সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া হলো কোনো এক অঞ্চলের একদিন বা দিনের কোনো বিশেষ সময়ের বাতাসের তাপ, চাপ, আর্দ্রতা। তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ ও গতি, বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ হিসাব করে এটা নির্ধারণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো অঞ্চলের ৩০০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াকে বলা হয় তার জলবায়ু। তবে দেশটির অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ু প্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকার গঠন, বনভূমির পরিমাণ ও অবস্থান প্রভৃতিও জলবায়ুর প্রকৃতি নির্ণয়ের নিয়ামক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত। সমুদ্রের নিকটবর্তী হওয়ায় ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটিই খুব তীব্র নয়। তাই বাংলাদেশের জলবায়ুকে বলা হয় সমভাবাপন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্ষাকালে বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগর হতে জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। একে গ্রীষ্মের মৌসুমি বায়ু বলা হয়। এই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জলবায়ুতে অনুকূল ও প্রতিকূল দুই ধরনের আবহাওয়ারই প্রভাব সমান। অনুকূল আবহাওয়ার ফলে বাংলাদেশের প্রকৃতি সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা। অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, খরা প্রভৃতি নিত্য চিত্র। তাই বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ অস্বাভাবিকভাবে গলে যাচ্ছে। এই বরফগলা জলরাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলস্বরূপ বাংলাদেশের দক্ষিণাংশের নিম্নাঞ্চলসহ পৃথিবীর সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলো ডুবে যাওয়ার আশংকা বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন প্রভৃতি গ্যাসকেই একসাথে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ হলো এই গ্রিনহাউস গ্যাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী মানুষ। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডই যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প-কারখানার উৎপাদন, বিদ্যুৎ ব‍্যবহার, যানবাহনের তেল ও গ্যাসের ধোঁয়া, ইটের ভাটা প্রভৃতি গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বহুগুণে বাড়িয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বিশেষজ্ঞদের মতে একটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা দরকার। কিন্তু বাংলাদেশে এই বনভূমির পরিমাণ মাত্র ১৭ ভাগ। সুতরাং বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণে কমতি রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রায়ই নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। এসব দুর্যোগের মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙন, খরা, শৈত্যপ্রবাহ, টর্নেডো, কালবৈশাখী, বজ্রপাত প্রভৃতি। এছাড়াও বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো স্থানে বাতাসের তাপ অত্যাধিক বৃদ্ধি পেলে সেখানকার বাতাস হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে ওই অঞ্চলের বাতাসের চাপ কমে গেলে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বাতাস প্রবল বেগে ওই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে। বায়ুর এই প্রবল গতিকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঝড়ের ফলে সমুদ্রের লোনা জল বিশাল উচ্চতা নিয়ে তীব্রবেগে উপকূলে আছড়ে পড়ে এবং স্থলভাগকে প্লাবিত করে। একেই বলে জলোচ্ছ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিমালয়ের বরফগলা পানি ও উজানে বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বিপুল পানিপ্রবাহ মিলিতভাবে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি করে পাড় উপচে দু-কূলের জনপদকে প্লাবিত করলে তাকে বন্যা বলে। বন্যা জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীগুলোর গতিপথ সাধারণত আঁকাবাঁকা। নদীর বাঁকগুলোও ঘনঘন। ফলে পানির প্রবল স্রোত সোজাপথে প্রবাহিত হতে না পেরে নদীর পাড়ে এসে আঘাত করে। এজন্য নদীর পাড় ভাঙতে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাতের অভাব ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয় তাই খরা। বসন্তের শেষ ও গ্রীষ্মের শুরুতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খরা দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ শীতপ্রধান দেশ না হলেও কোনো কোনো বছরে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে হিমালয়ের উত্তর দিক থেকে আগত মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ দেখা যায়। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে এর তীব্রতা বেশি হয়। প্রবল শীতে মানুষের প্রাণহানিও ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শৈত্যপ্রবাহের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কাজ পায় না। শৈত্যপ্রবাহে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বাসস্থান ও শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীই বেশি দুর্দশায় পড়ে। প্রবল শীতে মানুষের প্রাণহানিও ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রচণ্ড গতিসম্পন্ন এক ধরনের ঘূর্ণিঝড় হলো টর্নেডো। স্থলভাগে নিম্নচাপের ফলে এর উৎপত্তি হয়। এর কোনো পূর্বাভাস বা সতর্ক সংকেত দেওয়া সম্ভর হয় না। টর্নেডো শুরুর পূর্বে আকাশে ফানেল বা হাতির শুড়ের মতো মেঘ দানা বাঁধে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কালবৈশাখি হলো এক ধরনের ক্ষণস্থায়ী ও স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট প্রচন্ড ঝড়। সাধারণত বৈশাখ মাসে এ ঝড় বেশি হয় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়। প্রবল এই ঝড় মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বন্যা মোকাবিলায় করণীয় হলো- ক. বাঁধ নির্মাণ করা; ঘরবাড়ির ভিটে উঁচু করা; গ. নদী খননের ব্যবস্থা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় তিনটি করণীয় হলো-
ক. আবহাওয়া বিভাগ থেকে প্রচারিত পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা মেনে চলা;
খ. বাড়ির আশেপাশে গাছ লাগানো ও
প. গ্রিনহাউস গ্যাস উদ্‌দ্গীরণ নিয়ন্ত্রণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নদীরভাঙন মোকাবিলায় ৩টি করণীয় হলো-
ক. নদীর পাড়ে গাছ লাগানো,
খ. নদীর পাড় সংরক্ষণ করা ও
গ. নিয়মিত নদী খননের ব্যবস্থ করা

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অধিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের জন্য দেশে আশানুরূপ ফসল ফলানো সম্ভব নয় না। কিছু এলাকায় বর্ষা মৌসুমে আগাম বন্যার কারণে এমনকি গভীর পানিতে উৎপাদনশীল ধানের আবাদও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ তিন দিক দিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। সেগুলো হলো- লবণাক্ততা, বন্যা, ও উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ দিক থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ যে বাতাস বয়ে যায় তাকে মৌসুমি বায়ু বলা হয়। এ বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তবে দেশের সব এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিমালয় পর্বতমালা যদিও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়; তবুও তা শীতকালে বাংলাদেশকে সাইবেরীয় হিমপ্রবাহ থেকে রক্ষা করে। আর তাই শীতকাল এখানে দীর্ঘ হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খরা বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাধারণভাবে বলতে গেলে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাতের অভাবে ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে খরা হয়। কিন্তু বিশেষভাবে বলতে গেলে বৃষ্টিপাতের অভাব ছাড়াও বিভিন্ন নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি কারণে খরা দেখা দিয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কালবৈশাখী হলো এক ধরনের ক্ষণস্থায়ী ও স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট প্রচন্ড ঝড়। বৈশাখ মাসেই এ জাতীয় ঝড় বেশি হয় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়। সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এ ঝড়টি আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্ষাকালে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে। এ জলীয় বাষ্প হিমালয় পর্বতমালা ও বাংলাদেশের পাহাড় এলাকায় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঘূর্ণিঝড়ের আগে সাধারণত আবহাওয়া বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পূর্বাভাস ও সতর্ক বাণী প্রচার করা হয়। আমরা যদি সে সতর্ক বাণী মেনে আগে থেকে সাবধান হই, তবে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় প্রাণহানি এড়ানো যায়। এ সময় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খরার কারণে মাটির উপরের পানি শুকিয়ে যেতে থাকে। খরার সময়ে খুব জোরে যখন বাতাস বইতে থাকে তখন উপরের মাটি সরে যায়। শস্যের উপযোগী উপরিভাগের এ মাটি সরে যাওয়ার ফলে চাষাবাদে দারুণ অসুবিধা হয়। তাই খরাকে কৃষির জন্য একটি বিরাট হুমকি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত মাত্রায় সঞ্চারিত হয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে। এ গ্যাস জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশের বিপর্যয়ের জন্য বহুলাংশে দায়ী। গ্রিন হাউস গ্যাস বৃদ্ধির ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে গিয়ে প্রকৃতিতে খরার সৃষ্টি করে। ফলে ফসল উৎপাদন কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো মানুষের কার্যকলাপের ফলে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস। এই গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো সূর্যের তাপকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে, যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং অধিকহারে বৃক্ষ নিধনের ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির সাথে সাথে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
74

'আবহাওয়া' ও 'জলবায়ু' শব্দ দুটি এক বলে মনে হলেও বস্তুত এক নয়। আবহাওয়া হলো কোনো একটি অঞ্চলের এক দিন বা দিনের কোনো বিশেষ সময়ের বাতাসের তাপ, চাপ, আর্দ্রতা। তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ ও গতি, বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ হিসাব করে এটা নির্ধারণ করা হয়। আবহাওয়া প্রতিদিন, এমন কি ঘণ্টায় ঘণ্টায় বদলাতে পারে, বদলায়ও। অন্যদিকে কোনো অঞ্চলের ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াকে বলা হয় তার জলবায়ু। তবে কোনো দেশ বা অঞ্চলের জলবায়ু বোঝার জন্য ওই উপাদানগুলো ছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক আছে। যেমন দেশটির অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ, সমুদ্র থেকে তার দূরত্ব, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকার গঠন, বনভূমির পরিমাণ ও অবস্থান প্রভৃতিও জলবায়ুর প্রকৃতি নির্ণয়ের নিয়ামক।

মানুষের জীবনযাত্রা পরিবর্তন এবং ভোগ-বিলাসিতা অথবা উন্নয়নের কারণে জলবায়ু তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হারায়। যার দরুণ পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবকে আমাদের মোকাবেলা করতে হয়। এজন্য বাংলাদেশের জলবায়ু, জলবায়ুগত পরিবর্তন, এর প্রভাবের কারণ, প্রভাব ও পরিস্থিতি মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বিভিন্ন দুর্যোগ যেমন- ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙ্গন,
  • খরা, শৈত্যপ্রবাহ, টর্নেডো, কালবৈশাখি প্রভৃতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ, অর্থাৎ এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটিই খুব বেশি তীব্র নয়।

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল শুষ্ক। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে, বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তবে সব এলাকায় সমান বৃষ্টিপাত হয় না। সিলেট, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় বেশি বৃষ্টিপাত হয়। খৗসুমি বায়ুর প্রভাবে অনেক সময় এদেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
718
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের হুমকির মুখোমুখি।

পৃথিবী আজ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশে করে বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থানে আছে, সেসব দেশে এ সমস্যা বহুগুণ বেশি দেখা দিচ্ছে। জলবায় পরিবর্তন হওয়ায় এখন ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। যেমন- বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। শীতকালে শীত দেরিতে আসছে এবং স্বল্পসময়ে চলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণ বাংলাদেশের জন্য অদূর ভবিষ্যতে ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে। কেননা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে মেরু অঞ্চলের বরফগলা পানি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে দেশের দক্ষিণাংশের নিম্ন অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বলা যায়, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
393
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পরিবেশের যে বিপর্যয়ের কথা বলা হয়েছে তার জন্য মানুষের কর্মকাণ্ডই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী।

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস। বায়ুমণ্ডলে এ গ্যাস অতিরিক্ত মাত্রায় সঞ্চারিত হয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে। বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির জন্য মানুষের কাজকর্মই সবচেয়ে বেশি দায়ী। মানুষের তৈরি গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডের রিমাণ সবচেয়ে বেশি। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন, যানবাহনের তেল-গ্যাসের বায়া, ইটের ভাটা প্রভৃতি থেকে এই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। লে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস সঞ্চারের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে গেছে। এ বারণে জলবায়ুগত পরিবর্তনের হুমকিও মারাত্মক হচ্ছে।

সতরাং বলা যায় যে, মানুষের অসচেতন কর্মকাণ্ডই দেশকে বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
264
উত্তরঃ

কালবৈশাখি হলো এক ধরনের স্বল্পস্থায়ী ও স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট প্রচণ্ড তসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড়।

বাংলাদেশে সাধারণত বৈশাখ মাসে 'কালবৈশাখি ঝড়' বেশি হয়। গ্রীষ্মে কানো স্থানের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে সেখানকার বাতাস হালকা য় ওপরে উঠে যায়। তখন পাশের অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত শীতল বাতাস বল বেগে এই শূন্যস্থানে ধেয়ে আসে ও ঝড়ের সৃষ্টি করে।ন শিরভাগ সময় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এ ঝড়টা আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
360
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews