সুস্থ জীবন যাপন করা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন।
সুস্থ থাকার তিনটি উপায় হলো-
১. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।
২. নিয়মিত শরীরচর্চা করা।
৩. শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
নিয়মিত শরীরচর্চার তিনটি উপকারিতা হলো-
১. আমাদের হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী করে।
২. আমাদের মাংসপেশি ও হাড়কে শক্তিশালী-করে।
৩. আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে এবং রাতে ঘুমাতে সাহয্য করে।
নিরাপদ পানির তিনটি উৎস হলো-
১. গভীর নলকূপ, ২. ঝরনার পানি ও ৩. বৃষ্টির পানি।
ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় হলো-
১. পছন্দের বই পড়া,
২. বাগান করা ও
৩. পছন্দের গান শোনা।
তিনটি শখের কাজের উদাহরণ হলো-
১. বই পড়া,
২. বাগান করা ও
৩. পছন্দের গান শোনা।
পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় হলো-
১. প্রতিদিনই কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়া,
২. পছন্দের গান শোনা ও
৩. ফুলের বাগান করা।
নিয়মিত শরীরচর্চা আমাদের হৃৎপিণ্ড, মাংসপেশি এবং হাড় শক্তিশালী করে। একই সাথে এটি আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে এবং রাতে ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করা প্রয়োজন।
জীবাণু দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে যে সকল রোগ ছড়ায় সেগুলোই পানিবাহিত রোগ। যেমন- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস ইত্যাদি।
পানিবাহিত রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১. পাতলা পায়খানা হওয়া,
২. পেট ব্যথা করা ও.
৩. বমি হওয়া।
পানি নিরাপদ করার তিনটি উপায় হলো-
১. ফুটানো,
২. বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা ও
৩. ফিল্টার করা।
আধা লিটার নিরাপদ পানিতে এক চিমটি লবণ এবং এক মুঠো চিনি বা গুড় মিশিয়ে খাবার স্যালাইন তৈরি করা যায়। এছাড়াও খাবার স্যালাইন বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।
সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে যে বিধি মেনে চলা প্রয়োজন তাই হলো স্বাস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্যবিধি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সুস্থ থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা।
শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন কারণ- শরীরের ক্ষয়পূরণ এবং বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন হয়। তাই ভালো ঘুমের জন্য আমাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়া উচিত।
: ডায়রিয়া রোগ প্রতিরোধের উপায় হলো-
১. নিরাপদ পানি ব্যবহার,
২. হাত ধোয়া ও
৩. টয়লেট পরিষ্কার রাখা।
দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে যেমন- পান করা, খাবার রান্না করা, গোসল করা, ধোয়া-মোছা বা দাঁত ব্রাশ করার সময় আমরা পানি ব্যবহার করি। এসব কাজে দূষিত পানি ব্যবহার করলে আমরা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হই।
পানি বিশুদ্ধ বা নিরাপদ করার তিনটি উপায় হলো-
১. পানি ফুটিয়ে নিরাপদ করা।
২. পানি ফিল্টার করে নিরাপদ করা।
৩. পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে পানি নিরাপদ করা।
Related Question
View Allজীবাণু দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে পানিবাহিত রোগ ছড়ায়।
কলেরা, আমাশয় এবং টাইফয়েড পানিবাহিত রোগ।
স্বাস্থ্যবিধি আমাদেরকে সুস্থ থাকতে এবং জীবন সুন্দর ' করতে সাহায্য করে।
ফুটিয়ে, ফিল্টার করে এবং 'বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে আমরা পানি বিশুদ্ধ করতে পারি।
সুস্থ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা।
সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন অবশ্যই সুষম খাদ্য খেতে হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!