সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান ।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

পলি শব্দের অর্থ অনেক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমার গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিভিসি পাইপ তৈরি হয় ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমার থেকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিথিন তৈরিতে ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুচাপে রাখা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিথিন তৈরিতে ইথিলিনকে ২০০° C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমারকরণ দূত করার জন্য অক্সিজেন প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বস্ত্র তৈরির প্রধান উপাদান সুতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বস্ত্র তৈরির প্রধান উপাদান সুতা

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আঁশ জাতীয় পদার্থকে তত্ত্ব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অতি প্রয়োজনীয় উৎস অনুযায়ী তন্তু দুই ধরনের ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাসবেস্টস  প্রাকৃতিক  তন্তু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক খনিতে ধাতব  তন্তু পাওয়া যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তুলার আঁশ থেকে সুতা তৈরি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তুলা 'লুমেন' নামক পদার্থে পূর্ণ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তত্ত্বর মধ্যে সুতা প্রধান তন্তু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতি কাপড়ের তাপ পরিবহন ও পরিচালন ক্ষমতা কম ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গরমের দিনে সুতি কাপড় পড়া আরামদায়ক ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতি বস্ত্রের প্রধান সীমাবদ্ধতা সংকোচনশীলতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিলাসবহুল বস্ত্র তৈরিতে রেশম তত্ত্ব ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাজা-রাণীর পোশাক তৈরিতে রেশম তন্তু ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশমের প্রধান গুণ সৌন্দর্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

৩০০ রঙের রেশম পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশম ফাইব্রেয়ন প্রোটিন দিয়ে তৈরি ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ তন্তু রেশম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইব্রেয়ন প্রোটিন জাতীয় পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশমকে তন্তুর রানি বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শীতবস্ত্র তৈরিতে পশম ব্যবহৃত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শীতবস্ত্র তৈরিতে পশম ব্যবহৃত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপ কুপরিবাহী গুণের কারণে পশমি পোশাক শীতবস্ত্র হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পশম অতি প্রাচীন তন্তু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন প্রোটিন থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন প্রোটিন থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইলন আগুনে পোড়ে না, তবে গলে স্বচ্ছ বিড গঠন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বোরাক্স বিড তৈরি করে নাইলন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারাসুটের কাপড় তৈরিতে নাইলন  ব্যবহৃত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে প্রধান এবং প্রথম তন্তু রেয়ন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেয়ন তিন প্রকার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেয়ন কাপড়ে বেশি গরম ইস্ত্রি ব্যবহার করা যায় না ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিনিং প্রক্রিয়ায় পাওয়া তত্ত্বকে কটন লিস্ট  বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাটের শুকানো আঁশ একত্রিত করে বেঁধে রাখাকে গাঁট  বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাট তন্তুর মিশ্রণ তৈরির প্রক্রিয়াকে ব্যাচিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিনেন তন্তুর জন্য বিশেষ ধরনের যে কম্বিং করা হয় তা হেলকিং নামে পরিচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হেলকিং প্রক্রিয়ায় সুতা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও মিহি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতা পাকানোর প্রক্রিয়াকে স্পিনিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশম পোকা থেকে  তৈরি গুটিকে কোকুন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিণত কোকুন বা গুটি সাবান পানিতে সিদ্ধ করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একের অধিক ক্ষুদ্র আঁশ ও উপযুক্ত দ্রাবকের সাহায্যে তৈরিকৃত ঘন ও আঠালো দ্রবণকে স্পিনিং দ্রবণ  বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্পিনিং দ্রবণ স্পিনারেট যন্ত্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল রাবার দিয়ে তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেলামাইন থার্মোসেটিং  প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেডিক্যাল অপারেশনে সেলাইয়ের কাজে পচনশীল প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিভিসি পোড়ালে HCI গ্যাস নির্গত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার ও প্লাস্টিক গবাদি পশুর মাংস ও চর্বিতে জমা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটি দূষণের অন্যতম কারণ প্লাস্টিক বর্জ্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Mieros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। অর্থাৎ অনেকগুলো একই রকম ছোট ছোট অংশ জোড়া দিয়ে যে একটি বড় জিনিস পাওয়া যায়, সেটি হচ্ছে পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো একই রকম ছোট ছোট অংশ একের পর এক জোড়া লাগালে যে বড় জিনিস পাওয়া যায় তাই পলিমার। পলিথিনকে তাই ইথিলিনের পলিমার বলা হয়। কারণ, অসংখ্য ইথিলিনের অণু যুক্ত হয়ে বৃহৎ অণু পলিথিন গঠন করে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য পলিমারগুলো হলো-মেলামাইনের থালা-বাসন, বৈদ্যুতিক সুইচ, বোর্ড, কার্পেট, পিভিসি পাইপ, পলিথিনের ব্যাগ, পাটের ব্যাগ, সিল্কের কাপড়, উলের কাপড়, সুতি কাপড়, নাইলনের সুতা, রাবার ইত্যাদি। এসব জিনিস আমাদের খুবই পরিচিত। আমরা সবসময়েই এগুলো ব্যবহার করছি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমার হলো মনোমার নামক ছোট ছোট অণুর দীর্ঘ শৃঙ্খল বা জালিকা। এই মনোমারগুলো একের পর এক যুক্ত হয়ে বিশাল আকারের অণু গঠন করে, যাকে পলিমার বলে। পলিমার অনেকগুলো একই ধরনের ছোট ইট দিয়ে তৈরি একটি বড় দেয়ালের মতো। এই ছোট ইটগুলোই হলো মনোমার এবং দেয়ালটি হলো' পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি পলিমারের মনোমার নিম্নরূপ:
পলিথিন - ইথিলিন নামক মনোমার থেকে প্রস্তুতকৃত পলিমার।
পিভিসি - ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে প্রস্তুত পলিমার

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড বা বৈদ্যুতিক সুইচ হলো বাকেলাইট নামের একটি পলিমার, যা তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। সুতরাং বলা যায় যে, একটি পলিমারের মনোমার একাধিক হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমার দুই ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হলো প্রাকৃতিক পলিমার এবং কৃত্রিম পলিমার। পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার-এগুলো প্রাকৃতিক পলিমার। অন্যদিকে মেলামাইন, রেজিন, বাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। তাই এরা হলো কৃত্রিম পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাটের তত্ত্ব গঠিত হয় সেলুলোজ নামক একটি জটিল শর্করা থেকে। অর্থাৎ সেলুলোজ হলো পাটের তন্তুর মনোমার। সেলুলোজের অসংখ্য একক অণু পরস্পর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শৃঙ্খল তৈরি করে, যার ফলে পাটের তত্ত্ব শক্ত ও টেকসইভাবে গঠিত হয়। যেহেতু প্রাকৃতিক উপায়ে পাটের তত্ত্ব গঠিত হয় তাই এটি একটি প্রাকৃতিক পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেজিনকে কৃত্রিম পলিমার বলা হয় কারণ একে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। রেজিন বিভিন্ন ধরনের ছোট অণুকে। (মনোমার) একত্রিত করে তৈরি করা হয়। এই মনোমারগুলো একের পর এক যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শৃঙ্খল গঠন করে, যাকে রেজিন বলে। যেহেতু রেজিন প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় না বরং পরীক্ষাগার বা শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয় তাই একে কৃত্রিম পলিমার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং উদ্ভিদ, প্রাণী বা জীবাণু থেকে উৎপন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, সেলুলোজ, রেশম, স্টার্চ। অন্যদিকে, কৃত্রিম পলিমার রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এবং প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। উদাহরণস্বরূপ, পলিথিন, নাইলন, পিভিসি। প্রাকৃতিক পলিমার সাধারণত জৈবনিকভাবে ক্ষয় হয়, কিন্তু কৃত্রিম পলিমারের ক্ষেত্রে এটি হয় না এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনোমার থেকে পলিমার তৈরি হয় নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরি হয়, তাকেই বলে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া। সাধারণত পলিমারকরণে উচ্চ চাপ এবং তাপের প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় মনোমারসমূহ-একসাথে যুক্ত হয়েই উৎপন্ন হয় পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেন প্রভাবকের উস্থিতিতে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ইথিনকে পলিমারকরণ করে পলিথিন তৈরি করা যায়। তবে TiCl, প্রভাবকের উপস্থিতিতে এ পলিমারকরণ এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই সংঘটিত হয়। তাই চাপ সংক্রান্ত ব্যয় কমাতে ), এর পরিবর্তে TiCl, ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বা সুতার দুটি ব্যবহার ক্ষেত্র নিম্নরূপ :
১. বস্ত্রশিল্পে তন্তু বা সুতা দিয়ে প্রধানত নানা প্রকৃতির কাপড় তৈরি করা হয়।
২. এছাড়াও কার্পেট, ফিল্টার, তড়িৎ নিরোধক দ্রব্য প্রস্তুত কত বিভিন্ন রকমের তত্ত্ব বা সুতা ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

তুলা, পাট, লিনেন, রেশম, পশম, উল, সিল্ক, অ্যাসবেস্টস, ধাতব জন্তু ইত্যাদি যেগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, সেগুলোকে আমরা প্রাকৃতিক তত্ত্ব বলি। এগুলো সাধারণত সুতি কাপড় তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল তত্ত্ব প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না অর্থাৎ রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয় সেগুলোই কৃত্রিম তন্তু। এর মধ্যে রয়েছে পলিস্টার, রেয়ন, ডেক্রন, নাইলন ইত্যাদি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক তত্ত্ব তিন প্রকার। এগুলো হলো উদ্ভিদ তত্ত্ব, প্রাণিজ তত্ত্ব এবং খনিজ তত্ত্ব। তুলা, পাট ইত্যাদি পাওয়া যায় উদ্ভিদ থেকে। তাই এদেরকে উদ্ভিদ তত্ত্ব বলে। অন্যদিকে রেশম, পশম এগুলো পাওয়া যায় প্রাণী থেকে। তাই এদেরকে প্রাণিজ তন্তু বলে। আবার ধাতব তত্ত্ব পাওয়া যায় প্রাকৃতিক খনিতে। তাই এদেরকে খনিজ তত্ত্ব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃত্রিম তন্তু দুরকমের হয়। সেলুলোজিক তত্ত্ব এবং নন' সেলুলোজিক তত্ত্ব। রেয়ন, এসিটেট রেয়ন, ভিসকোস রেয়ন, কিউপ্রা অ্যামোনিয়াম-রেয়ন, এগুলো সেলুলোজকে নানাভাবে প্রক্রিয়াজাত করে। তৈরি হয় বলে এদেরকে সেলুলোজিক তত্ত্ব বলে। যেসব কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয়, তারাই হলো নন-সেলুলোজিক তত্ত্ব। নাইলন, পলিস্টার, পলি প্রোপিলিন, ক্রেন-এগুলো হলো নন সেলুলোজিক কৃত্রিম তত্ত্ব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃত্রিম তন্তু বিভিন্ন পদার্থ বা রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংমিশ্রণে গবেষণাগারে উৎপাদিত হয়। একইভাবে পলিস্টার পরীক্ষাগারে ইথিলিন গ্লাইকল ও টেরিথ্যালিক এসিডের বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। তাই পলিস্টারকে কৃত্রিম তন্তু বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তনুর মধ্যে পার্থক্য: প্রাকৃতিক তত্ত্ব উদ্ভিদ, প্রাণী বা খনিজ, পদার্থ থেকে সরাসরি পাওয়া যায়। যেমন- তুলা, রেশম, পশম। অন্যদিকে, কৃত্রিম তন্তু রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয় এবং প্রকৃতিতে সরাসরি পাওয়া যায় না। যেমন- নাইলন, পলিস্টার। প্রাকৃতিক তত্ত্বর গঠন জটিল এবং এতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক যৌগ থাকে। কৃত্রিম তন্তুর গঠন সাধারণত সরল এবং এক বা কয়েকটি ধরনের পুনরাবৃত্ত একক থেকে তৈরি হয়। প্রাকৃতিক তবু কাপড়, রশি, কাগজ ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কৃত্রিম তন্তু কাপড়, প্লাস্টিক, রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব তত্ত্ব উদ্ভিদ, প্রাণিজ ও খনি হতে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় তাদের প্রাকৃতিক তত্ত্ব বলে। লিলেনকে প্রাকৃতিক তন্তু বলা হয়-কারণ, তিসি বা মসিনা নামে পরিচিত আমাদের দেশের তেলবীজ উদ্ভিদের সাধারণ নাম ফ্লাক্স। ফ্লাক্স জাতীয় উদ্ভিদের ছাল থেকে লিলেন তত্ত্ব উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেনন কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় তাদেরকে নন-সেলুলোজিক বা সিনথেটিক তত্ত্ব বলে। কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন প্রভৃতি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কৃত্রিম এ তত্ত্ব তৈরি করা হয়। নাইলন, পলিস্টার, ডেব্রুন, পলি প্রোপিলিন, প্রভৃতি নন-সেলুলোজিক তন্তুর উদাহরণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশমের প্রধান গুণ হচ্ছে এর সৌন্দর্য। তিন শতাধিক রঙের রেশম পাওয়া যায়। রেশম বা পলু পোকা নামে এক প্রজাতির পোকার গুটি থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রেশমের তবু আহরণ করা হয়। রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামের এক ধরনের প্রোটিন-জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। প্রাকৃতিক প্রাণিজ তত্ত্বর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত এবং দীর্ঘ।। এরকম বিভিন্ন গুণাগুণের জন্য বিলাসবহুল বস্ত্র তৈরিতে রেশম তন্তু ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পশমের তত্ত্বর মাঝে ফাঁকা জায়গা থাকে যেখানে বাতাস আটকে থাকতে পারে। বাতাস তাপ অপরিবাহী তাই পশম বা উলের কাপড় তাপ কুপরিবাহী। তাপ কুপরিবাহী বলে পশমি পোশাক শীতবস্ত্র হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়.।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইলনের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:

১. নাইলন খুব হালকা ও শক্ত।
২. নাইলনের স্থিতিস্থাপকতা ভিজলে দ্বিগুণ হয়।
৩. নাইলন আগুনে পোড়ে না, তবে গলে গিয়ে বোরাক্স বিডের মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য যে পোশাকের কথা সবার আগে ভাবি, সেটি হচ্ছে পশম বা উলের পোশাক। তাপ কুপরিবাহী বলে পশমি পোশাক শীতবস্ত্র হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। নমনীয়তা, স্থিতিস্থাপকতা, কুঞ্চন প্রতিরোধের ক্ষমতা, রং ধারণক্ষমতা-এগুলো হচ্ছে উল বা পশমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পশম একটি অতি প্রাচীন তত্ত্ব। বিভিন্ন জাতের ভেড়া বা মেযের লোম থেকে পশম উৎপন্ন হয়। মানুষের চুল ও নখে যে প্রোটিন থাকে, অর্থাৎ কেরাটিন, সেটি দিয়ে পশম তন্তু গঠিত। পশমের মধ্যে আলপাকা, মোহেরা, কাশ্মিও, ভিকুনা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে বলে 'ফ্লিন উল। মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে বলে, 'পুন্ড উল'। প্রায় ৪০ জাতের মেষ থেকে ২০০ ধরনের পশম (ক্লিস উল ও পুন্ড উল) তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইলন তৈরির প্রক্রিয়াটি একটি জটিল রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সাধারণত, হেক্সামিথিলিন ডাইঅ্যামিন এবং এডিপিক অ্যাসিড নামক দুটি রাসায়নিক পদার্থকে উচ্চ তাপমাত্রায় এবং চাপে বিক্রিয়া করানো হয়। এই বিক্রিয়ায় পানি নির্গত হয়ে একটি দীর্ঘ শৃঙ্খলের পলিমার তৈরি হয়, যাকে আমরা নাইলন বলি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেয়ন সুন্দর, উজ্জ্বল, মনোরম, অভিজাত এবং আকর্ষণীয়। এগুলো মোটামুটি টেকসই। লঘু এসিডের সাথে তেমন কোনো বিক্রিয়া করে না কিন্তু ধাতব লবণে রেয়ন সহজে বিক্রিয়া করে। অধিক উত্তাপে রেয়ন গলে যায়। তাই রেয়ন কাপড়ে বেশি গরম ইস্ত্রি ব্যবহার করা যায় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেয়ন হলো এক প্রকার কৃত্রিম তত্ত্ব। উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ ও | প্রাণিজ পদার্থ থেকে রেয়ন প্রস্তুত করা হয়। এরা সুন্দর, উজ্জ্বল, মনোরম, অভিজাত এবং মোটামুটি টেকসই। অধিক উত্তাপে রেয়ন গলে যায়। লঘু এসিডের সাথে রেয়ন বিক্রিয়া না করলেও ধাতব লবণে রেয়ন গলে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইলনের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. খুব হালকা ও শক্ত।
২. এর স্থিতিস্থাপকতা ভিজলে দ্বিগুণ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে নাইলন ও রেয়নের দুইটি পার্থক্য দেওয়া হলো-

                                    নাইলন                                    রেয়ন
১. এডিপিক এসিড ও হেক্সামিথিলিন ডাই অ্যামিন থেকে তৈরি।১. উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ ও প্রাণিজ পদার্থ থেকে তৈরি।
২. নাইলন দুই প্রকার। যথা-নাইলন-৬৬ এবং নাইলন-৬ ২. রেয়ন তিন প্রকার। যথা-ভিসকাস, কিউপ্রামোনিয়াম ও অ্যাসিটেট।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেয়নের দুইটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-


১. সুন্দর, উজ্জ্বল, মনোরম, অভিজাত ও আকর্ষণীয় রূপ এবং মোটামুটি টেকসই।
১২. লঘু এসিডের সাথে তেমন কোনো বিকিয়া করে না কিন্তু ধাতব লবণে রেয়ন সহজে বিক্রিয়া করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্পাস ফল সংগ্রহ করে বীজ থেকে তুলা আলাদা করে ফেলা হয়। এই প্রক্রিয়ার নাম হলো জিনিং। জিনিং প্রক্রিয়ায় পাওয়া তত্ত্বকে বলে কটন লিন্ট। অনেকগুলো কটন লিস্ট একসাথে বেঁধে গাঁট তৈরি করা হয়। এই গাঁট থেকেই স্পিনিং মিলে সুতা কাটা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতা তৈরির জন্য বিভিন্ন রকমের তুলার একটি মিশ্রণ তৈরি করা হয়। কারণ হলো, গুণে এবং মানে ঠিক একই রকম তুলা সব সময় পাওয়া সম্ভব হয় না। বিভিন্ন রকম তুলার মিশ্রণ না করলে একেক সময় একেক রকম সুতা তৈরি হবে, কখনো ভালো, কখনো মন্দ অর্থাৎ সুতার মান এক হবে না। এছাড়া বিভিন্ন রকম তুলা মিশিয়ে সুতা তৈরি করলে উৎপাদন খরচও কম হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেল বা গাঁট থেকে তুলার মিশ্রণ তৈরিই হলো ব্লেন্ডিং এবং মিক্সিং। ব্লেন্ডিং এবং মিক্সিং বাংলাদেশের জন্য বেশি প্রযোজ্য। কারণ এখানে বাণিজ্যিকভাবে তুলার উৎপাদন হয় না বললেই চলে। বেশির ভাগ তুলা বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। একেক দেশের তুলার মানও একেক রকম হয়। একই রকম তুলার যোগান পাওয়া বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। এজন্য সমমান সৃষ্টি করতে বিভিন্ন রকম তুলা সংগ্রহ করে সেগুলোর মিশ্রণ তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপ হলো কার্ডিং এবং কম্বিং। তুলা, লিনেন, শশম এসব তত্ত্বর বেলায় এ ধাপটি ব্যবহার করা হয়। তত্ত্ব থেকে ধূলাবালি, অন্যান্য ময়লা এবং অতিরিক্ত ছোট আঁশ দূরীভূত করার জন্য কার্ডিং করা প্রয়োজন হয়। সুতাকে অত্যন্ত মিহি, মসৃণ ও সরু করতে কম্বিং প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। সাধারণত স্লিভার তৈরি করার জন্য কার্ডিং ও কম্বিং করার প্রয়োজন। স্লিভার হলো তন্তুগুলোর পাতলা আন্তর। আর এ স্লিভার থেকেই সুতা কাটা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশম পোকা থেকে তৈরি হয় এক ধরনের গুটি। একে কোকুন বলে। পরিণত কোকুন বা গুটি সাবান পানিতে লোহার কড়াইয়ে সেদ্ধ করা হয়। এতে কোকুন নরম হয়ে যায় এবং উপর থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ডিং ও কম্বিং করে প্রাপ্ত তন্তু পাতলা আন্তরের মতো হয় এবং এটিকে স্নাইভার বলে। স্লাইভারকে টেনে ক্রমশ অধিকতর সরু করা হয়। একসময় স্নাইডারের শেষ প্রান্তে মাত্র কয়েক গোছা তন্তু বিদ্যমান থাকে। এভাবে পরিবর্তিত স্লাইভারকে মোচড়ানো হয় বা পাক দেওয়া হয়, ফলে তন্তুগুলো একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে লেগে যায় এবং সুতায় পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথমে সংগ্রহ করা কোকুনগুলোকে গরম পানিতে সিদ্ধ করা ২য়। এই পদ্ধতিতে কোকুনের ভেতরে থাকা পোকা মারা যায় এবং কোকুন নরম হয়ে যায়। এরপর, কোকুনের বাইরের খোসা আলাদা করে ভেতর থেকে একটি চিকন সুতা বের করা হয়। এই সুতাকে একটি চরকার সাহায্যে পাকিয়ে মোটা সুতা তৈরি করা হয়। এই সুতাকে পরবর্তীতে ধোয়া, শুকানো এবং বোনানোর মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃত্রিম তন্তু তৈরিতে স্পিনারেট যন্ত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই যন্ত্রটি একটি মুখ্য উপাদান যা তরল পলিমারকে সূক্ষ্ম সুচের মতো ছিদ্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিয়ে ক্রমাগত ফিলামেন্ট তৈরি করে। একের অধিক ক্ষুদ্র আঁশ ও উপযুক্ত দ্রাবকের সাহায্যে এই ঘন ও আঠালো তরল দ্রবণ তৈরি করা হয়। এই ছিদ্রগুলো দিয়ে বের হওয়া ফিলামেন্টগুলো শীতল ও কঠিন হয়ে কৃত্রিম তন্তুতে পরিণত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার এবং রাবারজাত পণ্যসামগ্রী আমাদের জীবনের অনেক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন- এসবই রাবারের তৈরি। পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল- এগুলোও রাবারের তৈরি সামগ্রী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ, যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রোটেকটিভ লেয়ার হিসেবে প্রলেপ দেওয়ার কাজে রাবার ব্যবহৃত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবক যেমন- এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন ইত্যাদিতে দ্রবণীয়। রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় ও ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পচনশীল প্লাস্টিক চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক। শল্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ধরনের সার্জিকাল স্টিচ পচনশীল প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয় যা শরীরের ভেতরে থাকা অবস্থায় নিজে থেকেই গলে যায়। এই প্লাস্টিকগুলো সাধারণত জৈবিক উপাদান বা তৈলাক্ত পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। এগুলো পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হয়। যেমন-পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCI) নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন (Polyurethane) প্লাস্টিক (যা আসবাবপত্র, যেমন-চেয়ার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। এ সকল কারণে প্রাস্টিক পোড়ানো উচিত নয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবারের দুইটি রাসায়নিক ধর্ম হলো-
১. রাবার দুর্বল ক্ষার, অ্যাসিড ও পানির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।
২. তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা বাসাবাড়িতে নানা রকম প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করছি। মগ, বালতি, জগ, মেলামাইনের থালা-বাসন, পিভিসি পাইপ, বাচ্চাদের খেলনা, গাড়ির সিটবেল্ট, এমনকি আসবাবপত্র সবকিছুই প্লাস্টিকের তৈরি। নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছামতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায় তাদের থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস বলে। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না। মেলামাইনও এসব বৈশিষ্ট্য বহন করে অর্থাৎ তাপে নরম হয় না এবং শক্ত হয়ে যায়, দ্বিতীয়বার কোনো ছাঁচে ফেলা যায় না তাই মেলামাইনকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থার্মোপ্লাস্টিক যেমন- পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্চাদের খেলনা- এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় ∎ এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যতবারই এদেরকে তাপ দেওয়া যায়, এরা নরম হয় ও ঠান্ডা করলে শক্ত হয়। - এই কারণে থার্মোপ্লাস্টিককে পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ্বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থার্মোপ্লাস্টিক ও থার্মোসেটিং প্লাস্টিকের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো এদের তাপের প্রতি সহনশীলতা। থার্মোপ্লাস্টিককে বারবার গরম করে নরম করা যায় এবং আবার ঠান্ডা করে আকৃতি দেওয়া যায়, কারণ এদের আণবিক বন্ধন শক্তিশালী নয়। অন্যদিকে, থার্মোসেটিং প্লাস্টিককে একবার গরম করে আকৃতি দিয়ে নিলে এদেরকে আর পুনরায় গরম করে গলানো যায় না, কারণ এদের আণবিক বন্ধন খুব শক্তিশালী হয়। এছাড়াও, থার্মোপ্লাস্টিক সাধারণত নরম এবং নমনীয় হয়, আর থার্মোসেটিং প্লাস্টিক কঠিন এবং ভঙ্গুর হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পলিমারকে সহজে সম্প্রসারিত, বাঁকানো এবং তাপ প্রয়োগে গলানো যায় তাদেরকে থার্মোপ্লাস্টিক বলে। পলিস্টার একটি - থার্মোপ্লাস্টিক কারণ, পলিস্টারকে তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যতবারই একে তাপ দেওয়া যায় এরা নরম হয় ও ঠাণ্ডা করলে শক্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবে যথেষ্ট নিষ্ক্রিয়। তাই বাতাসের জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। এমনকি পাতলা এসিড বা ক্ষারের সাথেও প্লাস্টিক বিক্রিয়া করে না। এই কারণে দৈনিক ব্যবহার্য জিনিসপত্র তৈরিতে প্লাস্টিক দ্রব্যাদির ব্যবহার অধিক উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিকের দুটি সীমাবদ্ধতা নিম্নরূপ:
১. শক্তিশালী ও উচ্চ ঘনমাত্রার এসিডে কিছু কিছু প্লাস্টিক দ্রবীভূত হয়ে যায়।
২. প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার ও প্লাস্টিকের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

                              রাবার                                   প্লাস্টিক
১. রাবারকে সহজে টেনে লম্বা করা যায়। ১. প্লাস্টিককে টেনে লম্বা করা যাবে না। কিন্তু সহজে হাঁচযোগ্য।
২. রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।২. প্লাস্টিক বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং গুনা প্রাপ্ত হয় না।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিক একটি কৃত্রিম পলিমার। বেশিরভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবে অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। তাই বাতাসের জলীয়বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। এজন্যই প্লাস্টিক পচে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার ও প্লাস্টিক এই দুই ধরনের বর্জ্যই পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্যগুলো প্রাকৃতিকভাবে পচে না। ফলে এগুলো মাটিতে মিশে গেলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়, জলে মিশে গেলে জলজ প্রাণীদের মৃত্যু ঘটে এবং বায়ুতে মিশে গেলে বায়ু দূষণ হয়। এছাড়াও, এই বর্জ্যগুলো পুড়িয়ে ফেললে বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে যা শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের কারণ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার ও প্লাস্টিকের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ। নেওয়া যেতে পারে। যেমন- এই বর্জ্যগুলোকে পৃথক করে সংগ্রহ করা, পুনর্ব্যবহার করা, পুনঃচক্র করা এবং নতুন পণ্য তৈরি করা। এছাড়াও, এই বর্জ্যগুলোকে দাহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে। সচেতনতা, সৃষ্টি করে মানুষকে প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহার করতে উৎসাহিত করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাই পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সমস্ত পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় তাদেরকেই বলা হয় প্রাকৃতিক পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমার একই ধরনের অনেকগুলো ছোট অণু দ্বারা গঠিত হয়। এই ছোট অণুই হলো মনোমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমারের ক্ষুদ্রতম অণুকে মনোমার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিমারকরণ প্রক্রিয়া হলো মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরির প্রক্রিয়া

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইথিলিনের পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় যে তাদ্রবণীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় তাকে পলিথিন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিথিনের মনোমার হলো ইথেন বা ইথিলিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে পুন্ড উল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বয়নশিল্পে যেসব আঁশ দিয়ে বয়ন ও বুননের কাজ সম্ভব সেগুলোই তত্ত্ব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিনিং প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত তত্ত্বকে কটন লিস্ট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশমকে তত্ত্বর রাণী বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন্ত মেধ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে। 'ক্লিস উল' বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইব্রেয়ন এক ধরনের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিজ উৎসে থেকে যেসব তত্ত্ব পাওয়া যায় তাদেরকে প্রাণিজ তত্ত্ব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব অঙ্গ সরাসরি প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা সম্ভব নয় বরং গবেষণাগারে বিভিন্ন পদার্থ বা রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়, সেগুলোকে কৃত্রিম তন্তু বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় তাকে নন-সেলুলোজিক তন্তু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনি গর্ভে কঠিন শিলামাটির তলদেশে স্তরে স্তরে যে আঁশ জমা হয় তাকে অ্যাসবেস্টস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথম উদ্ভাবিত সিনথেটিক তনু নাইলন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সেলুলোজিক তন্তুর অপর নাম রিজেনারেটিভ তত্ত্ব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাট তন্তুর বেলায় বিভিন্ন রকম তুলা সংগ্রহ করে সেগুলোর মিশ্রণ তৈরি করাকে ব্যাচিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাছ থেকে কার্পাস ফল সংগ্রহ করে বীজ থেকে তুলা আলাদা করার প্রক্রিয়ার নামই হলো জিনিং।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশম পোকা থেকে রেশম তত্ত্ব সমৃদ্ধ এক ধরনের গুটি তৈরি হয় যাকে কোকুন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্পিনিং মিলে স্লিভারকে টেনে সরু করার প্রক্রিয়াকে রোডিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্পিনিং এর ক্ষেত্রে স্লিভারকে মোচড় বা পাক দেওয়ার প্রক্রিয়াকে টুইস্টিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিনিং প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত তত্ত্বকে কটন লিন্ট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিনেন তত্ত্ব হতে মিহি মসৃণ ও সরু সুতা তৈরির উদ্দেশ্যে যে বিশেষ ধরনের কম্বিং করা হয় তাকে হেলকিং বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে যন্ত্রের মধ্য দিয়ে সুতার নাল বের হয় তাকে স্পিনারেট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতা তৈরির মৌলিক উপাদান কটন লিন্ট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ স্থিতিস্থাপক ধর্ম প্রদর্শন করে, তাপ সংবেদনশীল হয় এবং তাপ দিলে আয়তনে কমে তাকে রাবার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজে ছাঁচযোগ্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল প্লাস্টিককে যতবারই তাপ দেয়া হয়, এরা নরম হয় এবং ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়, তাদেরকে থার্মোপ্লাস্টিক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পলিমার কৃত্রিম মনোমার থেকে তৈরি করা হয়, ডাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে। ফ্রাইং প্যানের হাতলে বাকেলাইট। নামক থার্মোসেটিং প্লাস্টিকণ ব্যবহার করা হয় যা ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি কৃত্রিম মনোমার থেকে তৈরি। তাই ফ্রাইং প্যানের হাতল বা বাকেলাইট একটি কৃত্রিম পলিমার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো একই রকম ছোট ছোট অংশ জোড়া দিয়ে যে একটি বড় জিনিস পাওয়া যায় সেটি হচ্ছে পলিমার। পলিমার দুই ধরনের; যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম। প্রাকৃতিক পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় আর কৃত্রিম পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্প কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। সেই হিসেবে তুলা একটি প্রাকৃতিক পলিমার, কারণ এটি প্রকৃতিতেই পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন বিজ্ঞানের ভাষায় একই ধরনের অনেকগুলো ছোট অণু পর পর যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি কবে যা মনোমার নামে পরিচিত। বাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে তাই এটিকে পলিমার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেশমের প্রধান গুণ এর সৌন্দর্য। তিন শতাধিক রঙের রেশম পাওয়া যায়। বিলাসবহুল বস্তু তৈরিতে রেশম তন্তু ব্যবহৃত হয়। আগেকার দিনের রাজা রাণীর পোশাক বলতে আমরা রেশমি পোশাকই বুঝি। এছাড়া প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ। এ সমস্ত নানাবিধ গুণাগুণের জন্য রেশমকে তন্তুর রাণী বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রেক্রন এক ধরনের কৃত্রিম তন্তু। আমাদের অতি প্রয়োজনীয় তত্ত্ব উৎস অনুযায়ী দুই রকম। যথা- প্রাকৃতিক তত্ত্ব ও কৃত্রিম তন্তু। প্রাকৃতিক তত্ত্বগুলো পাওয়া যায় উদ্ভিদ থেকে। আর কৃত্রিম তন্তুগুলো বিভিন্ন পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হয়। ডেক্রনকে কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হয় বলে ডেক্রন কৃত্রিম তন্তুর অন্তর্ভুক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব তন্তু শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয় তাদেরকে কৃত্রিম তন্তু বলে। যেমন- নাইলন, পলিস্টার, ডেব্রুন ইত্যাদি। আবার কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে যেসব তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় তারাই হলো নন-সেলুলোজিক তত্ত্ব। যেহেতু নাইলন সেলুলোজ থেকে তৈরি করা হয় না তাই নাইলনকে নন-সেলুলোজিক কৃত্রিম তন্তু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কেরাটিন দিয়ে পশম তন্তু গঠিত। পশম তন্তু দিয়ে পশম বা উলের পোশাক তৈরি করা হয়। এ তনুর মাঝে ফাঁকা জায়গা থাকে যেখানে বাতাস আটকে থাকতে পারে। বাতাস তাপ অপরিবাহী তাই পশম বা উলের কাপড় তাপ কুপরিবাহী। পশমি কাপড় পরে থাকলে শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না, তাই এটি গায়ে দিলে আমরা গরম অনুভব করি। এজন্য পশমি পোশাক শীত ঋতুর জন্য খুবই উপযোগী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাট গাছকে পচানোর জন্য একসাথে কতকগুলো পাতা ঝড়ানো গাছ আঁটি বেঁধে পানিতে ১০-১৫ দিন ডুবিয়ে রাখা হয়। এর কারণ হলো পাট গাছ পচে গেলে খুব সহজেই গাছ থেকে আঁশ বা তত্ত্ব আলাদা করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পশম তত্ত্বর মাঝে ফাঁকা জায়গা থাকে যেখানে বাতাস আটকে থাকতে পারে। বাতাস তাপ পরিবহন করে খুব কম পরিমাণে তাই পশম তাপ কুপরিবাহী। এ কারণে পশম পরিধান করলে শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না এবং গরম অনুভূত হয়। তাই শীতকালে পশমের তৈরি বস্ত্র ব্যবহার করা আরামদায়ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতি কাপড়কে উজ্জ্বল ও চকচকে করে তোলার জন্য ময়েশ্চারাইজেশন করা হয়। আপাত দৃষ্টিতে সুতি তেমন উজ্জ্বল নয়। তবে ময়েশ্চারাইজেশনের মাধ্যমে একে উজ্জ্বল ও চকচকে করে তোলা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপ হলো কার্ডিং এবং কম্বিং। এ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী অতি ছোট তন্তু বাদ দেওয়া হয় এবং ধুলোবালি বাঁ ময়লার কণা থাকলে তাও দূরীভূত হয়। তুলা, লিনেন, পশম এসব তনুর বেলায় এ ধাপটি প্রয়োগ করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুধু কার্ডিং করলেই চলে। তবে মিহি মসৃণ ও সবু সুতা তৈরি করতে কম্বিং দরকার হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির পাইপ থার্মোপ্লাস্টিকস্ নামক প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এসব প্লাস্টিককে তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যতবারই এদেরকে তাপ দেওয়া হয় এরা নরম হয় এবং ঠান্ডা করলে শত্রু হয়। ফলে এদেরকে বারবার ব্যবহার করা যায় এবং ভিন্ন ভিন্ন আকৃতি দেওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায় তাদের থার্মোসেটিং প্লাস্টিক বলে। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না। বাকেলাইটও এসব বৈশিষ্ট্য বহন করে অর্থাৎ তাপে নরম হয় না এবং শক্ত হয়ে যায়, দ্বিতীয়বার কোনো ছাঁচে ফেলা যায় না তাই বাকেলাইটকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার প্লাস্টিকের মতো অপচনশীল নয়। কারণ, রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সিজেন ছাড়াও কিছু রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে ওজোন (0) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু প্লাস্টিক দীর্ঘদিন মাটিতে বা পানিতে পড়ে থাকলেও পচে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণ হলো রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। এছাড়া ওজোন | (০১) এর সাথে বিক্রিয়া করেও রাবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
292

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন রকমের পলিমার। এদের কোনোটি প্রাকৃতিক আবার কোনোটি কৃত্রিম। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি মুহূর্তও কল্পনা করতে পারব না, যখন আমরা কোনো না কোনো পলিমার ব্যবহার করছি না। কিছু কিছু পলিমার আছে, যেগুলো পরিবেশবাদ্ধব, আবার কোনো কোনোটি পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এই অধ্যায়ে আমরা পলিমারকে চিনতে শিখব, কোনটি ব্যবহার করব কোনটি থেকে দূরে থাকব সেটিও আমরা বুঝতে শিখৰ ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :

  • প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম পলিমার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পলিমারকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু ও বস্ত্রের উৎস, বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
  • তত্ত্ব হতে সুতা তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রাবার ও প্লাস্টিকের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টিতে রাবার ও প্লাস্টিকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • তাপ প্রয়োগ করে বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য শনার করতে পারব।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাবার ও প্লাস্টিকের ব্যবহার ও সংরক্ষণে সচেতন হব।
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews