বাংলাদেশে বসবাসরত বাঙালি ব্যতীত ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ। চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণয়ালা রয়েছে। তাদের নিজেদের রাজা আছেন এবং প্রতিটি গ্রামে একজন করে গ্রামপ্রধান থাকেন, যাকে চাকমারা কারবারি বলেন। তারা জুম পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করে থাকেন।
চাকমা মেয়েরা কোমর থেকে নিচ পর্যন্ত এক ধরনের কাপড় পরেন, যাকে 'পিনোন' বলা হয়। আর শরীরের উপরের অংশে যে ওড়না পরেন তাকে 'হাদি' বলা হয়।
চাকমারা বৌদ্ধদের মূল ধর্মীয় উৎসবগুলো পালন করেন। তাদের প্রধান উৎসবের নাম 'বিজু'। বাংলা নববর্ষের সময়ে তিন দিন ধরে এই বিজু উৎসব পালন করা হয়।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী হলো মারমা। মারমাদের বেশির ভাগ বসবাস করেন বাংলাদেশের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায়।
মারমা নৃ-গোষ্ঠীর লোকেরা প্রতি মাসে পূর্ণিমার সময় 'লাবরে' পালন করেন। এছাড়া তারা প্রতিবছর বৈশাখ মাসের দ্বিতীয় দিনে 'সাংগ্রাই' উৎসব উদ্যাপন করেন। এই বিশেষ দিনে মারমারা পানি দিয়ে খেলেন।
সাঁওতাল মেয়েরা দুইখণ্ড কাপড় পরেন। উপরের অংশকে বলা হয় 'পানচি' এবং নিচের অংশকে বলা হয় 'পাড়হাট'। আর সাঁওতাল ছেলেরা আগে ধুতি পরতেন। বর্তমানে লুঙ্গি, গেঞ্জি ও শার্ট পরেন।
সাঁওতালরা উৎসবপ্রিয়। সাঁওতালদের প্রধান উৎসব পাঁচটি। যথা- সোহরায় উৎসব, মাঘ সিম উৎসব, এর কংসিম উৎসব, হাড়িয়ার সিম উৎসব এবং বসন্তের প্রথম দিনের উৎসব।
মণিপুরিদের উৎসব হলো-
১. মণিপুরিদের পালনকৃত নানা উৎসবের মধ্যে রয়েছে-রথযাত্রা, চৈত্রসংক্রান্তি, দোলযাত্রা, রাসপূর্ণিমা ইত্যাদি।
২. মণিপুরি জনগোষ্ঠী পাঙালরা ঈদ উৎসব পালন করেন।
৩. মণিপুরিরা প্রায় সারা বছরই উৎসবে মেতে থাকেন।
Related Question
View Allবাংলাদেশের ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ।(শূন্যস্থান)
চাকমারা বেশির ভাগ বাস করেন রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে।
চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে।
চাকমাদের নিজেদের ভাষায় রচিত গান আছে।
চাকমাদের প্রতিটি গ্রামে একজন করে গ্রামপ্রধান থাকেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!