সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বনায়ন হলো বনভূমিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে গাছ লাগানো, পরিচর্যা করা ও সংরক্ষণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের ঔষধি গুণাগুণ আছে ও বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ঔষধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাদের ভেষজ উদ্ভিদ বলা হয়। যেমন- নিম, হরীতকী, বহেড়া ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে মেহগনি গাছ ভালো জন্মে। এছাড়াও দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি মেহগনির জন্য উত্তম। মেহগনি গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। এজন্য মেহগনি চাষের পূর্বে পানি নিকাশের সঠিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

তিনটি পদ্ধতিতে বাঁশের বংশবৃদ্ধি হয়ে থাকে। পদ্ধতিগুলো হলো-
১. মোথা বা অফসেট পদ্ধতি;
২. প্রাকমূল কঞ্চি কলম পদ্ধতি;
৩. গিঁট কলম পদ্ধতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সব জেলাতেই কাঁঠাল চাষ হয়। গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহের ভাওয়াল এলাকায় কাঁঠালের বাগান করা হয়। কাঁঠাল লাল মাটির উঁচু জমিতে ভালো জন্মে। সিলেট, চট্টগ্রাম-ও রংপুর এলাকায় কাঁঠাল চাষ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাধারণত ফল ধরার তিন মাসের মধ্যে কাঁঠাল পুষ্ট হয়ে থাকে। কাঁঠাল পুষ্ট হয়েছে কিনা বোঝার জন্য হাত বা লাঠি দিয়ে টোকা দিতে হবে। শব্দ শুনে যদি বোঝা যায় কাঁঠাল, পুষ্ট হয়েছে, তবে সাথে সাথে পেড়ে ফেলতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোয়ার গুণের ভিত্তিতে কাঁঠালকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাজা কাঁঠাল- এসব কাঁঠালের কোয়া শক্ত।
২. আধারসা কাঁঠাল- এসব কাঁঠালের কোয়া মুখের দিকে শক্ত কিন্তু পিছনের দিকে নরম।
৩. গলা কাঁঠাল- এসব কাঁঠালের কোয়া নরম। মুখে দিলেই গলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাঁশ ব্যবহার করে গ্রামাঞ্চলে ঘর নির্মাণ করা হয়। এছাড়াও কৃষি উপকরণ যেমন- লাঙল, জোয়াল, আঁচড়া ও কোদাল তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার হয়। বাঁশ গ্রামীণ কুটির শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। বাঁশ দিয়ে ঝুড়ি, কুলা, ঝাঁপি, মাথাল প্রভৃতি তৈরি হয়। খাল পারাপারে বাঁশের সাঁকো' ব্যবহার করা হয়। বাঁশের বাঁশি গ্রামের শিশু-কিশোরদের বাদ্যযন্ত্র। শস্য ও. উদ্ভিদ সংরক্ষণে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়। ফলে বাঁশকে গরিবের কাঠ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যখন উদ্ভিদের শাখা থেকে কর্তন বা ছেল কলম তৈরি করা হয় তখন তাঁকে শাখা কলম বা কাটিং বলে। এ পদ্ধতিতে একটি বৃক্ষের শাখা কেটে ভেজা মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শাখাটি স্বাভাবিকভাবে বড় হলে নতুন গাছে পরিণত হয়। কাটিং এর মাধ্যমে গোলাপ, শিমুল, মান্দার ইত্যাদি গাছের বংশবিস্তার করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বন সংরক্ষণ করার জন্য সাধারণ জনগণকে বনের গুরুত্ব বুঝাতে হবে'। সামাজিক বন সৃষ্টিতে সবাইকে অংশ নিতে হবে। স্বাভাবিক নিয়মে বন-সৃষ্টিতে বাধা দেওয়া' যাবে না। বনের পশু-পাখি ধ্বংস করা যাবে না এবং বনদস্যুদের প্রতিহত করতে হবে। এছাড়াও বন সংরক্ষণ আইন জেনে সে সম্পর্কে সচেতন থেকে বন সংরক্ষণ করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাঁশের পরিচর্যা-
১. বেশি রোদ হলে বাঁশে পানি সেচ দিতে হবে।
২. মোথার গোড়ার মাটি কুপিয়ে আলগা করতে হবে।
৩. আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
৪. রোগাক্রান্ত গাছ মোথাসহ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মেহগনি কাঠ হিসেবে খুবই শক্ত ও টেকসই এবং খুবই সুন্দর পলিশ নেয়। তাই আসবাবপত্র তৈরিতে এ কাঠের বহুল ব্যবহার আছে। তাছাড়াও ঘরের দরজা, জানালার ফ্রেমসহ হরেক রকম সৌখিন শিল্প সামগ্রী তৈরিতে মেহগনি ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কাষ্ঠল বৃক্ষকে মূল্যবান করে তোলার জন্য অপ্রয়োজনীয় ডালপালা কর্তন করাকে প্রুনিং বলে। গাছকে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে প্রুনিং করা হলে কাঠের পরিমাণ ও মান উন্নত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের পাতা শীতকালে ঝরে যায় সেসব উদ্ভিদকে পত্রঝরা উদ্ভিদ বলে। যেমন- মেহগনি, শীতকালে যখন এসব উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায় তখন উদ্ভিদগুলোর শুধু ডালপালা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মেহগনি গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। কারণ মেহগনি গাছের গোড়ায় পানি জমি থাকলে শিকড় এলাকায় বায়ু চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। জমে থাকা পানির কারণে মাটির ফাঁক বন্ধ হয়ে যায় ও গাছের শিকড় বিস্তার লাভ করতে পারে না। ফলে গাছ মরে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
132

বনায়ন হলো বনভূমিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে গাছ লাগানো, পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা। সঠিকভাবে বনায়ন করা সম্ভব হলে, সর্বাধিক বনজ দ্রব্য উৎপাদিত হয়। এসব বনজ দ্রব্য হলো কাঠ, জ্বালানি, বনৌষধি, ফল, মধু, মোম প্রভৃতি। বনায়নের জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রকার বনজ বৃক্ষ, ফলদ বৃক্ষ, নির্মাণ সামগ্রী ও ঔষধি উদ্ভিদ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা দরকার। এ অধ্যায়ে আমরা এসব উদ্ভিদের পরিচিতি, চাষ পদ্ধতি ও গুরুত্ব সম্পর্কে জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করব। কৃষিজ নির্মাণ সামগ্রী কাঠ ও বাঁশের গুরুত্ব বলতে পারব। কান্ড থেকে নতুন চারা তৈরি করতে পারব। প্রাত্যহিক জীবনে ঔষধি উদ্ভিদের ব্যবহার বলতে পারব। এ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করতে পারব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ফলদ, বনজ, নির্মাণ সামগ্রী ও ঔষধি বৃক্ষের চাষ পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • কাণ্ড থেকে নতুন চারা তৈরির পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে বনজ দ্রব্যের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

গরিবের কুটির থেকে শুরু করে বড় বড় অট্টালিকা তৈরিতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। গ্রামীণ কুটির শিল্পে, কৃষি উপকরণ এবং কাগজ ও রেয়ন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খাল পারাপারের সাঁকো তৈরিতেও বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এসব কারণে বাঁশকে নির্মাণ সামগ্রী বলা হয়।

298
উত্তরঃ

সাজিদের দাদার বাগানের বিশেষ গুণসম্পন্ন ফলটির নাম কাঁঠাল।
কাঁঠাল একটি বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী উদ্ভিদ। পাকা কাঁঠালের কোয়া খুবই মিষ্টি। এতে রয়েছে শর্করা ও ভিটামিন। এছাড়াও কাঁঠালে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাঁড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কাঁচা কাঁঠাল এবং কাঁঠালের বীজ সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। কাঁঠাল কাঠ খুবই উন্নত মানের, টেকসই ও ভালো পলিশ নেয়। তাই বাসগৃহের জানালা, দরজা ও আসবাব তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক এবং পুষ্টিগত দিক দিয়ে এ ফলটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের কারণে ফলটি বিশেষ গুণসম্পন্ন।

223
উত্তরঃ

গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে সাজিদের ব্যবহৃত গাছটি হলো নিম।
নিম গাছের ব্যবহার অনেকভাবে হয়ে থাকে। চর্মরোগে এর পাতার রস ও তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। নিম পাতার রস কৃমির উপদ্রব কমায়। নিমের ডাল দাঁতের মাজন, নিমের খৈল জীবাণুনাশক এবং নিম গাছের বাকল বাতজ্বর, দাদ, বিখাউজ, একজিমা, দাঁতের রক্ত ও পুঁজ পড়া, ডায়রিয়া, জণ্ডিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই গাছের বাকলের রস দাঁতের মাড়ি শক্ত করে। এছাড়া নিম পাতার নির্যাস শস্যের কীটনাশক হিসেবে ভালো কাজ করে, যা গ্রামীণ কৃষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে নিম গাছ - অত্যন্ত উপযোগী।

171
উত্তরঃ

শীতকালে যে সকল উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায় তাদের পত্রঝরা উদ্ভিদ (যেমন- মেহগনি) বলে।

431
উত্তরঃ

কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পানি জমে থাকে এমন জায়গায় কাঁঠাল গাছ রোপণ করলে তা মারা যায়। তাই বন্যামুক্ত উঁচু স্থানে কাঁঠাল গাছ রোপণ করতে হয়।

261
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews