স্রষ্টা মানে যিনি সৃষ্টি করেন। যিনি জল, নদী, সমুদ্র, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, জীবজন্তু এসব সৃষ্টি করেছেন তাকে স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা বলা হয়। এ মহাবিশ্বে যিনি নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করেছেন, যিনি সকল দুঃখ থেকে মুক্ত তিনিই এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা। সুতরাং সকল সৃষ্টির মূলে ঈশ্বর।
যখন ধর্মের গ্লানি হয় অর্থাৎ অন্যায় অবিচারে মানবজীবন বিপর্যস্ত হয় এবং অধর্মের অভ্যুত্থান ঘটে তখন ঈশ্বর অবতাররূপ ধারণ করে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন। তিনি এসে সাধুদের পরিত্রাণ এবং পাপীদের ধ্বংস করে ধর্মকে রক্ষা করেন।
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ঈশ্বর বহুরূপে আমাদের সম্মুখেই আছেন। এ বহুরূপ বলতে জীবকে নির্দেশ করা হয়েছে। যেমন-মানুষ, জীবজন্তু ও গাছপালা। এগুলোর মধ্যে একেকটির আকৃতি একেক রকম কিন্তু সকলের ভেতরই প্রাণ আছে। আর এ প্রাণ মানেই হচ্ছে ঈশ্বর। তাই স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ঈশ্বর বহুরূপে আমাদের সম্মুখেই আছেন।
ঈশ্বর নিরাকার। কিন্তু তিনি প্রয়োজনে সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। জগতে যখন ধর্মের গ্লানি আর অন্যায় অবিচারে মানব জীবন বিপর্যস্ত হয়, ঈশ্বর তখন দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করার জন্য সাকাররূপে জগতে আবির্ভূত হন।
স্রষ্টা মানে যিনি সৃষ্টি করেন। আমরা জল, নদী, সমুদ্র, চন্দ্র, সূর্য, জীবজন্তু ইত্যাদি সৃষ্টি করতে পারি না। কিন্তু যিনি এসব সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা বলা হয়।
ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। তিনি শৃঙ্খলার সঙ্গে জীবজগৎকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। সূর্যের আলো তাঁরই আলো। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও পালনের একমাত্র কর্তা। তিনি মৃত্যুর সীমায় জীবনকে বেঁধে দিয়েছেন। এভাবেই তিনি জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন।
এ পৃথিবীতে অনেক ধর্মমত আছে। যেমন- ইসলাম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, শিখ ইত্যাদি। বিভিন্ন ধর্মে স্রষ্টাকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়েছে। যেমন- আল্লাহ, খোদা, গড ইত্যাদি। এক 'স্রষ্টারই বিভিন্ন নাম। তেমনই ঈশ্বরও স্রষ্টার একটি নাম।
ঈশ্বরের কোনো আকার নেই। তাঁকে দেখা যায় না। কিন্তু আমরা তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করি। তাই ঈশ্বরকে নিরাকার বলা হয়।
ঈশ্বর নিজেকে বা নিজের অংশবিশেষকে সাকার রূপদান করেন। এরূপগুলো হলো অবতার ও দেব-দেবী। আবার ঈশ্বর নিজেই জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন, তখন তাঁকে জীবাত্মা বলা হয়।
অবতরণ শব্দটির অর্থ নেমে আসা। যিনি অবতরণ করেন তিনিই অবতার। তবে যে কাউকেই অবতার বলা যাবে না। ঈশ্বর যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে পৃথিবীতে অবতরণ করেন তখন তাকে অবতার বলা হয়।
যখন ধর্মের গ্লানি উপস্থিত হয় অর্থাৎ অন্যায় অবিচারে বিপর্যস্ত হয় মানবজীবন এবং অধর্মের অভ্যুত্থান ঘটে তখন ঈশ্বর অবতার রূপ ধারণ করেন।
ঈশ্বরের কোনো গুণ বা শক্তি যখন রূপ বা আকার ধারণ করে সাকার হয়ে ওঠে এবং বিশেষ গুণ, শক্তি বা মহিমা প্রকাশ করে তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে। দেব-দেবীরা ঈশ্বরের বিশেষ গুণ বা শক্তির সাকার রূপ।
ঈশ্বর যখন জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন, তখন তাঁকে জীবাত্মা বলে। জীবাত্মা ঈশ্বরের সাকার রূপ। দেহের সীমায় জীবাত্মারূপে পরমাত্মা বা ঈশ্বর বিদ্যমান থাকেন।
ঈশ্বর নিরাকার; কিন্তু তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। তাঁর সাকার রূপগুলো হচ্ছে- অবতার; দেব-দেবী ও জীব। কিন্তু ঈশ্বরের এসব সাকার রূপ আলাদা কিছু নয়। সব সাকার রূপ একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ। তাই ঈশ্বরকে এক ও অদ্বিতীয় বলা হয়।
ঈশ্বরের তিনটি প্রধান কর্মের জন্য তিনটি প্রধান রূপ। যথা- ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব। ব্রহ্মা রূপে ঈশ্বর সৃষ্টি করেন, বিষ্ণুরূপে পালন করেন এবং শিবরূপে জীব ও জাগতিক বস্তু ধ্বংস করে ভারসাম্য রক্ষা করেন।
না, ঈশ্বর বহু নয়। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি নিরাকার, আবার তিনিই সাকার। ঋগ্বেদে বলা হয়েছে, 'একংসদ বিপ্রা বদন্তি'। (১/৬৪/৪৬); এক ব্রহ্মকেই বিপ্রগণ বহু নামে অভিহিত করেছেন। এক ঈশ্বরকেই সাধু-সন্তেরা বহু নামে ডাকেন এবং উপাসনা করেন। যেভাবেই উপাসনা করা হোক না কেন, সবই ঈশ্বরের উপাসনা।
হিন্দুধর্মাবলম্বীরা যেমনি ঈশ্বরের উপাসনা করেন। তেমনি হিন্দুধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা নিজ নিজ মত ও পথ অনুসারে একই ঈশ্বরের উপাসনা করে। এই হলো ঈশ্বরের একত্ব।
বায়ু, যম, অগ্নি, বরুণ ও চন্দ্র ঈশ্বরেরই এক একটি রূপ। তিনিই সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মা, আবার তিনি ব্রহ্মারও স্রষ্টা। সকল দেবতার শক্তি তাঁরই শক্তি। তিনি সর্বশক্তিমান। তিনি নিরাকার। আবার তিনিই সাকার। এ মহাশক্তিধর অনাদি-অনন্ত ঈশ্বরকে তাই বারবার নমস্কার জানিয়ে পরম শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঈশ্বরের স্বরূপ।
ঈশ্বর যখন জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন, তখন তাঁকে জীবাত্মা বলা হয়। ঈশ্বর নিরাকার কিন্তু তিনি সাকার রূপ ধারণ করে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন। ঈশ্বরের এসব সাকার রূপই হচ্ছে জীবাত্মা।
সৃষ্টিকর্তা মানে যিনি সৃষ্টি করেন। যেমন-মৃৎশিল্প, মাটি দিয়ে হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা, প্রতিমা ইত্যাদি সৃষ্টি করেন। কিন্তু তিনি মাটি সৃষ্টি করতে পারেন না। শুধু মাটিই নয়; আমরা জল, নদী, সমুদ্র, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, জীবজন্তু ইত্যাদি সৃষ্টি করতে পারি না। আর যিনি এসব সৃষ্টি করেছেন তাঁর নামই সৃষ্টিকর্তা। তিনি সর্বশক্তিমান। তাছাড়া তিনি এক ও অদ্বিতীয়।
ঈশ্বর শব্দটির অর্থ হচ্ছে প্রভু। তিনি শৃঙ্খলার সঙ্গে জীবজগৎকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। সকল শক্তি ও গুণের তিনিই আধার। সূর্যের আলো তাঁরই আলো। তিনিই জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও পালনের একমাত্র কর্তা। তিনিই মৃত্যুর সীমায় জীবনকে বেঁধে দিয়েছেন। এভাবেই ঈশ্বর জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন। আর এজন্যই তাঁর নাম ঈশ্বর।
ঈশ্বর নিরাকার। কিন্তু তিনি 'সাকাররূপ ধারণ করতে পারেন। তাঁর সাকার রূপগুলো হচ্ছে- অবতার, দেব-দেবী ও জীব। কিন্তু ঈশ্বরের এসব সাকার রূপ আলাদা কিছু নয়। অর্থাৎ সব সাকার রূপ একই ঈশ্বরের বিভিন্ন অংশ। অতএব, ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়।
ঈশ্বরের বিশেষ গুণ বা শক্তির সাকার রূপ হচ্ছে দেব-দেবী। যেমন- বিষ্ণু, শিব, ব্রহ্মা, লক্ষ্মী ইত্যাদি। ঈশ্বর নিরাকার। তবে ঈশ্বরের কোনো গুণ বা শক্তি যখন রূপ বা আকার ধারণ করে সাকার হয়ে ওঠেন এবং বিশেষ গুণ, শক্তি বা মহিমা প্রকাশ করেন তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলা হয়।
নিরাকার ঈশ্ব সাকার রূপ ধারণ করে বিশেষ উদ্দেশ্যে পৃথিবীতে অবতরণ করেন বা নেমে আসেন বলে তাঁকে অবতার বলা হয়। অপরদিকে, ঈশ্বরের কোনো গুণ বা শক্তি যখন রূপ বা আকার ধারণ করে এবং ঐ বিশেষ গুণ, শক্তি ও মহিমা প্রকাশ করে তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে। অর্থাৎ, অবতার এবং দেব-দেবী উভয়ই নিরাকার ঈশ্বরের সাকার রূপ এবং উভয়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্ম বা ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করা এবং জগতের প্রভূত কল্যাণ সাধন করা।
ঈশ্বর নিরাকার অবস্থায় বিরাজ করেন। কিন্তু তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বর নিজেকে বা নিজের অংশবিশেষকে সাকার রূপদান করেন। ঈশ্বরের এ সাকার রূপগুলো হচ্ছে দেব-দেবী, বা অবতার। আবার যখন ঈশ্বরের কোনো আকার থাকে না কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করা যায় সেটা হলো ঈশ্বরের নিরাকার রূপ।
সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের অসীম শক্তির মাধ্যমে সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে। মাটি, জল, নদী-সমুদ্র, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, জীব-জন্তু এ বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল প্রাণী ও বস্তু সবকিছুই ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। ঈশ্বরের অসীম শক্তির বলেই সবকিছু একটি শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে চলছে কখনও কোনো ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল প্রাণী ও বস্তুর একজন স্রষ্টা রয়েছেন। যাঁকে আমরা সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর বলি। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি নিরাকার, তবে তিনি সাকার রূপও ধারণ করতে পারেন। যেমন- অবতার, দেব-দেবী প্রভৃতি তাঁর সাকার রূপ। এ অধ্যায়ে স্রষ্টা এবং ঈশ্বর শব্দের অর্থ, ঈশ্বরের স্বরূপ এবং ঈশ্বরের একত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
- স্রষ্টা এবং ঈশ্বর শব্দ দুটির অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারব
- ঈশ্বরের নিরাকার ও সাকার সম্পর্কিত ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
- ঈশ্বরের সাকার রূপের বর্ণনা করতে পারব
- ঈশ্বরের একত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব
- ঈশ্বরের স্বরূপ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার একটি সহজ সংস্কৃত শ্লোক সরলার্থসহ বলতে পারব এবং ব্যাখ্যা করতে পারব
- ঈশ্বরের বিভিন্ন সাকার রূপের মধ্যে ঈশ্বরের একত্ব উপলব্ধি করে তাঁর উপাসনায় উদ্বুদ্ধ হব।
Related Question
View Allঈশ্বরের পূর্ণ অবতার হচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ।
'ঈশ্বর' শব্দটির অর্থ হচ্ছে প্রভু। তিনি শৃঙ্খলার সাথে জীব ও জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
তিনি সকল শক্তি ও গুণের আধার। তিনি জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও পালনের একমাত্র কর্তা। তিনিই মৃত্যুর সীমায় জীবনকে বেঁধে দিয়েছেন। এভাবেই তিনি জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন।
অনিতা রানি ও শিলাদেবীর আরাধনায় ঈশ্বরের সাকার রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে।
বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল প্রাণীর একজন স্রষ্টা রয়েছেন। যাঁকে আমরা সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর বলি। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি নিরাকার তবে সাকার রূপও ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বরের কোনো গুণ বা শক্তি যখন রূপ বা আকার ধারণ করে সাকার হয়ে ওঠে এবং বিশেষ গুণ, শক্তি বা মহিমা প্রকাশ করে তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলা হয়। অর্থাৎ দেব-দেবী ঈশ্বরের বিশেষ গুণ বা শক্তির সাকার রূপ। উদ্দীপকের অনিতা ও শিলাদেবী দুজনেই ঈশ্বরের সাকার রূপকেই পূজা করে। তারা মনে করে দেব-দেবীরা যেহেতু ঈশ্বরের অংশ, তাই তাদের সন্তুষ্ট করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন।
অনিতা রানি ও শিলা দেবী দুজনেই তাদের পরিবারের সুখ-শান্তির জন্য পূজা করে থাকেন।
অনিতা রানি তার গৃহে লক্ষ্মীদেবীর বিগ্রহ স্থাপন করে নিয়মিত তার আরাধনা করেন। লক্ষ্মীদেবী হচ্ছেন ঈশ্বরের সাকার রূপ। তিনি ধনসম্পদের দেবী। পরিবারের, সচ্ছলতার জন্য তাই তিনি নিয়মিত লক্ষ্মীদেবীর পূজা করেন। তিনি জানেন লক্ষ্মীদেবী যেহেতু ঈশ্বরের অংশ, তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করলে ঈশ্বরই সন্তুষ্ট হবেন। অপরদিকে অনিতা রানির প্রতিবেশী শিলাদেবী তার গৃহে গৌর-নিতাই-এর বিগ্রহ স্থাপন করে ভক্তি ভরে তাঁর পূজা করেন। গৌর নিতাই হচ্ছেন ঈশ্বরের অবতার। ঈশ্বর যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে পৃথিবীতে অবতরণ তখন তাকে অবতার বলা হয়। গৌর-নিতাই দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য সর্বদা তৎপর। শিলাদেবী সংসারের নানা অপকর্মের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নিয়মিত গৌর-নিতাই-এর পূজা করে থাকেন।
তাই বলা যায়, অনিতা রানি ও শিলাদেবীর আরাধনায় বিগ্রহের ভিন্নতা থাকলেও তারা একই ঈশ্বরের পূজা করছেন কথাটি যথার্থ 'সত্য। কারণ লক্ষ্মীদেবী ও গৌর-নিতাই ঈশ্বরেরই সাকার রূপ। এসব সাকার রূপ আলাদা কিছু নয়। সব সাকার রূপ একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ মাত্র।
ঈশ্বর যখন নিজেই জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন, তখন তাকে জীবাত্মা বলা হয়।
ঈশ্বর হচ্ছেন এক ও অদ্বিতীয়। তিনি ছাড়া বিশ্বব্রহ্মান্ডে আর কিছু নেই।
দেব-দেবীগণ ঈশ্বরের সাকার রূপ। অনেক দেব-দেবী রয়েছেন। তারা সবাই ঈশ্বরের বিভিন্ন শক্তির প্রতিনিধি। কিন্তু ঈশ্বরের আকার নেই। ঈশ্বর নিরাকার।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!