ভলিবল খেলায় ১-৮০ মিটার লম্বা ও ১০ মিলিমিটার চওড়া দুটি দণ্ডকে অ্যান্টিনা বলে। দণ্ড দুইটি ৮০ সেন্টিমিটার জালের উপরে থাকে। সম্পূর্ণ দণ্ড দুটি পর্যায়ক্রমে সাদা ও লাল রঙের হয়।
উচ্চ লাফ দেওয়ার এক প্রকার পদ্ধতি হলো বেলিরোল।
বেলিরোল এর কৌশলগুলো হলো-
১. দৌড়ে আসা (অ্যাপ্রোচ রান)।
২. মাটি ছেড়ে ওঠা (টেক অফ)।
৩. ক্রসবার অতিক্রম করা (ক্রসবার ক্লিয়ারেন্স)।
৪. মাটিতে নামা (ল্যান্ডিং)।
কাবাডি খেলার মাঠ হবে সমান্তরাল ও নরম, মাটি অথবা ম্যাট দ্বারা তৈরি। কাবাডি খেলার মাঠ তিন ধরনের-
১. পুরুষ ও জুনিয়র বালক- ১৩ ১০ মি.
২. মহিলা ও জুনিয়র বালিকা- ১২ ৮ মি.
৩. সব জুনিয়র বালক ও বালিকা- ১১ ৮ মি.
১. দৃষ্টি বলের দিকে থাকবে।
২. মাথার সম্মুখ অংশে কপাল ও চুলের সন্ধিস্থলে বল লাগবে।
৩. ঘাড় শক্ত রেখে বলে আঘাত করতে হবে।
৪. মাথা ঘুরিয়ে বল পাঠানের দিক পরিবর্তন করতে হবে।
৫. পিছনের দিকে হেড করার সময় মাথা সম্পূর্ণ পিছন দিকে নিয়ে কপাল দিয়ে হেড করতে হবে।
ফুটবল খেলায় ক্যাচ ধরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। বলের দিকে স্থির দৃষ্টি রাখতে হবে। বল হাতে আসার সাথে সাথেই আঙ্গুলগুলো বন্ধ করে বুকের কাছে টেনে নিতে হবে। ক্যাচ কয়েক 'ধরনের হয়। ১. স্লিপ ক্যাচ; ২. হাই ক্যাচ; ৩. গ্রাউন্ড ক্যাচ; ৪. ফ্ল্যাট ক্যাচ।
উচ্চ লাফকে ইংরেজিতে হাইজাম্প বলে। উচ্চ লাফ দেওয়ার ল্যান্ডিং এরিয়ার দৈর্ঘ্য ৫ মিটার, প্রস্থ ৩ মিটার এবং উচ্চতা ৬০ সেন্টিমিটার। ক্রসবারের দৈর্ঘ্য ৪ মিটার, ওজন ২ কেজি এবং ব্যাস ২৯-৩১ মিলিমিটার। বিভিন্ন পদ্ধতিতে উচ্চ লাফ দেওয়া যায়। যেমন: ক. সিজার কাট; খ. বেলি রোল; গ. ফসবেরি ফ্লপ।
ফুটবল খেলায় একজন খেলোয়াড়ের সামনে যখন গোলকিপার ছাড়া বল ও বিপক্ষের অন্ততপক্ষে একজন খেলোয়াড়ও না থাকে তখন। তাকে অফসাইড বলে।
খেলাধুলায় দৌড়, ঝাঁপ ও নিক্ষেপকে এককথায় অ্যাথলেটিক্স বলে। ৪০০ ও ৮০০ মিটার দৌড়, ১০০ ৪ মিটার রিলে দৌড়-এগুলো অ্যাথলেটিক্সের অন্তর্ভুক্ত
Related Question
View Allভলিবল খেলায় ১-৮০ মিটার লম্বা ও ১০ মিলিমিটার চওড়া দুটি দণ্ডকে অ্যান্টিনা বলে। দণ্ড দুইটি ৮০ সেন্টিমিটার জালের উপরে থাকে। সম্পূর্ণ দণ্ড দুটি পর্যায়ক্রমে সাদা ও লাল রঙের হয়।
উচ্চ লাফ দেওয়ার এক প্রকার পদ্ধতি হলো বেলিরোল।
বেলিরোল এর কৌশলগুলো হলো-
১. দৌড়ে আসা (অ্যাপ্রোচ রান)।
২. মাটি ছেড়ে ওঠা (টেক অফ)।
৩. ক্রসবার অতিক্রম করা (ক্রসবার ক্লিয়ারেন্স)।
৪. মাটিতে নামা (ল্যান্ডিং)।
কাবাডি খেলার মাঠ হবে সমান্তরাল ও নরম, মাটি অথবা ম্যাট দ্বারা তৈরি। কাবাডি খেলার মাঠ তিন ধরনের-
১. পুরুষ ও জুনিয়র বালক- ১৩ ১০ মি.
২. মহিলা ও জুনিয়র বালিকা- ১২ ৮ মি.
৩. সব জুনিয়র বালক ও বালিকা- ১১ ৮ মি.
১. দৃষ্টি বলের দিকে থাকবে।
২. মাথার সম্মুখ অংশে কপাল ও চুলের সন্ধিস্থলে বল লাগবে।
৩. ঘাড় শক্ত রেখে বলে আঘাত করতে হবে।
৪. মাথা ঘুরিয়ে বল পাঠানের দিক পরিবর্তন করতে হবে।
৫. পিছনের দিকে হেড করার সময় মাথা সম্পূর্ণ পিছন দিকে নিয়ে কপাল দিয়ে হেড করতে হবে।
ফুটবল খেলায় ক্যাচ ধরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। বলের দিকে স্থির দৃষ্টি রাখতে হবে। বল হাতে আসার সাথে সাথেই আঙ্গুলগুলো বন্ধ করে বুকের কাছে টেনে নিতে হবে। ক্যাচ কয়েক 'ধরনের হয়। ১. স্লিপ ক্যাচ; ২. হাই ক্যাচ; ৩. গ্রাউন্ড ক্যাচ; ৪. ফ্ল্যাট ক্যাচ।
উচ্চ লাফকে ইংরেজিতে হাইজাম্প বলে। উচ্চ লাফ দেওয়ার ল্যান্ডিং এরিয়ার দৈর্ঘ্য ৫ মিটার, প্রস্থ ৩ মিটার এবং উচ্চতা ৬০ সেন্টিমিটার। ক্রসবারের দৈর্ঘ্য ৪ মিটার, ওজন ২ কেজি এবং ব্যাস ২৯-৩১ মিলিমিটার। বিভিন্ন পদ্ধতিতে উচ্চ লাফ দেওয়া যায়। যেমন: ক. সিজার কাট; খ. বেলি রোল; গ. ফসবেরি ফ্লপ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
