উত্তরঃ

সরকারের তিনটি মৌলিক বিভাগের নাম হচ্ছে যথাক্রমে আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

উত্তরঃ

সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যেকোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগে বাধ্য হন। আর এভাবেই জাতীয় সংসদ শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে ওঠায় কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত থেকে স্থানীয় পর্যায়ে এলাকাভেদে বিশেষ প্রয়োজন, বৈচিত্র্য ও বাস্তবতার আলোকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও স্থানীয় উন্নয়ন, গতিশীলতা লাভ করেছে। এ ব্যবস্থা স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে যা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। অতএব স্থানীয় প্রশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তরঃ

সাধারণভাবে সরকার বলতে আমরা বুঝি আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ। সরকারব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্বরূপ। রাষ্ট্র ভার যাবতীয় কার্যাবলি সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত করে থাকে।

উত্তরঃ

সামগ্রিকভাবে সরকারের বিভাগ তিনটি। যথা-১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ; ২. আইনবিভাগ; ৩. বিচারবিভাগ।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।

উত্তরঃ

সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয় বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ

প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে। এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত। কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচারবিভাগ বলে। আইন ভঙ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা বহুলাংশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

উত্তরঃ

পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে। সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান। সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দাযিত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।

উত্তরঃ

সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। এছাড়া তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দান করেন। তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে তিনি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি যদি বুঝতে পারেন, যুদ্ধ, বহিঃশত্রুর আক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে বাংলাদেশ বা এর কোনো অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হয় তাহলে তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। জরুরি অবস্থাকালে মুংবিধানের কিছু বিধান ও মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিত থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। 'তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সংসদের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কার্যাবলি পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন। দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন। আর এভাবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা। তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠু পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। সংসদে সকল সদস্যের অধিকার সংরক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অনেক। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে তা উপস্থাপন করেন। বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক নীতির প্রতিফলন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহের অর্থ মজুরি প্রদান করেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন। দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

উত্তরঃ

আইনবিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরানো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

উত্তরঃ

জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

উত্তরঃ

সংসদীয় পদ্ধতিতে আইনসভা সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা গঠন করে দেশ শাসন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে তাদের কাজের জন্য আইনসভার নিকট দায়ী থাকেন। তাদেরকে সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। আইনসভার আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন বিভাগ দ্বারা শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা এবং বাংলাদেশে আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভা শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। জাতীয় সংসদ সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা, মন্দ কাজের সমালোচনা, মূলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এভাবেই জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তরঃ

সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে'। সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে।

উত্তরঃ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। সংসদের বিভিন্ন কমিটি নির্বাচন করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে।

উত্তরঃ

সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে।

উত্তরঃ

সংসদ সদস্যদের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনতা বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচারবিভাগ, সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বাংলাদেশের বিচারবিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।

উত্তরঃ

একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদন্ড। বিচার বিভাগ ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দক্ষ শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে এর ক্ষমতা ও কার্য পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক।

উত্তরঃ

বিচারবিভাগের প্রধান কাজ প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আইন অমান্যকারীর বিচার করা। এক্ষেত্রে বিচারকগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করেন।

উত্তরঃ

আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগের দায়িত্ব বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে। এছাড়া বিচারকগণ নতুন আইন সংযোজন করে থাকেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার করতে গিয়ে উপযুক্ত আইন খুঁজে পাওয়া না গেলে বিচারকগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারের রায় প্রদান করেন যা আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তরঃ

ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষাকবচ বলতে স্বাধীন বিচার বিভাগকে বোঝায়। সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে। বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষা করে, মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেয়। ব্যক্তির স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষায় বিশেষ কিছু পদ্ধতিও অবলম্বন করে বলেই বিচার বিভাগকে ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উত্তরঃ

বিচারবিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করে। নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমেই এ বিভাগ ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

উত্তরঃ

বিচারবিভাগের কয়েকটি রিট এর নাম হলো-
১. ম্যানডেমাস রিট
২. সার্টিওয়ারি রিট
৩. প্রহিবিশন রিট
৪. হেবিয়াস কর্পাস রিট ইত্যাদি।

উত্তরঃ

রিট আবেদন জারি করার ক্ষমতা বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত। রিট এর মাধ্যমে অধিকারবঞ্চিত যে কোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিতে পারে।

উত্তরঃ

প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধস্তন আদালতসমূহের বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধির জন্য সুষ্ঠু প্রশাসনিক মিথিলতা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সাথে জনগণের সহযোগিতা।

উত্তরঃ

সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত। যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয় বলেই সচিবালয়কেই দেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন বলা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির। ঐ সময়ে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী করার প্রয়োজন পড়ে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রশাসন স্তরগুলো যথা- ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত।

উত্তরঃ

পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির। ঐ সময়ে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী করার প্রয়োজন পড়ে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো যথা- কেন্দ্র, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত।

উত্তরঃ

সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।

উত্তরঃ

সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে। একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন মন্ত্রী। যাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

উত্তরঃ

মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উত্তরঃ

কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব। ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।

উত্তরঃ

স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায়। প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের উদাহরণ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশকে ৮টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ ৪. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের উদাহরণ।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তিন স্তর বিশিষ্ট। যথা-১. ইউনিয়ন পরিষদ; ২. থানা বা উপজেলা পরিষদ; ৩. জেলা পরিষদ।

সাধারণত গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। ইউনিয়ন পরিষদে একজন নির্বাচিত চেয়ারমান, নয়জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিনজন নির্বাচিত মহিলা সদস্য। পূর্বে একটি ইউনিয়ন তিনটি ওয়ার্ডে বিভক্ত ছিল। সংশোধিত আইনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯ (নয়) টিতে উন্নীত করা হয়েছে।

উত্তরঃ

আইনের বিধান অনুযায়ী নিম্নোক্তদের সমন্বয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হবে।
ক. চেয়ারম্যান
খ. ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান (যার মধ্যে একজন নারী)
গ. উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
ঘ. উপজেলার এলাকাভুক্ত পৌরসভার মেয়র ও
ঙ. সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত নারী সদস্যগণ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার ৬ জুলাই ২০০০ সালে 'জেলা পরিষদ আইন ২০০০' প্রবর্তন করে। একজন চেয়ারমান, পনেরো জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত। জেলা পরিষদের মেয়াদ বা কার্যকাল থাকবে পাঁচ বছর।

উত্তরঃ

শহর এলাকার স্থানীয় শাসন সংস্থাটির নাম পৌরসভা। বাংলাদেশে প্রত্যেক পৌর বা শহর এলাকার জন একটি করে পৌরসভা আছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ছোট বড়ো মোট ৩৩১টি পৌরসভা রয়েছে।

উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশন হলো শহর এলাকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি শহর এলাকার জনগণের জীবন ধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য। শহরের নানাবিধ সমস্যা সমাধান, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন একজন মেয়রও কতিপয় নির্বাচিত কাউন্সিলরের। সমন্বয়ে গঠিত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে ১৩টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনগুলো হলো ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও বগুড়া। দেশের সর্বশেষ ১৩তম সিটি কর্পোরেশন বগুড়া।

উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হলেন মেয়র, যিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন-পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করায় এবং বহুলাংশে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারায় সিটি কর্পোরেশনকে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বলা হয়। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বারা তা পরিচালিত হয় এবং ওই জনগণের নিকট তা দায়িত্বশীল থাকে। সিটি কর্পোরেশনও এ উপায়ে গঠিত ও পরিচালিত হওয়ায় একে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বলা হয়।

উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশন হলো শহর এলাকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি শহর এলাকার জনগণের জীবন ধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য। শহরের নানাবিধ সমস্যা সমাধান, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন একজন মেয়রও কতিপয় নির্বাচিত কাউন্সিলরের সমন্বয়ে গঠিত।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত ও সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে শাসন বিভাগ বলে।

উত্তরঃ

আইন বিভাগের একটি অংশ আইনসভা।

উত্তরঃ

ব্রিটেনের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।

উত্তরঃ

মুসলিম রাষ্ট্রের অধিকাংশ আইনসভার নাম মজলিস।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।'

উত্তরঃ

ব্রিটেনের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ

একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কূটনৈতিক দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।

উত্তরঃ

আইন বিভাগের কাজ হলো আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করা।

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের কাজ হলো- আইন ভঙ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা।

উত্তরঃ

যুদ্ধ, বহিঃশত্রুর আক্রমণ, বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের স্বার্থে রাষ্ট্রপতির জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতাই হলো রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতা।

উত্তরঃ

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারপ্রধানের পদবি হলো প্রধানমন্ত্রী।

উত্তরঃ

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধানের পদবি হচ্ছে সচিব।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।

উত্তরঃ

সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির নামে সকল কাজ পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।

উত্তরঃ

সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নেতৃত্ব প্রদান করেন।

উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী সংসদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রিসভার মূল স্তম্ভ।

উত্তরঃ

সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে বর্তমানে 'জাতীয় সংসদের সদস্যসংখ্যা ৩৫০।

উত্তরঃ

সংবিধানের আমানতদার হচ্ছে জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ

নির্বাচিত ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনিত সদস্যদের দ্বারা আইনসভা গঠিত হয়।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী সংসদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রিসভার মূল স্তম্ভ।

উত্তরঃ

সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে একটি হচ্ছে আইন বিভাগ।

উত্তরঃ

আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।

উত্তরঃ

আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

উত্তরঃ

সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

উত্তরঃ

সরকারের, যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের সকল আদালত এবং বিচারপতিদের নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনতা বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ হলো বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ হলো বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা।

উত্তরঃ

সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা -শাসনব্যবস্থাই স্থানীয় প্রশাসন।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই স্থানীয় প্রশাসনের মুখ্য উদ্দেশ্য।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তরভুক্ত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর হলো জেলা প্রশাসন।

উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসংখ্যা ১৩ জন।

উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তরের কর্মকর্তা হলো সহকারী সচিব।

উত্তরঃ

সচিবালয় হলো শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্রস্বরূপ।

উত্তরঃ

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন সচিব।

উত্তরঃ

বর্তমানে দেশে ৪৯৫টি উপজেলা আছে।

উত্তরঃ

উপজেলা ব্যবস্থা সর্বপ্রথম ১৯৮৩ সালে প্রবর্তন করা হয়।

উত্তরঃ

শহর এলাকার স্থানীয় শাসন সংস্থা হলো সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।

উত্তরঃ

অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্য সেবাকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

উত্তরঃ

প্রশাসনিক কর্মকান্ডে যুগ্ম সচিবের পরে উপ-সচিবের অবস্থান।

উত্তরঃ

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।

উত্তরঃ

৬ জুলাই ২০০০ সালে জেলা পরিষদ আইন প্রবর্তিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে সচিবালয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সচিব।

উত্তরঃ

প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে যুগ্ম সচিবের পরে উপ-সচিবের অবস্থান।

উত্তরঃ

বর্তমান বাংলাদেশে প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো- ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিয়ে গঠিত।

উত্তরঃ

সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসনব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ সচিবালয় আমলাতান্ত্রিকভিত্তিক।

উত্তরঃ

স্থানীয় শাসনব্যবস্থা বলতে স্থানীয় পর্যায়ের বিভাগীয় জেলা এবং উপজেলা শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।

উত্তরঃ

বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন প্রধান কর্মকর্তা।

উত্তরঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসক হলেন জেলার মধ্যমণি।

উত্তরঃ

উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের শাসনকে বোঝায়।

উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদ সর্বাপেক্ষা প্রাচীন স্থানীয় পরিষদ।

উত্তরঃ

১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় আইন পাস হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ৪৫৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তারা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

সংরক্ষিত আসন ছাড়াও মহিলারা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা প্রতিদিনের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে শাসন বিভাগ বলে। ব্যাপকঅর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী রাহিনী, কূটনেতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য, চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীকে নিয়ে শাসন বিভাগ গঠিত।

উত্তরঃ

সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হচ্ছে আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে 'প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট, আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি, লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে এবং এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। তার - পরামর্শও নির্দেশক্রমে অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে তা - উপস্থাপন করেন। বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক নীতির প্রতিফলন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের আইনি কার্যাবলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত। নির্বাহী বিভাগে পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে। দেশের সরকার গঠন, বিচারপতি নিয়োগ, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা, কূটনীতিবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন। আবার প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি সব কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই করে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদ ও মন্ত্রিসভার নেতা। তদুপরি শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।

উত্তরঃ

সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পছন্দমতো মন্ত্রীদের নিয়ে সরকার গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন। রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহাহিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত, হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। প্রতিটি নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের ও প্রতি নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদ আলোচনা করে। সময়ে সময়ে তিনি সংসদে বাণীও প্রেরণ করেন। তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন ও প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে ভেঙে দিতে পারেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থার কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন। সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন। বিচার, অর্থ, পররাষ্ট্র এবং শাসন বিষয়ক সকল কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও মতামত অনুযায়ী পরিচালিত হয়। প্রধানমন্ত্রী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেন।

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা। প্রধানমন্ত্রী সংসদের সাফল্যজনক পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। বিরোধী দলের আম্পা অর্জন ও সহযোগিতা পেতে তিনি নেতৃত্বদান করেন। সংসদে সকল সদস্যের অধিকার সংরক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অনেক। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা' ভেঙে দেন।

উত্তরঃ

আইন বিভাগ বা জাতীয় সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে। প্রয়োজনে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও ন্যায়পালকে অপসারণ করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে। এজাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিচার সংক্রান্ত কাজ সংসদ পরিচালনা করে।

উত্তরঃ

সংসদ কার্যত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে বলতে বোঝায় এটি আইন প্রণয়ন, সরকারের বাজেট অনুমোদন এবং সরকারের কর্মকাণ্ডের তদারকি করার ক্ষমতা রাখে। সংসদ সদস্যরা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন এবং সরকারের কাজের ওপর নজর রাখেন। প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ সংসদের গণতান্ত্রিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

উত্তরঃ

সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের বিচারকদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দেন। নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ দিয়ে থাকে বাংলাদেশ জুডিসিয়ারি সার্ভিস, কমিশন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এ নিয়োগ হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে। প্রয়োজনে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও ন্যায়পালকে অপসারণ করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে। এ জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিচারসংক্রান্ত কাজ সংসদ পরিচালনা করে।

উত্তরঃ

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই রাষ্ট্রের প্রধান। সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন এবং সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন। তাঁর অনেকগুলো কাজের মধ্যে বিচারপতি নিয়োগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন। প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণ ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উত্তরঃ

প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আইন অমান্যকারীর বিচার করা বিচার বিভাগের প্রধান কাজ। এক্ষেত্রে রিচারকগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। দেওয়ানি ফৌজদারি প্রভৃতি যেকোনো মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিচার বিভাগ সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।

উত্তরঃ

সাধারণত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগের দায়িত্ব বিচার. বিভাগের ওপর ন্যস্ত হয়। এছাড়াও বিচারকগণ নতুন আইন সংযোজন করে থাকেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার করতে গিয়ে উপযুক্ত আইন খুঁজে পাওয়া না গেলে বিচারকগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারের রায় প্রদান করে, যা আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তরঃ

নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনই, হলো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় বলে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন জনগণের স্বশাসনে রূপ নেয়। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ। তাই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয় বলে তাকে জেলার মধ্যমণি বলা হয়। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য ও প্রশাসনের প্রবীণ কর্মকর্তা। তাকে কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত হয়। এ কারণেই তিনি হলেন জেলার মধ্যমণি।

উত্তরঃ

আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব অনেক বেশি। বর্তমানে রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল হওয়ায় সরকারের একার পক্ষে রাজধানীতে বসে দেশের সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা, নানা বিষয়ে দৈনন্দিন নজর রাখা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা সম্ভব নয়। স্থানীয় শাসনের দ্বারা এটি সম্ভব হয়। স্থানীয় শাসনের দ্বারা কেন্দ্রের মুখাপেক্ষি তা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মুক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় ও বাস্তবতার আলোকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এজন্য স্থানীয় শাসনের গুরুত্ব অনেক বেশি।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করেই জেলার, প্রশাস্ত্র পরিচালিত ও-আবর্তিত হয়। বাংলাদেশ সচিবালয়, গৃহীত শায়নসংক্রান্ত 'সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কাজ তদারক করা, সরকারি নীতিনির্ধারণ এবং সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সরকারকে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করা জেলা প্রশাসনের শাসনসংক্রান্ত কাজ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনিই সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা এবং তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে সরকারের পতন ঘটে। তাকে কেন্দ্র করেই শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে - নিয়োগ দিলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে - তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা, ৬: পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। তাই বলা যায়, জনকল্যাণই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন।

উত্তরঃ

স্থানীয় শাসনব্যবস্থা হলো নির্দিষ্ট এলাকায় স্থানীয় জনগণের স্ব-শাসন ব্যবস্থা। স্থানীয় শাসনব্যবস্থা গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করে। বর্তমানে গণতন্ত্র হলো প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা। গণতান্ত্রিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার উপায় হলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা শক্তিশালী ও কার্যকরী দুটি প্রতিষ্ঠান। গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি, শিক্ষার বিস্তার, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা ও সুযোগ-সুবিধা পৌছে দিতে স্থানীয় শাসনব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উত্তরঃ

সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্রস্বরূপ। নিচে ডায়াগ্রামের মাধ্যমে বালাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার রূপরেখা দেখানো হলো-

উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয় এবং ঐ জনগণের নিকট তা দায়িত্বশীল থাকে। আধুনিক জাতীয় রাষ্ট্রগুলোর আয়তন বড় এবং জনসংখ্যা বিপুল। কাজেই কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক সরকারের পক্ষে সকল সমস্যা সমাধান সম্ভব হয় না। তাই স্থানীয় সমস্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সমাধানের জন্য স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।। তাছাড়া স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ফলে জাতীয় সরকারের কাজের চাপ কমে এবং স্থানীয় সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে না। তাই স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রশাসনিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয়। সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত, যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্রস্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। সচিবালয় কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে গঠিত। এক একটি মন্ত্রণালয় এক একজন মন্ত্রীর অধীনে ন্যস্ত। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে একজন সচিব আছেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক। প্রধান এবং মন্ত্রীর প্রধান পরামর্শদাতা। মন্ত্রণালয়ের সকল প্রশাসনিক
ক্ষমতা সচিবের হাতে।

উত্তরঃ

মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব। সরকারি কর্ম। কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিস্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিস্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার স্থানীয় জনগণের পরিচালিত সরকার। এককথায় জনগণের সরকার। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। ফলে গণতন্ত্রের মৌলিক বিষয়টি স্থানীয় সরকারে দেখা যায়। ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায় এভাবে এ সরকার গণতন্ত্রের পথকে মসৃণ করে। তাই বলা যায়, এ সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।

উত্তরঃ

নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি

উত্তরঃ

আইন প্রণয়ন করা

উত্তরঃ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

উত্তরঃ

পার্লামেন্ট

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

উত্তরঃ

প্রধানমন্ত্রী

উত্তরঃ

আইন সংযোজন করা

উত্তরঃ

বিচার বিভাগের প্রাধান্য

উত্তরঃ

নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও অধিকার সংরক্ষণ

উত্তরঃ

স্বাধীন বিচার বিভাগের মাধ্যমে

উত্তরঃ

মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ

উত্তরঃ

মহাপরিচালক

উত্তরঃ

প্রশাসনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি

উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশনের প্রধানকে মেয়র বলা হয়

58
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৌরসভা বাংলাদেশের শহরাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার একটি একক। বাংলাদেশে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ মহানগরগুলোর ১২টি সিটি কর্পোরেশন ছাড়া ৩৩১টি পৌরসভা আছে। বৃহত্তম পৌরসভা হলো বগুড়া।

644
উত্তরঃ

'স্থানীয় প্রশাসন' বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসনব্যবস্থাকে বুঝায়। প্রশাসনের সুবিধার্থে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থার সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ন্ত্রণকে নিম্নস্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য।

908
উত্তরঃ

আমাদের দেশে জনাব 'ক'-এর অবস্থান হলো স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোর তৃতীয় স্তরে। অর্থাৎ জনাব 'ক' একজন জেলা প্রশাসক।

বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনে বিভাগের পরেই জেলার অবস্থান। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি।

তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য। উদ্দীপকে জনাব 'ক'-এর কার্যাবলির সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যাবলির সাদৃশ্য বিদ্যমান থাকায় তাকে আমরা জেলা প্রশাসক হিসেবে অভিহিত করতে পারি। তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরেই তার স্থান। তাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনার জন্য তাঁকে বহুবিধ কার্য সম্পাদন করত হয়। অতএব নিঃসন্দেহে বলা যায়, জনাব 'ক' আমাদের দেশের একজন জেলা প্রশাসক।

553
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জনাব 'ক' একজন জেলা প্রশাসক হিসেবে বহুবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।

একজন জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক। উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি, জেলা প্রশাসক জনাব 'ক' ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিসেবে জেলার ভূমিরাজস্ব ও অন্যান্য কর ধার্য ও আদায় করেন। আবার তিনি জেলার একজন প্রথম শ্রেণির বিচারক হিসেবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ে গৃহীত শাসনসংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজ তদারক করা, সরকারি নীতি নির্ধারণ এবং সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সরকারকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা জেলা প্রশাসনের শাসনসংক্রান্ত কাজ। আবার সমন্বয় সাধনসংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করেন। জেলা প্রশাসক জেলার উন্নয়নের জন্য জেলার গণ্যমান্য লোকদের সাথে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সেসবের সমাধানের লক্ষ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। স্থানীয় শাসনসংক্রান্ত কাজ, সেবামূলক কাজ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত কাজ, শান্তি রক্ষামূলক কাজসহ একজন জেলা প্রশাসক জেলার প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে বহুবিধ দায়-দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জেলার প্রকাশনা ও সংবাদপত্র বিভাগের প্রধান নিয়ন্ত্রক। তিনি জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। আগ্নেয়াস্ত্র, স্পিরিট, বিষ প্রভৃতির লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব তার ওপরই ন্যস্ত। এছাড়াও জেলা প্রশাসক জেলার প্রতিরোধমূলক বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। তিনি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট কাজ পরিচালনা, তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করে থাকেন। কাজেই জেলা প্রশাসককে জেলার পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রক বলা হয়।

539
উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয় এবং ওই জনগণের নিকট তা দায়িত্বশীল থাকে। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।

525
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews