দিন ও রাতের আকাশে তাকালে ভিন্ন জিনিস দেখা যায়। যেমন- দিনের আকাশে সূর্য ও মেঘ দেখতে পাওয়া যায়। আবার, রাতের আকাশের দিকে তাকালে মেঘ, চাঁদ ও অসংখ্য তারা দেখা যায়।
চাঁদ হলো শিলা দিয়ে গঠিত একটি বিশাল গোলাকার বস্তু, যা পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে। এটি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
চাঁদের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
২. নিজস্ব কোনো. আলো নেই।
৩. শিলা দিয়ে গঠিত বিশাল গোলাকার বস্তু।
আমরা রাতের আকাশে চাঁদ দেখতে পাই। তবে চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। সূর্যের আলো চাঁদের উপর পড়লেই কেবল আমরা চাঁদ দেখতে পাই।
প্রতি রাতেই চাঁদের আকার ও আকৃতি কিছুটা ভিন্ন হয়। কখনো চাঁদকে বড় ও গোলাকার দেখায়, আবার কখনো তা ছোট ও অর্ধ-গোলাকার দেখায়। চাঁদের উজ্জ্বল অংশের এই পরিবর্তনশীল আকৃতি হচ্ছে চাঁদের দশা। চাঁদের মোট আটটি দশা বা পর্যায় আছে।
পৃথিবী বাদে সৌরজগতের তিনটি গ্রহ হলো-
১. বুধ, ২. শুক্র ও ৩. শনি।
গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
২. নিজস্ব কোনো আলো নেই।
৩. উপগ্রহ থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে।
শুক্র গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম গ্রহ।
২. সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহটি হলো শুক্র।
৩. আমরা সূর্যোদয়ের আগে পূর্ব আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে শুক্র গ্রহকে দেখি।
সৌরজগৎ যে ছায়াপথ বা গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম মিল্কিওয়ে। মিল্কিওয়ের অপর নাম আকাশগঙ্গা। রাতে আমরা যেসব নক্ষত্র বা গ্রহ দেখতে পাই সেগুলো মিল্কিওয়ের অন্তর্ভুক্ত। মিল্কিওয়ে দেখতে সর্পিলাকার।
রাতে আকাশের দিকে তাকালে চাঁদ ছাড়াও আরও অনেক তারা বা নক্ষত্র দেখা যায়। গ্যাল্যাক্সি হলো এসব নক্ষত্রের একটি বিশাল সমাবেশ। গ্যালাক্সিকে ছায়াপথও বলা হয়। আমাদের সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম মিল্কিওয়ে।
সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ আছে। এগুলো হলো-বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন।
নক্ষত্র হচ্ছে জ্বলন্ত গ্যাসের একটি বিশাল কুণ্ডলী। নক্ষত্রের নিজস্ব আলো, তাপ এবং অন্যান্য শক্তি রয়েছে। সূর্য সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র। মহাবিশ্বে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান বস্তুগুলোকে উপগ্রহ 'বলা হয়। পৃথিবী একটি গ্রহ। চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চারদিকে ঘুরতে থাকে। এজন্য চাঁদকে পৃথিবীর উপগ্রহ বলা হয়। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
মহাবিশ্বে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। নক্ষত্রগুলো জোট বেঁধে অবস্থান করে। রাতের আকাশে নক্ষত্রের এই জোট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর ন্যায় বিশেষ আকৃতির সৃষ্টি করে। বিশেষ আকৃতিসম্পন্ন এই নক্ষত্র জোটকে নক্ষত্রমণ্ডল বলে। কালপুরুষ এমনই একটি নক্ষত্রমণ্ডল।
মহাবিশ্ব যে কত বড় এটা কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না।
ছায়াপথ, নক্ষত্র, গ্রহ, মহাশূন্য, সকল পদার্থ এবং শক্তি- এই সবকিছু নিয়েই গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব। মহাবিশ্বে প্রায় লক্ষ কোটি ছায়াপথ রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা, যা সময়ের সাথে চারদিকে ক্রমশ বড় হচ্ছে।
চাঁদের তিনটি দশার নাম হলো-
১. অমাবস্যা,
২. পূর্ণিমা ও
৩. ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়া ক্রিসেন্ট।
সূর্য এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু ও গ্যাস নিয়ে গঠিত জগতকে সৌরজগৎ বলে। সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ আছে। এগুলো হলো- বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন
সৌরজগতের সদস্য এমন তিন ধরনের বস্তুর নাম
হলো-
১. গ্রহ,
২. উপগ্রহ ও
৩. ধূমকেতু।
Related Question
View Allচাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
সূর্যের আলো চাঁদের উপর পড়লেই কেবল আমরা চাঁদ দেখতে পাই।
মিল্কিওয়ে দেখতে সর্পিলাকার ।
সূর্য এবং গ্রহগুলো সৌরজগতের অংশ।
চাঁদের আটটি দশা বা পর্যায় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!