সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

শাখা, মূল, পাতা ইত্যাদি মাতৃগাছ হতে বিচ্ছিন্ন করে উপযুক্ত মাধ্যম ও পরিবেশে রেখে চারা উৎপাদন করাকে কর্তন বা ছেদ বলে। গোলাপ, লেবু ইত্যাদি ফুল ও ফলগাছের চারা উৎপাদনে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত দুটি উদ্দেশ্যে ডিম উৎপাদন করা হয়ে থাকে। এগুলো হলো-
১. হাঁস-মুরগির বংশ বৃদ্ধির জন্য।
২. মানুষের পুষ্টির জন্য অর্থাৎ খাবার জন্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পানি দূষিত হলে অক্সিজেনের অভাব ঘটে ও পানিতে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। রোগ জীবাণুরও প্রাদুর্ভাব ঘটে। ফলে মাছ মারা যায়, মাছ চাষি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সাথে সাথে পরিবেশও দূষিত হয়। এজন্য মাছকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহের উদ্দেশ্যে এবং বিষক্রিয়া ও অন্যান্য রোগজীবাণুর হাত থেকে বাঁচানোর জন্য পুকুরের পানি শোধন করা দরকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সেটিং ট্রেতে ডিম বসানোর জন্য সাধারণত ৫৫-৬০ গ্রাম ওজনের ডিম বেছে নিতে হয়। ডিমগুলোর মোটা অংশ উপরের দিকে এবং সরু অংশ নিচের দিকে করে বসানো হয়। লক্ষ রাখতে হয় যেন, ইনকিউবেশন চলাকালীন সময়ে ডিমগুলো ৪৫ ডিগ্রি কৌণিক অবস্থানে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাঁচটি উপায় হলো-
১. পরিমাণমতো ও সময়মতো পানি সেচ দিতে হবে।
২. জমির চারদিকে ভালোভাবে আইল বেঁধে সেচ দিতে হবে।
৩. মাটিতে পর্যাপ্ত জৈব পদার্থ প্রয়োগ করাতে হবে।
৪. সারিবদ্ধ ফসলের ক্ষেতে দুই সারির মধ্যবর্তী স্থানে পানি সেচ দিতে হবে।
৫. মাটির বুনট বিবেচনা করে সেচ দিতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্লাবন ও নালা সেচ পদ্ধতির মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

প্লাবন সেচ পদ্ধতিনালা সেচ পদ্ধতি
১. জমির মধ্যে নালার দরকার হয় না।১. জমিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নালা তৈরি করা হয়।
২. পানির অপচয় বেশি হয়।২. পানির অপচয় কম হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নালা সেচ পদ্ধতিতে জমির ঢাল অনুযায়ী ভূমির বন্ধুরতা বা উঁচু নিচু সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নালা তৈরি করা হয়। অতঃপর প্রধান নালার সাথে জমির এ নালাগুলোর সংযোগ করে সেচ দেওয়া হয়।' নালার গভীরতা ও দৈর্ঘ্য জমির উঁচু নিচুর উপর নির্ভর করে। জমি সমতল হলে নালার দৈর্ঘ্য বেশি হবে আর জমির ঢাল বেশি হলে দৈর্ঘ্য কম হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নালা পদ্ধতিতে সেচ দেওয়ার ৪টি সুবিধা হলো-
১. সেচের পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় ও জলাবদ্ধতার ভয় থাকে না।
২. সমস্ত জমি সমানভাবে ভেজানো যায়।
৩. পানির অপচয় কম হয়।
৪. মাটির ক্ষয় কম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানি নিকাশের ব্যবস্থাগুলো হলো-
১. কাঁচা নালা দ্বারা,
২. পাম্পের সাহায্যে,
৩. পাকা সেচ নালা দ্বারা,
৪. অতিরিক্ত পানির উৎসমুখে বাঁধ দিয়ে এবং
৫. পানির গতি পরিবর্তন নালা তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জমির কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য জমি থেকে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে ফেলতে হবে। পানি নিকাশ করলে মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি পায়, গাছের মূল কার্যকরী হয়, উপকারী অণুজীবের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায় এবং জমিতে 'জো' অবস্থা আসে। ফলে জমি চাষাবাদের জন্য উপযোগী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে মাটিতে ফসলের শিকড় এলাকায় বায়ু চলাচলের বিঘ্ন ঘটে। ফলে অক্সিজেনের অভাবে শিকড় তথা গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার ফলে মাটির বন্ধ পরিসর পানিপূর্ণ হয়ে পড়ে এতে অক্সিজেন শূন্য হয়ে ফসলের শিকড় পচে গাছ মারা যায়। এছাড়াও পুষ্টি উপাদান কমে যায় এবং গাছের রোগ জীবাণু বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের অভাব দূর করতে পুকুরে বাঁশ দ্বারা আঘাত করা হয়। বাঁশ দ্বারা পুকুরের শান্ত পানিতে আঘাত করলে পানিতে তোলপাড় হয় ও ঢেউ উৎপন্ন হয়। ফলে পানিতে বাতাসের অক্সিজেন দ্রবীভূত হয় ও সমস্যা দূর হয়। ক্রমাগত বাঁশ দিয়ে আঘাত করে পুকুরের এক পাড় থেকে অন্য পাড় পর্যন্ত পৌছালে অক্সিজেনের অভাব দূর করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে পানি দূষিত হলে অক্সিজেনের অভাব ঘটে ও পানিতে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। রোগ জীবাণুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ফলে পুকুরে মাছ মারা যায়। এজন্য পুকুরের পানি বিশুদ্ধ করার জন্য শোধন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ প্রজনন বিজ্ঞানীদের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে যে বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে মৌল বীজ বলে। মৌল বীজ সাধারণত কম পরিমাণে উৎপাদন করা হয়। এ বীজ বিক্রয়যোগ্য নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ভিত্তি বীজ থেকে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে যে বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে প্রত্যয়িত বীজ বলে। এই বীজ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন সংস্থা অনুমোদন প্রদান করে। প্রত্যয়িত বীজ কৃষকদের নিকট বিক্রি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কিছু কিছু শস্যের বীজত্বক পুরু থাকে। সেক্ষেত্রে বীজগুলোর অঙ্কুরোদগম হতে সমস্যা হয়। তাই বীজতলায় বপনের পূর্বে এদেরকে ২৪-৪৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে বপন করলে চারা গজাতে সমস্যা হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অঙ্গজ বংশবিস্তার পদ্ধতিতে কোনো গাছের শিকড়, কোনো গাছের ডাল বা 'পাতা কেটে তা থেকে যে চারা উৎপন্ন হয় তাকেই কাটিং বা কলম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জোড় কলমের দুটি অংশ (১) রুট স্টক ও (২) সায়ন। অনুন্নত যে গাছের সঙ্গে জোড়া লাগানো হবে সে গাছটিকে রুট স্টক বলে। যে অঙ্গে উন্নত জাতের গাছের স্টকের সাথে লাগানো হবে তাকে বলা হয় সায়ন। রুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানো পদ্ধতিকে জোড় কলম বলে। এভাবে উন্নত জাতের আম গাছের সায়ন একটি রুট স্টকে স্থাপনের মাধ্যমে আম গাছের বংশবৃদ্ধি করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বীজের জমি থেকে আকাঙ্ক্ষিত বীজের গাছ ছাড়া আগাছাসহ অন্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত গাছ শিকড়সহ তুলে ফেলাকে রোগিং বলে। বীজের জাত বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ফুল আসার আগেই রোগিং করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ডিম পাড়া মুরগির দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. চোখ বড় ও উজ্জ্বল হয়।
২. কোনের লতি বড়, নরম ও উজ্জ্বল হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ডিমের খোসা চুনের সংস্পর্শে এলে কার্বনেট উৎপন্ন হয় এবং ডিমের খোসার ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এতে ডিমের ভেতর ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে না বলে পচন রোধ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ইনকিউবেটর পদ্ধতি ব্যবহার করে একসাথে অনেক সংখ্যক ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করা যায়। এই পদ্ধতিতে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর সময় রোগ নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ বাচ্চা উৎপাদন করা যায়। এই পদ্ধতিতে মুরগিগুলো ডিমে তা না দেওয়ার কারণে ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তাই বাণিজ্যিকভাবে এই পদ্ধতি খামারিদের নিকট খুব জনপ্রিয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
32

আমরা প্রযুক্তির যুগে বাস করছি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। কৃষিকাজ একটি বৈজ্ঞানিক কাজ। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয়েছে। কৃষকেরা এখন এই প্রযুক্তিগুলো ফসলের মাঠে যেমন ব্যবহার করছেন তেমনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বংশবৃদ্ধিতেও ব্যবহার করছেন। আবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে প্রযুক্তি যেমন ব্যবহার করছেন, তেমনি মাছ চাষেও ব্যবহার করছেন। বিজ্ঞানের গবেষণা যত এগুচ্ছে প্রযুক্তির উদ্ভাবনও ততই বাড়ছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • কৃষিতে ব্যবহৃত মাঠ প্রযুক্তিগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • উদ্ভিদ ও প্রাণীর বংশবৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বীজ ছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ (যেমন- মূল, পাতা, কান্ড ইত্যাদি) দিয়ে চারা উৎপাদনকে উদ্ভিদের অঙ্গজ বংশবিস্তার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
386
উত্তরঃ

অঙ্গজ বংশবিস্তারের একটি সুবিধা হলো তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। বীজ রোপণ করে চারা উৎপন্ন করলে ফল পেতে অনেক সময় লাগে, যা অঙ্গজ প্রজননের ক্ষেত্রে লাগে না। এতে দ্রুত অর্থ আয় হয় ও খাদ্যের চাহিদা পূরণ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
178
উত্তরঃ

গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে 'ক' চিত্রের পদ্ধতিটি হলো দাবা কলম এবং 'খ' পদ্ধতিটি হলো কর্তন বা ছেদ কলম।

দাবা কলম পদ্ধতিতে মাতৃগাছের মাটির নিকটে অবস্থিত শাখা নিচে নামিয়ে দুই গিটের মাঝখানের বাকল কেটে নিতে হয়। বাকলের নিচের সবুজ অংশ ছুরির ভোতা 'পাশ দিয়ে চেছে ফেলতে হয়। এরপর কাটা অংশ মাটিতে চাপা দিতে হয়। কিছুদিন পর কাটা অংশ থেকে শিকড় ও নতুন চারা গজায়। গজানো অংশ কেটে ২-৩ সপ্তাহ পর সাবধানে মাটিসহ অন্যত্র রোপণ করতে হয়। অপরদিকে কর্তন, বা ছেদ কলম পদ্ধতিতে শাখা, মূল, পাতা ইত্যাদি মাতৃগাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছায়াযুক্ত স্থানে টবে বা নার্সারি বেডে রোপণ করতে হয়। ১৫ দিনের মধ্যে তা থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়। অতঃপর চারাটি অন্যত্র মূল জমিতে রোপণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় খুব সহজে ও কম সময়ে গোলাপের বংশবিস্তার করা যায়। তাছাড়া কাণ্ড বাঁকানোর ফলে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
অর্থাৎ, কর্তন বা ছেদ কলম পদ্ধতি গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে অমিত কার্যকরী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
133
উত্তরঃ

চিত্রের পদ্ধতিগুলো হলো দাবা কলম ও কর্তন বা ছেদ কলম যা কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তারের প্রকারভেদ।

অঙ্গজ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করলে নতুন বৃক্ষ তার মাতৃবৃক্ষের সকল গুণাগুণ বিশুদ্ধভাবে বহন করে। অর্থাৎ, যদি কোনো গাছের আম খুব বড় এবং মিষ্টি হয় তবে তার অঙ্গ দিয়ে উৎপাদিত গাছের আমের স্বাদ ও - আকার হুবহু এক হবে। আবার কোনো গাছের যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, তবে সে গাছ থেকে উৎপাদিত চারা গাছও একই গুণ পাবে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ভিদে বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তন আনা যায়। মাতৃগাছের গুণাগুণের সুবিধা ছাড়াও অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে চারা থেকে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। ফলে ফসল উৎপাদন যেমন দ্রুত হয়, তেমনি দ্রুত আয় এবং খাদ্য ঘাটতিও হ্রাস করা যায়।
অতএব বলা যায়, উপরের চিত্রের পদ্ধতিগুলো কম সময়ে অধিক ফসল উৎপাদনে ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
130
উত্তরঃ

ফসলের পানির চাহিদা পূরণ ও ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিমভাবে পানি সেচ দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
236
উত্তরঃ

সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধির একটি প্রযুক্তি হচ্ছে উপযুক্ত পদ্ধতিতে সেচ প্রদান। যেমন- বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে বহুবর্ষজীরী ফলগাছের সমস্ত জমিতে সেচ না দিয়ে যে স্থানে গাছ রয়েছে শুধু সেখানেই পানি সরবরাহ করা হয়। এতে পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ ও পানির অপচয় কম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
198
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews