সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের ভৌত ভিত্তি বলা হয় প্রোটোপ্লাজমকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমে শতকরা ৯০ ভাগ পানি থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোফিলিক বা পানিপ্রিয় পদার্থ সেলুলোর্জ, স্টার্চ, জিলাটিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পানি শোষণের অন্যতম প্রক্রিয়া ইমবাইবিশন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা পদার্থ শুষে নেওয়ার পদ্ধতিকে ইমবাইবিশন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শোষণ কাজ সম্পাদন করার প্রক্রিয়া ৩টি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপন ভৌত ধরনের প্রক্রিয়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ মূলরোমের মাধ্যমে মাটির কৈশিক পানি শোষণ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চোষক শক্তির টানে কৈশিক পানি উদ্ভিদের মূলরোমে প্রবেশ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শোষণ প্রধানত ২ প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদে ফ্লোয়েমের সিভনল মাধ্যমে প্রবাহিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণকে কোষরস বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সিডনলের রন্দ্রগুলো ছোট, বড় হয় ক্যালোজ জন্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে 90-95% ভাগ প্রস্বেদন হয়ে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাতার উপরে ও নিচে কিউটিনের আবরণকে কিউটিকল বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে কাণ্ডের বাকল ফেটে ছিদ্র হওয়াকে লেন্টিসেল বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় ক্ষতি' নামে অভিহিত করেছেন কার্টিস বিজ্ঞানী ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের রং লাল দেখায় হিমোগ্লোবিনের জন্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ৩ ধরনের রক্তকণিকা দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু 120 দিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পূর্ণবয়স্ক একজন ব্যক্তির রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা প্রায় 50 লক্ষ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যামিবার মতো দেহের আকার পরিবর্তন করে শ্বেত রক্তকণিকা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

WBC এর পূর্ণরূপ White Blood Cell

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইংরেজিতে অণুচক্রিকাকে Platelet (প্লেইটলেট) বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকার গড় আয় ৫-১০ দিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকার প্রধান কাজ রক্ত জমাট বাঁধানো ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার বিজ্ঞানী ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তের গ্রুপ চারটি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

০-গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে সর্বজনীন রক্তদাতা বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একজন সুস্থ ব্যক্তি চার মাস অন্তর রক্তদান করতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের গ্রুপ জানা না থাকলে সাধারণত O এবং Rh- গ্রুপ নিরাপদ  .

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে ২ ধরনের এন্টিবডি থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ২ ধরনের এন্টিজেন রয়েছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টিজেনের উপস্থিতি লোহিত রক্তকণিকায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের বহিঃস্তর যোজক কলা দ্বারা গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পূর্ণবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৭২ বার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড ৩টি স্তর  নিয়ে গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডকে আবৃতকারী পর্দার নাম পেরিকার্ডিয়াম ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডের প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির প্রাচীর ৩ স্তর বিশিষ্ট ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির স্ফীতি ও সংকোচনকে নাড়িস্পন্দন বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত আমাদের রক্তে 70 ভাগ LDL থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

HDL ধরনের কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নীরব ঘাতক হিসেবে গণ্য করা হয় উচ্চ রক্তচাপকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সূর্যালোকের উপস্থিতিতে চামড়ায় কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'D' ধরনের ভিটামিন তৈরি হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রেপটোকক্কাস অণুজীবের সংক্রমণে বাতজ্বর রোগ হয়ে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকোষের ক্যান্সারকে লিউকোমিয়া বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত স্থলজ উদ্ভিদ যে শারীরতত্ত্বীয় প্রক্রিয়ায় তার বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেয় তাই প্রস্বেদন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন প্রক্রিয়া বলে। ব্যাপন শব্দের অর্থ ব্যাপিত হওয়া বা ছড়িয়ে পড়া। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত কণিকা তিন প্রকার। যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা ২. শ্বেত রক্তকণিকা এবং ৩. অণুচক্রিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি সাধারণত অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারাদেহে পরিবহন করে। কিন্তু ফুসফুসীয় ধমনি এর ব্যতিক্রম। এ ব্যতিক্রমধর্মী ধমনি হৃৎপিন্ড থেকে কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্ত ফুসফুসে পৌছে দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তপ্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনির গায়ে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে। একে সিস্টোলিক চাপ বলে। হৃৎপিন্ডের প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানির অপর নাম জীবন। প্রোটোপ্লাজম জীবদেহের ভৌত ভিত্তি। এ প্রোটোপ্লাজমের শতকরা ৯০ ভাগই পানি। পানির পরিমাণ কমে গেলে প্রোটোপ্লাজম সংকুচিত হয়ে মরে যেতে পারে। এছাড়া উদ্ভিদের দেহে যত বিপাকীয় বিক্রিয়া চলে তা পানির অভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণেই পানিকে "ফ্লুইড অফ লাইফ” বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লুইড অফ লাইফ বলতে পানিকে বুঝানো হয়েছে। কারণ পানি ছাড়া জীব বাঁচতে পারে না। পানির অপর নাম জীবন। কোষের প্রোটোপ্লাজমের প্রায় ৯০ ভাগই পানি। প্রোটোপ্লাজম সজীব রাখতে পানির কোনো বিকল্প নেই। আবার কোষের বৃদ্ধি ও চলনে পানির ভূমিকা অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদদেহে পানির ভূমিকা অপরিসীম। প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি বলা হয়। প্রোটোপ্লাজমের শতকরা ৯০ ভাগই পানি। প্রোটোপ্লাজম সজীব রাখতে পানির বিকল্প নেই। একটি সংকুচিত প্রোটোপ্লাজম কোষকে বাঁচাতে চাইলে দেরি না করে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রস্বেদন ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালু রাখতে পরিমাণমতো পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। এজন্যই শুষ্ক মৌসুমে বড় বড় উদ্ভিদেও পানি সেচ দিতে হয়। পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্রাবক। বিপাকীয় অনেক বিক্রিয়ায় পানির গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্ভিদের কোষ বৃদ্ধি ও চলনে পানির ভূমিকা রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইমবাইবিশন পানি শোষণের একটি অন্যতম প্রক্রিয়া। কলয়েড জাতীয় শুকনো বা অর্ধ শুকনো পদার্থের তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলা হয়। উদ্ভিদ দেহের কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। এছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্ষাকালে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। এসময় কাঠের দরজা ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় বাতাসের জলীয়বাষ্প শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। যার ফলে বর্ষাকালে কাঠের দরজা আটকাতে সমস্যা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্ষাকালে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। এসময় কাঠের দরজা ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় বাতাসের জলীয়বাষ্প শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। যার ফলে বর্ষাকালে কাঠের দরজা আটকাতে সমস্যা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক খণ্ড শুকনা কাঠের এক প্রান্ত পানিতে ডুবালে ঐ কাঠের খণ্ডটি কিছু পানি টেনে নিবে। আমরা জানি, কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা পদার্থ তরল পদার্থ শুষে নেয়, এজন্যই কাঠের খণ্ডটি পানি টেনে নেয়। এ প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলে। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। পানি শোষণের এটি একটি অন্যতম প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা তরল পদার্থের পানি শোষণ করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। ইমবাইবিশন সংঘটিত হওয়ার কারণ হলো কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা তরল পদার্থের পানি প্রাপ্তি। পানির সংস্পর্শ পেলেই এরা তা শুষে নেয়। যেমন- সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন ইত্যাদি হাইড্রোফিলিক পদার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেলুলোজ পানি প্রিয় পদার্থ। কারণ সেলুলোজ তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা সহজেই তরল পদার্থ অথবা পানি শুষে নেয়, আবার তরল পদার্থের অভাবে এরা সংকুচিত হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ পানি শোষণ করে স্ফীত হয় সেসব পদার্থকে হাইড্রোফিলিক পদার্থ বলে। আঠা, সেলুলোজ, স্টার্চ, প্রোটিন, জেলাটিন প্রভৃতি হাইড্রোফিলিক পদার্থ। কলয়েড জাতীয় পদার্থই হাইড্রোফিলিক পদার্থ। পানির অভাব হলে এসব পদার্থ সংকুচিত হয়। আবার পানি পেলে তা শোষণ করে সস্ফীত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে ভৌত প্রক্রিয়ায় একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো দ্রব্যের অণুগুলো বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলে। যেমন- এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্লাসের পানি মিষ্টি হয়ে যায়। এক্ষেত্রে চিনির অণুগুলো ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পানিতে ছড়িয়ে পড়ায় পানি মিষ্টি স্বাদযুক্ত হয়। উদ্ভিদের পানি শোষণে ব্যাপনের গুরুত্ব অপরিসীম

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ঘরের এক কোণে আতর দিলে তা পুরো ঘরে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, যাকে ব্যাপন প্রক্রিয়া বলে। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া। আতরের মধ্যে সুগন্ধ সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থের ঘনত্ব বেশি থাকে এবং বাইরের পরিবেশে বিদ্যমান উপাদানের ঘনত্ব কম থাকে। তাই ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব সুগন্ধি রাসায়নিক উপাদান বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফুলের সুগন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চারদিকে ছড়ায়। ব্যাপন একটি ভৌত প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বেশি ঘনত্বের ফুলের সুগন্ধ কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘন স্থান হতে কম ঘন স্থানের দিকে ব্যাপিত হওয়ার যে প্রচ্ছন্ন ক্ষমতা তাকে ব্যাপন চাপ বলে। একটি গ্যাস ভর্তি বেলুনে গ্যাসের ব্যাপন চাপ তার চারপাশের বাতাস থেকে বেশি থাকে তাই বেলুনটি ফেটে গেলে বেলুনের গ্যাস তার ব্যাপন চাপ বেশি থাকার কারণে চারপাশের বাতাসে মিশে যাবে। ব্যাপন একটি ভৌত প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপনের যেকোনো দু'টি প্রভাবকের ভূমিকা নিম্নরূপ-
১. 'পদার্থের অণুর ঘনত্ব যে পদার্থের ব্যাপন ঘটবে সে পদার্থের অণুর ঘনত্ব বেশি থাকলে ব্যাপন হার বেশি হবে। অণুর ঘনত্ব কম হলে ব্যাপন হার কমবে।
২. তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বাড়লে ব্যাপন হার বাড়ে এবং তাপমাত্রা কমলে ব্যাপন হার কমে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

Air Freshener ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পুরো বাড়িকে ঘ্রাণযুক্ত করে। এক্ষেত্রে Air Freshener-এর ঘ্রাণযুক্ত অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো বাড়িকে ঘ্রাণযুক্ত করে। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ থেকে কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে দ্রাবকের ব্যাপিত হওয়ার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাকে ব্যাপন চাপ বলে। একই বায়ুচাপে কোনো একটি দ্রবণ ও দ্রাবকের ব্যাপন চাপের পার্থককে ব্যাপন চাপ ঘাটতি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই দ্রব ও দ্রাবক যুক্ত দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ বৈষম্যভেদ্য পর্দা দ্বারা আলাদা করা থাকলে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণ থেকে দ্রাবক নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। যেমন-কিশমিশকে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে কিছুক্ষণ পর তা ফুলে টসটসে হয়ে ওঠে, এর প্রধান কারণ হলো অভিস্রবণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি (দ্রাবক) কোষের ভিতর হতে কোষের বাইরে গমন করে তাকে বলা হয় বহিঃতাভিস্রবণ বা এক্রোসমোসিস। কোষরসের ঘনত্বের চেয়ে বাইরের দ্রবণের ঘনত্ব বেশি হলে বহিঃঅভিস্রবণ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি (দ্রাবক) কোষের বাহির হতে। কোষের ভিতরে গমন করে তাকে বলা হয় অন্তঃঅভিস্রবণ। কোষরসের ঘনত্বের চেয়ে বাইরের দ্রবণের ঘনত্ব কম হলে অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। সাধারণত এটি প্লাজমামেমব্রেন বা কোষঝিল্পীর মাধ্যমে ঘটে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অভিস্রবণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার শর্তাবলি নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ (একটিতে দ্রাবক পদার্থ বেশি এবং অপরটিতে দ্রাবক পদার্থ কম) হতে হবে।
২. দ্রবণ দুটিকে পৃথককারী একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি (যে ঝিল্লির মধ্য দিয়ে শুধু দ্রাবক পদার্থ আসা যাওয়া করতে পারে) দ্বারা পৃথক থাকতে হবে।
৩. দ্রবণ দুটি একই দ্রাবক বিশিষ্ট হতে হবে এবং দ্রাবক পানি হবে।
৪. বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ও তাপমাত্রা একই হতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পরিবহন বলতে মাটি থেকে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ এবং পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যের চলাচলকে বুঝায়। মাটি থেকে কৈশিক পানি শোষণে ও পরিবহনে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া কাজ করে। আর বৈষম্যভেদ্য পর্দা ছাড়া অভিস্রবণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না। এজন্যই বলা যায়, বৈষম্যভেদ্য পর্দা উদ্ভিদের পরিবহনে জড়িত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অভিস্রবণ এবং ব্যাপনের মধ্যকার পার্থক্য নিম্নরূপ:

অভিস্রবণব্যাপন
১. দ্রাবকের বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হওয়াকে অভিস্রবণ বলে।১. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলে।
২. এখানে বৈষম্যভেদ্য পর্দা থাকা আবশ্যক।২. এখানে বৈষম্যভেদ্য পর্দা থাকে না।
৩. কেবলমাত্র সম প্রকৃতির দ্রবণের মধ্যেই অভিস্রবণ ঘটে৩. অসম প্রকৃতির দ্রবণের মিশ্রণেও ব্যাপন ঘটতে পারে।
৪. অভিস্রবণ শুধুমাত্র তরল পদার্থের ক্ষেত্রে ঘটে।৪. কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের মধ্যে ব্যাপন ঘটতে পারে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধিকাংশ উদ্ভিদ পানির সাথে কিছু পরিমাণ খনিজ লবণ শোষণ করে, কিছু লবণ মূলরোম দিয়ে শোষিত হলেও মূলত মূলের অগ্রভাগের কোষ বিভাজন অঞ্চলই শোষণ অঞ্চল হিসেবে কাজ করে। খনিজ লবণ শোষিত হয় আয়ন হিসেবে। শোষণ প্রধানত দুই উপায়ে হয়ে থাকে। যথা- নিষ্ক্রিয় শোষণ ও সক্রিয় শোষণ।

নিষ্ক্রিয় শোষণ: উদ্ভিদের এ প্রক্রিয়ায় মূলরোম ইমবাইবিশন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ পানি শোষণ করে, কোনো বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না।
সক্রিয় শোষণ: সক্রিয় শোষণে খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য কোষে উৎপন্ন বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে শোষণ প্রক্রিয়ায় আয়ন শোষণের জন্য কোনো বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না তাকে নিষ্ক্রিয় শোষণ বলে। উদ্ভিদ এ প্রক্রিয়ায় মূলরোম ইমবাইবিশন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় লবণ শোষণ করে। আবার, যে শোষণ প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য কোষে উৎপন্ন বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় তাকে সক্রিয় শোষণ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় হয়। অধিকাংশ উদ্ভিদ পানির সাথে কিছু পরিমাণ খনিজ লবণ শোষণ করে। খনিজ লবণ শোষিত হয় আয়ন হিসেবে। সাধারণত উদ্ভিদ 'যে প্রক্রিয়ায় মূলরোম দ্বারা ইমবাইবিশন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় লবণ শোষণ করে তাকে নিষ্ক্রিয় শোষণ বলে। এক্ষেত্রে কোনো বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে শোষণ প্রক্রিয়ায় আয়ন শোষণের জন্য কোনো বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না তাকে নিষ্ক্রিয় শোষণ বলে। উদ্ভিদ এ প্রক্রিয়ায় মূলরোম দ্বারা ইমবাইবিশন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় লবণ শোষণ করে। আবার যে শোষণ প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য কোষে উৎপন্ন বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় তাকে সক্রিয় শোষণ বলে। উদ্ভিদ এ প্রক্রিয়ায় মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে আয়ন হিসেবে খনিজ লবণ শোষণ করে। এজন্যই বলা হয় যে, নিষ্ক্রিয় শোষণ থেকে সক্রিয় শোষণ আলাদা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পানি শোষণ ও খনিজ লবণ শোষণের পার্থক্য-

পানি শোষণখনিজ লবণ শোষণ
১. অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পানি শোষিত হয়।১. ইমবাইবিশন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ শোষিত হয়।
২. মূলরোম দ্বারা পানি শোষিত হয়।২. মূলের অগ্রভাগের কোষ বিভাজন অঞ্চল দ্বারা লবণ শোষিত হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। শুধু শর্করা দিয়ে উদ্ভিদের স্বাস্থ্যপ্রদ বৃদ্ধি, শারীরিক পরিপূর্ণতা ও ক্ষয়পূরণ সম্ভব নয়। এ কারণে উদ্ভিদ তার স্বাস্থ্যপ্রদ বিভিন্ন প্রকার কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য পরিবেশ থেকে খনিজ লবণ পরিশোষণ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পরিবহন বলতে মাটি থেকে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ এবং পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যের চলাচলকে বুঝায়। জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে পানি ও খনিজ লবণ উদ্ভিদের পাতায় পৌঁছে যায় বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন। এভাবে পাতায় পানি পৌঁছালে সেখানে খাদ্য প্রস্তুত হয়। প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনের, দায়িত্ব গ্রহণ করে ফ্লোয়েম টিস্যু। এ খাদ্য ফ্লোয়েমের সিভনলের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোয়েম টিস্যু সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম তন্তু নিয়ে গঠিত। এর সিডকোষ পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্য সঞ্চয় করে ও খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। এ টিস্যুর মাধ্যমে পাতায় উৎপাদিত শর্করা ও মূলে সঞ্চিত খাদ্য একই সাথে উপরে নিচে পরিবাহিত হয়। আর এ কারণেই পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যদ্রব্য পরিবহনে ফ্লোয়েম টিস্যু গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবহনতন্ত্র গাছের ভেতরে পানির এবং খাদ্য উপাদানগুলির স্থানান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে প্রধানত দুইটি টিস্যু ব্যবহৃত হয়, জাইলেম (য়া পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে) এবং ফ্লোয়েম (যা খাদ্য উপাদান পরিবহন করে)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষরসের আরোহণ বলতে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পানি ও খনিজ লবণের পরিবহনকে বুঝায়। মূল পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে। মূলরোম দিয়ে শোষিত পানি ও খনিজ পদার্থ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলরোম থেকে পাশের কোষে যায়। ঐ কোষ থেকে তা পুনরায় তার পাশের কোষে যায়। এভাবে কোষ থেকে কোষে পানি এবং খনিজ পদার্থ চলতে চলতে একসময় মূলের পরিবহন টিস্যু হয়ে এবং কান্ডের পরিবহন কলা বেয়ে পাতার মেসোফিল কলায় পৌঁছায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয় তাকে বলা হয় পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদন। উদ্ভিদের পাতায়, কচি কাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ বেষ্টিত এক ধরনের রন্দ্র থাকে। এই রন্দ্রগুলো হলো পত্ররন্দ্র। কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯০ ৯৫% হয় পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্টোমাটা হলো পাতার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র যা গ্যাসীয় আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ এবং অক্সিজেন বর্জন উভয়ই এ ছিদ্রের মাধ্যমে ঘটে। পাতায় শ্বসন এই ক্ষুদ্র ছিদ্রগুলোর মাধ্যমে ঘটে। কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯০ - ৯৫% হয় পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে। উল্লিখিত কারণেই পাতার স্টোমাটা গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বহিঃত্বকে বিশেষ করে পাতার উপর এবং নিচে কিউটিনের আবরণ থাকে। এ আবরণকে কিউটিকল বলে। কিউটিকল ভেদ করে কিছু পানি বাষ্পকারে বাইরে বের হয়। এ প্রক্রিয়াকে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে। অত্যাধিক শুদ্ধাবস্থায় যখন পত্ররন্দ্র বন্ধ হয়ে যায় তখন এ প্রক্রিয়াটি চলতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কাণ্ড ও পাতার উপর কিউটিনের যে আববরণ থাকে তাকে কিউটিকল বলে। কিউটিকলের স্তর দ্বারা অনেক সময় প্রস্বেদন প্রক্রিয়া ঘটে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে গৌণ বৃদ্ধি হলে কাণ্ডের বাকল ফেটে লেন্টিসেল নামক ছিদ্র সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেলের ভিতরের কোষগুলো আলগাভাবে সজ্জিত থাকে এবং এর মাধ্যমে কিছু পানি বাইরে বেরিয়ে যায়। একে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধিক তাপে পানি সহজেই বাষ্পে পরিণত হতে পারে বলে প্রস্বেদল প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে, বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে প্রস্বেদনের হারও দ্রুততর হয়। তাপমাত্রা কমে গেলে স্বাভাবিক নিয়মেই প্রস্বেদনের হারও কমে। তাই বলা যায় তাপমাত্রার সাথে প্রস্বেদনের হার উঠানামা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদন একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রস্বেদনের ফলেই গাছের উপরের অংশে পানি ও খনিজ লবণ পরিবাহিত হয়। এভাবে প্রস্বেদন খাদ্য প্রস্তুতসহ অন্যান্য বিপাকীয় কাজে সহযোগিতা করে। কিন্তু পানি শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনের ফলে পানি হারানোর হার বেশি হলে উদ্ভিদের জন্য তা ক্ষতিকর হয়। প্রস্বেদন যাতে মাত্রাতিরিক্ত না হয় এজন্য গাছ শীত মৌসুমে পাতা ঝরিয়ে দেয়। তাই বলা যায় যে, প্রস্বেদনে কিছু ক্ষতিসাধন হলেও উদ্ভিদের জন্য এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। তাই প্রস্বেদনকে একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার উপরে সজীব উদ্ভিদ কোষের বিপাকীয় কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভরশীল। প্রস্বেদনের ফলে জাইলেমবাহিকায় টান পড়ে। এই টানের ফলে উদ্ভিদের মূলরোম কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পরিবাহিত হয়। এ টানের ঘাটতি হলে পানি শোষণ কমে যাবে এবং খাদ্য প্রস্তুতসহ অনেক বিপাকীয় কার্যক্রম শ্লথ হয়ে যাবে। প্রস্বেদনের ফলে পাতার মেসোফিলে ব্যাপন চাপ ঘাটতি সৃষ্টি হয় যা পানি শোষণে সাহায্য করে। উদ্ভিদ প্রস্বেদনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পত্রফলক কর্তৃক শোষিত তাপশক্তি হ্রাস করে পাতার কোষগুলোর তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ প্রধানত মূল দ্বারা তার প্রয়োজনীয় পানি শোষণ করে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পাতার স্টোমাটা ও কান্ডের লেন্টিসেল' দ্বারা প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়। কিন্তু প্রস্বেদন বেশি হলে উদ্ভিদে প্রয়োজনীয় পানি ও খনিজের ঘাটতি দেখা দিবে। প্রস্বেদনের অতিরিক্ত হার এর ক্ষতিকর প্রভাব এড়ানোর জন্যই শীতকালে উদ্ভিদের পাতা বেশি ঝরে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত প্রতিনিয়ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ এবং অংশে চলাচল করে তাকে রক্ত সংবহন তন্ত্র বলে। এ তন্ত্রে রক্তের মাধ্যমে খাদ্য, অক্সিজেন এবং বর্জ্য পদার্থ দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে রক্ত সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ কেবল হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, কখনো এর বাইরে আসে না. এ ধরনের সংবহনতন্ত্রকে বন্ধ রক্তসংবহনতন্ত্র বলা হয়। যেমন- কর্ডেট প্রাণীদের রক্তসংবহন তন্ত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বদ্ধ রক্তসংবহনতন্ত্রের সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো-
১. রক্ত সরাসরি দেহের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে।
২. রক্তবাহী নালির ব্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে দেহ কোনো বিশেষ অঙ্গে রক্তপ্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
৩. রক্ত বিভিন্ন অঙ্গে পরিভ্রমণ করে দ্রুত হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের একটি বিশেষ উপাদান লোহিত রক্তকণিকা, যা হিমোগ্লোবিন নামক লৌহ গঠিত যৌগ দ্বারা তৈরি। মানবদেহে প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ১১ ১৭% হিমোগ্লোবিন থাকে। আর এ -হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতিই রক্তের লাল রঙের জন্য দায়ী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্ত রক্তরস ও কয়েক প্রকার রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। মানবদেহে তিন ধরনের রক্তকণিকা আছে। যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকে তরল যোজক কলা বলা হয় কারণ এটি অক্সিজেন, হরমোন এবং বিভিন্ন পুষ্টি পদার্থের সাথে শরীরের বিভিন্ন কলা এবং অঙ্গগুলিকে একসাথে সংযুক্ত করে। আন্তঃকোষীয় তরলে শরীরের কোষগুলি নিমজ্জিত থাকে ও ঘিরে রাখে এবং কোষগুলিতে উপকরণ সরবরাহ করে। আন্তঃকোষীয় যোগাযোগ এবং বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণের একটি উপায় সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. রক্তরস হলো রক্তের বর্ণহীন তরল অংশ।
২. রক্তের শতকরা ৫৫ ভাগ রক্তরস।
৩. রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি।
৪. এতে প্রোটিন, জৈবযৌগ ও সামান্য অজৈব লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি। এছাড়া বাকি অংশে কিছু আমিষ, জৈবযৌগ ও সামান্য অজৈব লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। এর মধ্যে যে পদার্থগুলো বিদ্যমান তা হলো- i. আমিষ, যথা- অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন ii. গ্লুকোজ iii. ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা iv. খনিজ লবণ v. ভিটামিন vi. হরমোন vii. এন্টিবডি viii. বর্জ্য পদার্থ ইত্যাদি। এছাড়া সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ও অ্যামাইনো এসিড সামান্য পরিমাণে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের একটি উপাদান হলো রক্তরস। এর কাজগুলো নিচে দেওয়া হলো-
১. পরিপাকের পর খাদ্যসার রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ও টিস্যুতে বাহিত হয়।
২. টিস্যু থেকে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ রক্তরসের মাধ্যমে বাহিত হয়ে রেচন অঙ্গ বৃত্তে পৌঁছায়।
৩. রক্তরসের মাধ্যমে হরমোন, এনজাইম, লিপিড, ভিটামিন, খনিজ লবণ ইত্যাদি বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে অক্সিজেন এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে। হিমোগ্লোবিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্তকণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়। রক্তে প্রয়োজনীয় পরিমাণ হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ভক্ষণ করতে পারে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যাগোসাইটোসিস। শ্বেত রক্তকণিকা দেহে প্রহরীর মতো কাজ করে ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়, রোগ জীবাণু ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে বিদ্যমান তিন ধরনের রক্তকণিকার মধ্যে শ্বেত রক্তকণিকা অন্যতম। শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ভক্ষণ করতে পারে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যাগোসাইটোসিস। এ রক্তকণিকা দেহে প্রহরীর মতো কাজ করে ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লিম্ফোসাইট ও মনোসাইটের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো-

লিম্ফোসাইটমনোসাইট
১. বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট শ্বেত রক্তকণিকা।১. ছোট নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় শ্বেত রক্তকণিকা।
২. অ্যান্টিবডি গঠনের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে রোগ- জীবাণু ধ্বংস করে।২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকা কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। যথা-লিম্ফোসাইট, মনোসাইট, নিউট্রোফিল, ইওসিনোফিল, বেসোফিল। এদের মধ্যে ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তবাহিকাতে রক্ত প্রবাহের সময় কখনো জমাট বাঁধে না। এর কারণ রক্তের বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকায় জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এ কারণে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্রম্বোসাইট এর বাংলা প্রতিশব্দ অণুচক্রিকা, যা একধরনের রক্তকণিকা। যে রক্তকণিকা রক্ত তঞ্চন করে বা জমাট বাঁধানোতে সাহায্য করে তাকে থ্রম্বোসাইট বা অণুচক্রিকা বলে। রক্তে এ কণিকা নির্দিষ্ট পরিমাণে না থাকলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না। ফলে অনেক রোগীর প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধানোতে সাহায্য করা। যখন কোনো রক্তকণিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায় তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে। অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রোম্বোপ্লাস্টিন নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রোম্বিনকে থ্রোম্বিনে পরিণত করে। থ্রোম্বিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্ত জমাট বাঁধায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে রক্তকে জমাট বাঁধায়। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, ভিটামিন K ও ক্যালসিয়াম আয়ন জড়িত থাকে। তবে রক্তে উপযুক্ত পরিমাণ অণুচক্রিকা না থাকলে রক্তপাত সহজে কন্ধ হয় না। ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত জীবনীশক্তির মূল। রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক কলা। রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত দেহের সর্বত্র প্রবাহিত হয় এবং কোষে অক্সিজেন, হরমোন ও খাদ্য উপাদান সরবরাহ করে। ফলে দেহের সব কোষ সজীব এবং সক্রিয় থাকে। যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত প্রতিনিয়ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অংশে চলাচল করে, তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। এ তন্ত্রের প্রবাহিত রক্তের মাধ্যমেই খাদ্য, অক্সিজেন, হরমোন এবং রক্তের বর্জ্য পদার্থ দেহের এক স্থান থেকে অন্য 'স্থানে পরিবাহিত হয়। এজন্য রক্তকে মানবদেহের পরিবহন কলা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের দুটি কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. অক্সিজেন পরিবহন লোহিত রক্তকোষ অক্সিহিমোগ্লোবিনরূপে কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে।
২. খাদ্যসার পরিবহন রক্তরস, গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, চর্বিকণা ইত্যাদি কোষে সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় 'A' ও 'B' নামক দুই ধরনের এন্টিজেন থাকে এবং রক্তরসে 'a' ও 'b' দুই ধরনের এন্টিবডি থাকে। এই এন্টিজেন ও এন্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। একে ব্লাড গ্রুপ বলে। মানুষের রক্তে চার ধরনের ব্লাড গ্রুপের উপস্থিতি লক্ষ করা যায় তা. হলো 'A', 'B', 'O' এবং 'AB।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা কোনো বিজাতীয় প্রোটিন আমাদের দেহে প্রবেশ করে দেহকে অসুস্থ করে তোলে তাদেরকে অ্যান্টিজেন বলে। অধিকাংশ অ্যান্টিজেন প্রোটিনধর্মী ও জটিল শর্করাবিশিষ্ট। এরা দেহে প্রবেশ করে অ্যান্টিবডি সৃষ্টিতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় "A" ও "B" নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে। আবার রক্তরসে "a" ও "b" নামক দুই ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। এই অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করেই রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের মতে রক্তের গ্রুপ চারটি A, B, AB এবং ০।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহে প্রবিষ্ট অ্যান্টিজেনকে প্রতিহত করার জন্য দেহে যে প্রোটিন তৈরি হয় তাদের অ্যান্টিবডি বলে। মানবদেহের রক্তরসে দুই ধরনের "a" ও "চ" অ্যান্টিবডি থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে আমরা ব্লাড গ্রুপকে নিম্নলিখিতভাবে বর্ণনা করতে পারি-

গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও B এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B এন্টিজেন ও এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ AB: এ শ্রেণির রক্তে A ও B এন্টিজেন থাকে এবং কোনো এন্টিবডি থাকে না।
গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো এন্টিজেন থাকে না। কিন্তু ও b এন্টিবডি থাকে।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো জটিল রোগে দীর্ঘদিন ভোগার ফলে অথবা কোনো দূর্ঘটনাজনিত কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মানুষের ভয়াবহ রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। যেহেতু রক্তের বিকল্প একমাত্র রক্ত, সেজন্য জুরুরি ভিত্তিতে এই রক্তশূন্যতা দূর করার জন্য রোগীকে অন্য মানুষের রক্ত দিতে হয়। এ প্রয়োজনের সময় রক্তগ্রহণ বা দানকালে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই জটিলতা এড়ানোর জন্য যেকোনো মানুষের রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা একান্ত প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

০ গ্রুপের ব্যক্তির রক্তকণিকায় উভয় প্রকার এন্টিজেন অনুপস্থিত। এজন্য তাদের রক্ত যেকোনো গ্রহীতা গ্রহণ করতে পারে। কারণ, দাতার রক্তে কোনো এন্টিজেন না থাকায় গ্রহীতার (A, B বা AB) রক্তের এন্টিবডির সাথে কোনো বিক্রিয়া করে না। অন্য যেকোনো গ্রুপকে রক্ত দান করতে পারে বলে গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

AB গ্রুপের প্লাজমায় এন্টিবডি a বা এন্টিবডি ৮ কোনোটিই থাকে না। AB গ্রুপের ব্যক্তিরা AB, A, B ও ০ গ্রুপের দাতাদের রক্ত গ্রহণ করতে পারে। কারণ, AB গ্রুপে এন্টিবডি না থাকার কারণে A ও B রক্ত গ্রুপের এন্টিজেন গ্রহীতার (AB) রক্তের সাথে কোনো বিক্রিয়া করে না। এ কারণে AB রক্ত গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানীরা মানুষের রক্তের লোহিত কণিকায় এক বিশেষ ধরনের অ্যান্টিজেন আবিষ্কার করেন যা রেসাস বানর এবং অধিকাংশ মানুষের রক্তের লোহিত কণিকায় পাওয়া যায়। এজন্য একে রেসাস ফ্যাক্টর বা Rh ফ্যাক্টর বলে। ১৯৪০ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এবং উইনার Rh ফ্যাক্টর আবিষ্কার করেন। Rh ফ্যাক্টরযুক্ত রক্তকে বলা হয় Rh* এবং Rh ফ্যাক্টরবিহীন রক্তকে Rh রক্ত বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আঘাত, দুর্ঘটনা, শল্যচিকিৎসা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে অত্যধিক রক্তক্ষরণ হলে দেহে রক্তের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। রক্তশূন্যতা দূর করার জন্য ঐ ব্যক্তির দেহে রক্ত সংযোজনের প্রয়োজন হয়। জরুরি ভিত্তিতে এ রক্ত শূন্যতা দূর করার জন্য রোগীর দেহে অন্য মানুষের রক্ত দিতে হয়। আর এজন্য এটি হলো আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তদান করা একটি মহৎ কাজ। কোনো সুস্থ ব্যক্তি চার মাস পর পর রক্তদান করলে দাতার দেহে সামান্যতম কোনো অসুবিধা হয় না। যেহেতু জরুরি অবস্থায় রক্তের প্রয়োজন হয় তাই রক্ত দেওয়া একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। তাই পূর্ণবয়স্ক একজন সুস্থ ব্যক্তির রক্তদান কর উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ। এটি হৃৎপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে। যথা-
১. বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম,
২. মধ্যস্তর বা মায়োকার্ডিয়াম এবং
৩. অন্তঃস্তর বা এন্ডোকার্ডিয়াম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানব হৃৎপিন্ডের মোট চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। এগুলো হলো-১. উপরের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় অলিন্দ (বাম অলিন্দ এবং ডান অলিন্দ) এবং ২. নীচের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় নিলয় (বাম নিলয় এবং ডান নিলয়)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের অবিরাম সংকোচন এবং প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেহে রক্তসংবহন পদ্ধতি অব্যাহত থাকে। হৃৎপিন্ডের সংকোচনকে বলা হয় 'সিস্টোল এবং প্রসারণকে বলা হয় ডায়াস্টোল। হূৎপিণ্ডের একবার সিস্টোল-ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃৎস্পন্দন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত সংবহনের প্রধান অঙ্গ হৃৎপিন্ড। হৃৎপিন্ডের অবিরাম সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সংবহনতন্ত্রের রক্তপ্রবাহ সচল থাকে। হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলো সম্পূর্ণ বিভক্ত থাকায় এখানে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের সংমিশ্রণ ঘটে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহ সুস্থ রাখতে হৃৎপিণ্ডের ভূমিকা অপরিসীম। রক্ত সংবহনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হৃৎপিন্ড। এর সাহায্যেই সংবহনতন্ত্রের রক্তপ্রবাহ সচল থাকে। হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো সম্পূর্ণ বিভক্ত থাকায় এখানে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের সংমিশ্রণ ঘটে না এবং পাম্প করা রক্ত একই দিকে চলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব নালির ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয় তাদেরকে রক্তনালি বলা হয়। এসব নালিপথে হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে রক্ত বাহিত হয় এবং দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে পুনরায় রক্ত হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে। ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা মানবদেহে এই তিন ধরনের রক্তনালি রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব নালির ভিতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত বা সঞ্চালিত হয়, তাকে রক্তনালি বা রক্তবাহিকা বলে। গঠন, আকৃতি এবং কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা বা রক্তনালি তিন ধরনের। যথা-
১. ধমনি, ২. শিরা ও ৩. কৈশিক জালিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রক্তবাহিকার মাধ্যমে O2 সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে হৃৎপিণ্ডে বাহিত হয়, তাকে পালমোনারি শিরা বলে। আবার, যেসব রক্তবাহিকার মাধ্যমে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে ফুসফুসে বাহিত হয়, তাকে পালমোনারি ধমনি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির প্রাচীর তিন স্তরবিশিষ্ট। যথা-
১. টিউনিকা এক্সটার্না। তত্ত্বময় যোজক কলা দ্বারা তৈরি।
২. টিউনিকা মিডিয়া। অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা তৈরি।
৩. টিউনিকা ইন্টারনা। সরল আবরণী কলা দিয়ে তৈরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পালমোনারি ধমনি ও পালমোনারি শিরার দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

পালমোনারি শিরাপালমোনারি ধমনি
১. ফুসফুসের কৈশিক জালিকা থেকে হৃৎপিন্ড পর্যন্ত এর বিস্তৃতি।১. হৃৎপিন্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসের কৈশিক জালিকা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি।
২. O2 সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে।২. CO2 সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রক্তনালির মাধ্যমে সাধারণত অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয় তাকে ধমনি বলে। ধমনিতে কপাটিকা থাকে না। এর নালিপথ সরু। পক্ষান্তরে, যেসব নালি দিয়ে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে তাদের শিরা বলে। শিরায় কপাটিকা থাকে এবং নালি পথ প্রশস্থ, তাই বলা যায় যে, ধমনি থেকে শিরা ভিন্নতর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার সংযোগস্থলে অবস্থিত কেবল একস্তর বিশিষ্ট এন্ডোথেলিয়াম দ্বারা গঠিত যেসব সূক্ষ্ম রক্তনালি জালকের আকারে বিন্যস্ত থাকে তাদেরকে কৈশিক জালিকা বলে। এগুলো একদিকে ক্ষুদ্রতম ধমনি ও অন্যদিকে ক্ষুদ্রতম শিরার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। এদের প্রাচীর বেশ পাতলা। এ পাতলা প্রাচীর ভেদ করে রক্তে দ্রবীভূত সব বস্তু কোষে প্রবেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শিরা ও ধমনির মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

ধমনিশিরা
১. উৎপত্তিস্থল হৃৎপিন্ড।১. উৎপত্তিস্থল কৈশিক জালিকা।
২. রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিন্ড হতে দেহের বিভিন্ন দিকে।২. রক্তের গতির দিক সাধারণত দেহের বিভিন্ন দিক থেকে হৃৎপিন্ডের দিকে।
৩. নাড়ি স্পন্দন আছে।৩. নাড়ি স্পন্দন নেই।
৪. কপাটিকা থাকে না।৪. কপাটিকা থাকে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত প্রবাহের সময় ধমনি প্রাচীরে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বলে। রক্তচাপকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয় যথা:
১. সিস্টোলিক প্রেসার এর আদর্শ মান ১২০ মিলিমিটার বা এর কিছু নিচে।
২. ডায়াস্টোলিক প্রেসার এর আদর্শ মান ৮০ মিলিমিটার বা এর নিচে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সিস্টোলিক চাপ: হৃৎপিন্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনিগাত্রে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে। একে সিস্টোলিক চাপ বলে। স্বাভাবিক অবস্থায় সিস্টোলিক রক্তচাপ পারদস্তম্ভের ১০০ - ১২০ মিলিমিটার হয়।

ডায়াস্টোলিক চাপ: হৃৎপিন্ডের প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে। স্বাভাবিক অবস্থায় ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ পারদস্তম্ভের ৬৫-৯০ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিণত বয়সে একজন মানুষের ১২০/৮০ মিলিমিটার মানের রক্তচাপকে আদর্শ রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপকে দুটি সংখ্যায় উল্লেখ করা হয়। প্রথমটি উচ্চমান এবং দ্বিতীয়টি নিম্নমান। রক্তের উচ্চ চাপকে সিস্টোলিক চাপ বলে যার আদর্শ মান ১২০ বা এর কিছু নিচে। নিম্নচাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে, এর আদর্শ মান ৮০ বা এর নিচে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ। মানুষের রক্তচাপ যখন এই স্বাভাবিক সীমার চেয়ে উপরে থাকে তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে এবং যখন স্বাভাবিক সীমার নিচে থাকে তখন তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত চলাচলের সময় রক্তনালি গাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে। আর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে সিস্টোলিক চাপ ১২০ এবং ডায়াস্টলিক চাপ ৮০ বা এর নিচের মাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। আর এ চাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয় তখনই আমরা তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে থাকি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত চলাচলের সময় রক্তনালিগাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। আর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়। কারণ ৫০% ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ হলে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তখন কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপ যে কারণে হয় নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
১. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে।
২. রক্তনালিতে চর্বি জমে গেলে।
৩. অধিক স্নায়বিক চাপ থাকলে।
৪. ধূমপানের অভ্যাস থাকলে।
৫. দেহের ওজন বেড়ে গেলে।
৬. অধিক মাত্রায় লবণ খেলে ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
১. মাথা ব্যথা, বিশেষ করে মাথার পিছনের দিকে ব্যথা করা প্রাথমিক লক্ষণ।
২.- রোগীর মাথা ঘোরা, ঘাড় ব্যথা করা, বুক ধড়ফড় করা ও দুর্বলবোধ করা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
৩. অনেক সময় রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়ে।
৪. উক্ত রক্তচাপের রোগীর সুনিদ্রা হয় না এবং অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এমন কিছু পদক্ষেপ হলো-
১. সুষম খাদ্য গ্রহণ (কম লবণ, বেশি ফল এবং সবজি)
২. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম।
৩. মানসিক চাপ কমানো।
৪. ধূমপান এবং মদ্যপান পরিহার করা।
৫. নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা।
৬. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ সেবন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ। উচ্চ শ্রেণির প্রাণীজ কোষের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো কোলেস্টেরল। কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। রক্তে ৩ ধরনের লিপোপ্রোটিন দেখা যায়। যথা- ১. LDL ২. HDL ও ৩. ট্রাই-গ্লিসারাইড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

LDL হলো Low Density Lipoprotein একে খারাপ কোলেস্টেরোল বলা হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়, সাধারণত আমাদের রক্তে ৭০% LDL থাকে। HDL হলো High Density Lipoprotein একে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

LDL কে বলা হয় খারাপ কোলেস্টেরল কারণ, এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। রক্তে এর পরিমাণ বেশি থাকা ক্ষতিকর। আর HDL কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয় কারণ এটি শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়ক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের করোনারির ধমনিগাত্রে চর্বি জমা হলে ধমনিতে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, ফলে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং খাদ্যসার না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে অ্যানজিনা বলা হয়। এছাড়া ধমনির গায়ে বেশি চর্বি জমা হলে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় ফলে করোনারি হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকগুণ বেড়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোলেস্টেরলের কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. কোষপ্রাচীর তৈরি ও রক্ষার কাজ করে।
২. মানবদেহের জনন হরমোন এনড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. কোলেস্টেরল পিত্ত তৈরি করে। পিত্তরস ও অ্যাডরেনাল গ্রন্থির হরমোন তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
৪. সূর্যালোকের উপস্থিতিতে চামড়ায় কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোলেস্টেরল হলো হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ। এটি লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটার ফলে হৃৎপিন্ড পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং খাদ্যসার পায় না। এর ফলে বুকেব্যথা হয় এবং হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকগুণ বেড়ে যায়। তাই কোলেস্টেরল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লিউকেমিয়া হলো একধরনের ক্যান্সার যা রক্ত বা হাড়ের মজ্জায় শুরু হয়। এতে হাড়ের মজ্জায় অস্বাভাবিক রক্তকোষ তৈরি হতে থাকে, যা স্বাভাবিক রক্তকোষগুলোর ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যদি কোনো কারণে লোহিত অস্থিমজ্জা লোহিত কণিকা উৎপাদনে ব্যর্থ হয় তবে অস্বাভাবিক শ্বেত কণিকার বৃদ্ধি ঘটবে। এই শ্বেত কণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে লিউকেমিয়া বলা হয় যা একটি মরণব্যধি রোগ। সাধারণত অল্প বয়স্ক ছেলে-মেয়েরা এ রোগে আক্রান্ত হয়। তাই অধিক হারে শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন ক্ষতির কারণ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো কারণে অস্থিমজ্জা থেকে অত্যাধিক হারে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদিত হওয়ার ফলে রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে লিউকেমিয়া হয়। লিউকেমিয়াকে রক্তের ক্যান্সার বলা হয়। লিউকেমিয়ার কারণে পরোক্ষভাবে অস্থিমজ্জা থেকে শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকার উৎপাদন কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শিশুদের জন্মের পর থেকে লাল অস্থিমজ্জা হতে লোহিত কণিকা উৎপন্ন শুরু হয়। যদি কোনো কারণে লোহিত অস্থিমজ্জা লোহিত কণিকা উৎপাদনে ব্যর্থ হয় এবং অস্বাভাবিক শ্বেত কণিকার অস্বাভাবিক অবস্থার ফলে এ রোগের সৃষ্টি হয় বলে লিউকোমিয়াকে রক্তের অস্বাভাবিকতাজনিত রোগ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, লিউকেমিয়া চিকিৎসাযোগ্য তবে চিকিৎসার ধরন, রোগীর বয়স, লিউকেমিয়ার ধরন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে। সাধারণত কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এবং অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লিউকেমিয়ার প্রধান উপসর্গগুলো হলো-
১. অতিরিক্ত ক্লান্তি।
২. রক্তক্ষরণ বা ছোট ছোট দাগ হওয়া।
৩. পেট বা হাড়ে ব্যথা
৪. শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি (জ্বর)।
৫. শ্বাসকষ্ট বা শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলে যাওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কারো হৃদযন্ত্রের কোনো অংশ রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় কিংবা বাধাগ্রস্ত হয়, এতে হৃৎপিন্ডের কোষ কিংবা হৃৎপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন অথবা করোনারি থ্রোম্বোসিস ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে একনামে হার্ট অ্যাটাক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কারো হৃদযন্ত্রের কোনো অংশে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় কিংবা বাধাগ্রস্থ হয় তখন হূৎপিন্ডের কোষ বা হৃৎপেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এর ফলেই হার্ট অ্যাটাক ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হার্ট অ্যাটাকের সাথে দেহের ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যেমন অধিক তেলযুক্ত খাবার (বিরিয়ানি, তেহারি ইত্যাদি), ফাস্টফুড (বার্গার, বিফ বা চিকেন প্যাটিস ইত্যাদি) খাওয়া, অলস জীবনযাপন এবং শারীরিক পরিশ্রম না করার ফলে এই রোগ দেখা যায়। এছাড়াও সবসময় হতাশা, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও বিমর্ষ থাকলে যেকোনো বয়সে এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণ/উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. বুকের মধ্যে তীব্র ব্যথা বা চাপ।
২. বাম হাতে বা কাঁধে বাথা।
৩. শ্বাসকষ্ট।
৪. ঘাম ও অস্বস্থি।
৫. বমি বা বমি বমি ভাব।
৬. অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার অনুভূতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে/প্রতিকারে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ, শারীরিক ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রেপ্টোকক্কাস অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট শ্বাসনালির প্রদাহ, ফুসকুঁড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ অথবা মধ্যকর্ণের সংক্রামক রোগ প্রভৃতি লক্ষণকে বাতজ্বর বলে। সাধারণত শিশু অবস্থায় এ রোগের আক্রমণ শুরু হয় এবং দেহের অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হয়, বিশেষত হৃৎপিণ্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত শিশুকালেই বাতজ্বর রোগের আক্রমণ শুরু হয় এবং দেহের অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, বিশেষ করে হৃৎপিণ্ড আক্রান্ত হয়। হৃৎপিণ্ড যদি এ রোগে সম্পূর্ণভাবে আক্রান্ত নাও হয়, হৃৎপেশি এবং হৃৎপিন্ডের কপাটিকা বা ভালভ অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে হৃৎপিণ্ড যথাযথভাবে রক্ত পাম্প করতে সক্ষম হয় না এবং দেহে রক্ত প্রবাহের পরিমাণ কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক জীবনধারা ও খাদ্য নির্বাচন। এক্ষেত্রে মেদ সৃষ্টিকারী খাদ্য অর্থাৎ তেল, চর্বি, অতিরিক্ত শর্করা পরিহার করা আবশ্যক। সুষম খাদ্য গ্রহণ করে, প্রতিদিন পরিমিত ব্যায়াম এবং হাঁটা-চলার মাধ্যমেও হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমের উপস্থিতি জীবকে জড় উপাদান থেকে পৃথক করে বিধায় প্রোটোপ্লাজমকেই জীবন বলে,।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইমবাইবিশন হলো কলয়েড জাতীয় শুকনো বা আধা শুকনো পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাই ব্যাপন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই বায়ু চাপে কোনো একটি দ্রবণ ও দ্রাবকের ব্যাপন চাপের পার্থক্যই হলো ব্যাপন চাপ ঘাটতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই তাপমাত্রায় ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ থেকে কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে দ্রাবকের ব্যপিত হওয়ার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাই হচ্ছে ব্যাপন চাপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই দ্রব এবং দ্রাবকযুক্ত দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা দিয়ে আলাদা করা হলে, দ্রাবক তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো অভিস্রবণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে শোষণ প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ পরিহনের জন্য কোষে উৎপন্ন বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় তাই সক্রিয় শোষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের ভিতরকার পানি এবং পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণকে একত্রে কোষরস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালোজ হলো ফ্লোয়েমের সীভপ্লেটে সঞ্চিত একপ্রকার গাঠনিক পলিস্যাকারাইড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ তার বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেয়, তাই প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাতায়, কচিকাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ বেষ্টিত এক প্রকার রন্দ্র থাকে, এরাই পত্ররন্ধ্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বহিঃত্বকে বিশেষ করে পাতার উপরে এবং নিচে বিদ্যমান কিউটিনের আবরণকে কিউটিকল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের গৌণ বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় কান্ডের বাকল ফেটে গিয়ে যে ছিদ্র সৃষ্টি করে তাই লেন্টিসেল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্তকনিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত একটি অস্বচ্ছ, মৃদু ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল পদার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের বর্ণহীন তরল অংশই রক্তরস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের বর্ণহীন তরল অংশই রক্তরস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকাকে ইংরেজিতে Platelet বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে এবং ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্ত কণিকার এন্টিজেন ও এন্টিবডির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। এই বিভক্তিই হলো ব্লাড গ্রুপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যাক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যাক্তিকে রক্ত দিতে পারে। এদেরকে সর্বজনীন রক্তদাতা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড যে পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে তাকে পেরিকার্ডিয়াম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারা দেহে বহনকারি রক্তনালিই হলো ধমনি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

টিউনিকা মিডিয়া হলো বৃত্তাকার অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে তৈরি ধমনির মাঝের স্তর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালিকার প্রাচীর ভেদ করে কোষের চার পাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে সম্মিলিতভাবে লসিকা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রক্ত নালি কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিণ্ডে বহন করে নিয়ে আসে তাদের শিরা বলে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের একবার সিস্টোল (সংকোচন) এবং ডায়াস্টোল (প্রসারণ) কে একত্রে হৃদস্পন্দন (Heart beat) বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের একবার সিস্টোল (সংকোচন) এবং ডায়াস্টোল (প্রসারণ) কে একত্রে হৃদস্পন্দন (Heart beat) বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তচাপই হলো হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন যৌগকে কোলেস্টেরল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

তিন অণু ফ্যাটি এসিডের সাথে এক অণু গ্লিসারলের সংযুক্তিই হলো ট্রাইগ্লিসারাইড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

LDL (Low Density Lipoprotein) হলো খারাপ কোলেস্টেরল। কারণ এটি হৃৎরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানজিনা হলো এক প্রকার হৃৎপিণ্ডজনিত বুক ব্যথা। হৃদপেশি যখন O2 সমৃদ্ধ পর্যান্ত রক্ত সরবরাহ পায় না তখন বুকে এক ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়, এই ব্যথাই হলো অ্যানজিনা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লিউকেমিয়া হলো রক্ত উৎপাদন ব্যবস্থার অস্বাভাবিকতাজনিত একটি রোগ, যা ক্যান্সার নামে পরিচিত। এতে প্রধানত যে অঙ্গটি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তা হলো অস্থিমজ্জা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাতজ্বর স্ট্রেপটোকক্কাস (Streptococcus) অণুজীবের কারণে প্রদাহজনিত রোগ যা হৃৎপিণ্ড, ত্বক, মস্তিষ্ককে আক্রান্ত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি উদ্ভিদ কোষের কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। সেলুলোজ হলো হাইড্রোফিলিক বা পানিপ্রিয় পদার্থ যা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা শুষে নেয়। আবার তরল পদার্থের অভাবে এরা সংকুচিত হয়ে যায়। সেলুলোজ জাতীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত উদ্ভিদদেহের কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইম্বাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়ে উঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানির অপর নাম জীবন। কারণ পানি ছাড়া কোনো জীব বেঁচে থাকতে পারে না। জীবন রক্ষার কাজে অক্সিজেনের পরেই পানির স্থান। দেহের পুষ্টির কাজে পানি অপরিহার্য। দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। মানব দেহে পানির কাজগুােকে তিন ভঅগে ভাগ করা যায়। যথা- দেহ গঠন দেহের অভ্যন্তরীণ কার্য নিয়ন্ত্রণ এবং দেহ থেকে দূষিত পদার্থ নির্গমন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই দ্রব্য এবং দ্রাবকযুক্ত দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা দিয়ে আলাদা করা হলে, দ্রাবক তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। দ্রাবকের বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হওয়াকে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া বলে। অভিস্রবণ প্রকৃতপক্ষে দ্রাবকের ব্যাপন, কেননা এক্ষেত্রে যেদিকে দ্রাবকের পরিমাণ আনুপাতিকড়াবে বেশি (অর্থাৎ কম ঘনত্বের দ্রবণ) যেদিক থেকে দ্রাবক প্রবাহিত হয় সেইদিকে যেদিকে দ্রাবকের পরিমাণ আনুপাতিকভাবে কম (অর্থাৎ বেশি ঘনত্বের দ্রবণ) সেদিকে। অন্যভাবে বলা হয়, অভিস্রবণ হলো দ্রাবকের উচ্চ ঘনত্বের থেকে দ্রাবকের নিম্ন ঘনত্বের দিকে দ্রাবকের প্রবাহ, যেহেতু দ্রবের পক্ষে বৈষম্যভেদ্য পর্দা অতিক্রম করা সম্ভব নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদদেহে খাদ্য চলাচলের প্রধান কাজটি ফ্লোয়েমের সিভনল করে থাকে। সিভনল লম্বালম্বিভাবে একটির সাথে অন্যটি যুক্ত হয়ে উদ্ভিদদেহে জালের মতো গঠন সৃষ্টি করে। দুটো কোষের মধ্যবর্তী অণুপ্রস্থ প্রাচীরটি স্থানে স্থানে বিলুপ্ত হয়ে চালুনির মতো আকার ধারণ করে। এর ফলে খাদ্যদ্রব্য সহজেই এক কোষ থেকে অন্য কোষে চলাচল করতে পারে। শীতকালে এ রন্দ্রগুলোতে ক্যালোজ নামক রাসায়নিক পদার্থ জমা হয়ে রন্দ্র ছোট হয়। তাই শীতকালে উদ্ভিদদেহে খাদ্য চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আপেক্ষিক আর্দ্রতার উপর প্রস্বেদনের হার উঠা নামা করে। বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ও বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতার আনুপাতিক হারকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে। কোনো একটি এলাকায় বায়ুমণ্ডলের অধিক জলীয়বাষ্প থাকা সত্ত্বেও অধিক ধারণ ক্ষমতার জন্য তা শুষ্ক হতে পারে। আবার কম জলীয় বাষ্প থাকা সত্ত্বেও বায়ুমণ্ডলের কম ধারণক্ষমতার জন্য এটি সিক্ত হতে পারে। সেজন্য আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকলে পম্বেদনের হার বেড়ে যায় এবং বেশি থাকলে হার কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁটাস্থান বা ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ হলে সেখানকার অনুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়ন্ত্রিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে প্রমবিনে পরিণত করে। থ্রমবিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায়। ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে এবং রক্তরসে a ও b দুই ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। একে ব্লাড গ্রুপ বলে। দাতা এবং গ্রহীতার রক্তের অ্যান্টিজেন এর উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য রক্তের গ্রুপ জানা প্রয়োজন। দাতার লোহিত কণিকা বা 'কোষের কোষবিঝল্লিতে উপস্থিত অ্যান্টিজেন যদি গ্রহীতার রক্তরসে উপস্থিত এমন অ্যান্টিবডির সংস্পর্শে আসে, যা উক্ত অ্যান্টিজেনের সাথে বিক্রিয়া করতে সক্ষম, তাহলে অ্যান্টিজেন-এন্টিবডি বিক্রিয়া হতে গ্রহীতা বা রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এজন্য সব গ্রুপের রক্ত সবাইকে দেওয়া যায় না। তাই মানুষের রক্তের গ্রুপ জানা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত সঞ্চারণের পূর্বে অবশ্যই রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করে ক্রস ম্যাচিং করে নিতে হয়। পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে না। কারণ- Rh নেগেটিভ রক্ত গ্রুপ বিশিষ্ট কোনো রোগীর দেহে Rh পজিটিভ গ্রুপের রক্ত সঞ্চারণ ঘটালে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই রোগীর রক্তের প্লাজমায় Rh অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয়। ঐ রোগী যদি পরবর্তীতে কখনও Rh পজিটিভ গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করে তাহলে Rh অ্যান্টিবডির প্রভাবে গৃহীত রক্তের লোহিত কণিকাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। এতে বিভিন্ন অসুবিধাসহ রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শরীরের কাটাস্থান বা ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ হলে সেখানকার অনুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়ন্ত্রিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে। থ্রমবিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাঁধায়। ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। কিন্তু রক্তে উপযুক্ত পরিমাণ অনুচক্রিকা না থাকলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না। ফলে অনেক সময় রোগীর প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানব হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের মিশ্রণ ঘটে না কারণ- হৃৎপিণ্ডের উভয় অলিন্দ এবং নিলয়ের মাঝে যে ছিদ্র পথ আছে, তা খোলা বা বন্ধ করার জন্য ভালভ বা কপাটিকা থাকে। ডান অলিন্দ এবং ডান নিলয়ের মধ্যবর্তী ছিদ্রপথ তিন পাল্লাবিশিস্ট ট্রাইকাসপিড কপাটিকা দিয়ে সুরক্ষিত যার ভিতর দিয়ে CO2 যুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়। একইভাবে বাম অলিন্দ এবং বাম নিলয় দুই পাল্লাবিশিষ্ট বাইকাসপিড ভালভ দিয়ে সুরক্ষিত যার ভিতর দিয়ে O2 যুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়। মহাধমনি ও ফুসফুসীয় ধমনির মুখে অর্ধচন্দ্রাকার কপাটিকা থাকে। এদের অবস্থানের ফলে পাম্প করা রক্ত একই দিকে চলে এবং এক ফোটা রক্ত ও উল্টো দিকে ফিরে আসতে পারে না এবং রক্তের মিশ্রণও ঘটে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপ যে কারণে হয় নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

১. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে।, ২. রক্তনালিতে চর্বি জমে গেলে।, ৩. অধিক স্নায়বিক চাপ থাকলে।, ৪. ধূমপানের অভ্যাস থাকলে।, ৫. দেহের ওজন বেড়ে গেলে।, ৬. অধিক মাত্রায় লবণ খেলে ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোলেস্টেরল হলো হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ। এটি লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটার ফলে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং খাদ্যসার পায় না। এর ফলে বুকেব্যথা হয় এবং হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকগুণ বেড়ে যায়। তাই কোলেস্টেরল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভূণ অবস্থায় যকৃত ও প্লীহায় লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন হয়। শিশুদের জন্মের পর থেকে লাল অস্থিমজ্জা হতে লোহিত কণিকা উৎপন্ন শুরু হয়। এগুলো প্রধানত দেহে O₂ সরবরাহের কাজ করে। যদি কোনো কারণে লোহিত অস্থিমজ্জা লোহিত কণিকা উৎপাদনে ব্যর্থ হয় এবং অস্বাভাবিক শ্বেত কণিকার বৃদ্ধি ঘটে তাহলে রক্তের অস্বাভাবিকতাজনিত রোগ লিউকোমিয়া দেখা যায়। সাধারণত অল্পবয়স্ক ছেলে-মেয়েরা এ রোগে আক্রান্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে থেকেই তার হৃৎপিণ্ড কাজ করা শুরু করে এবং মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট গতিতে চলতে থাকে। মানুষের বাঁচা-মরায় হৃদ্যন্ত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হৃদ্যন্ত্রের সুস্থ রাখার জন্য সঠিক জীবনধারা এবং খাদ্য নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে। নানা ধরনের তেল বা চর্বিজাতীয় খাদ্য হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। রক্তের কোলেস্টেরল হৃৎপিন্ডের রক্তনালিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি করে। তাই মেদ সৃষ্টিকারী খাদ্য যেমন তেল, চর্বি, অতিরিক্ত শর্করা, পরিহার এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ করবো। সঠিক খাদ্য নির্বাচনের মাধ্যমে হৃৎপিন্ড সুস্থ রাখা যায়। এছাড়াও প্রতিদিন পরিমিত ব্যায়াম এবং হাঁটা-চলা করতে হবে। এতে হৃৎপিন্ডে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকবে। সুস্থ জীবন লাভের পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডও সুস্থ থাকবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
68

পরিবহন জীবদেহের একটি অতিপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, যা সবসময়েই ঘটে চলেছে। উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পরিবহন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, খাদ্য চলাচলও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। মাটি থেকে গ্রহণ করা পানি আর খনিজ লবণ মূল থেকে পাতায় পৌঁছানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, পাতায় প্রস্তুত করা খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহনও ঠিক তেমনি সমান প্রয়োজনীয়। মানবদেহে পরিবহন প্রক্রিয়া উদ্ভিদের মতো নয় কিন্তু উভয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একই নিয়ম অনুসরণ করে।
উদ্ভিদ আর মানবদেহের পরিবহন পদ্ধতি এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উদ্ভিদে পরিবহনের ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
উদ্ভিদ ও পানির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব।
উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ শোষণ প্রক্রিয়া এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সালোকসংশ্লেণের ফলে উৎপাদিত পদার্থের পরিবহন বর্ণনা করতে পারব।
উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ পরিবহন এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রস্বেদনের ধারণা ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রণে প্রভাবকের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
প্রস্বেদন একটি অতিপ্রয়োজনীয় অমঙ্গল তা মূল্যায়ন করতে পারব।
উদ্ভিদে প্রস্বেদনের পরীক্ষা করতে পারব।
• মানবদেহে সংবহনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• রক্ত উপাদানের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
বিভিন্ন গ্রুপের রন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• রক্ত গ্রুপ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে রক্ত নির্বাচন করতে পারব।
• রক্তদানের নিয়মাবলি এবং এর সামাজিক দায়বদ্ধতা বর্ণনা করতে পারব।
• মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব।
হৃৎপিন্ডের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব।
• হৃৎপিন্ড গঠনগতভাবে যে এর কার্যক্রমের সাথে অভিযোজিত তা বিশ্লেষণ করতে পারব।
• রক্ত সঞ্চালনে রক্তচাপের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
আদর্শ রক্তচাপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ, সীমা, উপকারিতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বর্ণনা করতে পারব।
• রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
রন্তে অস্বাভাবিকতার কারণ ও ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• হৃৎপিণ্ড সম্পর্কিত রোগের লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিশ্লেষণ করতে পারব।
হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখার উপায় বিশ্লেষণ করতে পারব।
বিশ্রামরত অবস্থায় এবং শরীরচর্চার পর রন্তচাপ ও পালসরেট পরিমাপ করতে এবং দুই অবস্থানে পরিমাপকৃত রক্তচাপ ও পালসরেট বিশ্লেষণ করতে পারব।
সঠিকভাবে রক্তচাপ ও পালসরেট পরিমাপ করতে পারব।
• হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখার জন্য নিজে সচেতন হব এবং অন্যকে সচেতন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে পর্দার ভিতর শুধু দ্রাবক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু দ্রব প্রবেশ করতে পারে না তাই বৈষম্যভেদ্য পর্দা।

562
উত্তরঃ

কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধাশুকনা পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়। এ ছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।

3.1k
উত্তরঃ

এখানে ১ উপাদানটি হলো সূর্যালোক। উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়াটিকে দেখানো হয়েছে তা হলো সালোকসংশ্লেষণ। সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উপকরণগুলো হলো- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এর যেকোন একটির অনুপস্থিতিতেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না এবং পরিবেশে ০₂ নির্গত হবে না। অক্সিজেন নির্গত না হাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। জীবজগতে দেখা দিবে খাদ্যভাব। কোন জীবই কর্মশক্তি পাবে না, কারণ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে রাসায়নিক শক্তি রূপে জমা থাকে এবং জীব এ খাদ্য থেকেই তাদের কর্মশক্তি পেয়ে থাকে।

সুতরাং, উদ্দীপকের ১ উপাদানটির অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটবে না।

280
উত্তরঃ

উদ্দীপকের X উপাদানটি হলো পানি এবং Y অঞ্চলটি হলো পাতা। উদ্ভিদ তার সবুজ পাতায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষণ করে এবং তা পাতায় পৌঁছায়। পানির অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ঘটবে না, ফলে উদ্ভিদে কোন খাদ্য তৈরি হবে না। খাদ্য তৈরি না হলে উদ্ভিদ খাদ্যাভাবে মারা যাবে। আবার, খাদ্য তৈরি না হলে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন ধরনের জৈবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। এর ফলে উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হবে এবং এক সময় উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।

আবার X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে প্রস্বেদন ঘটবে না। কারণ প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গই হলো পাতা। মাটি থেকে পানি পাতায় পৌঁছলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়। প্রস্বেদন উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এছাড়া পানি (X) উদ্ভিদের পাতায় (Y) না পৌঁছলে উদ্ভিদ দেহে খনিজ লবণও পৌঁছবে না। ফলে ঐ সকল খনিজ উপাদানের অভাবে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিবে এবং এক সময়ে তাঁদের মৃত্যু ঘটবে।

সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো দেখা দিবে।

359
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের লালবর্ণের অস্বচ্ছ সজীব তরল যোজক কলা।

319
উত্তরঃ

শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।

508
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews