তথ্য সৃষ্টি, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ, তথ্য বিনিময়ের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রের উদ্ভাবন ও ব্যবহার এসব কিছু মিলেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। একে সংক্ষেপে আইসিটি বলা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করে।
তথ্য সৃষ্টি, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ, তথ্য বিনিময়ের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রের উদ্ভাবন ও ব্যবহার হলো আইসিটি। এটি দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিতে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়।
যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা কারও কাছ থেকে বা কোনো মাধ্যম থেকে যে জ্ঞান লাভ করি তাই তথ্য। আমাদের জীবনে তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তথ্য ব্যবহার করে আমরা জীবনধারায় পরিবর্তন আনি। আমাদের কখন কী করতে হবে তাও ঠিক করতে পারি।
ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কিংবা কোনো কাজে বাড়ির বাইরে বের হওয়ার পূর্বে আমাদের আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য জেনে নেওয়া উচিত। এতে খারাপ আবহাওয়াজনিত বিপদ থেকে সাবধান হওয়া যায়। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যম যেমন- রেডিও, টিভি বা সংবাদপত্রের মাধ্যমে আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য পেতে পারি।
তথ্য ব্যবহার করে আমরা যা করতে পারি তা নিচে তিনটি বাক্যে লিখা হলো-
১. তথ্য ব্যবহার করে আমরা জীবন ধারায় পরিবর্তন আনতে পারি।
২. আমাদের কখন কী করতে হবে তাও' ঠিক করতে পারি।
৩. কোনো সমস্যায় পড়লে তথ্য ব্যবহার করে আমরা তার সমাধান করতে পারি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা দূরের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। তথ্য সংরক্ষণ করতে পারি। কোন সমস্যায় পড়লে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তার সমাধান করতে পারি। এটি সময় বাঁচায় এবং দৈনন্দিন সমস্যাগুলো সমাধান করার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে সহজ করে।
তথ্যের তিনটি উৎস হলো- ১. বই, ২. ইন্টারনেট ও ৩. টিভি।
তথ্যের যথাযথ ব্যবহার পদ্ধতির চারটি ধাপ রয়েছে।
ধাপগুলো হলো-
১. কোন বিষয়ের তথ্য প্রয়োজন তা নির্দিষ্ট করা,
২. তথ্যের উৎস ও সংগ্রহের উপায় নির্ণয়,
৩. তথ্য সংগ্রহ ও ৪. তথ্য বিনিময়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় এমন তিনটি ক্ষেত্রের নাম হলো- ১. শিক্ষা, ২. চিকিৎসা ও ৩. কৃষি।
তিনটি বাক্যে যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ নিচে ব্যাখ্যা
করা হলো-
১. হাজার বছর আগে মানুষ ধোঁয়ার সংকেত পাঠিয়ে ও ঢোল বাজিয়ে যোগাযোগ করতো।
২. তথ্য যোগাযোগের পরবর্তী ধাপে চিঠিপত্রের আদান-প্রদান, সংবাদপত্রের প্রচলন, বই ও গবেষণা পত্রিকার মাধ্যমে মানুষ তথ্য বিনিময় করত।
৩. বর্তমানে আমরা যোগাযোগের জন্য কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করি।
তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তির বিকাশ সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-
১. প্রাচীনকালে মানুষ গুহার দেয়ালে ছবি এঁকে তথ্য সংরক্ষণ করতো।
২. পরবর্তীতে লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের পর মানুষ তথ্য লিখে রাখতে শুরু করে।
৩.বর্তমানে তথ্য সংরক্ষণের জন্য ক্যামেরা, পেন ড্রাইভ, সিডি, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
প্রাচীনকালের মানুষ গুহার দেয়াল বা পাথরের উপর যে ছবি আঁকত বা লেখা লিখত তাকে লিথোগ্রাফ বলে। এর মাধ্যমে তখনকার মানুষ তথ্য সংরক্ষণ করতো। ছাপাখানা আবিষ্কারের পর মানুষ তথ্য বইতে ছাপিয়ে সংরক্ষণ করতে শুরু করে।
একজন মানুষের সাথে অন্য একজন মানুষের যোগাযোগের উপায়ই হলো তথ্য বিনিময়। তথ্য বিনিময়ের পূর্বে সংরক্ষিত তথ্য সুন্দরভাবে সাজাতে হয়। তথ্য বিনিময়ের সময় কোন তথ্যটি বিনিময় করতে চাচ্ছি এবং তা সঠিকভাবে বিনিময় করছি কি-না সে বিষয়ে অধিক মনযোগী হতে হয়।
তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এমন তিনটি প্রযুক্তি হলো-
১. ক্যামেরা
২. সিডি ও
৩. পেনড্রাইভ।
বর্তমানে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় এমন তিনটি
মাধ্যম হলো-
১.কম্পিউটার, ২. মোবাইল ফোন ও ৩. ইন্টারনেট ইত্যাদি।
তথ্যের যথাযথ ব্যবহার বলতে বুঝায়-
১. তথ্য সংগ্রহ,
২. তথ্য সংরক্ষণ ও
৩. তথ্য বিনিময়।
তথ্যের যথাযথ ব্যবহারের জন্য আমাদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় তথ্যের উৎস ও তা সংগ্রহের উপায় নির্ণয় করতে হবে। পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অথবা সরাসরি মানুষকে জিজ্ঞাসা করে আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারি। এছাড়াও তথ্যের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। যেমন- জনসাধারণ; সংবাদপত্র, বই, রেডিও, টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদি। এসব উৎস থেকেও আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
কোনো তথ্য সংগ্রহ করার পর তা অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। নোটবই বা কাগজে লিখে তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি, যেমন- ক্যামেরা, . সিড়ি, ডিভিডি ইত্যাদি ব্যবহার করেও তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
Related Question
View Allটেলিফোন আবিষ্কৃত হয় ১৮৭৬ সালে।
আমাদের জীবনে তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্য ব্যবহার করে জীবন ধারায় পরিবর্তন আনা যায়।
প্রতিদিন আমরা প্রচুর তথ্য পাই।
সরাসরি মানুষকে জিজ্ঞাসা করে আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
ব্যারন শিলিং টেলিগ্রাফ আবিষ্কার করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!