সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

গোল আলুতে পর্ব, পর্বমধ্য, শল্কপত্র ও কাক্ষিক মুকুল থাকে যা সাধারণত কাণ্ডের বৈশিষ্ট্য। গোল আলুর শল্কপত্রের কক্ষে গর্তের মতো অংশকে 'চোখ' বলে। অনুকূল 'ঋতুতে 'চোখ' হতে কাক্ষিক মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে। খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য স্ফীত হয়ে এরা গোলাকার রূপ ধারণ করে। উল্লিখিত কারণে গোল আলু মূল নয়। এটি ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ফণিমনসার দেহটি পত্র নয় এটি একটি বায়বীয় কান্ড। কারণ ফণিমনসার বায়বীয় কান্ড যখন পরিবর্তিত হয়ে পাতার মতো চ্যাপ্টা ও সবুজ হয় তখন তাকে ফাইলোক্লেড বলে। এদের পাতা কুঁড়ি অবস্থায় ঝরে যায় অথবা ছোট ছোট কাঁটায় পরিবর্তিত হয়। এতে বহু পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে এবং কক্ষ থেকে প্রশাখা উৎপন্ন হয়, যা কান্ডেরই বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বিশেষ বিশেষ কাজ সমাধান করার জন্য পাতা রূপান্তরিত হয়। যেমন-
১. আকর্ষী বা আঁকড়ে ধরার জন্য,
২. খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য,
৩. পতঙ্গ ফাঁদ তৈরির জন্য,
৪. প্রজননের জন্য,
৫. আত্মরক্ষার জন্য কণ্টকপত্র এবং
৬. খাদ্য সঞ্চয় ও কাক্ষিক মুকুলকে রক্ষার জন্য শল্কপত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ জীবনে কান্ডের ভূমিকা অপরিসীম। উদ্ভিদদেহে কান্ড বিভিন্ন কাজ করে থাকে। কান্ডের বিশেষ কাজগুলো হলো-
১. খাদ্য তৈরি;
২. অঙ্গজ প্রজনন;
৩. আত্মরক্ষা এবং
৪. আরোহণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মূল বিশেষ বিশেষ কার্য সাধনের জন্য রূপান্তরিত হয়ে থাকে। যেমন-

১. খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য; ২. যান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষায় এবং ৩. শারীরবৃত্তীয় কার্য সম্পাদনের জন্য রূপান্তর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মূল হলো ভাস্কুলার উদ্ভিদের অংশ, যা সাধারণত ভ্রূণমূল থেকে গঠিত নিম্নভিমুখী, মুকুল, পর্ব ও পর্বমধ্য, বর্ণহীন অঙ্গ, যা উদ্ভিদ দেহকে মাটিতে আবদ্ধ রাখে এবং পানি ও পানিতে দ্রবীভূত লবণ শোষণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আকৃতিগত দিক থেকে রূপান্তরিত মূল চার প্রকার। যথা-
১. মুলাকৃতি মূল,
২. গাজরাকৃতি মূল,
৩. শালগমাকৃতি মূল ও
৪. কন্দাকৃতি মূল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব রূপান্তরিত মূল খাদ্য সঞ্চয় করে এবং প্রধান মূলটি মোটা ও রসালো হয় তাকে মুলাকৃতি মূল বলে। এই মূলের মধ্যভাগ মোটা কিন্তু দুই প্রান্ত ক্রমশ সরু। যেমন- মুলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব রূপান্তরিত মূল খাদ্য সঞ্চয় করে এবং প্রধান মূলটি মোটা ও রসালো হয় তাকে গাজরাকৃতি মূল বলে। এই মূলের উপরের দিক মোটা এবং নিচের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে যায়। যেমন-গাজর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব রূপান্তরিত মূলের ক্ষেত্রে প্রধান মূলটির উপরের অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে গোলাকার এবং নিচের অংশ হঠাৎ করে সরু হয়ে যায় তাকে শালগমাকৃতি মূল বলে। যেমন-শালগম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব রূপান্তরিত মূল খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে কখনো কখনো প্রধান মূলটি অনিয়মিতভাবে মোটা হয়, এদের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নেই তাদেরকে কন্দাকৃতি মূল বলে। সন্ধ্যামালতি গাছের প্রধান মূলটিও অনিয়মিতভাবে মোটা হয় এবং এদের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি থাকে না। এই কারণে সন্ধ্যামালতি গাছের মূলকে কন্দাকৃতির মূল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব মূল ভূণমূল থেকে উৎপন্ন না হয়ে উদ্ভিদের অন্য কোনো অংশ (কান্ড, পাতা, শাখা ইত্যাদি) থেকে উৎপন্ন হয়, তাকে অস্থানিক মূল বলে। অস্থানিক মূল সাধারণত একবীজপত্রী উদ্ভিদে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অস্থানিক মূল সাধারণত তিন ধরনের কাজ করার জন্য রূপান্তরিত হয়ে থাকে। যথা-
১. খাদ্য সঞ্চয়, ২. যান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষা ও ৩. শারীরবৃত্তীয় কার্য সম্পাদন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মিষ্টি আলুর কন্দাল অস্থানিক মূল মাটির কাছাকাছি কাণ্ডের পর্ব হতে বের হয় এবং খাদ্য সঞ্চয় করার ফলে অনিয়মিতভাবে স্ফীত হয়ে অনির্দিষ্ট আকার ধারণ করে। খাদ্য সঞ্চয় করাই এই মূলের প্রধান কাজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শতমূলী গাছের মূল কন্দাল মূলের মতো খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য অনিয়িমিতভাবে স্ফীত হয়। তবে স্ফীত মূলগুলো একটি গুচ্ছে অবস্থান করে। এক গুচ্ছ অস্থানিক মূলের সবগুলোই খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য কন্দের মতো স্ফীত হয়ে থাকে বলে এই মূলকে গুচ্ছিত কন্দ মূল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বট গাছের অস্থানিক মূল কাণ্ড বা শাখা হতে উৎপন্ন হয়। এরা খাড়াভাবে নিচের দিকে নামতে নামতে মাটির মধ্যে প্রবেশ করে এবং মোটা হয়ে স্তম্ভের আকার ধারণ করে। এজন্য বট গাছের মূলকে স্তম্ভমূল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কেয়া গাছের প্রধান কাণ্ড দুর্বল হওয়ার কারণে সোজাভাবে দাঁড়াতে পারে না। তাই কান্ডের গোড়ার দিক থেকে কতগুলো। অস্থানিক মূল বের হয়ে তীর্যকভাবে মাটিতে প্রবেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পান গাছের মূল দুর্বল কাণ্ডযুক্ত উদ্ভিদের পর্ব হতে উৎপন্ন হয়ে অন্য কোনো উদ্ভিদ বা অবলম্বনকে আঁকড়ে ধরে এবং উদ্ভিদটিকে উপরে উঠতে সাহায্য করে। এজন্য পান গাছের মূলকে আরোহী মূল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসকল উদ্ভিদের মূল প্রজননে 'অংশগ্রহণ করে থাকে তাকে জনন মূল বলে। যেমন-মিষ্টি আলু, পটল, কাকরোল ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অবস্থান অনুযায়ী রূপান্তরিত কান্ড তিন প্রকার । যথা-
১. ভূ-নিম্নস্থ কান্ড,
২. অর্ধ-বায়বীয় কান্ড ও
৩. বায়বীয় কাণ্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা, খাদ্য সঞ্চয় এবং অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করার জন্য কিছু কিছু উদ্ভিদের কান্ড মাটির নিচে বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের কাণ্ডকে ভূনিম্নস্থ রূপান্তরিত কান্ড বলে। ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড চার প্রকারের। যথা-
১. স্ফীত কন্দ বা টিউবার: গোল আলু
২. রাইজোম: আদা, হলুদ।
৩. কন্দ: পিয়াজ, রসুন।
৪. গুঁড়িকন্দ: ওলকচু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ কান্ড মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে ভূমির সাথে সমান্তরাল বা খাড়াভাবে অবস্থান করে। এদের সুস্পষ্ট পর্ব ও 'পর্বমধ্য থাকে এবং পর্ব হতে শঙ্কপত্র ও অস্থানিক মূল এবং শল্ক পত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল উৎপন্ন হয় তাদের রাইজোম বলে। যেমন- আদা, হলুদ ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পিঁয়াজ একটি ভূনিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড। এদের কান্ডটি (কন্দ) খুবই ক্ষুদ্র, গোলাকার ও উত্তল। কারণ এর পর্ব ও পর্বমধ্যগুলো সংকুচিত, পুরু ও রসালো। শঙ্কপত্রগুলো এমনভাবে অবস্থান করে যে কন্দটিকে দেখা যায় না। এ কাণ্ডের নিচের দিক থেকে প্রচুর অস্থানিক গুচ্ছমূল বের হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নরম কাণ্ডযুক্ত (বিরুৎ) উদ্ভিদে এক ধরনের বিশেষ শাখা উৎপন্ন হয়। এ শাখাগুলো অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে থাকে। মাটির উপরে বা সামান্য নিচে অবস্থিত এ ধরনের দুর্বল শায়িত রূপান্তরিত কান্ডকে অর্ধ-বায়বীয় কাণ্ড বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অর্ধ-বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড চার প্রকার হয়। যথা:
১. রানার বা ধাবক, ২. স্টোলন বা বক্র ধাবক, ৩. অফসেট ও ৪. সাকার বা উর্ধ্ব ধাবক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কচু উদ্ভিদের গোড়া থেকে লম্বা শাখা বের হয়। এ শাখায় শুধুমাত্র পর্বগুলি অস্থানিক মূলের সাহায্যে মাটি ধরে রাখে বাকি শাখাটি বক্রভাবে অবস্থান করে। কক্ষে সৃষ্ট মুকুল থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

চন্দ্রমল্লিকা হলো সাকার বা উর্ধ্বধাবক জাতীয় অর্ধবায়বীয় রূপান্তরিত কান্ড। কারণ এই উদ্ভিদের শায়িত কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন হয়ে শাখাটির অগ্রভাগ মাটির উপরে চলে আসে এবং নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের কাণ্ড মাটির উপরে স্বাভাবিক কান্ডের মতো অবস্থান করে কিন্তু বিশেষ ধরনের কাজ যেমন- খাদ্য তৈরি, অঙ্গজ প্রজনন, আত্মরক্ষা, আরোহণ ইত্যাদি কাজের জন্য রূপান্তরিত হয়ে থাকে তাকে বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়বীয় রূপান্তরিত কান্ড চার প্রকার। যথা-
১. ফাইলোক্ল্যাড বা পর্ণ কাণ্ড: ফনিমনসা।
২. ঘর্ন বা শাখা কন্টক: বেল, ময়নাকাঁটা।
৩. স্টেম টেনড্রিল বা শাখা আকর্ষী : ঝুমকোলতা।
৪. বুলবিল: গাছ আলু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বুলবিল একটি বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড। কোনো কোনো আরোহী উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুল শাখায় পরিণত না হয়ে প্রচুর খাদ্য সঞ্চয় করে গোলাকার মাংসপিন্ডের আকার ধারণ করে। এদেরকেই বুলবিল বলে। যেমন-গাছ আলু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব দুর্বল আরোহী উদ্ভিদের পত্রবক্ষ থেকে সুতার মতো সরু, লম্বা ও প্যাঁচানো যে অংশগুলো বের হয় তাকে শাখা আকর্ষী বলে। আকর্ষীতে পাতা উৎপন্ন হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পর্ণ কাণ্ড বা ফাইলোক্ল্যাড হলো অর্ধবায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড। এ ধরনের কাণ্ড পাতার মতো চ্যাপ্টা ও সবুজ, যার ফলে এরা খাদ্য তৈরি করতে পারে। পাতাগুলো কাঁটায় পরিণত হয়ে উদ্ভিদের আত্মরক্ষার কাজ করে। যেমন-ফনিমনসা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

থর্ন বা শাখা কণ্টক হলো বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড। অনেক সময় কাক্ষিক মুকুল শাখা মুকুল তৈরি না করে শক্ত ও সুঁচালো কাঁটায় রূপান্তরিত হয়। যেমন- বেল, ময়নাকাঁটা, কাঁটা মেহেদি ইত্যাদি উদ্ভিদে কাঁটার মতো কণ্টক দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আকর্ষী পাতার দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. সম্পূর্ণ পাতা, পাতার শীর্ষভাগ অথবা পত্রক অনেক সময় প্যাঁচানো স্প্রিং-এর মতো রূপ ধারণ করে।
২. আকর্ষীর সাহায্যে গাছ কোনো কিছু আঁকড়ে ধরতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কিছু কিছু উদ্ভিদের গাছের পাতা পুরু ও রসালো হয়। এসব পাতায় খাদ্য জমা থাকে। খাদ্য সঞ্চয় করে এমন তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো-

১. পেঁয়াজ, ২. রসুন ও ৩. ঘৃতকুমারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পতঙ্গ ফাঁদে পতঙ্গগুলো আকৃষ্ট হয় এবং কলসি উদ্ভিদ গাছের মধ্যে আকৃষ্ট হয়। এরপর গাছটি তাদের পুষ্টি হিসেবে শোষণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কলসি উদ্ভিদ একটি লতানো উদ্ভিদ, যা কলসি বা থলের মতো রূপ ধারণ করে। এর মধ্যে পতঙ্গ বা অন্যান্য ছোট প্রাণী প্রবেশ করলে তাদের শোষণ করে পুষ্টি গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পাথরকুঁচি গাছের পাতা হলো রূপান্তরিত পাতা। এই গাছের পাতার কিনারা থেকে কুড়ি গজায়। ধীরে ধীরে এসব কুঁড়ি থেকে নিচের দিকে গুচ্ছমূল গজায়। এসব গুচ্ছমূল কোনো এক সময় মুক্ত হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রাইজোম ও টিউবারের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-

রাইজোমটিউবার
১. মাটির সাথে সমান্তরাল বা খাড়াভাবে অবস্থান করে।১. খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য স্ফীত হয় ও গোলাকার ধারণ করে।
২. রাইজোমের প্রধান কাজ হলো নতুন শাখা বা কান্ড তৈরি করা। যেমন-আদা।২. টিউবার এর প্রধান কাজ হলো খাদ্য সংরক্ষণ করা। যেমন- আলু।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে মূল খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে কখনও কখনও মোটা হয় এবং এদের নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি নেই, তাকে কন্দাকৃতি মূল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে মূল বিশেষ বিশেষ কার্য সাধনের জন্য পরিবর্তিত বা রূপান্তরিত হয় তাকে অস্থানিক মূল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসকল উদ্ভিদের মূল বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প গ্রহণ করে তাদেরকে পরাশ্রয়ী বায়বীয় মূল বলে। যেমন- রান্না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো কোনো উদ্ভিদের মূল প্রজননে অংশগ্রহণ করে এদেরকে জনন মূল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব কান্ড মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে খাড়াভাবে অবস্থান করে, এদের সুস্পষ্ট পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে তাকে রাইজোম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কান্ডের নিচের পর্বের কাক্ষিক মুকুল থেকে যে শায়িত শাখা জন্মায় তাই ধাবক। যেমন- থানকুনি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

টোপাপানা, কচুরিপানা নামক জলজ উদ্ভিদের পর্বমধ্যগুলো ছোট ও মোটা হওয়ার কারণে কাণ্ডকে খর্বাকৃতি দেখায়। এদের অফসেট বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ফণিমনসা জাতীয় উদ্ভিদের কাণ্ডই ফাইলোক্ল্যাড। এ ধরনের কান্ড পাতার মতো চ্যাপ্টা ও সবুজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অনেক সময় কাক্ষিক মুকুল শাখা মুকুল তৈরি না করে শক্ত ও সুচালো কাঁটায় রূপান্তরিত হয় তাই শাখা কণ্টক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো কোনো আরোহী উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুল শাখায় পরিণত না হয়ে প্রচুর খাদ্য সঞ্চয় করে গোলাকার মাংসপিন্ডের আকার ধারণ করে, একে বুলবিল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের সম্পূর্ণ পাতা, পাতার শীর্ষভাগ অথবা পত্রক অনেক সময় প্যাঁচানো স্প্রিং এর মতো রূপ ধারণ করে তাকে আকর্ষী বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কখনও ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ডের পাতা পাতলা আঁশের ন্যায় আকার ধারণ করে। এ ধরনের পাতাই শল্কপত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কাণ্ড সাধারণত মাটির উপরে অবস্থান করে এবং পাতা, ফুল ও ফল ধারণ করে। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে সাধারণ কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য কান্ডের আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটে। এ ধরনের পরিবর্তনকে রূপান্তরিত কান্ড বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্ফীত কন্দে পর্ব, পর্বমধ্য, শঙ্কপত্র ও কাক্ষিক মুকুল থাকে। শঙ্কপত্রের কক্ষে গর্তের মতো অংশকে 'চোখ' বলে। অনুকূল ঋতুতে 'চোখ' হতে কাক্ষিক মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে এবং খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য এরা স্ফীত হয়ে গোলাকার রূপ ধারণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্বর্ণলতাকে শোষকমূল বলা হয় কারণ স্বর্ণলতা উদ্ভিদে ক্লোরোফিল থাকে না। তাই খাদ্যের জন্য আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের দেহে বিশেষ ধরনের মূল প্রবেশ করিয়ে খাদ্যরস শোষণ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী উদ্ভিদে ক্লোরোফিল থাকে না তাই খাদ্যের জন্য আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের দেহে বিশেষ ধরনের মূল প্রবেশ করিয়ে খাদ্যরস শোষণ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ডের পাতা যখন পাতলা আঁশের ন্যায় আকার ধারণ করে তখন একে শল্কপত্র বলে। শঙ্কপত্র খাদ্য সঞ্চয় করে এবং কাক্ষিক মুকুলকে রক্ষা করে। যেমন- পিঁয়াজের রসালো শঙ্কপত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কচু উদ্ভিদের গোড়া থেকে লম্বা শাখা বের হয়। এ শাখার শুধুমাত্র পর্বগুলো অস্থানিক মূলের সাহায্যে মাটি ধরে রাখে এবং বাকি শাখাটি বক্রভাবে অবস্থান করে। কক্ষে সৃষ্ট মুকুল থেকে পরে নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। এজন্য কচু উদ্ভিদকে স্টোলন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কলসী উদ্ভিদ এক ধরনের লতানো গাছ ও ঝাঁঝি নামক জলজ উদ্ভিদের পাতা রূপান্তরিত হয়ে কলসী বা থলের ন্যায় রূপ ধারণ করে।

এর মধ্যে পোকামাকড় ঢুকলে কলসীর ঢাকনাটি বন্ধ হয়ে যায়, পরে গাছ তার দেহ থেকে রস শুষে নেয়। এ কারণেই কলসী উদ্ভিদকে পতঙ্গ ফাঁদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পাতা বিশেষ কাজ সমাধা করার জন্য রূপান্তরিত হয়। যেমন-
১. গাছ বা কোনো কিছু আঁকড়ে ধরার জন্য।
২. খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য।
৩. প্রজননের জন্য।
৪. কাক্ষিক মুকুলকে রক্ষার জন্য ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
No explanation available yet.
327

কখনো কখনো উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতা এমনভাবে রূপান্তরিত হয় যে তাদের চেনাই যায় না। কেন এরা রূপান্তরিত হয় এবং কীভাবেই বা তাদের নিজ রূপে চেনা যাবে এ অধ্যায়ে তা আলোচনা করা হবে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • রূপান্তরিত মূলের গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রূপান্তরিত কান্ডের গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রূপান্তরিত পত্রের গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রূপান্তরিত মূল, কাণ্ড ও পাতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রূপান্তরিত মূল, কাণ্ড ও পাতার চিত্র অঙ্কন করতে পারব।
  • আমাদের জীবনে রূপান্তরিত মূল, কাণ্ড ও পাতার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো কোনো আরোহী উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুল শাখায় পরিণত না হয়ে প্রচুর খাদ্য সঞ্চয় করে গোলাকার মাংসপিন্ডের আকার ধারণ করে, একে বুলবিল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
817
উত্তরঃ

পাথরকুচি পাতা এক ধরনের রূপান্তরিত পাতা। পাতার মাধ্যমে এরা প্রজনন করে থাকে। পাথরকুচি উদ্ভিদে পাতার কিনারা থেকে কুঁড়ি গজায়। ধীরে ধীরে এসব কুঁড়ি থেকে নিচের দিকে গুচ্ছমূলও গজায় এবং কোনো এক সময় গুচ্ছমূল মুক্ত হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
626
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র X হলো ভূনিম্নস্থ পরিবর্তিত কাণ্ড আদা। আদার কান্ড রাইজোম জাতীয়। নিচে আদার ব্যবহারিক দিক ব্যাখ্যা করা হলো-

আদা একটি উদ্ভিদ মূল যা মানুষের রান্নার মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি তরকারির স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ায়। আদা খাদ্যশিল্পে পানীয় তৈরিতে, আচার, ঔষধ ও সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে চিবিয়ে খাওয়া হয়। ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগ, যেমন- সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, স্বরভঙ্গ, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি নিরাময়ে রং চায়ের সাথে আবার মিশ্রণ খুবই উপকারী, শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতেও আদার রস বেশ কার্যকরী। এছাড়া হৃৎপিন্ড ও মস্তিষ্কের উদ্দীপনা বাড়াতেও আদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সুতরাং আমাদের প্রাত্যহিক জীবন-যাপনে আদার ব্যবহারিক দিক বা গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
244
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র Y হলো গোল আলু এবং চিত্র Z হলো মিষ্টি আলু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

১. গোল আলু ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড। অপরদিকে মিষ্টি আলু রূপান্তরিত অস্থানিক মূল।
২. গোল আলু খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য স্ফীত হয়ে গোলাকার রূপ ধারণ করে। অন্যদিকে মিষ্টি আলু খাদ্য সঞ্চয় করার ফলে অনিয়মিতভাবে স্ফীত হয়ে অনির্দিষ্ট আকার ধারণ করে।
৩. গোল আলু স্ফীতকন্দের উদাহরণ। পক্ষান্তরে মিষ্টি আলু কন্দাল মূলের উদাহরণ।
৪. গোল আলু থেকে মূল উৎপন্ন হয় না। কিন্তু মিষ্টি আলুর কন্দাল অস্থানিক মূল মাটির কাছাকাছি কাণ্ডের পর্ব হতে উৎপন্ন হয়।
৫. অনুকূল ঋতুতে গোল আলুর চোখ হতে কাক্ষিক মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে। অন্যদিকে মিষ্টি আলুর অস্থানিক কন্দাল মূল প্রজননে অংশগ্রহণ করে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
247
উত্তরঃ

কোনো কোনো জলজ উদ্ভিদের পর্বমধ্যগুলো ছোট ও মোটা হওয়ার জন্য কাণ্ডকে খর্বাকৃতি দেখায়, এগুলোই অফসেট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
909
উত্তরঃ

কলসি উদ্ভিদ এক ধরনের লতানো গাছ ও ঝাঁঝি নামক জলজ উদ্ভিদের পাতা রূপান্তরিত হয়ে কলসি বা থলের ন্যায় রূপ ধারণ করে। এর মধ্যে পোকামাকড় ঢুকলে কলসির ঢাকনাটি বন্ধ হয়ে যায়, পরে গাছ তার দেহ থেকে রস শুষে নেয়। এ কারণেই কলসি উদ্ভিদকে পতঙ্গ ফাঁদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
502
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews