সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়কে ব্যাটারি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেক্ট্রন ক্যাথোডে জমা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুইটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য ৩ V।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমির সাথে যুক্ত তারকে জীবন্ত তার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিরিজে একটি ব্যাটারি সেলে ১.৫ ভোল্ট হলে তিনটি সেল দিয়ে ৪.৫ ভোল্ট পরিমাণ ভোল্ট পাওয়া সম্ভব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Altornating Current প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সাধারণ সেলের বিভব পার্থক্য ১.৫ ভোল্ট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য ১.৫.v

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১.৫ ভোল্টের চারটি ব্যাটারি সিরিজে সংযোগ করলে বিভব ৬ ভোল্ট হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের বাসায় যে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া হয় তার বিভব পার্থক্য ২২০ V

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসা-বাড়িতে তড়িৎ সংযোগের জন্য সিরিজ বর্তনী উপযোগী নয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসায় তড়িৎ সংযোগের জন্য সমান্তরাল বর্তনী ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসায় তড়িৎ সরবরাহের জীবন্ত তারটি লাল রঙের ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন্ত তারের ভোল্টেজ ২২০ Volt ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিরপেক্ষ তারটিকে মাটির সাথে সংযোগ করে দেওয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাড়িতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে তা লিপিবদ্ধ হয় মিটারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় তড়িৎ দ্রব দুই ভাগে বিভক্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঋণাত্মক আয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন অণু, পরমাণু বা যৌগমূলকে যদি স্বাভাবিক সংখ্যার ইলেকট্রনের চেয়ে কম বা বেশি  ইলেকট্রন থাকে তখন তাকে আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যদি অণুতে ইলেকট্রনের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয় তাহলে তাকে ঋণাত্মক আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আরহেনিয়াস তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা দেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর উপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে বস্তুর উপর প্রলেপ দিতে হবে সেটি ভোল্টমিটারে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রলেপের পদ্ধতি ব্যবহার করে হরফ, ব্লক, মডেল ইত্যাদি তৈরি করাকে তড়িৎ মুদ্রণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনি থেকে প্রাপ্ত ধাতুর মিশ্রণকে আকরিক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের ধাতু নিষ্কাশিত হয়ে ক্যাথোডে জমা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাজের একক জুল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একক সময়ে সম্পন্নকৃত কাজকে ক্ষমতা বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১ মেগা ওয়াট = ১০ ওয়াট

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা যে বিদ্যুৎ বিল দেই তা ইউনিট এককে হিসাব করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কিলোওয়াট-ঘণ্টা তড়িৎ শক্তির একক ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিকভাবে তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন তড়িৎ যন্ত্র একক সময়ে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি ব্যয় করে বা অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে তড়িৎ ক্ষমতা  বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এনার্জি সেভিং বাল্ব দুই ধরনের ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এনার্জি সেভিং বাল্বে ২০-৮০% পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন-৫ ঘণ্টা করে জ্বললে জুন মাসে ৯ ইউনিট তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আই পি এস মোটামুটি অনেকক্ষণ যথেষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ইউ পি এস ব্যবহৃত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার ১০ মিলি সেকেন্ডর মধ্যে ইউ পি এস বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউ পি এস এর -বিদ্যুৎ প্রবাহ করার ক্ষমতা কম ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য প্রথমে সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যপথে বিদ্যুতের অপচয়কে সিস্টেম লস বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বেশি হলে যে সমস্যা হয় তাকে লোডশেডিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কৃষি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার জন্য  দরকার হয় শক্তির।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভবিষ্যতে যাতে শক্তির ঘাটতি না হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পূর্বে পরিকল্পনা প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তির নানা রূপের মাঝে তড়িৎ বা বিদ্যুৎ শক্তি একটি। বিদ্যুতের সহায়তায় আমরা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে সবচেয়ে বেশি কাজ করতে পারি। বিদ্যুৎ বা তড়িৎ আলো জ্বালায়, পাখা চালায়, রেডিও, ফ্রিজ, টিভি বা কম্পিউটার চালায়। বিদ্যুতের সাহায্যে রান্না করা যায়। বিদ্যুতের এরকম বহুবিধ ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতকে - সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ বা তড়িৎ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলেই আমরা তড়িতের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে এর অপচয় বন্ধ করার ক্ষেত্রে নিজেরা যত্নবান হতে পারব এবং অন্যদের সচেতন হতে সাহায্য করতে পারব। এ সকল কারণে বিদ্যুৎ তড়িৎ সম্পর্কে আমাদের ধারণা নেওয়া প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বর্তনীর চিত্র বা নকশা আঁকার জন্য প্রত্যেকটি যন্ত্রের বা সংযোগের একটি প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যাকে তড়িৎ বর্তনীর প্রতীক বলা হয়। যেমন-

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেকোন তড়িৎ ব্যবস্থা উপস্থাপন করা হয় ইলেকট্রিক সার্কিট বা তড়িৎ বর্তনীর মাধ্যমে। তড়িৎ বর্তনীর চিত্র বা নকশা আঁকার জন্য বিভিন্ন রকম তড়িৎ যন্ত্রের সংযোগ প্রদর্শন করতে হয়। বর্তনী আঁকার 'এই কাজকে সহজসাধ্য করার জন্য তড়িৎ যন্ত্রের প্রতীক প্রয়োজন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বর্তনীতে ব্যবহৃত তিন ধরনের মিটার এবং এর প্রতীক নিচে উল্লেখ করা হলো-

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। এতে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। এতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। এগুলো হলো অ্যানোড, ক্যাথোড ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য বা ইলেকট্রোলাইট। অ্যানোড হলো ধনাত্মক এবং ক্যাথোড হেলো ঋণাত্মক তড়িদ্বার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সাধারণত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝে থাকে ইলেকট্রোলাইট। রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরে সেগুলো ক্যাথোডের মধ্যে জমা হয়। ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মাঝে তড়িৎ বিভব পার্থক্য সৃস্টি হয়। এই অবস্থায় অ্যানোড ও ক্যাথোডকে একটি পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রনগুলো অ্যানোডে প্রবাহিত হয়। আর আমরা জানি ইলেকট্রনের প্রবাহ মানেই বিদ্যুৎ প্রবাহ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা দৈনন্দিন জীবনে টর্চ লাইট বা মোবাইল ফোনে ব্যাটারি 'সেল ব্যবহার করি। সাধারণত কথাবার্তায় একটি সেলের জন্য ব্যাটারি শব্দটি ব্যবহার করলেও বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বোঝানো হয়। এটিকে তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট। এখানে অ্যানোড হলো ধনাত্মক তড়িদ্বার এবং ক্যাথোড হলো ঋণাত্মক তড়িদ্‌দ্বার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোডে জমা করা হয়। এর ফলে অ্যানোড এবং ক্যাথোডের মধ্যে তড়িৎ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থার অ্যানোড এবং ক্যাথোডকে পরিবাহী তার দ্বারা সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রনগুলো অ্যানোডে প্রবাহিত হতে থাকে। আর এই ইলেকট্রনগুলোর প্রবাহের কারণেই ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোডে জমা করা হয়। এ অবস্থার অ্যানোড এবং ক্যাথোডকে পরিবাহী তার দ্বারা সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রনগুলো অ্যানোডে প্রবাহিত হতে থাকে। ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ ধরে নেওয়া হয়, তাই বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক অ্যানোড থেকে ক্যাথোডমুখী হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে সাধারণ ব্যাটারি সেলের রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে খরচ হয়ে যায়। ফলে সেটি অ্যানোড এবং ক্যাথোডে আর বিভব পার্থক্য বজায় রাখতে পারে না। ফলে ক্যাথোড থেকে অ্যানোডের দিকে ইলেকট্রনের প্রবাহও হয় না। তাই নির্দিষ্ট সময় ব্যবহারের পর ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা মোবাইল ফোনে যে ব্যাটারি ব্যবহার করি, সেগুলোর বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরির ক্ষমতা শেষ হয়ে যাবার পর নতুন করে চার্জ করিয়ে নেওয়া যায়। এর ফলে ব্যাটারির রাসায়নিক পদার্থগুলো পুনরায় রাসায়নিক বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ তৈরি করার জন্য প্রস্তুত হয়। এভাবে মোবাইল ফোনের ব্যাটারি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলকে সিরিজে লাগানো হলে ব্যাটারির বিভব যোগ হয়। অর্থাৎ একটি ব্যাটারি সেলে ১.৫ ভোল্ট হলে দুটি ব্যাটারি সেল দিয়ে ৩ ভোল্ট এবং তিনটি সেল দিয়ে ৪.৫ ভোল্ট পাওয়া সম্ভব। এভাবে ব্যাটারিকে সিরিজে যুক্ত করে নিম্ন ভোল্টের একাধিক ব্যাটারি থেকে উচ্চ ভোল্টেজ সৃষ্টি করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণ ব্যাটারি সেলের অ্যানোড এবং ক্যাথোডের মধ্যকার রাসায়নিক (ইলেকট্রোলাইট) উপাদানগুলো অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ সেগুলো বিক্রিয়া করে খরচ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে অ্যানোড এবং ক্যাথোডের মধ্যে আর বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে না। ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট। ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোডে জমা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫। সুতরাং দুটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য (১.৫ + ১.৫ V) = ৩v ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি সেলকে সিরিজে লাগানো হলে ব্যাটারির বিভব যোগ হয়। অর্থাৎ একটি ব্যাটারি সেলে ১.৫ ভোল্ট হলে দুটি ব্যাটারি সেল দিয়ে ৩ ভোল্ট তিনটি সেল দিয়ে ৪.৫ ডোন্ট এবং চারটি সেল দিয়ে ৬ ভোল্ট পাওয়া সম্ভব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি ব্যাটারি সেল ১.৫ ভোল্ট হলে ৬টি সেলের সিরিজ সংযোগে মোট ভোল্ট হবে= (৬ × ১.৫) = ৯ ভোল্ট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণ ব্যাটারি সেলের রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে খরচ হয়ে যাওয়ার পর সেটি অ্যানোড এবং ক্যাথোড আর বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে না বলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে, যথা- অ্যানোড, ক্যাথোড ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য। রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ক্যাথোডে ইলেক্ট্রন জমা হয় বলে ক্যাথোড ঋণাত্মক তড়িদ্‌দ্বার এবং অ্যানোডে ইলেক্ট্রনের ঘাটতি হয় বলে অ্যানোড ধনাত্মক তড়িদ্বারে পরিণত হয়। ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে তড়িৎ বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল ফোনের ব্যাটারির বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরির ক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে বাহ্যিক বিদ্যুৎ উৎস থেকে চার্জ করলে ব্যাটারির রাসায়নিক পদার্থগুলো পুনরায় রাসায়নিক বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য প্রস্তুত হয়। এ ধরনের ব্যাটারিকে রিচার্জেবল ব্যাটারি বলা হয়। সেজন্য মোবাইল ফোনের ব্যাটারি বার বার ব্যবহার করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যদি ব্যাটারির সেলগুলো একটির ধনাত্মক প্রান্ত অপরটির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে পরপর যুক্ত থাকে তবে এ ধরনের ব্যাটারিকে সিরিজে ব্যাটারি সেল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যদি ব্যাটারির সেলগুলোর সবকটির ধনাত্মক প্রান্ত এক সাথে এবং সবকটি ঋণাত্মক প্রান্ত একপাশে যুক্ত থাকে তবে ঐ ধরনের সংযোগকে সমান্তরালে ব্যাটারি সেল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিরিজ সংযোগে বর্তনীতে একটি উপাদানের সাথে অন্যটি যুক্ত থাকে। ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে সবগুলো একসাথে জ্বলে উঠবে। আবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে সবগুলো একসাথে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এছাড়াও সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ আনুপাতিক হারে কমতে থাকে। অন্যদিকে সমান্তরাল সংযোগে প্রত্যেকটি উপাদানে আলাদা আলাদাভাবে | বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় ফলে একটি উপাদানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ! অন্যগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকে এবং সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণে কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। তাই বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সমান্তরাল সার্কিট বেশি কার্যকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারির বিভব পার্থক্য বাড়াতে সেলের সিরিজ/শ্রেণি সংযোগ প্রয়োজন। এ ধরনের সংযোগে সেলের একটি ধনাত্মক প্রান্ত অপরটির ঋণাত্মক প্রান্তের মধ্যে যুক্ত হয়ে ব্যাটারির বিভব পার্থক্য বৃদ্ধি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে সাথে যে কারেন্টের মান ও দিকের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে ডিসি কারেন্ট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে সাথে যে কারেন্টের মান ও দিকের পরিবর্তীত হয় তাকে এসি কারেন্ট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে সেলের সমান্তরাল সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ বৃদ্ধি করে। এ ধরনের সংযোগে সবকটি সেলের ধনাত্মক প্রান্ত একসাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত একসাথে যুক্ত করলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বৃদ্ধি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়েকটি সেল সমান্তরালভাবে লাগানো হলে তার বিভবের পরিবর্তন হয় না কিন্তু বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহ করতে পারে কিংবা সার্কিটে বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ প্রবাহ করতে পারবে। অর্থাৎ কোনো একটি বর্তনীতে অধিক সময় ধরে তড়িৎ প্রবাহ চালানোর প্রয়োজন হলে একাধিক ব্যাটারিকে সমান্তরালে লাগানো হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিরিজ সার্কিটে একটি বাল্ব অনেক উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে কিন্তু দুটি বা তিনটি বাল্ব লাগানো হলে বিদ্যুৎ প্রবাহ আনুপাতিকভাবে কর্মে যাবে বলে বাল্বগুলো অনুকূলভাবে জ্বলবে। সিরিজ সার্কিট একটি সুইচ লাগানো হলে সুইচ অফ করার সাথে সাথে সবগুলো বাল্ব একসাথে নিভে যাবে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল সার্কিটে যতগুলো বাম্বই লাগানো হোক না কেন, সবগুলোর দুই প্রান্তেই বিভব পার্থক্য অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যাটারি সেল থেকে প্রত্যেকটি বান্ধের ক্ষেত্রে সমান বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হয় বলে সবগুলো বাম্বাই সমান উজ্জ্বলতায় জ্বলবে। তাই একটি ব্যাটারির সাথে সমান্তরালে যুক্ত বাঘের সংখ্যা বাড়ানো হলেও এদের উজ্জ্বলের পরিবর্তন হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিডবে পরিবর্তিত হয়। সময়ের সাথে তড়িৎ দিক পরিবর্তন করে বলে সেগুলোকে এসি বা দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র 1.5V। সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই 220V, এখানে উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ প্রবাহ 50V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি এবং 220V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব। এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। তাই ব্যাটারির বিদ্যুতের তুলনায় বাসার বিদ্যুৎ বিপজ্জনক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাড়িতে তড়িৎ সংযোগের জন্য সিরিজ বর্তনী উপযোগী নয়। কারুণ সুইচ অন করলে একই সাথে সংযুক্ত সব বাল্ব জ্বলে উঠবে, ফ্যান চলতে থাকবে। আবার অফ করলে সবগুলো একই সাথে অফ হয়ে যাবে। তার চাইতে বড় কথা, সবগুলো সিরিজে থাকলে কোনো বাল্ব বা ফ্যানই প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাবে না, ভাগাভাগি হওয়ার কারণে ভোল্টেজ কমে যায়। এই কারণে বাসায়, তড়িৎ সংযোগ সমান্তরাল সংযোগব্যবস্থা মেনে করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফিউজ তড়িৎ বর্তনীতে ব্যবহৃত এটি সুরক্ষা ব্যবস্থা। ৫ অ্যাম্পিয়ার ফিউজ বলতে বুঝায় এর মধ্য দিয়ে ৫ অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত তড়িৎ শক্তি নিরাপদে প্রবাহিত হতে পারবে। তবে এর বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে ফিউজটি গলে খাবে, ফলে বৈদ্যুতিক বর্তনীটি বিচ্ছিন্ন হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাউজ ওয়্যারিং-এ মেইন লাইন থাকে যা দুটি মেইন তার দ্বারা যুক্ত। এদের মধ্যে একটি জীবন্ত তার। জীবন্ত তারের রং সাধারণত খাল। জীবন্ত তারে তড়িৎ ভোল্টেজ থাকে। মাটিতে স্পর্শ রেখে এই ভারকে স্পর্শ করলে ঐ ব্যক্তি শক খাবে। আবার বাসাবাড়িতে তড়িৎ এর ওয়্যারিং দেওয়ার সময় বাতি বা পাওয়ারের সুইচের যাবতীয় ফিউজ যেন জীবন্ত তারের সাথে সংযোগ হয় সেদিক লক্ষ রাখতে হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিরপেক্ষ তার সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে। নিরপেক্ষ তারে কোনো তড়িৎ ভোল্টেজ থাকে না। যেহেতু এটিকে মাটির সাথে সংযোগ করে দেওয়া হয়। এটি সার্কিট পূর্ণ করে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসায় বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াতে বর্তমানে ওয়ারিং কেবলকে সাধারণত দেয়ালের প্লাস্টারের ভিতর দিয়ে টানা হয়। তাছাড়া সব ধরনের যন্ত্রপাতির জন্য ফিউজ সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতির (যেমন- ফ্রিজ, টিভি ইত্যাদি) জন্য উপযোগী ফিউজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় লোড নিতে পারে, সে ধরনের কেবল ব্যবস্থা করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল সংযোগের প্রধান সুবিধা হলো, একটি বর্তনী উপাদান নষ্ট হয়ে গেলেও অপর বর্তনী উপাদানগুলো স্বাধীনভাবে চলতে থাকে এবং এরূপ সংযোগে বর্তনী উপাদানগুলো নিজেদের পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ শক্তি যেমন মানুষের অনেক উপকারে লাগে তেমনি মাঝে মাঝে তা বড় রকমের দুর্ঘটনার কারণ হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে যাতে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য বৈদ্যুতিক লাইনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হয়। কম গলনাঙ্কের কোনো ধাতব তার ব্যবহার করে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা যায়। এ তারকে নিরাপত্তা ফিউজ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগের পূর্বে বিদ্যুৎ সংযোগ উপযোগী করে একটি নকশা করা হয়। ছোট ধরনের সংযোগের ক্ষেত্রে নকশা আঁকা না হলেও একটা পরিকল্পনা অনুযায়ী অবশ্যই এই সংযোগ দেয়া হয়। এ কার্যক্রমকে হাউজ ওয়ারিং বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো অণু, পরমাণু বা যৌগমূলকে যদি স্বাভাবিক ইলেকট্রন সংখ্যার চেয়ে কম ইলেকট্রন থাকে তাহলে তাকে ধনাত্মক আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো অণু, পরমাণু অথবা যৌগমূলকে যদি স্বাভাবিক ইলেকট্রন সংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে ঋণাত্মক আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে যে আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশন করা হবে সেটিকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ক্যাথোড হিসেবে যে ধাতু নিষ্কাশন করা হবে তার একটি ছোট বিশুদ্ধ পাত ব্যবহার করা হয় এবং তড়িৎ দ্রব হিসেবে ঐ ধাতুর কোনো লবণ ব্যবহার হয়। পরবর্তীতে ঐ দ্রবণের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে আকরিক থেকে বিশুদ্ধ ধাতু নিষ্কাশিত হয়ে ক্যাথোডে জমা হবে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তুঁতে হচ্ছে তামার এক প্রকার লবণ। কাজেই তুঁতে ব্যবহার করলে এক্ষেত্রে তামার সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।
ইলেকট্রোপ্লেটিং ব্যবস্থায় ক্যাথোডে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হয়, অ্যানোডে সেই ধাতু এবং দ্রবণটিও সেই ধাতুর লবণের হতে হয়। সে - কারণেই এখানে তুঁতের দ্রবণ ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের বা ইলেকট্রোলাইসিসের সময় তড়িৎ দ্রবটি ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক আয়নে বিভক্ত হয়। ঋণাত্মক আয়নগুলো অ্যানোড ও ধনাত্মক আয়নগুলো ক্যাথোডের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। দুটি পরিবাহী দন্ড বা ইলেকট্রোডের মধ্যে আয়নগুলোর এই বিপরীতমুখী প্রবাহের জন্য তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় তড়িৎ দ্রবের ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক আয়নে ভাগ হওয়ার দুটি উদাহরণ নিম্নরূপ:

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

CuSO4পানিতে দ্রবীভূত হয়ে Cu" ও SO, হয়। এখন দ্রবণের মধ্যে দুটি তামার পাত ডুবিয়ে যদি পাত দুটির সাথে একটি তড়িৎ কোষ সংযুক্ত করা হয় তাহলে আয়নের প্রবাহ শুরু হবে। Cu" আয়নগুলো ক্যাথোডে গিয়ে ক্যাথোড থেকে দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে এবং নিস্তড়িত তামায় পরিণত হয়ে ক্যাথোডে জমা হতে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোড দুটি তামার পরিবর্তে নিষ্ক্রিয় ধাতুর তৈরি হলে ক্যাথোডে তামার অণু জমা হবে কিন্তু CuSO4 অ্যানোড থেকে Cu নিয়ে CuSO4 হতে পারবে না বলে শুধুমাত্র বাড়তি ইলেকট্রন ত্যাগ করে পানির সাথে বিক্রিয়া করে H₂SO₄ উৎপন্ন করবে এবং O₂ গ্যাস বুদবুদ আকারে বেরিয়ে আসতে থাকবে। ফলে দ্রবণের ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমে আসবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রব্যটিকে দুই ভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। H₂SO₄ একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। কারণ H₂SO₄' এর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে 2H' ও SO4 আয়নে বিশ্লিষ্ট হয়। ফলে H ধনাত্মক আয়নে ও SO4 ঋণাত্মক আয়নে বিভক্ত করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রলেপনের জন্য যে ধাতব বস্তুটিকে প্রলেপ দিতে হবে, সেটি হবে ক্যাথোড। ইলেকট্রোডে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। তড়িৎ দ্রব হিসেবে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে, তার কোনো একটি লবণের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। এখন ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোডে রাখা ধাতব বস্তুর উপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে। এভাবে তড়িৎ প্রলেপন করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে। সাধারণত কোনো কম দামি ধাতু (যেমন- তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা করার জন্য কিংবা সুন্দর দেখানোর জন্য সেগুলোর ওপর সোনা, রূপা, নিকেল এরকম মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রলেপনে যে বস্তু বা ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড এবং যে বস্তুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তরলের মাঝে তড়িদম্বার রেখে তরলের ভেতর যদি বিদ্যুৎ প্রবাহ করা হয় তাহলে তড়িৎ দ্রব্যের ঋণাত্মক আয়নগুলো অ্যানোড ও ধনাত্মক আয়নগুলো ক্যাথোডের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে হরফ, ব্লক মডেল ইত্যাদি তৈরি করাকে তড়িৎ মুদ্রণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব খনিজ থেকে সহজে এবং লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু সংগ্রহ বা নিষ্কাশন এবং শোধন করা যায় সেসব খনিজকে আকরিক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ মুদ্রণের জন্য প্রথমে লেখাকে সাধারণ টাইপে মোমের উপর ছাপ নেওয়া হয়। এর উপরে কিছু গ্রাফাইট গুঁড়ো ছড়িয়ে একে তড়িৎ পরিবাহী করা হয়। তারপর কপার সালফেট দ্রবণে এটি ক্যাথোড পাত হিসেবে ডুবানো হয় এবং একটি তামার পাতকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এখন দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহ চালালে মোমের ছাঁচের উপর তামার প্রলেপ পড়ে। প্রলেপ খানিকটা পুরু হলে ছাঁচ থেকে ছাড়িয়ে ছাপার কালে ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু নিষ্কাশনের জন্য যে আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশন করতে হবে, সেটিকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উক্ত ধাতুর কোনো লবণের দ্রবণকে তড়িৎ দ্রব এবং তার ছোট একটি বিশুদ্ধ পাতকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এখন দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে আকরিক থেকে বিশুদ্ধ ধাতু নিষ্কাশিত হয়ে ক্যাথোডে সঞ্চিত হতে থাকবে। এভাবে আকরিক থেকে বিশুদ্ধ ধাতু আলাদা হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো পরিবাহক বা বিদ্যুৎ যন্ত্রে দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট হলে যদি এর মধ্যে দিয়ে। এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতাকে এক ওয়াট (1W) বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো পরিবাহক বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট হলে এর মধ্যে দিয়ে ১০ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, অথবা দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১০ ভোল্ট হলে এর মধ্য দিয়ে ১ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা ১০ ওয়াট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা একককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

1 কিলোওয়াট-ঘণ্টা 1000 ওয়াট × 3600 সেকেন্ড
3,60,0000 ওয়াট-সেকেন্ড = 3,60,0000 জুল অর্থাৎ শক্তির এককে এটি 3.6 মেগা জুল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিকভাবে তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়। এ কারণে তড়িৎ শক্তির ক্ষেত্রে ইউনিট একক গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড

                                 = ৩৬০০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড

                                   = ৩৬০০০০০ জুল

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এলার্জি সেভিং বাল্ব সাধারণ বাব্দের চেয়ে বেশি দিন টিকে। ফলে কমসংখ্যক বাল্ব পরিত্যক্ত হয়, যার কারণে ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থানায়ও সুবিধা হয়। এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহারে পরিবেশের উপর চাপও কম পড়ে, তাই এনার্জি সেভিং বাল্ব পরিবেশবান্ধব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তিকে যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তবে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সেজন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। মূলত বিদ্যুৎ শক্তির প্রস বা ক্ষয় কমাতেই এই পদ্ধতির অবলম্বন করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মূল বিদ্যুৎ প্রবাহ যখন চালু থাকে, তখন আইপিএস কিংবা ইউপিএসের ব্যাটারিগুলো চার্জ হতে থাকে। হঠাৎ করে মূল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন 'হলে কন্ট্রোলার মূল সাপ্লাই সরিয়ে ব্যাটারির সাথে সার্কিট সংযুক্ত করে শ্রেয়। ব্যাটারি থেকে ডিসি সাপ্লাই পাওয়া যায় বলে ইনভার্টার দিয়ে আগে এসি করে নিতে হয়। যখন মূল সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় সেই মুহূর্তে কন্ট্রোল সার্কিট ইনভার্টারের সার্কিটও চালু হয়। এভাবে আইপিএস কিংবা ইউপিএস কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা আমাদের দৈনন্দিন এবং কর্মজীবনে বিদ্যুতের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল এবং অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সাপ্লাই বন্ধ হলে আমাদের সব কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। অনেক সময়েই তখন আমাদের সাময়িকভাবে ভিন্ন বিদ্যুৎ সাপ্লাই ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে। এরকম অবস্থায় আমরা আইপিএস বা ইউপিএস ব্যবহার করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ
                                    IPS                                 UPS
১. JPS সাধারণত লাইট, ফ্যান চালু করার কাজে ব্যবহার করা হয় ১. ডেস্কটপ কম্পিউটার কিংবা সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির বেলায় ইউপিএস ব্যবহার করা হয়
২. এটি চালু হতে দুই সেকেন্ড সময় নেয়। ২. এটি চালু হতে দুই সেকেন্ডের বেশি সময় নেয়।
৩. IPS এর বিদ্যুৎ প্রবাহ ক্ষমতা বেশি। ৩. UPS এর বিদ্যুৎ প্রবাহ করার ক্ষমতা কম।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসায় বিদ্যুৎ চলে গেলে লাইট ফ্যান একটু দেরি করে চালু হলেও ক্ষতি নেই বলে সেখানে আইপিএস ব্যবহার করা হয়। এটি চালু হতে এক দুই সেকেন্ড সময় নেয়। আইপিএস মোটামুটি বেশ অনেকক্ষণ যথেস্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। একারণে বাসার গৃহস্থালি কাজে অর্থাৎ লাইট ফ্যান চালু করার কাজে আইপিএস ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলোতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে এই বিদ্যুতকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতে হয় বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য। প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়। সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ-ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটা নির্দিস্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযোগ্য ভোল্টেজে নামিয়ে আনা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য নানাভাবে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে চালানোর জন্য সেখানে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করার জন্য। রাতে আলোর দরকার হয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চশিক্ষার বেলায় ল্যাবরেটরি ব্যবহার করতে হয়, কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ককে সচল রাখতে হয়। যার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনো বিকল্প নেই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষা, কৃষি এবং স্বাস্থ্য ছাড়াও দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প, কলকারখানা এবং অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য শক্তির দরকার হয়। সে কারণে সঠিক পরিকল্পনা করে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে যেন ভবিষ্যতে শক্তির ঘাটতি না হয়। শক্তির অপচয় বন্ধ করতে হবে এবং নতুন কূপ খনন করে গ্যাস অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। দেশে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেড়ে যাওয়ার কারণে নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিস্টেম লস প্রতিকারের দুটি উপায় হলো-
১. সরবরাহ পদ্ধতির উন্নয়ন সাধন।
২. অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে সাধারণত ৩টি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে 'ইলেকট্রোলাইট।'

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ উৎসের ধনাত্মক প্রান্ত হতে ঋণাত্মক প্রাস্তে তড়িৎ প্রবাহের জন্য সম্পূর্ণ পথকে তড়িৎ বর্তনী বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হয় তাকে রোধ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভোল্ট হচ্ছে তড়িচ্চালক শক্তি ও বিভব পার্থক্যের একক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে ভারে বিভব পার্থক্য থাকে, তাই জীবন্ত তার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অসীম থেকে এক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের কোন বিন্দুতে স্থাপন করতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয় তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো অণু, পরমাণু বা যৌগমূলকে যদি স্বাভাবিক সংখ্যার ইলেকট্রনের চেয়ে কম বা বেশি ইলেকট্রন থাকে তাহলে তাকে আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাই তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধাতুর উপর সুবিধামতো অন্য
কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বা Electroplating বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রণালিতে হরফ, ব্লক, মডেল ইত্যাদি তৈরি করাকে তড়িৎ মুদ্রণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ কোষের যে তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে অ্যানোড বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী আরহেনিয়াসের তড়িৎবিশ্লেষণের মতবাদটি হচ্ছে-এসিড, ক্ষার বা লবণজাতীয় যৌগিক পদার্থকে তরলে দ্রবীভূত করলে সেগুলো আয়নায়িত হয়ে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত আয়নে ভাগ হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে তাকে ধনাত্মক আয়ন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো তড়িৎযন্ত্র প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ তড়িৎশক্তি ব্যয় করে বা অন্য শক্তিতে (তাপ, আলোক, যান্ত্রিক ইত্যাদি) রূপান্তরিত করে তাই তড়িৎ ক্ষমতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্র এক ঘন্টা ধরে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত করে' বা ব্যয় করে তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো পরিবাহক বা তড়িৎ যন্ত্রের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য এক ভোল্ট হলে যদি এর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহিত হয় তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা এক ওয়াট বা শুধু ওয়াট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিকভাবে তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এ একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটার পরও তাৎক্ষণিকভাবে নিরবচ্ছিন্ন তড়িৎ প্রবাহ পাওয়ার একটি আদর্শ সমাধান আই.পি.এস (IPS) বা ইনস্ট্যান্ড - পাওয়ার সাপ্লাই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউপিএস হলো আনইন্টারাপটিবল পাওয়ার সাপ্লাই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বণ্টনের জন্য তড়িৎপ্রবাহ বন্ধ করার পদ্ধতিকেই লোডশেডিং বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যপথে বিদ্যুতের অপচয়ই হলো সিস্টেম লস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈদ্যুতিক শক্তির ব্যবহারিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন্ত তারে তড়িৎ ভোল্টেজ থাকে। কেউ যদি খালি পায়ে অর্থাৎ মাটিতে সংস্পর্শ রেখে এ তারকে স্পর্শ করে তবে তার শরীরের ভেতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলবে এবং ঐ ব্যক্তির উপর বৈদ্যুতিক শক লাগবে। এতে তার মৃত্যুও হতে পারে। বৈদ্যুতিক মিস্ত্রিরা জীবন্ত তার নিয়ে কাজ করে। এজন্য তারা বৈদ্যুতিক শক থেকে বাঁচতে পায়ে প্লাস্টিকের শুষ্ক জুতা পরিধান করে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল বর্তনীর বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
১. প্রতিটি যন্ত্রপাতির মধ্যদিয়ে একই সাথে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে না। আলাদা আলাদাভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে।
২. যেকোনো বাল্ব বা ফ্যান আলাদাভাবে জ্বালানো বা নেভানো যায়।
৩. একটি বাল্ব ফিউজ হলেও অপর বাল্বগুলো জ্বলবে।
৪. বাম্বের উজ্জ্বলতা ক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক থাকবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুন ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়। বর্তনীতে ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রায় এটি ঘটে থাকে। ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা থাকলে ফিউজটি কেটে যায় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। এ কারণেই ফিউজে কম গলনাঙ্কের ধাতু ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফিউজ একটি রোধক যার গলনাঙ্ক কম। বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক বর্তনীতে এটি ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়। বর্তনীতে ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রায় এটি ঘটে থাকে। ফিউজ থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা থাকলে ফিউজটি কেটে যায় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ফলে সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে যন্ত্রপাতি রক্ষা পায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই বর্তনীতে ফিউজ ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফিউজ একটি রোধক যার গলনাঙ্ক কম। বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক বর্তনীতে এটি ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়। বর্তনীতে ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রায় এটি ঘটে থাকে। ফিউজ থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা থাকলে ফিউজটি কেটে যায় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ফলে সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে যন্ত্রপাতি রক্ষা পায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই বাসা-বাড়িতে বর্তনীতে ফিউজ ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রবটিকে দুই ভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয়, তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। CuSO4 পানিতে দ্রবীভূত হয়ে Cu** ও SO. আয়নে বিশ্লিষ্ট হয়। তাই CuSO4তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধাতুর ওপর সুবিধামতো অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে। সাধারণত তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি নিকৃষ্ট ধাতু দ্বারা তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা এবং সুন্দর দেখানোর জন্য এদের ওপর সোনা, রূপা বা নিকেল ইত্যাদি মূল্যবান ধাতুর প্রলেপনই হলো তড়িৎ প্রলেপন। যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে সে ধাতুকে ভোল্টামিটারের ক্যাথোড এবং যে ধাতু দ্বারা প্রলেপ দিতে হবে সে ধাতুকে অ্যানোড করতে হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রবণটিকে দুই ভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয়, তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। AgNO, দ্রবণে তড়িৎ প্রবাহ করলে Ag' ও NO, আয়নে বিভক্ত হয়। তাই AgNO, কে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে। তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রব্যটিকে দুই ভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব্য বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। খাবার লবণ তড়িৎ বিশ্লেষ্য কারণ একে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায় কিন্তু চিনির ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে এক ঘন্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমান তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।

১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

440V- 200W দ্বারা বুঝা যায় যে, 440V বিভব পার্থক্যে, কোনো বৈদ্যুতিক বাল্ব সংযুক্ত করলে বাম্বটি সবচেয়ে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে এবং প্রতি সেকেন্ডে 200 জুল বিদ্যুৎ শক্তি আলো ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা দ্বারা বোঝায় যে, যদি ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ১ ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত করা হয় তাহলে (5000 × 36000) জুল বা 18000000 জুল বা 1.8 × 10' জুল পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এল.ই.ডি বাল্ব সাধারণ বাম্বের চেয়ে বেশি সময় টিকে থাকে-
কারণ সাধারণ বান্ধে ধাতব ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয়। যা অনেক সময় প্রচন্ড তাপে নষ্ট হয়ে যায় বা ফিউজ হয়ে যায়। কিন্তু-এল.ই.ডি.তে কোনো ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয় না বলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম। এ বাল্ব হচ্ছে লাইট ইমিটিং ডায়োড যা অনেক টেকসই। এসব কারণেই সাধারণ বাল্বের তুলনায় এল.ই.ডি. ৩ থেকে ২৫ গুণ বেশি সময় টিকে থাকতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

220V এর V দ্বারা বিভব পার্থক্য বুঝানো হয়। অর্থাৎ কোনো বস্তুকে 220V বিভব পার্থক্যে সংযুক্ত করলে বস্তু বা যন্ত্রটি সর্বোচ্চ পরিমাণ কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ বাল্বের গায়ে 220V লেখা থাকে। এর অর্থ বাঘটিকে 220V বিভব পার্থক্যে সংযুক্ত করলে বাঘটি-সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বান্ধের গায়ে ২২০ ভোল্ট, ৬০ ওয়াট লেখা থাকলে বোঝা যায় ২২০ ভোল্ট বিভব পার্থক্যে বাতিটিকে সংযুক্ত করলে বাতিটি সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে এবং প্রতি সেকেন্ডে ৬০ জুল বৈদ্যুতিক শক্তি আলোক ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহারের ফলে আর্থিক সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে। এনার্জি সেভিং বাল্ব সাধারণ বাদের চেয়ে বেশি টিকে, চালনা করতে কম শক্তির প্রয়োজন হয় ফলে খরচ সাশ্রয় হয়। তাছাড়া এ বাল্ব ব্যবহার করে আমরা শক্তির অপচয় রোধ এবং জীবাশ্য জ্বালানির ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে পারি। তাই আমাদের এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহার করা উচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার কিংবা এরকম সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির বেলায় ইউপিএস ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হবার দশ মিলিসেকেন্ডের ভেতর ইউপিএস বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারে। ফলে কম্পিউটারে বিদ্যুৎ
প্রবাহ বন্ধ হয় না। এ কারণেই কম্পিউটারে ইউপিস ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চাহিদার তুলনায় তড়িতের উৎপাদন কম হলে সব জায়গায় একই সাথে তড়িৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। তখন কোনো কোনো এলাকার তড়িৎ সরবরাহ বন্ধ করে উৎপাদিত তড়িৎ অন্যান্য এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হয়। তড়িতের উৎপাদন যদি বেশ কম হয় তড়িৎ এর সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করার ও কৌশলকেই বলা হয় লোডশেডিং।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয়, কম হলেও তাদের এক ধরনের রোধ থাকে। একটা রোধের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ হলে সবসময়ই তাপ উৎপন্ন হয় এবং সেটি বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয়। এই লসকেই সিস্টেম লস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যপথে বিদ্যুতের
অপচয়ই হলো সিস্টেম লস। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত তারের মধ্যে যে রোধ থাকে সেই রোধের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় তাপ উৎপন্ন হয়ে শুক্তির লস বা ক্ষয় হয়। এ লসই সিস্টেম লস। তাছাড়া সিস্টেম লসের কারণ হলো- তড়িৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও গ্রাহকের মাঝপথে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অবৈধভাবে লাইন টেনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যার কোনো হিসাব মিটারে থাকে না। এ অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে উৎপন্ন তড়িৎ ও ব্যবহৃত বিদ্যুতের গরমিল দেখা যায় এবং সিস্টেম লস দেখা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক সভ্যতার বিকাশে বিদ্যুতের অবদান অনস্বীকার্য। বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপকতা ও বিদ্যুৎ নির্ভর যন্ত্রপাতি আমাদের জীবনকে করেছে গতিময় ও আরামদায়ক। শিক্ষা, যোগাযোগ, শিল্প ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে বিদ্যুতের অবদান, রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিদ্যুৎ নির্ভর স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি আমাদের অনেক কাজকে সহজ করে দিয়েছে। একটি দেশের আর্থ-সামাজিক, উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করে বিদ্যুতের উৎপাদন, সরবরাহ ও ব্যবহারের উপর। কাজেই বিদ্যুতের উৎপাদন ও ব্যবহার ছাড়া আমরা উন্নত সমাজ ব্যবস্থা ও এর বিকাশ ভাবতেই পারিনা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
167
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews