সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের মাহাত্ম্য, দেব-দেবীর উপাখ্যান, সমাজ ও জীবন সম্পর্কে নানা উপদেশমূলক কাহিনী ধর্মগ্রন্থের বিষয়বস্তু। বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী ইত্যাদি হচ্ছে আমাদের ধর্মগ্রন্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পৌরাণিক ধর্মমতে সত্য, অহিংসা, ক্ষমা, শান্তি ও ত্যাগ মানুষকে শ্রেষ্ঠতম আসনে প্রতিষ্ঠিত করে। আর এসব গুণকে উপজীব্য করেই নানা গল্প, উপাখ্যানের মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করার উপদেশাবলি রয়েছে পুরাণশাস্ত্রে। সে সমস্ত উপদেশাবলি আমাদের নীতিরোধকে সজাগ করিয়ে দেয়। ধর্মের পথে চলতে সহায়তা করে। সবসময় ঈশ্বরকে স্মরণ করা আমাদের কর্তব‍্য। তাহলে পাপ আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না। পূণ্যপথে থাকলে মৃত্যুর পর আমরা স্বর্গের বিষ্ণুলোকে গমন করতে পারব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাকালে চৈত্র বংশে সুরথ নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে রাজ্যহারা হন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

দৈত্যরাজ মহিষাসুর দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গের সিংহাসন দখল করে। তখন দেবতাদের এ অবস্থায় স্বর্গরাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য দেবী দূর্গা আর মহিষাসুরের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেন। দেবতারা স্বর্গরাজ্য ফিরে পান। মহিষাসুর বধের উদ্দেশ্য ছিল দেবতাদের স্বর্গরাজ্য ফিরে পাওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে গ্রন্থে অতি প্রাকৃতিক সত্তা (ভগবান, ঈশ্বর ইত্যাদি) ও কল্যাণকর জীবনযাপন সম্পর্কে আলোচনা, উপদেশ ও উপাখ্যান লেখা থাকে, তাকে ধর্মগ্রন্থ বলে।' বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা প্রভৃতি আমাদের ধর্মগ্রন্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের মাহাত্মা, দেব-দেবীর উপাখ্যান, সমাজ ও জীবন সম্পর্কে নানা উপদেশমূলক কাহিনি 'প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থের বিষয়বস্তু। ধর্মগ্রন্থে ধর্মের কথা থাকে, মানুষের কল্যাণের কথা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে পুরাতন বা প্রাচীন। এখানে পুরাণ হচ্ছে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এক শ্রেণির ধর্মগ্রন্থ। এখানে সৃষ্টি ও দেবতাদের উপাখ্যান, ঋষি ও রাজাদের বংশ, পৃথিবীর ভৌগোলিক পরিচিতি, তীর্থমাহাত্ম্য, দান, ব্রত, তপস্যা, আয়ুবেদ প্রভৃতির মধ্য দিয়ে বেদভিত্তিক হিন্দুধর্ম ও সমাজের নানা কথা বলা হয়েছে। পুরাণকে শুধু গ্রন্থ না বলে বলা উচিত গ্রন্থাবলি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষকে কল্যাণকর সুন্দর জীবন সম্পর্কে গল্পের মাধ্যমে উপদেশ ও নীতি শিক্ষা প্রদান পুরাণের মূল বিষয়বস্তু। পুরাণে গল্প শুনানো হয়েছে। সে গল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্মজীবন ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া। গল্প বলার ছলে পুরাণগুলো রচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণের সংখ্যা অনেক। তবে প্রধান পুরাণের সংখ্যা আঠার। এই আঠারটি পুরাণ হচ্ছে- ১. ব্রহ্মপুরাণ, ২. পদ্ম পুরাণ, ৩. বিষ্ণু পুরাণ, ৪. শিব পুরাণ, ৫. ভাগবত পুরাণ, ৬. নারদ পুরাণ, ৭. মার্কন্ডেয় পুরাণ, ৮. অগ্নি পুরাণ, ৯. ভবিষ্য পুরাণ, ১০. ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, ১১. বরাহ পুরাণ, ১২. লিঙ্গ পুরাণ, ১৩. স্কন্দ পুরাণ, ১৪. বামন পুরাণ, ১৫. কূর্ম পুরাণ, ১৬. মৎস্য পুরাণ, ১৭. গরুড় পুরাণ ও ১৮. ব্রহ্মান্ড পুরাণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য- সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত। সর্গ মানে সৃষ্টি। প্রতিসর্গ মানে পুনরায় সৃষ্টি। দেবতা ও ঋষিদের বর্ণনাই হলো বংশ। প্রতিটি সৃষ্টির আদি পুরুষ হলেন মনু। এক মনু থেকে আরেক মনুর কালের পূর্ব পর্যন্ত সময়কে বলা হয় মন্বন্তর। আর বংশানুচরিত হচ্ছে দেবতা, 'ঋষি বা বিখ্যাত রাজাদের জীবনচরিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণের মধ্যে সেকালের ধর্ম এবং জীবনের প্রতিফলন ঘটেছে। পুরাণে রয়েছে বর্ণাশ্রমধর্ম, আচার-অনুষ্ঠান, শ্রাদ্ধ, দান, পূজা, ব্রত ও তীর্থস্থানের বর্ণনাসহ অনেক বিষয়। আমাদের ধর্ম এবং জীবনে পুরাণের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পৌরাণিক ধর্মমতে সত্য, অহিংসা, ক্ষমা, শীন্তি ও ত্যাগ মানুষকে শ্রেষ্ঠতম আসনে প্রতিষ্ঠিত করে। আর এসব গুণকে উপজীব্য করেই নানা গল্প, উপাখ্যানের মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করার উপদেশাবলি রয়েছে পুরাণ শাস্ত্রে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রীশ্রীচণ্ডী হচ্ছে মার্কন্ডেয় পুরাণের একটি অংশ। মার্কন্ডেয় পুরাণের ৮৩ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ১৩টি অধ্যায়ের নাম চণ্ডী। চণ্ডীতে সাতশত মন্ত্র আছে। তাই এর আরেক নাম সপ্তশতী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রীশ্রীচণ্ডীতে রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্যের কাহিনি, দেবী মহামায়া, দেবী দুর্গা, দেবী অম্বিকা ও দেবী কালিকার উদ্ভব ও মহিমা বর্ণিত হয়েছে। শ্রীশ্রীচণ্ডী মার্কন্ডেয় পুরাণের অংশ হয়েও বিষয়বস্তু ও রচনার গুণে আলাদা গ্রন্থের মর্যাদা পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণ মতে সর্বপ্রথম রাজা সুরথ বসন্তকালে দেবীর আরাধনা শুরু করেন। এজন্য এ পূজার নাম হয় বাসন্তীপূজা। তবে বর্তমানে বাসন্তী পূজার চেয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব অধিক গুরুত্ব পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অপহৃত সীতাকে উদ্ধার করতে রাবণের সাথে যুদ্ধ করার আগে শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে এ পূজার আয়োজন করেছিলেন। কালক্রমে শরতের এ পূজাই বর্তমানে অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে এবং শারদীয় দুর্গোৎসব নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

এই জগৎ মহামায়ার মূর্তি হলেও তিনি নিত্য, তিনি চিরন্তন। তাঁর ধ্বংস নেই। তিনি আমাদের সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন। একই দেবী মহামায়া, দুর্গা, অম্বিকা ও কালিকারূপ আবির্ভূত হয়েছেন। অসুর ব্য দৈত্যদের বিনাশ কবে শান্তি স্থাপন করেছেন। দেবতারা তাঁকে স্তুতি করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য দুজনে মেধা মুনির কাছ থেকে দেবীর মাহাত্য ও দেবীর পূজা পদ্ধতি শিখে নেন। এরপর দুজনে মিলে দেবীর মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে পূজা করতে থাকেন। দেবী প্রসন্ন হন। দেবীর কৃপায় রাজা সুরথ তার রাজ্য ফিরে পান। আর সমাধি বৈশ্য শান্তি ও মুক্তি লাভ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবসহ অন্যান্য দেবতাদের শরীর থেকে ভয়ংকর তেজ একত্রিত হয়ে এক দিব্য নারীমূর্তি অর্থাৎ দেবী দুর্গার সৃষ্টি হয়। দেবগণ তাঁকে নানান অস্ত্র ও অলংকার দান করেন। গিরিরাজ হিমালয় দেবীর বাহন হিসেবে দেন সিংহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

দেবী দুর্গা একা মহিষাসুরের সেনাপতি চিক্ষুর ও চামরসহ চতুরঙ্গ সেনাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। তিনি একে একে চিক্ষুর, চামরসহ প্রায় সকলকেই তার অস্ত্রাঘাতের মাধ্যমে নিহত করেন। তারপর মহিষাসুর নিজে যুদ্ধে নামেন। দেবী দুর্গা আর মহিষাসুরের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয়। অবশেষে দেবী শূলাঘাতে মহিষাসুরকে বধ করেন। এভাবে দেবতারা তাদের স্বর্গরাজ্য ফিরে পান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শুন্ড দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ দখল করলে তার ভাইসহ ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল। তখন দেবতারা দেবী চণ্ডীর স্তব করে দেবীকে প্রসন্ন করেন। এরপর দেবীর ক্রোধ থেকে আবির্ভূত হন দেবী অম্বিকা। ফলে তার শরীর কালো হয়ে যায়। তিনি পরিচিত হন কালিকা নামে। এই কালিকা বা অম্বিকার কাছে শুন্ড, নিশুন্ড পরাজিত ও নিহত হয় এবং দেবী কালিকা শুন্ড ও নিশুন্ডের কাছ থেকে স্বর্গরাজ্য উদ্ধার করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রীশ্রীচণ্ডী আমাদের শক্তি ও সাহস যুগিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শিক্ষা দেয়। এছাড়াও একতাই শক্তি এই শিক্ষা পাই। শত্রুর কবল থেকে দেশ ও সমাজকে রক্ষা করার অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তুমি সকল প্রকার কল্যাণদায়িনী। তুমি মঙ্গলময়ী, তুমি সর্বপ্রকার অভীষ্ট পূর্ণকারিণী। তুমি জগতের শরণভূতা, তুমি ত্রিনয়না, তুমি গৌরী, তুমি নারায়ণী। হে দেবী, তোমাকে প্রণাম করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

দেবী দুর্গার যেসব আদর্শ আমরা অনুসরণ করব তা হলো-শরণাগতকে রক্ষা করব। অসহায়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াব। মনের ভেতরে বসবাসকারী পশুর শক্তিকে বিনাশ করব। সমাজে গড়ে তুলব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, গড়ে তুলব আদর্শ মূল্যবোধ ও সুন্দর সমাজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের ৮৩ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ১৩টি অধ্যায়ের নাম চণ্ডী। চণ্ডীতে সাতশত মন্ত্র আছে, তাই এর আরেক নাম সপ্তশতী। চণ্ডীকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. প্রথম চরিত;
২. মধ্যম চরিত;
৩. উৎস চরিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গল্প বলার ছলে পুরাণগুলো রচিত। মানুষ গল্প শুনতে ভালোবাসে। পুরাণে গল্প শোনানো হয়েছে। সে গল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্মজীবন ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া। মানুষকে কল্যাণকর সুন্দর জীবন সম্পর্কে গল্পের মাধ্যমে উপদেশ ও নীতি শিক্ষা প্রদান পুরাণের মূল বিষয়বস্তু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুরাণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য হলো- সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত।
ক. সর্গ: সর্গ মানে সৃষ্টি।
খ. প্রতিসর্গ: প্রতিসর্গ মানে পুনরায় সৃষ্টি।
গ. বংশ: দেবতা ও ঋষিদের বর্ণনাই হলো বংশ।
ঘ. মন্বন্তর: প্রতিটি সৃষ্টির আদি পুরুষ হলেন মনু। এভাবে চৌদ্দজন মনুর কাল অতিক্রান্ত হয়েছে। 
ঙ. বংশানুচরিত: বংশানুচরিত হচ্ছে দেবতা, ঋষি বা বিখ্যাত রাজাদের জীবনচরিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের ৮৩ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ১৩টি অধ্যায়ের নাম চণ্ডী। এক সময় এ অংশটির নাম ছিল দেবী মাহাত্ম্য। চণ্ডীতে রয়েছে সাতশ মন্ত্র। বস্তুত সাতশ মন্ত্রের জন্যই চণ্ডীকে সপ্তশতী বলা হয়। তবে এটি স্বতন্ত্রভাবে রচিত হয়নি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মহাভারতের অংশ হয়েও গীতা যেমন পৃথক গ্রন্থের মর্যাদা পেয়েছে তেমনি শ্রীশ্রীচণ্ডীও মার্কণ্ডেয় পুরাণের অংশ হয়েছে এবং বিষয়বস্তু ও রচনার গুণে আলাদা গ্রন্থের মর্যাদা পেয়েছে। দুর্গাপূজা ও বাসন্তীপূজার সময় বিশেষভাবে চণ্ডীপাঠ করা হয়। গীতার মতো চণ্ডীও একটি নিত্যপাঠ্য গ্রন্থ। তাই সবকিছু মিলিয়ে গীতার সাথে চণ্ডীকে তুলনা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে শরৎকালে যে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয় এটি মূলত অকালবোধন। অপহৃত সীতাকে উদ্ধার করতে রাবণের সাথে যুদ্ধ করার আগে শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে এ পূজার আয়োজন করেছিলেন। কালক্রমে শরতের এ পূজাই বর্তমানে অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে এবং শারদীয় দুর্গোৎসব নামে পরিচিতি লাভ করেছে। শরতের আগমনী বার্তা নিয়ে মর্ত্যে পদার্পণ করেন দেবী দুর্গা। আর শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী তিথিতে অবস্থান করেন আমাদের পৃথিবীতে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
48

ধর্মগ্রন্থে ধর্মের কথা থাকে, মানুষের কল্যাণের কথা থাকে। ঈশ্বরের মাহাত্ম্য, দেব-দেবীর উপাখ্যান, সমাজ ও জীবন সম্পর্কে নানা উপদেশমূলক কাহিনী প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থের বিষয়বস্তু। ধর্মগ্রন্থ পাঠ করলে আমাদের কল্যাণ হয়। বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী প্রভৃতি আমাদের ধর্মগ্রন্থ। বেদ আমাদের আদি ধর্মগ্রন্থ। এ অধ্যায় থেকে আমরা সংক্ষেপে পুরাণ ও শ্রীশ্রীচণ্ডী সম্পর্কে জানব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • পুরাণের অর্থ ও ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • পুরাণের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করতে পারব
  • মার্কণ্ডেয় পুরাণের অংশ হিসেবে শ্রীশ্রীচণ্ডীর পরিচয় বর্ণনা করতে পারব
  • শ্রীশ্রীচণ্ডীর একটি কাহিনি বর্ণনা করতে ও তার শিক্ষা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • ধর্মাচরণে ও নৈতিকতাবোধে পুরাণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব
  • পুরাণে বিধৃত শিক্ষার মাধ্যমে সৎ জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শ্রীশ্রীচণ্ডী স্বতন্ত্রভাবে রচিত হয় নি। এটি হচ্ছে মার্কন্ডেয় পুরাণের একটি অংশ। মার্কন্ডেয় পুরাণের ৮৩ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ১৩টি অধ্যায়ের নাম চণ্ডী। এ কারণে শ্রীশ্রীচণ্ডী পুরাণের অন্তর্গত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
125
উত্তরঃ

অনেককাল আগে দেবতাদের রাজা ইন্দ্র ও অসুরদের রাজা মহিষাসুরের মধ্যে স্বর্গরাজ্য দখলকে কেন্দ্র করে এক ভয়ানক যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে দেবতারা অসুরদের সাথে হেরে যান। যুদ্ধে হেরে গিয়ে দেবতারা আর স্বর্গে বসবাস করতে পারলেন না। তারা বিতাড়িত হলেন স্বর্গরাজ্য থেকে। রাজা মহিষাসুর স্বর্গরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত করে যাবতীয় সন্ত্রাসী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড।
উদ্দীপকের আলোচনায় আমরা জানতে পারি, সঞ্জয় একজন দুর্ধর্ষ ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির। সবার সাথে সে দুর্ব্যবহার করে। স্বার্থে আঘাত লাগলে সে মারধর পর্যন্ত করে। কিন্তু মহিষাসুর ছিল দৈত্যদের রাজা এবং তার সাথে যুদ্ধ বাধে দেবতাদের। পক্ষান্তরে, সঞ্জয় একজন মর্ত্যের মানুষ এরং সে ঝগড়া করে মানুষের সাথে। এক্ষেত্রে একজন হচ্ছে মর্ত্যবাসী অন্যজন স্বর্গবাসী। তাই উভয়ের মধ্যে মিল থাকলেও যথেষ্ট পার্থক্যও পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
142
উত্তরঃ

শ্রীশ্রীচণ্ডীর শিক্ষা দেবজিৎ-এর চরিত্রে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে। কথাটি আংশিক মিল রয়েছে।
পৃথিবীতে দুষ্ট বা অসৎ মানুষ একসময় ধ্বংস হবেই আর সাধু ও সৎ মানুষ টিকে থাকবে নিজের সততার মধ্য দিয়ে। যেমনটি দেখা যায় শ্রীশ্রীচণ্ডী উপাখ্যানে। এখানে দেবীদুর্গার মহত্ত্বের কথা বলা হয়েছে। দেবীদুর্গা অসুরদের দমন করে স্বর্গরাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনেন। উদ্দীপকের দেবজিৎ অমায়িক, দয়ালু ও পরোপকারী। সে সমাজসেবামূলক কাজ করতে ভালোবাসে। সে তার বাবার অনৈতিক কাজ সমর্থন করে না। এসব গুণাবলি দেবীদুর্গার চরিত্রে দেখা যায়। কিন্তু দেবীদুর্গা হলেন দেবতা। তাঁর রয়েছে ঐশ্বরিক শক্তি। পক্ষান্তরে, দেবজিৎ হচ্ছে একজন মানুষ। তাই একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, শ্রীশ্রীচন্ডীর শিক্ষা দেবজিতের চরিত্রে কিছুটা প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
80
উত্তরঃ

অসুররা দেবতাদের যখন স্বর্গরাজ্য থেকে বিতাড়িত করে তখন তাঁরা এ কাহিনী ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের কাছে বর্ণনা করেন। দেবতারা এ কাহিনী শুনে ভীষণ রেগে যান। তাদের তেজরাশি একত্রিত হয়ে আলোকপুঞ্জে পরিণত হয়। এ আলোকপুঞ্জ থেকেই আবির্ভূত হন দেবীদুর্গা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
111
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews