সংক্ষিপ্ত- প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত যে বস্তু মূল্যের পরিমাপক, দেনা-পাওনা মেটানোর উপায় হিসেবে সর্বত্র গ্রহণযোগ্য, সঞ্চয়ের বাহন ও ঋণের ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত, তাকে অর্থ বলে। যেমন: বাংলাদেশে টাকা, ভারতে রূপি, আমেরিকায় ডলার এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ইউরো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে ব্যাংক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থ আমানত হিসেবে জমা রাখে এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ প্রদান করে, তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। যেমন- সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক লি. ইত্যাদি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইংরেজি 'Clearing House'-এর বাংলা অর্থ হলো পরিচ্ছন্ন ঘর। নিকাশঘর বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংকের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন চেক, ড্রাফট, হুন্ডি প্রভৃতি ভাঙানোর মাধ্যমে একে অন্যের নিকট পাওনাদার হয়। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ লেনদেনের 'নিকাশঘর' হিসেবে পারস্পরিক দেনা-পাওনার হিসাব পরিশোধ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকারি আইন দ্বারা যেসব মুদ্রা প্রচলিত এবং যা সবাই গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে তাকে বিহিত মুদ্রা বলে। বাংলাদেশে ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকার কাগজি নোট এবং ৫০ পয়সা, ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকার ধাতবমুদ্রা প্রভৃতি বিহিত মুদ্রা। গ্রহণসীমার ভিত্তিতে বিহিত মুদ্রাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অসীম বিহিত মুদ্রা ও সসীম রিহিত মুদ্রা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যখন অর্থের প্রচলন ছিল না তখন কারো কোনো দ্রব্যের প্রয়োজন হলে নিজের জিনিসের বিনিময়ে অন্যের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করত। প্রাচীনকালে কৃষক ধানের বিনিময়ে জেলের কাছ থেকে মাছ সংগ্রহ করত। আবার জেলে তার মাছের বিনিময়ে ধান সংগ্রহ করত। এভাবে এক দ্রব্যের পরিবর্তে অন্য দ্রব্য বিনিময় করে অভাব পূরণ করার ব্যবস্থাকে পণ্য বিনিময় প্রথা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পঞ্চাশ টাকার নোট দ্বারা আইনগত যেকোনো লেনদেন করা যায় বলে একে অসীম বিহিত মুদ্রা বলে। সরকারি আইন দ্বারা প্রচলিত মুদ্রাকে বিহিত মুদ্রা বলে। যে বিহিত মুদ্রা আইনগত যেকোনো পরিমাণ লেনদেন করা যায় এবং সকলে গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে তাকে অসীম বিহিত মুদ্রা বলে। পঞ্চাশ টাকার নোট যেকোনো পরিমাণে লেনদেন করা যায় বলে এটি অসীম বিহিত মুদ্রা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব মুদ্রা কাগজ দ্বারা তৈরি করা হয় তাকে কাগজি মুদ্রা বলে। মুদ্রা বা নোটের ওপর লিখিত মূল্যই তার মূল্যের নির্দেশক। যা সাধারণত অভ্যন্তরীণ মূল্য অপেক্ষা অধিক হয়। সকল দেশেই কাগজি মুদ্রা সরকারি নির্দেশে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত হয়। তাই বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই কাগজি মুদ্রার ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রাহকদের স্বার্থে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে মুদ্রা স্থানান্তরই হলো অর্থ স্থানান্তর। গ্রাহকগণ নিরাপদে ও দ্রুত অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর করে থাকে। অর্থ প্রেরণের মাধ্যম হলো চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পোস্টাল অর্ডার, টেলিগ্রাম প্রভৃতি। বর্তমানে এসব উপকরণ ব্যবহার করে সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে অর্থ স্থানান্তর করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য বলে অর্থের বিনিময়ে লেনদেন সম্পন্ন হয়। বিক্রেতা কোনো দ্রব্যের বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করে। আবার ক্রেতাও অর্থের বিনিময়ে দ্রব্যসামগ্রী গ্রহণ করে। এভাবে অর্থের দ্বারা যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণ পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। ফলে লেনদেন সহজ ও গতিশীল হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থের প্রথম ও প্রধান কাজ হলো বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে লেনদেন সম্পন্ন করা। ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে অর্থ বিনিময়ের সহজ মাধ্যম। এটি দিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করা যায়। ফলে ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ, গতিশীল ও বিস্তৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থের মাধ্যমে দ্রব্য ও সেবার সঠিক মূল্য পরিমাপ করা যায় বলে একে মূল্যের পরিমাক বলা হয়। অতীতে দ্রব্য বিনিময় প্রথায় দ্রব্য ও সেবাকর্মের মূল্যের কোনো নিশ্চিত বা সঠিক মানদণ্ড ছিল না। কিন্তু অর্থের প্রচলন হওয়ার পর থেকে দ্রব্য ও সেবাকর্মের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে তা কার্যকর মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- একটি বইয়ের ক্রয়মূল্য ৫০ টাকা। এক্ষেত্রে ৫০ টাকা হচ্ছে ঐ বইটির মূল্যের পরিমাপক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত যে বস্তু মূল্যের পরিমাপক, দেনা-পাওনা মেটানোর উপায় হিসেবে সর্বত্র গ্রহণযোগ্য তাকে অর্থ বলে। অধিকাংশ দ্রব্যসামগ্রী পচনশীল বলে সেগুলোর মাধ্যমে সঞ্চয় করা সম্ভব নয়। কিন্তু অর্থ দ্বারা সবকিছু বিনিময় করা যায় বলে এরূপ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার মূল্য অর্থের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা সম্ভব। তাই মানুষ তার আয় থেকে ভোগ ব্যয় বাদ দিয়ে যা উদ্বৃত্ত থাকে তা অর্থের মাধ্যমে সঞ্চয় করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে যে ব্যাংক পরিচালিত হয় তাই হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংক জনসাধারণের কাছ থেকে তাদের সঞ্চয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ আমানত হিসেবে গ্রহণ করে। এ সংগৃহীত অর্থ ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও উদ্যোক্তাদের স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে। এভাবে ঋণ ও আমানতের জন্য প্রদেয় সুদের পার্থক্য থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংক মুনাফা অর্জন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে ব্যাংক মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয় তা-ই হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। মুনাফা অর্জন করতে হলে ব্যাংককে অর্থের লেনদেন করতে হয়। সেজন্য ব্যাংক জনসাধারণের অর্থ জমা রাখে এবং তার বিনিময়ে জনসাধারণকে স্বল্প সুদ প্রদান করে। ব্যবসায়-বাণিজ্যের লক্ষ্যে উত্ত তার্থ ব্যাংক বিনিয়োগকারীকে ঋণ দিয়ে তার কাছে থেকে অধিক সুদ আদায় করে। এভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংককে স্বল্পমেয়াদি ঋণের কারবারিও বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। বাণিজ্যিক ব্যাংক অর্থ আমানতকারীদেরকে স্বল্প হারে সুদ দেয়। অন্যদিকে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে উচ্চহারে সুদ আদায় করে। এ দুয়ের ব্যবধানই ব্যাংকের মুনাফা। এভাবে ব্যাংক আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদানের মধ্য দিয়ে তার মূল উদ্দেশ্য সাধন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে 'আমানতের অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তোলা যায় না তাকে স্থায়ী আমানত বলে। স্থায়ী আমানত নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য করা হয়। যেমন- ৩ মাস, ৬ মাস, ১ বছর, ৩ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর ইত্যাদি। ব্যাংক এ ধরনের আমানতের ওপর বেশি হারে সুদ প্রদান করে থাকে। এ আমানতের অর্থ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও তোলা যায়। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত প্রযোজ্য থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে জনগণের সঞ্চিত অর্থ আমানত হিসেবে সংগ্রহ করে। এ আমানতের কিছু অংশ গ্রাহকের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য হাতে রেখে বাকি অর্থ গ্রাহককে ঋণ দেয়। ব্যাংক গ্রাহককে সরাসরি ঋণ না দিয়ে গ্রাহকের হিসাবে ঋণের টাকা জমা করে দেয়। এভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণ ও আমানত সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিগতভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংক হলো স্বল্পমেয়াদি ঋণের ব্যবসায়ী। এটি দীর্ঘমেয়াদের জন্য ঋণ দেয় না। কেননা বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতকারীগণ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের জন্য টাকা জমা রাখে এবং প্রয়োজনের সময় টাকা উঠিয়ে নেয়। তাই বাণিজ্যিক ব্যাংক গ্রাহককে চাহিবামাত্র টাকা পরিশোধে বাধ্য থাকে। এ কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক ড্রাফট ইস্যু করা সোনালী ব্যাংকের বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টির কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংক কাগজি নোট প্রচলন করতে পারে না। তবে এ ব্যাংক চেক, ব্যাংক ড্রাফট প্রভৃতি ইস্যু করতে পারে। এ ব্যাংক ড্রাফট ব্যবহার করে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারে। এরূপ লেনদেন অনেক সহজ ও নিরাপদ। কারণ এক্ষেত্রে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি থাকে না। তাছাড়া সময় বেঁচে যায়। সুতরাং, ব্যাংক ড্রাফট এখানে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চলতি হিসাব খোলার সুবিধা হচ্ছে, যেকোনো সময় টাকা তোলা যায়। এমনকি একই দিনে ইচ্ছা করলে যতবার প্রয়োজন টাকা তোলা যায়। সঞ্চয়ী কিংবা স্থায়ী হিসাবের ক্ষেত্রে এরূপ সুবিধা নেই। ব্যবসায়ীরা এ হিসাব বেশি খুলে থাকে। বড় অংকের ব্যাংক ঋণ পেতে হলে ঋণের শর্ত পূরণের জন্য এরূপ হিসাব খোলা আবশ্যক হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চলতি হিসাবের জন্য ব্যাংক কোনো সুদ দেয় না। যে আমানত থেকে যেকোনো সময় অর্থ উঠানো যায় তাই হলো চলতি হিসাব। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন মনে করেন যে, তার জমাকৃত অর্থ যেকোনো সময় উত্তোলনের প্রয়োজন হতে পারে তখন তারা ব্যাংকে যে আমানত করে সেটাই চলতি হিসাব। এই হিসাবের ক্ষেত্রে আমানতকারী যেকোনো সময় আমানতের অর্থ উত্তোলন করতে পারে। ফলে এ ধরনের আমানত নগদ অর্থের গুণসম্পন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিকাশঘর হলো এমন একটি স্থান বা প্রতিষ্ঠান, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংকের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন চেক, ড্রাফট, হুন্ডি প্রভৃতি ভাঙানোর মাধ্যমে একে অন্যের কাছে পাওনাদার বা দেনাদার হয়। তখন কেন্দ্রীয় . ব্যাংক এধরনের লেনদেনের 'নিকাশঘর' হিসেবে পারস্পরিক দেনা-পাওনার হিসাব পরিশোধ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে হিসাবের ধরন বাছাই করতে হবে। এরপর অফিস থেকে আবেদনপত্র নমিনি নির্ধারণসহ পূরণ করতে -- হবে। আবেদনকারীকে শনাক্ত করার জন্য স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। এরপর আবেদনপত্রের সাথে সত্যায়িত ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি সংযুক্ত করে ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে ব্যাংকের নিয়মানুসারে ৫০০ বা ১,০০০ টাকা জমা দিলেই একটি ব্যাংক একাউন্ট নম্বর সংবলিত চেক বই পাওয়া যাবে। এভাবে ব্যাংক একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দেশে ব্যবসায়রত ব্যাংকগুলো কখনো আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়ে অন্য কোনো উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়। তখন এ ব্যাংক প্রথম শ্রেণির বিনিময় বিল পুনঃবাট্টা করে কিংবা স্বল্পমেয়াদি ঋণপত্র জমা রেখে ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সর্বশেষ ঋণদাতা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে থেকে নোট ও মুদ্রা প্রচলন, ঋণ নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রার মান সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি মুদ্রা বাজার সংগঠন ও পরিচালনা এবং সরকারের আর্থিক উপদেষ্টা ও ব্যাংকার হিসেবে কাজ করে। এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমগ্র ব্যাংকব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে একটি দেশের মুদ্রা বাজারের অভিভাবক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত ঋণ দামস্তর এবং অর্থের মূল্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। ঋণের আধিক্যের জন্য মুদ্রাস্ফীতি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে অর্থ ও ঋণের পরিমাণ কমাতে পারে। এর ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায় এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হয়। এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দেশের অবহেলিত জনসাধারণকে শিল্পখাতে সম্পৃক্ত করে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ঋণ প্রদান করে। পাশাপাশি উপকরণ সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে। এছাড়াও বেকার জনগোষ্ঠীকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় সংঘবদ্ধ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। এছাড়াও নারীদের কর্মে উদ্বুদ্ধকরণ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করে।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অলিকে চলতি হিসাব খুলতে হবে। কারণ স্থায়ী আমানতের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের আগে টাকা উত্তোলন করা যায় না। আবার সঞ্চয়ী আমানতের ক্ষেত্রে সপ্তাহে সাধারণত দুইবার টাকা উঠানো যায়। অন্যদিকে, একমাত্র চলতি আমানত বা হিসেবের ক্ষেত্রেই ব্যক্তি ইচ্ছেমতো টাকা উত্তোলন করতে পারে। এ কারণে অলিকে চলতি হিসাব খুলতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকারি আইন দ্বারা প্রচলিত মুদ্রাই হলো বিহিত মুদ্রা। যে বিহিত মুদ্রা আইনগত একটি নির্দিষ্ট সীমা পরিমাণ লেনদেন করা যায় এবং সকলে গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে না তাকে সসীম বিহিত মুদ্রা বলে। দুই টাকার নোট দ্বারা আইনগত যেকোনো পরিমাণ লেনদেন করা যায় না।
তাই একে সসীম বিহিত মুদ্রা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কৃষিখাতের গতিশীলতা বৃদ্ধি, কৃষি স্বনির্ভরতা অর্জন এবং সার্বিক কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, ক্রমবর্ধমান কৃষি ঋণের চাহিদা পূরণ, নতুন নতুন খাতে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এ ব্যাংক ঋণ বিতরণ করে থাকে। এ ব্যাংক কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয়।
এছাড়া হাঁস-মুরগি, পশুপালন, মৎস্য খামার স্থাপন ইত্যাদির জন্য ঋণ দেয়। এতে বেকার সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সমবায়ের নীতিমালার ভিত্তিতে গঠিত এবং পরিচালিত ব্যাংককে সমবায় ব্যাংক বলে। পারস্পরিক সহায়তার ভিত্তিতে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করাই সমবায় ব্যাংকের উদ্দেশ্য। সরকার ও দেশের সমবায়ীর যৌথ মালিকানায় পরিচালিত বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড। এ ব্যাংক দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমবায় সমিতির সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী কৃষিঋণ প্রদান করে। ঋণ প্রদানের খাতগুলো হলো কৃষি, ভূমি উন্নয়ন, আউশ, আমন ও বোরো ধান চাষ, শীতকালীন ফসল ও শাকসবজি উৎপাদন, বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ ইত্যাদি। সরকারের 'একটি বাড়ি একটি খামার' প্রকল্পের অংশীদার সমবায় ব্যাংক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রবির মামা রবিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কথা বলেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সমগ্র ব্যাংকব্যবস্থার বা মুদ্রা বাজারের অভিভাবক। এটি সরকারের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে থেকে নোট ও মুদ্রা প্রচলন, ঋণ নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রাবাজার পরিচালনা করে। এটি আবার সরকারের আর্থিক উপদেষ্টা এবং ব্যাংকার হিসেবেও কাজ কাজ করে। তাই রবির মামা রবিকে 'সব ব্যাংকেরও ব্যাংক' বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কথা বুঝিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
34

নাবিলের বাবা একজন চাকরিজীবী। মাসের শেষে বেতন পান ২০,০০০ টাকা। তিনি পারিবারিক ব্যয়ের জন্য কিছু টাকা নগদ রাখেন এবং কিছু টাকা ব্যাংকে আমানত রাখেন। কিছুদিন পর তিনি ঠিক করলেন মুরগির খামার দেবেন। এজন্য তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিলেন। ব্যাংক তাকে ১০% সুদে ৩৬ মাসে পরিশোধ করার শর্তে এই ঋণ প্রদান করে। তাঁর আয়-ব্যয়, সঞ্চয় ও ঋণ সবই অর্থের মাধ্যমে হয়ে থাকে । অর্থ ও ঋণের ব্যবসা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ব্যাংক জনগণের উদ্বৃত্ত অর্থ আমানত হিসেবে গ্রহণ করে ঋণগ্রহীতাকে ঋণ হিসেবে প্রদান করে। আমাদের দেশের কৃষি উন্নয়ন, শিল্পায়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষের এক দ্রব্যের পরিবর্তে সরাসরি অন্য দ্রব্য বিনিময় করে অভাব পূরণ করার ব্যবস্থাকে বিনিময় প্রথা বলে।

521
উত্তরঃ

অধিকাংশ দ্রব্যসামগ্রী পচনশীল এবং দীর্ঘকালে সংরক্ষণ উপযোগী না হওয়ায় সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে অর্থকেই অধিক উপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হয়।

আবার এমন কিছু দ্রব্যসামগ্রী রয়েছে (স্বর্ণ, রূপা) যেগুলো মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের মূল্যমানের পরিবর্তন ঘটে। এমতাবস্থায় সঞ্চিত দ্রব্যের বর্তমান মূল্য ও ভবিষ্যৎ মূল্যের মধ্যে তারতম্য দেখা দিতে পারে। কিন্তু অর্থ দ্বারা সবকিছু ক্রয়-বিক্রয় তথা সহজেই বিনিময় করা যায়। তাছাড়া সময়ের বিবর্তনের সাথে এর বিনিময় মূল্যের সামঞ্জস্যতা বজায় থাকায় সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে অর্থকেই অধিকতর নিরাপদ ও সুবিধাজনক বলা যায়। তাই অর্থ সঞ্চয়ের উৎকৃষ্ট বাহন হিসেবে কাজ করে।

560
উত্তরঃ

রত্না যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো একটি দেশের শ্রেষ্ঠতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি মালিকানার অধীনে দেশের মুদ্রা বাজারের প্রাণকেন্দ্র রূপে কাজ করে। এটি একটি দেশের সকল ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক, পরিচালক ও অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলন, সরকার ও অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ কর্তৃক সৃষ্ট ঋণ নিয়ন্ত্রণ, আন্তঃব্যাংকের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি, অর্থের অভ্যন্তরীণ ও বহির্মুল্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সরকারের আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে। অন্যান্য ব্যাংকের মতো কেবল মুনাফা অর্জনই এ ব্যাংকের উদ্দেশ্য নয়; বরং দেশের উন্নয়নের স্বার্থে মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সাধনই এর মুখ্য উদ্দেশ্য।

উদ্দীপকের রত্নার কর্মরত প্রতিষ্ঠানটি জনগণকে ঋণ দিতে পারে না, কিন্তু এটি অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে। তার ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের ঋণ তদারকি করে। অন্যান্য ব্যাংকগুলো তারল্য সমস্যার মুখোমুখি হলে এ ব্যাংক ঋণ আকারে অর্থ প্রদান করে এসব সমস্যা সমাধান করে।

284
উত্তরঃ

রত্না যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তা হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক; আর তার বান্ধবী যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তা হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

নিচে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করা হলো-কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলনকারী একমাত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান; কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংক কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা বাদে বিনিময়ের অন্যান্য মাধ্যম তথা চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার ইত্যাদি প্রচলন করতে পারে। প্রত্যেক দেশে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে; কিন্তু একটি দেশে অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংক থাকতে পারে। জনসেবা ও দেশের সার্বিক কল্যাণ সাধন করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য; কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সৃষ্টি করে না; কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংক নিজেদের কাছে গচ্ছিত আমানতের বিপরীতে ঋণ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান; কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পরস্পর প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের সাথে প্রত্যক্ষ লেনদেন করে না; কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংক জনসাধারণের সাথে আর্থিক লেনদেনের জন্যই সৃষ্ট। এভাবে রত্নার প্রতিষ্ঠানের সাথে তার বান্ধবীর প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা যায়। এক্ষেত্রে রত্নার প্রতিষ্ঠান তার বান্ধবীর প্রতিষ্ঠানের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

216
উত্তরঃ

যে অর্থ দেশের জনসাধারণ গ্রহণ করতে আইনগতভাবে বাধ্য থাকে তাকে বিহিত অর্থ বলে।

934
উত্তরঃ

নিকাশ ঘর হলো এমন একটি স্থান বা প্রতিষ্ঠান, যেখানে একটি নিকাশ পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা অঞ্চলের ব্যাংকসমূহ পরস্পরের মধ্যে দেনা-পাওনা সংক্রান্ত হিসাবের নিষ্পত্তি করে। নিকাশ ঘর বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংকের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন চেক, ড্রাফট, হুন্ডি প্রভৃতি ভাঙানোর মাধ্যমে একে অন্যের নিকট পাওনাদার হয়। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ লেনদেনের 'নিকাশ ঘর' হিসেবে পারস্পরিক দেনা- পাওনার হিসাব পরিশোধ করে।

581
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews