উত্তরঃ

সাধারণভাবে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব‍্যয়সংক্রান্ত নীতি ও পদ্ধতিকে বোঝায়। এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এ শাখায় রাষ্ট্রের সব ধরনের আয়-ব্যয়, ঋণ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সমস্যা ও এদের সমাধানের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

উত্তরঃ

ক্রয়কৃত মিষ্টির ওপর অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ মূল্য সংযোজন করের আওতাভুক্ত। মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় ভ্যাট নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থায়িভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবাখাতের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

উত্তরঃ

আমরা জানি, দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি কর বা আবগারি শুল্ক বসা হয়। চিনি আমাদের দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত একটি দ্রব্য। আর তাই চিনির ওপর ধার্যকৃত করকে আবগারিমূলক বলা হয়।

উত্তরঃ

নিকাশঘর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের পারস্পরিক দেনাপাওনার ক্লিয়ারিং হাউস বা নিকাশঘর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। দৈনন্দিন ব্যবসায় বাণিজ্য সংক্রান্ত চেক আদান-প্রদানের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যে দেনা-পাওনার সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে চেকের মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক দেনা-পাওনা মিটিয়ে থাকে।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংক। অর্থাৎ এটি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের ব্যাংক হিসেবে কাজ করে। তাই বাণিজ্যিক ব্যাংককে তার মূলধনের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভ রাখতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ জমার পরিমাণ হ্রাসবৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, দেশরক্ষা, প্রশাসন পরিচালনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকার এ ভূমিকা পালনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় মেটাতে বাংলাদেশ সরকার কখনো কখনো করের হার বৃদ্ধি করে নতুন ক্ষেত্রে। কর আরোপ করে এবং কর বহির্ভূত আয়ের ব্যবস্থাও করে।

উত্তরঃ

জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। সময়ের পরিবর্তনে বাংলাদেশ সরকার এ লক্ষ্যে গড়ে তুলেছে কেন্দ্রীয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ বিশেষ কতকগুলো আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

উত্তরঃ

সরকারি অর্থব্যবস্থা হলো অর্থনীতির অন্যতম পুরুত্বপূর্ণ শাখা। সাধারণভাবে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত নীতি ও পদ্ধতিকে বোঝায়।

উত্তরঃ

সরকারি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে অধ্যাপক ডালটন বলেন, 'সরকারি অর্থব্যবস্থা সরকারের আয়ব্যয় এবং এদের একটির সঙ্গে অপরটির সমন্বয় বিধানের কার্যাবলি আলোচনা করে।'

উত্তরঃ

সরকারি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সব ধরনের আয়ব্যয়, ঋণ ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা ও সেসবের সমাধানের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

উত্তরঃ

দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উত্তরঃ

সিগারেট ক্ষতিকর দ্রব্য হওয়ায় এর ওপর ধার্যকৃত কর আবগারি শুল্কের অন্তর্ভুক্ত।
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। বাংলাদেশে সিগারেট ছাড়াও চা, চিনি, তামাক, স্পিরিট, দিয়াশলাই, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উত্তরঃ

দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশঙ্গাই, মদ, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুষ্ক ধার্য করা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. কর রাজস্ব ও ২. কর বহির্ভূত রাজস্ব। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসগুলোর কয়েকটি হলো- বাণিজ্য শুষ্ক, আবগারি শুল্ক, আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, ভূমি রাজস্ব ইত্যাদি। আর কর বহির্ভূত রাজস্ব আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- লভ্যাংশ ও মুনাফা, রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, বল, টোল ও লেভী, ভাড়া ও ইজারা, জরিমানা, দন্ড ও বাজেয়াপ্তকরণ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে।
মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ, যা সরাসরি ভোগ করা হয় না কিন্তু, যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যেমন- যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

ওষুধে প্রদত্ত করকে আবগারি শুল্ক বলে। দেশের অভ্যন্তরে 'উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক 'ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতিতে কর ধার্য বলা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উত্তরঃ

মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় ভ্যাট (Value Added Tax) নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবাখাতের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

উত্তরঃ

অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পরও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।

উত্তরঃ

ভূমি ভোগ দখলের জন্য সরকারকে প্রদত্ত খাজনাই ভূমি রাজস্ব নামে পরিচিত। সরকার ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করার ফলে এ খাতে সরকারের আয় কিছুটা কম।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার কর ও শুল্ক ছাড়াও আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে। এ উৎসগুলো থেকে অর্জিত রাজস্বকে কর বহির্ভূত রাজস্ব বলে।

উত্তরঃ

টোল হলো একধরনের রাজস্ব আয় যা আয়ের ওপর নির্ধারিত আয়করের মতো নয়। সরকার জনগণের সেবা বাবদ বিভিন্নভাবে এ কর গ্রহণ করে, যেমন: ব্রিজ, সেতু, কালভার্ট, ঘাট, পারাপার, হাটবাজার প্রভৃতি থেকে সরকার অর্থ আদায় করে যা টোল হিসেবে পরিচিত।

উত্তরঃ

সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো - উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা।

উত্তরঃ

প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে।

উত্তরঃ

সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।

উত্তরঃ

সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। তাই সরকার রাষ্ট্রের জনগণের নিকট থেকে প্রগতিশীল, হারে আয়কর আদায় করে থাকে।

উত্তরঃ

মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, দেশরক্ষা, প্রশাসন পরিচালনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজে সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। তাই বলা যায় যে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, দেশরক্ষা, প্রশাসন পরিচালনা, জানমালের নিরাপত্তা বিধান প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য সরকার অর্থ ব্যয় করে।

উত্তরঃ

সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমেও আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য। যেমন- আমদানি-রপ্তানি আইনের আওতায় প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন স্কিম, বিমা আইনের আওতায় প্রাপ্তি এবং সমবায় সমিতিসমূহের অডিট স্কিম, সমবায় সমিতি রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন স্কিম প্রভৃতি।

উত্তরঃ

হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।

উত্তরঃ

দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে ঋণগ্রহণ করতে হয়। এসব ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।

উত্তরঃ

দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য পুলিশ ও আনসার বাহিনী অপরিহার্য। আবার সীমান্ত রক্ষা ও চোরাচালান রোধের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ গড়ে তোলা হয়েছে। এই তিন বৃহৎ বাহিনীর জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।

উত্তরঃ

সরকারের রাজস্ব আদায়কারী বিভাগসমূহ হলো- আয়কর বিভাগ, বাণিজ্য শুষ্ক বিভাগ, আবগারি শুল্ক বিভাগ, ভূমি রাজস্ব বিভাগ প্রভৃতি।

উত্তরঃ

বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি, অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ই অপ্রত্যাশিত ব্যয় নামে পরিচিত।

উত্তরঃ

ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে।

উত্তরঃ

ব্যাংক জনসাধারণের গচ্ছিত অর্থ উদ্যোক্তা উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও ঋণ গ্রহীতাদের ঋণ হিসেবে প্রদান করে এবং এ ধরনের ঋণের ওপর সুদ আদায় করে। সঞ্চিত অর্থের ওপর ব্যাংক যে সুদ দেয় তা ঋণ গ্রহীতাদের নিকট হতে ব্যাংক যে সুদ নেয় তার চেয়ে কম। সুদের হারের এই পার্থক্যই ব্যাংকের মুনাফা।

উত্তরঃ

সঞ্চিত অর্থের ওপর ব্যাংক যে সুদ দেয় তা ঋণ গ্রহীতাদের নিকট হতে ব্যাংক যে সুদ নেয় তার চেয়ে কম। সুদের হারের এই পার্থক্যই ব্যাংকের মুনাফা। মূলত এই মুনাফার ওপর ভিত্তি করে ব্যাংক টিকে থাকে। এ কারণে ব্যাংককে ঋণের কারবারি বলা হয়।'

উত্তরঃ

উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ১. কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২. বাণিজ্যিক ব্যাংক ৩. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংক দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে। দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ -করে বলেই এর নাম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ব্যাংক সরকারের প্রতিনিধি ও আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করে। দেশের কাগজি মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র অধিকার রয়েছে একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

উত্তরঃ

অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা।

উত্তরঃ

বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমুহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন-শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক প্রভৃতি।

উত্তরঃ

অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা।

উত্তরঃ

ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকার। যথা- ১. চলতি আমানত, ২. সঞ্চয়ী আমানত, ৩. স্থায়ী আমানত।

উত্তরঃ

চলতি আমানত বাণিজ্যিক ব্যাংকের তিন প্রকার আমানতের মধ্যে অন্যতম একটি। চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যেকোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না।

উত্তরঃ

যে আমানত একটি নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হবার পর তোলা যায় তাকে স্থায়ী আমানত বলে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণত মূল্যবান সম্পত্তি বন্ধক রেখে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো প্রধানত স্বল্পমেয়াদি ঋণদান করে। কিন্তু বর্তমানে চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে 'মধ্যমেয়াদি ও ক্ষেত্রবিশেষ দীর্ঘমেয়াদি ঋণও দিয়ে থাকে।

উত্তরঃ

বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হ্রন্ডি, ভ্রমণকারীর ঋণপত্র ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংক নিরাপদে এবং দ্রুত টাকা স্থানান্তর করে। এসব ব্যাংক চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার, ভ্রমণকারীর চেক, টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) প্রভৃতি উপায়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণে জনগণকে সহায়তা করে।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বর্হিমূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সকল ব্যাংকের ব্যাংক বলা হয়। কারণ অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই জমার পরিমাণ হ্রাসবৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

উত্তরঃ

অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মোট অর্থের পরিমাণ যদি বেড়ে যায়, তাহলে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মোট মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের মধ্যে যথাসম্ভব সমতা বিধান। করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করে।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়। তখন বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে আর্থিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করে। এজন্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সর্বশেষ পর্যায়ের ঋণদাতা বলা হয়।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যকার দেনা পাওনার হিসাব নিষ্পত্তি করে বলে 'কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নিকাশঘর বলা হয়।

দৈনন্দিন ব্যবসায় বাণিজ্যসংক্রান্ত চেক আদান-প্রদানের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যে দেনা-পাওনার সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে চেকের মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক দেনাপাওনা মিটিয়ে থাকে। এ দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে থাকে বিধায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ক্লিয়ারিং হাউস বা নিকাশঘর বলা হয়।

উত্তরঃ

স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা।

উত্তরঃ

স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে।

উত্তরঃ

গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্র পুরুষ ও নারীদের বিনা জামানতে ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে। গ্রামীণ মহাজনদের শোষণ থেকে গরিব মানুষকে রক্ষা করার মহান ব্রত নিয়েই এ ব্যাংকের অগ্রযাত্রা।

উত্তরঃ

বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব‍্যাংকগুলোকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। যেমন-শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক। গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাবসম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।

উত্তরঃ

গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ব্যতিক্রমধর্মী ব্যাংক, যা ১৯৮৩ সালে আত্মপ্রকাশ করে। এটি মহাজনদের শোষণ থেকে গরিব মানুষকে রক্ষা করায় মহানব্রত নিয়ে অগ্রযাত্রা শুরু করে। বিনা জামানতে দরিদ্র পুরুষ ও নারীদের ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে।

মূলত গ্রামীণ ব্যাংক গ্রাম অঞ্চলের দারিদ্র্য দূরীকরণে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।

উত্তরঃ

অর্থনীতির যে শাখা' সরকারের আয়-ব্যয় ও ঋণসংক্রান্ত বিষয়াবলি আলোচনা করা হয় সেই শাখাই সরকারি অর্থব্যবস্থা।

উত্তরঃ

ডাল্টনের মতে, 'সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে সরকারের আয় ও ব্যয়সংক্রান্ত নীতি ও পদ্ধতিকে বোঝায়।

উত্তরঃ

সরকারি অর্থব্যবস্থা অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।

উত্তরঃ

সাধারণভাবে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয়সংক্রান্ত নীতি পদ্ধতিকে বোঝায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্পকারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে।

উত্তরঃ

দ্রব্যসামগ্রীর ওপর অন্যান্য শুল্ক আরোপের পরও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাই সম্পূরক শুল্ক।

উত্তরঃ

দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে।

উত্তরঃ

দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপরে যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুষ্ক বলে।

উত্তরঃ

ভূমি ভোগদখলের জন্য সরকারকে প্রদত্ত খাজনাকেই ভূমি রাজস্ব বলে।

উত্তরঃ

মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় ভ্যাট নামে পরিচিত।

উত্তরঃ

দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কিছু সেবাখাতের ওপর যে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে তা মূল্য সংযোজন কর নামে পরিচিত।

উত্তরঃ

জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।

উত্তরঃ

VAT-এর পূর্ণরূপ হলো- Value Added Tax.

উত্তরঃ

রেজিস্ট্রেশন ফি সরকারের কর বা রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস হলো দুটি। যথা ১. কর রাজস্ব ও ২. কর বহির্ভূত রাজস্ব।

উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নিবন্ধনের জন্য প্রদত্ত করকে যানবাহন কর বলে।

উত্তরঃ

মদ, গাঁজা, আফিম ইত্যাদির ওপর শুল্ক বসানো হলে তাকে মাদক শুল্ক বলে।

উত্তরঃ

সরকার বিদ্যুতের ওপর যে শুল্ক বসায় তাকে বিদ্যুৎ শুল্ক বলে।

উত্তরঃ

দলিলপত্র রেজিস্ট্রি বা নিবন্ধন করার জন্য সরকার যে ফি' আদায় করেন তাকে রেজিস্ট্রেশন ফি বলে।

উত্তরঃ

সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যে লভ্যাংশ ও মুনাফা পায় তাই লভ্যাংশ ও মুনাফা।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত হলো প্রতিরক্ষা।

উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রকল্পিত ব্যয়ের বাইরে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয় তাকে অপ্রত্যাশিত ব্যয় বলে।

উত্তরঃ

প্রতিরক্ষা বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের অন্যতম খাত।

উত্তরঃ

ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং রূণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান।

উত্তরঃ

দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহের তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রণকারী সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলা হয়।

উত্তরঃ

ব্যাংক তিন প্রকার।

উত্তরঃ

ব্যাংকে গ্রাহক যে অর্থ জমা রাখে তার ওপর অল্প সুদ দেয় এবং ঋণ দিয়ে গ্রাহকের নিকট থেকে অতিরিক্ত সুদ আদায় করে। সুদের হারের এ পার্থক্য থেকে যে আয় হয়, তার ওপর ব্যাংক টিকে থাকে।

উত্তরঃ

দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহের তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রণকারী সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলা হয়।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানত তিন প্রকার। যথা- চলতি, সঞ্চয়ী ও স্থায়ী আমানত।

উত্তরঃ

চলতি আমানতের গ্রচ্ছিত অর্থ যেকোনো সময় তোলা যায়।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংক তিন ভাগে আমানত গ্রহণ করে।

উত্তরঃ

বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে নিরাপদে ও দ্রুত টাকা স্থানান্তর করা যায়।

উত্তরঃ

উন্নত দেশগুলোতে অধিকাংশ লেনদেনই চেক ব্যাংক ড্রাফট হুন্ডি ভ্রমণকারীর ঋণপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউস নামে যে ঘর আছে সেটাই নিকাশঘর।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।

উত্তরঃ

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রাই চিহ্নিত মুদ্রা।

উত্তরঃ

স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও -কর্ম ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ হতে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে স্ব উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা।

উত্তরঃ

স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়।

উত্তরঃ

কৃষি ব্যাংক কৃষকদের স্বল্প মাধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে ঋণ প্রদান করে থাকে।

উত্তরঃ

গ্রামীণ ব্যাংক পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণদানের জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নকারী প্রতিষ্ঠান।

উত্তরঃ

সাধারণত সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয়সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়।

অধ্যাপক ডাল্টনের ভাষায়, “সরকারি অর্থব্যবস্থা সরকারের আয়-ব্যয় এবং এদের একটির সঙ্গে অপরটির সমন্বয় বিধানের কার্যাবলি আলোচনা করে।" অর্থনীতির এ শাখায় রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয়, ঋণ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সমস্যা ও এদের সমাধানসহ যাবতীয় কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। বাংলাদেশে যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উত্তরঃ

সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আয়কর প্রদান করা হয়।
সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাস্ত্রন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। ফলে আয়করসহ বিভিন্ন উৎস মারফত সরকার জনগণের নিকট হতে কর আদায় করে।

উত্তরঃ

অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পরও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। সাধারণত বিশেষ আর্থিক সংকটের কারণে এ ধরনের শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের একটি অন্যতম উৎস হচ্ছে কর রাজস্ব। আর এ কর রাজস্ব আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হচ্ছে আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। বাংলাদেশে যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর প্রদান করা হয়।

উত্তরঃ

আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাই আবগারি শুল্ক। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

শুল্ক: দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে সাধারণত শুল্ক বা বাণিজ্য শুল্ক বলে।

উত্তরঃ

ক্ষতিকর নেশাজাত দ্রব্যের উৎপাদন বন্ধ করতেই নেশাজাত দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা 'হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ; স্পিরিট, দিয়াশলাই; মদ, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উত্তরঃ

সাধারণত সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয়সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়।

অধ্যাপক ডাল্টনের ভাষায়, “সরকারি অর্থব্যবস্থা সরকারের আয়-ব্যয় এবং এদের একটির সঙ্গে অপরটির সমন্বয় বিধানের কার্যাবলি আলোচনা করে।" অর্থনীতির এ শাখায় রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয়, ঋণ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সমস্যা ও এদের সমাধানসহ যাবতীয় কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। বাংলাদেশে যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উত্তরঃ

সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আয়কর প্রদান করা হয়।

সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাস্ত্রন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। ফলে আয়করসহ বিভিন্ন উৎস মারফত সরকার জনগণের নিকট হতে কর আদায় করে।

উত্তরঃ

অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পরও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। সাধারণত বিশেষ আর্থিক সংকটের কারণে এ ধরনের শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের একটি অন্যতম উৎস হচ্ছে কর রাজস্ব। আর এ কর রাজস্ব আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হচ্ছে আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। বাংলাদেশে যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর প্রদান করা হয়।

উত্তরঃ

আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাই আবগারি শুল্ক। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

শুল্ক: দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে সাধারণত শুল্ক বা বাণিজ্য শুল্ক বলে।

উত্তরঃ

ক্ষতিকর নেশাজাত দ্রব্যের উৎপাদন বন্ধ করতেই নেশাজাত দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা 'হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই; মদ, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উত্তরঃ

সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত হলো কর রাজস্ব বাবদ সংগৃহীত অর্থ। মূলত প্রত্যক্ষ কর ও পরোক্ষ কর এই দুই ধরনের করের সমন্বয়ে কর রাজস্ব, গঠিত। এ খাত থেকে সরকারের মোট আয়ের ৮০% (শতাংশের) বেশি সংগৃহীত হয়। সরকারের কর রাজস্বগুলো হলো- বাণিজ্য শুল্ক, আবগারি শুল্ক, আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক, ভূমি রাজস্ব প্রভৃতি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতটি হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার হাত থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার প্রচুর অর্থব্যয় করে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত প্রতিরক্ষা। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতনভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য খরচ, যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র সাজসরঞ্জাম ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকারকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।

উত্তরঃ

অর্থনৈতিক সেবা দানের মাধ্যমে সরকার আয় করে যা সরকারের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

সরকার পর্যটন, প্রমোদ সেবা, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদান করে থাকে। আমদানি-রপ্তানি আইনের আওতায় প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন স্কিম, বিমা আইনের আওতায় প্রাপ্তি এবং সমবায় সমিতিসমূহের অডিট স্কিম, সমবায় সমিতি রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন স্কিম প্রভৃতির মাধ্যমে সরকার একদিকে জনগণকে অর্থনৈতিক - সেবা প্রদান করে তেমনি অন্যদিকে অর্থ আয় করে থাকে। এভাবে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সেবা সরকারের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের র‍্যয়ের তাৎপর্যপূর্ণ খাতটি হলো শিক্ষা।

শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভৌত- অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও অর্থ ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক এ দুরকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকেন।

উত্তরঃ

দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে ঋণগ্রহণ করতে হয়। এসব ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করতে হয়।

উত্তরঃ

ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণগ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। সুদ হিসেবে আয়ত্ত করে থাকে। ব্যাংক জনসাধারণের এ গচ্ছিত অর্থ উদ্যোক্তা, উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও ঋণগ্রহীতাদের ঋণ হিসেবে প্রদান করে এবং এ ধরনের ঋণের ওপর সুদ আদায় করে। সঞ্চিত অর্থের ওপর ব্যাংক যে সুদ দেয় তা ঋণগ্রহীতাদের নিকট হতে ব্যাংক যে সুদ নেয় তার চেয়ে কম। সুদের হারের এ পার্থক্যই ব্যাংকের মুনাফা বলে। এ কারণে ব্যাংককে ঋণের কারবারি বলা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ব্যতিক্রমধর্মী ব্যাংক বলতে বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। বিশেষ বা ব্যতিক্রমধর্মী লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্পব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মজুরির জন্য গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা। এছাড়া সমবায় ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতিও বিশেষ বা ব্যতিক্রমধর্মী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

যে আমানত একটি নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তোলা যায় তাই স্থায়ী আমানত। এ আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে উচ্চহারে সুদ প্রদান করে।

অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন ধরনের হয়। যথা- চলতি আমানত, মুঞ্চয়ী আমানত ও স্থায়ী আমানত।

উত্তরঃ

ব্যাংক আমানত সাধারণত তিন ধরনের- চলতি, স্থায়ী ও সঞ্চয়ী আমানত। চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যেকোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য কোনো সুদ প্রদান করা হয় না।

সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। আর যে আমানত নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তোলা যায় তাকে স্থায়ী আমানত বলে। এর জন্য উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। বাণিজ্যিক ব‍্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকারের যেমন- চলতি, সঞ্চয়ী এবং স্থায়ী আমানত। জনসাধারণের কাছ থেকে গৃহীত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ গচ্ছিত রেখে অবশিষ্ট অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদেরকে ঋণ হিসেবে প্রদান করে।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকের বহুমাত্রিক কার্যাবলির জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংককে ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রাণ বলা হয়। বাণিজ্যিক ঋণ প্রদান, বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি, দ্রুত টাকা হস্তান্তর, আমানত গ্রহণ, প্রভৃতির কারণে ব্যবসায় বাণিজ্য সহজতর হয়। এজন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকে ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রাণ বলা হয়।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যেমন- সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, উত্তরা, পূবালী, ন্যাশনাল, সিটি, ইসলামী ব্যাংক প্রভৃতি।

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয় এবং অন্য কোনো উৎস থেকে ঋণ গ্রহণে ব্যর্থ হয় তখন বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে আর্থিক সংকটের হাত হতে রক্ষা করে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।

উত্তরঃ

বিভিন্ন ব্যাংকসমূহ যখন কোথাও থেকে ঋণ পায় না তখন তারা সবশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়, তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। সর্বশেষ পর্যায়ের ঋণদাতা বলা হয়।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং অন্য কোনো উৎস হতে ঋণ নিতে ব্যর্থ হয় তখন বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক-ই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে আর্থিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করে। এজন্ম কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সর্বশেষ পর্যায়ের ঋণদাতা বলা হয়।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি বিবেচনা করেই একে সকল ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো অন্যান্য ব্যাংকের নিকাশঘর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার অধীনস্ত তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহকে প্রয়োজনে ঋণ দেয় এবং ঋণ তদারকের। ব্যবস্থা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহকে সঠিকভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শও প্রদান করে থাকে। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সকল - ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয়।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকসমূহের জমার পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মোট অর্থের পরিমাণ যদি বেড়ে যায়, তাহলে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মোট মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের মধ্যে যথাসম্ভব সমতা বিধান করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করে।.. মুদ্রা সংকোচন ও মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর লক্ষ্যে এই ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

উত্তরঃ

অন্য ব‍্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ না করে নিজের জন্য অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করা হলো স্বকর্মসংস্থান।

কোনো ব্যক্তি যদি নিজের শ্রম ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগত। স্বার্থে অর্থ উপার্জনের পথ সৃষ্টি করে তখন তাকে আত্মকর্মসংস্থান বা স্বকর্মসংস্থান বলে। কৃষি, ব্যবসায়, সেবা, কারিগরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়। বেকারত্ব দূরীকরণ ও জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে স্বকর্মসংস্থানের গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তরঃ

আত্মকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ বলে বিবেচিত। আর এই ধরনের কর্মকান্ডের সাথে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো সরাসরি সম্পৃক্ত। বিশেষ করে কৃষি ও পল্লী ঋণ খাতে এসব প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। যেমন- কৃষি ব্যাংক, হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানির পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ -স্থাপনের জন্য ব‍্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামীণ নারীদের । স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এরকম আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হলো- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ইত্যাদি। সুতরাং বলা যায়, দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষায়িত ব্যাংকের ভূমিকা, উল্লেখযোগ্য।

উত্তরঃ

বিনিময়ের মাধ্যম

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়

উত্তরঃ

Value Added Tax

উত্তরঃ

ভূমি ভোগদখলের জন্য সরকারকে প্রদত্ত খাজনা

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছেন

উত্তরঃ

উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে, ব্যাংকসমূহকে প্রধানত ৩ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ব্যাংক

উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংক

উত্তরঃ

ব্যাংকের আমানত সাধারণত ৩ প্রকার

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক

উত্তরঃ

সর্বশেষ পর্যায়ের ঋণদাতা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বলা হয় ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক ক্লিয়ারিং হাউস হিসেবে কাজ করে

উত্তরঃ

একটি দেশের মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

উত্তরঃ

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

উত্তরঃ

সরকারি বাজেট প্রণয়নে সাহায্য করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

উত্তরঃ

ঋণ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

উত্তরঃ

স্বকর্মসংস্থান বলতে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করা

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে ২০-২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে

উত্তরঃ

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

উত্তরঃ

পল্লির ভূমিহীন পুরুষ ও নারীদের ঋণদানের জন্য গঠিত ব্যাংক হলো গ্রামীণ ব্যাংক

উত্তরঃ

বিনা জামানতে ঋণ দেয় গ্রামীণ ব্যাংক

উত্তরঃ

কৃষি উৎপাদনের জন্য কৃষকদের ঋণ প্রদান করে কৃষি ব্যাংক

90
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All

ব্যাংকসমূহকে প্রধানত কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- ১. কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ২. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ৩. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
437

চিহ্নিত মুদ্রা' কী? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রাই দেশের 'চিহ্নিত মুদ্রা'। দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রাব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
623

মামুন যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, দারিদ্র্য নিরসনে এর কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মামুন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। দারিদ্র্য নিরসনে এর বহুবিধ কার্যক্রম রয়েছে।

মামুন তার পৈতৃক সম্পত্তি চাষাবাদের কাজে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য যে ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন সেটি হচ্ছে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক'। ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শক্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষিকার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশুপালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে যাচ্ছে।

উদ্দীপকে মামুন তার পৈতৃক সম্পত্তি চাষাবাদের কাজে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেছে। আর এ ধরনের ঋণ প্রদান করে বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আর মামুনের নলকূপের পানি দিয়ে যেমন গ্রামের কৃষকেরা অধিক ফসল উৎপাদন করছে তেমনিভাবে এ থেকে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছে।

অতএব, দারিদ্র্য নিরসনে কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রম অপরিসীম গুরুত্বের দাবিদার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
331

'নাফিজ যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, অর্থনীতিতে উক্ত ব্যাংকটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।'-বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। আর বাণিজ্যিক ব্যাংক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর ঋণপত্র ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়া বাট্টা ধার্য করে হুন্ডি বা বিনিময় বিল ভাঙিয়ে দেওয়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক নিরাপদে এবং দ্রুত টাকা স্থানান্তর করে। এসব ব্যাংক চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পে- অর্ডার, ভ্রমণকারীর চেক, টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার প্রভৃতি সহজ উপায়ে একস্থান থেকে অন্যস্থানে অর্থ প্রেরণে জনগণকে সহায়তা করে। এ এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংক মূল্যবান অলংকার ও দলিলপত্র গঞ্ছিত রাখার কাজ করে থাকে। উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে বাড়ি বন্ধক রেখে বিশ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে পোশাক উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। ফলে নাফিজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। পাশাপাশি সে গ্রামের প্রায় একশত লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ নাফিজ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়ায় তাদের গ্রামের অর্থনীতিতে উন্নয়ন এসেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংক এভাবেই অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা দ্বারা প্রশ্নোক্ত উক্তিটির যথার্থতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243

কৃষি ও পল্লি উন্নয়নের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বার্ষিক ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম হার কত? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কৃষি ও পল্লি উন্নয়নের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বার্ষিক ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম হার শতকরা ২৫ ভাগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
378

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতটি ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা।

শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
431
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews