মানুষ বিভিন্ন কাজে মাটি ব্যবহার করে। যেমন- কৃষি কাজে, গৃহ নির্মাণে, মৃৎশিল্পে, আবর্জনা ফেলার স্থান হিসেবে ইত্যাদি।
কৃষিকাজে মাটির তিনটি ব্যবহার হলো-
১. বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য।
২. উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পানি ও পুষ্টি পাওয়ার জন্য।
৩. নানা ধরনের ফসল ও সবজি উৎপাদনের জন্য।
মৃৎশিল্পের তিনটি উদাহরণ হলো-
১. মাটির তৈরি রান্নার হাঁড়ি-পাতিল,
২. মাটির তৈরি ফুলদানি ও
৩. মাটির তৈরি বাটি।
আমাদের জীবনে মাটির তিনটি ব্যবহার হলো-
১. কৃষি কাজে, ২. গৃহ নিমাণে ও ৩. মৃৎশিল্প
গৃহ নির্মাণে মাটির তিনটি ব্যবহার হলো-
১. বসবাসের জন্য মানুষ মাটির উপরে ঘরবাড়ি ও দালানকোঠা নির্মাণ করে।
২. ইট বা কংক্রিটের মতো নির্মাণ সমগ্রী তৈরিতে।
৩. গ্রামীণ এলাকায় মাটির মেঝে তৈরিতে।
: কৃষিকাজে ব্যবহৃত তিনটি জৈব সারের নাম হলো-
১. গোবর সার,
২. সবুজ সার ও
৩. কম্পোস্ট সার।
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির তিনটি উপায় হলো-
১. জৈব সার ব্যবহার,
২. ফসল আবর্তন ও
৩. জমির সঠিক পরিচর্যা এবং চাষ পদ্ধতি।
মাটির হারানো পুষ্টি উপাদান ফিরে পাওয়ার তিনটি
উপায় হলো-
১. সার প্রয়োগ,
২. শিম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ ও
৩. ফসল আবর্তন।
জৈব সার ব্যবহারের তিনটি উপকারিতা হলো-
১. জৈব সার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
২. মাটির হারানো পুষ্টি উপাদান ফিরে পেতে সাহায্য করে।
৩. ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
ফসল আবর্তনের তিনটি উপকারিতা হলো-
১. মাটির উর্বরতা বজায় থাকে।
২. নির্দিষ্ট ফসলের রোগ ও কীটপতঙ্গের বিস্তার
৩. দীর্ঘমেয়াদে ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
মাটি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলা।
২. কৃষিকাজে কীটনাশক ও আগাছানাশক ব্যবহার করা।
৩. শিল্প-কারখানার তেল ও বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ মাটিতে ফেলা।
মাটি দূষণের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো-
১. জীবের বাসস্থান ও প্রকৃতি ধ্বংস হয়।
২. ফসলের উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩. মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বিভিন্ন রোগ হতে পারে।
মাটি দূষণ রোধের তিনটি উপায় হলো-
১. নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা।
২. জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা।
৩. মাটিতে মিশে যায় না এমন (পলিথিন, প্লাস্টিক) জিনিসের ব্যবহার কমানো।
কৃষিকাজে কীটনাশক ব্যবহারের তিনটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. মাটি ও পানি দূষিত হয়।
২. উপকারী কীটপতঙ্গ মারা যায়।
৩. বিভিন্ন রোগ হতে পারে!
মাটির হ্রাসকৃত বা হারানো পুষ্টি উপাদান ফিরে পাওয়ার জন্য জমিতে সার প্রয়োগ করা হয়। সার দুই প্রকার। যথা-
১. জৈব সার ও ২. অজৈব সার।
বায়ুপ্রবাহ বা অতি বৃষ্টিতে মাটির উপরের স্তর সরে গিয়ে মাটি ক্ষয় হয়। এ কারণে জমি উর্বরতা হারায়। একই জমিতে একই ফসল বছরের পর বছর চাষ করলেও জমি উর্বরতা হারায়।
উদ্ভিদ শিকড়ের সাহায্যে মাটি আটকে রেখে মাটির ক্ষয় রোধ করে। তাই মাটির ক্ষয় রোধে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন
মাটি ক্ষয়ের তিনটি কারণ হলো-
১. বায়ুপ্রবাহ,
২. অতি বৃষ্টিপাত ও
৩. মানবসৃষ্ট কার্যকলাপ।
বায়ুপ্রবাহ বা অতি বৃষ্টিতে মাটির উপরের স্তর সরে গিয়ে মাটি ক্ষয় হয়। তাছাড়া গাছপালা কেটে ফেলা এবং জমির অতিরিক্ত চাষাবাদের কারণেও মাটি ক্ষয় হয়।
মাটি সংরক্ষণ বলতে বোঝায় মাটির ক্ষয়রোধ করা বা মাটির উর্বরতা বজায় রাখা। এটি মাটির ক্ষয়, দূষণ এবং পুষ্টি হ্রাস প্রতিরোধের জন্য করা হয়। মাটি সংরক্ষণের লক্ষ্য হলো টেকসই কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
Related Question
View Allমাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
মাটিতে ক্ষতিকর পদার্থ ফেললে মাটি দূষিত হয়
পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণই হলো মাটি।
মাটিই হচ্ছে উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!