সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

উৎপাদনের জন্য ৪টি উপাদান আবশ্যক। যেমন-ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। আর যিনি এ চারটি উপাদানকে সমন্বিত করে। উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করেন তাকে উদ্যোক্তা বলে।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। যেমন-কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

সমাজের সবাই যেসব সম্পদ সম্মিলিতভাবে ভোগ করে সেগুলোকে সমষ্টিগত সম্পদ বলে। এ সম্পদের ওপরে নাগরিকের সমান অধিকার ও এগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্ব রয়েছে। যেমন-রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, বনাঞ্চল, নদনদী ইত্যাদি।

উত্তরঃ

ব্যক্তিগত সম্পদের উদাহরণ হলো জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি।

উত্তরঃ

অপ্রাচুর্য বলতে চাহিদার তুলনায় যোগানের সীমাবদ্ধতাকে বোঝায়। কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবাহের পরিমাণ কম হলে দ্রব্যটির অপ্রাচুর্য দেখা দেয়। যেমন-- খাদ্য যেকোনো দেশে যেকোনো সময়ে খাদ্যের সরবরাহের চাহিদার তুলনায় কম। সেজন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ খাদ্যের অপ্রাচুর্য রয়েছে। আবার প্রকৃতিতে প্রয়োজনের তুলনায় অফুরন্ত বাতাস হওয়ায়, এর জন্য মানুষকে কোনো দাম দিতে হয় না। অর্থাৎ বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই।

উত্তরঃ

অর্থনীতিতে কোনো দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সেই বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে। কিন্তু প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের জন্য মানুষকে কোনো দাম দিতে হয় না। অর্থাৎ বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই। এজন্যই অর্থনীতিতে বাতাসকে সম্পদ বলা হয় না।

উত্তরঃ

সম্পদকে পাঁচটি শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। যথা-
১. ব্যক্তিগত সম্পদ;
২. একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদ;
৩. সমষ্টিগত সম্পদ;
৪. জাতীয় সম্পদ এবং
৫. আন্তর্জাতিক সম্পদ।

উত্তরঃ

সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যে সকল সম্পদ ভোগ করে সেগুলোই হলো সমষ্টিগত সম্পদ। সমষ্টিগত সম্পদের ওপর সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে এবং সেগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্ব রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন- বনাঞ্চল, খনিজ সম্পদ, নদ-নদী ইত্যাদি, প্রভৃতি সম্পষ্টিগত সম্পদের অন্তর্গত।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত এবং সমাজের সমষ্টিপত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। কোনো জাতির নাগরিকের গুণাবাচক বৈশিষ্ট্য যেমন- কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া পৃথিবীতে প্রকৃতি প্রদত্ত এবং মানবসৃষ্ট যত সম্পদ রয়েছে তার সবগুলোই জাতীয় সম্পদের অন্তর্গত।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের প্রথম উৎসটি হলো প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ যা কিছু আছে সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা-ফলমূল-প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্যসম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরস্থ পানি ও সকল রকম খনিজ সম্পদ সবই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের দ্বিতীয় উৎসটি হলো মানবসৃষ্ট সম্পদ। কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য-ফল-ফুল-গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, ব্যক্তি উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যানবাহন এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ ও শিল্প দ্রব্য উৎপাদন করে। যা জাতীয় সম্পদের দ্বিতীয় উৎস মানবসৃষ্ট সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হয়।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদ ব্যবহার করা হয় বলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলা হয়। রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের নিজ স্বার্থে জাতীয় সম্পদ জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

উত্তরঃ

কোনো দ্রব্য, বস্তু, প্রতিষ্ঠান, সম্পত্তি বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করাকে বলে সংরক্ষণ। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ যেমন-অর্থসম্পদ, ভূসম্পত্তি, স্বর্ণ-রৌপ্য, অলংকার, কলকারখানা, যানবাহন ইত্যাদি নিজ স্বার্থেই বিশেষ যত্নের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে। শুধু তাই নয়, ব্যক্তি এগুলোর উন্নয়ন ও বৃদ্ধি করতেও তৎপর থাকে। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ অযথা ব্যয় বা অপচয় রোধ করতে এগুলোর তত্ত্বাবধানও করে।

উত্তরঃ

রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, যানবাহন, কারখানা, পুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদি সমস্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে সম্মিলিত সম্পদের অধিকারী। সমন্টিগত সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা করে। তাই এসব সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণে প্রতিটি নাগরিকেরই বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত উভয়েরই সংরক্ষণকে বোঝায়। জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের দুটি উপায় হলো- ১. জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্রীয় যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা। ২. কেউ যেন সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে সে বিষয়ে সচেতন থাকা।

উত্তরঃ

সীমিত সম্পদ দিয়ে বহুবিধ প্রয়োজন মেটানোর জন্যই সম্পদের অপচয় রোধ করা জরুরি। মানুষের অভাব-অসীম। কিন্তু অভাব পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। এক্ষেত্রে আমাদের সীমিত সম্পদ অপচয় হলে আমাদের অভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই সম্পদের অপচয় রোধ করা জরুরি।

উত্তরঃ

উৎপাদনের জন্য চারটি উপাদান আবশ্যক। যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। অর্থনীতিতে ভূমি বলতে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন- জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে বোঝায়। উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে। আবার মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না কিন্তু কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। আর ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদনকার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন।

উত্তরঃ

উপযোগ বলতে কোনো দ্রব্য কর্তৃক মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝায়। যেমন- মানুষের বস্ত্রের প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি প্রভৃতি দ্রব্যের এসব অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। এই ক্ষমতাই হলো উপযোগ। অর্থাৎ অর্থনীতিতে উপযোগ বলতে কোনো দ্রব্য কর্তৃক অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝায়।

উত্তরঃ

উৎপাদিত উৎপাদনকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপান করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি মূলধন হিসেবে স্বীকৃত।

উত্তরঃ

উৎপাদনের তিনটি উপকরণ যথা- ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন তাকে বলা হয় সংগঠক বা উদ্যোক্তা। যেমন-- চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এর জন্য শ্রমিক নিয়োগ করা যায়, যা হলো শ্রম। আর এগুলো একত্র করে যে প্রক্রিয়ায় চেয়ার উৎপাদন করা হয় তাকেই বলা হয় সংগঠন।

উত্তরঃ

উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভূমির ব্যবহারের জন্য ভূমির মালিককে খাজনা দেওয়া হয়। অনুরূপভাবে শ্রমিককে মজুরি, মূলধনের মালিককে সুদ এবং সংগঠককে মুনাফা দেওয়া হয়। এসব পারিতোষিক যেমন- খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা উপাদানসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু ও যথাযথভাবে বণ্টিত হলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসে ও অর্থনৈতিক কল্যাণ সাধিত হয়। আর বণ্টনব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ হলে অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দেয়, জীবনযাত্রার মানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটতে পারে না। ফলে সমাজে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

উত্তরঃ

যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া, উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ডোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। মোট উৎপাদিত সম্পদের অর্থমূল্য কীভাবে উৎপাদনের উপাদানগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়, তা নির্ভর করে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর। এ ব্যবস্থা জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতিবিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে প্রধানত চার ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর আছে। যথা-
১. ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা;
২. সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা;
৩. মিশ্র তঅর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং
৪. ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি তার সম্পদ আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজয় সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ্ন ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

উত্তরঃ

মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যে উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। অর্থাৎ খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। কেবল মানুষেরই অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই তা ভোগ হবে।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থাকে মুক্তবাজার অর্থনীতি বলা হয়। এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া দ্বারা পরিচালিত হয়। মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বলে। পুঁজিপতি বা উদ্যোক্তরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয়মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদ্বৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। অর্থাৎ এই ব্যবস্থায়, শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান আর পুঁজিপতি বা উদ্যোক্তরা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। এ ব্যবস্থায় সম্পদের ওপর কোনো রকম ব্যক্তিমালিকানা থাকে না। সমাজতন্ত্র হচ্ছে সমাজের অর্থনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমেই রাষ্ট্র উৎপাদনের চারটি উপাদানকে সমন্বিত করে একটি সার্বিক কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা অনুসারে উৎপাদন কার্যের নির্দেশনা দেয় ও তা পরিচালনা করে।

উত্তরঃ

ভোক্তার স্বাধীনতার অভাব সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদক এবং ভোক্তার উৎপাদন বিষয়ে স্বাধীনতা নেই। এছাড়া এই অর্থব্যবস্থায় ভোগকারীর নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই। উৎপাদক সরকার নির্ধারিত দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করে এবং ভোগকারী সেগুলোই প্রয়োজনমতো ক্রয় ও ভোগ করে।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কারণে কেউ বেকার থাকে না। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। সকলের আয় এক নয়। কিন্তু ব্যক্তি উৎপাদনে তার অবদান অনুসারে প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হয় না। এখানে শ্রমিকের মজুরি প্রদানের মূলনীতি হলো- প্রত্যেকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সম্পদের অপচয় অপেক্ষাকৃত কম। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন, বণ্টন ও ভোগের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রম একটি কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার আওতায় রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত হয়। তাই এই ব্যবস্থার সম্পদের অপচয়ও অপেক্ষাকৃত কম। এর ফলে মোট জাতীয় উৎপাদনও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায় এবং সম্পদের সুষম বণ্টন সম্ভব.হয়।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কিছু কিছু বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্য উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ভোগের ক্ষেত্রে যেমন- ব্যক্তির মালিকানা স্বীকৃত, তেমনি সরকারি উদ্যোগে উৎপাদন ও বিনিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থনীতির কোনো কোনো খাত বা খাতের অংশবিশেষ সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

মিশ্র অর্থনীতিতে ব্যক্তি বা বেসরকারি খাতেরই প্রাধান্য থাকে। তাই দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদকদের প্রতিযোগিতা এবং দ্রব্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজারে চাহিদা ও যোগানের স্বতঃস্ফূর্ত ক্রিয়া-বিক্রিয়া বিরাজমান। দাম ও সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে ক্রেতার পছন্দ ও উদ্যোক্তার বিনিয়োগ স্থির হয়।

উত্তরঃ

মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সম্পত্তিতে ব্যক্তির মালিকানা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যক্তির স্বাধীনতা ও বেসরকারি খাতের প্রাধান্য থাকে। তাই উৎপাদনকারীদের সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলির মূল উদ্দেশ্য থাকে সর্বাধিক মুনাফা অর্জন। এমনকি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খাতসমূহও কমবেশি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য দ্বারা প্রভাবিত থাকে। তবে জনকল্যাণমূলক কার্যাবলিতে বিশেষত সেবামূলক খাতে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে না।

উত্তরঃ

মিশ্র অর্থনীতিতে বিশেষত জনসাধারণের ব্যবহার্য অতি প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর ক্ষেত্রে একচেটিয়া ব্যবসার ওপর বিধিনিষেধ আরোপিত থাকে। ফলে এসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে একাধিক উৎপাদনকারী প্রতিযোগিতামূলক দামে দ্রব্যটি বাজারে ছাড়তে বাধ্য হন। এতে জনসাধারণ উপকৃত হয়।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো ঐতিহ্য বা কিতাব থেকে উৎসারিত ব্যবস্থা, যা পুঁজিবাদের কাঠামোর মধ্যে কাজ করে। ইসলামি অর্থব্যবস্থার ভিত্তি হলো পবিত্র কুরআন ও হাদিস। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম দ্রব্যসামগ্রী, জীবজন্তু, পরিবেশ ও বস্তুসমূহও সৃষ্টি করেছেন। মানুষ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এসব বস্তুসামগ্রী ও পরিবেশ-প্রকৃতি ব্যবহার করে ধমানুমোদিতভাবে অধিকতর সম্পদ সৃষ্টি ও ভোগ করবে এটাই ইসলামি অর্থব্যবস্থার বিধান।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সকল কার্যাবলি শরিয়া বিধান অনুসারে পরিচালিত হয়। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌল স্তম্ভ, পবিত্র কুরআনের নির্দেশাবলি এবং রাসুল (স.)-এর হাদিসের বিধান অনুসারে অর্থনৈতিক কার্যাবলির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারিত হয়।

উত্তরঃ

হালাল বা ইসলামসম্মত দ্রব্য উৎপাদন ইসলামি অর্থব্যবস্থার লক্ষ্য। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যেকোনো ব্যক্তি একক বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে শরিয়াসম্মত দ্রব্যসামাগ্রি উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগ করতে পারে। এ ব্যবস্থায় বৃহদায়তন উৎপাদন কার্যক্রম প্রচলিত আছে। এই ব্যবস্থায় সামাজিক কল্যাণমুখী শোষণহীন উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এছাড়া এ ব্যবস্থায় উৎপাদনের লক্ষ্য হলো হালাল বা ইসলামসম্মত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন নিশ্চিত করা।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তার একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ব্যবস্থাকে বলে জাকাত। সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য জাকাত প্রদান বাধ্যতামূলক। ন্যূনতম যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে জাকাত দিতে হয় তাকে ইসলামি পরিভাষায় নিসাব বলা হয়।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদ লেনদেন হারাম বা নিষিদ্ধ। যেকোনো অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের অন্যতম উপাদান পুঁজি বা মূলধন। মূলধনের সুদ প্রদানের ব্যবস্থা আছে। এ ব্যবস্থার সুদ লেনদেন হারাম। তবে ইসলামি ব্যাংক ব্যবস্থায় সুদমুক্ত আমানত রাখা ও ঋণ গ্রহণ করার ব্যবস্থা আছে। উৎপাদক ও ব্যবসায়ী এই ঋণ গ্রহণ করতে পারেন এবং ব্যবসায় থেকে প্রাপ্ত লাভ থেকে ঋণদানকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে (অর্থাৎ ব্যাংক) লভ্যাংশ পরিশোধ করতে পারেন।

উত্তরঃ

উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভূমির মালিককে ভূস্বামী বলা হতো।
প্রাচীন বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। একজন ভূস্বামী ছিলেন অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার নিয়ন্ত্রণে সকল বৃত্তি ও পেশার লোকজন যেমন- কৃষক, কামার, কুমার, তাঁতি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চিকিৎসক প্রভৃতি থাকতেন। এমনকি তার সম্পদ সম্পত্তির নিরাপত্তার জন্য প্রজা বা লাঠিয়াল বাহিনী থাকত। ব্রিটিশ শাসনামলে এই ভূস্বামীদের বলা হতো জমিদার।

উত্তরঃ

পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রাধান্য লাভ করে। তবে বেশ কিছুকাল যাবৎ জমিদারি। প্রথার প্রভাবও ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার পাশাপাশি চালু ছিল। তবে পাকিস্তান আমলের শেষ দিকে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুরাপুরি প্রাধান্য লাভ করে। এসময় জনগণের একটি ক্ষুদ্র অশের হাতে দেশের অধিকাংশ মূলধন ও সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়।

উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র অভিমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বড় বড় কলকারখানা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, পরিবহণ, প্রধান প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক শিক্ষা, আমদানি-রপ্তানি ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা দেশত্যাগ করলে এসব প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়ে সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়ে নেয়। যা সমাজতন্ত্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তরঃ

খাজনা, মজুরি, সুদ এবং মুনাফার সমষ্টি হলো- জাতীয় আয় বলে। ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন উৎপাদনের চারটি উপাদান। ভূমির আয়কে খাজনা আর শ্রমের আয়কে বলে মজুরি। মূলধনের আয় হলো সুদ এবং সংগঠন বা উদ্যোক্তার আয় হচ্ছে মুনাফা। এই চারটির সমন্বয়কে জাতীয় আয় বলে।

উত্তরঃ

ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গাজমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ।

উত্তরঃ

যেসব দ্রব্যের উপযোগ রয়েছে, যোগান চাহিদার তুলনায় সীমাবদ্ধ, যা হস্তান্তরযোগ্য এবং বাহ্যিক সত্তার অধিকারী তাকেই সম্পদ বলে।

উত্তরঃ

কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাই হলো উপযোগ ।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের উৎস দুটি।

উত্তরঃ

সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক এ পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

উত্তরঃ

বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন যুক্ত হওয়াকে বিনিয়োগ বলে।

উত্তরঃ

কোনো বস্তুর চাহিদার তুলনায় যোগানের সীমাবদ্ধতাকে অপ্রাচুর্য বলে।

উত্তরঃ

বাহ্যিকতা বলতে বস্তুটি দৃশ্যমান বোঝায়।

উত্তরঃ

হস্তান্তরযোগ্যতা হচ্ছে একজনের নিকট হতে অন্যজনের পাওয়ার সম্ভাব্যতা।

উত্তরঃ

সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদ ভোগ করে তাকে সমষ্টিগত সম্পদ বলে।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের প্রথম উৎসটি প্রকৃতিপ্রদত্ত।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের দ্বিতীয় উৎসটি মানবসৃষ্ট।

উত্তরঃ

কোনো বস্তু, দ্রব্য, প্রতিষ্ঠান, সম্পত্তি বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করা ও তার তত্ত্বাবধান করাকে সংরক্ষণ বলে।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে।

উত্তরঃ

রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে সমষ্টিগত সম্পদের অধিকারী।

উত্তরঃ

বনাঞ্চল সমষ্টিগত সম্পদ।

উত্তরঃ

যে পদ্ধতি, প্রক্রিয়া এবং নিয়মনীতির আওতায় কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয় তাই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

উত্তরঃ

ভূমির মালিককে খাজনা দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে ভূমি বলতে জমিকে বোঝায়।

উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে চার ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর আছে।

উত্তরঃ

উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে সংগঠন বলে।

উত্তরঃ

উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাই হলো শ্রম।

উত্তরঃ

মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়।

উত্তরঃ

উৎপাদন কাজে নিয়োজিত বিনিয়োগের ফলে অর্জিত আয় থেকে ব‍্যয় বাদ দিলে যে উদ্বৃত্ত থাকে তাকে মুনাফা বলে।

উত্তরঃ

ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে যিনি উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করেন তাকে উদ্যোক্তা বলে।

উত্তরঃ

মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগ ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে/ক্ষমতাকে ভোগ বলে।

উত্তরঃ

কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত দ্রব্যের জন্য অনুভূত প্রয়োজনই অভাব।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় বিনিয়োগকারী মুনাফা গ্রহণ করে।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোক্তার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ ব্যক্তিমালিকানাধীন।

উত্তরঃ

অবাধ প্রতিযোগিতা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উত্তর উদ্দেশ্যে উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় শ্রমিক শোষণ বিদ্যমান।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন।

উত্তরঃ

সমাজতন্ত্র হচ্ছে 'সমাজের অর্থনৈতিক সংগঠন।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিমালিকানা স্বীকৃত নয়।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় অর্জিত মুনাফার মালিক রাষ্ট্র বা সরকার।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমন্বয়ে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠেছে।

উত্তরঃ

মিশ্র অর্থনীতিতে সম্পদ বা আয়ের আংশিক সুষ্ঠু বণ্টন ঘটে।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তার একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থাকে যাকাত বলে।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিক ব্যক্তিবর্গ।

উত্তরঃ

ন্যূনতম যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে যাকাত দিতে হয় তাকে ইসলামি পরিভাষায় নিসাব বলে।

উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলায় এবং মুসলিম ও ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশে প্রধানত সামন্ততান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।

উত্তরঃ

সামন্ততান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভূস্বামীকেন্দ্রিক ছিল।

উত্তরঃ

ব্রিটিশ শাসনামলে ভূস্বামীদের বলা হতো জমিদার।

উত্তরঃ

পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে ধনাতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু হয়।

উত্তরঃ

বেসরকারি খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে।

উত্তরঃ

অর্থনীতিতে 'সূর্যের আলো' সম্পদ নয়। কারণ এর মাঝে সম্পদের বৈশিষ্ট্যসমূহের উপস্থিতি নেই। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে। 'সূর্যের আলো' এর মাঝে সম্পদের সকল বৈশিষ্ট্য না থাকায় এটি সম্পদ নয়।

উত্তরঃ

সম্পদ হওয়ার সকল বৈশিষ্ট্য (উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা) ফ্যানের বাতাসে বিদ্যমান বলে ফ্যানের বাতাসকে সম্পদ বলা হয়।

প্রকৃতির বাতাস প্রকৃতিতে অফুরন্ত পাওয়া যায়, অর্থাৎ প্রকৃতির বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই তাই প্রকৃতির বাতাস সম্পদ নয়। কিন্তু ফ্যানের। বাতাস পাওয়ার জন্য মানুষকে অর্থ ব্যয় করতে হয় তাই ফ্যানের বার্তাসের অপ্রাচুর্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর সাথে ফ্যানের বাতাসের সম্পদের সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর তাই ফ্যানের বাতাস সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তরঃ

সমুদ্রের পানি সম্পদ নয়। কারণ, এর মধ্যে সম্পদের সবগুলো বৈশিষ্ট্য উপস্থিত, নেই। কোনো বস্তু সম্পদ হতে হলে তার থাকতে হবে উপযোগ, অপ্রতুলতা, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা। কিন্তু সমুদ্রের পানির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ বৈশিষ্ট্যসমূহের সবগুলো উপস্থিত না থাকায় অর্থনীতিতে তা সম্পদ নয়।

উত্তরঃ

কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে দ্রব্যটির অপ্রাচুর্য দেখা যায়। যেমন- নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মানুষের প্রতিমুহূর্তেই বাতাসের প্রয়োজন। কিন্তু প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের জন্য মানুষকে কোনো দাম দিতে হয় না। অর্থাৎ বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই। এ কারণে বলা যায়, পরিমিত সরবরাহ সম্পদের পূর্বশর্ত।

উত্তরঃ

যেকোনো একটি দ্রব্যের সরবরাহ এর চাহিদার তুলনায় কম হলে দ্রব্যটির অপ্রাচুর্যতা দেখা দেয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, খাদ্য একটি দ্রব্য। যেকোনো দেশে যেকোনো সময়ে খাদ্যের সরবরাহ এর চাহিদার তুলনায় কম। সেই জন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশোধ করতে হয়। এটিই হলো খাদ্যের অপ্রাচুর্য।

উত্তরঃ

মূলধনকে উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান বলা হয়। কারণ, এটি নিজেও একটি উৎপাদিত সম্পদ, যা পরবর্তী পর্যায়ে অন্যান্য দ্রব্য উৎপাদনে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া উৎপাদিত আয়ের একটি অংশ পুনরায় মূলধন বৃদ্ধিতে বা নতুন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়, যা ভবিষ্যতে আরও উৎপাদন করতে সহায়ক হয়। এজন্য মূলধনকে উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান বলা হয়।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের উৎস দুটি হলো প্রকৃতিপ্রদত্ত ও মানবসৃষ্ট। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্য সম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরস্থ পানি ও সকল রকম খনিজ সম্পদ এসবই প্রকৃতিপ্রদত্ত জাতীয় সম্পদ। কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে। সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যেসব নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে সেগুলোই মানবসৃষ্ট জাতীয় সম্পদ।

উত্তরঃ

অর্থনীতিতে স্বাস্থ্য সম্পদ নয়। কারণ এর মাঝে সম্পদের বৈশিষ্ট্যসমূহের উপস্থিতি নেই। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকডা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে। স্বাস্থ্যের মাঝে এসব বৈশিষ্ট্যগুলো না থাকায় এটি সম্পদ নয়।

উত্তরঃ

সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক এই পাঁচ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।

ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা, জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ। সকলে সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদ ভোগ করে, সেগুলো সমষ্টিগত 'সম্পদ। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। আবার কিছু সম্পদ আছে যেগুলো বিশ্বের সকল জাতিই ভোগ করতে পারে সেগুলো আন্তর্জাতিক সম্পদ।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধি সাধনের জন্য জনগণকে সচেষ্ট থাকতে হবে। কারণ জাতীয় সম্পদের মালিক সরকারের পাশাপাশি সমষ্টিগতভাবে সকল নাগরিকও। জনগণের অর্থে জনগণের স্বার্থে সরকার এ সম্পদগুলোর উন্নয়ন করে থাকে। জনগণই এগুলো ব‍্যবহার করে, ভোগ করে। এগুলোর পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আর তাই সমষ্টিগত এ জাতীয় সম্পদের প্রতি সকল নাগরিকেরই বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।

উত্তরঃ

কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত সমৃদ্ধ সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা আবশ্যক। ব্যক্তিগত ও সমস্টিগত সম্পদের সম্মিলিতভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য অপরিহার্য।

উত্তরঃ

সমস্টিগত সম্পদের মালিক রাষ্ট্র এবং জনগণ উভয়েই এবং এসব সম্পদ সংরক্ষণের নাগরিকদের যত্নশীল হতে হবে। সমষ্টিগত সম্পদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান, বনাঞ্চল, জলাশয় প্রভৃতি সবই সমষ্টিগত সম্পদ। এগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হলে তার প্রভাব জনগণের ওপরই পড়ে প্রত্যক্ষভাবে। তাই সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণে রাষ্ট্রের পাশাপাশি জনগণকেও বিশেষ যত্নশীল ও সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে।

উত্তরঃ

কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাপের ওপর। একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে জাতীয় সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। সম্পদ আমাদের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কাজে লাগে। তাই আমরা সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করব এবং সম্পদের অপচয় রোধে বিরত থাকব।

উত্তরঃ

উৎপাদনের উপকরণ বলতে সেই সমস্ত সম্পদ বা উপাদানকে বোঝায়, যা ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা উৎপাদন করা হয়।

উৎপাদনের জন্য চারটি উপাদান আবশ্যক। যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। ভূমি বুলতে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন- জমি, জমির উপস্থিতি এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে বোঝায়। উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম এবং উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। আর উৎপাদনের তিনটি উপকরণ। যথা- ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদনকার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। এ চারটি উপাদান একত্রে কাজ করে কোনো একটি পণ্য বা সেবা তৈরি করে।

উত্তরঃ

যেকোনো কাজের পরিকল্পনা করার পর ব্যবস্থাপকের কাজ হলো তা বাস্তবায়ন করা। আর এজন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের বস্তুগত ও অবস্তুগত উপকরণ। এ উপকরণগুলো সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হবে, যা একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই যেসব কাজ করা প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভাগ করে দক্ষ লোকদের বুঝিয়ে দিতে হয়। তাই বলা যায়, সংগঠন হলো একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া।

উত্তরঃ

উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে।

মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যেমন- যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

সংগঠন বলতে ভূমি, শ্রম, মূলধন ইত্যাদি উপকরণের মধ্যে উপযুক্ত সমন্বয় ঘটিয়ে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করাকে বোঝায়। অর্থাৎ একজন উদ্যোক্তার বিভিন্ন কাজ, যেমন কোনো কিছু উৎপাদনের পরিকল্পনা প্রণয়ন, ভূমি, শ্রম, মূলধন একত্রীকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করাই সংগঠন।

উত্তরঃ

উৎপাদনের তিনটি উপকরণ। যথা- ভূমি, শ্রম ও মূল্গুনকে সমন্বিত করে উৎপাদনকার্য পরিচালনা ও সম্পাদনা করাকে বলা হয় সংগঠন। আর যিনি সংগঠনের এ কাজটি করেন তাকেই বলা হয় উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, উদ্যোক্তা তা বহন করেন। আবার সমস্ত উদ্যোগ থেকে যে লাভ আসে, তাও তারই প্রাপ্য।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অবাধ প্রতিযোগিতা। যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক থাকে এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। উৎপাদক বা বিক্রেতা এবং ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-

১. ভোক্তার স্বাধীনতা : ভোগকারী কোন দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা তার এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।

২. সর্বাধিক মুনাফা অর্জন : ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সম্ভাবনা বেশি, উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলতে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে উৎপাদনের উপাদানসমূহ যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানায় থাকে। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/ আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এজন্য ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্তবাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দ্বারা পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যেকোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনোরকম বাধানিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্তবাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া দ্বারা পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিস্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা।

এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে।

উত্তরঃ

শোষণহীন উৎপাদন ব্যবস্থা বলতে সে ব্যবস্থাকেই বোঝায় যে ব্যবস্থায় উৎপাদন কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের_য়োগ্যতা অনুযায়ী পারিশ্রমিক নিয়ে জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্মত-খাদ্য উৎপাদন করে। প্রচলিত অর্থব্যবস্থাগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শোষণহীন উৎপাদন ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ অর্থব্যবস্থার পুঁজিপতি কর্তৃক উৎপাদন কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ থাকে না।

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। সম্পদের ওপর কোনো রকম ব্যক্তিমালিকানা থাকে না। সমাজতন্ত্র হচ্ছে 'সমাজের অর্থনৈতিক সংগঠন।' এ সংগঠনের মাধ্যমেই রাষ্ট্র উৎপাদনের চারটি উপাদানকে - সমন্বিত করে একটি সার্বিক কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা অনুসারে উৎপাদন কার্যের নির্দেশনা দেয় ও তা পরিচালনা করে। সমাজের সকল সদস্য - এ পরিকল্পিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড থেকে সর্বাধিক কল্যাণ অর্জন করবে- এটিই সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উদ্দেশ্য।

উত্তরঃ

মিশ্র অর্থনীতিতে ব্যক্তি মালিকানা ও ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি কিছু কিছু খাতে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে সরকারি মালিকানা, উদ্যোগ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকর থাকে। জন সাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ও সেবা যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষার আয়োজন এসব প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। তবে এক্ষেত্রেও আংশিক ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্যোগে উৎপাদন ও সরবরাহ দেখা যায়। এছাড়া মৌলিক ও বৃহদায়ন শিল্প, জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, বড় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্য, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, শিশুখাদ্য এসবও সাধারণত সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকে। আবার মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগপণ্য; যেমন- কৃষিপণ্য, কাপড় ও তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াকৃত খাদ্যদ্রব্য, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, ব্যক্তিগত যানবাহন ইত্যাদি প্রধানত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে উৎপাদন ও সরবরাহ করা হয়।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এরূপ এক ব্যবস্থা, যেখানে অর্থনৈতিক কার্যাবলির মূলভিত্তি হলো ইসলামি শরিয়তের অনুশাসন। এখানে কুরআন-সুন্নাহের অনুসারে অর্থনৈতিক কার্যাবলি পরিচালিত হয়। ইসলামি অর্থনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো শোষণমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে সুদ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা স্বীকৃত, তবে জাকাতের মাধ্যমে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূল কথা হলো পবিত্র কুরআন ও হাদিস অনুযায়ী অর্থব্যবস্থা চলবে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা মানুষের জীবনের সামগ্রিক বিষয় আলোচনা করে। এ অর্থব্যবস্থায় অর্থনৈতিক ও অন্য সকল কার্যাবলি শরিয়তের বিধান অনুসারে পরিচালিত হয়। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌল স্তন্ড। পবিত্র কুরআনের নির্দেশাবলি এবং রাসুল (সা.) এর হাদিসের বিধান অনুসারে অর্থনৈতিক কার্যাবলির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারিত হয়।

উত্তরঃ

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য পুঁজিপতির দ্বারা শ্রমিকের শোষণ। শ্রমিককে তার প্রাপ্য ও ন্যায্য মজুরি দেওয়া হয় না। অর্থাৎ জাতীয় আয়ের বৃহত্তর অংশ অল্পসংখ্যক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভোগ করে আর ক্ষুদ্রতর অংশ বণ্টিত হয় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে। এক্ষেত্রে সমাজের সকল জনসাধারণের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সম্পদের সুষম বণ্টনের প্রয়োজন হয়।

উত্তরঃ

উৎপাদনের উপকরণ ৪টি। যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। মানুষ সর্বদা তার বিভিন্ন অভাব পূরণের জন্য এ ৪টি অপরিহার্য উপাদানের সাহায্যে প্রচেস্টা চালায়। আবার মোট উৎপাদিত সম্পদ হতে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা হিসেবে আলাদাভাবে উত্ত ৪টি উপকরণের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। উৎপাদনের উপকরণসমূহের এ আয় ভূমির মালিক, শ্রমিক, পুঁজিপতি বা মূলধন মালিক এবং উদ্যোক্তার মধ্যে বণ্টিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদ বা সম্পদের আয় উৎপাদন উপকরণসমূহের মধ্যে বণ্টিত হয়।

উত্তরঃ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দক্ষ প্রশাসক, ব্যবস্থাপক, উদ্যোক্তাসহ মানবসম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান অনেক লোকসানের সম্মুখীন হয়। ফলে বেসরকারি খাত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান বিরাষ্ট্রীয়করণ শুরু হয়। আর বর্তমানে বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সমতালে চলার লক্ষ্যে মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অর্থনীতিকে পরিচালনা করা হচ্ছে।

উত্তরঃ

অপ্রাচুর্য নেই

উত্তরঃ

মালিকানার ওপর ভিত্তি করে সম্পদকে ৫ শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায় ।

উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের উৎস ২টি ।

উত্তরঃ

সম্পদের রূপান্তর

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা

উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায়

উত্তরঃ

দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের মাধ্যমে

126
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ভোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

2.6k
উত্তরঃ

পার্থের 'ক' দেশের অর্থব্যবস্থাটি হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। 

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। তাই রাষ্ট্রই শ্রমিকের মজুরি প্রদান করে এবং উৎপাদনের অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করে। এর ফলে ধনতন্ত্রের মতো পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ থাকে না। উদ্দীপকে পার্থ 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সেদেশে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না। পার্থের বাবা উক্ত 'ক' দেশে যে কারখানায় কাজ করতেন তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুসারে তাকে দেওয়া হতো। অতএব, পার্থের 'ক' দেশের অর্থব্যবস্থার ধরনটি হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। এখানে শ্রমিকের মজুরি প্রদানের মূলনীতি হলো 'প্রত্যেকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে।' এ ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। সকলের আয় এক নয়। কিন্তু কেউ উৎপাদনে তার অবদান অনুসারে প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হয় না।

645
উত্তরঃ

পার্থ 'ক' দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন যেখানে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না, যা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য এবং 'খ' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমানু।

সাম্প্রতিককালে পার্থ 'খ' নামক দেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং সেখানে তিনি এক লাখ ডলার খরচ করে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তারপর তিনি তার আয় দিয়ে আরও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। অতএব, 'খ' নামক দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

নিচে এ দুটি অর্থব্যবস্থার পার্থক্য তুলে ধরা হলো-

ভিত্তি

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা

১. উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন-ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। এক্ষেত্রে সম্পদের কোনোরকম ব্যক্তিমালিকানা থাকে না।
২. উদ্যোগ গ্রহণধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যেকোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের সকল উদ্যোগ সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
৩. ভোক্তার স্বাধীনতাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারী কোন দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে তার সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারীর নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।
৪. শ্রমিক শোষণএ অর্থব্যবস্থায় শ্রমিকেরা প্রাপ্যের চেয়ে অনেক কম মজুরি পায়। তাই এখানে শ্রমিক শোষণ রয়েছেএখানে মুনাফার মধ্যে পুরোটাই রাষ্ট্র বা সরকারের মালিকানায়। তাই শ্রমিক শোষণের প্রশ্নই ওঠে না।
৫. নির্দেশনাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের যেকোনো ক্ষেত্রে ব্যক্তি নির্দেশনা কার্যকর হয়। অর্থাৎ উদ্যোক্তা নিজেই নানা বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করে থাকে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি নির্দেশের কোনো ব্যবস্থাই নেই। এখানে উৎপাদনের যেকোনো বিষয়ে সায়কারিভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'ক' ও 'খ' দেশের অর্থব্যবস্থা অর্থাৎ সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।

514
উত্তরঃ

উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে।

1.3k
উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের প্রধানত ২টি উৎস। এর মধ্যে প্রথমটি হলো প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভিতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ যা কিছু আছে সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদনদী ও প্রাকৃতিক জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরস্থ পানি ও সকল প্রকারের খনিজ পদার্থ সবই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।

607
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews