প্রাণী খাদ্যের জন্য বিভিন্ন উদ্ভিদ এবং অন্যান্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। কারণ প্রাণী নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। প্রাণী উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
উদ্ভিদের তিন ধরনের আবাসস্থলের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. প্রখর সূর্যের আলোযুক্ত স্থান, উদাহরণ- আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
২. ছায়াযুক্ত, স্যাঁতসেঁতে শীতল স্থান, উদাহরণ- মস ও ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।
৩. লবণাক্ত মাটির স্থান, উদাহরণ- সুন্দরি, গরান ইত্যাদি।
স্থলভাগে জন্মে এমন তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো-
১. আমগাছ, ২. জামগাছ ও কাঁঠাল গাছ।
পানিতে জন্মায় এমন তিনটি উদ্ভিদ হলো-১. শাপলা, ২. কচুরিপানা ও ৩. পদ্ম।
তিনটি লবণাক্ত মাটির উদ্ভিদের নাম হলো- ১. সুন্দরি, ২. গরান ও ৩. কেওড়া।
শ্বাসমূলযুক্ত তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো- ১. সুন্দরি, ২. গরান ও ৩. কেওড়া।
যেসব উদ্ভিদ অন্য কোনো বড় উদ্ভিদের উপর জন্মে সেসব উদ্ভিদকে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ বলে। স্বর্ণলতা সর্বদাই অন্য কোনো বড় উদ্ভিদের উপর জন্মে ও জীবন অতিবাহিত করে। এ কারণেই স্বর্ণলতাকে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ বলে।
যেসব প্রাণী মাটিতে গর্ত করে বাস করে তারাই গর্তবাসি প্রাণী। যেমন- ১. ইঁদুর, ২. খরগোশ ও ৩. সজারু ইত্যাদি
মাটির নিচে বাসা তৈরি করে এমন তিনটি প্রাণী হলো-১. পিঁপড়া, ২. কেঁচো ও ৩. গুবরেপোকা
যেসব প্রাণী মাটি ও পানি উভয় স্থানেই থাকতে পারে তারাই উভচর প্রাণী বলে। যেমন- ব্যাঙ, কচ্ছপ, কুমির ইত্যাদি।
মরুভূমি হলো অত্যন্ত শুষ্ক স্থান যেখানে পানির পরিমাণ খুবই কম থাকে। মরুভূমিতে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। এখানে জন্মানো উদ্ভিদের কাণ্ড ও পাতা রসালো হয়। যেমন-ক্যাকটাস।
মরুভূমিতে বাস করে এমন তিনটি প্রাণী হলো-১. সাপ, ২. উট ও ৩. গিরগিটি।
মরুভূমির উদ্ভিদের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. কাণ্ড ও পাতা রসালো হয়।
২. বহিরাবরণ মসৃণ হয় যা পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
2
৩. উদ্ভিদগুলো কাঁটাযুক্ত হয়।
ক্যাকটাস একটি মরুজ উদ্ভিদ। রসালো কান্ড ও পাতা এবং মসৃণ বহিরাবরণের মাধ্যমে পানি ধরে রেখে ক্যাকটাস মরুভূমিতে বেঁচে থাকে।
তিনটি জলজ প্রাণীর নাম হলো- ১. ঝিনুক, ২. চিংড়ি ও ৩. মাছ।
তিনটি উভচর প্রাণীর নাম হলো- ১. ব্যাঙ, ২. কচ্ছপ ও ৩. কুমির।
লবণাক্ত পরিবেশে বাস করে এমন তিনটি প্রাণী হলো-১. তিমি, ২. ডলফিন ও ৩. অক্টোপাস
মেরু অঞ্চলের পরিবেশে বাস করে এমন তিনটি প্রাণীর নাম হলো-
১. মেরু ভালুক, ২. সিল ও ৩. পেঙ্গুইন।
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়েছে এমন তিনটি প্রাণী হলো-১. জাভা গণ্ডার, ২. রাজ শকুন ও ৩. লাল শির।
পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে এমন তিনটি প্রাণী হলো-
১. ডোডো পাখি,
২. তাসমেনিয়ান বাঘ ও
৩. ডায়নোসর।
বাংলাদেশে বিপন্ন অবস্থায় আছে এমন একটি উদ্ভিদের নাম হলো- তালিপাম এবং একটি প্রাণীর নাম হলো- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
মেরু অঞ্চলের পরিবেশ সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-
১. মেরু অঞ্চল সবচেয়ে ঠাণ্ডা ও- বরফ আচ্ছাদিত স্থান।
২. এখানে ঘাস ও পাইন জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।
৩. এখানকার প্রাণীদের চামড়া অত্যন্ত পুরু হয় এবং পশমে ঢাকা থাকে।
ঝড়, বন্যা এবং খরার মতো প্রাকৃতিক কারণে পরিবেশের পরিবর্তন হয়। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে উদ্ভিদ এবং প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। এর ফলে উদ্ভিদ ও প্রাণী বিপন্ন বা বিলুপ্ত হচ্ছে। যেমন- বাংলাদেশ থেকে লাল শির ও জাভা গণ্ডার এবং রাজ শকুন বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে তালিপাম ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিপন্ন অবস্থায় আছে।
Related Question
View Allপরিবেশের যে স্থানে কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী বাস করে সেটিই তার আবাসস্থল।
উদ্ভিদ এবং প্রাণী পরিবেশের বিভিন্ন স্থানে বাস করে।
ঘনভাবে জন্মানো বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ সংবলিত প্রাকৃতিক স্থানই হলো বন।
লবণাক্ত পানির বিশাল ভাণ্ডার হলো সমুদ্র।
উট তার পিঠের কুঁজে চর্বি জমিয়ে রাখে।
উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়েই জীব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!