একটি ঘর তৈরি করতে হলে প্রথমে কাঠামো বানাতে হয় ।
আমাদের দেহের কাঠামোর নাম কঙ্কাল ।
কঙ্কাল মানবদেহকে নির্দিষ্ট আকার ও কাঠামো দান করে ।
নখ, চুল কিংবা লোম বহিঃকঙ্কাল অন্তর্ভুক্ত ।
পূর্ণবয়স্ক মানুষের কঙ্কাল ২০৬টি অস্থি দিয়ে গঠিত ।
অস্থি ও তরুণাস্থি কঙ্কালের অংশ ।
মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রকে ২টি ভাগে ভাগ করা যায় ।
অস্থি শক্ত ও মজবুত থাকতে খনিজ লবণ সঞ্চয় করে রাখে ।
অস্থি সঞ্চয় করে রাখে এরূপ দুটি খনিজ লবণের নাম ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ।
হৃৎপিন্ড ও ফুসফুসের নিরাপদ আশ্রয় বক্ষগহ্বর ।
অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত 'রক্তকণিকা উৎপন্ন হয় ।
Bone শব্দের অর্থ অস্থি ।
যোজক কলার রূপান্তরিত রূপের নাম অস্থি ।
দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলার নাম অস্থি ।
অস্থির মাতৃকা জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত ।
মাতৃকার মধ্যে অস্থিগুলো ছড়ানো অবস্থায় থাকে ।
অস্থিতে ৪০ - ৫০ ভাগ পানি থাকে ।
জীবিত অস্থিকোষে ৪০ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
জীবিত অস্থিকোষে ৬০ ভাগ অজৈব পদার্থ থাকে ।
অস্থি বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন 'ডি' প্রয়োজন ।
অস্থি বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ধরনের খাবার খাওয়া প্রয়োজন ।
সূর্যালোক থেকে আমরা ভিটামিন 'ডি' পেতে পারি ।
সবসময় ঘরে থাকলে ভিটামিন-ডি ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
সারা শরীর আবৃতকারী পোশাক পরলে ভিটামিন 'ডি' ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে ।
Cartilage শব্দের অর্থ তরুণাস্থি ।
তরুণাস্থি যোজক কলা ভিন্নরূপ ।
জীবিত অবস্থায় তরুণাস্থি কোষের প্রোটোপ্লাজম দেখতে খুব স্বচ্ছ ।
জীবিত অবস্থায় তরুণাস্থি কোষের নিউক্লিয়াসটির আকৃতি গোলাকার থাকে ।
তরুণাস্থি অস্থির সংযোগস্থল কিংবা অস্থির কিছু অংশে থাকে ।
মাতৃকা কন্ড্রিন দিয়ে গঠিত ।
কল্লিনের বর্ণ হালকা নীল ।
কব্জিনের মাঝে থাকা গহ্বরকে ক্যাপসুল বা ল্যাকিউনি বলে ।
কব্জিনের মাঝে গহ্বর দেখা যায় ।
তরুণাস্থি যে যোজক কলা নির্মিত আবরণী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে তাকে পেরিকন্ড্রিয়াম বলে ।
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে ।
নিশ্চল অস্থিসন্ধিগুলো অনড় ।
হাতের কনুই কজাসন্ধি ।
আন্তঃকোষীয় অস্থিসন্ধি অনড় অস্থিসন্ধি ।
হাত এবং পায়ের অস্থিসন্ধি সহজে সঞ্চালন করা যায় ।
হাত এবং পায়ের অস্থিসন্ধি সহজে সঞ্চালন করা যায় ।
গ্লাইকোজেন পেশিতে সঞ্চিত থাকে ।
কাঠামোর উপর আচ্ছাদন তৈরি করা পেশিতন্ত্র কাজ ।
স্নায়বিক উত্তেজনা পেশির মধ্যে উদ্দীপনা জাগানোর ফলে পেশি সংকুচিত হয় ।
কনুই বাঁকা করলে বাইসেপস পেশির ক্ষেত্রে বাইসেপস পেশি সংকুচিত হয় পরিবর্তন হয় ।
টেনডন যোজকটিস্যু দিয়ে গঠিত ।
ইলাস্টিন প্রোটিন ।
ইলাস্টিক তন্তু দুই ধরনের ।
ইলাস্টিক তন্তু ইলাস্টিন প্রোটিন দিয়ে গঠিত ।
অলস জীবনযাপন কিংবা কায়িক পরিশ্রম না করলে অস্টিওপোরোসিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
অস্টিওপোরোসিস ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ ।
মহিলাদের মাসিক চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়াকে রজ-নিবৃত্তি বলে ।
অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ ধরনের খাদ্য প্রয়োজন ।
অস্থির গঠন এবং দৃঢ়তার জন্য ক্যালসিয়াম উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ।
বয়স্ক পুরুষ ও নারীদের সাধারণত অস্টিওপোরোসিস রোগটি হয় ।
ঘনত্বমাপক যন্ত্রের সাহায্যে অস্টিওপোরোসিস রোগ নির্ণয় করা হয় ।
পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও নারীদের দৈনিক ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত ।
অস্থিসন্ধির প্রদাহকে আথ্রাইটিস বলে ।
মেনোপজ হওয়ার পর নারীদের অস্থির ঘনত্ব এবংপুরুত্ব কমতে থাকে ।
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের অপর নাম গেঁটেবাত ।
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে।
কঙ্কালের পাঁচটি কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. দৈহিক কাঠামো গঠন: কঙ্কালতন্ত্র দেহ কাঠামো গঠন করে এবং দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি দান করে।
২.চলাচল: পেশিসমূহ বিভিন্ন অস্থির সাথে যুক্ত থাকে, ফলে পেশি সংকোচন সম্ভব হয়। আর পেশী সংকোচনের ফলেই অস্থি চালিত হয়ে চলন সংঘটিত হয়।
৩. রক্ষণাবেক্ষণ : হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, মস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ড প্রভৃতি নরম ও সংবেদনশীল অঙ্গকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
৪. লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদন অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করে।
৫. খনিজ লবণ সঞ্চয়: কঙ্কালতন্ত্রের অস্থিসমূহ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস জাতীয় খনিজ লবণ সঞ্চিত করে রাখে। দেহের প্রায় ৯৭% ক্যালসিয়াম অস্থিতে জমা থাকে।
টেনডন ও লিগামেন্টের, মধ্যে ৩টি পার্থক্য নিম্নরূপ-
| টেনডন | লিগামেন্ট |
| ১. মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয়। এই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। | ১. পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত একে লিগামেন্ট বলে। |
| ২. ঘন, শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত। | ২. শ্বেততত্ত্ব ও পীততন্তুর সমন্বয়ে লিগামেন্ট গঠিত। |
| ৩. এদের তন্তুগুলো শ্বেতবর্ণের শাখাবিহীন। | ৩. এদের তন্তুগুলো পীতবর্ণের শাখা-প্রশাখা যুক্ত। |
অস্থি ও তরুণাস্থির মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-
| অস্থি | তরুণাস্থি |
| ১. অস্থি, যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। | ১. তরুণাস্থি যোজক কলার ভিন্নরূপ |
| ২. অস্থির মাতৃকা শক্ত ও ভঙ্গুর | ২. তরুণাস্থির মাতৃকা অপেক্ষাকৃত নরম ও স্থিতিস্থাপক। |
| ৩. অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দ্বারা গঠিত। | ৩. তরুণাস্থি কন্ড্রিল নামক এক প্রকার স্বচ্ছ, ঈষদচ্ছ রাসায়নিক বস্তু দ্বারা গঠিত। |
| ৪. অস্থি বৃদ্ধির জন্য প্রচুর ভিটামিন 'ডি' ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন। | ৪. তরুণাস্থির বৃদ্ধির জন্য কোনো বিশেষ খাবারের প্রয়োজন নেই। |
| ৫. অস্থির উদাহরণ- হাতের, পায়ের হাড় প্রভৃতি। | ৫. তরুণাস্থির উদাহরণ-নাকের অগ্রভাগের অস্থি, কানের পিনার অস্থি প্রভৃতি। |
অস্টিওপোরোসিস একটি ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়।
কারণ: দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ যদি বহুদিন স্টেরয়েডযুক্ত ওষুধ - সেবন করে তাদের এ রোগটি হতে পারে। অন্যদিকে মহিলাদের মেনোপস হওয়ার কারণে এ রোগটি হতে পারে। লক্ষণ :
১. অস্থি ভঙ্গুর হয়ে যায়, পুরুত্ব কমতে থাকে।
২. পেশির শক্তি কমতে থাকে।
৩. পিঠের পেছন দিকে ব্যথা অনুভূত হয়।
৪. অস্থিতে ব্যথা অনুভূত হয়।'
কঙ্কাল দেহের একটি অংশ যা দৈহিক গঠন এবং আকার-আকৃতি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। মানবদেহের অভ্যন্তরের অস্থিগুলো পরস্পর সংযুক্ত হয়ে গঠিত যে কঠিন ও দৃঢ় কাঠামো দেহকে আকৃতি প্রদান করে এবং যার সাথে দেহের পেশী ও অন্যান্য নরম দেহকলাগুলো সংযুক্ত হয়ে থাকে, তাকে মানবকঙ্কাল বলে।
মানবদেহে মোট ২০৬টি অস্থি রয়েছে, যা একসাথে শরীরের কাঠামো তৈরি করে। শিশুর দেহে জন্মের সময়ে ৩০০টিরও বেশি অস্থি থাকে, তবে কিছু অস্থি পরবর্তীতে একত্রিত হয়ে ২০৬টি অস্থি তৈরি করে।
অস্থি, তরুণাস্থি, পেশি, পেশিবন্ধনী এবং অস্থিবন্ধনীর সমন্বয়ে কঙ্কালতন্ত্র গঠিত। এই তন্ত্রটি দেহের কাঠামো গঠনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট আকার প্রদান করে। দেহের বিভিন্ন অঙ্গকে বাহ্যিক আঘাত থেকে সুরক্ষিত রাখে। কঙ্কালতন্ত্র জীবের অঙ্গ সঞ্চালন এবং চলনেও সহায়তা করে।
মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. বহিঃকঙ্কাল এবং ২. অন্তঃকঙ্কাল।
১. বহিঃকঙ্কাল: কঙ্কালের এ অংশগুলো বাইরে অবস্থান করে, নখ, চুল কিংবা লোম এর অন্তর্ভুক্ত।
২. অন্তঃকঙ্কাল: কঙ্কাল বলতে আমরা আসলে শরীরের ভিতরকার অন্তঃকঙ্কালই বুঝি। কঙ্কালের এ অংশগুলো আমরা বাইরে থেকে দেখতে পাই না। অস্থি এবং তরুণাস্থি দিয়ে এই কঙ্কালতন্ত্র গঠিত।
কঙ্কালের যে অংশগুলো দেহের বাইরের দিকে অবস্থান করে 'তাকে বহিঃকঙ্কাল বলে। যেমন- নখ, চুল, লোম ইত্যাদি বহিঃকঙ্কালের অন্তর্ভুক্ত।
অন্তঃকঙ্কাল হলো জীবদেহের ভিতরে অবস্থিত কঙ্কাল। অর্থাৎ কঙ্কালের যে অংশগুলো দেহের ভিতরে অবস্থান করে তাকে বলা হয় অন্তঃকঙ্কাল। অস্থি এবং তরুণাস্থি দিয়ে এই কঙ্কালতন্ত্র গঠিত।
কঙ্কালের পাঁচটি কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. কঙ্কাল মানবদেহকে একটি নির্দিষ্ট আকার ও কাঠামো দান করে।
২. পেশিসমূহ কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে এবং দেহের ভারবহনে সাহায্য করে।
৩. হাত, পা, স্কন্ধচক্র ও শ্রোণিচক্রের নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
৪. অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন হয়।
৫. অস্থি খনিজ লবণ সঞ্চয় করে।
অস্থি এক ধরনের রূপান্তরিত যোজক কলা। এটি দেহের সর্বাপেক্ষা দৃঢ় কলা। অস্থির মাতৃকা এক প্রকার জৈব পদার্থ দ্বারা গঠিত। অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। অস্থিকোষকে অস্টিওব্লাস্ট বলা হয়। অস্থিতে মূলত ৪০-৫০ ভাগ পানি থাকে।
অস্থির প্রধান কাজগুলো হলো-
১. শরীরের কাঠামো প্রদান করা।
২. অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর সুরক্ষা (যেমন- মস্তিষ্ক, হার্ট, ফুসফুস)
৩. রক্তরস উৎপাদন, যা হাড়ের অন্তর্নিহিত মজ্জা থেকে হয়।
৪. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চলাচলে সাহায্য করে।
রক্তকণিকার সাথে অস্থির সম্পর্ক রয়েছে। দেহের বেশ কিছু অস্থির লাল অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয়। কাজেই রক্তকণিকার সাথে অস্থির সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়।
তরুণাস্থি এক ধরনের তন্তুময় যোজক কলা য়া অপেক্ষাকৃত নরম ও স্থিতিস্থাপক। আর কোষগুলো একক বা জোড়ায় জোড়ায় খুব ঘনভাবে স্থিতিস্থাপক মাতৃকাতে বিস্তৃত থাকে। জীবিত অবস্থায় তরুণাস্থি কোষের প্রোটোপ্লাজম খুব স্বচ্ছ থাকে। নিউক্লিয়াসটি গোলাকার এবং কন্ড্রিনের মাঝে গহ্বর দেখা যায়।
তরুণাস্থি একটি তন্তুময় যোজক কলা নির্মিত আবরণী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, একে পেরিকন্ড্রিয়াম বলে। পেরিকন্ড্রিয়াম দেখতে চকচকে সাদা। তরুণাস্থি পেরিকন্ড্রিয়ামের রঙের কারণে তরুণাস্থির রং পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ সাদা, নীলাভ ও চকচকে দেখায়।
আমাদের দেহে কয়েক রকম তরুণাস্থি আছে। তরুণাস্থি বিভিন্ন অস্থির সংযোগস্থলে, কিংবা অস্থির কিছু অংশে উপস্থিত থাকে। সব তরুণাস্থি একটি তন্ত্রময় যোজক কলা নির্মিত আবরণী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, একে পেরিকন্ড্রিয়াম বলে। এ আবরণটি দেখতে চকচকে সাদা। এ কারণেই তরুণাস্থিকে চকচকে সাদা দেখায়।
তরুণাস্থির ক্ষতি হলে হাড়ের বৃদ্ধি ও গঠন বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যার ফলে জয়েন্টের ক্ষতি বা বিকৃতির ঝুঁকি বাড়ে। এর ফলে হাড়ের শক্তি কমে যেতে পারে এবং সঞ্চালনের সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে।
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে। প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিগুলো একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে, ফলে অস্থিগুলো সহজে সম্মিস্থল থেকে বিচ্যুত হতে পারে না। সন্ধিস্থল বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।
অস্থিসন্ধির প্রধান কাজ হলো অস্থির মধ্যে গতিশীলতা সৃষ্টি করা এবং শরীরের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
যে অস্থিসন্ধি ক্যাপসিউল বা অস্থিসন্ধি আবরণী এবং সাইনোভিয়াল রস নামক এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ নিয়ে গঠিত হয় তাই সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি। এ অস্থিসন্ধিতে সাইনোভিয়াল রস ও তরুণাস্থি থাকায় অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ ও ক্ষয় প্রতিরোধ করে এবং অস্থিসন্ধি নড়চড়া করতে কম শক্তি ব্যয় হয়।
সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধিতে তরল পদার্থ থাকে, যা সাইনোভিয়াল ফ্লুইড নামে পরিচিত। এটি সন্ধি এলাকায় মসৃণতা বজায় রাখে এবং অস্থির চলাচলে সাহায্য করে।
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থল হলো অস্থিসন্ধি। আমাদের শরীরে সব অস্থিসন্ধি এক রকম নয়। তবে বিভিন্ন অস্থির সংযোগস্থলে তরুণাস্থি থাকে যাতে অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ এবং তজ্জনিত ক্ষয় হ্রাস পায় ও অস্থিসন্ধি নড়াচড়া করাতে কম শক্তি ব্যয় হয়।
অস্থিসন্ধি সুস্থ রাখার উপায়গুলো হলো-
১. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২. নিয়মিত ব্যায়াম করা।
৩. সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া।
৪. নিয়মিত ক্যালসিয়াম, আয়রন, আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধির অংশগুলো হলো- তরুণাস্থিতে আবৃত অস্থিপ্রান্ত, সাইনোভিয়াল রস এবং অস্থিসন্ধিকে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখার জন্য অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বেষ্টিত একটি মজবুত আবরণী বা ক্যাপসুল। অস্থিসন্ধিতে সাইনোভিয়াল রস এবং তরুণাস্থি থাকাতে অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ এবং তজ্জনিত ক্ষয় হ্রাস - পায় ও অস্থিসন্ধি নড়াচড়া করাতে কম শক্তি ব্যয় হয়।
যে অস্থিসন্ধি ক্যাপসুল বা অস্থিসন্ধি আবরণী, গহ্বর এবং সাইনোডিয়াল রস নামক এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ নিয়ে গঠিত তাকে সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি বলে। অস্থিসন্ধিতে সাইনোভিয়াল রস ও তরুণাস্থি থাকাতে অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ ও তজ্জনিত ক্ষয় হ্রাস পায় ও অস্থিসন্ধির নড়াচড়া করাতে কম শক্তি ব্যয় হয়।
যে অস্থিসন্ধি ক্যাপসুল বা অস্থিসন্ধি আবরণী এবং সাইনোভিয়াল রস নামক এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থসহ অস্থিসন্ধি গহ্বর নিয়ে গঠিত হয় তাকে সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি বলে। এ ধরনের অস্থিসন্ধি অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ ও তজ্জনিত ক্ষয় হ্রাস করে। ফলে অস্থিসন্ধির নড়াচড়া করতে কম শক্তি ব্যয় হয়। তাই সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি গুরুত্বপূর্ণ।
ঈষৎ সচল অস্থিসন্ধি একে অন্যের সাথে সংযুক্ত থাকলেও সামান্য নড়াচড়া করতে পারে, ফলে আমরা দেহকে সামনে, পিছনে এবং পাশে বাঁকাতে পারি। যেমন- মেরুদণ্ডের অস্থিসন্ধি।
যে সকল অস্থিসন্ধি সহজে নড়াচড়া করানো যায় তাদেরকে পূর্ণসচল অস্থিসন্ধি বলে। এ জাতীয় অস্থিসন্ধির মধ্যে বল ও কোটর সন্ধি, কব্জাসন্ধি প্রধান। সাইনোডিয়াল অস্থিসন্ধিই কেবল পূর্ণসচল হতে পারে।
যে সকল অস্থিসন্ধি সহজে নড়াচড়া করানো যায় তাকে পূর্ণসচল অস্থিসন্ধি বলে। পূর্ণসচল অস্থিসন্ধিকে বল ও কোটর সন্ধি বলা হয়। কারণ বল ও কোটর সন্ধির সন্ধিস্থলে একটি অস্থির মাথার মতো গোল অংশ অন্য অস্থির কোটরে এমনভাবে স্থাপিত থাকে যাতে অস্থিটি বাঁকানো, পার্শ্ব চালনা ও সকল দিকে সহজে নড়ানো সম্ভবপর হয়।
পূর্ণসচল অস্থিসন্ধি বলতে সেসব অস্থিসন্ধিকে বুঝানো হয় যেগুলোকে সহজেই নড়াচড়া করানো যায়। মানবদেহের সব অস্থিসন্ধি পূর্ণসচল অস্থিসন্ধি নয়। কারণ সব অস্থিসন্ধিকে সহজে নড়াচড়া করনো যায় না। একমাত্র সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধিই কেবল পূর্ণসচল হতে পারে।
কব্জা যেমন দরজার পাল্লাকে কাঠামোর সাথে আটকে রাখে, সেরূপ কজার মতো সন্ধিকে কজাসন্ধি বলে। যেমন- হাতের কনুই, জানু এবং অঙ্গুলগুলোতে এ ধরনের সন্ধি দেখা যায। এসব সন্ধি কেবলমাত্র একদিকে নড়ানো যায়।
কজা যেমন দরজার পাল্লাকে কাঠামোর সাথে আটকে রাখে, সেরূপ কজার মতো সন্ধিকে কজা সন্ধি বলে। যেমন- হাতের কনুই, জানু এবং আঙুলগুলোতে এ ধরনের সন্ধি দেখা যায়। এসব সন্ধি কেবল এক দিকে নড়ানো যায়। হাতের কনুই সন্ধিও কজার মতো বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে একারণে একে কজাসন্ধি বলা হয়।
পেশি হলো প্রাণিদেহের বিশেষ এক ধরনের নরম কিন্তু স্থিতিস্থাপক কলা যার উদ্দেশ্য প্রাণীর নড়ন, চলন ও বল প্রয়োগে সহায়তা করা। প্রাণিদেহের অভ্যন্তরেও পেশিসমূহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ পালন করে, যেমন-হৃৎপিণ্ডের সংকোচন-প্রসারণ, পৌস্টিক নালির ভেতর দিয়ে খাদ্য পরিবহন ইত্যাদি।
মানবদেহে পেশি বিভিন্ন কাজ করে থাকে। পেশিকোষ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন, চলন ও অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঘটায়। ঐচ্ছিক পেশি সংকোচন প্রসারণের দ্বারা হাত, পা ইত্যাদি অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায়। অনৈচ্ছিক পেশি প্রধানত দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সঞ্চালনে (যেমন-হজম প্রক্রিয়ার অস্ত্রের ক্রমসংকোচন) অংশ নেয়। মানব সৃস্টির একটি বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত হৃদপেশি একটি নির্দিস্ট গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়া সচল_রাখে।
পেশির চারটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচে দেওয়া হলো-
১. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালন, চলাফেরায় সহায়তা, অঙ্গবিন্যাস এবং ভারসাম্য রক্ষা করা।
২. কঙ্কালতন্ত্রের সাথে যৌথভাবে দেহের নির্দিষ্ট আকার গঠন করা।
৩. পেশিতে গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে ভবিষ্যৎ জরুরি প্রয়োজনে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা।
৪. হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন এবং রক্ত সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করা।
বাইসেপস ফ্লেক্সর ধরনের পেশি। হাতের সামনে অবস্থিত পেশিকে বাইসেপস পেশি বলে। এর এক প্রান্ত স্ক্যাপুলার সঙ্গে আটকানো এবং অন্য প্রান্ত রেডিয়াস অস্থির সাথে যুক্ত থাকে। বাইসেপস পেশি সংকুচিত হলে কনুইসন্ধি ভাঁজ হয়ে রেডিয়াস ও আলনা স্ক্যাপুলার দিকে উত্তোলিত হয়। ফলে হাত বাঁকানো সম্ভব হয়।
ট্রাইসেপস পেশি, অনেক মেরুদণ্ডী প্রাণীর উপরের অঙ্গের পিছনে একটি বড় পেশি। এটি কনুই জয়েন্টের প্রসারণ এবং বাহু সোজা করার জন্য দায়ী এবং এটি কাঁধের স্থায়িত্ব এবং শক্তিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ট্রাইসেপস ও বাইসেপস পেশির পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
| ট্রাইসেপস | বাইসেপস |
| ১. ট্রাইসেপস পেশি বাঁকানো হাতকে পূর্বের অবস্থায় অর্থাৎ সোজা করতে পারে। | ১. বাইসেপস পেশি বাঁকানো হাতকে সোজা করতে পারে না। |
| ২. কনুই বাঁকা করলে ট্রাইসেপস পেশি শ্লথ হয়। | ২. কনুই বাঁকা করলে বাইসেপস পেশি সংকুচিত হয়। |
মাংসপেশির প্রান্তভাগে রজ্জুর মতো শুষ্ক হয়ে অস্থি গাত্রের সাথে যুক্ত থাকে। এ শক্ত প্রান্তকে টেন্ডন বলে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত হয়। এসব টিস্যু শাখা-প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গায়িত এবং উজ্জ্বল শ্বেততত্ত্ব দ্বারা গঠিত।
টেনডন এর তন্ত্রগুলো গুচ্ছাকারে ও পরস্পর সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকে। অনেকগুলো তন্ত্র একত্রে আঁটি বা বান্ডল তৈরি করে। এ আঁটিগুলো একত্রে দলবদ্ধ হয়ে তৈরি করে আঁটি গুচ্ছ যা তত্ত্বময় টিস্যুগুচ্ছ বা অ্যারিওলার টিস্যু দ্বারা বেষ্টিত হয়ে বড় আঁটিতে পরিণত হয়, একে পেরিটেন্ডিয়াম বলে।
দৃঢ় ও স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে লিগামেন্ট বলে। লিগামেন্ট শ্বেততত্ত্ব ও পীততন্তুর সমন্বয়ে গঠিত। তন্তুগুলো ইলাস্টিক নামক আমিষ দ্বারা গঠিত।
মানবদেহের দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি! বলে। প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিগুলো একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে। যার ফলে অস্থিগুলো সন্ধিস্থল থেকে বিচ্যুত হতে পারে না। এ কারণে আমাদের দেহের অস্থিগুলো নড়াচড়া করলেও স্থানচ্যুত হয় না।
লিগামেন্ট তন্তুগুলো গুচ্ছাকারে না থেকে আলাদাভাবে অবস্থান করে। এদের স্থিতিস্থাপকতা আছে। তন্তুগুলো ইলাস্টিন নামক আমিষ দ্বারা তৈরি। তন্তুগুলোর মাঝে ডাইব্রোব্লাস্ট কোষ থাকে।
টেনডন প্রধানত কোলাজেন নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়, যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল। আবার লিগামেন্টেও কোলাজেন প্রোটিন থাকে তবে এর গঠন টেনডনের চেয়ে একটু বেশি নমনীয়।
পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে। এতে পীতবর্ণের স্থিতিস্থাপক তন্তুর সংখ্যা বেশি থাকে। এর মধ্যে সরু, শাখাপ্রশাখা বিশিষ্ট জালিকাকারে বিন্যস্ত কতগুলো তন্তু ছড়ানো থাকে। এদের স্থিতিস্থাপকতা আছে। কবজা যেমন পাল্লাকে দরজার কাঠামোর সাথে আটকে রাখে অনুরূপভারে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট হাড়কে আটকে রাখে। এতে অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাঁকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এরং হাড়গুলো স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না।
মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে যুক্ত হয়। এ শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। আর লিগামেন্ট হলো পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক বন্ধনী যা দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত। আর শ্বেততত্ত্ব ও পীততত্ত্বর সমন্বয়ে লিগামেন্ট গঠিত। টেনডনের স্থিতিস্থাপতা নেই কিন্তু লিগামেন্টের স্থিতিস্থাপকতা রয়েছে। এ সকল আলোচনা থেকে দেখা যাচ্ছে টেনডন লিগামেন্ট থেকে ভিন্ন।
অস্টিওপোরেসিস একটি ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়। কোনো বয়স্ক পুরুষ বহুদিন যাবৎ স্টেরয়েডযুক্ত ওষুধ সেবন করলে ওই মহিলাদের মেনোপস হওয়ার পর এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়াও যারা অলস জীবনযাপন করেন এবং দীর্ঘদিন যাবৎ আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগছেন তাদের এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ রোগের ক্ষেত্রে অস্থির পুরুত্ব কমতে থাকে ও অস্থি ভঙ্গুর হয়ে যায়।
অস্টিওপোরোসিস একটি ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ। বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের সাধারণত এ রোগটি হয়। দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়। এই কারণে অস্টিওপোরোসিসকে খনিজ খাদ্য উপাদানের অভাবজনিত রোগ বলা হয়।
অস্থি রোগের সাথে মেনোপোজ এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অস্থির একটি জটিল রোগ হচ্ছে অস্টিওপোরোসিস। বয়স্ক পুরুষ ও নারীদের সাধারণত এ রোগটি হয়। নারীদের মেনোপোজ হওয়ার পর এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
যারা অলস জীবনযাপন করে তাদের শরীরে অস্টিওপোরোসিস সহ নানা মারাত্মক রোগ বাসা বাঁধে। প্রতিদিন যে পরিমাণ শক্তি আমরা খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করি সে শক্তি যদি ব্যয় না হয় তাহলে দেহে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ফলে কায়িক পরিশ্রম শরীরের জন্য উপকারী।
অস্টিওপোরোসিস রোগের লক্ষণগুলো হলো-
১. অস্থি ভঙ্গুর হয়ে যায়, পুরুত্ব কমতে থাকে।
২. পেশির শক্তি কমতে থাকে।
৩. পিঠের পেছন দিকে ব্যথা অনুভব হয়।
৪. অস্থিতে ব্যথা অনুভব হয়।
অস্টিওপোরোসিস হলে বুঝার উপায় হলো দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়। মহিলাদের মেনোপোজ হওয়ার পর অস্থির ঘনত্ব ও পুরুত্ব কমতে থাকে। এছাড়াও নিচে লক্ষণগুলো দেখা যায়-
১. অস্থি ভঙ্গুর হয়ে যায়, ঘনত্ব কমতে থাকে।
২. পেশির শক্তি কমতে থাকে।
৩. পিঠের পিছন দিকে ব্যথা অনুভব হয়।
৪. অস্থিতে ব্যথা অনুভব হয়।
অস্টিওপোরোসিষ হলে নিম্নলিখিত উপায়গুলো মেনে চললে এই রোগ থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা-
১. পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও নারীদের দৈনিক ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে হবে।
২. ননিতোলা দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য গ্রহণ করতে হবে।
৩. কমলার রস, সবুজ শাক-সবজি, সয়াদ্রব্য ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
অস্টিওপোরোসিস হলে নিম্নলিখিত উপায়ে প্রতিরোধ করা যায়-
১. যথেষ্ট পরিমাণে সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসা।
২. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করা।
৪. সুষম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা।
অস্টিওপোরোসিস একটি ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ। দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের অভাবে এ রোগ হয়। বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের সাধারণত এ রোগ হয়। আর্থ্রাইটিস এক ধরনের বাতরোগ। অনেকদিন যাবত বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়।
আর্থ্রাইটিস এক ধরনের বাতরোগ। অনেকদিন ধরে বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। এ রোগ হলে অস্থিসন্ধি বা গিঁটে ব্যথা হয়, ফুলে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। ফলে অস্থিসন্ধি নাড়াতে কষ্ট হয়। তবে কমবয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে গিটে ব্যথা বা যন্ত্রণা অন্য রোগের লক্ষণ হতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এ রোগ পুরোপুরি সারানো যায় না।
গেঁটেবাত এক ধরনের বাত রোগ। অনেকদিন যাবৎ বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের বেলায় গিটে ব্যথা বা যন্ত্রণা হওয়া অন্য রোগের লক্ষণ হতে পারে।
আর্থ্রাইটিস রোগের লক্ষণগুলো হলো-
১. তাস্থিসন্ধি বা গিটে প্রদাহ বা ব্যথা হয়।
২. অস্থিসন্ধিগুলো শক্ত হয়ে যায়।
৩. অস্থিসন্ধি নাড়াতে কষ্ট হয়।
৪. গিট ফুলে যায়।
বয়স্কদের বেলায় এ রোগ পুরোপুরি সরানো যায় না। তবে নিচের ব্যবস্থাগুলো নিলে কিছুটা উপকার বা প্রতিকার পাওয়া যায়-
১. অত্যাধিক পরিশ্রম আর ভারী কাজ থেকে বিরত থাকা।
২. যন্ত্রণাদায়ক গিটের উপর কুসুম গরম স্যাঁক নেওয়া।
৩. অস্থিসন্ধির নড়াচড়া ঠিক রাখতে হালকা ব্যায়াম করা।
৪. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বেদনা উপশমকারী ঔষধ সেবন ও সঠিক চিকিৎসা দিয়ে এ রোগের কন্ট থেকে আংশিক পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
নিম্নলিখিত উপায়ে আথ্রাইটিস রোগ প্রতিরোধ করা যায়-
১. চিকিৎসক নির্দেশিত পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্যায়াম করা।
২. সুষম ও আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা।
২. অতিরিক্ত ওজন কমানো।
৪. নিয়মিত ব্যায়াম করা।
তাস্থি ও তরুণাস্থি নামক বিশেষ ধরনের যোজক কলা নির্মিত যে গঠনাংশ দেহের অবকাঠামোগত গঠনসহ নরম অংশসমূহ সংরক্ষণ করে তাই কঙ্কাল।
যে তন্ত্র দেহের কাঠামো গঠন করে, নির্দিষ্ট আকৃতি দেয় এবং বিভিন্ন অঙ্গকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং চলনে সাহায্য করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
লম্বা, ছোট, চ্যাপ্টা, অসমান মোট ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে কঙ্কাল গঠিত।
অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সর্বাপেক্ষা দৃঢ় কলা।
কন্ড্রিনযুক্ত যোজক কলার রূপান্তরিত রূপই হলো তরুণাস্থি।
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে।
কোমলাস্থি এক ধরনের নমনীয় স্কেলিটাল যোজক টিস্যু। মানুষের নাক ও কানের পিনা কোমলাস্থি দিয়ে তৈরি।
পেরিকন্ড্রিয়াম হলো তন্ত্রময় যোজক কলা নির্মিত: আবরণী যা দ্বারা তরুণাস্থি পরিবেষ্টিত থাকে।
অস্থিতে প্রায় ৪০ - ৫০ ভাগ পানি থাকে।
অস্থির মাতৃকা নামক আন্তঃকোষীয় পদার্থের মধ্যে অস্থিকোষগুলো ছড়ানো থাকে যাদেরকে অস্টিওব্লাস্ট বলে।
জীবিত অবস্থায় তরুণাস্থি কোষে যে স্বচ্ছ প্রোটোপ্লাজম, গোলাকার নিউক্লিয়াস কন্ড্রিনের মাঝে যে গহ্বর দেখা যায় সেগুলোই ক্যাপসুল বা ল্যাকিউনি।
সারকোলেমা হলো পেশি তন্তুর সংকোচনশীল বহিরাবরণ।
মাংসপেশির প্রান্তভাগ যখন রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থি গাত্রের সাথে যুক্ত থাকে, তখন এ শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে।
পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ় স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাই হলো অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট।
অস্ত্রি বন্ধনীতে পীতবর্ণের স্থিতিস্থাপক তন্তুর সংখ্যা বেশি থাকে।
মানবদেহের অস্থিতে ক্যালসিয়ামের অভাবে যে রোগ হয় তাকে অস্টিওপোরেসিস বলে।
বল ও কোটরসন্ধিতে সন্ধিস্থলে একটি অস্থির মাথার মতো গোল অংশ অন্য অস্থির কোটরে এমনভাবে স্থাপিত থাকে যেন অস্থিটি বাঁকানো, পাশে চালনা করা কিংবা সকল দিকে নাড়ানো সম্ভবপর হয়। কাঁধের সন্ধিও তন্দুপ অস্থি কোটরে এমনভাবে স্থাপিত থাকে যেন অস্থিটি বাঁকানো, পাশে চালনা করা কিংবা সকল দিকে নাড়ানো সম্ভবপর হয়। তাই কাঁধের সন্ধিকে সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি বলা হয়।
মানবদেহে কঙ্কাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কঙ্কাল মানবদেহের কাঠামো গঠন করে দৈহিক আকৃতি প্রদান করে। কঙ্কাল না থাকলে মানবদেহের কাঠামো গঠন হতো না ফলে অন্যান্য অঙ্গসমূহ সঠিকভাবে অবস্থান করতে পারত না এবং নিরাপদে থাকত না। তাই বলা যায় মানব দেহে কঙ্কাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দরজার কজা দরজার পাল্লাকে কাঠামোর সাথে আটকে রাখে, দরজাকে এদিক-ওদিক ঘুরতে, নড়াচড়া করতে এবং স্থানচ্যুত বা বিচ্যুত হওয়া থেকে রক্ষা করে। হাতের কনুইয়ের সন্ধিও তদুপ হাতের দুটি অস্থিকে এক সাথে আটকে রেখে হাতকে নড়াচড়া করতে এবং স্থানচ্যুত হওয়া থেকে রক্ষা করে। তাই হাতের কনুইকে দরজার কজার সাথে তুলনা করা হয়েছে।
যারা সারা শরীর কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখে কিংবা দীর্ঘদিন বাইরে বের না হওয়ায় ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না, তাদের ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ, সূর্যের অতিবেগুণি রশ্মির প্রভাবে ত্বকে জমে থাকা কোলেস্টেরল থেকে এটি তৈরি হয়। এছাড়া দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ইত্যাদি ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ না করলেও ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি হতে পারে।
প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিগুলো একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে। ফলে অস্থিগুলো সহজে সন্ধিস্থল থেকে বিচ্যুত হতে পারে না। সন্ধিস্থল বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যজা সঞ্চালনে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের সব অস্থিসন্ধি একরকম নয়। এদের কোনোটি একেবারে অনড়। যেমন- আন্তঃকশেরুকীয় অস্থিসন্ধি। আবার কোনোটি সহজেই সঞ্চালন করা যায়। যেমন-হাত ও পায়ের অস্থিসন্ধি। আর এ কারণেই অস্থিসন্ধির প্রয়োজন।
মাংশপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত, এ শক্ত প্রান্তই হলো টেনডন। টেনডন ঘন, শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু দিয়ে গঠিত এবং অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দ্বারা সংযুক্ত থাকে তাকে লিগামেন্ট বলে। লিগামেন্ট শ্বেততন্ত্র এবং পীততন্ত্র এ দুধরনের ইলাস্টিক তন্তু দিয়ে গঠিত।
সিঁড়ি দিয়ে নামতে পা বেকায়দায় পড়লে যে ধরনের দুর্ঘটনা হবার সম্ভাবনা থাকে তা হলো -
মচকানো। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-মচকানোর ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে গোড়ালিতে। অস্থিসন্ধিতে আঘাতের ফলে সন্ধিকে অবলম্বন দানকারী লিগামেন্টে সৃষ্টি হয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা টান কিংবা লিগামেন্ট ছিঁড়েও যেতে পারে। এমন অবস্থাকে সাধারণভাবে মচকানো নামে অভিহিত করা হয়। মচকানোর ঘটনাটি গুরুতর হলে চারটি কাজ গুরুত্বের সাথে করতে হবে। এগুলো হলো: R-Rest (বিশ্রাম), I-Ice (বরফ), C-Compression (ক্ষত-পরিষ্কার) ও E-Elevation (উচ্চতায় রাখা)। এ চারটি কাজ একত্রে RICE নামে প্রচলিত। সকলেরই এ কাজগুলো সম্পর্কে জানা উচিত।
পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে। এদের স্থিতিস্থাপকতা আছে। এই স্থিতিস্থাপকতার জন্য লিগামেন্ট হাড়কে আটকে রাখে। কিন্তু টেনডনের এই স্থিতিস্থাপকতা নেই বললেই চলে। তাই টেনডন অপেক্ষা লিগামেন্ট অধিক স্থিতিস্থাপক।
টেনডন মাংসপেশিকে অস্থির সাথে সংযুক্ত রাখে। ফলে পেশি ও অস্থির সমন্বয়ে সহজে চলাচল করা যায়। আবার লিগামেন্ট একটি হাড়কে অপর হাড়ের সাথে আটকে রাখে। এটি তুলনামূলক স্থিতিস্থাপক হওয়ায় চলাচলের সময় অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এবং হাড়গুলি স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না। তাই মানবচলনে টেনডন ও লিগামেন্টের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
অস্থির গঠন ও দৃঢ়তার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ক্যালসিয়ামের অভাবে অস্থি ভঙ্গুর হয়ে বয়স্ক মানুষের অস্টিওপোরেসিস রোগ হয়। এজন্যই অস্থির গঠন ও দৃঢ়তার জন্য বয়স্ক মানুষের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
Related Question
View Allযোজক কলার রূপান্তরিত রূপই হলো অস্থি।
গেঁটেবাত এক ধরনের বাত রোগ। অনেকদিন যাবৎ বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রেও গেঁটেবাত হতে পারে।
বিনিতার আঘাতপ্রাপ্ত অংশটি হলো লিগামেন্ট। এর সাহায্যে অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ অংশটিকে দরজার কব্জার সাথে তুলনা করার কারণ কজা যেমন পাল্লাকে দরজার কাঠামোর সাথে আটকে রাখে অনুরূপভাবে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট অস্থিসমূহকে পরস্পরের সাথে আটকে রাখে। এতে অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাঁকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এবং হাড়গুলো স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না।
উদ্দীপকের উল্লিখিত বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য। কারণ মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত। এ ধরনের টিস্যুর আন্তঃকোষীয় পদার্থে বা ম্যাট্রিক্সে শ্বেততত্ত্ব ছড়ানো থাকে। পেশি ও টেনডনের সংযোগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য টেনডনের আঁটিগুচ্ছ বেষ্টনকারী অ্যারিওলার টিস্যু, পেশি বান্ডল বা আঁটির আবরক টিস্যুর সাথে অবিচ্ছন্ন যোগাযোগ তৈরি করে। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেনডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। পেশি বন্ধনী পেশি প্রান্তে রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থির সাথে সংযুক্ত থাকে, পেশি অস্থির সাথে আবদ্ধ হয়ে দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তা দানে সাহায্যে করে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপ-টানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাই বলা যায় বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য।
মাংসপেশির যে প্রান্তভাগে রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয় যে শক্ত প্রান্তই টেনডন।
অস্টিওপোরোসিস হলো অস্থি সম্পর্কিত একটি রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়। বহুদিন যাবৎ স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধ সেবন, মহিলাদের মেনোপজ হওয়ার পর, অলস জীবন-যাপন ও অনেক দিন যাবৎ আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
