সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান পদার্থগুলোকে চার ভাগ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ হিউমাস নামে পরিচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিউমাস কালচে রঙের।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান পদার্থগুলোর মধ্যে বায়বীয় পদার্থ শতকরা ২৫ ভাগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে জৈব পদার্থের শতকরা পরিমাণ ৫%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে শতকরা ২৫% পানি থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রোটোপ্লাজম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমের শতকরা ৮৫-৯৫ ভাগ ভাগ পানি ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ বেশির ভাগ পানি মূল অঙ্গের মাধ্যমে শোষণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে অজৈব বা খনিজ পদার্থের পরিমাণ শতকরা ৪৫%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির স্তরকে দিগ্বলয় বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি ৪টি সমান্তরাল স্তরে বিভক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির হরাইজোন A স্তরে হিউমাসসহ জৈব পদার্থ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির সবচেয়ে উপরের স্তরকে টপ সয়েল বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির ২য়  স্তরে খনিজ পদার্থের পরিমাণ বেশি
থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হরাইজোন A স্তরে উদ্ভিদ ও প্রাণীর পচন শুরু হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিকে মূলত চার ভাগ করা হয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটির পানি ধারণক্ষমতা খুবই কম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটিতে অনেক বেশি বায়বায়ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমাটি সবচেয়ে বেশি উর্বর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমাটিতে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটিতে কণা সবচেয়ে বড় হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটিতে অতি ক্ষুদ্র শিলা থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালুমাটিতে হিউমাস থাকলে চাষাবাদ সহজসাধ্য হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলি মাটিতে কোয়ার্টজ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদা মাটির কণাগুলোর মধ্যকার রন্দ্র খুব ছোট ও সরু হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদামাটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পানি ধারণ করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদামাটিতে খনিজ পদার্থ বেশি থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দো-আঁশ মাটি ফসল চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফসল উৎপাদনে মাটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড pH।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির pH ৭ হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলু ও গম চাষে উপযুক্ত pH ৫-৬।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সর্বোচ্চ পরিমাণ গম উৎপাদনের জন্য মাটির সঠিক pH ৫-৬ হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গৃহস্থালির বর্জ্য জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে পচে জৈব সার এ পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মারকারি মাটিতে বিদ্যমান উপকারী অণুজীবগুলোকে মেরে ফেলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনিতে অগ্নিকান্ডের ফলে মাটির উৎপাদনশীলতা নষ্ট হয়ে যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি সংরক্ষণের সবচেয়ে কার্যকর ও সহজ কৌশল গাছ লাগানো।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৃষ্টিপাতের কারণে ঢালু জায়গায় মাটির ক্ষয় বেশি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সারের ব্যবহার মাটিতে বসবাসকারী অনেক উপকারী পোকামাকড় অণুজীব ধ্বংস করে দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেশির ভাগ খনিজ পদার্থ কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুনাপাথরের সংকেত CaCO3

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিপসাম সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোয়ার্টজ কাচ তৈরির কাঁচামাল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এ পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল জৈব খনিজ পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোয়ার্টজ প্রয়োজন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল জিপসাম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয় মাইকা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ হীরা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রাফাইট পেন্সিল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে নরয খনিজ ট্যালক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ট্যালকম পাউডার তৈরির মূল উপাদান ট্যালক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসাইট বা চুনাপাথর মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিলিকার মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসা-বাড়িতে গ্যাসের চুলায় ব্যবহৃত গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে উৎপন্ন গ্যাসের খনিকে গ্যাসকূপ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের সাথে খনিতে পেট্রোলিয়াম পাওয়া যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত গ্যাসকূপে গ্যাসের সাথে তেল থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে গ্যাস পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে সঞ্চালন করা হয় তা মূলত মিথেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউরিয়া সারের কাঁচামাল মিথেন ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউরিয়া সার তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় প্রাকৃতিক গ্যাস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ উৎপাদনে শতকরা ৫১  ভাগ' প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শতকরা ৫ ভাগ গ্যাস অপচয় হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়াম খনিজ তেল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসোলিন, কেরোসিন, ডিজেল খনিজ তেল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপরিশোধিত তেলের উপাদানকে ৪০০ সে তাপমাত্রায় আলাদা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনিতে প্রাপ্ত তরল জ্বালানি পেট্রোলিয়াম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা পাললিক শিলা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার মূল উপাদান কার্বন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার উৎপত্তি হয়েছে ৩৫০ মিলিয়ন বছর পূর্বে?।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা তিন ধরনের ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানথ্রাসাইট সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানথ্রাসাইট কয়লাতে শতকরা ৯৫ ভাগ ভাগ কার্বন থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিটুমিনাস কয়লা ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইটের ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে আমাদের জীবন ধারণের জন্য অতি প্রয়োজনীয় গাছপালা জন্মায়। মাটির নিচ থেকে জীবনধারণের জন্য দরকারি পানির বড় একটি অংশ আসে। এছাড়াও আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানির (যেমন- তেল, গ্যাস, কয়লা) সিংহভাগ আমরা আহরণ করি মাটির নিচ থেকে। একইভাবে সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, লোহাসহ নানা রকম খনিজ পদার্থ এই মাটিরই অংশ। এসকল কারণে মাটি আমাদের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি থেকে পাওয়া পানির সাহায্যেই গাছপালা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের খাবার তৈরি করে আর আমাদেরকে অক্সিজেন দেয়। গাছপালা তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি (যেমন: খনিজ পদার্থ, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি) মাটি থেকে সংগ্রহ করে। কাজেই মাটি না থাকলে উদ্ভিদ এসব পুষ্টিও গ্রহণ করতে পারত না, ফলে উদ্ভিদের বেড়ে উঠাও'সম্ভব হতো না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান প্রধান প্রধান খনিজ পদার্থ বা অজৈব পদার্থগুলো হলো ক্যালসিয়াম (Ca), অ্যালুমিনিয়াম (Al), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), লোহা (Fc), সিলিকন (Si), পটাশিয়াম (K) ও সোডিয়াম (Na), অল্প পরিমাণে ম্যাংগানিজ (Mn), কপার (Cu), জিংক। (Zn), কোবাল্ট (Co), বোরন (B), আয়োডিন (1) এবং ফ্লোরিন (F) 1 এছাড়া মাটিতে কার্বোনেট, সালফেট, ক্লোরাইড, নাইট্রেট এবং ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), পটাশিয়াম (K), সোডিয়াম (Na) ইত্যাদি ধাতুর জৈব লবণও পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে হিউমাস তৈরি হয় মৃত গাছপালা, প্রাণী ও তাদের বর্জ্য পদার্থের পচনের মাধ্যমে। এই পচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের সূক্ষ্মজীব (যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক) জৈব পদার্থগুলোকে ভেঙে ভেঙে সরল যৌগে পরিণত করে। এই সরল যৌগগুলো মিলে হিউমাস নামক একটি কালো রঙের জৈব পদার্থ তৈরি হয়। হিউমাস মাটির উর্বরতা বাড়ায়, পানি ধরে রাখে এবং গাছের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান জোগায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি হলো নানারকম জৈব আর অজৈব রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ। মাটিতে বিদ্যমান পদার্থগুলোকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো খনিজ পদার্থ, জৈব পদার্থ, বায়বীয় পদার্থ আর পানি। তবে এসব পদার্থ বেশিরভাগ সময়েই একটি আরেকটির সাথে মিশে একধরনের জটিল মিশ্রণ তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ হিউমাস নামে পরিচিত। যা তৈরি হয় মৃত গাছপালা ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে। মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ পানি শোষণ করতে পারে। ফলে অল্প বৃষ্টিপাতে মাটির ক্ষয় হয় না। এছাড়াও এতে বিদ্যমান উপকারী পোকামাকড়, অণুজীব মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। তাই জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদসমূহ মূলের মাধ্যমে পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এ প্রক্রিয়ায় পানি প্রয়োজন হয়। জলজ উদ্ভিদ সারা দেহের মাধ্যমে পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে থাকে। তাই, পানি না থাকলে উদ্ভিদের পুষ্টি গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালির তুলনায় কাদা মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি কারণ, কাদামাটির বেলায় মাটির কণাগুলোর ফাঁকে ফাঁকে থাকা রন্দ্র খুব সূক্ষ্ম, 'যা পানি ধরে রাখে। অন্যদিকে বালি মাটির বেলায় রস্তুগুলো বড় বড়, যে কারণে পানি আটকে থাকে না বা ধরে রাখতে পারে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে পানি থাকে মাটির কণার মাঝে থাকা ফাঁকা জায়গাগুলোতে বা রন্দ্রে। এই রন্দ্রের আকার-আকৃতির উপর নির্ভর করে মাটির পানি ধরে রাখার ক্ষমতা। যে মাটিতে এই মার্চিস্থ রন্দ্র - সূক্ষ্ম সে মাটির পানি ধরণ ক্ষমতা বেশি। অন্যদিকে যে মাটিতে রন্দ্রগুলো বড় বড় সে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে পানি না থাকলে গাছপালা জন্মাতে পারত না এবং জন্মালেও বেড়ে উঠতে পারত না। পানি না থাকলে উদ্ভিদ মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে পারত না। ফলে এদের বেড়ে ওঠাও সম্ভব হতো না। এছাড়াও মাটিতে পানি না থাকলে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান পানি শোষণ করতে. পারত না। যার ফলে উদ্ভিদের খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হতো যা জীবকুলের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে নানারকম উপকারী অণুজীব থাকে। এর মধ্যে কিছু অণুজীবের জন্ম আর বেড়ে ওঠার জন্য অক্সিজেন অত্যাবশ্যক, অক্সিজেন না থাকলে এরা বাঁচতে পারে না। আবার অক্সিজেন পানিতে অদ্রবণীয় অনেক খনিজ পদার্থকে ভেঙে দ্রবণীয় পদার্থে পরিণত করে, যা পরে মাটিতে থাকা পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং পরে উদ্ভিদে স্থানান্তরিত হয়। এসকল কারণে মাটিস্থ অক্সিজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির সবার উপরে যে স্তরটি থাকে, তাকে বলে হরাইজোন A (Horizon A) বা টপ সয়েল (Top Soil)। এই স্তরেই উদ্ভিদ আর প্রাণীর মরা দেহে পচন শুরু হয় এবং উৎপাদিত পদার্থ, বিশেষ করে হিউমাসসহ অন্যান্য জৈব পদার্থ এই স্তরেই থাকে। এই স্তরে সাধারণত খনিজ পদার্থ থাকে না, সেগুলো পানির সাথে প্রবাহিত হয়ে নিচের স্তরে চলে যায়। প্রথম স্তরের মাটি সাধারণত বালুময় হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির দ্বিতীয় স্তরটিকে সাবসয়েল (Sub Soil) বা হরাইজোন B (Horizon B) বলে। এ স্তরে সামান্য পরিমাণ হিউমাস থাকে। উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও জীবনধারণের জন্য এই উপাদান অতি প্রয়োজনীয়। এছাড়াও এই স্তরে উপরের স্তর থেকে আসা খনিজ পদার্থে ভরা থাকে। মূলত এই খনিজ পদার্থের জন্য মাটির সাবসয়েল স্তর গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মূল শিলা আস্তে আস্তে নরম হয়ে এক পর্যায়ে মাটির কণায় পরিণত হয়। মূল শিলা থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে নরম শিলা তৈরি হয়। এই নরম শিলা মূল শিলা থেকে নরম কিন্তু মাটির কণা থেকে অনেক গুণ শক্ত। এই নরম শিলাই পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়ে মাটির কণায় পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় মাটি হলো শিলার পরিবর্তিত রূপ, যেখানে জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়া জড়িত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি তৈরি হয় শিলা থেকে, যেখানে জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়া জড়িত। মূল শিলা আস্তে আস্তে নরম হয়ে এক পর্যায়ে মাটির কণায় পরিণত হয়। মূল শিলা থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে যে নরম শিলা তৈরি হয়, সেগুলো হরাইজন C-তে থাকে। এই নরম শিলাই পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হয়ে মাটির কণায় পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়, যার কারণে জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, সে সকল ক্ষেত্রে বালু মাটি চাষাবাদের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এই মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম, তাই পানি দিলে তা দ্রুত নিষ্কাষিত হয়ে যায়। ফলে বালু মাটিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না এবং গাছের শিকড় পচে না। ফলে চাষাবাদ সম্ভব হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালু মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম। বালু মাটির কণার আকার সবচেয়ে 'বড়। ফলে কণাগুলোর মাঝে ফাঁকা জায়গা বেশি থাকে, যার ফলে বায়ু চলাচল অনেক বেশি হয়। এতে বালু মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা থাকে না বললেই চলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালু মাটিতে বিদ্যমান মাটির কণার আকার সবচেয়ে বড় তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা খুবই কম। ফলে পানি সেচ দিলে তা দ্রুত নিষ্কাশিত হয় এবং ফসল তার প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি শোষণ করতে পারে না। এ কারণে ফসল উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয় বিধায় বালু মাটি ফসল চাষে উপযোগী নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি হলেও খনিজের পরিমাণ কম। এ কারণে পলিমাটিতে চাষাবাদের জন্য সার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পলিমাটিতে প্রায়ই জৈব পদার্থের অভাব থাকে, যার ফলে মাটির উর্বরতা কম থাকে। সার প্রয়োগের মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ যোগ করা হয়। এই পুষ্টি উপাদানগুলো গাছের বৃদ্ধি, ফলন এবং গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিটি মাটি তৈরি হয় মূলত জৈব পদার্থ থেকে; আর সে কারণে এতে অন্য সব মাটি থেকে জৈব পদার্থের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। সাধারণত ডোবা আর আর্দ্র এলাকায় এই মাটি পাওয়া যায়। এই মাটিতে পুষ্টিকর উপাদান কম থাকে, তাই ফসল উৎপাদনের জন্য এটি তেমন উপযোগী নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলি মাটি চেনার জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে। কিছু পানিযুক্ত মাটি নিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষলে যদি মসৃণ অনুভূত হয় তাহলে এটা পলি মাটি। যদি হাতের সাথে লেগে থাকে তাহলে সেটা পলি মাটি। যদি মাটির কণাগুলো পানিতে ভাসমান থাকে এবং পরবর্তী এক পর্যায়ে তলায় জমা পড়ে তাহলে সেটাই পলি মাটি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালু মাটির দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জমিতে পলি পড়ার কারণে পলিমাটি খুবই উর্বর হয় এবং মাটির কণাগুলোও ছোট হয়। মাটির কণাগুলো ছোট হওয়ায় এরা পানিতে ভাসমান আকারে থাকে এবং এক পর্যায়ে পানির নিচে থাকা জমিতে পলি আকারে জমা পড়ে। এছাড়া পলি মাটিতে জৈব পদার্থ ও খনিজ পদার্থ থাকে এবং একই সাথে এতে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান বেশি থাকে। যা ফসল চাষের জন্য পূর্বশত। অতএব বলা যায়, পলি মাটি ফসল চাষে উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদা মাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এ মাটি প্রচুর পানি ধারণ করতে পারে। এ মাটি অনেকটা আঠালো ধরনের হয় এবং হাত দিয়ে ধরলে হাতে লেগে থাকে। এই মাটিতে মাটির কণাগুলো খুব সূক্ষ্ম হয়, ফলে কণাগুলোর মধ্যকার রস্ত্র খুব ছোট ও সরু হয়। এই মাটিতে খনিজ পদার্থের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদা মাটিতে মাটির কণাগুলো খুব সূক্ষ্ম হয়, ফলে কণাগুলোর মধ্যকার রন্ধ্র খুব ছোট আর সরু হয়। এ' মাটি থেকে সহজে পানি নিষ্কাশিত হয় না। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই কাদা মাটিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালু মাটি ও কাদা মাটির দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                               বালু মাটি                                   কাদা মাটি
১. মাটির কণাগুলো আকারে বড়।১. মাটির কণাগুলো তুলনামূলকভাবে ছোট।
২. পানি ধারণ ক্ষমতা খুবই কম। ২. পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দো-আঁশ মাটি বালি, পুলি ও কাদা মাটির সমন্বয়ে তৈরি হয়। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালি, পলি ও কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে। দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো আবার প্রয়োজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খড়িমাটি ক্ষারীয় হয় এবং এতে অনেক পাথর থাকে। এই মাটি সাধারণত দ্রুত শুকিয়ে যায়। এছাড়াও খড়িমাটিতে গাছপালার জন্য অত্যাবশ্যকীয় আয়রন আর ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহে ঘাটতি থাকে। এ কারণে ফসল উৎপাদনের জন্য খুব একটা উপযোগী নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফসল উৎপাদনের জন্য মাটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মানদণ্ড হলো এর pH। pH মান জানা থাকলে মাটি এসিডিক, ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা জানা যায়। বেশিরভাগ ফসলের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ pH থাকলে অধিক ফলন পাওয়া যায়। অন্যদিকে কিছু ফসল আছে যারা এসিডিক মাটিতে ভাল ফলন দেয়। আবার আলু গম এগুলো pH ৫-৬ হলে ভালো ফলন দেয়। তাই জমিতে ফলন কেমন হবে তা pH মানের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

pH 7 একটি নিরপেক্ষ মানকে নির্দেশ করে। এই pH মান অধিকাংশ ফসলের জন্যই আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। এই pH মান মাটিতে উপস্থিত পুষ্টি উপাদানগুলোকে গাছের জন্য সহজলভ্য করে তোলে। ফলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং ফলনও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে ফসলের জমির মাটির pH 7 রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি দূষিত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। শিল্প কারখানার বর্জ্য, কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, গৃহস্থালির বর্জ্য, প্লাস্টিক ও অন্যান্য অবশিষ্টাংশ মাটিতে মিশে মাটি দূষিত করে। এছাড়া, খনিজ তেল, ভারী ধাতু এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মাটিতে মিশে গেলেও মাটি দূষিত হয়। এই দূষণের ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়, জলাশয় দূষিত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দূষিত মাটিতে, মারকারি আর অন্যান্য ধাতব পদার্থ মাটিতে বিদ্যমান উপকারী অণুজীবগুলোকে মেরে ফেলে, যার ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। আবার মাত্রাতিরিক্ত লবণ, এসিড বা ক্ষার গাছপালা আর ফসলের ক্ষতি করে। সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ হচ্ছে, এ ধরনের দূষণের ফলে ক্ষতিকর পদার্থ মাটি থেকে খাদ্যে এবং 'খাদ্য থেকে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণিদেহে প্রবেশ করে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এছাড়াও দূষণের ফলে মাটির জৈব রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন ঘটতে পারে, যেটি ফসল উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), সিজিয়ায় (Cs), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ মাটির তেজস্ক্রিয় দূষণের জন্য দায়ী। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থ মাটিতে মেশে। ফলে মাটির তেজস্ক্রিয় দূষণ ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হতে পারে। রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), সিজিয়াম (Cs), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ শুধু যে মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে তা নয়, এরা প্রাণিদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালাও মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের মতো এরাও খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তেজস্ক্রিয় দূষণ শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে তা নয়, এরা প্রাণিদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালাও মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের মতো এরাও খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদী ভাঙনের ফলে নদীর পাড় ভাঙা মাটি বা অন্য কোনোভাবে সৃষ্ট মাটি কিংবা পানিতে অদ্রবণীয় পদার্থ পানির সাথে প্রবাহিত হয়ে এক পর্যায়ে কোথাও না কোথাও তলানি আকারে জমা পড়ে। এগুলো কখনো নদী-নালা, খালবিল ইত্যাদির তলদেশে জমা হতে পারে আবার কখনো ফসলি জমির উপর জমা হতে পারে। এই সমস্ত তলানিতে নানারকম ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে। এই জাতীয় তলানি ফসলি জমির উপর পড়লে সেটি জমির উপরিভাগ যা ফসল উৎপাদনে মূল ভূমিকা পালন করে তার উপর একটা আস্তরণ তৈরি করে। ফলে জমির ফসল উৎপাদন কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনি থেকে মূল্যবান খনিজ পদার্থ বা তেল, গ্যাস ও কয়লার মতো প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণের সময় প্রচুর মাটি খনন করে সরিয়ে ফেলতে হয়, যার ফলে মাটি দূষিত হয়। অনেক খনিই বন এলাকায় থাকে, যে কারণে খনি খননের কারণে ঐ সকল স্থানে মাটি দূষণ ঘটে। এছাড়া খনিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা (যা সচরাচর ঘটেই চলেছে) ঘটলে তা আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মাটির উৎপাদনশীলতা নন্ট করে দিতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি ক্ষয়ের দুটি কারণ হলো-

১. ঝড়ো বাতাস মাটি উড়িয়ে নেয়, ভারী বৃষ্টিপাত, নদীর পানির স্রোত বা নদীর ভাঙন ইত্যাদি নানা কারণে মাটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
২. গাছপালা ও বনজঙল কেটে, পাহাড় কেটে শিল্প-কারখানা স্থাপন করায় (যেমন- ইটভাটা) প্রতিনিয়ত মাটির ক্ষয়সাধন হচ্ছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঢালু জায়গায় বৃষ্টিজনিত মাটি ক্ষয় রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন- ঢালু জমিতে সমান্তরালভাবে বাঁধ নির্মাণ করা যেতে পারে। ঘাস লাগিয়ে, ঢালু জমিতে গাছ লাগিয়ে বা বাঁশের বেড়া দিয়ে মাটি ক্ষয়রোধ করা যায়। এছাড়াও, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য নালার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ঢালু জায়গায় বৃষ্টিজনিত মাটি ক্ষয়রোধ করা সম্ভব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নদী ভাঙনজনিত মাটি ক্ষয় রোধে দুটি পদক্ষেপ নিম্নরূপ--
১. নদীর পাড়ে কলমি, ধনচে ইত্যাদি গাছ লাগানো যায়।
২. নদী অত্যধিক খরস্রোতা হলে নদীর পাড়ে বালুর বস্তা ফেলে বা কংক্রিটের তৈরি ব্লক দিয়ে ভাঙন ঠেকানো যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণী মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘদিন ধরে বায়ুর অনুপস্থিতিতে তীব্র চাপ ও তাপে পরিবর্তিত হয়ে কয়লা, গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বা মাটির নিচের জ্বালানি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি থাকে। আমরা যে নানারকম খনিজ লবণ, পেন্সিলের সিস, ট্যালকম পাউডার, চীনা মাটির থালা-বাসন এরকম হাজারো জিনিস ব্যবহার করি, তার অধিকাংশই মাটি. কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুনাপাথরের দুটি ব্যবহার নিম্নরূপ:
১. ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টিল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
১২. মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক খনিজ্ঞ পদার্থ আছে, যাদের রাসায়নিক সংযুক্তি একই কিন্তু তাদের কেলাস গঠন ভিন্ন যে কারণে তাদের ভৌত ধর্মও ভিন্ন। যেমন- গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড। যদিও দুটি পদার্থই কার্বন দিয়ে গঠিত, কিন্তু গঠনের ভিন্নতার কারণে গ্রাফাইট (যা আমরা পেন্সিলে ব্যবহার করি) নরম হয় কিন্তু ডায়মন্ড বা হীরা এখন পর্যন্ত জানা খনিজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক খনিজ্ঞ পদার্থ আছে, যাদের রাসায়নিক সংযুক্তি একই কিন্তু তাদের কেলাস গঠন ভিন্ন যে কারণে তাদের ভৌত ধর্মও ভিন্ন। যেমন- গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড। যদিও দুটি পদার্থই কার্বন দিয়ে গঠিত, কিন্তু গঠনের ভিন্নতার কারণে গ্রাফাইট (যা আমরা পেন্সিলে ব্যবহার করি) নরম হয় কিন্তু ডায়মন্ড বা হীরা এখন পর্যন্ত জানা খনিজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত মিথেন (CH4) গ্যাস, তবে সামান্য পরিমাণে অন্যান্য পদার্থ যেমন- ইথেন, প্রোপেন এবং বিউটেনও থাকে। এছাড়া এতে অতি সামান্য পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন সালফাইড, হাইড্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাস তৈরি হয় মৃত গাছপালা ও প্রাণিদেহ থেকে। লক্ষ লক্ষ বছর আগে মরে যাওয়া গাছপালা ও প্রাণীর পঁচা দেহাবশেষ কাদা ও পানির সাথে ভূগর্ভে জমা হয়। সময়ের সাথে সাথে এগুলো বিভিন্ন রকম শিলা স্তরে ঢাকা পড়ে। শিলা স্তরের চাপে পচা দেহাবশেষ ঘনীভূত হয় এবং প্রচন্ড চাপ ও তাপে দেহাবশেষে বিদ্যমান জৈব পদার্থ প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত গ্যাসকূপে গ্যাস ও তেল একসাথে থাকে। তাই প্রথমেই তেলকে গ্যাস থেকে আলাদা করা হয়। এরপর প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকা বেনজিন ও বিউটেন ঘনীভূত করে আলাদা করা হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকা পানি দূর করার জন্য নিরুদকের মধ্য দিয়ে চালনা করা হয়। অতঃপর গ্যাসে থাকা দূষকগুলো (H₂S, CO₂) পৃথক করা হয়। এরপর প্রাপ্ত গ্যাসের মিশ্রণ থেকে নাইট্রোজেন আলাদা করা হয়। এই অবস্থায় প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস বিশুদ্ধ মিথেন গ্যাস, যেটি পাইপলাইনের মাধ্যমে স্যালন করার মাধমে প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাস আমরা নানা কাজে ব্যবহার করি। এর মধ্যে শতকরা প্রায় ২১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শতকরা প্রায় ৫১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। প্রায় শতকরা ২২ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয় শিল্প-কারখানায়; ১১ ভাগ বাসা-বাড়িতে এবং ১১ ভাগ জ্বালানি হিসেবে। এছাড়া প্রায় শতকরা ১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট এবং সীমিত। ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে একসময় তা শেষ হয়ে যাবে। তাই এই মূল্যবান  প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে আমাদের অত্যন্ত সচেতন হতে হবে, কোনোভাবেই এটিকে অপচয় করা যাবে না। অনেকে বাসায় বিনা প্রয়োজনে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখে এবং এতে অতি মূল্যবান এই সম্পদের অপচয় করে, যা কোনো মতেই সমীচীন নয়। এসব বিষয় নিয়ে সবাইকে যার যার নিজের বাসায় এবং এলাকার সবাইকে সচেতন করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনি থেকে প্রাপ্ত তেল মূলত নানারকম হাইড্রোকার্বন এবং অন্যান্য পদার্থের (যেমন- সালফার) মিশ্রণ। একারণে বেশিরভাগ সময়েই অপরিশোধিত তেল সরাসরি ব্যবহারের উপযোগী হয় না। সেজন্য অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে নিতে হয়। প্রায় ৪০০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আংশিক পাতন করে/ আংশিক পাতনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেলের উপাদানগুলোকে আলাদা করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন স্ফুটনাঙ্কের তেলকে পৃথকভাবে সংগ্রহ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থের বড় একটি অংশ ব্যবহৃত হয় যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে। কৃষিজমিতে, সেচকাজে, ডিজেলচালিত ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোলিয়াম ব্যবহৃত হয়। এছাড়া শিল্প-কারখানায় সার, কীটনাশক, মোম, আলকাতরা, লুব্রিকেন্ট, গ্রিজ ইত্যাদি তৈরিতেও পেট্রোলিয়াম ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে বিভিন্ন খনিতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H₂); সালফার (S), অক্সিজেন (O₂) কিংবা নাইট্রোজেন (N₂) থাকে। কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লাকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয় কারণ এটি কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে থাকা গাছপালা ও অন্যান্য জৈব পদার্থের অবশেষ থেকে তৈরি। এই জৈব পদার্থগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ে, উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার কারণে ধীরে ধীরে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে এবং কয়লায় রূপান্তরিত হয়। কয়লায়, মূলত কার্বন থাকে এবং এটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেহেতু কয়লা জীবজগতের অবশেষ থেকে তৈরি, তাই একে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা তিন রকমের হয়। যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট। অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো আর এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথমত কয়লা উত্তোলনের জন্য দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি হলো ওপেন পিট মাইনিং আর অন্যটি হলো ভূগর্ভস্থ মাইনিং। মেশিন দিয়ে ভূগর্ভ থেকে কয়লা তোলার পর কনভেয়ার বেষ্ট দিয়ে সেগুলো প্রক্রিয়াকরণ প্লান্টে নেওয়া হয়। সেখানে কয়লায় থাঁকা অন্যান্য পদার্থ যেমন- ময়লা, শিলা কণা, ছাই, সালফার এগুলোকে পৃথক করে ফেলা হয়। এভাবে কয়লা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক জ্বালানির সবগুলোই এক সময় নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। তাই এগুলোর ব্যবহার কমানো ও সংরক্ষণের জন্য আমরা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারি। সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ, পানির স্রোত- এগুলোকে কাজে, লাগিয়ে আমরা প্রাকৃতিক জ্বালানির উপর চাপ কমাতে পারি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শক্তি সংরক্ষণ করতে পারি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কয়লা ব্যবহৃত হয় ইটের ভাটায়। জ্বালানি হিসেবে শিল্প-কারখানায় এবং বাসাবাড়িতে জ্বালানি হিসেবেও সামান্য কিছু কয়লা ব্যবহৃত হয়। আমাদের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখনো কয়লা ব্যবহৃত না হলেও পৃথিবীর সব দেশেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার খুবই বেশি। এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাবাব-জাতীয় খাবার তৈরিতে এবং কর্মকার ও স্বর্ণকারগণ বিভিন্ন সামগ্রী এবং অলংকার তৈরির সময় কয়লা ব্যবহার করে থাকেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবাশ্ম কার্বনের স্তর বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হলে আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ। পরবর্তীতে উচ্চ চাপ ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মৃত্তিকা বিজ্ঞানীদের মতে ভূপৃষ্ঠের যে নরম স্তরে গাছাপালা জন্মে ও গাছ পুষ্টি শোষণ করে বড় হয় তাকে মাটি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির সবার উপরের স্তর হলো হরাইজোন A, যা টপসয়েল নামে পরিচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি ৪টি সমান্তরাল স্তরে বিভক্ত। প্রতিটি স্তরকে দিকবলয় বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়বায়ন হলো মাটিতে থাকা গ্যাসের সাথে বায়ুমন্ডলের গ্যাসের বিনিময় প্রক্রিয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির দ্বিতীয় স্তরকে Sub Soil বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিউমাস হলো অ্যামাইনো এসিড, প্রোটিন, চিনি, অ্যালকোহল, চর্বি, তেল, লিগনিন, ট্যানিন ও অন্যান্য অ্যারোমেটিক যৌগের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ জটিল পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি ৪টি সমান্তরাল স্তরে বিভক্ত। প্রতিটি স্তরকে দিগবলয় বা হরাইজোন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির প্রধানত ৪টি গঠন উপাদান থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিউমাস মৃত গাছপালা ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির সমান্তরাল স্তরগুলোর সর্বোচ্চ স্তরটিকে হরাইজোন A বা টপ সয়েল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খড়িমাটি এক ধরনের ক্ষারীয় মাটি। যাতে অনেক পাথর থাকে। ফলে গাছপালার জন্য অত্যাবশ্যকীয় আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব পদার্থ, ডোবা ও আর্দ্র এলাকা থেকে প্রাপ্ত মাটিকে পিটি মাটি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে উৎপন্ন শিলারূপে কঠিন, পানিরূপে তরল কিংবা বায়বীয় রূপে গ্যাসীয় ধাতব বা অধাতব পদার্থকে খনিজ পদার্থ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিপসাম এর সংকেত CaSO4. 2H₂O.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যাগনেটাইটের সংকেত হলো- Fe3O4

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাইকা এক ধ্বনের ধাতব খনিজ পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, নাইট্রোজেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়াম হলো খনিজ তেল অর্থাৎ যেসব তরল জ্বালানি পদার্থ খনিতে পাওয়া যায়, সেগুলোই হলো পেট্রোলিয়াম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লার মূল উপাদান হলো কার্বন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদ্ধতিতে খনি থেকে মেশিনের সাহায্যে কয়লা উত্তোলন করা হয়, তাকে ওপেন পিট মাইনিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম প্রভৃতি জ্বালানিকে একসাথে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা হলো কালো বা বাদামি কালো রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা, যার মূল উপাদান হলো কার্বন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে থাকা গ্যাসের সাথে বায়ুমণ্ডলে থাকা বাতাসের গ্যাসের বিনিময় হয় অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের গ্যাস মাটিতে যায় এবং মাটিতে থাকা গ্যাস বায়ুমণ্ডলে চলে আসে। এ প্রক্রিয়াকে মাটির বায়বায়ন বলে। মাটিতে নানারকম উপকারী অণুজীব থাকে। এর মধ্যে কিছু অণুজীবের জন্ম ও বেড়ে ওঠার জন্য অক্সিজেন অত্যাবশ্যক। অক্সিজেন না থাকলে এরা বাঁচতে পারে না। আবার অক্সিজেন পানিতে অদ্রবণীয় খনিজ পদার্থকে ভেঙ্গে দ্রবণীয় পদার্থে পরিণত করে, যা পরে মাটিতে থাকা পানির দ্বারা উদ্ভিদে স্থানান্তরিত হয়। এসব প্রক্রিয়াগুলোর জন্যই মাটির বায়বায়ন প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান পানি উদ্ভিদের জন্য খুবই জরুরি। মাটিতে পানি না থাকলে গাছপালা জন্মাবে না এবং জন্মালেও বেড়ে উঠতে পারবে না। মাটিতে থাকা পানির সাহায্যেই উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে এবং আমাদেরকে অক্সিজেন দেয়। উদ্ভিদ মাটি থেকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান মূলের সাহায্যে পানির মাধ্যমেই গ্রহণ করে। এভাবে উদ্ভিদের অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদনের জন্য মাটিতে বিদ্যমান পানি খুবই জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ হিউমাস নামে পরিচিত। হিউমাস আসলে অ্যামিনো এসিড, প্রোটিন, চিনি, অ্যালকোহল, চর্বি, তেল, লিগনিন, ট্যানিন ও অন্যান্য অ্যারোমেটিক যৌগের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ জটিল পদার্থ। এটি দেখতে অনেকটা কালচে রঙের হয়। হিউমাস তৈরি হয় মৃত গাছপালা ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত মাটিতে বিদ্যমান পদার্থসমূহকে চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এরা হলো খনিজ পদার্থ, জৈব পদার্থ, বায়বীয় পদার্থ ও পানি। এসব পদার্থ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে মিশে এক ধরনের জটিল মিশ্রণ তৈরি করে এবং একটিকে আরেকটি থেকে সহজে পৃথক করা যায় না। একারণে, মাটিকে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বালি, পলি ও কাদা মাটির সমন্বয়ে গঠিত মাটি হলো দো-আঁশ মাটি। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালি, পলি ও কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে। দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো আবার প্রয়োজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তারও বেশি বালিকণা থাকে। তাকে বেলে বা বালি মাটি বলা হয়। এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম। বালি মাটিতে বিদ্যমান মাটির কণার আকার সবচেয়ে বড়। যার ফলে কণাগুলোর মাঝে ফাঁকা জায়গা অনেক বেশি থাকে। এ কারণেই বালি মাটিতে বেশি বায়বায়ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাদামাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এ মাটি প্রচুর পানি ধারণ করতে পারে। এ মাটি অনেকটা আঠালো, ধরনের হয় এবং হাত দিয়ে ধরলে হাতে লেগে থাকে। কাদামাটির এ বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মূর্খশিল্প যেমন- ঘর সাজানোর তৈজসপত্র তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি একটি অতি মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। আমাদের অন্ন, বস্ত্র, ঔষধসহ যে সকল চাহিদা রয়েছে তার সবগুলোই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাটির ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া আমাদের বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান অক্সিজেন উৎপাদনকারী গাছও এ মাটিতে জন্মে। অতএব মানুষসহ সকল প্রাণীর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মাটির ক্ষয়রোধ সংরক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। কারণ এগুলো প্রাগৈতিহাসিক যুগে প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভিদ ও প্রাণী মাটিতে চাপা পড়ে গেলে তাদের পরিবর্তনের মাধ্যমে তৈরি জৈব রাসায়নিক পদার্থ। উদ্ভিদ ও প্রাণী মাটির নিচের ধাপে চাপা পড়ে বায়ুর সংস্পর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে শিলার প্রচন্ড চাপে ও তাপে পরিবর্তিত হয়ে প্রাণীর দেহাবশেষ প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়। অন্যদিকে উদ্ভিদদেহ কয়লায় পরিণত হয়। এদের মাটির নিচে জীবাশ্ম আকারে পাওয়া যায় বলে একে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসাইট হলো কার্বনেট নামে পরিচিত শিলা গোষ্ঠীর প্রধান খনিজ। ক্যালসাইট এমন একটি খনিজ যার মধ্য দিয়ে আলো মোটেই প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু কোয়ার্টজ সিলিকা ইত্যাদির মতো খনিজগুলো স্বচ্ছ এবং এর মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে। আবার অ্যারাগনাইট এর মতো খুনিজের মধ্যে দিয়ে আলো প্রবেশ করলেও এর মধ্য দিয়ে কোনো-বস্তু দেখা যায় না। এ কারণেই ক‍্যালসাইট অন্য খনিজ থেকে আলাদা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওপেন পিট মাইনিং হলো কয়লার খনি থেকে মেশিনের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলনের একটি পদ্ধতি। সাধারণত কয়লার স্তর ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে বলে ওপেন পিট মাইনিং পদ্ধতি | বেশি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে কয়লা তোলার পর কনভেয়ারবেল্ট দিয়ে প্রক্রিয়াকরণ প্লান্টে নিয়ে দূষক পদার্থ পৃথক করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
113

মাটি আমাদের অতি প্রয়োজনীয় একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। মাটিতে পাছপালা জন্মার, ফসল উৎপন্ন হয়। আমাদের দায়িত্ব এই প্রাকৃতিক সম্পদকে নানা ধরনের দূষণ থেকে রক্ষা করা। একই সাথে মাটি আমাদের তেল, গ্যাস, কয়লাসহ নানা রকম খনিজ পদার্থের উৎস। তাই আমরা একদিকে যেরকম এই খনিজ উত্তোলন করে দেশকে সমৃদ্ধ করব, অন্যদিকে লক্ষ রাখব এই প্রক্রিয়ায় আমাদের মূল্যবান সম্পদটির যেন অপচয় না হয়।বিজ্ঞান
 এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :

  •  মাটি ও ভূমির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • বিভিন্ন প্রকার মাটির মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
  • মাটির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  মাটির pH মান জানার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  মাটি দূষণের কারণ, ফলাফল এবং মাটি সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  •  মাটিতে অবস্থিত খনিজের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  খনিজের ব্যবহার এবং সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  • প্রাকৃতিক জ্বালানির গঠন, প্রক্রিয়াকরণ, ব্যবহার এবং সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  • শিক্ষার্থীর এলাকায় মাটিদূষণের কারণ ও ফলাফল অনুসন্ধান করতে পারব।
  •  pH পেপার দিয়ে মাটির pH নির্ণয় অথবা লিটমাস পেপার দিয়ে মাটির অম্লত্ব ও ক্ষারত্ব নির্ণয় করতে পারব।
  • সম্পদ সংরক্ষণে যত্নবান হব ও অন্যদের সচেতন করব।

 



 

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews