উত্তরঃ

সিমপ্লেক্স মোড (Simplex Mode) হলো একটি যোগাযোগ পদ্ধতি যেখানে তথ্য একদিকে প্রবাহিত হয়, অর্থাৎ শুধুমাত্র একটি দিক থেকে অন্য দিকের দিকে। এটি মূলত একক দিকের যোগাযোগ বোঝায় এবং এতে প্রেরক ও গ্রহণকারী দুটি অংশ থাকে, যেখানে শুধুমাত্র প্রেরক তথ্য পাঠায় এবং গ্রহণকারী শুধুমাত্র সেই তথ্য গ্রহণ করে।

সিমপ্লেক্স মোডের বৈশিষ্ট্য:

একক দিকের যোগাযোগ: সিমপ্লেক্স মোডে তথ্য কেবল একদিকে প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, টেলিভিশন সম্প্রচার বা রেডিও স্টেশন থেকে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা।

প্রেরণ ও গ্রহণ: এই মোডে প্রেরক তথ্য প্রেরণ করে এবং গ্রহণকারী শুধুমাত্র তথ্য গ্রহণ করে, কোন প্রতিক্রিয়া বা তথ্য পাঠাতে পারে না।

সরলতা: সিমপ্লেক্স মোডের নকশা এবং কার্যকারিতা সাধারণত সহজ এবং কার্যকর। এটি কম জটিল যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে তথ্য প্রবাহের জন্য অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয় না।

উদাহরণ:

  • টেলিভিশন সম্প্রচার: টেলিভিশন চ্যানেলগুলি দর্শকদের কাছে অনুষ্ঠান পাঠায়, কিন্তু দর্শকরা প্রোগ্রাম চালাতে পারেন না।
  • কম্পিউটার পেরিফেরালস: একটি কীবোর্ড কম্পিউটারে ইনপুট দেয়, কিন্তু কম্পিউটার থেকে কীবোর্ডে কোন তথ্য ফিরে যায় না।

সুতরাং, সিমপ্লেক্স মোড হচ্ছে একটি প্রাথমিক এবং একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যেখানে দ্বিমুখী যোগাযোগের প্রয়োজন হয় না।

উত্তরঃ

মডেম (Modem) একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যাল এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালের রূপান্তর করে। "মডেম" শব্দটি "Modulator-Demodulator" এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি মূলত দুটি প্রধান কাজ করে:

১. মডুলেশন:

ডিজিটাল সিগন্যাল যেমন কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইস থেকে আসা ডেটা, যখন টেলিফোন লাইন বা অন্য কোনো অ্যানালগ মিডিয়ার মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়, তখন সেগুলিকে অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে রূপান্তরিত করতে হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। মডেম ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তরিত করে, যাতে এটি টেলিফোন বা ক্যাবল লাইন ব্যবহার করে প্রেরিত হতে পারে।

২. ডেমডুলেশন:

যখন অ্যানালগ সিগন্যালটি গ্রহণ করা হয়, মডেম এটি আবার ডিজিটাল সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডেমডুলেশন। ফলে, প্রাপ্ত তথ্য আবার কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় ফিরে আসে।

অতিরিক্ত ফিচার:

  • ডেটা ট্রান্সফার: মডেম বিভিন্ন ধরনের ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং ডেটা ট্রান্সফার।
  • সংযোগের গতি: মডেমের গতি নির্ভর করে বিভিন্ন প্রকারের উপর, যেমন ডায়াল-আপ মডেম, ব্রডব্যান্ড মডেম, DSL, ফাইবার অপটিক ইত্যাদি।

সারসংক্ষেপ:

সুতরাং, মডেম হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস যা ডিজিটাল এবং অ্যানালগ সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর করে, এবং এটি আমাদের ইন্টারনেট সংযোগ ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক প্রটোকল হল একটি সেট নিয়ম এবং নির্দেশিকা যা দুটি বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের প্রক্রিয়া, ডেটা ফরম্যাট, এবং যোগাযোগের পদ্ধতি নির্ধারণ করে। নেটওয়ার্ক প্রটোকলগুলি ইন্টারনেট, স্থানীয় নেটওয়ার্ক (LAN), এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

নেটওয়ার্ক প্রটোকলের প্রধান বৈশিষ্ট্য:

সংযোগ নির্ধারণ: নেটওয়ার্ক প্রটোকল একটি সংযোগ স্থাপনের পদ্ধতি প্রদান করে, যা ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে।

ডেটা ট্রান্সফার: এটি কিভাবে ডেটা পাঠানো হবে এবং গ্রহণ করা হবে তা নির্ধারণ করে। প্রটোকল ডেটার ফরম্যাট এবং তথ্যের কাঠামোও সংজ্ঞায়িত করে।

ত্রুটি সনাক্তকরণ: নেটওয়ার্ক প্রটোকল ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন করার ব্যবস্থা নিয়ে আসে, যাতে ডেটা সঠিকভাবে পৌঁছায়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা: অনেক প্রটোকল ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনক্রিপশন এবং অথেনটিকেশন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করে।

উদাহরণ:

  • TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি ইন্টারনেটের মূল প্রটোকল স্ট্যাক, যা ডেটা প্যাকেটের আদান-প্রদান পরিচালনা করে।
  • HTTP (Hypertext Transfer Protocol): ওয়েব পৃষ্ঠাগুলির ডেটা স্থানান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
  • FTP (File Transfer Protocol): ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

সারসংক্ষেপ:

নেটওয়ার্ক প্রটোকলগুলি একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলি ডিভাইসগুলির মধ্যে সঠিকভাবে ডেটা বিনিময়, নিরাপত্তা, এবং যোগাযোগের মান বজায় রাখতে সহায়তা করে।

উত্তরঃ

ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একটি সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ভিত্তিক সিস্টেম হতে পারে এবং এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনুমোদিত এবং অস্থায়ী তথ্য প্রবাহের মধ্যে পার্থক্য করা।

ফায়ারওয়ালের কাজ:

নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: ফায়ারওয়াল ক্ষতিকারক সফটওয়্যার, হ্যাকিং প্রচেষ্টা, এবং অন্যান্য সাইবার হামলা থেকে নেটওয়ার্ক এবং ডেটাকে সুরক্ষিত রাখে। এটি ইনকামিং এবং আউটগোিং ট্রাফিক পর্যালোচনা করে এবং নিরাপত্তা নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়।

নীতিমালা প্রয়োগ: ফায়ারওয়াল বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি করতে এবং প্রয়োগ করতে সক্ষম, যেমন কোন পোর্ট এবং প্রোটোকলগুলিকে অনুমতি দিতে হবে বা নিষিদ্ধ করতে হবে।

নেটওয়ার্ক মোনিটরিং: ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করতে পারে। এটি সতর্কতা জারি করতে পারে বা কিছু ট্রাফিক ব্লক করতে পারে।

অ্যাক্সেস কন্ট্রোল: ফায়ারওয়াল নির্ধারণ করতে পারে কোন ব্যবহারকারীরা কোন রিসোর্সে প্রবেশ করতে পারবে এবং কোন রিসোর্সগুলি সীমাবদ্ধ থাকবে।

ফায়ারওয়ালের প্রকারভেদ:

হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল: এটি একটি স্বতন্ত্র ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের প্রবেশদ্বারে স্থাপন করা হয় এবং সমস্ত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সাধারণত একটি রাউটারের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল: এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা একটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয় এবং ওই কম্পিউটারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সাধারণত ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

নেক্সট-জেনারেশন ফায়ারওয়াল: এটি আধুনিক প্রযুক্তির সাথে আপডেট করা হয় এবং ইন্টেলিজেন্ট ফিচার যেমন স্যান্ডবক্সিং, অ্যাপ্লিকেশন কন্ট্রোল এবং ইনট্রুশন প্রিভেনশন সিস্টেম (IPS) অন্তর্ভুক্ত করে।

সারসংক্ষেপ:

ফায়ারওয়াল সাইবার সিকিউরিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা নেটওয়ার্ক এবং ডেটা সুরক্ষিত রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এটি ক্ষতিকারক প্রবাহ শনাক্তকরণ এবং সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কার্যকর।

উত্তরঃ

মুঠোফোনের নিরাপদ ব্যবহারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিচে উল্লেখ করা হলো:

পাসওয়ার্ড ও এনক্রিপশন ব্যবহার: আপনার মুঠোফোনে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা পিন কোড সেট করুন। এটি unauthorized প্রবেশের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। পাশাপাশি, আপনার ডিভাইসের ফাইল এবং ডেটা এনক্রিপ্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এইভাবে, যদি আপনার ফোনটি হারিয়ে যায় বা চুরি হয়, তবে তথ্যগুলো অপরাধীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য হবে না।

অ্যাপ্লিকেশন ও সফটওয়্যার আপডেট রাখা: নিয়মিত আপনার মুঠোফোনের অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করুন। নতুন আপডেটগুলিতে সুরক্ষা সংশোধন এবং বাগ ফিক্স অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা আপনার ডিভাইসকে নিরাপত্তার দিক থেকে আপডেট রাখে। পুরনো বা অপ্রচলিত সফটওয়্যার ব্যবহার করার ফলে নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

এই দুটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, আপনি আপনার মুঠোফোনের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।

উত্তরঃ

একটি ওয়েবসাইটের যোগাযোগের নাম্বার সাধারণত বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়। এখানে কিছু প্রধান জায়গা উল্লেখ করা হলো যেখানে আপনি যোগাযোগের নাম্বার খুঁজে পেতে পারেন:

হোমপেজ: অনেক ওয়েবসাইটের হোমপেজে সাধারণত নিচের অংশে (ফুটার) যোগাযোগের তথ্য থাকে, যেখানে ফোন নম্বর, ইমেইল ঠিকানা এবং অন্য যোগাযোগের মাধ্যম উল্লেখ থাকে।

যোগাযোগ (Contact) পাতা: বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ "যোগাযোগ" বা "Contact Us" পাতা থাকে। এই পৃষ্ঠায় সাধারণত ফোন নম্বর, ইমেইল এবং যোগাযোগের অন্যান্য তথ্য দেওয়া হয়।

এ About Us পৃষ্ঠা: কিছু ওয়েবসাইটে "About Us" পৃষ্ঠাতে সংস্থার বা কোম্পানির যোগাযোগের তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক: ওয়েবসাইটের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলো (যেমন Facebook, Twitter, LinkedIn) থেকে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এই পৃষ্ঠাগুলিতে অনেক সময় সরাসরি যোগাযোগের নম্বর উল্লেখ করা হয়।

সার্ভিস বা সাপোর্ট পৃষ্ঠা: অনেক কোম্পানি তাদের পরিষেবা বা সহায়তা পৃষ্ঠায় যোগাযোগের তথ্য দেয়। এই পৃষ্ঠাগুলিতে ফোন নম্বর, লাইভ চ্যাট এবং ইমেইল ঠিকানা পাওয়া যায়।

যদি আপনি কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের যোগাযোগের নাম্বার খুঁজছেন, তবে উপরের যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

উত্তরঃ

ট্রুথ টেবিল (Truth Table) হল একটি যৌক্তিক সারণি যা বিভিন্ন যৌক্তিক অভিব্যক্তির সত্যতা এবং মিথ্যতার মান নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি যৌক্তিক গণনা ও লজিকাল বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ট্রুথ টেবিল বিভিন্ন ইনপুট ভেরিয়েবলের (যেমন, A, B, C) জন্য সমস্ত সম্ভাব্য আউটপুট ভ্যালু প্রদর্শন করে, যা একটি যৌক্তিক অভিব্যক্তি বা ফাংশনের সত্যতা (True) এবং মিথ্যাতা (False) প্রকাশ করে।

ট্রুথ টেবিলের প্রধান বৈশিষ্ট্য:

ভেরিয়েবল: ট্রুথ টেবিলের প্রথম স্তম্ভে ভেরিয়েবলগুলি উপস্থাপন করা হয়, যা সাধারণত A,B,C ইত্যাদি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

সত্যতার মান: প্রতিটি ভেরিয়েবলের জন্য সব সম্ভাব্য সত্যতার মান তালিকাভুক্ত করা হয়, সাধারণত 0 (মিথ্যা) এবং 1 (সত্য) হিসাবে চিহ্নিত হয়।

যৌক্তিক অপারেশন: বিভিন্ন যৌক্তিক অপারেশন যেমন AND (∧), OR (∨), NOT (¬), NAND, NOR ইত্যাদির ফলাফলও সারণিতে প্রদর্শিত হয়।

উদাহরণ:

ধরা যাক, আমাদের দুটি ভেরিয়েবল A এবং B আছে, এবং আমরা তাদের জন্য একটি AND অপারেশনের ট্রুথ টেবিল তৈরি করতে চাই।

ABA∧B
000
010
100
111

এখানে, টেবিলটি দেখায় যে A এবং B উভয়ই সত্য (1) হলে কেবল A∧B সত্য (1) হবে, অন্যথায় এটি মিথ্যা (0)।

সারসংক্ষেপ:

ট্রুথ টেবিল একটি কার্যকরী সরঞ্জাম যা যৌক্তিক সম্পর্ক ও অভিব্যক্তিগুলির বিশ্লেষণ এবং বোঝাপড়ায় সহায়তা করে। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল লজিক ডিজাইন এবং গণনা তত্ত্বের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

মেশিন কোড হলো একটি প্রাথমিক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা যা সরাসরি কম্পিউটার প্রসেসরের দ্বারা বোঝা যায় এবং কার্যকরী হয়। এটি বাইনারি ফর্ম্যাটে থাকে, যা শুধুমাত্র 0 এবং 1 (বিট) দ্বারা গঠিত। মেশিন কোড কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার স্তরে কাজ করে এবং এটি সফটওয়্যার বা উচ্চ স্তরের ভাষার মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

মেশিন কোডের বৈশিষ্ট্য:

বাইনারি ফরম্যাট: মেশিন কোড সবসময় বাইনারি ফরম্যাটে থাকে। প্রতিটি নির্দেশনা বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়, যা কম্পিউটার প্রসেসরের জন্য সহজবোধ্য।

প্রসেসর নির্ভরতা: প্রতিটি প্রসেসর বা CPU-র জন্য মেশিন কোড ভিন্ন হতে পারে। বিভিন্ন প্রসেসরের আর্কিটেকচার অনুযায়ী তাদের নিজস্ব নির্দেশ সেট থাকে, যার ফলে মেশিন কোড আলাদা হয়।

সরাসরি কার্যকরী: মেশিন কোড সরাসরি প্রসেসরের দ্বারা কার্যকরী হয়, অর্থাৎ কোন রূপান্তর বা ইন্টারপ্রিটেশনের প্রয়োজন হয় না। এটি দ্রুততম এবং সবচেয়ে দক্ষ কোড হিসেবে বিবেচিত হয়।

কমপ্লেক্সিটি: মেশিন কোড পড়া এবং লেখা সাধারণত জটিল এবং কঠিন হয়, কারণ এটি নির্দেশনার সমগ্র গঠন বাইনারিতে থাকে। এজন্য সাধারণত প্রোগ্রামাররা উচ্চ স্তরের ভাষা (যেমন C, C++, Java) ব্যবহার করে এবং সেগুলোকে পরে মেশিন কোডে রূপান্তর করা হয়।

উদাহরণ:

ধরা যাক, একটি সহজ যোগ নির্দেশনা মেশিন কোডে কিছুটা এরকম হতে পারে:

 

এখানে প্রথম অংশ নির্দেশ করে কিভাবে দুটি সংখ্যাকে যোগ করতে হবে এবং পরবর্তী অংশ নির্দেশ করে কোন রেজিস্টারে ফলাফল সংরক্ষণ করতে হবে।

সারসংক্ষেপ:

মেশিন কোড কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা, যা CPU দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয়। এটি অত্যন্ত কার্যকরী হলেও প্রোগ্রামিংয়ের জন্য কঠিন এবং জটিল হতে পারে, তাই সাধারণত উন্নত ভাষায় কোড লেখার পর সেগুলোকে মেশিন কোডে রূপান্তর করা হয়।

উত্তরঃ

পাইথনে "Hello, World!" প্রিন্ট করার জন্য নিম্নলিখিত কোড ব্যবহার করতে পারেন:

এই কোডটি রান করলে আউটপুট হিসেবে "Hello, World!" প্রিন্ট হবে।

উত্তরঃ

 

ভ্যারিয়েবলের নামকরণে প্রথম বর্ণ হিসেবে অক্ষর (a-z, A-Z) বা আন্ডারস্কোর (_) ব্যবহার করা যায়। এখানে দুটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

  1. username - এখানে প্রথম বর্ণ 'u' একটি অক্ষর।
  2. _score - এখানে প্রথম বর্ণ '_' একটি আন্ডারস্কোর।

এই নামগুলো বৈধ ভ্যারিয়েবল নাম, যেগুলো পাইথনসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহার করা যায়।

408

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লিটারেসি কোর্সটি কিশোর বাতায়নে করা যায় ।

Md Zahid Hasan
1 year ago

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লিটারেসি কোর্সটি কোথায় করা যায়

 

1 year after
উত্তরঃ

ভোক্তার কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে কোনো ব্যবসায়ী যখন এটি অন্যের কাছে বিক্রি করে তা ব্যবসায়ী থেকে ভোক্তা ধরনের ই কমার্সের উদাহরণ ।

Md Zahid Hasan
1 year ago

ৃমমমহক

1 year after
উত্তরঃ

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি ডেটার উপস্থিতিকে নেটওয়ার্ক কনজেশন বলে ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ট্রুথ টেবিলে ২টি ইনপুট নিলে সম্ভাব্য মোট ৪ টি ঘটনা পাওয়া যায় ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বড় ডেটাকে (মূল ডেটা) ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়, এই ভাগগুলোকে প্যাকেট বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ওয়াকিটকিতে দুজন পুলিশ অফিসারের কথোপকথন হাফ ডুপ্লেক্স ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোনো ভ্যারিয়েবলে যদি সত্য অথবা মিথ্যা কে তথ্য হিসাবে জমা রাখতে চাই সেটি bool ধরনের তথ্য হবে । 

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নেতিবাচক বা বিপরীত ঘটনাকে আমরা প্রকাশ করতে পারি লজিকাল নট দিয়ে  দিয়ে ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রতিটি NIC কার্ডে নির্মাতা কর্তৃক নির্ধারিত একটি অনন্য ঠিকানা থাকে, তার নাম MAC অ্যাড্রেস ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ২ ধরনের হতে পারে  ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
733
উত্তরঃ

ভোক্তার কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে কোনো ব্যবসায়ী যখন এটি অন্যের কাছে বিক্রি করে তা ব্যবসায়ী থেকে ভোক্তা ধরনের ই কমার্সের উদাহরণ ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বড় ডেটাকে (মূল ডেটা) ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়, এই ভাগগুলোকে প্যাকেট বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews