সংক্ষিপ্ত- প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক উন্নয়ন: অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনের ফলে জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয়ের বৃদ্ধি তথা জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সাধিত হলে তাকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: অর্থনৈতিক কাঠামোর কোনো পরিবর্তন ছাড়াই প্রকৃত জাতীয় আয়ের সাথে প্রকৃত মাথাপিছু আয়ের বৃদ্ধি ঘটলে তাকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ। দীর্ঘকালে কোনো অর্থনীতির আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো (যেমন: রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি) গড়ে ওঠার মাধ্যমে আয়, নিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন হয়। এরূপ কাঠামোগত পরিবর্তনের ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়। অন্যদিকে, সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন ব্যতীত কোনো একটি খাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি প্রকৃত জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায় তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়। সুতরাং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্যে মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধিই যথেষ্ট। আর উন্নয়ন হলে বুঝতে হবে প্রবৃদ্ধির সাথে অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। এজন্যে বলা যায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনুন্নত দেশের ৬টি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. কম উৎপাদনশীল কৃষিখাত ২. কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ৩. বেকারত্ব ৪. কম মাথাপিছু আয় ৫. জনসংখ্যাধিক্য ৬. অনুন্নত শিল্প খাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উন্নত দেশের ৬টি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. দক্ষ জনশক্তি ২. উচ্চ গড় আয়ুস্কাল ৩. মূলধন গঠন ৪. কারিগরি জ্ঞান ৫. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ৬. উন্নত পরিবহণব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশে সাধারণত এমন কিছু প্রধান অর্থনৈতিক সমস্যা থাকে যেগুলোর জন্যে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়। এ ধরনের সমস্যাকেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা বলে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য অন্তরায়সমূহ হলো- কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা, অনুন্নত কৃষিব্যবস্থা, মূলধনের অভাব, উদ্যোক্তার অভাব, অধিক জনসংখ্যা, দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, কর্মমুখী শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তির অভাব ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কয়েকটি প্রধান বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হলো- ব্র্যাক, আশা, প্রশিকা, শক্তি ফাউন্ডেশন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ, টিএমএসএস, কারিতাস, সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিস (SFSS) ও ব্যুরো বাংলাদেশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে বেকারত্ব বলতে এমন এক পরিস্থিতি বোঝায় যাতে শ্রমিক কর্মক্ষম ও বর্তমান মজুরিতে কর্মে যোগদানে ইচ্ছুক হওয়া সত্ত্বেও কর্মে নিয়োগ লাভ করে না। আবার কিছু সংখ্যক লোক আছে যারা শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার দরুন কোনো কাজ করতে পারে না। যেমন- শিশু, বৃদ্ধ বা রুগ্ন লোক। এ ধরনের কর্মহীনতাকে বেকারত্ব বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বেকারত্ব দূরীকরণের জন্যে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যায়-১. কৃষিখাতের শ্রমিক শিল্প খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে ছদ্মবেশী বেকারত্ব দূরীকরণ। ২. মূলধন বিনিয়োগ করে। ৩. গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন করে। ৪. কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন করে। ৫. বহু ফসল উৎপাদন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে, প্রকৃত জাতীয় আয়ের সাথে মাথাপিছু আয়ের বৃদ্ধিকে বোঝায়। একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্যের সমষ্টি বৃদ্ধির হার হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। যেমন- কৃষিখাতের আমূল পরিবর্তন না করেই যদি অব্যাহত চাষের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো যায় এতে জাতীয় আয়ের বৃদ্ধি ঘটবে। এরূপ বৃদ্ধিই হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। তাই বলা যায়, জিডিপি বৃদ্ধির বার্ষিক হারই হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত জিডিপি বৃদ্ধির বার্ষিক হার হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। এক্ষেত্রে অর্থনীতির কাঠামোগত বা গুণগত পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে এমন একটি অব্যাহত প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সাথে সকল মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়। তাই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতির সামগ্রিক পরিবর্তনের মাধ্যমে জনগণের মাথাপিছু আয়ের ক্রমাগত বৃদ্ধিই হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্বারা দীর্ঘকালে অর্থনীতিতে প্রকৃত জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। অর্থনৈতিক কাঠামো পরিবর্তিত হয় ও সমাজে উন্নয়নের ধারা সৃষ্টি হয়। উন্নয়ন কেবল উৎপাদনের পরিমাণবাচক পরিবর্তন সাধন করে না, সাথে সাথে গুণবাচক পরিবর্তনও আনয়ন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রবৃদ্ধির সাথে অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন হলে তা অর্থনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত। প্রবৃদ্ধি বলতে নিদিষ্ট সময়ে কোনো দেশে উৎপাদিত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্যের সমষ্টির বৃদ্ধির হারকে বোঝায়। অন্যদিকে, উন্নয়ন বলতে প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ঊর্ধ্বমুখী পরিবর্তনকে বোঝায়। অর্থাৎ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক গুণগত পরিবর্তন। তাই বলা যায়, প্রবৃদ্ধি হলো উন্নয়নের অংশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রবৃদ্ধির জন্য মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধিই যথেষ্ট। অপরদিকে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন হতে হয়। অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন বলতে নাগরিকদের ভোগ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নকে বোঝায়। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রবৃদ্ধি অপেক্ষা বৃহত্তর ধারণা হিসেবে গণ্য করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উন্নত স্বাস্থ্য সুবিধার কারণে উন্নত দেশের জনগণের গড় আয়ুষ্কাল বেশি হয়ে থাকে। উন্নত দেশগুলো অবকাঠামোগতভাবে বেশ উন্নত। এসব দেশের জনগণের জীবনমানও উন্নত। ফলে উন্নত দেশের স্বাস্থ্যসেবা অনেক উন্নত হয়ে থাকে। উন্নত প্রযুক্তি ও শিক্ষার কারণে এসব দেশের স্বাস্থ্যসেবাও উন্নত। তাই উন্নত দেশের জনগণের গড় আয়ুষ্কাল বেশি হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতি প্রদত্ত সকল সম্পদই হলো প্রাকৃতিক সম্পদ। অর্থনীতির যেকোনো খাতে উৎপাদন কার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ এমনভাবে ব্যবহার করা উচিত যাতে তা যথাযথভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়। যেমন: খরস্রোতা নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদন, নদী ও সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ, নিয়মমাফিক ও পরিমিত পরিমাণে পানি ব্যবহার করলে প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনুন্নত দেশগুলো শিল্পে উন্নত না থাকায় এসব দেশ প্রতিকূল বাণিজ্য বিরাজ করে। অনুন্নত দেশ কৃষিজাত পণ্য, কাঁচামাল, প্রাথমিক পণ্য রপ্তানি করে এবং শিল্পজাত পণ্য আমদানি করে। যেসব কৃষিপণ্য উপকরণ হিসেবে কম মূল্যে বিদেশে রপ্তানি করা হয়, সেই কৃষিপণ্য শিল্প পণ্যে রূপান্তরিত হয়ে অধিক মূল্যে এসব দেশ আমদানি করে। ফলে বাণিজ্যে ভারসাম্য প্রতিকূল অবস্থা বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কৃষি ক্ষেত্রে পুরোনো বা মান্ধাতার আমলের পদ্ধতিতে চাষাবাদ করাকে অনুন্নত কৃষিব্যবস্থা বলে। বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থা অনুন্নত। কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত। কৃষি পণ্যের মূল্য অস্থিতিশীল। দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষিক্ষেত্রে পুরোনো আমলের জীবননির্বাহী ক্ষুদ্র খামারে চাষাবাদ হয়। এসবকে অনুন্নত কৃষিব্যবস্থা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনুন্নত দেশে কম উৎপাদনের ফলে আয় কম হয়। আয় কম হলে সঞ্চয় কম হয়। সঞ্চয় কম হওয়ার ফলে বিনিয়োগ ও মূলধন কম হয়। ফলে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে অনুন্নত দেশের সমস্যা চক্রাকারভাবে ঘুরতে থাকে। যা মূলত দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে বিরাজমান। ফলে অনুন্নত দেশে এই চক্র বিরাজমান থাকায় উন্নয়নের গতি মন্থর থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতপক্ষে অনুন্নত দেশে মাথাপিছু আয় ও সঞ্চয় খুব কম। এজন্য এখানে পুঁজি গঠনের হারও খুব কম হয়। তাই মূলধনের স্বল্পতা লক্ষণীয়ভাবে বিদ্যমান। এ অবস্থায় দেশে শিল্পোন্নয়ন ঘটে না। এ কারণে জনসাধারণকে বাধ্য হয়েই জীবিকা অর্জনের জন্য কৃষির ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল হতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে কম উৎপাদন, কম আয়; কম বিনিয়োগ এবং কম মূলধনের কারণে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ। বাংলাদেশের উৎপাদন কম হয়। ফলে জনগণের আয় কম হয়। আয় কম হলে চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগও কম হয়। আবার বিনিয়োগ কম হওয়ার ফলে মূলধন গঠন ও উৎপাদন কম হয়। এভাবে বাংলাদেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের, দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হওয়াই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্যতম শর্ত। যে রাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নেই সে রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। উন্নত দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিদ্যমান থাকায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়। এজন্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মানুষের সঞ্চিত অর্থ যখন উৎপাদন বাড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয় তখন তা-ই হলো বিনিয়োগ। ধরি, একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি কারখানায় ২ লক্ষ টাকার মূলধন সামগ্রী আছে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আরও ১ লক্ষ টাকার মূলধন সামগ্রী ক্রয় করা হলো। এই অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকাই বিনিয়োগ। বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বাড়ে। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নও বাড়ে। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যিনি বিভিন্ন পরিবর্তনশীল অবস্থার মধ্য দিয়ে তার প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেন তিনি হলেন উদ্যোক্তা। প্রকৃতপক্ষে উদ্যোক্তাই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। তিনি উৎপাদনের উপকরণসমূহ সংগ্রহ ও তাদের মধ্যে সমন্বয়সাধন, উৎপাদিত দ্রব্য সুষ্ঠুভাবে বাজারজাতকরণ, ঝুঁকি গ্রহণ প্রভৃতি কাজ করে থাকে। এ কারণে শিল্পোন্নয়নের জন্য দক্ষ উদ্যোক্তার প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত বাণিজ্য শর্ত বলতে কোনো দেশের আমদানি পণ্যের সাপেক্ষে রপ্তানি পণ্যের আপেক্ষিক দাম বোঝানো হয়। বাংলাদেশের অর্থনীতি বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল। উন্নত দেশের অসম প্রতিযোগিতা ও নানা শর্তের কারণে বাংলাদেশ প্রায়শ প্রতিকূল বাণিজ্য শর্তের সম্মুখীন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্যোক্তা হলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। তাই দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। দেশের দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব থাকলে প্রাপ্ত সঞ্চয় ও মূলধন উৎপাদনশীল খাতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় না। আবার অনেক সময় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে উদ্যোক্তারা ঝুঁকি গ্রহণে তথা বিনিয়োগে আগ্রহী হয় না। এতে মূলধন গঠনের হার কমে যায় ও সার্বিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তার মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থাসমূহ দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখে। অনেক বেসরকারি সংস্থা দরিদ্রদের ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে থাকে। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, জনস্বাস্থ্য বিষয়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও পরিচালনা করে। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। এভাবে দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে বেসরকারি সংস্থাসমূহ কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যুরো বাংলাদেশ হলো একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান (এনজিও) যা দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে কাজ করে। এই সংস্থাটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অবস্থার উন্নয়নের জন্য টেকসই গ্রামীণ সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামীণ দরিদ্র ও অসচেতন জনগণের স্বাস্থ্য পরিচর্যা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন, পানি-পয়ঃনিষ্কাশন, পরিবার পরিকল্পনা, সামাজিক বনায়ন। ও বৃক্ষরোপণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বহুবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রশিকা ১৯৭৫ সালে ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কয়েকটি গ্রামে কাজ শুরু করে। সংস্থাটি সমিতির সদস্যদের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করে। পাশাপাশি পরিবেশসম্মত কৃষি, সেচ, পশুসম্পদ বৃদ্ধি, মৌমাছি পালন, মৎস্য চাষে ঋণ সহায়তা দেয়। এছাড়াও সামাজিক বনায়ন, বসতবাড়িতে বাগান, বীজ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসায় ইত্যাদিতে ঋণ সহায়তা করেছে। এতে মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্র্যাক একটি বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা। দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নে ব্র্যাক দেশের ৭০ হাজার গ্রাম এবং ২০০০ বস্তিতে কাজ করে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা হলো ব্র্যাক। এটি দরিদ্রদের ক্ষুদ্রঋণ দেয়। যার মাধ্যমে তারা মূলধন গঠন করে এবং উৎপাদন কাজ পরিচালনা করতে পারে। ফলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে সমাজে তাদের ভালো অবস্থা সৃষ্টি হয়। তাই বলা যায়, দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নে ব্র্যাকের ভূমিকা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দরিদ্রতার কারণে মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার অভাব পূরণ হয় না। অনুন্নত জীবনযাপনের কারণে তারা অপুষ্টিতে ভোগে। ফলে উপার্জনক্ষমতা কম থাকায় উৎপাদন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারে না। আবার মূলধন কম থাকায় তাদের সঞ্চয়ের পরিমাণও কম থাকে। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই বলা যায়, দারিদ্র্য উন্নয়নের ভিত্তিকে দুর্বল করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রবৃদ্ধির জন্য মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধিই যথেষ্ট। অপরদিকে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন হতে হয়। অর্থনৈতিক অবস্থার গুণগত পরিবর্তন বলতে নাগরিকদের ভোগ, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নকে বোঝায়। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একটি বহুমাত্রিক ধারণা হিসেবে গণ্য করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সকল সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় তাই হলো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী। এটি রাষ্ট্র কর্তৃক দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আর্থিক বা অন্য কোনো সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করে। সম্পদের অপ্রতুলতার কারণে উন্নত দেশের তুলনায় অনুন্নত দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা অপেক্ষাকৃত কম থাকে। বিগত প্রায় তিন দশকে বাংলাদেশে এ ব্যবস্থার মাত্রা, আকার ও ধরনের প্রসার ঘটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবদান রাখছে। আমাদের দেশের শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকার যুবকরা আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে নিজেদের আয়ের ব্যবস্থা করছে। তাছাড়া আইসিটির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে গ্রামের কৃষকরা কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে। যা দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্যের সংকট দূর করার লক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম হলো খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম। দারিদ্র্য নিরসনে খাদ্য নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কাজের বিনিময়ে খাদ্য এবং ভিজিএফ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়াও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভিজিডি কর্মসূচি চালু করেছে। সরকারের এসব কার্যক্রম খাদ্য নিরাপত্তার কার্যক্রমকে নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করে। ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একজন কর্মদক্ষ শ্রমিকের প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে। উন্নত দেশে সাধারণত বাণিজ্যচক্রজনিত কারণে বেকারত্ব দেখা দেয়। কিন্তু উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে মূলধনের অপর্যাপ্ততা, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অদক্ষ শ্রমিক, দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব প্রভৃতি কারণে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না। ফলে এসব দেশে প্রকট মাত্রায় বেকারত্ব বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক কারণে বছরের কোনো বিশেষ বিশেষ সময়ে কর্মহীন থাকাই হলো মৌসুমি বেকারত্ব। ফসল বপন ও কর্তনের সময় ব্যতীত অন্যান্য সময়ে গ্রামীণ শ্রমিকের কোনো কাজ থাকে না। উক্ত সময়ে তারা কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। ঐ সময়ের জন্য শ্রমিকের বেকার অবস্থাকে মৌসুমি বেকারত্ব বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে শ্রমিকের প্রান্তিক উৎপাদনশীলতা শূন্য তাকে বলা হয় প্রচ্ছন্ন বেকার বা ছদ্মবেশী বেকার। কৃষিখাতে আপাতদৃষ্টিতে অনেক লোক কাজ করছে বলে মনে হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কৃষিকাজে নিযুক্ত লোকের মধ্যে অনেকেরই প্রান্তিক উৎপাদনশীলতা শূন্য। এই শূন্য উৎপাদনশীলতা বিশিষ্ট লোককে প্রচ্ছন্ন বেকার বা ছদ্মবেশী বেকার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পেশা পরিবর্তনের কারণে যে বেকারত্ব তৈরি হয় তাকে সাময়িক বেকারত্ব বলে। যেমন- একজন গার্মেন্টস শ্রমিক পেশা পরিবর্তন করে ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করল। এ সময় সে তিন মাস বেকার থাকল। এ সময়টা সাময়িক বেকারত্ব বলে গণ্য হবে। আমাদের দেশে এ ধরনের বেকারত্ব লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বেকারত্ব থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য মূলধন বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। দেশে বিনিয়োগ বাড়লে অধিক কলকারখানা তৈরি হবে। তখন এ অতিরিক্ত কলকারখানায় শ্রমের জোগান দানের জন্য বিপুল পরিমাণ দক্ষ, অদক্ষ ও আধা দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হবে। ফলে তারা নতুন কর্মক্ষেত্রে কাজের সুযোগ পেয়ে নিজেদের বেকারত্বের দুর্দশা ঘোচাতে পারবে। অন্যদিকে, তাদের অর্জিত আয় সঞ্চয়ে পরিণত হয়ে আবার মূলধন বিনিয়োগে কার্যকর হবে। সুতরাং, মূলধন বিনিয়োগ বেকারত্ব নিরসন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের শিক্ষায় দক্ষ ও কর্মক্ষম শ্রমশক্তিই হলো মানবসম্পদ। জনসংখ্যার যে অংশ যখন শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তিতে শ্রমশক্তিতে পরিণত হয় তখন তাদেরকে মানবসম্পদ বলে। দেশের প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে দক্ষ মানবসম্পদের জোগান থাকা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জনসংখ্যাকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তর করা হলে তারাই হলো দক্ষ জনশক্তি। যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন হয়। দক্ষ জনশক্তিকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তারা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। তাই 'দক্ষ জনশক্তিই হলো উন্নয়নের পূর্বশর্ত'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জনসংখ্যাকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তর করা হলে তারাই হলো জনশক্তি। যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন হয়। দক্ষ জনশক্তিকে সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়। তারা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যার যে অংশ শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তিতে শ্রমশক্তিকে পরিণত হয়, তারাই হলো মানবসম্পদ। মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ফলে মানুষের গুণগত মান উন্নত হয়। তাই শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগণ অধিক উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটাতে সুষম খাদ্য, স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা আরশ্যক। এর ফলে জনগণ সুস্থ, সবল, কর্মঠ এবং দক্ষ হয়ে গড়ে উঠবে। এভাবে মানবসম্পদ উন্নয়ন হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যার যে অংশকে শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তিতে শ্রমশক্তিতে পরিণত করা যায় তাদেরকে জনসম্পদ বলা হয়। কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে মানবশক্তির উন্নয়ন হয়। আবার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের গুণগত মান উন্নয়ন সম্ভব। এভাবে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জনসংখ্যাকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তর করা হলে তাদেরকে দক্ষ জনশক্তি বলে। যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন হয়। দক্ষ জনশক্তিকে সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়। তারা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

: নারী সমাজকে কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মে নিয়োজিত করাই হলো নারীর ক্ষমতায়ন। নারীর ক্ষমতায়ন বলতে নারী সমাজের স্বাবলম্বী হওয়াকে বোঝায়। তাদেরকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে তারা সহজেই কর্মে নিয়োজিত হতে পারে। এর মাধ্যমে তাদের অর্থ উপার্জনের পথ সুগম হয়। ফলে অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেই স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রশিক্ষণ হলো মানুষের অভ্যন্তরীণ সুপ্ত প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটানোর উপায়। আর প্রতিভা, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক ক্ষমতার মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বাড়ানোই হলো গুণগত মানের উন্নয়ন। প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় একজন শিক্ষিত মানুষেরও গুণগত মান তেমন উন্নত থাকে না। প্রশিক্ষিত শ্রমশক্তিকে উৎপাদন কাজে নিয়োগ করা হলে উৎপাদনশীলতা অনেক বেশি হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীর গুণগত মানের প্রসার ঘটার কারণে তা সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, প্রশিক্ষণ ও মানুষের গুণগত মানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
41

বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্নমধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল একটি দেশ। এ দেশের উন্নয়নের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। উচ্চতর প্রবৃদ্ধির হার, দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুষম বণ্টন, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং সুশাসনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। এটি একটি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে।

2.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত লেখচিত্রে মাথাপিছু আয়ের ক্রমবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

যেসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের পথে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে এবং কিছু মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে সেসব দেশই সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশে উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা ও জাতীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের জন্য আর্থ-সামাজিক ভিত্তি রচনা করা হয়। এসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অব্যাহত প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রে লক্ষ করা যায়, ২০০৬-০৭ থেকে ২০০৭- ০৮ অর্থবছরে জনগণের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫৫০ থেকে ৬৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একইভাবে ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে যথাক্রমে ৭০০ ডলার ও ৯০০ ডলার হয়েছে। যা উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, লেখচিত্রে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

287
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটি বাংলাদেশের তথা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য কৃষি সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

উন্নয়নশীল দেশে জিডিপির প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নশীল হলেও এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখনো এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, এদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো কৃষি।

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (শস্য, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের যোগান দিয়ে থাকে কৃষি খাত। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদকগণ কৃষির গুরুত্ব অনুভব করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখাতে অধিক উৎপাদনে মনোনিবেশ করছে। ফলে দেশটিতে ক্রমে উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে

তাই, আমি মনে করি, উদ্দীপকে পরিলক্ষিত ক্রমোন্নতির সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো কৃষি।

334
উত্তরঃ

একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।

221
উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।

১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

702
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews