স্বামী প্রণবানন্দের একটি বাণী হলো-"আহারে, বিহারে ও আলাপে সংযম অভ্যাস করবে। দুর্বল ব্যক্তি আত্মজ্ঞান ও মুক্তি লাভ করতে পারে না।"
মা আনন্দময়ীর পিতার নাম হলো বিপিনবিহারী ভট্টাচার্য।
মা আনন্দময়ী রমনা কালীবাড়িতে নিয়মিত সাধনা করতেন।
যেসব নারী নিজেদের কথা না ভেবে সকলের উপকার করেন তাঁরাই হলেন মহীয়সী নারী। মহীয়সী নারীদের রয়েছে অনেক গুণ। যেমন- তাঁরা নিজেদের কথা না ভেবে সমাজ ও দেশের কথা ভাবেন। তাঁরা সকলের সুখ-শান্তির কথা ভাবেন। পরোপকারই তাদের জীবনের সাধনা।
শিশুদের জন্য মা আনন্দময়ীর অনেক নৈতিক শিক্ষামূলক উপদেশ আছে। মা আনন্দময়ীর শিক্ষামূলক উপদেশ হলো-
১. ভগবানের নাম করবে। তাতে মঙ্গল হবে।
২. গুরুজন ও বাবা-মায়ের কথা শুনবে। ভালো করে লেখাপড়া শিখবে।
৩. অন্তরে যদি ভগবানের প্রতি ভালোবাসা থাকে, ভক্তি থাকে তাহলে আর ভয় নেই।
মা আনন্দময়ী ধর্ম সম্পর্কে বলেন-
১. জগতে মত ও পথের শেষ নেই।
২. সব পথেই সত্যকে পাওয়া যায়।
৩. সব ধর্ম সমান।
৪. সব মানুষ সমান।
স্বামী প্রণবানন্দ সংঘ ও সংঘশক্তির ওপর জোর দিতেন। কারণ এর মাধ্যমে গরিব-দুঃখীদের সেবা ও কল্যাণ করা যায়। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়। ধর্মপ্রচার করা যায়।
দুর্বলতা ত্যাগ করার কথা বলেছেন স্বামী প্রণবানন্দ। কেননা দুর্বল ব্যক্তি আত্মজ্ঞান ও মুক্তিলাভ করতে পারে না।
মা আনন্দময়ীর দুটো জীবনাদর্শ হলো-
১. ভগবানকে শ্রদ্ধা ও স্মরণ করা।
২. মা-বাবা ও গুরুজনদের ভক্তি করা।
সমাজে শান্তি স্থাপনে আমরা মা আনন্দময়ীর যেসব আদর্শ অনুসরণ করব তা হলো-
১. সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
২. সকল মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখা।
৩. মানুষে মানুষে ভেদাভেদ না করা।
তীর্থস্থানে পান্ডাদের অত্যাচার বন্ধে বিনোদ গয়ায় সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে তীর্থযাত্রীরা পান্ডাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পায়। তীর্থযাত্রীরা সহজে পুণ্যকর্ম করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এটি 'ভারত সেবাশ্রম সংঘ' নামে খ্যাতি লাভকরে। ক্রমে তিনি বিভিন্ন স্থানে ভারত সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন।
Related Question
View Allআমাদের সমাজে কিছু অসাধারণ মানুষ আছেন।
স্বামী প্রণবানন্দ ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
মা আনন্দময়ীর প্রকৃত নাম নির্মলা সুন্দরী
মহাপুরুষরা অলৌকিক গুণসম্পন্ন।
বিনোদ ছিলেন শিবের ভক্ত।
মায়ের আদেশে বিনোদ গয়াধামে গিয়েছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!