সপ্তম শতকে বাংলায় শশাংক নামে একজন প্রভারশালী রাজা ছিলেন। তিনি বাংলার স্বাধীন অস্তিত্ব বজায় রেখেছিলেন। তার রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তার শাসনামলে তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্যসীমানা বাড়িয়েছিলেন।
রাজা লক্ষণ সেন ছিলেন সেন রাজবংশের চতুর্থ রাজা। তিনি ছিলেন একজন সুপণ্ডিত ও কবি। রাজা লক্ষণ সেন ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খিলজীর নিকট পরাজিত হন।
কৃষিকাজই ছিল প্রাচীন বাংলার মানুষের প্রধান পেশা। ধান আর আখ ছিল প্রধান ফসল। কুটির শিল্পে তুলা ও রেশম দিয়ে বাংলার কারিগররা নানারকম কাপড় বুনতেন। এসব কাপড় বিদেশেও রপ্তানি করা হতো।
বাংলার বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ঈসা খাঁ। তিনি সোনারগাঁও-এর জমিদার ছিলেন। বাংলার স্বাধীনতার জন্য ষোড়শ শতকে দিল্লির মোগল সম্রাট আকবরের সাথে তিনি যুদ্ধ করেন। ঈসা খাঁ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বাংলায় মোগলদের অধীনতা মানেননি।
শায়েস্তা খানের শাসনামলে বাংলায় সুশাসন ছিল। তার সময় চাল খুব সস্তা ছিল। টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। তিনি বাংলা অঞ্চল থেকে জলদস্যুদের বিতাড়িত করেছিলেন।
মুসলিম শাসনামলে হিন্দু, মুসলমান এবং বৌদ্ধসহ। অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বাস করতেন। মধ্যযুগের শাসকদের আনুকূল্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ব্যাপকভাবে বিকশিত হয়। এসময় বাংলায় গড়ে উঠেছিল কুটির শিল্প।
Related Question
View Allসপ্তম শতকে বাংলায় শশাংক নামে একজন প্রভাবশালী রাজা ছিলেন।
কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাংকের রাজধানী।
রাজা শশাংকের পর প্রায় একশ বছর ধরে বাংলায় ভীষণ অস্থির অবস্থা বিরাজ করছিল।
রাজা গোপাল পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
পাল রাজবংশ বাংলায় প্রায় ৪০০ বছর রাজত্ব করেছিল।
রাজা লক্ষ্মণ সেন দ্বাদশ শতকে বাংলায় রাজত্ব করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!