নৈতিক শিক্ষা ধর্মীয় শুভ চেতনাকে জাগ্রত করে। কারণ ধর্ম নৈতিক শিক্ষার ভিত্তিকে দৃঢ়তর করে তোলে। ধর্ম হলো নৈতিক শিক্ষার একটি উপায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন। এটি ধর্মীয় শিক্ষা। আর এ থেকে নৈতিক শিক্ষা পাওয়া যায় যে, জীবের সেবা করা উচিত।
উদারতা শব্দটি উদারের ভাব বোঝায়। উদারতা হলো চরিত্রের মহত্ত্ব বা সাধুতা। উদার ব্যক্তির কাছে সকল সমআয়ের মানুষ সমান মর্যাদা পায়। উদাহরণস্বরূপ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মানুষ জাতি কবিতায় উদারতার পরিচয় পাওয়া যায়। তাইতো কবি বলেছেন-
"কালো আর ধলো বাহিরে কেবল
ভিতরে সবার সমান রাঙা।"
এই যে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদহীন চেতনা তাকে উদারতা বলে। সুতরাং উদরতা একটি নৈতিক গুণ এবং ধর্মের অঙ্গ।
কোন স্বার্থের প্রত্যাশা না করে পরের মঙ্গলের জন্য যে কাজ করা হয় তাকে পরোপকার বলে। পরোপকারের মধ্য দিয়ে জীবের সেবা করা যায়। পরোপকারের একটি দৃষ্টান্ত হলো- পল্লব ও মধু সহপাঠী এবং একই স্কুলে পড়ে। একদিন মধু স্কুলে এলো না। পল্লব মধুর বাড়িতে গিয়ে দেখে যে খুবই অসুস্থ। বাড়িতে তার বাবা নেই। তাৎক্ষণিক সে ডাক্তার ডেকে নিয়ে এলো। মধুর প্রতি পল্লবের এ মনোভাবের মাধ্যমে পরোপকার করা যায়।
নিজের বিপদ হবে জেনেও কল্যাণকর কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার যে প্রবৃত্তি তার নাম সৎসাহস। সৎসাহস মনোবল বাড়ায়। সৎসাহসী' দুর্বলের পক্ষে দাঁড়ায় এবং তার জন্য লাড়াই করে। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তৎকালীন পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। মুক্তিযাদ্ধাদের অস্ত্রবল ছিল না। কিন্তু তাদের বুকে সৎসাহস ছিল। সৎসাহস দেশপ্রেমিকের একটি বৈশিষ্ট্য ও ধর্মের অঙ্গ এবং একটি নৈতিক গুণ।
মাদক সেবন একটি অনৈতিক কাজ। মাদক সেবন করলে নানা রকম রোগ হয়। যেমন- খাবারে অরুচি, বদহজম, অপুষ্টি, শ্বাসনালির ক্ষতি, স্থায়ী কফ ও কাশি, হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সার প্রভৃতি। এছাড়াও হৃদরোগ হতে পারে এবং কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মাদকাসক্ত অবস্থায় বিবেক বুদ্ধি লোপ পায়।
সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, দয়া, চুরি না করা, শুচিতা, ইন্দ্রিয় সংযম, বুদ্ধি, জ্ঞান, সত্য ও অক্রোধ ধর্মের দশটি লক্ষণ রয়েছে। এগুলো এক একটি নৈতিক গুণ। যিনি নৈতিক গুণগুলো অর্জন করেন এবং জীবনে ও সমাজে প্রয়োগ করেন, তিনি ধার্মিক বলে বিবেচিত হন। লোক তাকে ভালো মানুষ বলে। তিনিই সমাজের জ্ঞানী মানুষ।
নৈতিক শিক্ষা ধর্মীয় শুভ চেতনাকে জাগ্রত করে আর ধর্ম নৈতিক শিক্ষার ভিত্তিকে দৃঢ়তর করে তোলে। ধর্ম হচ্ছে নৈতিক শিক্ষার একটি উপায়। আর নীতি ছাড়া ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।
'উদার' শব্দটির অর্থ হচ্ছে মহান, সজ্জন বা সাধু। উদারতা শব্দটির উদারের ভাব বোঝায়। অর্থাৎ উদারতা হচ্ছে চরিত্রের মহত্ত্ব বা সাধুতা যাঁরা সাধু মহান তাঁরা সকল মানুষকে সমান মনে করেন। উদার চরিত্র ব্যক্তিদের কাছে পৃথিবীর সকলেই ইস্টিকুটুম। কেউ পর নয়। মানুষের মধ্যে ভেদাভেদহীন চেতনা একই বলে উদারতা। উদারতা একটি নৈতিক গুণ এবং ধর্মের অঙ্গ।
'উপকার' মানে ভালো করা। আর পরের ভালো করার নাম পরোপকার। কোনো স্বার্থের প্রত্যাশা না করে পরের মঙ্গলের জন্য যে কাজ করা হয় তাকেই বলে পরোপকার। পরোপকারের মধ্য দিয়ে জীবের সেবা করা হয় যেহেতু জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন। তাই পরোপকারের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়। পরোপকার করলে ব্যক্তি উদার হয়। তার মনে প্রশান্তি আসে।
পরোপকারী ব্যক্তিরা মহৎ প্রকৃতির হন। তাঁরা সবসময় অন্যের কথাই ভাবেন। নিজের জন্য ভাবেন না। তাঁরা নিজের কাজের বিনিময়ে কিছু প্রত্যাশা করেন না। অপরের কল্যাণে নিজের জীবনও বাজি রাখতে জানেন।
সেবা শব্দটির অর্থ হচ্ছে যত্ন বা শুশ্রুষা। সেবার আর একটি অর্থ পরিচর্যা। 'পরম মমতায় অপরের পরিচর্যা করাকে সেবা বলে। এটি মানুষের একটি বিশেষ গুণ। সেবা পরম ধর্ম। শাস্ত্রে বলা হয়েছে শিবজ্ঞানে জীবসেবা করবে।
পারিবারিক জীবনে ও সামাজিক জীবনে সেবার গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবারের 'প্রত্যেক সদস্যকে একে অপরকে যথাযথভাবে সেবা করা উচিত। সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তিই সেবাপরায়ণ। চিকিৎসক রোগীকে সেবার মাধ্যমে সুস্থ করলে সেখানেই তার স্বার্থকতা। গরিব-দুঃখী, অনাথকে সেবা করলে মূলত ঈশ্বরকে সেবা করা হয়। মাতৃভূমি আমাদের মা। মায়ের মতো মাতৃভূমিকে আমাদের সেবা করতে হবে।
সাহস শব্দটির মানে হচ্ছে ভয় না পেয়ে কোনো কাজ করতে এগিয়ে যাওয়া। নিজের বিপদ হবে জেনেও কল্যাণকর কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার যে প্রবৃত্তি তার নাম সৎসাহস যা মনোবল বাড়ায়।
অন্যের মতকে শ্রদ্ধা করা, অন্যের মতের প্রতি সহনশীল হওয়াকে বলে পরমতসহিষ্ণুতা। পৃথিবীতে অনেক মত, অনেক পথ আছে। ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে ও নানা মত ও পথের সৃষ্টি হয়েছে। সকল মত ও পথকে সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে পরমতসহিষ্ণুতা প্রকাশ পায়।
শ্রীরামকৃষ্ণ হিন্দুধর্মের বিভিন্ন সাধন পথ যেমন শাক্ত, বৈষ্ণব, তান্ত্রিক প্রভৃতি মতে সাধনা করেন। ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মমতেও সাধনা করে সকলক্ষেত্রেই তিনি সিদ্ধিলাভ করেন। শ্রীরামকৃষ্ণের "মতে, নিষ্ঠার সাথে সাধনা করলে সব পথেই ঈশ্বর লাভ করা যায়। তিনি উপলব্ধি করেন, 'যত মত তত পথ'। তবে সবার লক্ষ্য এক অর্থাৎ ঈশ্বর লাভ।
উদারতা, পরোপকারের মধ্য দিয়ে ধর্ম পালিত হয় এবং নৈতিকতা অর্জন করা যায়। জীবকে সেবা করলে স্বয়ং ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়। দুষ্টের দমন, ন্যায়বিচার, দেশরক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সৎসাহসের প্রয়োজন। পরমতসহিষ্ণুতা সম্প্রীতি ও শান্তি স্থাপনের অন্যতম উপায়। পরমত সহিষ্ণুতা সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখে।
মাদক বলতে এমন কিছু জিনিসকে বোঝায়, যা আমাদের নেশাগ্রস্ত করে। আমাদের দেহ ও মনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অসুস্থ করে তোলে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনে।
মাদক গ্রহণ অধর্ম। মাদক সবসময়ই আসক্তি তৈরি করে। মাদকাসক্তি মাদক গ্রহণকারীর স্বাভাবিক চেতনাকে বিমূঢ় বা নষ্ট করে দেয়। তিনি আর প্রকৃতিস্থ থাকেন না। সুস্থ থাকেন না। এর ফলে অসুস্থ দেহ ও মনে তিনি যে আচরণ করেন তাতে অনৈতিকতা প্রকাশ পায়।
মাদকাসক্তি এমন একটি অভ্যাস বা আসক্তি যা দৈহিক, মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি সাধন করে। এর ফলে মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটে। বিবেক বুদ্ধি লোপ পায়। ফলে মানুষ নানা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকে অসৎ উপায় অবলম্বন করে থাকে।
মাদকাসক্তি থেকে বিরত থাকার কয়েকটি উপায় রয়েছে। যথা- মাদক সেবন মহাপাপ ধর্মীয় এ অনুশাসন মেনে চলা। মাদক সেবন অনৈতিক কাজ সুতরাং নৈতিক দিক থেকেও আমরা মাদক গ্রহণ করব না। মাদকসেবীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন না করা বা সম্পর্ক না রাখা। প্রতিজ্ঞা করা মাদককে না বলব, নীতিধর্ম মেনে চলব।
ভীম ছিলেন পঞ্চ পাণ্ডবের একজন। তিনি ছিলেন খুব সাহসী ও বীর। বকরাক্ষসকে মেরে তিনি ছেলেদের রক্ষা করলেন। ভীমের আচরণ ছিল পরোপকারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সত্য, সংযম, আক্রোশ, ক্ষমতা প্রভৃতি ধর্মের দশটি লক্ষণ রয়েছে। এগুলো এক একটি নৈতিক গুণ। যিনি এ নৈতিক গুণগুলো অর্জন করেন এবং জীবন ও সমাজে প্রয়োগ করেন তিনি ধার্মিক বলে বিবেচিত হন। লোকে তাকে বলে ভালো মানুষ। আর তিনি সমাজের জ্ঞানী মানুষ।
পরোপকারের মধ্য দিয়ে জীবের সেবা করা হয়। পরোপকারের মধ্য দিয়ে জীবের দুঃখ-কষ্ট দূর হয়। তাছাড়া পরোপকারী এবং উপকৃত ব্যক্তির মধ্যে স্থাপিত হয় প্রীতির বন্ধন। তাই ব্যক্তিজীবন ও সমাজের ক্ষেত্রে পরোপকার বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।
সাহস শব্দটির মানে হচ্ছে ভয় না পেয়ে কোনো কাজ 'করতে যাওয়া। নিজের বিপদ হবে জেনেও কল্যাণকর কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার যে প্রবৃত্তি তার নাম সৎসাহস। আর জীবন চলার পথে সৎসাহস দেখানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
মাদক সেবনে নানা রকম রোগ হয়। যেমন-
(ক) খাবারে অরুচি;
(খ) বদহজম বা হজম শক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া;
(গ) অপুষ্টি;
(ঘ) শ্বাসনালির ক্ষতি;
(ঙ) স্থায়ী কফ ও কাশি;
(চ). হাঁপানি;
(ছ) ফুসফুসের ক্যান্সার এবং
(জ) হৃদরোগ প্রভৃতি।
ধর্মপালনের মধ্য দিয়ে নৈতিক শিক্ষা অর্জন করা যায়। এ পুস্তকের পঠিত অধ্যায়সমূহ থেকে আমরা জেনেছি, নৈতিকতা গঠনে ধর্ম খুবই সহায়ক। এ ছাড়া ত্যাগ-তিতিক্ষা ও দয়ার মতো নৈতিক গুণের দৃষ্টান্তমূলক ধর্মীয় উপাখ্যানের সঙ্গেও পরিচিত হয়েছি। এ অধ্যায়ে আমরা উদারতা, পরোপকার, সেবা, সৎসাহস ও পরমতসহিষ্ণুতা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধসমূহ এবং এগুলো অর্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত হব। নৈতিকতার পাশাপাশি মাদকাসক্তির মতো একটি অনৈতিক কাজ এবং তা থেকে বিরত থাকার উপায় সম্পর্কে জেনে এ কাজকে আমরা ঘৃণা করব।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
- ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
- উদারতা, পরোপকার, সেবা, সৎসাহস, পরমতসহিষ্ণুতা এ নৈতিক মূল্যবোধগুলো হিন্দুধর্মের আলোকে ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে এ নৈতিক মূল্যবোধগুলো অনুশীলনের গুরুত্ব ও গঠনের উপায় বর্ণনা করতে পারব
- মাদক ও মাদকাসক্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
- মাদক সেবন অনৈতিক কাজ- ব্যাখ্যা করতে পারব
- মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকার উপায় বর্ণনা করতে পারব
- সামাজিক জীবনে নৈতিক আচরণ করতে উদ্বুদ্ধ হব।
Related Question
View Allধর্মের দশটি লক্ষণ রয়েছে।
ধর্মশিক্ষার মধ্য দিয়ে আমরা যে জ্ঞানলাভ করি তা জীবন ও সমাজে প্রয়োগ করি। এটি হচ্ছে ধর্মের নৈতিক শিক্ষা। ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহন করলাম এবং এর মধ্যে থেমে থাকলাম; এতে কোনো লাভনেই। যদি আমি জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর আছেন জেনে জীবকে ঈশ্বর জ্ঞানে শ্রদ্ধা করি এবং জীবের সেবা করি তাহলেই ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন সার্থক হবে। তাই বলা যায়, ধর্ম হচ্ছে নৈতিক শিক্ষার একটি উপায়।
পূরবী দত্তের চরিত্রে উদারতার নৈতিক গুণটি ফুটে উঠেছে।
উদারতা হচ্ছে মহত্ত্ব বা সাধুতা। উদ্দীপকের পূরবী দত্ত সেরকম একজন নারী। তার স্বামী প্রবাসে চাকরি করেন। সেজন্য পূরবী সংসারে সকলের দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি সদস্যদের মতামতকে প্রাধান্য দেন। এটি তার উদারতারই বহিঃপ্রকাশ। উদার ব্যক্তির পরিচয় দিতে গিয়ে বলা হয়েছে উদারচরিতানাং তু বসুধৈব কুটুম্বকম অর্থাৎ উদার চরিত্রের ব্যক্তিদের কাছে পৃথিবীর সকলেই ইষ্টিকুটুম (আত্মীয়)।
নৈতিক মূল্যবোধ একজন ব্যক্তিকে ধার্মিকে পরিণত করে। এজন্য উদ্দীপকের পূরবী দত্তকে ধার্মিক বলতে পারি।
পরিবার ও সমাজে শৃঙ্খলা আনয়নের ক্ষেত্রে উদারতার যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। যারা উদার তারা সকলের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উদারতা ব্যক্তির চরিত্রকে উন্নত করে। সে নিজেকে কখনও বঞ্চিত বোধ করেন না। পাওয়াতে নয় দেওয়াতেই তার আনন্দ। ব্যক্তি স্বার্থচিন্তা মানুষের মনকে সংকীর্ণ করে তোলে। তখন মানুষ পরিবারস্থ ও সমাজের অন্যান্যদের স্বার্থের কথা, সুখের কথা এবং সমাজের কথা ভুলে যায়। এতে সমাজেরও উন্নতি ও অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। আমরা আমাদের আচরণে উদারতার পরিচয় দেব। অপরের সুখে সুখী হব, অপরের দুঃখে দুঃখী হব। এতে পরিবার ও সমাজে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সমাজেরও মঙ্গল হবে।
'?' চিহ্নিত স্থানে আমরা লিখতে পারি নৈতিক গুণাবলি।
নিজের বিপদ জেনেও কল্যাণকর কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার যে প্রবৃত্তি তার নাম 'সৎসাহস'। সৎসাহস মানুষের মনোবল বৃদ্ধি করে এবং নির্ভিকতার মুখে প্রতিকূল পরিবেশের মুখোমুখি দাঁড়াতে শেখায়। সবল যখন দুর্বলের ওপর অত্যাচার করে তখন সৎসাহসী দুর্বলের পক্ষে দাঁড়ান। সৎসাহস তাই ধর্মের অঙ্গ এবং একটি নৈতিক গুণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!