো-
১. জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ২. নগরায়ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নানারকম পরিবেশগত সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো - জনসংখ্যা বৃদ্ধি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাড়তি জনসংখ্যার মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য বনভূমি কেটে ফেলা হচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৯৫০ সালের পর থেকে শুধু জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রায় ৮০ ভাগ বনভূমি উজাড় হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি এলাকায় একদিকে যেমন শিশুর জনা হয়; অন্যদিকে তেমনি নানা বয়সের লোক মৃত্যুবরণ করে। কোনো এলাকায় শিশু জন্মহার এবং মৃত্যুহার সমান হলে ঐ এলাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে না। কিন্তু একটি এলাকায় যে কয়জন লোক মৃত্যুবরণ করে তার চেয়ে শিশু জন্মের সংখ্যা যদি বেশি হয়, তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া না পাওয়া বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১. জন্মহার, ২. মৃত্যুহার, ৩. বহির্গমন ও ৪. বহিরাগমন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নগরায়ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সমস্যা। এটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত। কারণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ জনসংখ্যার বড় একটি অংশ শহরমুখী হয়ে পড়ে। গ্রামীণ জনপদের শহরমুখিতাঁ, এবং শহরাঞ্চলের জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য শহর এলাকায় আবাসন সংকট প্রকট আকার ধারণ করে এবং এর ফলে আশপাশের আবাদি জমি ধ্বংস করে বা জলাভূমি ভরাট করে নগরায়ণ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ গ্যাসগুলো হলো- কার্বন ডাইঅক্সাইড, ওজোন, মিথেন, সিএফসি, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয়বাষ্প।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া। এর মূল কারণ হলো কার্বন ডাইঅক্সাইডসহ ওজোন, মিথেন, সিএফসি, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয়বাষ্প যেগুলো গ্রিন হাউজ গ্যাস নামে পরিচিত সেগুলোর পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যানবাহন, শিল্পকারখানা, বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে, ফলে গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণও বেড়ে যাচ্ছে। আবার বনভূমি ধ্বংসের ফলে গাছপালা দ্বারা কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ কমে যাচ্ছে যার ফলে - বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বেড়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। অতএব, গ্রিন হাউজই হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ. হলো জনসংখ্যা। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বনভূমির সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। অপরদিকে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করতে ধীরে ধীরে যানবাহন, শিল্প কারখানা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির উৎপাদন ও ব্যবহারের সংখ্যাও বেড়েছে। ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, সিএফসি, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ বেড়ে চলছে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ গ্যাস বৃদ্ধি পাওয়ার ২টি কারণ নিম্নরূপ-
১. যানবাহন, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া।
২. রেফ্রিজারেটর কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে ব্যবহৃত গ্যাস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ না কমালে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাবে। যার ফলে জলবায়ুজনিত পরিবর্তন ঘটবে। আর জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে পরিবেশে বিরূপ প্রভাব দেখা দিবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বনশূন্য করা একটি মারাত্মক পরিবেশগত সমস্যা। আর এর মূল কারণ হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। কারণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ঘর, বাড়ি, রাস্তাঘাট, অন্ন, বস্ত্র ইত্যাদির সব রকম চাহিদা বৃদ্ধি পায়। আর প্রতিটি চাহিদাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বনশূন্য করার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যার কারণে চাষাবাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয় এবং বহু পরিশ্রমে করা শস্য ও শাকসবজি মাঠেই নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া হাঁস, মুরগির খামার নষ্ট হয়ে 'খামারিরা নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যা প্রতিরোধের ৩টি উপায় নিম্নরূপ-

১. নদীসমূহ খনন করে এদের পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো।
২. শক্তিশালী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা।
৩. নদী শাসন করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যার আগাম প্রস্তুতিকে বন্যা মোকাবিলার একটি কৌশল হিসেবে গণ্য করা হয়। বিপুল জনসংখ্যা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়লে এবং আগে থেকে পর্যাপ্ত খাদ্যদ্রব্য, পানি, ওষুধপত্র ইত্যাদির ব্যবস্থা করে না রাখলে তা ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। কোনো একটি এলাকা বন্যাকবলিত হলে তখন সেখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের কোনো ব্যবস্থা থাকে না। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই তাদের পুনর্বাসনের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরা একটি মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা সৃষ্টি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হওয়া। বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের চেয়ে বেশি হলে এমনটি ঘটে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বৃক্ষনিধন এবং গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে বায়ুমণ্ডল ধীরে ধীরে রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। ফলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় খরা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাশিয়াতে একটানা ১০ দিন মোট ৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি না হলে তাকে খরা বলে। আর আমেরিকাতে একটানা ৩০ দিন বা তার বেশি সময়ের মধ্যে যেকোনো ২৪ ঘণ্টায় ৬.২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি না হলে তারা ঐ অবস্থাকে খরা হিসেবে ধরে নেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মকালকে বলা হয় এলনিনো। প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মকাল পুরো পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে তোলে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত কমে সৃষ্ট খরার জন্য পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের মেরু অঞ্চলে সৃষ্ট এলনিনোকে দায়ী করা হচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরার জন্য বুঝুঁকিপূর্ণ এরূপ চারটি জেলা হচ্ছে-
১. রাজশাহী,
২. চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
৩. দিনাজপুর,
৪: যশোর

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরা সৃষ্টি হওয়ার দুটি কারণ নিম্নরূপ-
১. দীর্ঘদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকা।
০২. পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরা একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। খরা হলে ফসল উৎপাদন কমে যায় এবং এটি দুর্ভিক্ষের কারণও হতে পারে। খরার ফলে মানুষ ও গবাদি পশুর জন্য খাদ্যসংকট দেখা দেয়। কৃষিনির্ভর শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়, মাটির উর্বরতা কমে যায়। এমনকি দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে দেশে সামাজিক এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।'

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আটিতে পানি কম থাকলেও জন্মাতে পারে এমন ২টি ফসল
হচ্ছে-
১. গম ও ২. পেঁয়াজ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরা মোকাবিলার ৩টি উপায়-
১. পানির সরবরাহ বাড়ানো।
২. খরা সহনশীল জাতের ফসল চাষ করা।
৩. পুকুর, নদ-নদী, খাল-বিল খনন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোন বাংলাদেশের একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাইক্লোন সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭°C এর বেশি হতে হয়। সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে জলকণায় পরিণত হয় বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপ বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরও বেড়ে যায়। ফলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং আশেপাশের অঞ্চল থেকে বাতাস ছুটে এসে ঘুরতে থাকে এবং এক সময় সাইক্লোনের সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায় তাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার জন্য যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়া, জ্বলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচার জন্য মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা বা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বাড়ি-ঘর নির্মাণে সচেতন হওয়া ইত্যাদি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

                                    ঘূর্ণিঝড়                          জলোচ্ছ্বাস
১. কেন্দ্রীয় লঘুচাপের জন্য ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। ১. সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।
২. ঘূর্ণিঝড়ের সময় জলোচ্ছ্বাস হতেও পারে নাও হতে পারে।২. জলোচ্ছ্বাসের সময় ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে, কারণ ঘূর্ণিঝড় থেকেই জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে উপকূলের কাছাকাছি যে উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, তাকে জলোচ্ছ্বাস বলে। জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের, সাগরগর্ভে ভূমিকম্পের ও অগ্ন্যুৎপাতের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিক অবস্থার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। কারণ বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী। একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার বোমার সমান। তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য বা অসম্ভব

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিবাড়ের ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাসে-
১. ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে।
৩. উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর গাছপালা লাগাতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত এপ্রিল থেকে মে মাসের ভেতর আমাদের দেশে কালবৈশাখী ঝড় হয়। সাধারণত ঈশান কোণে মেঘ জমা হয়ে কিছুক্ষণের মাঝে আকাশ মেঘে ঢেকে গিয়ে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এই বাড়ে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৮০ কিলোমিটারের মতো  হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোনের সাথে টর্নেডোর মূল পার্থক্য হচ্ছে যে, সাইক্লোন সৃষ্টি হয় সাগরে এবং এটি উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। আর টর্নেডো যেকোনো স্থানেই সৃষ্টি হতে পারে কিংবা আঘাত হানতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডো আমাদের অতি পরিচিত দুটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সামুদ্রিক উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। তবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি হলে সেটিকে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। অপরদিকে, আমাদের দেশে সৃষ্ট কালবৈশাখী ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে তাকে টর্নেডো বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

টর্নেডোর ২টি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ

১. টর্নেডোর বিস্তার মাত্র কয়েক মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৫ ৩০ কিলোমিটার হতে পারে। -

২. প্রচন্ড বেগে বাতাস ঘূর্ণির আকারে প্রবাহিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

টর্নেডোর বেলায় পূর্বাভাস কিংবা সতর্কবাণী প্রচার করা সম্ভব হয় না। এ-কারণে টর্নেডোর ক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া যায় না। তাই দুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ এবং পুনর্বাসন কাজ করাই হচ্ছে একমাত্র সমাধান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অগভীর পানিতে সুনামির প্রভাব ক্ষীণ। কারণ অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি ভার শক্তি হারায়। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি এবং এই অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর চেয়ে সুনামিতে বাংলাদেশের ক্ষতি সামান্য ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুনামি মহাসাগর ও সাগরের তলদেশের প্লেট দুমড়ে ফেলে, যার ফলে সৃষ্টি হয় প্রচণ্ড ভূমিকম্প। সমুদ্রে লক্ষ লক্ষ টন পানির বিশাল ঢেউ তৈরি করে যা উপকূলের দিকে আগাতে আগাতে আরও বেশি শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ে। সুনামির সৃষ্টি হলে উপকূলীয় অঞ্চলকে আর রক্ষা করা সম্ভব হয় না.। এ পর্যন্ত যতবার সুনামি হয়েছে ততবারই লাখ লাখ লোক মারা গেছে। তাই সুনামিকে তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুনামির ৪টি কারণ হলো-
১. সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প,
২. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত,
৩. ভূমিধ্বস ও
৪. নভোজাগতিক ঘটনা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোন ও সুনামির মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                        সাইক্লোন                                      সুনামি
১. কেন্দ্রীয় লঘু চাপের সৃষ্টি হয় ১.সমুদ্র তলদেশে তীব্র ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয়।
২.সাইক্লোনের সময় জলোচ্ছ্বাস হতেও পারে নাও হতে পারে ২. অগভীর পানিতে সুনামি ধ্বংসাত্মক জলোচ্ছ্বাসে রূপ নেয়।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

২০০৪ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর স্মরণকালের ভয়ংকর একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সুনামি ঘটেছিল। 'ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। এই কম্পনের ফলে ভারত মহাসাগরে একাংশ সুমাত্রার অন্য একটি অংশকে সজোরে চাপ দেয়। সমুদ্র তলদেশে ব্যাপক ভাঙনের ফলে এতদিনকার ভারত মহাসাগরের সমুদ্রপথের দিক নির্দেশনার মানচিত্রটি পর্যন্ত এলোমেলো হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামিটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুনামি। এই সুনামিতে ভারত মহাসাগরের সীমান্তবর্তী ১৪টি দেশে কমপক্ষে ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। উক্ত সুনামির জলোচ্ছ্বাসে ভারত মহাসাগরের বহু ছোট ছোট দ্বীপ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এমনকি ভারত মুহাসাগরের সমুদ্রপথের দিক নির্দেশনার মানচিত্রটি পর্যন্ত এলোমেলো হয়ে গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টিতে বিদ্যমান দুটি এসিড হলো-
১. সালফিউরিক এসিড ও
২. নাইট্রিক এসিড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টিতে অধিক পরিমাণ এসিড উপস্থিত থাকে যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এই বৃষ্টি মানবদেহে হৃৎপিন্ড ও ফুসফুসের সমস্যা, অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিসের মতো মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্প-কারখানা থেকে নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসৃত হয়, যা পরে বাতাসের অক্সিজেন ও বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড তৈরির মাধ্যমে এসিড বৃষ্টি হিসেবে মাটিতে পড়ে। যেহেতু শিল্পোন্নত দেশে শিল্প-কারখানা বেশি, তাই শিল্পোন্নত দেশে এসিড বৃষ্টি বেশি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টিতে অধিক পরিমাণ সালফিউরিক এসিড ও নাইট্রিক এসিড এবং অল্প পরিমাণে হাইড্রোক্লোরিক এসিড থাকে। আর এসব এসিডের প্রভাবে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। কারণ, এসিড বৃষ্টিতে এসিডের প্রতি সংবেদনশীল অনেক গাছ বা ফসল মারা যায়। এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো অতি প্রয়োজনীয় উপাদান এসিড বৃষ্টিতে দ্রবীভূত হয়ে মাটি থেকে সরে যায়, যা ফসল উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, ইটের ভাটা এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী। যখন বৃষ্টিতে অনেক বেশি পরিমাণ এসিড থাকে তখন তাকে এসিড বৃষ্টি বলে। ইটের ভাটা থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তাতে থাকে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস। এ সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস এসিডে পরিণত হয় এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। এভাবে ইটের ভাটা এসিড বৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে এসিড থাকলে pH ৭-এর কম হয়। pH এর মান ৫-এর কম হলে বেশির ভাগ মাছের ডিম নষ্ট হয়ে যায়। তখন মাছ উৎপাদন ব্যাহত হয়। এছাড়াও মাছের রেণু বা পোনা এসিডের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এ কারণে এসিড বৃষ্টি মাছের জন্য ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন বৃটিতে অনেক বেশি পরিমাণ এসিড থাকে তখন তাকে এসিড বৃষ্টি বলা হয়। যানবাহন থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তাতে থাকে সালফার ডাইআক্সাইড গ্যাস। নির্গত এ সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস এসিডে পরিণত হয় এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। তাই ঢাকা শহরের অধিক যানবাহনকে এসিড বৃষ্টির কারণ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘন ঘন এসিড বৃষ্টি হয় এমন ৪টি দেশ হলো-
১. কানাডা,
২. আমেরিকা,
৩. তাইওয়ান ও
৪. চীন

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টি প্রতিরোধে ২টি করণীয় দিকগুলো-
১. বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে পরিশোধিত কয়লা ব্যবহার করতে হবে।
২. শিল্প-কারখানায়, দূষণরোধক পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের ২টি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
২. ভূমিকম্প পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পনের ফলে ভূপৃষ্ঠে' আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি হওয়া। এটি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কোনো একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। এমনকি বড় ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। এ কারণে ভূমিকম্পকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয় তাকে রিখটার স্কেল বলে। অর্থাৎ এটি হলো ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার পরিমাপক। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ০ থেকে ১০ পর্যন্ত মাপা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের আগে ২টি করণীয় বিষয় নিম্নরূপ-


১. ভূমিকম্পের আগে প্রাথমিক চিকিৎসা কিট, ব্যাটারি চালিত রেডিও, টর্চ লাইট, কিছু বাড়তি ব্যাটারি, শুকনো খাবার এবং পানি রাখার ব্যবস্থা করা।
২. বাসায় গ্যাস, ইলেকট্রিসিটি এবং পানির সরবরাহ বন্ধ করা পদ্ধতি শিখে রাখা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প পরবর্তী ২টি পদক্ষেপ নিম্নরূপ-


১.বড় ভূমিকম্প হয়ে থাকলে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের পরীক্ষা করে দেখতে হবে কেউ আহত হয়েছে কিনা। আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নিতে হবে।
২.পানি, ইলেকট্রিসিটি ও গ্যাসলাইন পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সরবরাহ বন্ধ করে দিতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাতাস বা অক্সিজেন ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না। কিন্তু এই বাতাস যদি দূষিত হয় অর্থাৎ এতে যদি নানারকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, ধুলাবালির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা থাকে তাহলে সেটি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে অক্সিজেনের সাথে আমাদের দেহে প্রবেশ করবে। যার ফলে প্রাণঘাতী ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো নারারকম রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের জীবন ধারণের জন্য পানি খুবই জরুরি একটি উপাদান। পানযোগ্য পানি দূষিত হলে আমাদের দেহে পানিবাহিত রোগসহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিবে। এছাড়া নদ-নদীর পানি দূষিত হলে সেখানে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের জীবন ধারণের জন্য পরিবেশের প্রতিটি উপাদান যেমন- বাতাস, পানি ইত্যাদি অপরিহার্য। যদি এই পরিবেশ মানসম্মত ও উন্নত না হয় তাহলে এক সময় তা জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে এবং এক সময় আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। অর্থাৎ পৃথিবীতে সুস্থভাবে বেঁচে' থাকার জন্যই মানসম্মত পরিবেশের প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির সংরক্ষণশীলতার ২টি কৌশল হলো-
১.১. সম্পদের ব্যবহার কমানো।
২. দূষণ থেকে সম্পদ রক্ষা করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্বন দূষণ বলতে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে বোঝায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

IPCC এর পূর্ণরূপ হল্যে- Intergovernmental Panel on Climate Change.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের প্রধান কারণ হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণ হলো গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদীর পাড়ে পাথর, সিমেন্টের ব্লক, বালির বস্তা, কাঠ বা বাঁশের ঢিবি তৈরি করে বন্যা প্রতিরোধ করার ব্যবস্থাকে নদী শাসন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভারী বর্ষণে পানি খুব সহজে সাগরে যেতে পারে না এবং নদী ভরে দু কূল ছাপিয়ে যা সৃষ্টি হয় তাই বন্যা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ৫৫টি নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাই হলো খরা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটানা ৪ সপ্তাহ ০.২৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত না হলে তাকে আংশিক খরা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খরার মূল কারণ হলো দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচন্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটিকে আমরা সাইক্লোন বলি এবং আমেরিকাতে সেটিকে হ্যারিকেন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোনের মতো প্রচন্ড বাতাস ঘূর্ণির আকারে প্রবাহিত হওয়াকে Tornado বা Thunder storm বা বজ্রঝড় বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নচাপজনিত কারণে যখন প্রচন্ড গতিবেগে ঘূর্ণনের আকারে বাতাস বয় তাকেই ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইক্লোনের মতো প্রচন্ড বেগে বাতাস ঘূর্ণির আকারে প্রবাহিত - হওয়াকে Tornado বলে। Tornado অর্থ হলো Thunder Strom।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উষ্ণ কেন্দ্রীয় যে লঘুচাপ, যার চারদিকে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রচন্ডভাবে ঘুরতে থাকে তাকে সাইক্লোন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Kyklos শব্দের অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। স্যাটেলাইট থেকে সাইক্লোনের ছবি পর্যবেক্ষণ করলে অনেকটা সাপের কুণ্ডলীর ন্যায় গঠনশৈলী দেখা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুনামি জাপানি শব্দ। 'সু' অর্থ বন্দর এবং 'নামি' অর্থ ঢেউ। সুতরাং সুনামি হলো বন্দরের ঢেউ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধ্বস এবং নভোজাগতিক কোনো ঘটনার কারণে যদি সমুদ্রের লক্ষ লক্ষ টন পানির ঢেউ সৃষ্টি হয়ে উপকূলে ধ্বংসাত্মক জলোচ্ছ্বাস হিসেবে আঘাত হানে তবে তাকে সুনামি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন বৃষ্টিতে অনেক বেশি পরিমাণ এসিড বিদ্যমান থাকে তখন তাকে এসিড বৃষ্টি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পানি সম্পদ ও জলজ প্রাণীসমূহ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের ভূগর্ভ (Earth's crust) কতকগুলো ভাগে বিভক্ত, যা স্থিতিশীল নয়, চলমানও হতে পারে এটাই টেকটোনিক প্লেট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প হলো ভূ-অভ্যন্তরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যা ভূত্বকে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির সংরক্ষণশীলতা হলো আমাদের প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অধিক জনসংখ্যা পরিবেশগত প্রধান সমস্যা। কারণ বাড়তি জনসংখ্যার প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে পরিবেশগত উপাদানগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। ১৯৫০ সালের পর থেকে শুধু জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ বনভূমি উজাড় হয়ে গেছে, ফলে হাজার হাজার বনজ গাছপালা ও জীবজন্তুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। বাংলাদেশে হাজার হাজার একর আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে। বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে। এসব শিল্পকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘন ঘন প্রলয়ংকরী বন্যায় মারাত্মক পানি দূষণ হয় এবং পানিবাহিত নানা ধরনের রোগ, বিশেষ করে কলেরা ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পানির মতো বায়ুমণ্ডলীর তাপমাত্রা বাড়লে রোগজীবাণু বেশি জন্মাবে এবং নানা রকম রোগ সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এসব কারণে জলবায়ু পরিবর্তনে আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামুদ্রিক প্রবাল অপমাত্রার প্রতি খুব সংবেদনশীল। সাধারণত ২২-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রবালের জীবনযাপনের জন্য উপযোগী। এ তাপমাত্রার ১-২° বেড়ে গেলেই তা প্রবালের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে কাজ করে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রাও বাড়ছে যা সামুদ্রিক প্রবাল বিলীন হয়ে যাওয়ার কারণ। এছাড়াও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা না থাকাও এর অন্যতম কারণ। উপরোক্ত কারণেই সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রবালগুলো বর্তমানে বিলুপ্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেশি হওয়ার কারণ হলো- এ দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর - থাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, খরার মতো দুর্যোগ প্রতিনিয়তই সংঘটিত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে এসব দুর্যোগের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে বনভূমি ধ্বংস হওয়া। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বনভূমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে প্রাকৃতিক উপায়ে গাছপালার দ্বারা কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ 'কমে যাচ্ছে। যার ফলে বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওজোন, মিথেন, সিএফসি গ্যাসগুলো হলো গ্রিন হাউজ গ্যাস।. নিচে গ্রিন হাউজ গ্যাস বৃদ্ধির দুটি কারণ উল্লেখ করা হলো-
১. যানবাহন, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া।
২. রেফ্রিজারেটর কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে ব্যবহৃত গ্যাস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বলতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াকে বুঝায়। বৈশ্বিক উষ্ণতার মূল কারণ বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি। এছাড়াও বায়ুমন্ডলে ওজোন, মিথেন, সিএফসি, নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াও বৈশ্বিক উষ্ণতায় ভূমিকা রাখছে। এই গ্যাসগুলো পৃথিবী হতে তাপ বিকিরিত হতে বাধা প্রদান করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈষিক উষ্ণতার কারণে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যাবে। ফলে জলবায়ুজনিত পরিবর্তন ঘটবে এবং এতে ঋতুর পরিবর্তন, ঘন ঘন বন্যা, নদী ভাঙন, দীর্ঘমেয়াদি, খরা, পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সামুদ্রিক প্রবাল ঝুঁকি, বনাঞ্চলের বিলুপ্তি, মৎস্য সম্পদ হ্রাস, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে। বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে সর্বোচ্চ, বিপজ্জনক যা ঘটবে তা হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। এরূপ নানাবিধ কারণেই বৈশ্বিক উষ্ণতা বিপজ্জনক

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী। এ দুটি গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডের ক্ষমতা তুলনামূলক কম হলেও এর দ্বারাই সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বায়ুমণ্ডলে সি. এফ. সি. গ্যাসের পরিমাণ খুবই কম। অপরদিকে, কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছেই। যেহেতু CO₂-এর তুলনায় সি.এফ.সি.-এর পরিমাণ খুব কম, তাই CO₂ এর অধিক পরিমাণের জন্য পৃথিবীর গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার ৪৯% ই এর মাধ্যমে, ঘটে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্যা একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বিভিন্ন কারণে বন্যা হয়। যেমন-
১. নদ-নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া।
২. মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট জোয়ার।
৩. এলাকা সমতল হওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটানা ২ সপ্তাহ ০.২৫ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হলে তাকে খরা বলে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বৃক্ষনিধন এবং গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে বায়ুমণ্ডল ধীরে ধীরে রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়, যা খরার মূল কারণ। তাছাড়া পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যাওয়া, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, উজান থেকে পানি প্রত্যাহার, পানি সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার অভাব, ওজোন স্তরের ক্ষয় ইত্যাদির কারণেও খরার সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

টর্নেডো ও সাইক্লোন দুটিই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রচন্ড 'গতিসম্পন্ন বাতাস কুণ্ডলীর আকারে ঘুরপাক খেয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সূত্রপাত ঘটায়। টর্নেডো সাইক্লোনের তুলনার চাইতেও বেশি ভয়াবহ। সাইক্লোনের মতো টর্নেডোর বেলাতেও প্রচন্ড বেগে বাতাস ঘূর্ণির আকারে প্রবাহিত হয় এবং এর যাত্রাপথে যা পড়ে তার সবই ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। তবে টর্নেডোর সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হচ্ছে এটি হঠাৎ করেই অল্প সময়ের মধ্যে প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞ করে ফেলতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রগর্ভে তীব্র ভূকম্পন (রিখটার স্কেলে ৬.৫ মাত্রার উর্ধ্বে). বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্র উপকূলকে প্লাবিত করে এমন প্রবল বেগে ধেয়ে আসা জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে। অন্যদিকে নদী, সমুদ্র প্রভৃতির আকস্মিক জলস্ফীতিকে বলা হয় জলোচ্ছ্বাস। অর্থাৎ জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে সুনামির পরবর্তী ধ্বংসাত্মক রূপ যা সুনামি থেকে সৃষ্ট হলেও সুনামির চেয়েও ভয়ঙ্কর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে। যে দুটি কারণ মূলত ঘূর্ণিবাড় সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করে তা হলো নিম্নচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা। সাধারণত ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে সারা বছরই তা বিদ্যমান থাকে। এ কারণেই বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড় কবলিত দেশ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুনামি জাপানি শব্দ। সু অর্থ বন্দর এবং নামি অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধ্বস এবং নভোজাগতিক কোনো ঘটনার কারণে যদি সমুদ্রের লক্ষ লক্ষ টন পানির ঢেউ সৃষ্টি হয়ে উপকূলে ধ্বংসাত্মক জলোচ্ছ্বাস হিসেবে আঘাত হানে তবে তাকে সুনামি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টি সৃষ্টির জন্য প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুই কারণই জড়িত। প্রাকৃতিক কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, দাবানল, বজ্রপাত, গাছপালার পচন ইত্যাদি। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসৃত হয় যা পরে বাতাসের অক্সিজেন ও বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক ও সালফিউরিক এসিড তৈরি করে। একইভাবে কয়লা বা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা অন্যান্য শিল্পকারখানা, যানবাহন, গৃহস্থালির চুলা ইত্যাদি উৎস হতেও সালফার ডাইঅক্সাইড নির্গত হয় যা পরবর্তীতে এসিডে পরিণত হয়ে এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিড বৃষ্টি পরিবেশে মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে। এসিড, বৃষ্টিতে এসিডের প্রতি সংবেদনশীল অনেক গাছ মরে যায়। এছাড়া কিছু অতি প্রয়োজনীয় উপাদান (যেমন- Ca, Mg) এসিড বৃষ্টিতে দ্রবীভূত হয়ে মাটি থেকে সরে যায়, যা ফসল উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এসিড বৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পানিসম্পদ এবং জলজ প্রাণীর। সুতরাং বলা যায়, এসিড বৃষ্টি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর.।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্পোন্নত দেশে শিল্প কারখানার পরিমাণ বেশি থাকে। এসব শিল্প কারখানা থেকে নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস নির্গত হয় যা পরে বাতাসের অক্সিজেন আর বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। তাই শিল্পোন্নত দেশে এসিড বৃষ্টি বেশি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন বৃষ্টিতে অনেক বেশি পরিমাণ এসিড থাকে তখন তাকে এসিড বৃষ্টি বলে। ইটের ভাটা থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তাতে থাকে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস। এ সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস এসিডে পরিণত হয় এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি 'তৈরি করে। এ কারণেই ইটের ভাটা এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের ভূগর্ভ কতকগুলো ভাগে বিভক্ত যাদেরকে টেকটোনিক প্লেট বলে। এ টেকটোনিক প্লেট কিন্তু স্থিতিশীল নয়, এগুলো চলমান। চলমান একটি প্লেট আরেকটি প্লেটে চাপ দেওয়ার কারণে সেখানে শক্তি সঞ্চিত হয়। যখন হঠাৎ করে প্লেটগুলো সরে যায় - তখন সঞ্চিত শক্তি বের হয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
41

বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ইত্যাদি নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে লেগেই আছে। এসব দুৰ্যোগে জানমালের অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বড় অন্তরায়। পরিবেশের ওপর মানুষের নানারকম হস্তক্ষেপের ফলে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাম্প্রতিক কালে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :

  •  বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পরিবেশগত সমস্যা সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • দুর্যোগ সৃষ্টির কারণ, প্রতিরোধ, মোকাবেলার কৌশল এবং তাৎক্ষণিক করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  সুস্থ জীনযাপনে মানসম্মত ও উন্নত পরিবেশের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব
  • প্রকৃতি সংরক্ষণশীলতার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব। প্রকৃতির সংরক্ষণশীলতার বিভিন্ন কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  • নিজ এলাকায় মানসম্মত ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি অনুসন্ধানমূলক কাজ সম্পন্ন করতে পারব।
  • দুর্যোগ প্রতিরোধ এবং দূর্যোগের করণীয় বিষয়ে সমাজকে সচেতন করার বিষয়ে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব।
  • প্রকৃতির সংরক্ষণশীলতার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি বিষয়ে পোস্টার অঙ্কন করতে পাৱৰ ।
  •  পরিবেশ সংরক্ষণে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করব।

 

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews